ঢাকা, শুক্রবার, ২০ এপ্রিল, ২০১৮ ৩:১৩:২৬

দিনাজপুরে গ্রীষ্মকালীন টমেটোতে অজ্ঞাত রোগ (ভিডিও)

দিনাজপুরে অজ্ঞাত রেগে মারা যাচ্ছে টমেটো গাছ। শত শত গাছ মরে যাওয়ায় ক্ষতির মুখে পড়েছেন কৃষকরা। কৃষি বিভাগ বলছে, বাড়িতে তৈরি ব্যাকটেরিয়াযুক্ত বীজ বপনের কারণেই আক্রান্ত হচ্ছে টমেটো ক্ষেত। এ অবস্থায় হাইব্রিড জাতের বীজ ব্যবহারের পরামর্শ তাদের। উত্তরাঞ্চলে সবচেয়ে বেশি গ্রীষ্মকালীন টমেটোর আবাদ হয় দিনাজপুরে। ঢাকা, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, সিলেট, ময়মনসিংহ বিভিন্ন বাজারে যায় এখানকার টমেটো। প্রতিদিন এসব বাজারে এক থেকে দেড় কোটি টাকার বেচাকেনা হয়। তবে এবছর ভরা মৌসুমে কৃষকের মুখে হাসি নেই। পাকার আগেই ক্ষেতে দেখা দিয়েছে অজ্ঞাত রোগ। হঠাৎ করেই মরে যাচ্ছে গাছ। বালাইনাশকেও ফল মিলছে না। এতে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষক। বাড়িতে নিজেদের তৈরি বীজে ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া থাকার কারণেই টমেটো ক্ষেতে মড়কের কারণ বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ। এরইমধ্যে লিফলেট বিতরণ ও সমাবেশ করে কৃষকদের সচেতন করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছে তারা। এর আগে ২০১৬ সালেও একই রোগের প্রার্দূভাব দেখা দিয়েছিল। সে সময় নির্দিষ্ট ব্যবস্থাপত্র না পাওয়ায় বালাই নির্মুল হয়নি বলে দাবি করেছেন কৃষক। /  এআর /

চার বছর হিমঘরে থাকার পর কবর পাচ্ছে নীপার লাশ

প্রেমের টানে ঘর ছেড়েছিলেন নীলফামারীর নীপা রানী রায় (২০) ও হুমায়ুন ফরিদ লাজু (২৩)। হিন্দু থেকে মুসলিম ধর্মে ধর্মান্তরিত হয়ে হোসনে আরা লাইজু নামও নিয়েছিলেন নিপা। তারা বিয়েও করেছিলেন। আবার বিষপানে আত্মহত্যারও পথ বেছে নিয়েছিলেন তারা। আইনি জটিলতায় বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত লাইজুর লাশ রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতলের হিমঘরেই থেকে যায়। অবশেষে চার বছর মর্গে (হিমঘরে) থাকা ধর্মান্তরিত লাইজুর লাশ মুসলিম রীতিতে দাফনের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি হোসনে আরা লাইজুর দাফনের পূর্বে তার (লাইজু/নীপা) পরিবারকে (মা-বাবাকে) দেখার সুযোগ করে দিতে জেলা প্রশাসক (ডিসিকে) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এক আবেদনের চূড়ান্ত শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের বিচারপতি মো. মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরীর একক বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন। আদালতে মেয়ের বাবার পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট সমীর মজুমদার। অন্যদিকে ছেলের বাবার পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট এ কে এম বদরুদ্দোজা। মামলার বিবরণী অনুসারে, নীলফামারীর ডোমার উপজেলার বামুনিয়া ইউনিয়নের খামার বমুনিয়া গ্রামের অক্ষয় কুমার রায়ের মেয়ে নীপা রানী রায়ের (২০) সঙ্গে একই উপজেলার পূর্ব বোড়াগাড়ী গ্রামের জহুরুল ইসলামের ছেলে হুমায়ুন ফরিদ লাজুর (২৩) প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ২০১৩ সালের ২৫ অক্টোবর তারা পালিয়ে যান। এরপর নীপা রানী রায় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে ও মোছা. হোসনে আরা বেগম লাইজু নাম নেন। নীলফামারী নোটারি পাবলিক ক্লাবের মাধ্যমে অ্যাভিডেভিটে দুই লাখ ১ হাজার ৫০১ টাকা দেনমোহরে হুমায়ুন ফরিদ লাজুকে বিয়ে করেন তিনি। এরপর তারা স্বামী-স্ত্রী হিসেবে বসবাস করে আসছিলেন। এ অবস্থায় মেয়েটির বাবা অক্ষয় কুমার রায় ২০১৩ সালের ২৮ অক্টোবর বাদী হয়ে নীলফামারী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতে একটি অপহরণ মামলা দায়ের করে। মামলার পর তারা স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ের সব কাগজপত্রসহ আদালতে হাজির হয়ে জবানবন্দি দেন। পরে আদালত সার্বিক বিবেচনায় অপহরণ মামলাটি খারিজ করে দেন। পরে ২০১৪ সালের ১৫ জানুয়ারি লাইজুর স্বামী হুমায়ূন ফরিদ ওরফে লাজু ইসলাম বিষপান করে আত্নহত্যা করেন। লাজুর আত্নহত্যার বিষয়টি আদালতে উপস্থাপন করে লাইজুর বাবা তাকে নিজের জিম্মায় নিতে আদালতে আবেদন করেন। আদালত তা মঞ্জুর করলে ২০১৪ সালের ১৬ জানুয়ারি মেয়েকে নিয়ে বাবা তার বাড়িতে চলে যান। তবে মেয়েকে অপ্রাপ্তবয়স্ক ও মস্তিস্ক বিকৃতি (পাগল) দাবি করে আদালতে দায়ের করা মামলাটি চলমান থেকে যায়। ২০১৪ সালের ১০ মার্চ কীটনাশক পান করে আত্মহত্যা করেন নীপা। পরে ডোমার থানা পুলিশ হাসপাতাল থেকে মেয়েটির লাশ উদ্ধার করে নীলফামারী জেলার মর্গে নিয়ে ময়নাতদন্ত করে। এরপর পুত্রবধূ দাবি করে তার শ্বশুড় জহুরুল ইসলাম ইসলামী শরিয়ত মোতাবেক নীপার দাফন ও মেয়েটির বাবা অক্ষয় কুমার রায় হিন্দু শাস্ত্র অনুসারে মেয়ের সৎকারের জন্য নীলফামারী জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে আবেদন করেন। আদালতে উভয়পক্ষের শুনানি নিয়ে লাইজুর লাশ তার শ্বশুরের কাছে হস্তান্তরের নির্দেশ দেন। ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের এই আদেশের বিরুদ্ধে লাইজুর বাবা আপিল করেন। এরপর জজ আদালত লাইজুর লাশ তার বাবার কাছেই হস্তান্তরের নির্দেশ দেন। কিন্তু সেই আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আবেদন করেন তার শ্বশুর। বৃহস্পতিবার সেই আবেদনের নিষ্পত্তি করে আদালত আদেশ দেন। একে// এআর

বাল্য বিয়ে ভাঙতে থানায় কিশোরী

নিজের বিয়ে ভাঙতে বাড়ি থেকে পালিয়ে থানায় গিয়ে অভিযোগ করেছে সাগরিকা নামে এক কিশোরী। অভিযোগকারী ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী। বিষয়টি আমলে নিয়ে পুলিশ ওই ছাত্রীর বাবা ও খালুকে ডেকে লিখিত মুচলেকা নিয়েছে। সোমবার ভোরে বাড়ি থেকে পালিয়ে রংপুরে গিয়ে থানায় অভিযোগ করে সাগরিকা। সে রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার বেইলি ব্রিজ এলাকার আলম মিয়ার মেয়ে। আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন “ভলান্টিয়ার সার্ভিস ওভারসিসের” (ভিএসও) কর্মী ফুয়াদ হাসান জানান, সাগরিকার মা-বাবা গাজীপুরের শ্রীপুর এলাকায় পোশাক কারখানায় কাজ করেন এবং সাগরিকা সেখানকার একটি স্কুলে ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়াশোনা করছে। ছয়দিন আগে সাগরিকার খালু রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার বেইলি ব্রিজ এলাকার জহুরুল হক তাকে গ্রামে নিয়ে এসে একই এলাকার এক ছেলের সঙ্গে বিয়ের কথা চূড়ান্ত করলে তিনদিন আগে পারিবারিকভাবে সাগরিকাকে আংটিও পরানো হয়। আজ মঙ্গলবার বিয়ের কাজ সম্পন্ন করতে আয়োজন শুরু করেছিলেন জহুরুল হক। কিন্তু কম বয়সে বিয়ে করতে রাজি নয় সাগরিকা। তাই গতকাল সোমবার ভোরে বাড়ি থেকে পালিয়ে রংপুরে এসে ওই ছাত্রী শহরের কেরানিপাড়ায় ঘোরাঘুরি করার সময় স্থানীয় এক ব্যক্তি তার পরিচয় জানতে চাইলে সে সব খুলে বলে। পরে ওই ব্যক্তি দুপুর আড়াইটার দিকে তাকে কোতোয়ালি থানার গেটে পৌঁছে দেন। পরে থানা থেকে তার বাবা, খালু ও স্থানীয় ইউপি সদস্যের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদেরকে থানায় নিয়ে এসে রাত ১১টার দিকে মুচলেকা নেওয়া হয়। এবং পরে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। কোতোয়ালি থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাবুল মিঞা জানান, ছয় বছরের আগে বিয়ে না দেওয়ার শর্তে অভিভাবকদের কাছ থেকে লিখিত নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। একে// এআর

বৈশাখ উপলক্ষে বাড়ছে পাল সম্প্রদায়ের ব্যস্ততা (ভিডিও)

পহেলা বৈশাখকে সামনে রেখে গাইবান্ধার পাল পাড়ায় পুরোদমে চলছে মাটির খেলনাপাতি তৈরির কাজ। বাহারি খেলনায় রঙ্গিন হয়ে উঠেছে পাল পাড়ার সব উঠোন। ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন কোচাশহরের পাল সম্প্রদায়। গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের কোচাশহর, সুন্দরগঞ্জের কঞ্চিবাড়ী ও সিচাসহ কয়েকটি গ্রামের পাল সম্প্রদায়ের অনেক মানুষই মাটি দিয়ে খেলনা ও ঘর সাজানোর বিভিন্ন উপকরণ তৈরি করেন। আকর্ষণীয় হওয়ায় মাটির তৈরি জিনিসের চাহিদাও বেশ। নববর্ষকে সামনে রেখে রং-বেরঙের খেলনা আর শৌখিন সামগ্রীতে ভরে উঠেছে পাল পাড়ার সব উঠোন। বাড়তি রোজগারে খুশি কারিগররাও। ফুটপাত ও বাজারে মাটির তৈরি খেলনাপাতি ও বাঁশিসহ নানা সামগ্রী সাজিয়ে বসেছেন দোকানিরা। এদিকে, নববর্ষ উদ্যাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন সাংস্কৃতিক কর্মীরাও। সকল শ্রেণী-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে আনন্দময় হয়ে উঠবে নববর্ষ উদযাপন, এমনটাই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।

যাত্রার সুদিন ফেরাতে নতুন উদ্যোগ [ভিডিও]

যাত্রা বাংলার লোকনাট্যের উল্লেখযোগ্য শাখা, বাঙালী সংস্কৃতি আর বিনোদনের অন্যতম অনুসঙ্গ। আকাশ সংস্কৃতির আগ্রাসন ও একশ্রেণীর মানুষের বিরোধীতার মুখে ক্রমেই হারিয়ে যেতে থাকে গ্রামীণ এই শিল্প। অপশক্তির কালো মেঘ সরিয়ে ঐতিহ্যবাহী এই শিল্পের পুণর্জাগরণে উদ্যোগ নিয়েছেন নীলফামারীর যাত্রাশিল্পীরা। গ্রামগঞ্জে পরিবারের সবাই মিলে রাতভর যাত্রা দেখার রেওয়াজ বেশ পুরনো। আশ্বিন-কার্তিক মাস থেকে শুরু করে চৈত্রের শেষ পর্যন্ত গ্রাম বাংলায় যাত্রা পরিবেশনের সময়। তবে আকাশ সংস্কৃতির আগ্রাসন আর অপশক্তির ছায়ায় ক্রমেই হারিয়ে যেতে বসেছে বাংলা সংস্কৃতির উল্লেখযোগ্য এই অনুসঙ্গ। সেই রাহুগ্রাস থেকে মুক্ত করে যাত্রার সুদিন ফিরিয়ে আনতে কাজ করছেন নীলফামারীর কয়েকজন শিল্পী। এই উদ্যোগে দর্শকের সাড়া অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে আয়োজকদের। নির্বিঘ্নে যাত্রা পরিবেশনে প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছেন মালিকরা। আর যাত্রা দলগুলোকে নিবন্ধনের আওতায় আনার কথা জানিয়েছেন সংস্কৃতিমন্ত্রী। নীলফামারীর এই শিল্পীদের হাত ধরে ফিরবে যাত্রা শিল্পের সুদিন- এমন প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।   ভিডিও:

ভুয়া শিক্ষা প্রকল্প দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ(ভিডিও)

ভুয়া শিক্ষা প্রকল্প দেখিয়ে কুড়িগ্রামে কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে আশার আলো পল্লী উন্নয়ন সংস্থা নামের একটি বেসরকারি সংস্থার বিরুদ্ধে। শিশুদের জন্য দেড় শতাধিক স্কুল নির্মাণ, শিক্ষক নিয়োগসহ নানা কায়দায় নেয়া হয়েছে এই টাকা। প্রতারক চক্রটিকে আইনের আওতায় আনার দাবী ভুক্তভোগীদের। ঝরে পড়া শিশুদের শিক্ষার কথা বলে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় স্বপ্ন ফাউন্ডেশন নামে প্রায় দেড় শতাধিক স্কুল প্রতিষ্ঠা করে আশার আলো পল্লী উন্নয়ন সংস্থা। প্রতিটি স্কুলে নিয়োগ দেয়া হয়, একজন প্রধান শিক্ষক, চারজন সহকারি শিক্ষক এবং একজন আয়া। অভিযোগ আছে, এসব নিয়োগে ১০ থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ লেনদেনের। আবার ‘স্বপ্ন ফাউন্ডেশন এন্ড বুটিক হাউস’ নামে বিচিত্র প্রতিষ্ঠানের প্যাডে দেয়া হয়েছে এই শিক্ষক নিয়োগ। যার ঠিকানা, ঢাকার উত্তরা। শিক্ষার্থীদের টিফিন, উপবৃত্তি, বই ও পোষাক দেবার কথা থাকলেও তা দেয়া হয়েছে নামেমাত্র। এসব অভিযোগের বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে, স্কুলের ফার্নিচার বাবদ অনেকের কাছ থেকে টাকা নেবার কথা স্বীকার করেন সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক।   ঝড়ে পড়া শিশুদের জন্য শিক্ষা প্রকল্প হলেও এ বিষয়ে অবহিত করা হয়নি খোদ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদপ্তরকে। প্রাথমিকভাবে ঘটনার সত্যতা প্ওায়ায় সংস্থাটির উর্ধ্বতন কর্মকতাদের তলব করেছে স্থানীয় প্রশাসন। নিদের্শ দেয়া হয়েছে সব কার্যক্রম বন্ধের । উন্নয়ন কর্মকান্ডের নামে বেসরকারি সংস্থার প্রতারণার বিচার চান ভুক্তভোগীরা।

রথিশ হত্যায় স্ত্রী জড়িত : র‌্যাব প্রধান

রংপুরে নিখোঁজ থাকা আইনজীবী রথিশ চন্দ্র ভৌমিক ওরফে বাবু সোনাকে তার স্ত্রী রিতা ভৌমিকের সহযোগিতায় হত্যা করা হয় বলে জানিয়েছেন র‌্যাবের মহপরিচালক বেনজির আহমেদ। ২৯ মার্চ রাতেই তাকে হত্যা করা হয় বলেও জানান তিনি। আজ  রংপুরে র‌্যারে পক্ষ থেকে  আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানিয়েছেন। এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বাবু সোনার স্ত্রী রিতা ভৌমিক ও তার এক সহযোগী জড়িত ছিলো বলে জানান তিনি।  র‌্যাব প্রধান বলেন,  প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক অশান্তি, বিদ্বেষ ও অবিশ্বাস থেকেই রংপুরের বিশেষ পিপি রথিশকে হত্যা করা হয়েছে। এর পেছনে ছিল তার স্ত্রী রিতা ভৌমিকের ‘পরকীয়া কর্মকাণ্ড। তিনি জানান, আটকের পর রথিশের স্ত্রী রিতা ভৌমিককে জিজ্ঞাসাবাদ করে আমরা জানতে পেরেছি, দুই মাস আগেই তাকে হত্যার পরিকল্পনা করেছিল তারা। তবে নানা কারণে সেটা তখন সম্ভব হয়নি। রিতা ভৌমিকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাতে রথিশের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। র‌্যাবর মহাপরিচালক জানান, এখন আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে গ্রেফতারকৃতদের বিচারের মুখোমুখি করা। এ ব্যাপারে তদন্ত হবে। তদন্ত হলেই আমরা বিষয়টি সম্পর্কে ভালোভাবে জানতে পারবো। এর আগে মঙ্গলবার (৩ এপ্রিল) দিবাগত রাত ২টার দিকে রিতা ভৌমিক ও তার ‘প্রেমিক’ কামরুল ইসলাম জাফরীকে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে রংপুর নগরীর তাজহাট মোল্লাপাড়ার একটি নির্মাণাধীন বাড়ি থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় রংপুরের বিশেষ পিপি রথিশ চন্দ্র ভৌমিক ওরফে বাবু সোনার লাশ উদ্ধার করে র‌্যাব। লাশটি রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। / এআর/  

রংপুরের বিশেষ পিপি রথীশ চন্দ্রের মৃতদেহ উদ্ধার(ভিডিও)

নিখোঁজের ৫দিন পর রংপুরের বিশেষ পিপি রথীশ চন্দ্র ভৌমিকের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তাজহাট মোল্লাপাড়ার একটি নির্মানাধীন বাসা থেকে তার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে রথীশ চন্দ্রের স্ত্রী দীপা ভৌমিক ও তার কথিত প্রেমিক কামরুল ইসলামকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। বুধবার রাত ২টার দিকে রংপুর নগরীর তাজহাট মোল্লাপাড়ার একটি নির্মানাধীন বাসা থেকে রথীশ চন্দ্র ভৌমিকের বস্তাবন্দী মৃতদেহ উদ্ধার করে র‌্যাব। পায়ের জুতা দেখে মৃতদেহ সনাক্ত করেন তার ছোটভাই সুশান্ত ভৌমিক। এর আগে মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে রথীশ ভৌমিকের স্ত্রী দীপাকে আটক করে র‌্যাব। জিজ্ঞাসাবাদে সে স্বীকার করে, তার স্বামীর মৃতদেহ কামরুল ইসলাম জাফরীর বড় ভাই খাদেমুল ইসলামের নির্মানাধীন বাসায় আছে। পুলিশ জানায়, দীপা ও তার কথিত প্রেমিক কামরুল দুজনেই তাজহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। তাদের পরকীয়ার বলি হয়েছেন রথীশ চন্দ্র ভৌমিক। গত ৩০ মার্চ থেকে আইনজীবী রথীশ চন্দ্র ভৌমিক নিখোঁজ হন। পরের দিন নগরীর রাধাবল্লভ এলাকা থেকে দীপার প্রেমিক কামরুলকে আটক করে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে কামরুল।

স্কুল নির্মাণ করে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ [ভিডিও]

ভুয়া শিক্ষা প্রকল্প দেখিয়ে কুড়িগ্রামে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে আশার আলো পল্লী উন্নয়ন সংস্থা নামের একটি বেসরকারি সংস্থার বিরুদ্ধে। শিশুদের জন্য দেড় শতাধিক স্কুল নির্মাণ, শিক্ষক নিয়োগসহ নানা কায়দায় নেওয়া হয়েছে এই টাকা। প্রতারক চক্রটিকে আইনের আওতায় আনার দাবী ভুক্তভোগীদের। কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি আতাউর রহমান বিপ্লবের পাঠানো ও তথ্য ছবি নিয়ে রিপোর্ট করছেন মিজানুর রহমান। ঝরে পড়া শিশুদের শিক্ষার কথা বলে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় স্বপ্ন ফাউন্ডেশন নামে প্রায় দেড় শতাধিক স্কুল প্রতিষ্ঠা করে আশার আলো পল্লী উন্নয়ন সংস্থা। প্রতিটি স্কুলে নিয়োগ দেয়া হয়, একজন প্রধান শিক্ষক, চারজন সহকারী শিক্ষক এবং একজন আয়া। অভিযোগ আছে, এসব নিয়োগে ১০ থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ লেনদেনের। আবার ‘স্বপ্ন ফাউন্ডেশন অ্যান্ড বুটিক হাউস’ নামে বিচিত্র প্রতিষ্ঠানের প্যাডে দেওয়া হয়েছে এই শিক্ষক নিয়োগ। যার ঠিকানা, ঢাকার উত্তরা। শিক্ষার্থীদের টিফিন, উপবৃত্তি, বই ও পোষাক দেবার কথা থাকলেও তা দেওয়া হয়েছে নামে মাত্র। এসব অভিযোগের বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে, স্কুলের ফার্নিচার বাবদ অনেকের কাছ থেকে টাকা নেবার কথা স্বীকার করেন সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক আজিজার রহমান মন্ডল। ঝড়ে পড়া শিশুদের জন্য শিক্ষা প্রকল্প হলেও এ বিষয়ে অবহিত করা হয়নি খোদ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদপ্তরকে। কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোসলেম উদ্দিন শাহ জানান, এমন কোনো প্রতিষ্ঠানের তথ্য আমাদের কাছে নেই। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শঙ্কর কুমার বিশ্বাস জানান, প্রাথমিকভাবে ঘটনার সত্যতা প্ওায়ায় সংস্থাটির ঊর্ধ্বতন কর্মকতাদের তলব করেছে স্থানীয় প্রশাসন। নিদের্শ দেওয়া হয়েছে সব কার্যক্রম বন্ধের । উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের নামে বেসরকারি সংস্থার প্রতারণার বিচার চান ভুক্তভোগীরা।     এসএইচ/

দিনাজপুর-ঠাকুরগাঁওয়ে আমের বাম্পার ফলনের আশা চাষীদের (ভিডিও)

আম ও লিচুর মুকুলে ছেয়ে গেছে দিনাজপুর ও ঠাকুরগাঁওয়ের বাগানগুলো। বাগান পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন মালিকরা। আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে এবার বাম্পার ফলনের আশা করছেন তারা। দিনাজপুরে প্রতি বছর বেড়েই চলেছে লিচুর আবাদ। এবারও মুকুলে ভরে উঠেছে গাছগুলো। ভালো ফলন পেতে দিন-রাত পরিচর্যায় ব্যস্ত কৃষক। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এবার লিচুর বাম্পার ফলনের আশা করছেন বাগান মালিকরা। দিনাজপুর জেলায় এবার ৫ হাজার ৬’শ হেক্টর জমিতে লিচু আবাদ হয়েছে বলে জানিয়েছে কৃষি অফিস। গেল বছর ঠাকুরগাঁওয়ে ৮ হাজার হেক্টর জমিতে আমের আবাদ হয়েছিলো। এবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে সাড়ে ১০ হাজার হেক্টরে। আর লিচুর আবাদ হয়েছে ২ হাজার ৫শ’ হেক্টর জমিতে। বাগান পরিচর্যার কাজ পেয়ে খুশি এলাকার শ্রমিকরাও। এবছর আম ও লিচুর বাম্পার ফলন পাওয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে কৃষি অধিদপ্তর। এবার ঠাকুরগাঁওয়ে সূর্যপুরী, আম্রপালি, হিমসাগর, বান্দিগড়ি, মিশ্রিভোগ ও গোপালভোগ জাতের ২ হাজার বাগানে প্রায় ৮০ হাজার মেট্রিকটন আম আর চায়না থ্রী, গোলাপী, বোম্বাই ও কাঁঠালী জাতের প্রায় ২ হাজার ৭শ’ মেট্রিকটন লিচুর উৎপাদন হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।  

জাপানি নাগরিক হত্যা মামলার প্রধান কৌসুলী নিখোঁজ (ভিডিও)

রংপুরের বিশেষ জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর পিপি, জাপানি নাগরিক হোশি কুনিও ও খাদেম হত্যা মামলার প্রধান কৌসুলী রথীশ চন্দ্র ভৌমিক নিখোঁজ হয়েছেন। রথীশ চন্দ্র ভৌমিকের স্বজনরা জানান, শুক্রবার সকাল থেকে তাঁর খোজ পাওয়া যাচ্ছে না। এ ব্যাপারে রংপুর থানায় জিডিও করা হয়েছে। রথীশকে উদ্ধারে তৎপরতা চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এদিকে রথীশকে উদ্ধারের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন এলাকাবাসী। রথীশের স্বাজনরা জানান, শুক্রবার সকাল ৬টার দিকে কাজের জন্য বাইরে যাচ্ছেন বলে বাসা থেকে বেরিয়ে যান রথীশ চন্দ্র ভৌমিক। এরপর থেকে তার আর কোন খোঁজ পাওয়া যাচ্ছেনা। গভীর রাত পর্যন্ত নগরীর বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করলেও সন্ধান মেলেনি। মোবাইল ফোনটিও বন্ধ বলে জানান রথীশের স্ত্রী দীপা ভৌমিক। প্রত্যক্ষদর্শী এক কলা ব্যবসায়ী জানান, একটি লাল রঙের মটরসাইকেলে পায়জামা-পাঞ্জাবী পরা এক ব্যক্তির সাথে বেরিয়েছিলেন তিনি। স্থানীয়দেও অভিযোগ, খাদেম হত্যা মামলা পরিচালনা করার পর থেকে তাকে একাধিকবার হুমকি দেয়া হলেও পুলিশ কোন পদক্ষেপ নেয়নি। পুলিশ, র‌্যাব ও পিবিআইসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা তাকে উদ্ধারে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন কোতয়ালী থানার ওসি বাবুল মিয়া। ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয়রা। বাবুবাজার রেলগেট অবরোধও করে তারা। অ্যাডভোকেট রথীশ চন্দ্র জাপানী নাগরিক হোশি কুনিও এবং মাজারের খাদেম রহমত আলী হত্যা মামলায় সরকার পক্ষের প্রধান কৌসুলী ছিলেন। ওই দুই মামলার রায়ে ৭ জঙ্গির ফাঁসি হয়। টিকে

রংপুরে বজ্রাঘাতে নিহত ২

রংপুর জেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রচণ্ড ঝড় ও শিলাবৃষ্টি হয়েছে। এতে বজ্রাঘাতে দুইজন নিহত হয়েছেন। এ সময় ঝড়ে ঘর বাড়ি ও গাছ পালা উপড়ে আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৫০ জন। শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে রংপুর জেলার বিভিন্ন এলাকায় এ ঝড় আঘাত হানে। নিহত শামিমের বাড়ি বদরগঞ্জ ও নয়া মিয়ার বাড়ি তারাগঞ্জ। তারা দুইজনই ক্ষেতমজুর ছিলেন বলে জানা গেছে। জানা গেছে, প্রচণ্ড ঝড়ে রংপুর নগরী ছাড়াও গঙ্গাচড়া, পীরগঞ্জ, মিঠাপুকুর, তারাগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আঘাত হানে। বিশেষ করে পাথরের মতো শিলা বৃষ্টিতে বোরো ধানক্ষেত, ভুট্টাসহ ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। তবে বেশি ক্ষতি হয়েছে পীরগঞ্জ ও মিঠাপুকুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়। রংপুর আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ মোহাম্মদ আলী জানিয়েছেন, ঝড়ের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৬৫ কিলোমিটার। একে// এসএইচ/

গাইবান্ধায় ছুরিকাঘাতে নারী নিহত

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় মোছা. খায়রুনেছা (৫৮) নামে এক নারীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। আর এ হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার মেয়ে জামাইয়ের বিরুদ্ধে। গতকাল বুধবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার মরুয়াদহ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মোছা. খায়রুনেছা মরুয়াদহ গ্রামের আব্দুস সামাদ বেপারীর স্ত্রী। নিহতের মেয়ে জামাই সাইফুল ইসলাম (৪৫) গাইবান্ধা সদরের কূপতালা বাঁধের মাথা এলাকার মৃত. আব্দুল জলিল বেপারীর ছেলে। সাদুল্লাপুর থানা সূত্রে জানা গেছে, ১৪/১৫ বছর আগে খায়রুনেছার মেয়ে শাহানা আকতার শেলির সঙ্গে সাইফুল ইসলামের বিয়ে হয়। স্বামীর নির্যাতনের কারণে তিন মাস আগে শাহানা স্বামীকে তালাক দিয়ে ঢাকায় একটি পোশাক কারখানায় কাজ নেন। তারপর থেকে সাইফুল প্রায় মোবাইলে ফোন করে শাশুড়ি ও শ্যালকদের হুমকি দিতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। গতকাল বুধবার রাত ৯টার দিকে খায়রুনেছা বাড়ির অদূরে মরুয়াদহ খুশি মিয়ার রাইচ মিল এলাকায় তার ছেলে রওশন আলমের দোকান থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে মেয়ে জামাই মোবাইল ফোনে তাকে বাড়ির অদূরে মসজিদের সামনে গাব গাছের নিচে কথা বলার জন্য ডাকেন। ওখানে যাওয়ার পর তার সঙ্গে কথাকাটাকটির এক পর্যায়ে শাশুড়ির ঘারের নিচে  ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। পরে তার চিৎকার শুনে এলাকাবাসী তাকে উদ্ধার করে সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। একে//এসএইচ/

আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী(ভিডিও)

বৃহস্পতিবার ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানে ৩৫টি প্রকল্প উদ্বোধন ও ৩৩টির ভিত্তি স্থাপন করবেন তিনি। পরে বিকেলে আওয়ামী লীগের জনসভায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। এদিকে, সফর ঘিরে এরিমধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। ১৭ বছর পর ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। এবারের সফরে ১০টি কলেজের ৪ তলা ভবন, ঠাকুরগাঁও সদর হাসপাতালকে ২৫০ শয্যায় উন্নীতসহ ৩৫টি প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন শেখ তিনি। এছাড়া মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স এবং জেলায় বেশ কয়েকটি রেজিস্ট্রি অফিস নির্মাণসহ ৩৩টি প্রকল্পের ভিত্তি স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী।বৃহস্পতিবার বিকেলে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আওয়ামী লীগের জনসভায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী।রাস্তাঘাটের সৌন্দর্য বর্ধনসহ ব্যানার, তোরণে সাজানো হয়েছে গোটা শহর। প্রধানমন্ত্রী জনসভা ঘিরে এরইমধ্যে পথসভা ও বর্ধিত সভা করেছেন দলের নেতাকর্মীরা।জনসভায় প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনী দিক নির্দেশনা দেবেন বলে আশা করছেন আওয়ামী লীগ নেতারা। শহরজুড়ে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী।ব্রিটিশ আমলের বিমানবন্দর চালু, কৃষি ভিত্তিক ইপিজেড ও বন্ধ হওয়া রেশম কারখানা পুনরায় চালুসহ বেশকিছু দাবি-দাওয়া রয়েছে ঠাকুরগাঁওবাসীর।

অসহায় মমতাজ বাঁচতে চায়

মানুষ মানুষের জন্য জীবন জীবনের জন্যএকটু সহানুভূতি কি মানুষ পেতে পারে নাও বন্ধু…. বিখ্যাত গানটি ভূপেন হাজারিকার। একটু সহানুভূতি পেতে চান গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলা শহর থেকে প্রায় ৮ কিলোমিটার দূরে কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের সুলতানপুর বাড়াইপাড়া গ্রামের মৃত তছলিম উদ্দিনের ছেলে দরিদ্র মমতাজ উদ্দিন। ২০১১ সাল থেকে মুখে বিশালাকৃতির এক টিউমার নিয়ে কষ্ট আর অসহ্য যন্ত্রণায় দিন কাটাচ্ছে। অসহায় মমতাজকে সুস্থ করার আশায় সহায় সম্পদ যা ছিল সবই বিক্রি করে নিঃস্ব এখন দরিদ্র পরিবারটি। এ পরিবারটির নেই মাথা গোজার ঠাই পরের জমিতে করছে বসবাস। চিকিৎসকরা দ্রুত অস্ত্রোপচার করা হলে মমতাজ সুস্থ হবে বলে জানালেও সেজন্য যে অর্থ প্রয়োজন, তা যোগাড় করতে পারছে না পরিবারটি। ফলে ক্রমেই মৃত্যুর দিকে ধাবিত হচ্ছে মমতাজ। মমতাজকে সুস্থ করতে সমাজের বিত্তবান মানুষ এবং সরকারের সহযোগিতা চেয়েছেন মমতাজের স্বজন ও এলাকাবাসী। মমতাজ উদ্দিন (২৮) জানান, জীবিকার তাগিদে ২০১১ সালে ঢাকার একটি তৈরি পোশাক কারখানায় চাকরি শুরু করেছিলেন। কিছুদিন পরে হঠাৎই মুখের বাঁ পাশে দেখা দেয় ছোট আকারের একটি টিউমার। দিন যতোই যায় ততোই টিউমারটি ফুলে বড় হতে থাকে। বাধ্য হয়ে চাকরি ছেড়ে বাড়িতে চলে আসতে হয় তাকে। চিকিৎসকের পরামর্শে রংপুরে একটি ক্লিনিকে অস্ত্রোপচারও করান। ভালোই ছিলেন এক বছর। পরে আস্তে আস্তে টিউমারটি আবার বড় হতে থাকে। সেই সঙ্গে বাড়তে থাকে অসহ্য নরক-যন্ত্রণা। মাঝে মাঝে টিউমার থেকে রক্ত ঝরে। তখন অন্যর সাহায্যে ছাড়া চলতে পারেন না। একারণে বউ তাকে তালাক দিয়ে ছেড়ে যায় ৪ বছরের কন্যা সন্তান রেখে। অসহায় মমতাজ উদ্দিন বলেন, আমি বাঁচতে চাই। দয়া করে আপনারা আমাকে বাঁচান। কাজকর্ম করতে না পারায় আমার সংসার চলে না। সংসার না চলায় স্ত্রী চার বছরের একমাত্র মেয়েকে ফেলে গেছে বাপের (বাবার) বাড়িতে। প্রধানমন্ত্রীসহ দেশের বিত্তবানদের নিকট আমার চিকিৎসার্থে সহায়তা চাই। আমি স্বাভাবিকভাবে দুনিয়ার বুকে বাচতে চাই। মমতাজের প্রতিবেশী মুক্তিযোদ্ধা আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, এদের ভাইগণের নিজের সংসারই ঠিকমতো চলে না। ওর চিকিৎসার পিছনে সহায় সম্পদ সব শেষ। বিক্রি করার মতোও কিছু আর নেই। ডাক্তার জানিয়েছে, মমতাজকে বাঁচাতে হলে দ্রুত অপারেশন করতে হবে। অপারেশন না করালে টিউমারটি ক্যান্সারে পরিণত হয়ে পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়বে। মমতাজের অপারেশনে প্রচুর টাকার প্রয়োজন। কিন্তু সংসারের অভাবের কারণে কোনোভাবেই টাকা যোগাড় করা সম্ভব নয়। টাকার অভাবে মমতাজের চিকিৎসা বন্ধ হয়ে পড়েছে। এজন্য সবার সহায়তা প্রয়োজন। অসহায় মমতাজের মা জোহরা বেগম বলেন, ‘মমতাজকে সুস্থ করতে সম্পদ যা ছিল তা বিক্রি করে এখন আমরা নিঃস্ব। তাছাড়াও দুই বছর আগে স্বামী মারা যাওয়ায় দুবেলা খাবার জোটানোও কষ্ট হচ্ছে আমার। দেখতে দেখতে মমতাজের টিউমারটি অস্বাভাবিক বড় হয়ে গেছে। এ কারণে সে স্বাভাবিক চলাফেরা করতে পারেছে না। অপারেশন ও চিকিৎসা না করলে কোনোভাবেই মমতাজকে বাঁচানো যাবে না।ছেলেকে বাঁচাতে সমাজের বিত্তবানদের কাছে সহযোগিতা চেয়েছেন তার অসহায় মা। মমতাজের টিউমারের বিষয়ে কথা হয় পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার সজীব কুমারের সাথে। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, মমতাজের টিউমারটি ক্যান্সারে পরিণত হয়েছে কিনা তা নির্ণয়ে করতে প্রয়োজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শে যথাযথ পরীক্ষা-নিরীক্ষা। অতি তাড়াতাড়ি পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে মমতাজকে সুস্থ করা সম্ভব। দেশের বিত্তবানরা অসহায় মমতাজকে সহায়তা পাঠাতে পারেন আল আরাফাত ইসলামী ব্যাংক সঞ্চয়ী হিসাব নং -১৩৭১১২০০১৮২৭৫। পার্সনাল বিকাশ নাম্বার-০১৮৫৫৪১৪৭৪৬ নাম্বারে। এসএইচ/

জেলার সীমানা পেরিয়ে গাইবান্ধার রসমঞ্জুরী [ভিডিও]

গাইবান্ধায় অনেক মিষ্টির ভিড়ে আলাদা সুনাম কুড়িয়েছে রসমঞ্জুরী। উৎসব, উপলক্ষ্য ছাড়াও এ অঞ্চলে অতিথি আপ্যায়নে রসমঞ্জুরি থাকবেই। শুধু গাইবান্ধা নয় আশেপাশের জেলাগুলোতেও গাইবান্ধার রসমঞ্জুরীর সুনাম ছড়িয়েছে। রসমঞ্জুরীকে জেলা ব্রান্ডিং করার পরিকল্পনা করছেন জেলা প্রশাসক। মিষ্টির প্রতি বাঙ্গালির টান সবসময়ের। তবে বিশেষ কোনো স্বাদের মিষ্টি পরিচয় করিয়েছে একেকটি এলাকাকে। একইভাবে গাইবান্ধার রসমঞ্জুরি। মিষ্টিটির প্রস্তুতকর্তা রমেশ ঘোষ। সুস্বাদের কারণে মিষ্টিটির সুনাম ছড়িয়ে পড়ে আশেপাশের জেলায়। রসমঞ্জুরী তৈরীতে দরকার দুধ, চিনি, দুধের ছানা ও ছোট এলাচ। দুধ জালিয়ে ঘন ক্ষীর হলে মেশানো হয় চিনি। ছানা দিয়ে তৈরি ছোট ছোট গোলাকার গুটি চিনির সিরায় জ্বাল দিয়ে বাদামী রং হলে গুটিগুলো ক্ষীরে মেশালেই তৈরী হয়ে যায় রসমঞ্জুরী। দোকানিরা প্রতিদিন ২৮০ টাকা থেকে ৩০০ টাকা কেজি দরে ২শ ৫০ থেকে ৩শ কেজি রসমঞ্জুরী বিক্রি করেন। জেলার সম্ভাবনাময় এ পণ্যের প্রসারে নানা পরিকল্পনার কথা জানালেন জেলা প্রশাসক গৌতম চন্দ্র পাল। তিনি বলেন, বিয়ে জন্মদিনসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠান এবং অতিথি আপ্যায়নে জায়গা দখল করে আছে রসমঞ্জুরী। জেলার সুনাম ছড়িয়ে দিতে জেলার বাইরে ও বিদেশে রসমঞ্জুরি বাজারজাত করার পরিকল্পনা করছে জেলা প্রশাসন।  

সাভারে ‘শক্তিবর্ধক হালুয়া’ খেয়ে দুজনের মৃত্যু

ঢাকার সাভার উপজেলায় ‌‘শক্তিবর্ধক হালুয়া’ খেয়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। যারা রাস্তার কবিরাজের বিক্রি করা কথিত শক্তিবর্ধক হালুয়া খেয়েছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে। এছাড়া আরও দুইজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তারা সবাই স্থানীয় বিভিন্ন পোশাক কারখানার শ্রমিক। সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপতালের ব্যবস্থাপক বাবুল হোসেন বলেন, ভাদাইল এলাকা থেকে জিল্লুর রহমান, মোতালেব শেখ, শামীম শেখ ও ফরিদ উদ্দিন নামে চার যুবককে বুধবার গভীর রাতে হাসপাতালে নিয়ে আসেন কয়েকজন। তাদের মধ্যে জিল্লুর ও মোতালেবকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তারা বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন চিকিৎসকরা। আর শামিম ও ফরিদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে। জিল্লু টাঙ্গাইলের ভুয়াপুর থানার ধবুলিয়া গ্রামের সবুজ শেখের ছেলে। আর মোতালেব একই গ্রামের জয়নাল আবেদিনের ছেলে। চিকিৎসাধীন শামীম শেখ ওই গ্রামের আবুল শেখের ছেলে। ফরিদ উদ্দিনের বিস্তারিত পরিচয় পাওয়া যায়নি। আশুলিয়া থানার ওসি আবদুল আউয়াল বলেন, তারা ভাদাইলে মোহাম্মদ আলীর বাড়িতে ভাড়া থেকে বিভিন্ন পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। কী ধরনের বিষক্রিয়ায় তারা আক্রান্ত হয়েছেন, সে বিষয়ে পরীক্ষা না করে কিছু বলতে পারছে না হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তবে ওসি বলেছেন, বুধবার গভীর রাতে তারা কারখানা থেকে ফিরে ‘কবিরাজের কাছ থেকে আনা মালমশলা দিয়ে শক্তিবর্ধক হালুয়া তৈরি করে’ খান। কিন্তু কিছুক্ষণ পর অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রতিবেশীরা তাদের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। স্থানীয়রা জানান, সাভারের পথেঘাটে একশ্রেণির কথিত কবিরাজ হ্যান্ডমাইকে ‘শক্তিবর্ধক হালুয়া’ বিক্রি করেন। সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আমজাদুল হক বলেন, বিভিন্ন জায়গায় এই কথিত শক্তিবর্ধক হালুয়া বিক্রি হয়। কেউ কখনও অভিযোগ দেয়নি। এটা আসলে শক্তিবর্ধক কিনা বা ক্ষতিকর কিনা সে বিষয়ে কোনো তথ্য-প্রমাণ আমার কাছে নেই। ওই চারজনের বিষয়ে খোঁজ নিতে গেলে মোহাম্মদ আলীর বাড়ির তত্ত্বাবধায়ক নূরুল হক বলেন, রাতে তারা কি যেন খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে। তখন মোতালেবের ভাই নাসির উদ্দিন তাদের প্রতিবেশীদের সহায়তায় হাসপাতালে নিয়ে যায়। তারা ঠিক কী খেয়েছিল তা আমি সঠিক জানি না। এসএইচ/

নারীদের পিছিয়ে রেখে সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয়: স্পিকার

নারীদের পিছিয়ে রেখে সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয় মন্তব্য করেছেন জাতীয়  সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। বুধবার গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার ভরতখালী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত বাল্যবিবাহ রোধের মাধ্যমে মাতৃমৃত্যু প্রতিরোধ ও নারীর সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিতে ‘জনসচেতনতামূলক সভা ও সংবর্ধনা’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ মন্তব্য করেন। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, নারীদেরকে উন্নয়নের মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর। নারী উন্নয়ন ও নারী ক্ষমতায়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গৃহীত পদক্ষেপ বিশ্বে আজ রোল মডেল। সুযোগ তৈরি করে দিলে নারীরা এগিয়ে আসবে, অর্জিত হবে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি। তথ্য প্রযুক্তির অবাধ প্রবাহকে কাজে লাগিয়ে নারীরা নিজেদের দক্ষ ও সক্ষম করে তুলতে পারবে। স্পিকার আরও বলেন, তারুণ্যের শক্তির পাশাপাশি নারী জনশক্তিকে সম্পৃক্ত করতে পারলে জীবনমান উন্নয়ন ও সামাজিক সূচক উন্নয়নে অনেক দূর এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ। নারী জনশক্তিকে উন্নয়ন প্রভাবক হিসেবে কাজে লাগানোর জন্য প্রয়োজন বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ। এছাড়াও বাল্যবিয়ে প্রতিরোধের মাধ্যমে মাতৃমৃত্যু ও শিশুমৃত্যু হার কমিয়ে আনা সম্ভব। এ সময় তিনি বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারী সংস্থা, শিক্ষক সমাজ, নারী নেত্রীবৃন্দ, অভিভাবক এবং সকলস্তরের শিক্ষার্থীদের প্রতি জনসচেতনতামূলক কর্মকান্ড বৃদ্ধি করার জন্য তিনি উদাত্ত আহবান জানান। অনুষ্ঠানে গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক গৌতম চন্দ্র পালের সভাপতিত্বে  বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া এবং হুইপ মাহবুব  আরা গিনি, উম্মে কুলসুম স্মৃতি, গাইবান্ধা জেলার পুলিশ সুপার এবং গাইবান্ধা জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ। কেআই/টিকে

রংপুরের ভাষা সৈনিক শাহ আব্দুর রাজ্জাক আর নেই

রংপুরের প্রবীণ ভাষা সৈনিক, মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক সংসদ সদস্য শাহ্ মো. আব্দুর রাজ্জাক আর নেই। রোববার রাত সোয়া ২টায় নগরীর মাহিগঞ্জ সাতমাথাস্থ নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেন তিনি। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি তিন ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য শুভাকাঙ্ক্ষী রেখে গেছেন। বায়ান্ন’র মহান ভাষা আন্দোলনে রংপুরে যারা সক্রিয় ভূমিকা রেখেছিলেন তাদের অন্যতম একজন ছিলেন শাহ্ আব্দুর রাজ্জাক। ২০১৪ সালের ১০ জানুয়ারি ব্যক্তি এবং রাজনৈতিক জীবনের সঙ্গী তার স্ত্রী (সাবেক মহিলা আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও রংপুর জেলা পরিষদ প্রশাসক) রেজিনা রাজ্জাকের মৃত্যুর পর অনেকটাই নিঃসঙ্গ হয়ে পড়েন তিনি। বাসা থেকে তেমন একটা বেরও হতেন না। জীবদ্দশায় তিনি ভাষা সৈনিক, মুক্তিযোদ্ধা ছাড়াও রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, রংপুর-৪ (কাউনিয়া-পীরগাছা) আসনের সংসদ সদস্য এবং মাহিগঞ্জ আফান উল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদে কর্মরত ছিলেন। এসএইচ/

রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২

রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলায় বাস-ট্রাক মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও তিনজন। রোববার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার পায়রাবন্দ ইউনিয়নের ইসলামপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহতদের রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিক হতাহতদের নাম ও পরিচয় জানা যায়নি। মিঠাপুকুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক জানান, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ঠাকুরগাঁওগামী নৈশকোচ হিমেল পরিবহনের সঙ্গে বিপরীতমুখী একটি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলে দুই বাসযাত্রী নিহত হন। এ ঘটনায় গুরতর আহত হন তিন বাসযাত্রী। তাদেরকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হতাহতদের পরিচয় জানতে পুলিশ কাজ করছে বলে জানান ওসি। একে/এসএইচ/

পলাশবাড়ীতে সড়কে গেল আরো ৫ প্রাণ

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার ঢাকা-রংপুর মহসড়কে ট্রাক উল্টে ৫ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো ৭-৮ জন। শনিবার দুপুর ১২টার দিকে মহসড়কের জুনদহ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা সবাই শ্রমিক বলে জানা গেছে। পলাশবাড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুল আলম জানান, ট্রাক উল্টে বেশ কয়েকজন মারা যাওয়ার খবর পেয়েছি। হতাহতদের উদ্ধার করতে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বগুড়ার দিক থেকে একটি রডবোঝাই ট্রাক রংপুরের দিকে আসছিল। ট্রাকটির ওপরে বেশ কয়েকজন শ্রমিক ছিলেন। সকাল সাড়ে এগারোটার পরে পলাশবাড়ি উপজেলার জুনদহ নামক এলাকায় ট্রাকটি আসার পর চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাশের একটি খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই পাঁচজন নিহত হন। এ ঘটনায় আহত হন আরো অনেকে। এদিকে আজ সকাল ৯টার দিকে উপজেলার দক্ষিণ বাসস্ট্যান্ডের সরকার পেট্রোল পাম্প সংলগ্ন এলাকায় নসিমন ও একটি বাসের সংঘর্ষে আরো ৩ জন নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হন ১০জন। আর / এআর

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি