ঢাকা, বুধবার, ২৫ এপ্রিল, ২০১৮ ১৬:৪৯:৪৪

রোমাকে ৫-২ গোলে উড়িয়ে ফাইনালের পথে লিভারপুল

চ্যাম্পিয়নস লীগ:

রোমাকে ৫-২ গোলে উড়িয়ে ফাইনালের পথে লিভারপুল

রোমার বিপক্ষে দাপুটে জয় তুলে নিয়েছে লিভারপুল। মোহামেদ সালাহ ও রবের্তো ফিরমিনোর জোড়া গোলে রোমাকে উড়িয়ে দিয়েছে ইয়ুর্গেন ক্লপের দল। মঙ্গলবার রাতে ঘরের মাঠে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালের প্রথম লেগে রোমাকে ৫-২ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ফাইনালে এক পা দিয়ে রাখলো ইয়ুর্গেন ক্লপের দল। সর্বশেষ ২০০৭ সালের চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ফাইনাল খেলেছিল অলরেডরা। ১১ বছর পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে ওঠার পথে কিছুটা এগিয়ে গেল অ্যানফিল্ডের ক্লাবটি।তবে বড় ব্যবধানে হারলেও শেষ দিকে পাওয়া মুল্যবান দুটি অ্যাওয়ে গোল আশা জোগাচ্ছে বার্সেলোনাকে হারিয়ে শেষ চারে ওঠা রোমাকে। একের পর এক আক্রমণ করতে থাকা লিভারপুল ম্যাচের ৩৬তম মিনিটে পায় গোলের দেখা। ফিরমিনোর পাস ধরে বাঁ-পায়ের দুর্দান্ত কোনাকুনি শটে লক্ষ্যভেদ করেন সালাহ। বল ক্রসবারের নিচের দিকে লেগে ভিতরে ঢোকে। ২০০৮ সালের স্টিভেন জেরার্ডের পর প্রথম অলরেড ফুটবলার হিসেবে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে টানা পাঁচ ম্যাচে গোল করলেন সালাহ। ম্যাচের ৪৫তম মিনিটে দুর্দান্ত এক কাউন্টার এটাক থেকে আবারও রোমা ডিফেন্স এবং গোলকিপার এলিসনকে বোকা বানিয়ে ম্যাচে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন সালাহ। তবে এবারও সহায়তায় ফিরমিনো। এ গোলে মৌসুমের ৪৭টি ম্যাচে ৪৩টি গোল করলেন মিশরের ফরোয়ার্ড।বিরতি থেকে ফিরে ম্যাচে ফেরার ইঙ্গিত দিলেও লিভারপুলের দুর্দান্ত আক্রমণভাগের কল্যাণে সেটি আর পেরে ওঠেনি রোমা। দ্বিতীয়ার্ধ শুরু করা লিভারপুল ম্যাচের ৫৬তম মিনিটে ব্যবধান আরও বাড়ায়। ডান দিক থেকে সালাহর পাস পেয়ে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন মানে। ৩-০ গোলে এগিয়ে থেকেও যেন গোলের ক্ষুধা মিটেনি লিভারপুলের। ম্যাচে নিজের প্রথম গোলটি করেন ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার ফিরমিনো। ৬১তম মিনিটে ডি-বক্সে ঢুকে ডিফেন্ডার জুয়ান জেসুসকে কাটিয়ে সালাহর গোলমুখে বাড়ানো বল টোকা দিয়ে জালে পাঠান ফিরমিনো। এক হালি গোল খেয়ে যেন ছন্নছাড়া হয়ে পড়ে রোমানরা। এই সুযোগে ৬৯তম মিনিটে আবারও ফিরমিনোর গোল করলে ৫-০ গোলের বিশাল লিড পায় ক্লপের দল।শেষ ১০ মিনিটে ম্যাচের চেহারা আচমকা পাল্টে যায়। চার মিনিটের ব্যবধানে দুই গোল খেয়ে বসে স্বাগতিকরা। ম্যাচের ৮১তম মিনিটে রোমার হয়ে একটি সান্ত্বনাসূচক গোল করেন এডিন জেকো। বার্সেলোনার বিপক্ষে দুই লেগেই গোল করেছিলেন বসনিয়ার এই স্ট্রাইকার। ম্যাচের ৮৫তম মিনিটে ডি বক্সের ভেতর জিমস মিলনারের হ্যান্ডবলের সুবাদে পেনাল্টি পায় রোমা। স্পট কিক থেকে গোল করেন পেরোত্তি। ২ গোল শোধ দিয়ে ম্যাচের অন্তিম মুহূর্তে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে রোমা কিন্তু আর শেষ রক্ষা হয়নি। ফলে ৫-২ গোলের জয় নিয়েই ফাইনালের পথে অনেকটা এগিয়ে রইল লিভারপুল। দ্বিতীয় লেগে রোমার মাঠে ড্র করলেই ফাইনালে উঠে যাবে তারা। রোমার সামনে সুযোগ থাকবে এওয়ে গোলের সুবিধা নিয়ে লিভারপুলকে ৩-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালে ওঠার সুযোগ।আগামী ২ মে অলিম্পিক স্টেডিয়ামে লিভারপুলকে দ্বিতীয় লেগে স্বাগত জানাবে রোমা। তাদের জন্য ওই ম্যাচে অনুপ্রেরণা হতে পারে বার্সার বিপক্ষে ঘুরে দাঁড়ানো জয়। সূত্র: গোল ডটকমএকে/ এমজে
অপ্রতিরোধ্য রোনালদো, সেমির পথে রিয়াল

ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, গ্যারেথ বেল ও করিম বেনজেমাকে ইতোমধ্যে অপ্রতিরোধ্য ত্রয়ী হিসেবে চিনে গেছে ফুটবল বিশ্ব। তবে বাকি দুইজনকে ছাড়িয়ে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো উঠে এসেছেন দলের মধ্যমণি হয়ে। গত বুধবারের ম্যাচে বায়ার্ন মিউনিখের সঙ্গে অপ্রতিরোধ্য খেলে ফের চিনিয়েছেন নিজের জাত। আর এতে রিয়াল মাদ্রিদ ও রোনালদো যেন পরষ্পরের বিপরীত নাম হয়ে উঠেছে। বায়ার্ন মিউনিখের সঙ্গে অবিশ্বাস্য খেলে রিয়াল মাদ্রিদকে নিয়ে যাবেন চ্যাম্পিয়ন লীগের সেমি ফাইনালে, এমনই প্রত্যাশা রিয়াল সমর্থকদের। রোনালদো চ্যাম্পিয়ন লীগে ১২ ম্যাচ খেলে করেছেন ২২ গোল। গত ১১ ম্যাচের প্রতিটিতেই তিনি অন্তত একটি করে গোল পেয়েছেন। বায়ার্ন ডিফেন্ডার জেরুম বোয়াটেং বলেন, রোনালদোকে আটকানো অসম্ভব। একমাত্র দলীয়ভাবেই তাকে আটকানো যাবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। বোয়াটেং আরও বলেন, একজন আক্রমণকারীর এর চেয়ে শক্তিশালী হতে পারে না। সে তার বাম-পা, ডান-পা, মাথা, শরীর সমানভাবে কাজে লাগাতে পারেন। আর ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো জলে উঠায়, দলের অন্য দুই নির্ভার স্ট্রাইকার বেল ও বেনজেমা একেবারেই চাপমুক্ত খেলেন বলেও মত দেন বোয়াটেং। এদিকে ইনজুরি থেকে ফিরে আসা গ্যারেথ বেলও আছেন ফুরফুরে মেজাজে। দ্বিতীয় লীগে বায়ার্নের উপর আক্রমণের ধার বাড়াতে মুখিয়ে আছেন তিনিও। এদিকে ঘরের মাঠে নামার আগে বেশ চোট সমস্যায় জর্জরিত বায়ার্ন ম্যানেজমেন্ট ৷ চোটের জন্য দলে নেই আর্তুরো ভিদাল ৷ গোলদুর্গের নিচে দায়িত্ব সামলাতে পারবেন না দলের একনম্বর গোলরক্ষক ম্যানুয়েল ন্যুয়র ৷ অন্যদিকে রিয়ালে চোটের সমস্যা খালি নাচোর চোট ৷ টানা দু‘বার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জেতা রিয়াল মাদ্রিদের সামনে এবার হ্যাটট্রিকের হাতছানি ৷ তাই বায়ার্ন কাঁটা উপড়ে ফেলতে বদ্ধপরিকর তাঁরাও ৷ চ্যাম্পিয়ন্স লিগে স্বপ্নের ফর্মে রয়েছেন রোনাল্ডো ৷ ধারাবাহিক ভাবে গোলও পাচ্ছেন তাই মেগা ম্যাচে রিয়ালের কি ফ্যাক্টর হয়ে উঠতে চলেছেন তিনিই ৷ অন্যদিকে বায়ার্নের তুরুপের তাস হয়ে উঠতে পারেন পোল্যান্ডের তারকা স্ট্রাইকার রবার্ট লেওয়ানডস্কি ৷ বুধবার রাত ১২ টা ১৫ তে ফের ফুটবলপ্রেমী জনতা চোখ সেঁটে নেবেন টিভি পর্দার সঙ্গে, ইউরোপ সেরার এই লড়াইতে কে কাকে কিক আউট করতে পারে তা দেখার জন্য ৷ সূত্র: এএফপি  এমজে/  

জয় দিয়েই জবাব দিলেন এভারটন গুরু

দলের টানা পরাজয়ে নিজের খেলার স্টাইল নিয়ে বার বার প্রশ্নের মুখে পড়েছেন এভারটন গুরু অ্যালারডাইস। তবে দলের বাজে পারফরমেন্সের কারণে জবাব দিতে পারেননি। তাই নিউক্যাসলের সঙ্গে জিতেই মুখ খুললেন অ্যালারডাইস। জয়ের পর অ্যালারডাইস বলেন, ‘আপনারা কি বলেন, আমার স্টাইলের মধ্যে ভুল আছে? সমালোচনা করুন, কিন্তু ধাক্কা দিবেন না’ গতকাল সোমবার নিউক্যাসলের সঙ্গে নিজেদের আধিপত্য ধরে রেখেছে ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগের বাজে পারফরমেন্স করা এভারটন। দলীয় স্ট্রাইকার ওয়ালকটের গোলে নিউক্যাসলকে হারিয়ে দিয়েছে অ্যালারডাইসের শিষ্যরা। চলতি বছরের জানুয়ারির পর এটাই ওয়ালকটের প্রথম গোল। আর এতেই নিউক্যাসেল অ্যালারডাইসের অধীনে এভারটনের পারফরমেন্স নিয়ে অনেক ভক্তই সমালোচনা করেছেন। তবে নিউক্যাসলের সাবেক কোচ অ্যালারডাইচ ঠিকই জানতেন, তার সাবেক শিষ্যদের ব্যাপারে ভালোই জবাব দেবেন ওয়ালকটরা। এদিকে নিজের স্টাইল নিয়ে মুখ খোলেছেন অ্যালারডাইস। তিনি বলেন, ‘খেলাটা খেলে খেলোয়াড়রা, আমার স্টাইলের মধ্যে কি ভুল আছে, সেটা ধরিয়ে দিন। আপনারা আমাদের ফুটবলকে ধাক্কা দিতে পারেন না। আপনি আমাদের কিছু ভুল খেলার সমালোচনা করতে পারেন। কিন্তু এর জন্য আপনি আমাকে আঘাত করতে পারেন না। খেলার শেষ ১০ মিনিট বাদে বাকি সময় আমরা আধিপত্যের সঙ্গে খেলেছি’। ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগে এভারটন আছে ৮ নম্বরে। অন্যদিকে ৩৪ ম্যাচ খেলে ৯০ পয়েন্ট নিয়ে শিরোপা দৌড়ে এগিয়ে ম্যানচেষ্টার সিটি। সমান সংখ্যক ম্যাচ খেলে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সংগ্রহ ৭৪ পয়েন্ট। ম্যানচেস্টার আছে দুই নম্বরে। এদিকে নিউক্যাসল ৩৪ ম্যাচ খেলে ৪১ পয়েন্ট নিয়ে ১০ নম্বরে রয়েছেন। সূত্র: বিবিসি এমজে/  

নেইমারের উচিত আবারো স্পেনে ফেরা: রিভালদো

ব্রাজিলের সাবেক বিশ্বকাপজয়ী তারকা রিভালদোর মতে, বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়দের একজন হতে চাইলে নেইমারের উচিত হবে প্যারিস সেইন্ট-জার্মেই (পিএসজি) ছেড়ে আবারো স্পেনে ক্যারিয়ার শুরু করা। ১৯৯৮ ও ২০০২ সালের বিশ্বকাপ তারকা রিভালদো স্থানীয় গণমাধ্যমে বলেছেন, নেইমারের বার্সায় ফেরাটা যদিও জটিল, এ কারণে রিয়াল মাদ্রিদের বিষয়টি সে বিবেচনায় নেওয়া উচিত। রিভালদো বলেন, নেইমার অবশ্যই বিশ্বের সেরা খেলোয়াড় হতে পারে, কিন্তু পিএসজিতে থাকাকালিন সেটা সম্ভব নয়। এজন্য তাকে প্যারিস সেইন্ট-জার্মেই (পিএসজি) ছাড়তে হবে। সে বিশ্বের সেরা হতে পারবে, সেটা শুধু স্পেনেই সম্ভব। এই মুহূর্তে তার বার্সেলোনায় ফেরা কঠিন হলেও রিয়ালে সে সুযোগটি নিতে পারে। উল্লেখ্য, গত বছর রেকর্ড ২২২ মিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে বার্সা ছেড়ে পিএসজিতে যোগ দেন নেইমার। এর মধ্য দিয়ে ফুটবলের ইতিহাসে নিজেকে সবচেয়ে দামী ফুটবলার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন এই ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। স্প্যানিশ গণমাধ্যম রিয়াল মাদ্রিদে তার যাবার বিষয়টি নিয়ে ইঙ্গিত দিলেও পিএসজি থেকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে চুক্তির শর্তানুযায়ী তাকে ছাড়ার কোনো উপায় নেই।   আর

কাপ জিতেও হতাশা বার্সায়   

সেভিয়াকে হারিয়ে টানা চতুর্থ কোপা দেল রে জিতল বার্সেলোনা। ১২ পয়েন্টে এগিয়ে থাকা কাতালানদের সামনে এবার লা লিগা শিরোপার হাতছানি। এমন অর্জনকে সামনে রেখে রোমাঞ্চিত থাকার কথা বার্সেলোনার। অথচ, চ্যাম্পিয়নস লিগের ব্যর্থতা ভুলতে পারছেন না মেসি-সুয়ারেসরা।     শনিবার ওয়ান্দা মেত্রোপলিতানোয় জোড়া গোল করা সুয়ারেস জানালেন, কোপা দেল রে জয় চ্যাম্পিয়নস লিগে বার্সার ব্যর্থতা ঢাকতে পারবে না। ৪-১ গোলে এগিয়ে থেকেও রোমার মাঠে কোয়ার্টার ফাইনালের দ্বিতীয় লেগে ৩-০ গোলে হেরে বিদায় নেওয়ার দুঃখ এখনও মন থেকে মুছে ফেলতে পারছে না দল। সেভিয়ার বিপক্ষে ৫-০ গোলে জিতে ৩০তম কোপা দেল রে জিতেছে বার্সা। মৌসুম যেভাবে শেষ হচ্ছে তাতে মিশ্র অনুভূতি বার্সার খেলোয়াড়দের মনে। শনিবার ম্যাচ শেষ হওয়ার পর সুয়ারেস বলেছেন, ‘পরিস্থিতি ছিল কঠিন। আমাদের সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়াতেই হতো। রোমে যা হয়েছে, সেটা ঢাকতে পারবে না এই শিরোপা। কিন্তু এটা গুরুত্বপূর্ণ একটি ট্রফি।’   উরুগুয়ান স্ট্রাইকার বলেছেন, ‘মৌসুমের শুরু থেকে আমাদের সব (ঘরোয়া দ্বৈত শিরোপা) জেতার ইচ্ছা ছিল। এটা করতে অনেক যোগ্যতা লাগে। লা লিগায় অনেক ম্যাচ এবং প্রত্যেকে চায় কোপা জিততে।’  চ্যাম্পিয়নস লিগে বিদায় এখনও কষ্ট দেয় তাদের, ‘চ্যাম্পিয়নস লিগে বিদায়ের অনুভূতি একেবারে অদ্ভুত। আমরা আরও অনেক দূরে যেতে পারতাম, এই অনুভূতি এখনও আছে।’ কেআই/এসি     

টটেনহামকে হারিয়ে এফএ কাপের ফাইনালে ম্যানইউ

সময়টা ভালো যাচ্ছিল না ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের। সম্প্রতি পেপ গার্দিওলার ম্যানচেস্টার সিটিকে প্রিমিয়ার লিগের ট্রফি একপ্রকার হাতে ধরে উপহার দিয়ে এসেছে ইউনাইটেড। চ্যাম্পিয়নস লিগ থেকেও বিদায় নিতে হয় হোসে মরিনিহোর দলটির। সব হারিয়ে ম্যানইউর একমাত্র ভরসা ছিল এফএ কাপ। সেখানে অবশ্য ঘুরে দাঁড়িয়েছে দলটি। টটেনহামকে ২-১ গোলে হারিয়ে ২০তমবারের মতো এই টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠে গেল তারা। মূল একাদশের শক্তিশালী দলই মাঠে নামান মরিনিহো। ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই দাপট দেখিয়ে খেলতে থাকে টটেনহাম। হোম গ্রাউন্ডের সুযোগ কাজে লাগিয়ে ম্যাচের ১১ মিনিটেই এগিয়ে যায় তারা। এরিকসনের বাড়ানো বল থেকে গোল করেন ইংলিশ মিডফিল্ডার দেলে আলি। কিন্তু এই গোলের আনন্দ বেশিক্ষণ ছিল না টটেনহাম শিবিরে। ম্যাচের ২৪ মিনিটে পল পগবার ক্রস থেকে অসাধারণ এক হেডে গোল করেন চিলিয়ান ফরোয়ার্ড অ্যালেক্সিস সানচেজ। ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে আট ম্যাচের আটটিতেই গোল করার কৃতিত্ব গড়েন সানচেজ। প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে এরিক ডায়ারের শট বারে লেগে ফিরে এলে গোলবঞ্চিত হতে হয় টটেনহামকে। ফলে ১-১ সমতায় শেষ হয় প্রথমার্ধ। বিরতি থেকে ফিরে গোলের জন্য মরিয়া হয়ে খেলতে থাকে ইউনাইটেড। ৬২ মিনিটে ইউনাইটেডকে গোল এনে দেন স্প্যানিশ মিডফিল্ডার আন্ডার হেরেরা। রোমেলু লুকাকুর কাছ থেকে বল পেয়ে টানা দুই এফএ কাপ ম্যাচে গোল করলেন তিনি। ৭৪ মিনিটে এরিকসনের শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে গোলবঞ্চিত হন তিনি। ম্যাচের শেষ দিকে টটেনহাম আরো কয়েকটি বিক্ষিপ্ত আক্রমণ করলেও সেগুলো গোলের দেখা পায়নি। ফলে ২-১ গোলের ব্যবধানে জয় নিয়ে হাসিমুখেই মাঠ ছাড়ে ইউনাইটেড। সূত্র : গোলডটকম। /এআর/  

কোপা দেল রে’র ৩০তম শিরোপা জিতলো বার্সা

সেভিয়াকে মাটিতে নামিয়ে ৫-০ গোলের বিশাল জয় নিয়ে কোপা দেল রে’র ৩০তম শিরোপা জিতলো বার্সেলোনা। যেখানে তাদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাথলেটিক বিলবাওর কোপা দেল রে শিরোপার সংখ্যা ২৩টি। প্রথম দল হিসেবে টানা চারবছর কোপা দেল রে’র শিরোপা জিতলো মেসিরা। মৌসুম শেষেই ক্লাব ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন ইনিয়েস্তা। মূলত তার বার্সেলোনার ক্যারিয়ারের শেষটা আরও বর্ণিল করে রাঙিয়ে দিতে বার্সেলোনার খেলোয়াড়রা ছিল দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। ম্যাচের শুরুতেই গোল পেয়ে যায় বার্সা। ১৪ মিনিটে সুয়ারেজের অসাধারণ গোলে ১-০ গোলে এগিয়ে যায় ভালভার্দের দল। বার্সা গোলকিপার সিলেসিনের কাছ থেকে পাওয়া লং পাস থেকে কৌতিনহো বল পেয়ে ক্ষিপ্রতার সহিত আক্রমণে গিয়ে ডান পাশ থেকে সুয়ারেজের কাছে বল গেলে সেটিকে গোলে পরিণত করেন এই উরুগুইয়ান স্ট্রাইকার। ম্যাচের ১৮ মিনিটে সমতায় ফেরার সুযোগ পেয়েছিল সেভিয়া কিন্তু নাভাসের বাড়ানো বলে বার্সার রক্ষণভাগে চারজন সেভিয়া ফুটবলার থাকলেও একজনও তাতে সঠিকভাবে পা ছোঁয়াতে পারেননি। ২৮ মিনিটে ইনিয়েস্তার দুর্দান্ত শট গোলবারে লেগে ফিরে আসলে শেষ ফাইনালের মঞ্চে গোলবঞ্চিত হন এই স্প্যানিশ মিডফিল্ডার। এর ঠিক ৩ মিনিট পরেই বার্সেলোনাকে ২-০ গোলে এগিয়ে দেন আর্জেন্টাইন যাদুকর মেসি। সমন্বিত এক আক্রমণ থেকে জর্দি আলবার বুদ্ধিদীপ্ত ব্যাকহিল থেকে ৫ম বারের মত কোপা দেল রে’র ফাইনালে গোল করেন মেসি। কোপার ইতিহাসে দ্বিতীয় ফুটবলার হিসেবে ৫টি ফাইনালে গোল করার রেকর্ড গড়লেন তিনি। এর আগে অ্যাথলেটিক বিলবাওর তেলমো জারা পাঁচটি কোপা ফাইনালে গোল করেছিলেন। এই জয়ের ফলে শেষ ১০ বছরে ছয়বারই কোপার শিরোপা জিতলো বার্সেলোনা। এসএইচ/

নেইমারের চোখে রাশিয়া বিশ্বকাপের তারকারা

মিশরের মোহামেদ সালাহ ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে লিভারপুলের হয়ে দুরন্ত ফর্মটা বিশ্বকাপে টেনে আনতে পারেন বলে বিশ্বাস নেইমারের। এছাড়া উরুগুয়ের লুইস সুয়ারেস এবং ব্রাজিল দলের দুই সতীর্থ ফিলিপে কৌতিনিয়ো ও গাব্রিয়েল জেসুসের ওপরও নজর রাখতে বলছেন বিশ্বের এই দামি ফুটবলার। নেইমারের পায়ের পাতায় অস্ত্রোপচারের পর বিশ্রামের জন্য এখন ব্রাজিলে রয়েছেন পিএসজির ফরোয়ার্ড নেইমার। তবে ১৭ জুন বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ব্রাজিলের প্রথম ম্যাচের আগেই সুস্থ হয়ে ওঠা নিয়ে আশাবাদী তিনি। ‘ই’ গ্রুপে ব্রাজিলের অন্য দুই প্রতিপক্ষ কোস্টারিকা ও সার্বিয়া। বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিলিপে কৌতিনিয়ো ও গাব্রিয়েল জেসুসদের থেকে যোগ্য সমর্থন পাবেন বলে প্রত্যাশা ব্রাজিল অধিনায়কের। তিনি নিজে, ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো ও লিওনেল মেসি ছাড়া কারা বিশ্বকাপ মাতাবেন -সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে নেইমার বলেন, ‘অনেক ভালো মানের খেলোয়াড় আছে। আমরা বিশ্বকাপ নিয়ে কথা বলছি, একমাত্র বিশ্বের সেরারাই এখানে আসে।’ ‘কিন্তু কৌতিনিয়ো ও জেসুস এমন দুজন যারা পার্থক্য গড়ে দিতে পারে। আমি আশা করি তারা তা পারবে।’ ‘মোহামেদ সালাহ খুব বড় একটা জাতীয় দলে খেলে না। কিন্তু সে খুব ভালো একটা বিশ্বকাপ কাটাতে পারে। কেভিন ডি ব্রুইনে, এডেন হ্যাজার্ড, লুইস সুয়ারেসদের মতো আরও কয়েকজন খুব প্রতিভাবান খেলোয়াড় আছে।  আমি আশা করি, আমরা সবাই দারুণ পারফর্ম করতে পারব এবং অসাধারণ একটা বিশ্বকাপ উপভোগ করবো। কিন্তু আমি চাইব তারা ব্রাজিলের বিপক্ষে তেমনটা করবে না। আমার মতে এই মুহূর্তে সবচেয়ে শক্তিশালী দলের অংশ হতে পেরে আমি আনন্দিত। আমাদের বিশ্বকাপ জয়ের মতো ভালো মানের খেলোয়াড় আছে এবং আমরা তা জিততে চেষ্টা করব।’ কেআই/টিকে

আর এক ম্যাচ জিতলেই শিরোপা বার্সার

 লা লিগার শিরোপা আরও ভালোভাবে বার্সেলোনার হাতে তুলে দিলো অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদ। কোন ধরনের অঘটন না ঘটলে শিরোপা জয় অনেকটা নিশ্চিত বার্সার। শেষ পাঁচ ম্যাচের যে কোনও একটিতে জিতলেই শিরোপার মুকুট পরবে ভালভেরদের শিষ্যরা। বৃহস্পতিবার রাতে রিয়াল সোসিয়েদাদের মাঠ থেকে অ্যাতলেতিকো ৩-০ গোলে হেরে আসায় শিরোপা জিততে বার্সেলোনা দরকার আর একটি জয়। নিজেদের মাঠে ম্যাচের শুরু থেকেই অ্যাটলেটিকো শিবিরে আক্রমণ করে খেলতে থাকে স্বাগতিক সোসিয়েদাদ। এরি ধারাবাহিকতায় ম্যাচের ২৭ মিনিটে ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড উইলিয়ান জোসের গোলে এগিয়ে যায় স্বাগতিক শিবির। বিরতি থেকে ফিরে দ্বিতীয়ার্ধে ৮০তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন হুয়ানমি। আর যোগ করা সময়ে জয় সূচক এবং নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন স্প্যানিশ এই ফরোয়ার্ড। সোসিয়েদাদের এই জয়ে শিরোপা থেকে এখন ৩ পয়েন্ট দূরে বার্সা। সামনের সপ্তাহান্তে দেপোর্তিভো লা করুণার বিপক্ষে জিতলেই টানা তৃতীয় লা লিগা ঘরে তুলবে এরনেস্তো ভালভারদের দল। যাতে ন্যু ক্যাম্পের এল ক্লাসিকোর আগেই মাতবে শিরোপা উৎসবে। অ্যাতলেতিকোর হারে লাভ হয়েছে রিয়াল মাদ্রিদেরও। এখন তারা দ্বিতীয় হয়েও শেষ করতে পারে লিগ মৌসুম। এই নিয়ে ৩৩ ম্যাচে ৭১ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে অ্যাটলেটিকো। আর ১২ পয়েন্ট বেশি নিয়ে শীর্ষে আছে বার্সেলোনা। শেষ পাঁচ ম্যাচে তিন পয়েন্ট পেলেই জিতলেই শিরোপা ঘরে তুলবে তারা। আগামী ২৯ এপ্রিল লিগে দেপোর্তিভো লা করুনার মাঠে নিজেদের পরের ম্যাচ খেলবে কাতালান ক্লাবটি। একে/ এসএইচ/

বিশ্বকাপের প্রতি ম্যাচে চারজন ভিএআর অফিসিয়াল থাকবে

রাশিয়া বিশ্বকাপে প্রতিটি ম্যাচের জন্য চারজন ভিডিও সহকারি রেফারি (ভিএআর) কাজ করবেন। স্টেডিয়ামের ভিতরে জায়ান্ট স্ক্রিনে রিপ্লে দেখানো হবে বলে ফিফা নিশ্চিত করেছে। এ জন্য আগামী দুই সপ্তাহ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে ফ্লোরেন্সে ৩৬ জন রেফারি ও ৬৩ জন সহকারী রেফারিকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। প্রথমবারের মত এবারের বিশ্বকাপে ভিএআর ব্যবহৃত হচ্ছে। মূলত সেই প্রযুক্তির উপরই এই ওয়ার্কশপটি আয়োজন করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে ফিফার রেফারি প্রধান পিয়েরলুইজি কোলিনা ফ্লোরেন্সে অনুষ্ঠিত রেফারি ট্রেনিং সেমিনারে বলেছেন, মস্কো থেকে কেন্দ্রীয়ভাবে সবকিছু নিয়ন্ত্রন করা হবে। সব রেফারিদের মস্কোতেই রিপোর্ট করতে হবে। আরেক সাবেক ইতালিয়ান রেফারি রবার্তো রোসেত্তি জানিয়েছেন, প্রতিটি ম্যাচে চারজন ভিএআর অফিসিয়াল থাকবেন। তারা ম্যাচ পরিচালনাকারী মূল রেফারির সাথে যোগাযোগ করে ইমেজগুলো পরীক্ষা নিরীক্ষা করবেন। রিভিউ পদ্ধতির চলাকালীন ভিএআর অফিসিয়ালদের মধ্যে এক নম্বরে থাকা রেফারি পুরো বিষয়টি পরিচালনা করবেন। ভিএআর অফিসিয়ালদের মধ্যে দুই নম্বরে থাকা রেফারি শুধুমাত্র অফ-সাইডের বিষয়টি দেখবেন। অফ-সাইডের খেলোয়াড়দের পর্যালোচনা করার জন্য দুটি বিশেষ ক্যামেরা ব্যবহৃত হবে। তৃতীয় ভিএআর অফিসিয়াল পুরো বিষয়টি যাতে সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন হয় সেজন্য সহযোগিতা করবে। ভিএআর এর পুরো দলটির সাথে স্ক্রিন ও ক্যামেরার কার্যক্রম যাচাইয়ের জন্য চারজন টেকনিশিয়ানও থাকবেন।বাসস   এমএইচ/

রাশিয়া বিশ্বকাপ: আগুয়েরোর স্বপ্নভঙ্গ!

হাঁটুর ইনজুরি কেড়ে নিচ্ছে সার্জিও আগুয়েরোর বিশ্বকাপের স্বপ্ন। আসন্ন বিশ্বকাপ মিস করতে যাচ্ছেন ম্যানচেস্টার সিটির এ তারকা স্ট্রাইকার! এমনই সংশয় প্রকাশ করেছেন আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) ডাক্তার হোমেরো ডি আগস্টিনো। হাঁটুর ইনজুরির কারণে গত মাসের পুরোটাই মাঠের বাইরে ছিলেন আগুয়েরো। ম্যানচেস্টার ডার্বি ও লিভারপুলের ম্যাচের পর অনুশীলনে আবার ইনজুরিতে পড়েন এ ফুটবলার। এতে গত মঙ্গলবার ছুরি-কাঁচির নিচে যেতে বাধ্য হয়েছেন আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার। অস্ত্রোপচার শেষে এখন বিশ্রামে রয়েছেন  তিনি। হোমেরো ডি আগস্টিনো বললেন, বিশ্বকাপ আসতে দুই মাসও সময় নেই। কিন্তু এই সময়ের মধ্যে শতভাগ ফিট হয়ে সে আর্জেন্টিনা দলে যোগ দিতে পারবে বলে আমার মনে হয় না। কারণ ইনজুরিটা বেশ বড়। তাই সেরে উঠতে সময় লাগবে। ফলে বিশ্বকাপের আগে পুরোপুরি ফিট হতে পারবে বলে মনে হয় না। তিনি জানান, আগুয়েরোর সুস্থ হতে কমপক্ষে পাঁচ সপ্তাহ লাগবে। প্রসঙ্গত,আগামী ১৪ জুন রাশিয়ায় পর্দা উঠবে ফুটবল বিশ্বকাপের ২১তম আসরে। এবার ‘ডি’গ্রুপে রয়েছে আর্জেন্টিনা। `এ` গ্রুপে তাদের সঙ্গী আইসল্যান্ড, ক্রোয়েশিয়া ও আফ্রিকান ঈগল নাইজেরিয়া। ১৬ জুন আইসল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযাত্রা শুরু করবে দুবারের চ্যাম্পিয়নরা। সূত্র: ইএসপিএন একে// এআর

প্রিমিয়ার লিগের সেরা একাদশে ম্যান সিটির পাঁচ

পাঁচ ম্যাচ হাতে রেখেই ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা নিজেদের করে নিয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। শিরোপার লড়াই মীমাংসা হয়ে যাওয়ায় এরই মধ্যে মৌসুমের সেরা একাদশও নির্বাচন শুরু হয়ে গেছে। ব্রিটিশ প্রফেশনাল ফুটবলার অ্যাসোশিয়েসনের পক্ষে থেকে চলতি মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগে সেরা একাদশ নির্বাচন করা হয়েছে। আর সেই একাদশে ম্যানচেস্টার সিটির পাঁচ খেলোয়াড় জায়গা পেয়েছেন। আগের মৌসুমে সিটিজেনদের দায়িত্ব নিলেও দলে শিরোপা জেতাতে ব্যর্থ হন গার্দিওলা। এরপরই সমালোচকরা বলতে শুরু করেন অন্য সব লিগ থেকে ইংলিশ লিগ আলাদা। তবে পরের মৌসুমে নিজের জাদু দেখিয়ে দিলেন স্প্যানিশ এই কোচ। পাঁচ ম্যাচ হাতের দ্বিতীয় স্থানে থাকা নগরপ্রতিপক্ষ ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের চেয়ে ১৬ পয়েন্টে এগিয়ে থেকে আকাশি-নীলরা নিশ্চিত করেছে প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা। এদিকে ম্যানচেস্টার সিটি থেকে ব্রিটিশ প্রফেশনাল ফুটবলার অ্যাসোশিয়েসনের সেরা একাদশে জায়গা পাওয়া পাঁচ খেলোয়াড় হলেন স্ট্রাইকার সার্জিও আগুয়েরো, মিডফিল্ডার কেভিন ডি ব্রুইন, ডেভিড সিলভা, ডিফেন্ডার ওটামেন্ডি এবং কাইল ওয়াকার। আর নগর প্রতিদ্বন্দ্বী ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের একমাত্র সদস্য হিসেবে দলে জায়গা পেয়েছেন গোলরক্ষক ডেভিড ডি হেইয়া। গত ৫ বছরে ৪ বার মৌসুমের সেরা দলে জায়গা পেলেন এ স্প্যানিশ। লিভাপুলের প্রতিনিধি হিসেবে দলে আছেন মৌসুমে এখন পর্যন্ত ৩০ গোল করা মিশরীয় ফরোয়ার্ড মোহাম্মদ সালাহ। এছাড়া চমক দেখিয়ে সেরা দলে জায়গা পেয়েছেন টটেনহ্যামের ৩ সদস্য। তারা হলেন- ফরোয়ার্ড হ্যারি কেন, ভার্টনগেন এবং ক্রিস্টিয়ান এরিকসেন। আর চেলসি থেকে সুযোগ পেয়েছেন ডিফেন্ডার মার্কোস আলোনসো। এসএইচ/

রোনালদোর গোলে হার এড়ালো রিয়াল

চ্যাম্পিয়নস লিগের দুর্দান্ত রিয়াল মাদ্রিদের লা লিগায় আসলে যেন কী হয়ে যায়। অন্তত এবারের মৌসুমে দুইরকম রিয়াল মাদ্রিদকে দেখেছে ফুটবল বিশ্ব। চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালে ওঠা দলটি লিগের মধ্যম সারির দল অ্যাথলেটিক বিলবাওর বিপক্ষে জিততেই পারলো না। তবে হারেওনি জিদানের দল। ১-১ গোলের এক অস্বস্তিকর এক ড্রয়ে ভ্যালেন্সিয়ার সঙ্গে পয়েন্ট ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগও হাতছাড়া করলো রিয়াল। অথচ এই বিলবাও দলটাই বার্নাব্যুতে শেষ ১২ ম্যাচের প্রতিটিতেই হেরেছে যেখানে গোল খেয়েছে ৪৪টি। বিলবাওর বিপক্ষে মাঠে নামার আগে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে মৌসুমের ১১টি ম্যাচে কোনো জয় পায়নি রিয়াল। ১৮ বছরের ভেতর এটিই ঘরের মাঠে রিয়ালের সবথেকে বাজে ফর্ম। লা লিগাতেও রিয়ালে অবস্থা নড়বড়ে। এক ম্যাচ বিশ্রাম নিয়েই এদিন রিয়াল একাদশে ফিরেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণের পসরা সাজিয়ে বসে জিনেদিন জিদানের দল। ৭ মিনিটে বিলবাওর ইতুরাপাসের শট রুখে দেন রিয়াল গোলকিপার নাভাস। ৯ মিনিটে কার্ভাহালের শটে রোনালদো হেড করলে গোলকিপার পরাস্ত হলেও গোলবারকে পরাস্ত করতে পারেননি বিলবাওর বিপক্ষে ১৭ ম্যাচে ১৬ গোল করা রোনালদো। ১১ মিনিটে আবারো গোলের সুযোগ পায় রিয়াল। এবার আসেনসিওর শট রুখে দেন বিলবাওর গোলকিপার কেপা। কেপা যেন একাই চীনের প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন রিয়ালের আক্রমণভাগের সামনে। রিয়াল ফুটবলারদের একের পর এক আক্রমণ একাই প্রতিহত করতে থাকেন তিনি। ১৪ মিনিটে স্রোতের বিপরীতে অসাধারণ এক কাউন্টার এটাক থেকে গোল করে বসেন বিলবাওর ইনাকি উইলিয়ামস। গোল খেয়েই যেন আরো আক্রমণাত্মক হয়ে খেলতে থাকে রিয়াল। ১৯ মিনিটে মার্সেলোর বা পায়ের দূরপাল্লার শট অসাধারণ দক্ষতায় তালুবন্দী করেন কেপা। ৩৭ মিনিটে আবারো রিয়ালের সামনে বাঁধা হয়ে দাঁড়ান কেপা। এবার ভাস্কুয়েজের শট রুখে দেন তিনি। কেপা প্রথমার্ধের সবথেকে দুর্দান্ত সেভটি করেন ম্যাচের ৪৪ মিনিটে। তিনজন খেলোয়াড়কে ফাঁকি দিয়ে আসেনসিওর বা পায়ের শট রুখে দিয়ে বিলবাওকে ম্যাচে টিকিয়ে রাখেন কেপা। বিরতি থেকে ফিরেও চলে রিয়াল খেলোয়াড়দের আধিপত্য। বল নিজেদের দখলে নিয়ে খেলতে থাকলেও পরিকল্পিত কোনো আক্রমণই করতে পারছিল না জিদানের দল। ম্যাচের ৬৪ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সবথেকে সহজ সুযোগটি হাতছাড়া করেন বিলবাওর গোলকিপার। তিন দফায় সুযোগ পেয়েও বল জালে পাঠাতে পারেননি বিলবাওর খেলোয়াড়রা। দে মার্কসের বারানো বলে পা ছোঁয়াতে পারেননি কেউ। সেই বলে কর্ডোবা শট নিলেও ব্লক করেন কার্ভাহাল, ফিরতি বলে গার্সিয়ার শট গোলবারে লেগে ফিরে আসলে গোলবঞ্চিত হয় বিলবাও। ম্যাচের একদম অন্তিম মুহূর্তে আবারো রিয়াল মাদ্রিদের ত্রাতা হিসেবে হাজির হন রোনালদো। মদ্রিচের দূরপাল্লার শটে অসাধারণ এক ব্যাকহিলের মাধ্যমে গোল করে রিয়ালকে সমতায় ফেরান পর্তুগিজ এই স্ট্রাইকার। শেষ ১২ ম্যাচে এটি রোনালদোর ২২তম গোল। ১-১ গোলের সমতায় থেকেই ম্যাচ অস্বস্তির এক ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়ে রিয়াল। এই ড্রয়ে ৩৩ ম্যাচে ৬৮ পয়েন্ট নিয়ে লিগের ৩য় স্থানেই রইল রিয়াল মাদ্রিদ। এসএইচ/

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি