ঢাকা, বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ১:৩১:৪০

বিয়ের অনুমতি না পেয়ে স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যা!

সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা থানার বাগমারা গ্রামে মুন্নী আক্তার নামের এক গৃহবধূকে শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মারার অভিযোগ পেয়েছে পুলিশ। আজ রোববার সকালে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনায় নেওয়ার পথে মুন্নী আক্তার মারা যান। পুলিশের বক্তব্য, দ্বিতীয় বিয়ের অনুমতি না দেওয়ায় মুন্নী আক্তারকে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মারেন তাঁর স্বামী মুসা গাজী। ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছেন তিনি। পাটকেলঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্লা জাকির হোসেন স্থানীয়দের বরাত দিয়ে গণমাধ্যমকে জানান, গত পাঁচ মাস আগে মুন্নী আক্তার একটি ছেলে সন্তানের জন্ম দেন। সন্তান হওয়ার পর থেকে মুসা গাজী দ্বিতীয় বিয়ে করার জন্য স্ত্রীর কাছে অনুমতি চান। কিন্তু তিনি অনুমতি না দেওয়ায় তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এ কারণে মুসা প্রায়ই স্ত্রীকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করতেন। অনেক রাতে স্ত্রীকে জোর করে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে বাইরে চলে যেতেন। ওসি আরো জানান, গতকাল শনিবার রাতে ঘুমন্ত মুন্নীর শরীরে কেরোসিন ছিটিয়ে আগুন ধরিয়ে দেন মুসা। এর পর তিনি নিজেই আবার স্ত্রীর শরীরের আগুন নেভাতে গিয়ে কিছুটা দগ্ধ হন। পরে দগ্ধ মুন্নী ও মুসাকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মুন্নীর অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে খুলনায় পাঠানো হয়। যাওয়ার পথে ডুমুরিয়া উপজেলার চুপনগরে তিনি মারা যান। সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ফরহাদ জামিল বলেন,‘মুন্নির দেহের ৮০ শতাংশ পুড়ে যাওয়ায় তিনি মারা গেছেন।’ সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার আলতাফ হোসেন বলেন, খুলনায় নেওয়ার পথে মারা যান মুন্নী আক্তার। তাঁর লাশ বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ঘটনরা পর তাঁর স্বামী সদর হাসপাতাল থেকে পালিয়ে গেছে। তাঁকে আটকের চেষ্টা চলছে। কেআই/ডব্লিউএন

কুষ্টিয়ায় বাস পুকুরে পড়ে আহত ১৭

কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার বাটিকামারা এলাকায় একটি যাত্রীবাহী বাস সড়কের পাশে পুকুরে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় কমপক্ষে ১৭ জন আহত হয়েছেন। কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী সড়কের কুমারখালীর বাটিকামারা সরকারি মৎস্য হ্যাচারির সামনে আজ শনিবার বেলা আড়াইটার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে বাসটির ১৭ জন যাত্রী আহত হন। তাঁরা হলেন মনির হোসেন (২৫), আমানত আলী (৫০), আলম হোসেন (২৮), ফরিদা খাতুন (৩০), আবদুর রহমান (৬০), সাইদুল ইসলাম (৩৫), গোলাম নবী (৫০), মাহমুদুল কবির (৩০), তরুন (৪৫), সিরাজুল ইসলাম (৩০), রাব্বি (৭), মেরিনা খাতুন (৩০), আবদুল কাদের (২৮), পলাশ (২৫), রফিকুল ইসলাম (১৮), মিঠুন (৪২) ও তাজেম আলী (৩৫)। আহতদের উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল ও কুমারখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, যাত্রীবাহী ওই বাসটি স্বাভাবিক গতিতেই কুষ্টিয়ার দিকে যাচ্ছিল। মৎস্য হ্যাচারির সামনে পৌঁছার পর বিকট শব্দ হয়ে সামনের একটি চাকা ফেটে গেলে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে সড়কের পাশের পুকুরের পানিতে পড়ে যায়। কুমারখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, আহত ১৭ জনকে ওই হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে গুরুতর আহত তিনজনকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল খালেক বলেন, ঘটনার পরপরই ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। বাসটি উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

কুষ্টিয়ায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ১

কুষ্টিয়ার পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ এক যুবক নিহত হয়েছেন। নিহত যুবকের নাম টেনি (২৭)। পুলিশের দাবি টেনি একজন দুর্ধর্ষ সস্ত্রাসী। মঙ্গলবার ভোর পৌনে ৪টার দিকে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার পিপুলবাড়িয়া-বালিয়াডাঙ্গা মাঠের মধ্যে এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ ১টি বিদেশি পিস্তুল, ১টি ম্যাগজিন ও ২ রাউন্ড পিস্তলের গুলি উদ্ধার করেছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিহত টেনি উপজেলার আড়িয়া ইউয়িনের ছাতারডাড়া গ্রামের আলম মন্ডলের ছেলে। তার বিরুদ্ধে হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ দারা থান গণমাধ্যমকে বলেন, একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী দৌলতপুর-কাতলামারী সড়কের পিপুলবাড়িয়া-বালিয়াডাঙ্গা মাঠের মধ্যে অবস্থান করছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে এসআই রহিমের নেতৃত্বে পুলিশের টহল দল সেখানে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালালে একপর্যায়ে সন্ত্রাসীরা পিছু হটে। এসময় ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ একজনকে উদ্ধার করে দৌলতপুর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে টেনির পরিবারের লোকজন ও স্থানীয়রা তাকে শনাক্ত করেন। তিনি বলেন, উভয় পক্ষের ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ৩ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে ১টি বিদেশি পিস্তল, ম্যাগজিন ও গুলি উদ্ধার হয়েছে।   /আর/এআর

যশোরে ছুরিকাঘাতে আ`লীগ নেতা নিহত

যশোরে ঝিকরগাছায় দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে আওয়ামী লীগের এক নেতা নিহত হয়েছেন। রোববার রাতে দিকদানা মাঠে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সিদ্দিকুর রহমান (৪৫) ঝিকগাছা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ সভাপতি। বাঁকড়া মহিলা কলেজের প্রভাষক জাহাঙ্গীর হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, রোববার রাত ৮টার দিকে দিকদানা মাঠের ভিতর দিয়ে যাওয়ার সময় আহত অবস্থায় সিদ্দিকুর রহমান দেখি। পরে তাকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক আ.ফ.ম বজলুর রশিদ টুলু জানান, চিকিৎসাধীন অবস্থায় সিদ্দিকুর মারা যান। তার শরীরের একাধিকস্থানে ছুরির আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ঝিকরগাছার বাঁকড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক সিকদার মতিয়ার রহমান জানান, সিদ্দিকুর রহমান রোববার সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে বাঁকড়া বাজারের উদ্দেশ্যে রওনা হন। পথে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা তাকে কুপিয়ে আহত করে ফেলে রাখে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে যশোর সদর হাসপাতালে নিলে তার মৃত্যু হয়। বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা জানার চেষ্টা চলছে।   /আর/এআর

খামারে ব্যবসায়ী দুই বন্ধুর লাশ

মাগুরায় পোলট্রি খামার থেকে দুই ব্যবসায়ী বন্ধুর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তাঁদের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করছেন চিকিৎসকরা। মাগুরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইলিয়াস হোসেন গণমাধ্যমকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। দুই ব্যবসায়ী হলেন মাগুরা সদর উপজেলার সাজিয়াড়া গ্রামের টিটুল কাজী (৩০) ও দারিয়াপুর গ্রামের মো. হাসান (২৮)। সাজিয়াড়া গ্রামের বাসিন্দা ইমরান হোসেন বলেন, টিটুল কাজী ও মো. হাসান দুজন ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন। সাজিয়াড়ায় টিটুল কাজীর ও দারিয়াপুরে মো. হাসানের পোলট্রির খামার আছে। বুধবার ভোর ছয়টার দিকে টিটুল কাজীর খামারে মুরগির খাবার দিতে গিয়ে এক কর্মচারী দেখেন, টিটুল কাজী ও মো. হাসান মৃত অবস্থায় খামারের ভেতর পড়ে আছেন।পরে সকাল পৌনে সাতটার দিকে টিটুল কাজীকে মাগুরা সদর হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। রাতে টিটুল কাজীর খামারে মো. হাসান বেড়াতে এসেছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। মাগুরা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক রবিউল ইসলাম বলেন, সকালে টিটুল কাজীকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। সম্ভবত বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একটি হাতের কিছু জায়গা পুড়ে যাওয়ার চিহ্ন ছিল। আরকে//এআর

চুয়াডাঙ্গায় ঈদের নামাজকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ১৩

চুয়াডাঙ্গায় ঈদের নামাজ পড়াকে কেন্দ্র করে দুই দল গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষের ১৩ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে জয়নাল আবেদিন (৪০) নামে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। আজ শনিবার জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার হাপানিয়া গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন হাপানিয়া গ্রামের হাসান মিয়া (৩২), মিলন আলী (২২), মহিবুল ইসলাম (৩৮), সেলিম রেজা (৩২), আজিজুল হক (৫০), জয়নাল আবেদিন (৪০), মতিয়ার রহমান (৫০), আব্দুল গফুর (৩০), উসমান গণি (৪৫), আব্দুল কুদ্দুস (৪৫), মকলেছ মিয়া (২২), ঠান্ডু মিয়া (৩৮) ও মো. বুকল (৩৬)। চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার নিজাম উদ্দীন গণমাধ্যমকে জানান, ঈদগাহে নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও নামাজ শুরু না হওয়ায় গ্রামের একটি অংশ প্রতবাদ করে। এ নিয়ে গ্রামের মুসল্লিরা দুভাগে বিভক্ত হয়ে এক পক্ষ নামাজ না পড়ে মাঠ ত্যাগ করেন। পরে নামাজ শেষে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে কমপক্ষে ১৩ জন আহত হন। আর/ডব্লিউএন

শিশু হত্যায় মাসহ চার জনের ফাঁসি

খুলনায় নয় বছরের শিশু হাসমি মিয়াকে হত্যার ঘটনায় তার মাসহ চারজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন খুলনার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত। মঙ্গলবার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোসাম্মাৎ দিলরুবা সুলতানা আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, হাসমির মা সোনিয়া আক্তার, মো. নুরুন্নবী, মো. রসুল ও মো. হাফিজুর রহমান। অপরাধে সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত না হওয়ায় অপর আসামি রাব্বি সরদারকে খালাস দিয়েছেন আদালত। উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ৯ জুন খুলনা নগরীর কার্ত্তিককুল এলাকা থেকে শিশু হাসমির বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে হাসমির বাবা মো. হাফিজুর রহমান বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার সূত্রে জানা যায়, নুরুন্নবীর সঙ্গে সোনিয়ার পরকীয়া প্রেমের জের ধরে মায়ের সামনেই জবাই করে হত্যা করা হয় শিশু হাসমিকে। পরে লাশ সিমেন্টের বস্তায় ভরে খুলনা বাইপাস সড়ক সংলগ্ন সরদার ডাঙ্গা বিলে ফেলে দেওয়া হয়। গ্রেপ্তার হওয়ার পর হাসমির মা সোনিয়া আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এসব তথ্য দেন।   আর/টিকে

কুষ্টিয়ায় বন্দুকযুদ্ধে সন্দেহভাজন জঙ্গি নিহত

কুষ্টিয়ায় বন্দুকযুদ্ধে নব্য জঙ্গিগোষ্ঠী জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) সন্দেহভাজন এক সদস্য নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছে পুলিশ। এ ঘটনা চার পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার বোয়ালিয়া মাঠের তিন রাস্তার মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি পিস্তল, দুটি গুলি, একটি ম্যাগাজিন ও তিনটি চাপাতি উদ্ধার করেছে। নিহত ব্যক্তির নাম আরমান আলী (৪২)। তিনি ভেড়ামারা উপজেলার ঠাকুর দৌলতপুর গ্রামের বাসিন্দা। আহত চার পুলিশ সদস্য হলেন—দৌলতপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শরিফুল, এসআই সুব্রত, কনস্টেবল সজীব ও নওশাদ। তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ দারা খানের ভাষ্য, আরমান নব্য জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশে সদস্য। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, একদল সন্ত্রাসী নাশকতার জন্য বোয়ালিয়া মাঠের বটতলায় বৈঠক করছে। খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে অভিযান চালালে সন্ত্রাসীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। তখন পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। উভয় পক্ষের বন্দুকযুদ্ধের একপর্যায়ে সন্ত্রাসীরা পিছু হটলে পরে ঘটনাস্থল থেকে নব্য জেএমবি সদস্য আরমান আলীকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে দৌলতপুর উপজেলা হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় পুলিশের চার সদস্য আহত হন। //আর//এআর

ইব্রাহিমের প্রথম ধাপের অস্ত্রোপচার সফল

টাকার অভাবে যখন বিনা চিকিৎসায় বাড়িতে শিশু ইব্রাহিমের মৃত্যুর প্রহর গুনছিল তার পরিবার। “সাতক্ষীরার আরও একটি শিশু বিরল রোগে আক্রান্ত”  সংবাদটি পত্র পত্রিকায়  প্রকাশ হওয়ার পর মিডিয়া পাড়ায়  তোলপাড় শুরু হয় শিশু ইব্রাহিমকে নিয়ে। সাতক্ষীরা সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু ইব্রাহিমকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্থা করেন। তবে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের চিকিৎসক শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. শামসুর রহমান জানিয়ে দেন শিশুটির চিকিৎসা এখানে সম্ভব নয়। শিশুটি চিরোনিক গ্রানুলোমেটাস রোগে আক্রান্ত। তিনি ব্যক্তিগত তহবিল থেকে দশ হাজার টাকা সহায়তা দেন শিশু ইব্রাহিমের চিকিৎসার জন্য। পরবর্তীতে তারই আহ্বানে সাড়া দিয়ে চট্টগ্রামের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সিভিও পেট্রোক্যামিক্যাল রিফাইনারী লিমিটেডের চেয়ারম্যান শামসুল আলামীন শিশুটির চিকিৎসার জন্য ৫০ হাজার টাকা সহায়তা পাঠান। পরবর্তীতে এএসপি মেরিনা আক্তারের আহ্বানে সাড়া দিয়ে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার শিক্ষক সমিতির নেতারা ১০ হাজার টাকা সহায়তা প্রদান করেন শিশুটির চিকিৎসা সেবায়। সেসব সহায়তার টাকায় গত ৩১ জুলাই শিশু ইব্রাহিমকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ণ ইউনিটের ৬২২ নম্বর বেডে ভর্তি করা হয়। সেখানে অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর আজ শনিবার সকালে শিশু ইব্রাহিমের প্রথম ধাপের অপারেশন সফল হয়েছে। তার অণ্ডকোষসহ আশেপাশে যে পচন ধরেছিলো সেগুলো অপসারণ করা হয়েছে। ইব্রাহিমের মামা মিনারুল ইসলাম এসব তথ্য গণমাধ্যমকে জানান, ডাক্তার জানিয়েছেন প্রথম ধাপের অপারেশন সফল হয়েছে। পরবর্তীতে বায়োপসি করা হবে। এরপর দ্বিতীয় ধাপের অপারেশন করা হবে। বর্তমানে শিশু ইব্রাহিম সুস্থ রয়েছে। শরীরে দীর্ঘ ৬ মাস থাকা জ্বরটা এখন নেই। জ্বালা যন্ত্রণাও কমে গেছে। শিশু ইব্রাহিম ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ণ ইউনিটের প্রধান ডা. সামন্ত লাল সেনের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন রয়েছে। কেআই/ডব্লিউএন

সুন্দরবনে র‌্যাব-বনদস্যুদের গোলাগুলি, আটক ২

সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের আন্ধারমানিক খালে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নে (র‌্যাব) সদস্যদের সঙ্গে বনদস্যুদের গোলাগুলি চলছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে র‌্যাব-৮-এর অধিনায়ক লে. কর্নেল আনোয়ারুজ্জামান গণমাধ্যমকে বিষয়টি জানিয়েছেন। এ সময় দুজনকে আটক করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে বেশ কিছু অস্ত্র। আনোয়ারুজ্জামান জানান, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে এ অভিযান শুরু হয়েছে। আন্ধারমানিক এলাকায় এখনো অভিযান চলছে। মুক্তিপণের দাবিতে জেলে অপহরণের পর জিম্মিদের নিয়ে বনদস্যু সুমন বাহিনী পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের আন্ধারমানিক খালে অবস্থান করছে—এমন খবরের ভিত্তিতেই অভিযান চালান র‌্যাব সদস্যরা। র‍্যাব অধিনায়ক জানান, খালের মধ্যে ওত পেতে থাকা দস্যুরা র‌্যাব সদস্যদের দেখামাত্র গুলি ছুড়তে থাকে। তখন র‍্যাবও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়। উভয়ের মধ্যে ঘণ্টাব্যাপী থেমে থেমে গুলি চলে। এ সময় দুজনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে একজন সুমন বাহিনীর দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা। বাকিরা বনে পালিয়ে যায় বলেও জানান র‍্যাব কর্মকর্তা। তিনি আরো জানান, পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। //এআর

ঘষিয়াখালী চ্যানেলে নৌ চলাচল শুরু

বাগেরহাটের রামপাল উপজেলায় ঘষিয়াখালী চ্যানেলে নৌ চলাচল শুরু হয়েছে। কালিগঞ্জ খেয়াঘাটে রোববার বিকালে শ্রমিকদের সঙ্গে উপজেলা প্রশাসনের বৈঠকে শ্রমিকরা চ্যানেল খুলে দিতে রাজি হয়। প্রসঙ্গত, কার্গো শ্রমিকদের ওপর ড্রেজার শ্রমিকদের হামলার পর শনিবার থেকে শ্রমিকরা বন্ধ করে দেয় ঘষিয়াখালী চ্যানেল। রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তুষার কুমার পাল গণমাধ্যমকে বলেন, বৈঠকে ড্রেজার কর্তৃপক্ষ দুঃখ প্রকাশ করেছে। নৌযান ভাংচুর ও শ্রমিকদের মারধরের ক্ষতিপূরণ বাবদ এক লাখ টাকা পরিশোধ করার পর সন্ধ্যায় চ্যানেলে নৌচলাচল স্বাভাবিক হয়। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ঘটনা না ঘটে সেজন্য সবাইকে সতর্ক করা হয়েছে।   //আর//এআর

ঝিনাইদহে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

ঝিনাইদহ শহরে দিনের বেলা এক স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। রোববার বেলা ১২টার দিকে শহরের টানপাড়া এলাকায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটে বলে জানা গেছে। জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ আকবর আলী গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নিহত ফিরোজ হোসেন (৩০) ছিলেন ঝিনাইদহ পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনি টানপাড়া এলাকার আনছার আলীর ছেলে। পুলিশ কর্মকর্তা আকবর আলী সাংবাদিকদের বলেন, রোববার বেলা ১২টার দিকে তিনি বাড়ি থেকে বের হয়ে মোটরসাইকেলে করে শহরের দিকে যাচ্ছিলেন। পথে পাঁচ-ছয়জন তাকে কুপিয়ে জখম করে চলে যায়। স্থানীয়রা তাকে সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।//এআর

প্রতিমন্ত্রীর ছাগল দেয়ার খবর ফেসবুকে : সাংবাদিক গ্রেফতার

‘প্রতিমন্ত্রী ছাগল দিলেন সকালে, মারা গেল রাতে’ শিরোনামের একটি সংবাদ ফেসবুকে শেয়ার করায় গ্রেফতার হয়েছেন খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার এক সাংবাদিক। সোমবার দিবাগত রাতে ডুমুরিয়া উপজেলা সদরের নিজ বাড়ি থেকে আবদুল লতিফ মোড়ল নামের ওই সাংবাদিককে গ্রেফতার করা হয়। খুলনা শহর থেকে প্রকাশিত দৈনিক প্রবাহের ডুমুরিয়া উপজেলা প্রতিনিধি ছিলেন তিনি। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দর দেওয়া একটি ছাগলের মৃত্যুর খবর ফেসবুকে শেয়ার করায় তার বিরুদ্ধে সুব্রত ফৌজদার নামে এক ব্যক্তি বাদী হয়ে ৫৭ ধারায় মামলাটি করেন। ডুমুরিয়া থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সংবাদমাধ্যমে ‘প্রতিমন্ত্রী ছাগল দিলেন সকালে, মারা গেল রাতে’ শিরোনামের একটি সংবাদ ফেসবুকে শেয়ার করেন আবদুল লতিফ। এতে প্রতিমন্ত্রীর একটি ছবি দেন এবং কটাক্ষ করে মন্তব্য করেন। এ কারণে সোমবার রাতে সুব্রত ফৌজদার নামে এক ব্যক্তি বাদী হয়ে ৫৭ ধারায় মামলাটি দায়ের করেন।   //আর//এআর

সুন্দরবনে ‘বন্দুকযুদ্ধে জলদস্যু’ নিহত

সুন্দরবনে র‌্যাবের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে জলদস্যু ছোট মজনু বাহিনীর প্রধান নিহত হয়েছে। রোববার সকালে সুন্দরবন পশ্চিম বিভাগের খুলনা রেঞ্জের কালাবগি স্টেশনের আরবানিয়া খাল এলাকায় রোববার সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।  ঘটনাস্থল থেকে র‌্যাব একটি একনলা বন্দুক, আটটি গুলি ও দুইট রামদা উদ্ধার করে। নিহত রউফ ওরফে রউফুলের (৪২) বাড়ি খুলানার কয়রা উপজেলায়। র‌্যাব-৬ এর অধিনায়ক খন্দকার রফিকুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, ‘ছোট মজনু বাহিনীর’ সদস্যরা স্থানীয় জেলে ও মৌয়ালদের কাছ থেকে চাঁদাবাজি করত, অপহরণও করত। গত শুক্রবার কালাবগি স্টেশনের স্টেশন কর্মকর্তা শ্যামা প্রসাদ রায়কে ‘হত্যার উদ্দেশ্যে’ জলদস্যু বাহিনীর সদস্যরা গুলি করে। এ ঘটনায় জড়িতদের ধরতে র‌্যাব অভিযান শুরু করে। সকালে আরবানিয়া খাল এলাকায় তারা অভিযান শুরু করলে ছোট মজনু বাহিনীর সদস্যরা র‌্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষার্থে র‌্যাবও পাল্টা গুলি ছোড়ে। তিনি বলেন, প্রায় আধাঘণ্টা উভয়পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি হয়। এক পর্যায়ে দস্যুবাহিনী পিছু হটলে তারা রউফের গুলিবিদ্ধ লাশ পড়ে থাকতে দেখেন। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আর/ডব্লিউএন

গাংনীতে জঙ্গি সন্দেহে ২ নারী আটক

মেহেরপুরের গাংনীর বামন্দী বাজার এলাকায় জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে দুই নারীকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বামন্দীর আখ সেন্টারপাড়ার সৌদি প্রবাসী মিশকাত আলীর দোতলা বাড়িটি ঘিরে রাখে মেহেরপুর জেলা পুলিশের একাধিক দল। এসময় আশেপাশের লোকজনকেও সরিয়ে নেয়া হয়।  পুলিশের আহ্বানে বাড়ির ভেতরের বাসিন্দারা বেরিয়ে আসার পুলিশ দোতলায় অভিযান শুরু করে। এসময় রজনী খাতুন (২০) ও মাবিয়া খাতুনকে (৩৫) দুই শিশু সন্তানসহ আটক করলেও কোনো বিস্ফোরক দ্রব্য কিংবা অস্ত্র পাওয়া যায়নি।  মেহেরপুর পুলিশ সুপার আনিছুর রহমান এক প্রেস বিফ্রিংয়ে বলেন, জঙ্গি সম্পৃক্ততার সন্দেহে তাদের আটক করা হয়। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। //আর//এআর  

স্বামীর সঙ্গে নির্বাচনী মাঠে শাবানা

চিত্রনায়িকা শাবানা তার স্বামী ওয়াহিদ সাদিকের সঙ্গে নির্বাচনী প্রচারে নেমেছেন। সাবেক শিক্ষামন্ত্রী এস কে সাদেকের ভাই ওয়াহিদ সাদিক আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-৬ আসন থেকে আওয়ামী লীগের টিকিটে লড়তে চান। ওয়াহিদ সাদিকের দাবি, তার স্ত্রীকে আওয়ামী লীগে যোগদানের আহ্বান জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নিজে না জড়ালেও স্বামী ওয়াহিদ সাদিক নেমেছেন রাজনীতির জটিল পথে, আর তাতে সহযাত্রী হয়ে নেমেছেন শাবানা। শাবানার স্বামী চলচ্চিত্র প্রযোজক ওয়াহিদ সাদিকের বড় ভাই এ এইচ এস কে সাদেক এক সময় এই আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। ১৯৯৬ সালের শেখ হাসিনার সরকারে শিক্ষামন্ত্রীও ছিলেন তিনি।  একই আসনে প্রচার শুরুর আগে মঙ্গলবার কেশবপুর উপজেলার বড়েঙ্গা গ্রামের পৈত্রিক বাড়িতে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন শাবানা-ওয়াহিদ। শাবানা বলেন, সন্তানদের সময় দিতে হয় বলে আমি রাজনীতিতে আসতে পারছি না। তবে আমার স্বামী রাজনীতিতে আসতে চান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকেও রাজনীতিতে আসার কথা বলেন। এসময় ওয়াহিদ সাদিক তার জন্মভূমি যশোর-৬ (কেশবপুর) সংসদীয় আসন থেকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে নির্বাচনের আগ্রহ প্রকাশ করেন। ওয়াহিদ সাদিক বলেন, সম্প্রতি অসুস্থ চিত্রপরিচালক আজিজুর রহমানের চিকিৎসার জন্য স্ত্রী, আলমগীর ও মৌসুমীকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে যাই। এসময় শেখ হাসিনা শাবানাকে রাজনীতিতে আসার প্রস্তাব দেন। মঙ্গলবার সপরিবারে কেশবপুরে আসেন শাবানা। উপজেলার বড়েঙ্গা গ্রামে তাদের উদ্যোগে শিশুদের বিনামূল্যে কোরআন শিক্ষা কার্যক্রমের আয়োজন করা হয়েছে। ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। ধর্মমন্ত্রী বড়েঙ্গা উত্তরপাড়া জামে মসজিদের জন্য ২ লাখ টাকা ও কোরআন শিক্ষা কার্যক্রমের জন্য ১ লাখ টাকা সরকারি অনুদানের ঘোষণা দেন। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি মিশা সওদাগর, ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ইউসুফ খান পাঠান এবং মন্ত্রীর এপিএস ও ময়মনসিংহ জেলার স্বেচ্ছাসেবক লীগের ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম সফিক। //এআর  

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি