ঢাকা, মঙ্গলবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০১৭ ৩:১০:৪৮

বরেন্দ্র পুরাকীর্তির অনন্য নিদর্শন দিনাজপুরের রামসাগর

বরেন্দ্র পুরাকীর্তির অনন্য নিদর্শন রাজা প্রাণনাথের মনোলোভা কীর্তি দিনাজপুরের রামসাগর। সাগরসম জলরাশিতে ভরপুর দীঘি-দর্শনে প্রকৃতিপ্রেমীরা বারবার ছুটে আসেন এখানে। ইতিহাস বলে, রাজা প্রাণনাথের রাজত্বকালে এ অঞ্চলে খরা দেখা দেয়। আর খরায় সৃষ্ট দুর্ভিক্ষে অনেক মানুষ মারা যান। প্রজাবান্ধব রাজা তখন জলকষ্ট কমাতে ১৫ হাজার লোক নিয়োগ করে দীঘি খননের কাজ শুরু করেন। যা শেষ হয় ১৭৫৫ খ্রিস্টাব্দে। লোকশ্রতি আছে, পাঁচ বছর ধরে দীঘি খনন শেষে দেখা যায় দীঘিতে এক ফোঁটাও জল উঠেনি। চিন্তিত হয়ে পড়েন রাজা প্রাণনাথ। স্বপ্নে দৈববাণী পেলেন, রাজপুত্র রামনাথ দিঘীতে প্রাণ বিসর্জন দিলে জল উঠবে। স্বপ্নাদেশ পেয়ে, রামনাথ দীঘির দিকে রওনা হন। দীঘির তলপৃষ্ঠে নির্মিত মন্দিরের দিকে এগুতে থাকেন। সিঁড়ির শেষ ধাপে নামতেই জলে দীঘি পরিপূর্ন হয়ে। সলিল সমাধি হল রাজপুত্র রামনাথের। সেই থেকে দীঘির নাম রামসাগর।একেএম আব্দুস সালাম- কিউরেটর, রামসাগর জাতীয় উদ্যান । দীঘিটির দৈর্ঘ্য ৩৩৯৯ ফুট ও প্রস্থ ৯৯৮ ফুট। বাকি উঁচু-নিচু জমিতে রাজার হাতে রোপিত ৭৩ প্রজাতির বৃক্ষরাজি। খরচ হয়েছিল ৩০ হাজার টাকা। রাজার সে আম বাগান আজো দোলা দেয় প্রকৃতিপ্রেমীদের মনে। দিনাজপুর শহর থেকে ৮ কিলোমিটার দক্ষিণে রামসাগরের পরিচিতি দেশে-বিদেশ ছড়িয়ে থাকলেও উন্নয়ন-সংস্কার হয়নি এতটুকু। বরং অযতেœ-অবহেলায় রামসাগর আজ হারাতে বসেছে ঐতিহ্য-সৌন্দর্য্য।    

নদ-নদীগুতে আগের মতো মাছ না পাওয়ায় কর্মহীন হয়ে পড়েছে ৪ হাজার জেলে

নদ-নদীগুলোতে আগের মতো মাছ না পাওয়ায় কর্মহীন হয়ে পড়েছে গাইবান্ধার প্রায় ৪ হাজার জেলে। বছরের বেশিরভাগ সময় নদীতে পানি না থাকাকে মাছ না পাওয়ার কারণ বলে জানিয়েছেন তারা। এদিকে, মাছ ধরতে না পারায় জীবিকা নিয়ে দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে জেলে সম্প্রদায়ের। বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে চর। নদ-নদীগুলোতে বছরের বেশিরভাগ সময় পানি থাকে না। কোথাও কোথাও পানি থাকলেও পাওয়া যায় না মাছ। ফলে ভালো নেই গাইবান্ধার জেলে সম্প্রদায়।মাছ না পাওয়ায় জীবিকা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন জেলেরা। অনাহার-অর্ধাহারে কাটে তাদের দিন। কেউবা বদলে ফেলছেন পূর্বপুরুষের পেশাও।নদী শুকিয়ে যাওয়ায় জেলেরা কর্মহীন হয়ে পড়ছে বলে জানালেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা। সরকারিভাবে তাদের তালিকা করে সহায়তার কথা জানান তিনি।বছরের অধিকাংশ সময় নদীতে পানি না থাকায়, যেমন হুমকির মুখে পড়েছে গাইবান্ধার জেলেদের জীবন-জীবিকা; তেমনি বিরূপ প্রভাব পড়ছে পরিবেশ- প্রতিবেশের উপরও।  

বাজেট পেশের পর হিলি স্থলবন্দরে ৩ শতাধিক পন্যবাহী ট্রাক আটকা পড়েছে

২০১৭-১৮ অর্থবছরের বাজেট পেশের কারনে পন্য ছাড় না দেয়ায় দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে আমদানি করা ৩ শতাধিক পন্যবাহী ট্রাক আটকা পড়েছে ।শুক্রবার সরকারী ছুটির কারনে বন্ধ রয়েছে হিলি স্থলবন্দরের কার্যক্রম, ফলে ব্যবসায়ীরা পন্য খালাস করতে পারছেন না। কাষ্টমস কর্তৃপক্ষ জানায়, বাজেটের কারনে পন্যের আমদানি বা রফতানিতে শুল্ক কম বেশি হওয়ার সম্ভাবনা থাকায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড নিয়ন্ত্রিত সার্ভার বন্ধ ছিল। এর ফলে হিলি স্থলবন্দর কাস্টমসের সকল কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। তবে জিম্মানামা নিয়ে বিশেষ ব্যবস্থায় পেঁয়াজগুলো ছাড় দেওয়া হয়েছে। এদিকে হিলি স্থলবন্দর আমদানি রফতানিকারক গ্র“পের সভাপতি জানান, টানা দুদিন বন্দরে পন্য আটকা পড়ে থাকায় আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।

দিনাজপুরে লিচুর ফলন কম

প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে এবার দিনাজপুরে লিচুর ফলন কম। মাদ্রাজী ও বেদানা জাতের লিচুর ফলন কিছুটা হলেও বোম্বাই লিচুর ফলন নেই বললেই চলে। একইসাথে বিরূপ আবহাওয়া আর রমজান উপলক্ষে আগেই লিচু বিক্রি শুরু করেছেন ব্যবসায়ীরা। বরাবরের মতো এবারো দিনাজপুরের লিচুবাগান গুলোতে ছিল মুকুলের সমারোহ। তবে অতিবৃষ্টি-শিলাবৃষ্টি-ঝড়-তাপদাহসহ প্রতিকুল আবহওয়ার কারনে মুকুল ঝড়ে পড়ায় ফলন নেমে এসেছে অর্ধেকে। লিচুর আকারও হয়েছে ছোট।জেলায় এবার ৪ হাজার ৭৩০ হেক্টর জমিতে লিচুর আবাদ হয়েছে। চাষীরা বলছেন, মৌসুম শুরু হওয়ায় আর রমজানের কথা মাথায় রেখে সময়ের আগেই গাছ থেকে লিচু সংগ্রহ করা হচ্ছে। এখনও রং ও আকার ভালো হয়নি স্বীকার করে চাষীরা জানান, রসে ভরপুর দিনাজপুরের লিচুর আসল স্বাদ থেকে এবার বঞ্চিত হবেন ভোক্তারা। আর কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, এবার লিচু আবাদের পরিধি বাড়লেও প্রতিকুল আবহাওয়ার কারনে ফলন কম হয়েছে। দিনাজপুরের লিচুর সুনাম দেশজুড়ে। অর্থনৈতিকভাবেও জেলায় অবদান রাখে সুস্বাদু এই ফল। তবে এবার ফলন কম আর আগাম বিক্রি হওয়ায় লোকসানের আশংকা করছেন বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীরা।    

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের রোগীদের সাথে অমানবিক আচরণ

ওষুধ কিনতে না পারায় মিলে না চিকিৎসা। বিনা চিকিৎসায় হাসপাতালের সামনে পড়ে থাকলেও দেখার যেনো কেউ নেই। রোগীদের সাথে অমানবিক এ’সব আচরণ করছেন রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকরা। এমন অবস্থায় কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা। পঞ্চগড়ের হতদরিদ্র কৃষক আশরাফ আলী। পেটে পানি জমে যাওয়ায় ভর্তি হন রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।রোগী দেখে চিকিৎসক ইনজেকশন কিনতে বলেন। ইনজেকশানের দাম সাড়ে ৬ হাজার টাকা হওয়ায়, কিনতে না পেরে ফিরে আসেন তার স্ত্রী। পরে তিনি চিকিৎসকদের অনুরোধ করেন হাসপাতাল থেকে ইনজেকশনের ব্যবস্থা করতে। কিন্তু চিকিৎসকরা ৩ দিন বিনা চিকিৎসায় আশরাফকে ফেলে রাখেন। উপায় না পেয়ে রোগী আশরাফ আলীর স্ত্রী সন্তানকে নিয়ে হাসপাতালের সামনে ভিক্ষা শুরু করেন।একসময় হাসপাতালের ইমারজেন্সি মেডিকেল অফিসার তাদেরকে সেখান থেকে চলে যেতেও বাধ্য করেন।চিকিৎসকদের এমন অমানবিক আচরণে ক্ষুব্ধ হাসপাতালের রোগী ও স্বজনেরা। এ নিয়ে হাসপাতাল পরিচালকের সাথে কথা বলতে গেলে রাজি হননি তিনি। দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার দাবি ভুক্তভোগীদের।

তিস্তা, যমুনা ও ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙন

গাইবান্ধায় তিস্তা, যমুনা ও ব্রহ্মপুত্রের বিভিন্ন পয়েন্টে ভাঙন দেখা দিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের ব্যবধানে ৩ শতাধিক ঘরবাড়িসহ বিস্তীর্ণ ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এদিকে, রাজবাড়ির উড়াকান্দা ও লালগোলা এলাকায় পদ্মার ভাঙন রোধে ফেলানো হচ্ছে জিও ব্যাগ। বর্ষা আসার আগেই ভাঙন দেখা দিয়েছে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ, সাঘাটা ও ফুলছড়ির বিভিন্ন পয়েন্টে। এরই মধ্যে যমুনা, তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্রের গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে এসব এলাকার ৩ শতাধিক ঘরবাড়ি, মসজিদ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠ।ভাঙনের কবলে অনেকেই সরিয়ে নিচ্ছেন ঘরবাড়ি। একাধিকার বাড়িঘর সরিয়েও রেহাই পাচ্ছে না কেউ কেউ। কেউ আবার আশ্রয় নিয়েছে বাঁধে।ভাঙন রোধে বরাবরের মতোই আশ্বাসের কথা জানালেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের এই কর্মকর্তা।এদিকে, গত এক সপ্তাহে রাজবাড়ীর উড়াকান্দা ও লালগোলা এলাকায় পদ্মার গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে কয়েকটি বাড়ি। হুমকিতে রয়েছে শহর রক্ষা বাঁধ, স্কুল ও মসজিদসহ নানা স্থাপনা। ভাঙনরোধে এ দুটি স্থানে জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলানো হচ্ছে।https://youtu.be/1LSEGBGZR6g

ইচ্ছে পূরণের মেলা সম্পন্ন

গাইবান্ধায় শেষ হলো মাসব্যাপি ইচ্ছে পূরণের মেলা। মীরের বাগান মাজার শরীফকে কেন্দ্র করে ইচ্ছে পূরণ মেলায় প্রতিবছরের মত এবারেও কমতি ছিলো না ভক্তদের ।১০১১ সালে শাহ সুলতান গাজী, মীর মোশারফ হোসেন, শরফুদ্দিন হোসেন ধর্ম প্রচারের উদ্দেশে ইরাক থেকে এখানে আসেন। সেসময় ধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যে কাজ করতেন তারা। তাদের মৃত্যুর পর এখানেই সমাহিত করা হয়। পরবর্তীতে মাজারটি ইচ্ছে পুরণের মাজার নামে পরিচিতি লাভ করে। প্রচলিত আছে যেকোন কঠিন রোগ, বিপদ, আপদ থেকে মুক্তি, পারিবারিক শান্তি ও সন্তান লাভের আশায় মাজারে সিন্নি দিলেই আশা পুরন হয়। প্রতি বছরই বৈশাখ মাসে মাজার ঘিরে ইচ্ছে পুরণে মেলা বসে।

গাইবান্ধায় কালবৈশাখী ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, আহত ৭

কালবৈশাখী ঝড়ে গাইবান্ধার বিভিন্ন স্থানে গাছপালা ও ঘরবাড়ি ভেঙ্গে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আহত হয়েছে সাতজন।গত বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার বেলা ১২টা পর্যন্ত জেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন ছিলো। গাইবান্ধার ফায়ার সার্ভিস এর সহকারি পরিচালক জানান, গাইবান্ধার পলাশবাড়ি সড়কে পল্লী বিদ্যুত এলাকায় বৈদ্যুতিক তারের উপর টিনের চালা উড়ে গিয়ে বিদ্যুত সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। অপরদিকে, খোলাহাটি ইউনিয়নের মাঝিপাড়া, কুমারপাড়া, মাঠবাজারসহ বেশ কিছু এলাকার শতাধিক ঘরের চাল উড়ে যায়। এছাড়া, গাইবান্ধা- সুন্দরগঞ্জ সড়কের কুমারপাড়ায় গাছ ভেঙ্গে কয়েকটি ঘর বিধ্বস্ত হয়।

উপাচার্যকে অবরুদ্ধ করে রাখার দায়ে ছাত্রলীগের ৩ নেতাকে বহিস্কার

রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নূর-উন-নবীকে অবরুদ্ধ করে রাখার দায়ে ছাত্রলীগের ৩ নেতাকে বহিস্কার করেছে কেন্দ্রীয় কমিটি। গেল রাতে ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের জরুরী সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। পুলিশ জানায়, বুধবার সকালে চাকরী দেয়ার দাবীতে ছাত্রলীগের কিছু নেতা কর্মী উপাচার্যকে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে প্রায় ১৩ ঘণ্টা পর তা তুলে নেয়া হয়। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নিতিশ চন্দ্র বর্মণ, শহীদ মুখতার ইলাহী হল শাখার ছাত্রলীগ সভাপতি ইমতিয়াজ বসুনিয়া ও সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেনকে দল থেকে সাময়িক বহিস্কার করা হয়েছে। এদিকে উপাচার্যের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যাবহার ও দুর্নীতিসহ বিভিন্ন অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন গঠিত তদন্ত কমিটি অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে। আগামী ৫ মে উপাচার্য অধ্যাপক ডক্টর নুর উন নবীর মেয়াদ শেষ হচ্ছে। আজ তার শেষ কার্য দিবস।

ব্লাস্ট ও পাতা ঝলসানো রোগে আক্রান্ত দিনাজপুরের বোরো ফসল

দিনাজপুর সদরসহ ৪টি উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে ছত্রাক জনিত ব্লাস্ট ও পাতা ঝলসানো রোগে আক্রান্ত হয়েছে বোরো ফসল। নানা ওষুধ প্রয়োগেও ফল না পাওয়ায় দিশেহারা কৃষক। এদিকে নীলফামারীতেও ছত্রাক রোগে আক্রান্ত হয়েছে ব্রী-২৮ জাতের ধান। দিনাজপুর সদর, বীরগঞ্জ, কাহারোল ও খানসামা উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে বোরো ক্ষেতে ছত্রাক জনিত ব্লাস্ট রোগ দেখা দিয়েছে। এছাড়া বিএলবি বা পাতা ঝলসানো রোগেরও আক্রমণ দেখা দিয়েছে।কৃষকরা বলছেন, কয়েকদিন আগে হঠাৎ করেই ধান গাছে বাদামী দাগ দেখা দেয় এবং শীষে ধান থাকছে না। ঝলসে যাচ্ছে পাতা । নানা ওষুধ ছিটিয়েও কাজ না হওয়ায় দিশেহারা কৃষক।কৃষি অফিস জানায়, এটি ব্লাস্ট ও বিএলবি রোগ। আবহাওয়ার বিরূপ প্রভাবে এই রোগ দেখা দিয়েছে। আর রোগ প্রতিরোধে কৃষকদের পরামর্শ দেয়ার কথা জানান কৃষি কর্মীরা।এদিকে নীলফামারীতেও ব্রী-২৮ জাতের ধানে ছত্রাকজনিত ব্লাস্ট রোগ দেখা দিয়েছে। নানা ধরনের বালাইনাশক প্রয়োগ করেও ফল না পাওয়ায় দুশ্চিন্তায় কৃষক।আক্রান্ত জমির পরিমাণ খুবই কম দাবি করে কৃষকদের সার্বিক সহায়তা দেয়ার কথা জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।চলতি মৌসুমে জেলায় ৮২ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হলেও ব্রী-২৮ জাতের ধান আবাদ হয়েছে ৩৩ হাজার হেক্টর জমিতে।

বয়লার বিস্ফোরণে মৃতের সংখ্যা দাড়িয়েছে ১২

বয়লার বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধদের মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে থাকায় দিনাজপুরের চেহেলগাজীর উত্তর ভাবনীপুর গ্রামে চলছে শোকের মাতম আর আহাজারি। দগ্ধ ২৮ জনের মধ্যে রোববার পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা দাড়িয়েছে ১২। অন্যদেরও অবস্থা আশংকাজনক। গত ১৯ এপ্রিল দিনাজপুরের গোপালগঞ্জের শেখহাটি যমুনা অটো রাইস মিলে বয়লার বিস্ফোরনে দগ্ধ হয় ৩০ জন । স্থানীয় প্রশাসন হতাহত পরিবারের খোঁজ খবর নিলেও- অটোরাইস মিলের মালিক ও কর্তৃপক্ষ আর্থিক সহায়তা তো দুরের কথা সমবেদনা জানাতেও আসেনি। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা ক্ষুদ্ধ মিল কর্তৃপক্ষের আচরনে। এদিকে এখনো বেঁচে থাকা দগ্ধ শ্রমিকদের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার দাবি স্বজনদের।

© ২০১৭ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি