ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০১৭ ৪:৫৫:২৭

 উইম্বলডন জয়ী জানা নোভোটনা আর নেই

 উইম্বলডন জয়ী জানা নোভোটনা আর নেই

সাবেক উইম্বলডন জয়ী জানা নোভোটনা আর নেই। দীর্ঘদিন ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করে অবশেষে মৃত্যুর কাছে হেরে গেলেন ৪৯ বছর বয়সী এ টেনিস তারকা। নারীদের টেনিস অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, নোভোটনা দীর্ঘ্দিন ধরে ক্যান্সারে ভূগছিলেন। মৃত্যুকালে তার পরিবারের সদস্যরা তার সঙ্গে ছিলেন বলে। ১৯৯৮ সালে নোভোটনা প্রতিপক্ষ নাথালি টোজিয়াতকে পরাজিত করে উইম্বলডন জয় করেন; তাঁর আগে ১৯৯৩ ও ১৯৯৭ সালে দুইবার ফাইনালে গিয়ে পরাজিত হয়েছিলেন । কিন্তু কখনো দমে যাননি তিনি। অবশেষে দূরারোগ্য ক্যান্সারের কাছে তাকে পরাজয় স্বীকার করতে হলো। ১৯৯৩ সালে জার্মানিতে অনুষ্ঠিত উইম্বলডন বিশ্বকাপে ফাইনাল ম্যাচে হেরে যাওয়ার পর তার কান্নার চিত্র এখনো দর্শকদের মনে ঠাঁই করে আছে। উইমেন টেনিস অ্যাসোসিয়েশন এর নির্বাহী স্টিভ সাইমন বলেন, নোভোটনা কোর্ট্ এবং কোর্টের বাইরে দর্শকদের দারুণভাবে উদ্বুদ্ধ করতে পারতো। স্টিভ আরও বলেন, নোভোটনা নক্ষত্র হয়ে যুগ যুগ ধরে টেনিস আকাশে আলো ছড়িয়ে দিবে। আমরা তাঁর ও তাঁর পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করছি। তাঁর ঝুলিতে ১২টি গ্রান্ড স্লাম রয়েছে। সূত্র: বিবিসি এমজে/টিকে
সানিয়ার চোখে সেরা যে পুরুষ !

শুধু টেনিস কোর্টে নয়, বহু যুবকের মন বারান্দাতেও দাপিয়ে বেড়ান সানিয়া মির্জা। তার রূপ-লাবণ্য অনেক বলিউড নায়িকাকেও হার মানায়। ২০১০ সালে পাকিস্তানি ক্রিকেটার শোয়েব মালিককে যখন বিয়ে করেন, তখন বহু যুবকেরই হৃদয় ভাঙে। সম্প্রতি দুবাইয়ের একটি ফ্যাশন প্রদর্শনীতে সানিয়া মির্জা যা বললেন তাতে আরেক দফা হৃদয় ভাঙ্গবে ভারতীয় ভক্তদের। ফ্যাশন শোতে সানিয়া আবারো জানিয়ে দিলেন  পাকিস্তানি ক্রিকেটার শোয়েব মালিকই তার দেখা সবচেয়ে আকর্ষণীয় পুরুষ। সম্প্রতি পাকিস্তানের `স্টাইল আইকন` হওয়ার জন্য পুরস্কার পেয়েছেন শোয়েব মালিক। পাকিস্তানি অলরাউন্ডার সম্পর্কে সানিয়া বলেন, আমি মোটেও পক্ষপাতিত্ব করছি না! শোয়েব সত্যিই সুদর্শন। ফিটনেস বেশ ভালো। টল অ্যান্ড হ্যান্ডসাম। সে-ই আমার কাছে সবচেয়ে আকর্ষণীয় পুরুষ। সানিয়া আরো বলেন, প্রায় সব পোশাকেই ওকে মানায়। ওকে সুন্দর দেখানোর সমস্ত কৃতিত্ব আমি নিতে পারি না। তবে পোশাক নির্বাচনের বিষয়ে ওকে মাঝেমাঝে পরামর্শ দিয়ে থাকি। সূত্র : ক্রিক ক্রেক এমআর

সেমিফাইনালে ফেদেরারের হার

গ্রুপ সব ম্যাচ জিতেই সেমিফাইনালে উঠেছিলেনর সাবেক নম্বর টেনিস খেলোয়াড় রজার ফেদেরার। তবে শেষ চারে এসে থেমে গেলো ফেদেরারের জয়রথ। এটিপি ফাইনালসের সেমিফাইনালে ডেভিড গোফিনের কাছে ২-৬, ৬-৩ এবং ৬-৪ গেমে পরাজিত হন এ টেনিস কিংবদন্তি। ২০১২ সালে সর্বশেষ মেজর কোনো শিরোপার স্বাদ পেয়েছিলেন ফেদেরার। এর পরের পাঁচটা বছর ইনজুরি আর ফর্মহীনতায় ভুগছিলেন তিনি। তবে চলতি মৌসুমেই যেনো স্বরুপে ফেরেন বিশ্ব টেনিস র‌্যাংকিংয়ের সাবেক নাম্বার ওয়ান এই তারকা। দুটি গ্র্যান্ডস্লাম ছাড়াও বেশ কয়েকটি ডব্লিউটিএ শিরোপা জয়ের স্বাদ পান টেনিসের এই জীবন্ত কিংবদন্তি। এদিকে ১৯টি গ্র্যান্ডস্লামের মালিক ফেদেরারকে হারিয়ে দারুণ রোমাঞ্চিত ডেভিড গোফিন। ম্যাচ শেষে টুর্নামেন্টের সপ্তম বাছাই গোফিন মহা খুশি। আনন্দে ভাষা হারিয়ে ফেলেছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। সূত্র : স্পোর্টিং লাইফ এমআর

বিয়ে করলেন সেরেনা

বাগদান সম্পন্ন হয়েছিলো গত বছর ডিসেম্বরেই। এরপর চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে সেরেনা-ওহানিয়ানের সংসারে আসে প্রথম সন্তান। কন্যাসন্তান ঘর আলোকিত করার পরই বিয়ের ঘোষণা দেন সেরেনা উইলিয়ামস। অবেশেষে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম রেডডিটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা শিল্পপতি অ্যালেক্সিস ওহানিয়ানকে বিয়ে করলেন ২৩টি গ্র্যান্ডস্লাম জয়ী মার্কিন এই টেনিস তারকা। আমেরিকার নিউ অরলিন্স অঙ্গরাজ্যের কনটেম্পোরারি আর্টস সেন্টারে এক জমজমাট অনুষ্ঠানে বিয়ের কাজ শেষ হয় সেরেনার। অনুষ্ঠানে ব্যয় হয়েছে ১০ লাখ ডলার। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভোগ ম্যাগাজিনের কিংবদন্তি সম্পাদক অন্না উইনট্যুর, রিয়েলিটি টিভি তারকা কিম কার্দিশিয়ান, অভিনেত্রী এভা লঙ্গোরিয়া, গায়ক কিয়ারা, ক্যারলিন ওয়াজনিয়াকি, কেলি রাউল্যান্ড, কারাসহ ২৫০ জন অতিথি উপস্থিত ছিলেন। ৩৪ বছর বয়সী ওহানিয়ানের সাথে ৩৬ বছর বয়সী সেরেনার পরিচয় হয় ২০১৫ সালে রোমে। প্রথম দেখাতেই একে অপরকে ভালো লাগে। সেই ভালো লাগা থেকে প্রণয়। তাই বিলম্ব না করে আংটিও বদল করে ফেলেন। সেরেনা সর্বশেষ গ্র্যান্ডস্ল্যাম জেতেন গত বছরের শুরুতে। সন্তানের সুষ্ঠু জন্মদানের কথা ভেবে অস্ট্রেলিয়ান ওপেন জেতার পর আর কোর্টে নামেননি তিনি। এবার হয়তো দ্রুতই কোর্টে নেমে পড়বেন সেরেনা।  সূত্র : ডেইলি মিরর এমআর    

আরো শিরোপা চান শারাপোভা

ডোপিং কেলেঙ্কারিতে ১৫ মাসের নির্বাসন কাটিয়ে কোর্টে ফিরেছেন রাশিয়ান টেনিস তারকা মারিয়া শারাপোভা। ফিরেই জয় করে নিয়েছেন চীনের তিয়ানজিন ওপেনের শিরোপা। নির্বাসন থেকে ফিরে প্রথম শিরোপা জয় আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছে মারিয়া শারাপোভার। সাবেক একনম্বর চান এ সাফল্য আগামী কয়েকটা টুর্নামেন্টে ধরে রাখতে। চীনে তিয়ানজিন ওপেনে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পরে শারাপোভা বলেছিলেন, ”এখানে এসে চ্যাম্পিয়ন হওয়াটা অবশ্যই বিশাল ব্যাপার। তবে আমি এখানেই থেমে থাকতে চাই না। এ মৌসুম সফলভাবে শেষ করতে চাই।” চীনে সাফল্যের পর এবার শারাপোভা নামছেন মস্কোয় ক্রেমলিন কাপে। যেখানে ২০০৭ সালের পর থেকে আর খেলেননি শারাপোভা। শারাপোভা বলেন, ”আমি মনে করতে পারছি না শেষ কবে পরপর তিনটি টুর্নামেন্ট খেলেছিলাম। আমি নিজের সেরাটা দিতে তৈরি। জানি ওখানেও আমার জন্য অনেক ভক্ত অপেক্ষা করে থাকবে।”   সূত্র: দ্য ন্যাশনাল এমআর/এআর

স্টেফেন্স জিতে নিলেন ইউএস ওপেন

কিছুদিন আগেও উইম্বলডনের প্রথম রাউন্ড থেকেই বিদায় নিয়েছিলেন মার্কিন তরুণী স্লোন স্টেফেন্স। অথচ অল্প কিছুদিনের ব্যবধানে সেই স্টেফেন্স সাফল্যের শিখরে উঠে গেলেন। জিতে নিলেন ইউএস ওপেন শিরোপা। শনিবার রাতে আর্থার অ্যাশ স্টেডিয়ামে স্টেফেন্স মুখোমুখি হন তাঁরই স্বদেশী ম্যাডিসন কিসের। কিসও এই প্রথম কোনো গ্র্যান্ড স্লামের ফাইনালে উঠেছেন। দুই মার্কিন তরুণীর এই লড়াইয়ে স্টেফেন্স জিতেছেন ৬-৩, ৬-০ গেমে। সাফল্যে আনন্দিত হয়ে তিনি বলেন, কিছুদিন আগেই চোট থেকে সেরে উঠেছি আমি। গত জানুয়ারিতে অস্ত্রোপচার হয়েছিল। এই শিরোপা জিততে পারব, তা আমি নিজেও ভাবতে পারিনি। এই শিরোপা জিতে তাই আমি খুবই খুশি।   //আর//এআর

© ২০১৭ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি