ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ১০:৩৭:১৬

রিয়ালের টানা তৃতীয় জয়

রিয়ালের টানা তৃতীয় জয়

লা লিগায় টানা তৃতীয় জয় পেয়েছে মৌসুমের শুরু থেকে বারবার ছন্দ হারানো রিয়াল মাদ্রিদ। ফলে লিগ টেবিলে তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে গতবারের চ্যাম্পিয়নরা। বুধবার লেগানেসকে ৩-১ গোলে হারিয়েছে জিনেদিন জিদানের দল। জানুয়ারিতে এই লেগানেসের কাছে হেরেই কোপা দেল রের কোয়ার্টার-ফাইনাল থেকে ছিটকে পড়েছিল রিয়াল। প্রতিপক্ষের মাঠে দ্বিতীয় সারির দল নিয়ে খেলতে নামা রিয়াল ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটেই গোল খেয়ে বসে। ছয় গজ বক্সের মধ্যে থেকে উনাই বুসতিনসার টোকা কাসিয়া রুখে দেন দিলেও গোলমুখে দাঁড়ানো ডিফেন্ডার রাফায়েল ভারানের দুর্বল শটে বল বুসতিনসার গায়ে লেগে জালে জড়ায়। অবশ্য জবাব দিতে দেরি করেনি অতিথিরা। একাদশ মিনিটে কোনাকুনি শটে দলকে সমতায় ফেরান স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড লুকাস ভাসকেস। ম্যাচের ২৯তম মিনিটে দারুণ ওয়ান-টাচ ফুটবলে এগিয়ে যায় রিয়াল। নিজেদের মধ্যে বল দেওয়া-নেওয়া করে শুরুটা করিম বেনজেমা ও কাসেমিরো করলেও শেষে ভাসকেসের পাস ডি-বক্সে পেয়ে ডান পায়ের শটে দলকে এগিয়ে দেন ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার কাসেমিরো। বিরতি থেকে ফিরে রিয়ালের খেলা ছিল দৃষ্টিকটু। ভুল পাস আর উচ্চাভিলাসী শটে তাদের আক্রমণগুলো ডি-বক্সের বাইরেই ভেস্তে যাচ্ছিল। শুরু থেকে অনুজ্জ্বল ইসকো ৮২তম মিনিটে লক্ষ্যে প্রথম শট নিলেও বাঁয়ে ঝাঁপিয়ে ঠেকিয়ে দেন স্বাগতিক গোলরক্ষক। নির্ধারিত সময়ের একেবারে শেষ মিনিটে সফল স্পটকিকে ব্যবধান বাড়িয়ে দেন সের্হিও রামোস। ফলে বড় ব্যবধানের জয় নিয়ে ফিরেছে অতিথিরা।  এ জয়ে ২৪ ম্যাচ খেলে ৪৮ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে উঠেছে রিয়াল মাদ্রিদ। লিগে এখন পর্যন্ত অপরাজিত বার্সেলোনার পয়েন্ট ৬২। ৭ পয়েন্ট কম নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে আতলেতিকো মাদ্রিদ। আর চতুর্থ স্থানে নেমে যাওয়া ভালেন্সিয়ার পয়েন্ট ৪৬। সূত্র: গোল ডট কম একে// এআর
অবশেষে চেলসির মাঠে মেসির গোল

বর্তমান সময়ের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়  লিওনেল মেসি। যার বাঁ পায়ের জাদুতে ডিফেন্ডারদের ফাঁকি দিয়ে একের পর এক গোল  করে যাচ্ছেন। এই মেসিই চেলসিকে পেলে গুটিয়ে যান। আটবারের খেলায় কোন গোলের দেখা পাননি। তার সেই আক্ষেপের অবসান ঘটল। চেলসির বিপক্ষে অবশেষে গোলের দেখা পেলেন মেসি। শেষ দিকে আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডের গোলেই ইংলিশ ক্লাবটির মাঠ থেকে স্বস্তির ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র নিয়ে ফিরেছে বার্সেলোনা। চেলসির মাঠ স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে বার্সার পরিসংখ্যান ভালো না হলেও মঙ্গলবার ম্যাচে শুরু থেকেই আগ্রাসী হয়ে খেলে বার্সেলোনা। তবে ধারার বিপরীতে ৬২ মিনিটে উইলিয়ানের গোলে লিড নেয় চেলসি। তাদের এ গোলের আনন্দ বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি স্বাগতিক সমর্থকরা। ম্যাচের ৭৫ মিনিটে অভিজ্ঞ ইনিয়েস্তার সহায়তায় গোল করেন লিওনেল মেসি। সমতায় ফেরে বার্সা। চেলসির হয়ে এটিই প্রথম গোল মেসির। শেষ পর্যন্ত ম্যাচে আরো গোল হয়নি। ড্র নিয়ে তাই শেষ হয়েছে হাইভোল্টেজ এ লড়াই।   আর

এক ম্যাচে ১০ লালকার্ড ও ৮ হলুদ কার্ড!

এক ম্যাচে দশটি লাল কার্ড ও আটটি হলুদ কার্ড! দুঃস্বপ্নকেও যেন হার মানায়। আবার সে ঘটনাটি ঘটেছে ব্রাজিলের মতো দেশে! ব্রাজিল বিখ্যাত হয়ে আছে দৃষ্টিনন্দন ফুটবলের অসাধারণ নৈপুণ্যের কারণে। সেই ব্রাজিলেরই এক ম্যাচে ঘটলো এমন ঘটনা। ব্রাজিলিয়ান ঘরোয়া ক্লাব ভিটোরিয়া ও বাহিয়ার মধ্যে অনুষ্ঠিত ম্যাচে। বাহিয়া স্টেট চ্যাম্পিয়নশিপের এই ম্যাচে দুদলের মোট ১৮ জন খেলোয়াড় কার্ড পেয়েছেন। ফলে স্বাভাবিকভাবেই দুদলের মধ্যেকার ম্যাচটি পণ্ড হয়ে গেছে। গতকাল রোববার বাহিয়া স্টেট চ্যাম্পিয়নশিপের ওই ম্যাচে প্রথমার্ধেই ছিল তুমুল উত্তেজনা। ফলে প্রথমার্ধেই ছয়টি হলুদ কার্ড দেখাতে বাধ্য হন রেফারি। দ্বিতীয়ার্ধে পরিস্থিতি আরো ভয়ংকর রূপ ধারণ করে। ম্যাচের ৫০ মিনিটে বাহিয়া একটি পেনাল্টির সুযোগ পায়। গোল করার পর ঝামেলা বাড়ান বাহিয়া ফরোয়ার্ড ভিনিসিয়াস। গোলের পর ভিটোরিয়া সমর্থকদের সামনে উসকানিমূলকভাবে নাচতে থাকেন ভিনিসিয়াস। তারপরেই শুরু হয় কিল, ঘুষি, মারামারি। অবস্থা বেগতিক দেখে রেফারি ১৬ মিনিট খেলা বন্ধ রাখেন। অবস্থা এতই খারাপ হয়ে যায়, রেফারি উপায় না পেয়ে লাল কার্ড দেখিয়ে মাঠের বাইরে পাঠান আটজন ফুটবলারকে। ভিনিসিয়াসসহ পাঁচজন বাহিয়া ও বাকি তিনজন ভিটোরিয়া ফুটবলার ছিলেন।  খেলা এরপরও কিছুক্ষণ চলে। কিন্তু ভিটোরিয়ার আরো দুজন খেলোয়াড় মাঠ ছাড়া হলে খেলা আর এগোতে পারেনি। ফুটবলের নিয়ম অনুযায়ী একটি ম্যাচে এক দলের কমপক্ষে সাতজন ফুটবলারকে মাঠে থাকতে হয়। একের পর এক লাল কার্ড দেখতে দেখতে সেই পরিস্থিতি যখন আর থাকেনি, তখন নিরুপায় হয়ে রেফারি ম্যাচটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করেন। এসি/

আসেনসিওর জোড়া গোলে রিয়ালের জয়

চ্যাম্পিয়নস লিগে পিএসজির বিপক্ষে জয়ের ধারা লা লিগার ম্যাচেও অনুসরণ করল রিয়াল মাদ্রিদ। রোববার রাতে ৮ গোলের রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে জোড়া গোল করেন মার্কো আসেনসিও। রিয়াল বেতিসের বিপক্ষে ৫-৩ গোলে জিতেছে জিনেদিন জিদানের দল। প্রতিপক্ষের মাঠে প্রথমার্ধে দুই গোল খেয়ে আবারও হারের শঙ্কা জেগেছিল। তবে দ্বিতীয়ার্ধে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় তারা। মার্কো আসেনসিওর করা জোড়া গোল ছাড়া জিনেদিন জিদানের দলের অন্য তিন গোলদাতা সের্হিও রামোস এবং ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো ও করিম বেনজেমা। এস্তাদিও বেনিতো ভিল্লামারিনে শুরুতে এগিয়ে ছিল রিয়াল মাদ্রিদ। প্রতিপক্ষের মাঠে একাদশ মিনিটে ম্যাচে প্রথম সুযোগ পেয়েই এগিয়ে যায় রিয়াল। রোনালদোর জোরালো শট পাঞ্চ করে ফেরান গোলরক্ষক আন্তোনিও আদান। কিন্তু বিপদমুক্ত করতে পারেননি। কিন্তু ফিরতি প্রচেষ্ঠায় হেডে স্বাগতিকদের জালে বল পাঠিয়ে দেন অ্যাসেনসিও। একের পর এক আক্রমণ করতে থাকা স্বাগতিকদের বেশিক্ষণ আটকে রাখতে পারেনি রিয়াল। নিজেদের মাঠে ম্যাচের ৩৩ মিনিটেই সমতায় ফেরে রিয়াল বেতিস। এ সময় দলটিকে গোল এনে দেন আইস মদি। এর ৪ মিনিট পর নাচো ফের্নান্দেসের আত্মঘাতি গোলে ২-১ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে রিয়াল। দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের ৫০ মিনিটে অসাধারণ এক হেডে রিয়ালকে আবারও সমতায় ফেরান রামোস। এরপর ম্যাচের ৫৯ মিনিটে দারুণ আক্রমণে ফের এগিয়ে যায় রিয়াল। দানি কারভাহালের সহায়তায় এ সময় নিজের দ্বিতীয় গোলের দেখা পান রিয়াল তারকা অ্যাসেনসিও। ছয় মিনিট পর ব্যবধান বাড়িয়ে জয়ের পথ প্রশস্ত করেন রোনালদো। কাসেমিরোর উঁচু করে বাড়ানো বল ডি-বক্সে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে জোরালো শটে আসরে নিজের দ্বাদশ গোলটি করেন পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড। ম্যাচের ৮৫ মিনিটে স্বাগতিক ফুটবলার সার্জিও লিওন গোল করে ম্যাচের উত্তেজনা বাড়িয়ে দেন। বাঁ-দিক থেকে জুনিয়র ফিরপোর দারুণ ক্রস ছয় গজ বক্সে পেয়ে ব্যবধান কমিয়ে লড়াই নতুন করে জমিয়ে তোলেন বদলি ফরোয়ার্ড সের্হিও লেওন। তবে যোগ করা সময়ে দ্বিতীয় মিনিটে করিম বেনজেমা গোল করে সফরকারীদের ৫-৩ ব্যবধানে এগিয়ে দিলে রিয়াল শিবিরে স্বস্তি ফেরে। শেষ মুহুর্তের এই গোলে ৫-৩ ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে সক্ষম হয় জিনেদিন জিদানের দলটি লা লিগায় এ জয়ে ২৩ ম্যাচে ১৩ জয় ও ছয় ড্রয়ে ৪৫ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে আছে রিয়াল মাদ্রিদ। লিগে এখন পর্যন্ত অপরাজিত বার্সেলোনার পয়েন্ট ২৪ ম্যাচে ৬২। দিনের অন্য ম্যাচে আথলেতিক বিলবাওকে ২-০ গোলে হারানো আতলেতিকো মাদ্রিদ ৭ পয়েন্ট কম নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে। তৃতীয় স্থানে থাকা ভালেন্সিয়ার পয়েন্ট ৪৬। সূত্র: গোল ডট কম একে// এআর

নেইমার-কাভানির নেপূণ্যে বড় জয় পিএসজির

চ্যাম্পিয়ন্স লিগে রিয়াল মাদ্রিদের কাছে হেরে গেছে পিএসজি। কিন্তু নিজেদের মাঠে ফিরেই দারুণ জয় পেয়েছে দলটি। নেইমার-আনহেল ডি মারিয়া-এদিনসন কাভানির নৈপুণ্যে স্ত্রাসবুর্গকে ৫-২ ব্যবধানে হারিয়েছে উনাই এমেরির দল। গত ডিসেম্বরে স্ত্রাসবুর্গের মাঠে চলতি লিগে প্রথম হারের স্বাদ পেয়েছিল পিএসজি। এ জয়ে লিগের প্রথম পর্বে ২-১ ব্যবধানে হারের প্রতিশোধ নিল দলটি। শনিবার নিজেদের মাঠে ষষ্ঠ মিনিটেই পিছিয়ে পড়ে পিএসজি। ডান দিক থেকে কেনি লালার ক্রসে দারুণ শটে ডান পোস্ট ঘেঁষে বল জালে পাঠান কোত দি ভোয়ার মিডফিল্ডার আহোলু। ম্যাচের ১০ম মিনিটে গোল শোধ করে পিএসজি। নেইমারের বাড়িয়ে দেওয়া বল প্রতিপক্ষের এক খেলোয়াড় বিপদমুক্ত করতে ব্যর্থ হন। এ সুযোগে ডি-বক্সে পেয়ে যান ইউলিয়ান ড্রাক্সলার। বাঁ পায়ের নিচু শটে দূরের পোস্ট ঘেষে জালে পাঠান এই জার্মান মিডফিল্ডার। ২১তম মিনিটে নেইমারের গোলে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। ব্রাজিলের এই ফরোয়ার্ডের নেওয়া নিচু শট গোলরক্ষক ঠেকালেও বল বিপদমুক্ত করতে পারেনি। চলতি লিগে ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডের ১৯তম গোল এটি। খেলা শুরু না হতেই আবার গোল। ফরাসি ডিফেন্ডার পাবলো মার্তিনেজের পা থেকে বল কেড়ে নিয়ে বাঁ পায়ের নিচু শটে কাছের পোস্ট দিয়ে জালে পাঠান আর্জেন্টিনার উইঙ্গার ডি মারিয়া। ম্যাচের ৩০তম মিনিটে গোলের সুযোগ পেয়েছিলেন কাভানি। বাঁ দিক থেকে নেইমারের ক্রসে উরুগুয়ের এই স্ট্রাইকারের শট দুর্দান্তভাবে ঠেকান গোলরক্ষক ওকিজা। ম্যাচের ৬৭তম মিনিটে ব্যবধান কমিয়ে ম্যাচ জমিয়ে তোলে স্ত্রাসবুর্গ। সতীর্থের লম্বা পাস অফসাইডের ফাঁদ ভেঙে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নুনো দি কস্তা বাড়ান স্তেফান বাহোকেনকে। জোরালো শটে কাছের পোস্ট দিয়ে লক্ষ্যভেদ করেন ফরাসি এই ফরোয়ার্ড। পরে ৭৩তম মিনিটে ডান দিক থেকে বদলি মিডফিল্ডার হাভিয়ের পাস্তোরের ডিফেন্স চেরা পাস থেকে পাওয়া বল নিখুঁত চিপে গোলরক্ষকের মাথার উপর দিয়ে জালে জড়ান কাভানি। ম্যাচের ৭৯তম মিনিটে নেইমারের বাড়ানো বল গোলরক্ষকের মাথার উপর দিয়ে জালে পাঠিয়ে দারুণ রেকর্ডও গড়েন কাভানি। চলতি লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতা উরুগুয়ের এই ফরোয়ার্ডের এটি ২৩তম গোল। পরবর্তীতে কোনো দলের আর গোল না হওয়ায় বড় ব্যবধানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে পিএসজি। এ জয়ে ২৬ ম্যাচে ৬৮ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে পিএসজি। আর মোনাকো ৫৬ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। সূত্র: গোল ডট কম একে// এআর

সুয়ারেজ-আলবার গোলে বার্সার জয়

লা লিগায় টানা দুই ম্যাচে হোঁচট খাওয়ার পর অবশেষে জয়ের দেখা পেল বার্সেলোনা। সুয়ারেজ ও আলবার গোলে শনিবার এইবারের মাঠ থেকেই ২-০ গোলের জয় নিয়ে ফিরেছে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে থাকা দলটি। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এই নিয়ে টানা ৩১ ম্যাচ অপরাজিত থাকার নিজেদের রেকর্ড স্পর্শ করলো এরনেস্তো ভালভেরদের দল। এর আগে ২০১০-১১ মৌসুমে পেপ গুয়ার্দিওলার অধীনে রেকর্ডটি গড়েছিল তারা। প্রতিপক্ষের মাঠে নিজেদের গুছিয়ে নিতে কিছুটা সময় নেয় বার্সা। ম্যাচের শুরুতেই বার্সেলোনা গোলরক্ষক মার্ক-আন্ড্রে টের স্টেগেনের পরীক্ষা নেয় এইবার। ম্যাচের প্রথম মিনিট থেকেই আক্রমণ করে খেলতে থাকে স্বাগতিকরা। শুরুতেই গোলেরও কয়েকটি সুযোগ তৈরি করে দলটি। তবে প্রথম মিনিটে জসে আঞ্জেলের হেড অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ম্যাচের সপ্তম মিনিটে ডানদিক থেকেই গার্সিয়ার নেয়া শট ফিরিয়ে দেন বার্সেলোনা গোলরক্ষক মার্ক-আন্ড্রে টের স্টেগেন। ম্যাচের ১৬তম মিনিটে খেলার ধারার বিপরীতে প্রথম সুযোগেই গোল আদায় করে নেয় বার্সেলোনা। লিওনেল মেসির নিখুঁতভাবে বাড়ানো বল ধরে ডি-বক্সে ঢুকে এক ঝটকায় গোলরক্ষককে কাটিয়ে কোনাকুনি শটে লক্ষ্যভেদ করেন উরুগুয়ের স্ট্রাইকার সুয়ারেস। চলতি লিগে এটি ১৭তম গোল। তবে তিন মিনিট পরেই সমতায় ফিরতে পারতো স্বাগতিকরা। প্রায় ২৫ গজ দূর থেকে ফাবিয়ান ওরেয়ানা জোরালো শটে টের স্টেগেনকে পরাস্ত করে। কিন্তু বল লাগে ক্রসবারে। ৩৭ মিনিটে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পান মেসি। সুয়ারেজ গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে বল দেন মেসিকে। তবে আর্জেন্টাইন এই তারকার নেয়া শট লাগে দূরের পোস্টে। চার মিনিট পর তার রক্ষণচেরা পাস ধরে ১২ গজ দূর থেকে গোলরক্ষক বরাবর শট মেরে বসেন আলবা। বিরতি থেকে ফিরে বড় ধাক্কা খায় স্বাগতিকরা। ম্যাচের ৬৬ মিনিটে বুসকেটসকে ফাউল করায় হলুদ কার্ড দেখেন পাপে দিউপ। রেফারির সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলে পাঞ্চ করায় দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন শুরু থেকে দারুণ খেলা চিলির মিডফিল্ডার ওরেয়ানা। খানিক পর রেফারির আরেকটি সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করায় দলটির কোচ হোসে লুইস মেন্দিলিবার ডাগআউট থেকে বহিষ্কৃত হন। ম্যাচের ৮৮ মিনিটে ব্যবধান বাড়িয়ে জয় নিশ্চিত করে আলবা। মেসির শট গোলরক্ষক ঠেকালেও বিপদমুক্ত করতে পারেননি। ফিরতি বল ফাঁকায় পেয়ে অনায়াসে জালে ঠেলে দেন স্প্যানিশ এই ডিফেন্ডার। এই জয়ে ২৪ ম্যাচে ৬২ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে থাকলো বার্সেলোনা। এ ছাড়া এক ম্যাচ কম খেলে দুই নম্বরে থাকা অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদের (৫২) সঙ্গে তারা ব্যবধান বাড়ালো ১০ পয়েন্টের। আর চতুর্থ স্থানে থাকা রিয়াল মাদ্রিদের পয়েন্ট ২২ ম্যাচে ৪২। আগামী মঙ্গলবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগে শেষ ষোলোর প্রথম লেগে চেলসির মাঠে খেলতে যাবে বার্সেলোনা। সূত্র: গোল ডট কম একে// এআর  

তৃতীয়বারের মতো বিজিএমইএ কাপ ফুটবল টূর্নামেন্ট

বিজিএমইএ’র উদ্যোগে সদস্যভূক্ত কারখানাগুলোর অংশগ্রহনে  ‘বিজিএমইএ কাপ-২০১৮’ শীর্ষক একটি ফুটবল টুর্নামেন্ট হতে যাচ্ছে। পোশাক শিল্পের মুখপাত্র সংগঠন এই বিজিএমইএ শুধুমাত্র বানিজ্যিক কর্মকান্ডে নিজেকে আবদ্ধ রাখেনি, বরং বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ধরনের CSR কার্যক্রম, এমনকি বেশ কিছু ব্যতিক্রমী উদ্যোগও গ্রহন করেছে। এরকমই একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ হচ্ছে বিজিএমইএ কাপ ফুটবল টূর্নামেন্ট এর আয়োজন।  বিজিএমইএ’র ইতিহাসে প্রথমবারের মতো গত ১৭ মার্চ- ০১ এপ্রিল ২০১৬ উত্তরাস্থ ইন্টারন্যাশনাল টার্কিশ হোপ স্কুলের অ্যাস্ট্রো-টার্ফ মাঠে `BGMEA CUP Football Tournament’ এর গ্রুপ পর্বের খেলাগুলো এবং আর্মি ষ্টেডিয়ামে টূর্নামেন্ট এর ফাইনাল ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়েছিলো। সে সময় জিটিভি ফাইনাল ম্যাচটি সরাসরি সম্প্রচার করেছিলো। পূর্বের ধারাবাহিকতা রক্ষা করে বিজিএমইএ এবছরেও তৃতীয়বারের মতো বিজিএমইএ কাপ ফুটবল টূর্নামেন্ট আয়োজন করার উদ্যোগ গ্রহন করেছে। আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি- ০২ মার্চ ২০১৮, উত্তরাস্থ ইন্টারন্যাশনাল টার্কিশ হোপ স্কুলের অ্যাস্ট্রো-টার্ফ মাঠে টুর্নামেন্টটি অনুষ্ঠিত হবে। এবারের টূর্নামেন্টে বাংলাদেশের ১৬টি স্বনামধন্য পোশাক প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহন করছে। প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে বান্দো ডিজাইন লিঃ (চ্যাম্পিয়ান ২০১৭), ইউথ গ্রুপের কমফিট কম্পোজিট নীট লিঃ (রানার-আপ ২০১৭), এপিলিয়ন গ্রুপ, অনন্ত গ্রুপ, নাসা গ্রুপ, মজুমদার গ্রুপ, এসপায়ার গার্মেন্টস, ষ্টারলিং গ্রুপ, ভারসাটাইল গ্রুপ, মেহনাজ ষ্টাইল এন্ড ক্রাফট লিঃ, টর্ক ফ্যাশনস লিঃ, মাস্ক ট্রাউজার লিঃ, ফরটিস গ্রুপ, সেলফ ইনোভেটিভ ফ্যাশন, আলি গার্মেন্টস ও অ্যাপারেল ইন্ডাষ্ট্রি লিঃ। আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ বিকাল ৫টায় ইন্টারন্যাশনাল টার্কিশ হোপ স্কুলের অ্যাস্ট্রো-টার্ফ মাঠে টূর্নামেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও প্রথম ম্যাচ হবে। আগামী ০২ মার্চ ২০১৮ বিকাল ৩:৩০ ঘটিকায় আর্মি ষ্টেডিয়ামে টূর্নামেন্ট এর ফাইনাল খেলাটি অনুষ্ঠিত হবে। এসি/

হালসিটিকে উড়িয়ে দিয়ে কোয়ার্টারে চেলসি

জোড়া গোল করলেন ব্রাজিলের মিডফিল্ডার উইলিয়াম। চেলসির জার্সিতে প্রথম গোল করলেন অলিভিয়ে জিরুদ। গোল করেছেন স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড পেদ্রোও। শুক্রবার নিজেদের মাঠে হালসিটিকে ৪-০ গোলে হারিয়েছে আন্তোনিও কন্তের শিষ্যরা। আর এ বড় জয়ে এফএ কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার সঙ্গে ইংলিশ ক্লাবটি বার্সেলোনাকে জানিয়ে রাখলো তারা প্রস্তুত। কারণ চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোয় বার্সেলোনার মুখোমুখি হবে চেলসি। ঘরের মাঠ স্ট্যাম্পফোর্ড ব্রিজে ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে যায় চেলসি। দর্শকরা নড়েচড়ে বসার আগেই উইলিয়ানের লক্ষ্যভেদ। মিনিটেই চেলসিকে লিড এনে দেন উইলিয়ান। ডি বক্সের বাইরে থেকে বাঁ-পায়ের জোড়াল শটে বল জালে জড়ান ব্রাজিলিয়ান এই মিডফিল্ডার। দ্বিতীয় মিনিটে লিড নেওয়া স্বাগতিকরা ২৭ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে পেদ্রো জাল খুঁজে পেলে। নতুন করে জ্বলে ওঠা উইলিয়ানকে থামানো যায়নি, মিনিট পাঁচেক পর ব্রাজিলিয়ান তারকা নিজের দ্বিতীয় গোলের দেখা পেলে চেলসি এগিয়ে যায় ৩-০তে।  বিরতিতে যাওয়ার আগেই লিডটা ৪-০তে দাঁড়ায় জিরুদের গোলে। এমারসনের বাড়ানো বল জালে পাঠিয়ে প্রথমার্ধেই বড় জয় নিশ্চিত করেন আর্সেনাল থেকে আসা ফরাসি এই স্ট্রাইকার। আর্সেনাল ক্যারিয়ার শেষ করে এবারের শীতকালীন দলবদলে এই ফরাসি ফরোয়ার্ড যোগ দিয়েছেন চেলসিতে। এফএ কাপের ম্যাচ দিয়ে প্রথম গোলের দেখাও পেয়ে গেলেন তিনি। ৪২ মিনিটে লক্ষ্যভেদ করেন জিরুদ। বিরতি থেকে ফিরে ব্যবধান কমানোর সুযোগ পেয়েছিল হালসিটি। তবে ডেভিড মেইলারের পেনাল্টি ঠেকিয়ে ব্যবধান কমাতে দেননি চেলসির গোলরক্ষক। ক্যারিয়ারের প্রথম হ্যাটট্রিকের সুযোগ পেয়েছিল উইলিয়ান। দূরপাল্লার শট পোস্টে না লাগলে ক্যারিয়ারের প্রথম হ্যাটট্রিক পেতেন উইলিয়ান। বাকি সময় আর গোল না হলে জয়ের আনন্দ নিয়ে মাঠ ছাড়ে চেলসি। সূত্র: গোল ডট কম একে// এআর

রোহিঙ্গাদের সহায়তার আহ্বান রোনালদোর

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া মিয়ানমারের নাগরিক রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে সাহায্যের আহ্বান জানিয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদের পুর্তগাল সুপার স্টার ক্রিস্টিয়নো রোনালদো। বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টিগ্রাম ও টুইটারে ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়ে এই মানবিক সহায়তা প্রদানের আহবান জানান বিশ্ব নন্দিত এই ফুটবল তারকা। মিয়ানমারের রাখাইন অঞ্চল থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নেওয়া সন্তান কোলে নিয়ে এক পিতার ছবির পাশে নিজের সন্তানদের নিয়ে একটি ছবিও পোস্ট করেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করা ছবির ক্যাপসনে রোনালদো লিখেছেন ‘একটাই পৃথিবী। যেখানে আমরা সবাই নিজের সন্তানদের ভালোবাসি। অনুগ্রহ করে রোহিঙ্গাদের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন।’ মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সরকারি ও আধা-সরকারি বাহিনীর নৃশংস অত্যাচারে টিকতে না পেরে ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে ৭ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা। যাদের মধ্যে প্রায় সাড়ে ৬ লাখেরও বেশি মানুষের জরুরি ত্রাণ সহায়তার প্রয়োজন। বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের মধ্যে সাড়ে ১৬ হাজার শিশু রয়েছে যাদের বয়স ৫৯ মাসের কম। রোনালদো হচ্ছেন বিশ্বের শীর্ষ ধনী ক্রীড়াবিদদের একজন। খেলাধুলার বাইরে তিনি বিভিন্ন ধরনের দাতব্য কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত। যে কারণে তাকে বলা হয় সবেচেয়ে বেশি ‘চ্যারিটেবল ক্রীড়াবিদ’। সেভ দ্য চিল্ড্রেন, ইউনিসেফ, ওয়ার্ল্ড ভিশন এবং ২০১৫-সহ বিপুল সংখ্যক দাতব্য সংস্থার শুভেচ্ছা দূত হিসেবে কাজ করে আসছেন রোনালদো। যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপকুলে স্কুলঘর নির্মাণে অর্থ সংগ্রহের জন্য রোনালদো ২০১১ সালে তার ইউরোপীয় গোল্ডেন বুট ট্রফিটি নিলামে বিক্রি করে দিয়েছিলেন। সেখানে এর মূল্য উঠেছিল ১২ লাখ পাউন্ড। মুমূর্ষু শিশুদের জরুরি চিকিৎসা সেবা দিতে তহবিল সংগ্রহের জন্য রোনালদো নিলামে দিয়েছিলেন তার ২০১৩ সালের ব্যালডিঅঁর খেতাবের ট্রফি।  কেআই/টিকে

এক ম্যাচে রোনালদোর এত রেকর্ড!

রেকর্ডের বরপুত্র বলা হয় রোনালদোকে। আর কেনই বা সেটা বলা হয়, তা আরেকবার প্রমাণ করে দিলেন এই পর্তুগিজ স্ট্রাইকার। একের পর এক রেকর্ড গড়ে যাওয়া রোনালদো পিএসজির বিপক্ষে শেষ ষোলর প্রথম লীগে করলেন জোড়া গোল। আর তাতেই আরও বেশ কিছু রেকর্ড নিজের নামে করে নিলেন এই তারকা ফুটলার। পিএসজির বিপক্ষে জয়সূচক গোলটি ছিল রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগে রোনালদোর ১০১তম গোল। বুধবার কোন একক ক্লাবের হয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগে গোলের সেঞ্চুরী পূর্ন করেন রোনালদো, যা ইতিহাসে প্রথম। দ্বিতীয় রয়েছেন মেসি। বার্সেলোনার পক্ষে তিনি করেছেন ৯৭টি গোল। এবারের চ্যাম্পিয়নস লিগে সাত ম্যাচের প্রতিটিতেই গোল করেছেন রোনালদো। ইতিহাসের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে গ্রুপ পর্বের সব ম্যাচে গোল করার রেকর্ড গড়েছেন অবশ্য এবারই। চ্যাম্পিয়নস লিগে সর্বশেষ ১২ ম্যাচে ২১ গোল রোনালদোর। চ্যাম্পিয়নস লিগে রোনালদোর গোলসংখ্যা এখন ১১৬। ৬৩ বছরের ইতিহাসসমৃদ্ধ এই প্রতিযোগিতায় রোনালদোর চেয়ে বেশি গোল আছে মাত্র ১৯টি ক্লাবের! এ নিয়ে টানা ৭ বছর চ্যাম্পিয়নস লিগে কমপক্ষে ১০ গোল করেছেন রোনালদো। মেসি টানা দুবার এটা করতে পেরেছেন (সব মিলিয়ে চারবার)। রুড ফন নিস্টলরয়ও টানা দুবার ১০ গোল করেছিলেন। রোনালদো রিয়ালে যোগ দেওয়ার পর ৩টি চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতার পথে ১০১ গোল করেছেন। এই সময়ে ৩টি চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতেছেন মেসিও। তবে তাঁর গোল ৮০টি। সূত্র: গোল ডট কম একে// এআর  

মানের হ্যাটট্রিকে উড়ে গেলো পোর্তো

প্রিমিয়ার লিগের দুর্দান্ত ফর্ম চ্যাম্পিয়ন্স লিগেও ধরে রাখল লিভারপুল। দারুণ এক হ্যাটট্রিক করলেন সাদিও মানে। মানের হ্যাটট্রিকের সঙ্গে গোলের দেখা পেলেন ছন্দে থাকা মোহামেদ সালাহ ও রবের্তো ফিরমিনহোও। বুধবার রাতে শেষ ষোলোর প্রথম পর্বে পোর্তোকে তাদের মাঠেই উড়িয়ে দিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার-ফাইনালে ওঠার পথে এগিয়ে গেছে ইয়ুর্গেন ক্লপের দল। পর্তুগালের ক্লাবটিকে ৫-০ গোলে হারিয়েছে তারা। প্রতিপক্ষের মাঠে ম্যাচের প্রথমার্ধে অধিকাংশ সময় বল দখলে রেখে খেলতে থাকে লিভারপুল। এরই ধারাবাহিকতায় ম্যাচের ২৫ মিনিটে স্বাগতিক দলের গোলরক্ষকের ভুলে এগিয়ে যায় লিভারপুল। ডাচ মিডফিল্ডার জর্জিনিয়ো ভিনালডামের পাস ধরে বাঁ-দিক থেকে জোরালো শট নেন সাদিও মানে। গোলরক্ষক ঠিকমতো ফেরাতে না পারায় বল গোললাইন পেরিয়ে যায় চার মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুণ করেন দারুণ ছন্দে থাকা সালাহ। ২৯তম মিনিটে জেমস মিলনারের শট লাগে পোস্টে। তবে ফিরতি বল পেয়ে এক টোকায় গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে মাথা দিয়ে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বাঁ-পায়ে জালে ঠেলে দেন মিশরের ফরোয়ার্ড সালাহ। এবারের আসরে মিশরের ফরোয়ার্ডের এটি ষষ্ঠ গোল। ৪৪ মিনিটে ব্যবধান কমানোর সুযোগ পেলেও টিকিনহো সোয়ার্সের শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে পিছিয়ে থেকেই বিরতিতে যেতে হয় স্বাগতিকদের। বিরতি থেকে ফিরেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কাছে রাখে অলরেডরা। দ্বিতীয়ার্ধের অষ্টম মিনিটে পাল্টা আক্রমণে ব্যবধান বাড়ায় লিভারপুল। সালাহর পাস পেয়ে ১৭ গজ দূর থেকে রবের্তো ফিরমিনোর নেওয়া শট ঝাঁপিয়ে ঠেকান গোলরক্ষক। কিন্তু বিপদমুক্ত করতে পারেননি। ফিরতি বল ফাঁকায় পেয়ে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন সেনেগালের ফরোয়ার্ড মানে। ম্যাচের ৭০তম মিনিটে ব্যবধান আরও বাড়িয়ে জয় নিশ্চিত করেন ফিরমিনো। ইংলিশ মিডফিল্ডার মিলনারের পাস পেয়ে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। আর ৮৫ মিনিটে ডি-বক্সের বাইরে থেকে নিচু শটে হ্যাটট্রিক পূরণ করেন মানে। লিভারপুলের চতুর্থ খেলোয়াড় হিসেবে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে হ্যাটট্রিক করলেন ২৫ বছর বয়সী এই ফুটবলার। ফলে বড় জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে ক্লপের শিষ্যরা। আগামী মাসে লিভারপুলের মাঠ অ্যানফিল্ডে হবে ফিরতি পর্ব। সূত্র: গোল ডট কম একে// এআর  

রোনালদোর শততম গোলের ম্যাচে রিয়ালের জয়

পর্তুগিজ স্ট্রাইকার ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর জোড়া গোলে ফেভারিট পিএসসিকে হারিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। ম্যাচের ৩৩ মিনিটে পিএসজি গোল করে এগিয়ে গেলেও শেষ পর্য ন্ত ৩-০ গোলে পরাজয় মানতে হয় নেইমার বাহিনীকে।বুধবার রাতে বার্নাব্যু স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে আধিপত্য বজায় রাখে রিয়াল। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে তারা। কিন্তু ৩৩ মিনিটে এগিয়ে যায় পিএসজি।ফরাসি ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপ্পের ক্রস, কাভানির ডামি বল পেয়ে যান নেইমার। কিন্তু এই ব্রাজিলীয় তারকা গোল করতে ব্যর্থ হলেও পেছনে থাকা তাঁর সতীর্থ আদ্রিয়ান রাবিয়োত চমৎকার শটে বল জলে জড়াতে একটুও ভুল করেননি।এর পাঁচ মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুন করার সুযোগ পায় পিএসজি। ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকবার নেইমারের চমৎকার পাসে বল পেয়েও জালে পাঠাতে পারেন নি কাভানি।এরপর থেকেই বদলে যায় খেলার চিত্র। নিজের মতো করে ইতিহাস লিখেন রোনালদো। প্রথমার্ধের কিছু সময় আগে পেনাল্টি পেয়ে বসে রিয়াল। পেনাল্টি পেয়ে গোল করতে ভুল করেননি রোনালদো। এই গোল করে পর্তুগিজ তারকা দারুণ একটি কীর্তি গড়লেন। চ্যাম্পিয়নস লিগে রিয়ালের হয়ে পেলেন নিজের শততম গোল।ম্যাচের ৮৩ মিনিটে রিয়ালকে আবার এগিয়ে দেন রোনালদো। দলের এবং ব্যক্তিগত দ্বিতীয় গোলটি করেন বদলি খেলোয়াড় মার্কো আসেনসিওর ক্রসে বল পেয়ে।অল্প কিছুক্ষণ পর রিয়ালের গোল ব্যবধান আরো বড় করেন ব্রাজিলীয় ডিফেন্ডার মার্সেলো। ৮৬ মিনিটে আসেনসিওর ক্রসে বল পেয়ে চমৎকার শটে লক্ষ্য ভেদ করেন তিনি।এদিন দলের জয়ে জোড়া গোল করে রোনালদো এবারের আসরে মোট ১১টি গোল করেন। ইউরোপের সেরার ক্লাবগুলোর এই প্রতিযোগিতায় টানা সাত ম্যাচ গোল করে সবার ওপরে রয়েছেন তিনি।এই জয় পাওয়ায় রিয়াল এই সিরিজে পয়েন্ট টেবিলে বহু দূর এগিয়ে গেল। বার্সা থেকে ১৭ পয়েন্ট পিছিয়ে তারা। যা বার্সার উপর এক ধরনের চাপ সৃষ্টি করেছে।সূত্র : বিবিসি।/ এআর /

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি