ঢাকা, মঙ্গলবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ২৩:৪৩:২৪

সেঞ্চুরি ছুঁতে তিন হাত দূরে ফেদেরার

সেঞ্চুরি ছুঁতে তিন হাত দূরে ফেদেরার

ক্রিকেটে সেঞ্চুরি হয় রানে। ফুটবলে গোলে। আর টেনিসে ? টেনিসে হয় শিরোপায়, যা এর আগে মাত্র একজনই করতে পেরেছেন। তাঁর নাম জিমি কর্নস। যুক্তরাষ্ট্রের টেনিস তারকা জিমি কর্নস ১০৯টি শিরোপা নিয়ে টেনিসকাপ জয়ীদের মধ্যে শীর্ষে অবস্থান করছেন। সেঞ্চুরি ক্লাবে নাম লেখাতে ফেদেরার-এরও দরকার মাত্র তিন শিরোপা। কর্নসের নিচেই আছেন বর্তমান নাম্বার ওয়ান তারকা রজার ফেদেরার। বয়সে বুড়িয়ে গেলেও খেলটা দেখিয়ে যাচ্ছেন ১৮’র তরুণের মতোই। আর এতেই অস্ট্রেলিয়া ওপেনের পর রটারডাম ট্রফি জিতে র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে ওঠে এসেছেন এ সুইস তারকা। পেছনে ফেলে দিয়েছেন টেনিসের হটবয় খ্যাত রাফায়েল নাদালকেও। রটারডাম ট্রফি জয়ের মাধ্যমে মোট ৯৭টি ট্রফি ঘরে তুলেছেন সুইজারল্যান্ডের এ তারকা। তাই সেঞ্চুরি পেতে আর মাত্র তিনটি শিরোপা দরকার ফেদেরারের। এতেই সেঞ্চুরির ক্লাবে দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে নাম লেখাবেন ফেদেরার। এদিকে স্পেনের রাফায়েল নাদাল ৭৫ শিরোপা নিয়ে আছেন পাঁচ-এ। তবে বয়সটা এখনো ৩২ এর ঘরে হওয়ায় সামনে অবার সুযোগ পাচ্ছেন নাদাল। এমজে/  
কে পরবেন শিরোপার মুকুট?

অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে প্রথমবারের মতো ফাইনাল খেলছেন তারা। তাই উত্তেজনাটাও যেন ছাড়িয়ে গেছে সবমাত্রা। নারীদের একক টেনিসে আজ রাতে মুখোমুখি হচ্ছেন টেনিস তারকা ক্যারোলাস ওজনিয়াকি ও ইমুনা হালেপ। দুই সপ্তাহের টানা উত্তেজনার পর আজ রাতেই শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচ অনুষ্ঠিতে হতে যাচ্ছে। আর কে হচ্ছেন এ শিরোপার দাবিদার, তা নিয়ে চলছে জল্পনা-কল্পনা। যে-ই জিতবেন, ইতিহাসে প্রথমবারের মতো নাম লেখাবেন অসি টেনিস মুকুট জয়ের তালিকায়। শুধু তাই নয় এ শিরোপা জয়ের মাধ্যমে র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ স্থানে পৌঁছে যাওয়ার সুযোগ থাকছে দুজনেরই। দুজনেরই পয়েন্ট কাছাকাছি। ক্যারোলাস ওজনিয়াকি এখন দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন। আর হালেপ রয়েছেন এক-এ। এছাড়া আগামী রোববার ছেলেদের একক ফাইনালে রজার ফেদেরার লড়বেন ক্রোট মারিন চিলিচের বিরুদ্ধে। এর আগে, অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে মেয়েদের এককে শীর্ষ বাছাই রুমানিয়ান তরুণী সিমোনা হ্যালেপ এবং দ্বিতীয় বাছাই ড্যানিশ তরুণী ক্যারোলিন ওজনিয়াকি দুজনেই ফাইনাল নিশ্চিত করেন। সেমিফাইনালে সিমোনা হ্যালেপ ৬-৪, ৩-৬, ৯-৭ গেমে হারিয়েছেন জার্মানির অ্যাঞ্জেলিক কারবারকে। অন্য সেমিফাইনালে ক্যারোলিন ওজনিয়াকি ৬-৩, ৭-৬ (৭/২) গেমে হারিয়েছেন বেলজিয়ামের এলিস মার্টেনস। মাঝখানে দীর্ঘ সময় টেনিসে নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি ড্যানিশ তরুণী ক্যারোলিন ওজনিয়াকি। তাই বলে হাল ছেড়ে দেননি তিনি। কখনো গ্র্যান্ডস্লাম টুর্নামেন্ট জেতা না হলেও ২০০৯ ও ২০১৪ সালে ইউএস ওপেনের ফাইনাল খেলেছেন। অন্যদিকে সিমোনা হ্যালেপও কখনো গ্র্যান্ডস্লাম টুর্নামেন্ট জিততে পারেননি। ফ্রেঞ্চ ওপেনে ২০১৪ ও ২০১৭ সালে ফাইনাল খেলেছেন সিমোনা হ্যালেপ। দুজনের অতীত গ্র্যান্ডস্লাম টুর্নামেন্টে মোটামুটি একই রকম হলেও মুখোমুখি লড়াইয়ে অনেকটা এগিয়ে আছেন ক্যারোলিন ওজনিয়াকি। দুজন এর আগে ছয়বার মুখোমুখি হয়েছেন। এর মধ্যে চারবারই জিতেছেন ওজনিয়াকি। অবশ্য দুজন কখনো গ্র্যান্ডস্লাম টুর্নামেন্টে মুখোমুখি হননি। দেখা যাক, এই লড়াইয়ে কে জিতেন! এদিকে পুরুষ এককে গতকাল সেমিফাইনালে ব্রিটিশ তরুণ কাইল এডমুন্ডকে ৬-২, ৭-৬ (৭/৪), ৬-২ গেমে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করেছেন ক্রোয়েশিয়ান তারকা ম্যারিন চিলিচ। ফাইনালে তাকে সর্বোচ্চ গ্রান্ডস্লামজয়ী ফেদেরারকে মোকাবেলা করতে হবে। সূত্র: গার্ডিয়ানএমজে/  

সাদা ফ্রেমের বালকটি-ই এখন টেনিসে বিস্ময়

অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে দক্ষিণ কোরিয়ার টেনিস তারকা চং হায়েন বিস্ময় দেখিয়ে চলছেন। বিশ্বের সবচেয়ে বেশিবার গ্রান্ডস্লামজয়ী সুইস প্রতিদ্বন্দ্বী রজার ফেদেরারকে সেমি ফাইনালে ভালই মোকাবেলা করছেন চং হায়েন। চতুর্থে রাউন্ডে নোভাক জকোভিচকে হারিয়ে তৃতীয় রাউন্ডে যুক্তরাষ্ট্রের সান্ড্রিনকে উড়িয়ে দেন চং। এতেই সেমিতে পৌঁছান তিনি। তবে সেমিফাইনালের ম্যাচটি ইতোমধ্যেই দারুণ জমে ওঠেছে, যদিও রজার ফেদেরার প্রথম সেটে এগিয়ে রয়েছেন। জীবনে প্রথমবারের মতো সেমি ফাইনাল ওঠেন চং হায়েন । শুধু তাই নয়, কোয়ার্টার ফাইনালেও এবারই প্রথম ওঠেন তিনি। ছয় বছর বয়স থেকে চং হায়েন টেনিস খেলছেন। তবে দর্শকদের সবচেয়ে বেশি আকৃষ্ট করছে, সাদা ফ্রেমে আটকানো তার চশমা। এই চশমা পরেই খেলা চালিয়ে যান চং হায়েন। বাবা-ভাইয়ের হাত ধরেই টেনিসে পা রাখেন চং। সুত্র: বিবিসিএমজে/

অস্ট্রেলিয়ান ওপেন শেষ নাদালের

  অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে দারুণ পারফরমেন্স করতে থাকা টেনিসের শীর্ষ তারকা রাফায়েল নাদালের স্বপ্নটা একেবারে শেষের দিকে এসে ভেঙ্গে গেল। খেলার মাঝপথে ডান পায়ে চোটে পেয়ে ছিটকে গেলেন টুর্নামেন্ট থেকে। বিশ্ব টেনিসের এই নাম্বার ওয়ান তারকা মেলবোর্ন পার্কের ওই ম্যাচটিতে শুরু থেকেই দারুণ খেলছিলেন। তবে দ্বিতীয় স্পেলে কিছুটা পিছিয়ে ছিলেন। তৃতীয় সেটে আবারও লড়াই চালিয়ে যান বিশ্ব টেনিসের নাম্বার ওয়ান এই তারকা। দারুণ খেলতে থাকা মারিন সিলিচ ৩-৬, ৬-৩, ৬-৭, ৬-২, ২-০ গেমে এগিয়ে ছিলেন স্প্যানিশ এই কিংবদন্তীর বিপক্ষে। তবে খেলার একেবারে শেষ দিকে পায়ের ইনজুরিতে পড়েন নাদাল। এরপরই মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে যান নাদাল। নাদালের বিদায়ে বছরের প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যামের সেমি-ফাইনালে উঠেছেন ষষ্ঠ বাছাই ক্রোয়েশিয়ার সিলিচ। শেষ চারে তিনি লড়বেন ব্রিটেনের কাইল এডমুন্ডের সঙ্গে। এদিকে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে অঘটন যেন ঘটেই চলেছে। এর আগে দক্ষিণ আফ্রিকান নবাগত টেনিস তারকা কাইল এডমুন্ডের কাছে হেরে বিদায় নিয়েছেন। সুত্র: এএফপিএমজে/  

অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে সেমিতে ব্রিটিশ তারকা

অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে প্রথমবারের মতো সেমি ফাইনালে ওঠেছেন ব্রিটেনের টেনিস তারকা কাইল এডমান্ড। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী গ্রিগর দিমিত্রভকে পরাজিত করে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে প্রথমবারের মতো শেষ চারে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। আর এতে অসি-ওপেনে ষষ্ঠবারের মতো কোন ইংলিশ টেনিস তারকা শেষ চারে জায়গা করে নিয়েছেন। এর আগে প্রথমবারের মতো শেষ আটে জায়গা করে নিয়েছিলেন এডমান্ড। তবে শেষ চারে ওঠতে তাকে রীতিমতো ঘাম ঝড়াতে হয়েছে। দিমিত্রভকে ৬-৪, ৩-৬, ৬-৩, ৬-৪ গেমে পরাজিত করে শেষ চারে জায়গা করে নেন ব্রিটিশ এ টেনিস তারকা। প্রথম সেটে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চালিয়ে আসলেও দ্বিতীয় সেটে বাজেভাবে হেরে যান এডমান্ড। তবে তৃতীয় সেটে আবারও ঘুরে দাঁড়ান তিনি। এরপর আর পেছনে ফিরে থাকাতে হয়নি। সর্বশেষ সেশনটি ৬-৪ গেমে জিতে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেন তিনি। র‌্যাংকিংয়ে ৪৯ নম্বরে থাকা কাইল এডমান্ড সেমিফাইনালে টেনিসের শীর্ষ তারকা রাফায়েল নাদাল অথবা ম্যারি কিলিকের মুখোমুখি হবেন। এদিকে প্রথম বারের মতো সেমিফাইনালে ওঠায় দারুণ মৌজে রয়েছেন এডমান্ড। তিনি বলেন, আজকের বিজয় আমার জন্য প্রেরণাদায়ক। ম্যাচশেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, এই শক্ত লড়াইয়ের পর আমি নিজেকে উপভোগ করতে চাই। এটি ছিল এই কোর্টে আমার প্রথম ম্যাচ। সুত্র: এএফপিএমজে/

গুরুকে হারিয়ে কোয়ার্টারে শিষ্য

গুরুর খেলা দেখেছেন ভিডিওতে। দেখেছেন ইউটিউবে। আবার কখনো সুযোগ পেলে মাঠে বসে আয়ত্ত্ব করেছেন গুরুর কৌশল। রপ্ত করার চেষ্টা করেছন ব্যাট চালানোর স্টাইল। তবে কখনো গুরু থেকে সরাসরি শিক্ষা নেওয়ার কোন সুযোগ হয়নি। তবে শিক্ষা নেওয়ার সুযোগ না ঘটলেও এবার সেই আইডলকে হারিয়ে গর্বে আত্মহারা দক্ষিণ কোরিয়ার ২১ বছর বয়সী টেনিস তারকা চং হায়েন। অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের চতুর্থ রাউন্ডের ম্যাচে ১২ বারের গ্রান্ডস্লামজয়ী নোভাক জকোভিচকে হারিয়ে পুরো দক্ষিণ আফ্রিকাকে-ই যেন নিয়ে গেছেন তৃতীয় রাউন্ডে। আর এ জয়ে চং হায়েন এতটাই উচ্ছ্বসিত যে, তিনি নিজেকে বিশ্বাসই করতে পারছেন না। নোভাক জকোভিচ এ পর্যন্ত ৬৮টি টুর্নামেন্টে শিরোপা জয় করেছেন, যেখানে চং হায়েন একটিও আন্তর্জাতিক শিরোপা জয়লাভ করতে পারেনি। তবে গতকালকের ম্যাচে সার্বিয়ান তারকা নোভাক জকোভিচকে রীতিমতো যুদ্ধ করতে হয়েছে ছোঁকরা বালক চং হায়েনের সঙ্গে। তিনঘণ্টা ২১ মিনিটের শ্বাসরুদ্ধকর এই ম্যাচে জকোভিচকে ৭-৫, ৭-৬,৭-৬ গেমে পরাজিত করে তৃতীয় রাউন্ডে উঠে এসেছে চং হায়েন। ছয় বছর বয়স থেকে চং টেনিস খেলা শুরু করেন। তবে তার খেলা শুরুর প্রথম থেকেই জকোভিচের কৌশল রপ্ত করার চেষ্টা করতেন চং, এমনটাই জানিয়েছেন তিনি। জকোভিচের মানষিক শক্তি আর উদ্যমই চংকে সাহস যুগিয়েছে বলে ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে জানান। আর এ ম্যাচের মধ্য দিয়ে প্রথম দক্ষিণ কোরিয়ান হিসেবে তৃতীয় রাউন্ডে জায়গা করে নিয়েছেন চং। এদিকে চংয়ের পারফরমেন্স নিয়ে দারুণ মন্তব্য করেছেন টেনিস তারকা নোভাক জকোভিচও। জকোভিচ বলেন, আজ চং দারুণ খেলা খেলেছে। যখনই সে খেলায় পিছিয়ে পড়ছিল, তখনই আবারও কতগুলো টেকনিক্যাল শট খেলে ম্যাচে জায়গা করে নিয়েছে। আজকে কোর্টে সে একজন দেওয়াল হয়ে দাঁড়িয়েছিল। কোনভাবেই বলকে কোর্টের বাইরে পাঠাতে পারছিলাম না। সুত্র: এএফপিএমজে/  

র‌্যাংকিংয়ের ৩৭ নম্বর যখন সেমিফাইনালে

অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে রীতিমতো চমক দেখিয়েছেন বেলজিয়ামের টেনিস তারকা আনসিডেড মার্টিনস। লন টেনিসে ৩৭ নম্বরে থাকা বেলজিয়ামের এই বিস্ময়বালিকা টানা ১০ ম্যাচ জিতে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছেন। আর মাত্র দুটি ধাপ পেরোতে পারলেই তার মুকুটে প্রথম বারের মতো যুক্ত হবে কোন গ্রান্ডস্লাম। গতকাল ইউক্রেনিয়ার প্রতিদ্বন্দ্বী হোবার্টকে ৬-৪, ৬-০ গেমে পরাজিত করে শেষ চারে জায়গা করে নিয়েছেন মার্টিনস। জয় পেতে মার্টিনস এক ঘণ্টা ১৩ মিনিট সময় নেন। ২০১২ সালের পর বড় কোন টুর্নামেন্টের এবারই প্রথমবারের মতো কোন বেলজিয়ামের তারকা শেষ চারে জায়গা করে নিয়েছেন। আর এ জয়ে দারুণ উচ্ছ্বসিত মার্টিনস। ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আমি কি বলবো বুঝতে পারছি না। আজ আমি এতটাই আনন্দিত যে, আমার শব্দমালা হারিয়ে গেছে। আজকে আমি আমার সব উজাড় করে দিয়েছি। আর পুরো খেলাজুড়ে আগ্রাসন চালানোর চেষ্টা করেছি। তবে ২০১৬ সালে মার্টিনস র‌্যাংকিংয়ের তলানিতে অবস্থান করছিলেন। তখন তার র‌্যাংকিং ছিল ১২৭। এর আগে কোন শিরোপাতেই তৃতীয় রাউন্ড উৎরাতে পারেননি মার্টিনস। সুত্র: এএফপিরয়টার্স

জকোভিচের ফর্মে ফেরার রহস্য মেডিটেশন

সাবেক শীর্ষ টেনিস তারকা নোভাক জকোভিচ বলেছেন, মানষিক ভয় আর চাপ থেকে মুক্তি পেতে মেডিটেশন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আর মেডিটেশন করেই নিজে সব ধরণের চাপ ও ভয় থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলেও জানিয়েছেন ১২ বারের গ্রান্ডস্লামজয়ী এ তারকা। গত বছর জুলাইয়ে হাঁটুর ইনজুরির কারণে দীর্ঘদিন ক্লে কোর্টের বাইরে ছিলেন জকোভিচ। এ সময় মানষিক চাপ ও ভয় থেকে রক্ষা পেতে প্রায়ই মেডিটেশন করতেন বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে তিনি জানিয়েছেন। সার্বিয়ান এ তারকা গত বছর উইম্বলডনে অংশ নেওয়ার পর আর কোন ম্যাচ খেলেননি। অস্ট্রেলিয়ান ওপেন দিয়ে আবারও ক্লে কোর্টে ফিরেছেন সাবেক নাম্বার ওয়ান এ তারকা। ইতোমধ্যে শেষ ষোলোয় জায়গা করে নিয়েছেন জকোভিচ। জকোভিচ জানান, গতকাল চতুর্থ রাউন্ডে উঠার পর থেকেই তিনি নিয়মিত মেডিটেশন করছেন। এসময় তিনি মজা করে বলেন, ‘আমি বলবো না যে মেডিটেশন করে কি পেয়েছি। কিন্তু এটা বলতে পারবো যে, মেডিটেশন করে কি হারিয়েছি। মেডিটেশনের মাধ্যমে আমি আমার ভয়, উদ্বেগ, চাপ আর নেতিবাচক চিন্তা হারিয়েছি। দিনের শেষে আমরা সবাই এগুলো হারাতে চাই।’ সুত্র: রয়টার্স

চতুর্থ রাউন্ডে জকোভিচ-ফেদেরার

অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে ইনজুরি থাকা সত্ত্বেও ভাল পারফরমেন্স দেখিয়ে চতুর্থ রাউন্ডে জায়গা করে নিয়েছেন টেনিস তারকা রজার ফেদেরার ও নোভাক জকোভিচ। দিনের প্রথম ম্যাচে সুইজারল্যান্ডের ৫ বারের চ্যাম্পিয়ন রজার ফেদেরা র‌্যাঙিংয়ে নিচের দিকে থাকা রিচার্ড গ্যাসকোয়েটকে ৬-২, ৭-৫ ও ৬-৪ গেমে পরাজিত করেন। এতে শেষ ষোলোয় জায়গা করে নিয়েছেন সর্বোচ্চ গ্রান্ডস্ল্যাম জয়ী রজার ফেদেরার। এদিকে দিনের অন্য ম্যাচে পায়ের ইনজুরি সত্ত্বেও নোভাক জকোভিচ দারুণ পরফরমেন্স দেখিয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আলবার্ট রামোস-ভিনোলাসকে ৬-২, ৬-৩, ৬-৩ গেমে পরাজিত করেন। পায়ের ইনজুরিতে ভীত নন জকোভিচ। তিনি বলেন, ‘পায়ের ইনজুরির কারণে উদ্বিঘ্ন হওয়ার কিছু নেই। এই ধরণের ইনজুরির সঙ্গে আমাকে প্রতিনিয়তই লড়তে হয়।’ গত বছর উইম্বলডন খেলার সময় হাঁটুতে চোট পান টেনিস তারকা নোভাক জকোভিচ (৩০)। এরপর টানা ছয়মাস কোর্টে নামা হয়নি এ টেনিস তারকার। এবার অস্ট্রেলিয়ান ওপেন জয়ে তাই খুবই আশাবাদী জকোভিচ। সুত্র: রয়টার্সএমজে/

প্রস্তুত নন সেরেনা

অস্ট্রেলিয়ান ওপেন থেকে বড় বড় তারকারা সরে যাচ্ছেন। বৃহস্পতিবার কোমরের ব্যথার জন্য খেলা ছাড়ার ঘোষণা দেন অ্যান্ডি মারে। তার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সেরেনা উইলিয়ামসও জানিয়ে দিয়েছেন, তিনিও প্রস্তুত নন। ওই ওপেনে জিতলে আমেরিকান তারকার গ্রান্ডস্লামের সংখ্যা হবে ২৪। কিন্তু সেটির জন্য অপেক্ষা বাড়লো সেরেনা ভক্তদের। সেরেনা বলেন, ‘যেখানে নিজেকে দেখতে চাই সেখানে আমি নেই। আমার কোচ ও টিমের সবাই বলে টুর্নামেন্টে তখনই যাবে যখন তুমি পুরোটা সময় ধরে খেলতে পারবে। কিন্তু আমি শুধু প্রতিযোগিতার করার জন্য নামতে চাই না। আমি তার চেয়ে ভালো করতে চাই। আমার আরও কিছু সময় দরকার। এ বছর অস্ট্রেলিয়ান ওপেন খেলছি না। তাই আমি কিছুটা হতাশ। আমি ওপেনে গত বছরের স্মৃতি সবসময় মনে রাখবো। অলিম্পিয়া (সেরেনার মেয়ে) এবং আমি ফেরার অপেক্ষায় আছি।’ এই সপ্তাহে কেই নিশিকোরিও ওপেন থেকে নাম প্রত্যাহার করেছেন। নোভাক জোকোবিচ, স্টান ভাভারিঙ্কা এবং রাফায়েল নাদাল খেলবেন কী না- তা এখনো নিশ্চিত হয়নি। সূত্র : গার্ডিয়ান এসএ/

 উইম্বলডন জয়ী জানা নোভোটনা আর নেই

সাবেক উইম্বলডন জয়ী জানা নোভোটনা আর নেই। দীর্ঘদিন ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করে অবশেষে মৃত্যুর কাছে হেরে গেলেন ৪৯ বছর বয়সী এ টেনিস তারকা। নারীদের টেনিস অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, নোভোটনা দীর্ঘ্দিন ধরে ক্যান্সারে ভূগছিলেন। মৃত্যুকালে তার পরিবারের সদস্যরা তার সঙ্গে ছিলেন বলে। ১৯৯৮ সালে নোভোটনা প্রতিপক্ষ নাথালি টোজিয়াতকে পরাজিত করে উইম্বলডন জয় করেন; তাঁর আগে ১৯৯৩ ও ১৯৯৭ সালে দুইবার ফাইনালে গিয়ে পরাজিত হয়েছিলেন । কিন্তু কখনো দমে যাননি তিনি। অবশেষে দূরারোগ্য ক্যান্সারের কাছে তাকে পরাজয় স্বীকার করতে হলো। ১৯৯৩ সালে জার্মানিতে অনুষ্ঠিত উইম্বলডন বিশ্বকাপে ফাইনাল ম্যাচে হেরে যাওয়ার পর তার কান্নার চিত্র এখনো দর্শকদের মনে ঠাঁই করে আছে। উইমেন টেনিস অ্যাসোসিয়েশন এর নির্বাহী স্টিভ সাইমন বলেন, নোভোটনা কোর্ট্ এবং কোর্টের বাইরে দর্শকদের দারুণভাবে উদ্বুদ্ধ করতে পারতো। স্টিভ আরও বলেন, নোভোটনা নক্ষত্র হয়ে যুগ যুগ ধরে টেনিস আকাশে আলো ছড়িয়ে দিবে। আমরা তাঁর ও তাঁর পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করছি। তাঁর ঝুলিতে ১২টি গ্রান্ড স্লাম রয়েছে। সূত্র: বিবিসি এমজে/টিকে

সানিয়ার চোখে সেরা যে পুরুষ !

শুধু টেনিস কোর্টে নয়, বহু যুবকের মন বারান্দাতেও দাপিয়ে বেড়ান সানিয়া মির্জা। তার রূপ-লাবণ্য অনেক বলিউড নায়িকাকেও হার মানায়। ২০১০ সালে পাকিস্তানি ক্রিকেটার শোয়েব মালিককে যখন বিয়ে করেন, তখন বহু যুবকেরই হৃদয় ভাঙে। সম্প্রতি দুবাইয়ের একটি ফ্যাশন প্রদর্শনীতে সানিয়া মির্জা যা বললেন তাতে আরেক দফা হৃদয় ভাঙ্গবে ভারতীয় ভক্তদের। ফ্যাশন শোতে সানিয়া আবারো জানিয়ে দিলেন  পাকিস্তানি ক্রিকেটার শোয়েব মালিকই তার দেখা সবচেয়ে আকর্ষণীয় পুরুষ। সম্প্রতি পাকিস্তানের `স্টাইল আইকন` হওয়ার জন্য পুরস্কার পেয়েছেন শোয়েব মালিক। পাকিস্তানি অলরাউন্ডার সম্পর্কে সানিয়া বলেন, আমি মোটেও পক্ষপাতিত্ব করছি না! শোয়েব সত্যিই সুদর্শন। ফিটনেস বেশ ভালো। টল অ্যান্ড হ্যান্ডসাম। সে-ই আমার কাছে সবচেয়ে আকর্ষণীয় পুরুষ। সানিয়া আরো বলেন, প্রায় সব পোশাকেই ওকে মানায়। ওকে সুন্দর দেখানোর সমস্ত কৃতিত্ব আমি নিতে পারি না। তবে পোশাক নির্বাচনের বিষয়ে ওকে মাঝেমাঝে পরামর্শ দিয়ে থাকি। সূত্র : ক্রিক ক্রেক এমআর

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি