ঢাকা, শুক্রবার, ২২ জুন, ২০১৮ ১৭:৩৪:৩৩

সিংহাসন নিজের দখলে রাখলেন নাদাল

সিংহাসন নিজের দখলে রাখলেন নাদাল

প্রত্যাশা মতোই রোলাঁ গারোর সিংহাসন নিজের দখলে রাখলেন লাল সুড়কির অবিসংবাদিত সম্রাট রাফায়েল নাদাল। ক্লে কোর্টে নতুন প্রজন্মের তারকা হিসাবে চিহ্নিত ডমিনিক থিয়েমকে ফাইনালে স্ট্রেট সেটে উড়িয়ে দিলেন রাফা। আগাগোড়া আধিপত্য বজায় রেখে ২ ঘণ্টা ৪২ মিনিটে ম্যাচের ফল ৬-৪, ৬-৩, ৬-২ সেটে নিজের অনুকূলে টেনে নেন স্প্যানিশ কিংবদন্তি। চ্যাম্পিয়ন হয়ে ঘরে তুললেন একাদশ ফরাসি ওপেন খেতাব।ফাইনাল পর্যন্ত যাত্রাপথে একটি মাত্র সেট খুইয়েছিলেন নাদাল। ক্লে কোর্টে টানা ৩৮টি সেট জয়ের ধারায় ছেদ পড়ায় রাফাকে আশঙ্কার চোরা স্রোত বইতে শুরু করেছিল রোলাঁ গারোয়। তবে সেমিফাইনালে জুয়ান মার্টিন দেল পোত্রোকে হেলায় হারিয়ে নাদাল বুঝিয়ে দিয়েছিলেন যে, লাল সুড়কিতে এখনও অপ্রতিরোধ্য তিনি। ফাইনালে তা আরও একবার প্রমাণ করে দিলেন তিনি।এমনিতে ফেডেরার, মারেরা না থাকায় বরাবরের মতো টুর্নামেন্টে ফভারিট ছিলেন নাদালই। তবু বিশ্বের আট নম্বর অস্ট্রিয়ান তরুন ডমিনিক থিয়েম ফাইনালে ওঠায় নিশ্চিন্ত হতে পারছিলেন না রাফার সমর্থকরা। সাম্প্রতিক কালে ক্লে কোর্টে নাদালকে সব থেকে বেশি যিনি বেগ দিয়েছেন, তিনি অন্য কেউ নন, এই থিয়েমই। খেতাবি লড়াইয়ে স্প্যানিশ তারকার আগ্রাসনের সামনে আত্মসমর্পণ করলেও ম্যাচের শেষে নাদাল উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেন তার প্রতিপক্ষের। পরিস্কার জানিয়ে দেন যে, আগামী দু’বছরের মধ্যেই রোলাঁ গারোয় চ্যাম্পিয়ন হতে পারেন থিয়েম।ফাইনালের শুরুটা মন্দ করেননি থিয়েম। শুরুতেই ব্রেক আদায় করে নাদাল এগিয়ে গেলেও পাল্টা সার্ভিস ভেঙে লড়াইয়ে সমতা ফেরান ২৪ বছর বয়সি অস্ট্রিয়ান তরুন। যদিও শেষ রক্ষা হয়নি৷ আঙুলের চোট নিয়েও নাদাল যে রকম আগুন ঝরান কোর্টে, তাতে রানার্স হয়েই সন্তুষ্ট হওয়া ছাড়া উপায় ছিল না তার।এসএ/
রোলাঁ গারো ফাইনালে নাদাল

একাদশ রোলাঁ গারো খেতাব থেকে এক কদম দুরে লাল মাটির রাজা৷ শুক্রবার দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মার্টিন দেল পোর্তোকে স্ট্রেট সেটে(৬-৪, ৬-১, ৬-২) হারিয়ে ফরাসি ওপেনের ফাইনালে রাফায়েল নাদাল৷ রোববার খেতাবের লড়াইয়ে রাফার সামনে অষ্ট্রিয়ার বছর চব্বিশের ডমিনিক থিয়েম৷ এ নিয়ে ১১বার ফরাসি ওপেনের ফাইনালে পৌঁছলেন নাদাল৷ সব মিলিয়ে মোট ২৪টি গ্র্যান্ড স্ল্যাম ফাইনালে উঠলেন রাফা৷ এর আগে ফরাসি ওপেনে ১০বার ফাইনালে উঠে প্রতিবারই চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন লাল সুড়কির সম্রাট৷ রোলাঁ গারোয় সবচেয়ে বেশি খেতাব তারই দখলে৷ ২০০৫ থেকে ২০০৮ টানা চার বছর জেতার পর ২০১০ থেকে ২০১৪৷ অর্থাৎ টানা পাঁচ বছর লাল মাটিতে আধিপত্য বজায় রাখেন স্প্যানিশ তারকা৷ তার পরের দু’ বছর চোটের জন্য খেতাব হাত ছাড়া হলেও গত বছর ফরাসি ওপেন জিতে বিশ্বের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ১০বার রোলাঁ গারো খেতাব জেতেন রাফা৷ এদিন আর্জেন্টাইন তারকা দেল পোর্তোকে উড়িয়ে দিয়ে একাদশ খেতাবের দোরগোড়ায় নাদাল৷ শীর্ষ বছাই রাফার বিরুদ্ধে এদিন মোটের লড়াই করতে পারেননি দেল পোর্তো৷ ২ ঘণ্টা ১৪ মিনিটের লড়াই হাসতে হাসতে জিতে নেন রাফা৷ প্রথম সেটে ছ’টি ব্রেক পয়েন্ট পান নাদাল৷ চোট সারিয়ে তিন বছর পর কোনও গ্র্যান্ড স্ল্যামের শেষ চারে পৌঁছে ছিলেন দেল পোর্তো৷ এদিনও প্রথম সেট চলাকালীন তার উরুতে ট্রিটমেন্ট প্রয়োজন হয়৷ ১৬টি গ্র্যান্ড স্ল্যামের মালিক তথা বিশ্বের এক নম্বর রাফার সামনে ফাইনালে সপ্তম বাছাই থিয়েম৷ যিনি এদিন প্রথম সেমিফাইনালে জোকার বধের নায়ক মার্কো চেচিনাতোকে স্ট্রেট সেটে (৭-৫,৭-৬,৬-১) হারিয়ে ফাইনালে পৌঁছন অস্ট্রিয়ান খোলোয়াড়৷ এটাই প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যাম ফাইনালে থিয়েমের৷ কোয়ার্টার ফাইনালে প্রাক্তন বিশ্বের এক নম্বর তথা ১২টি গ্র্যান্ড স্ল্যামের মালিক নোভাক জকোভিচকে হারিয়ে চমক দিয়েছিলেন ইতালিয়ান খেলোয়াড়৷ কিন্তু এদিন লড়াই করলেও স্ট্রেট সেটে সপ্তম বাছাই থিয়েমের কাছে হারেন চেচিনাতো৷ প্রথম সেটে ৫-৭ হারলেও দ্বিতীয় সেটে কড়া টক্কর দেন তিনি৷ কিন্তু টাইব্রেকারে দ্বিতীয় সেটে জিতে ম্যাচে আধিপত্য বজায় রাখেন থিয়েম৷ তৃতীয় সেটে ইতালিয়ানকে দাঁড়াতেই দেননি অস্ট্রিয়ান খেলোয়াড়৷ সূত্র: কলকাতা ২৪x৭ একে//

শারাপোভা বনাম সেরিনা

গ্র্যান্ড স্ল্যামে আবার দেখা যাবে সেরিনা উইলিয়ামস বনাম মারিয়া শারাপোভা। ২০১৬ সালের যুক্তরাষ্ট্র ওপেনের পরে প্রথম বার। রোলঁ গ্যারোজে তৃতীয় রাউন্ডে দু’জনই জিতলেন দাপট দেখিয়ে। সেরিনা হারালেন জার্মানির জুলিয়া জর্জেসকে। পাশাপাশি শারাপোভার সামনে দাঁড়াতেই পারলেন না চেক প্রজাতন্ত্রের ক্যারোলিনা প্লিসকোভা।     শারাপোভার মতো দাপট না থাকলেও জার্মানির জুলিয়া জর্জেসের বাধা পেরোতে বিশেষ বেগ পেতে হল না সেরিনাকে। জিতলেন ৬-৩, ৬-৪ । বোঝালেন কেনও জিমি কোনর্স বলেছেন, ‘যে কারও বিরুদ্ধে যে কোনও সময় ফেভারিট সেরিনা।’ কার্যত জিমির কথাটাই মেনে নিয়ে শারাপোভাও বললেন, ‘সংখ্যা মিথ্যে কথা বলে না।’ ফরাসি ওপেনের চতুর্থ রাউন্ডে রুশ টেনিস সুন্দরীর সঙ্গে সেরিনা উইলিয়ামসের সম্ভাব্য সাক্ষাত নিয়ে তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল। মারিয়ার আরও মন্তব্য, ‘সেরিনার সঙ্গে খেলতে নামা মানে সব সময়ই পিছিয়ে থেকে শুরু করতে হবে। তাই চ্যালেঞ্জটা নিতে হয় উল্টোদিকে যে থাকে তার।’ এর আগে সেরিনার সঙ্গে শারাপোভার দেখা হয়েছে ২১ বার। ফল সেরিনার পক্ষে ১৯-২। যা নিয়ে শারাপোভার স্বীকারোক্তি, ‘ওর খেলায় এমন বেশ কিছু দিক আছে যেখানে আমি অনেক অনেক পিছিয়ে।’ ডোপ করায় নির্বাসন কাটিয়ে এসে রোলঁ গ্যারোজে শনিবারই সেরা ম্যাচ খেললেন শারাপোভা। এক ঘণ্টার ঠিক ১ মিনিট কম লাগল তার ষষ্ঠ বাছাই ক্যারোলিনা প্লিসকোভার বিরুদ্ধে জিততে। কতটা দাপট নিয়ে জিতলেন তার প্রমাণ ৬-২, ৬-১ স্কোরে। শারাপোভা নিজেও হালফিলে এতটা খুশি হননি। তৃতীয় রাউন্ডের এই ম্যাচ নিয়ে তার কথা, ‘জানতাম প্লিসকোভাকে হারানো সহজ নয়। আসলে কোর্টে ফিরে আসার পর থেকে প্রথম লক্ষ্য ছিল সেরাদের হারানো। আজ সেটা পেরেছি। প্রথম থেকেই আক্রমণাত্মক ছিলাম। শেষ পর্যন্ত ছন্দটা ধরে রাখতে পেরেছি।’ প্লিসকোভার বিরুদ্ধে পেরেছেনে। এখন দেখার ‘চিরশত্রু’ সেরিনার সামনে কত দূর কী করতে পারেন। শেষ বার যুক্তরাষ্ট্র ওপেনে সেরিনাই কিন্তু জিতেছিলেন। আর এ বার শারাপোভার সুবিধা সেরিনার চেয়ে একটু হলেও বেশি বিশ্রাম পাচ্ছেন। তা ছাড়া তার প্রত্যাবর্তনটা ঘটেছে সেরিনার কিছু দিন আগে। শনিবার শারাপোভা মেরেছেন ১৮টি উইনার। প্রসঙ্গত তার মতোই প্লিসকোভাও বিশ্বের প্রাক্তন এক নম্বর। এ বারের প্রতিযোগিতায় প্রথম দিকে মারিয়ার সার্ভিস নিয়ে সমস্যা হচ্ছিল। তাই রিচেল হোগেনকাম্প বা ডোনা ভেকিচের বিরুদ্ধে সহজে জেতেননি। কিন্তু শনিবার তার খেলা আক্ষরিক অর্থেই হয়ে উঠল নিখুঁত। সূত্র: আনন্দবাজার একে/

অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগোচ্ছেন নাদাল

ক্লে-কোর্টের রাজা আছেন স্ব-মেজাজেই এবং ১১ নম্বর ফরাসি ওপেন খেতাব জেতার দিকে অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগোচ্ছেন রাফায়েল নাদাল। বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় রাউন্ডে অবাছাই জুইদো পেলাকে উড়িয়ে দিলেন স্প্যানিশ তারকা। জিতলেন ৬-২, ৬-১, ৬-১। যে গতিতে তিনি এগোচ্ছেন তাতে বেশ সন্তুষ্ট নাদাল। ম্যাচের পরে তিনি বলেছেন, ম্যাচটা দারুণ হল। নিজের খেলায় খুশি। তৃতীয় রাউন্ডে তার প্রতিপক্ষ রিচার্ড গাস্কে, যিনি তার খুব ভাল বন্ধুও। নাদাল বলেন, ওকে আমি ১১-১২ বছর বয়স থেকে চিনি। আমরা খুব ভাল বন্ধু। আমার কাছে ফিলিপ শঁতিয়ে কেরিয়ারে সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কোর্ট, এ ব্যাপারে কোনও সন্দেহ নেই। ওর জন্যও এই কোর্টটা বিশেষ। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

প্রত্যাশা ও চাপ কাটিয়ে তৃতীয় রাউন্ডে সেরেনা

ফরাসি ওপেনের তৃতীয় রাউন্ডে পৌঁছে গেলেন সেরেনা উইলিয়ামস। প্রথম রাউন্ডে ক্রিস্টিনা প্লিসকোভাকে হারানোর পর এবার সেরেনার জয় অ্যাশলে বার্টির বিরুদ্ধে। এদিনের টানটান উত্তেজনা ভরপুর ম্যাচের ফলাফল সেরেনার পক্ষে ৩-৬, ৬-৩,৬-৪।তিনবারের ফরাসি ওপেন চ্যাম্পিয়ন সেরেনা উইলিয়ামস। কিন্তু সন্তানের জন্মের পর এই প্রথম কোন গ্র্যান্ডস্লাম টুর্নামেন্টে অংশ নেন মার্কিন টেনিস তারকা। তাই সমর্থকদের বাড়তি আকর্ষণ ছিল তাকে ঘিরে। পাশাপাশি নিজের রেকর্ড ধরে রাখার চাপও ছিল টেনিস তারকার উপর। সেই সমস্ত প্রত্যাশা এবং পাহাড় প্রমাণ চাপ কাটিয়ে পর পর দুই ম্যাচ লড়াই করে জিতে সেরেনা পৌঁছে গেলেন টুর্নামেন্টের তৃতীয় রাউন্ডে।চেক প্রজাতন্ত্রের ক্রিস্টিনা প্লিসকোভার বিপক্ষ শুরুটা খুব একটা ভালো হয়নি সেরেনার। তবে, শেষ পর্যন্ত ৭-৬ ও ৬-৪ গেমে ম্যাচ জেতেন। এবারেও ৩৬ বছর বয়সী তারকাকে লড়ে ম্যাচ জিততে হয়। প্রথম সেট খুইয়েও তার এদিনের ম্যাচে ফিরে আসা ছিল দেখার মতো। ম্যাচের শেষের দিকে তার পাওয়ার টেনিসের সামনে উড়ে যান অ্যাশলে বার্টি।সূত্র : কলকাতা টুইন্টিফোরএসএ/

সানিয়াকে সরে দাঁড়ানোর নির্দেশ

বিজ্ঞাপণ বিতর্কে জড়ালেন টেনিস তারকা সানিয়া মির্জা। পল্ট্রির এক বিজ্ঞাপন থেকে এই টেনিস সুন্দরীকে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সেন্টার অব সায়েন্স অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট (SCE)। অ্যাডভার্টাইজমেন্ট স্ট্যান্ডার্ডস কাউন্সিল অব ইন্ডিয়ার (ASCI) বিচারেও ওই বিজ্ঞাপন `বিভ্রান্তি` তৈরি করছে। ফলে, এএসসিআই-র সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে এসসিই।এসসিই-র বক্তব্য, সানিয়া মির্জা যে পোল্ট্রির বিজ্ঞাপনের সঙ্গে যুক্ত সেখানে যে বার্তা দেওয়া হয়েছে তা দ্ব্যর্থ এবং বিভ্রান্তিমূলক। এই প্রথম নয়, এর আগেও সেন্টার অব সায়েন্স অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টের পক্ষ থেকে চিঠি দিয়ে সানিয়াকে ওই বিজ্ঞাপন থেকে সরে যাওয়ার কথা বলা হয়েছিল। এ প্রসঙ্গে সিএসই-র খাদ্য নিরাপত্তা ও টক্সিনসের সিনিয়র প্রোগ্রাম ম্যানেজার বলেন, ‘আগেই আমরা সানিয়াকে এ বিষয়ে লিখেছি এবং পোল্ট্রি সেক্টরে অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার এবং বিজ্ঞাপনের অপব্যবহার সম্পর্কে সচেতন করেছি। দেশের একজন দায়িত্বশীল নাগরিক তথা রোল মডেল হিসাবে, আমরা তাকে ওই বিজ্ঞাপন থেকে সরে যেতে অনুরোধ জানিয়েছি।’সিএসই-র গবেষণার ওপর বিচার করে এএসসিআই জানিয়েছে, বিজ্ঞাপনটি সততা এবং সত্যতার নীতি লঙ্ঘন করেছে। অল ইন্ডিয়া পোল্ট্রি ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস প্রাইভেট লিমিটেডকে ২৩ মে-র মধ্যে বিজ্ঞাপনটি প্রত্যাহার করে নেওয়ার অথবা সংশোধন করার নির্দেশ দিয়েছে অ্যাডভার্টাইজমেন্ট স্ট্যান্ডার্ডস কাউন্সিল অব ইন্ডিয়া। সূত্র : জি নিউজএসএ/

ইতালিয়ান ওপেন জিতে রেকর্ডবুকে নাদাল

ইতালিয়ান ওপেনে অষ্টম শিরোপা জিতলেন স্পেনিশ টেনিস তারকা রাফায়েল নাদাল। গতবারের চ্যাম্পিয়ন জার্মান তারকা আলেক্সান্দার জভেরেভের বিরুদ্ধে অবিস্মরণীয় এক জয় দিয়ে ইতালিয়ান ওপেনে রেকর্ড সংখ্যক শিরোপা জিতলেন স্পেনিশ এ তারকা। এ নিয়ে নাদালের শিরোপার সংখ্যা দাঁড়ালো ৭৮ এ। এ জয়ের মাধ্যমে ম্যাক এনরোকে হারিয়ে চারে উঠে এসেছেন নাদাল। গত রোববারের ফাইনালে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে জমে উঠেছিল ইতালিয়ান ওপেনের ফাইনাল ম্যাচ। প্রথম সেটে নাদাল সহজে জিতলেও পরের ১১ গেমের ৯টি জিতে ঘুরে দাঁড়ান জভেরেভ এবং দ্বিতীয় সেট জিতে নেন ৬-১ এ। বৃষ্টিতে দুইবার স্থগিত হওয়া ম্যাচে এরপর ঘুরে দাঁড়ান নাদাল। শেষ পর্যন্ত ৬-১, ১-৬ এবং ৬-৩ গেমে জভেরেভেকে হারিয়ে জেতেন ইতালিয়ান ওপেনের শিরোপা। গত সপ্তাহে মাদ্রিদ মাস্টার্সে ডোমিনিক থিয়েমের কাছে হারের পর নাদাল শীর্ষস্থান হারান রজার ফেদেরারের কাছে। ক্লে কোর্টের এই মৌসুমে ওটাই ছিল তার একমাত্র হার।প্যারিসে ১১তম ফরাসি ওপেন শিরোপার জন্য প্রস্তুতিটা দারুণ হলো নাদালের। এনিয়ে ক্লে কোর্টে চারটি প্রতিযোগিতায় তিনটিতে চ্যাম্পিয়ন হলেন তিনি। সূত্র: বিবিসিএমজে/

আবারও র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে নাদাল

ইতালিয়ান ওপেনে অষ্টম শিরোপা জিতে ফের টেনিসের শীর্ষস্থানটি দখলে নিলেন স্পেনিশ তারকা রাফায়েল নাদাল। গতকাল প্রকাশিত র‌্যাঙ্কিংয়ে চোখ বুলিয়ে এমনটিই দেখা গেছে। টেনিসের র‌্যাঙ্কিংয়ে চোখ বুলিয়ে দেখা যায়, ৮ হাজার ৭৭০ পয়েন্ট নিয়ে র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে উঠে এসেছেন স্পেনিশ এ টেনিস তারকা। তার থেকে ১০০ পয়েন্ট কম নিয়ে র‌্যাঙ্কিংয়ের দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন সুইস তারকা রজার ফেদেরার। ইতালিয়ান ওপেনে দারুণ পারফরম্যান্স দেখিয়ে র‌্যাঙ্কিংয়ের তিনে উঠে এসেছেন জার্মান তারকা আলেক্সান্দার জভেরেভ। তার বর্তমান র‌্যাঙ্কিং পয়েন্ট ৫ হাজার ৬১৫। এ ছাড়া ক্রোয়েশিয়ার তারকা মরিন সিলিস ৪ হাজার ৯৫০ পয়েন্ট নিয়ে র‌্যাঙ্কিংয়ের চারে, বুলগেরিয়ার দিমিত্রিভ ৪ হাজার ৮৭০ পয়েন্ট নিয়ে পাঁচে, আর্জেন্টিনার দেল পুর্তো ৪ হাজার ৪৫০ পয়েন্ট নিয়ে ছয়ে অবস্থান করছেন। সূত্র: ইএসপিএনএমজে/

সহজেই রোমে শেষ আটে নাদাল

খেলছেন রোম মাস্টার্সে। কিন্তু টেনিস পণ্ডিতেরা এখন থেকে বলে যাচ্ছেন, রোলাঁ গারোজেও তিনিই ফেভারিট। মাদ্রিদে কোয়ার্টার ফাইনালে দমিনিক থিমের কাছে হারাটা যে নিছকই দুর্ঘটনা ছিল সেটাই যেন প্রমাণ করতে লেগে পড়েছেন রাফায়েল নাদাল। বৃহস্পতিবার রোমে সামনে পেলেন ডেনিস শাপোলভকে। কানাডিয়ান প্রতিপক্ষকে দিশাহারা করে ম্যাচ জিতে নিলেন ৬-৪, ৬-১ সেটে। অথচ প্রায় ন’মাস আগে এই শাপোলভই মন্ট্রিলের হার্ড কোর্টে মস্ত বড় অঘটন ঘটান স্পেনীয় মহাতারকাকে উড়িয়ে। তখন অবশ্য খুব খারাপ সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলেন রাফা। চোট আর পিঠে ব্যথা শেষ করে দিচ্ছিল তার খেলা। তখন শাপোভালভের র‌্যাংকিং ছিল দেড়শোর কাছাকাছি। এখন কিন্তু সেই কানাডিয়ান ২৯ নম্বর। তবু সেরা ফর্মের রাফার কাছে তিনি যে নেহাতই লিলিপুট সেটা পরিষ্কার বোঝা গেল রোমের লাল মাটির কোর্টে। নাদাল এ দিন টানা ১৫ পয়েন্ট জিতলেন নিজের সার্ভে। এটা অবশ্য প্রথম সেটে। আর দ্বিতীয় সেটে জিতে নিলেন টানা চারটি গেম। স্বভাবতই ম্যাচের পরে রীতিমতো বিধ্বস্ত দেখিয়েছে শাপোলভকে। বলেছেন, ‘আপনার প্রতিপক্ষ এই রকম খেললে কিছুই করার থাকে না। রাফা বুঝিয়ে দিচ্ছে কেনও ক্লে কোর্টে ও-ই বিশ্বসেরা।’ নাদাল এখানে কোয়ার্টার ফাইনালে খেলবেন ইতালির ফাবিও ফগনিনির বিরুদ্ধে। ঘরের মাঠে নাদালের বিরুদ্ধে তার ভালো কিছু করার আদৌ কোনও সম্ভাবনা আছে কী? ফগনিনির জবাব, ‘মনে হচ্ছে রাফাকে হারানো এই মুহূর্তে অসম্ভব। তবু আমার তরফ থেকে চেষ্টায় ত্রুটি থাকবে না। জানি এখানকার সবাই রাফারই ভক্ত। তবু রোমের টেনিসপ্রেমীদের অনুরোধ করবো, অন্তত এই ম্যাচটার জন্য যেন আমার পাশে থেকে গলা ফাটায়।’ এ দিন নদালের খেলা দেখতেই স্টেডিয়ামে ছিলেন ফগনিনি। তখনই সাংবাদিকরা তাকে পেয়ে যান। ইতালীয় তারকা অবশ্য কোনও রকমে একটুখানি কথা বলেই স্টেডিয়াম থেকে বেরিয়ে যান। আর সাংবাদিকদের সামনে এসে নাদাল যেটা বললেন তা এখানে আসার পর থেকেই বলে যাচ্ছেন। অবশ্য রোমে এসে এই প্রথম মারিয়া শারাপোভার সঙ্গে প্র্যাক্টিসের অভিজ্ঞতা নিয়ে বললেন নাদাল, ‘আমার বেশ লেগেছে।’ রোমে বেশ ভালও খেলেছেন রুশ টেনিস সুন্দরী। বৃহস্পতিবার দারিয়া গাব্রিলোভার সঙ্গে তার খেলা ছিল। জিতলেন ৬-৩, ৬-৪ সেটে। উঠলেন কোয়ার্টার ফাইনালে। দারিয়া ট্যুরে ২০১৫ সাল পর্যন্ত খেলেছেন রাশিয়ার হয়ে। এখন অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক হলেও মারিয়ার খুবই পরিচিত। বন্ধুও। এ হেন স্বদেশি বন্ধু মারিয়ার সামনে কোনও প্রতিরোধই গড়তে পারলেন না।     তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার। একে// এসএইচ/

সানিয়া মির্জার পরিবারে বিচ্ছেদের ছায়া

সানিয়া মির্জার পরিবারে বিচ্ছেদের ছায়া। তবে বিচ্ছেদের পেছনে কী কারণ রয়েছে, তা এখনও জানা যায়নি। অনেকেই হয়তো ভাবছেন সানিয়া মির্জার এমন কি হলো যে বিচ্ছেদের কথা ভাবছেন। কিন্তু না, তার নিজের নয়, সানিয়ার বোন আনাম মির্জা নাকি সম্প্রতি বিচ্ছেদের মামলা দায়ের করেছেন। খুব শিগগিরই নাকি আনামের সঙ্গে তার স্বামী আকবর রসিদের বিচ্ছেদ হয়ে যেতে পারে। তবে কী কারণে আনামের সঙ্গে আকবর রসিদের বিচ্ছেদ হবে, সে বিষয়ে স্পষ্টভাবে কোনও উত্তর মেলেনি। ২০১৬ সালে আকবর রসিদের সঙ্গে বিয়ে হয় সানিয়া মির্জার বোন আনাম মির্জার। কিন্তু, বছর ঘুরতে না ঘুরতেই এবার মিলছে সম্পর্কে টানাপোড়েনের খবর। প্রসঙ্গত, সানিয়া মির্জার বোন আনাম মির্জার বিয়েতে হাজির হয়েছিলেন সালমান খান, পরিনিতি চোপড়া, অর্জুন কাপুর থেকে শুরু করে বলিউডের একাধিক সেলিব্রিটি। বলা যায়, আনাম মির্জার বিয়েতেও বসেছিল তারার মেলা। কিন্তু, সম্প্রতি আনাম এবং রসিদের বিয়ে নিয়ে সমস্যা শুরু হয়। এবং, তারপই আসে বিচ্ছেদের মামলা সংক্রান্ত খবর। সূত্র : জি নিউজ এসএ/  

ছন্দে ফিরেছেন নোভাক জোকোভিচ

ইতালিয়ান ওপেনে ছন্দে ফিরেছেন সাবেক ওয়ার্ল্ড নাম্বার ওয়ান নোভাক জোকোভিচ। পুরুষ এককের প্রথম রাউন্ডে আলেক্সজান্ডার ডোলগোপোলোভকে সরাসরি সেটে হারিয়ে ফের আলোচনায় উঠে এসেছে জোকোভিচ। সময়টা ভাল যাচ্ছিল না জোকোভিচের। গত বছর কোনো গ্র্যান্ডস্ল্যামের কোয়ার্টার ফাইনাল পেরোতেই পারেননি এই টেনিস তারকা। জয়ের ধারায় ফেরা ম্যাচের প্রথম সেটে ১৩ নম্বর বাছাই ইউক্রেইনের ডোলগোপোলোভকে সহজেই ৬-১ গেমে হারান জোকোভিচ। দ্বিতীয় সেটে কিছুটা প্রতিদ্বন্দ্বিতার চেষ্টা করেন ডোলগোপোলোভ। কিন্তু ৬-৩ গেমে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেন তিনি। আর পরবর্তী রাউন্ডে জায়গা করে নেন জোকোভিচ। একুশে টেলিভিশন/ এমজে

শীর্ষস্থান হারালেন নাদাল

জন ম্যাকেনরোর ৩৪ বছরের পুরনো রেকর্ড ভেঙে দেওয়ার পরের দিনই জোর ধাক্কা খেলেন রাফায়েল নাদাল। ম্যাকেনরোর রেকর্ড ভাঙার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই শুক্রবার মাদ্রিদ ওপেনের কোয়ার্টার ফাইনালে ডমিনিক থিমের কাছে সরাসরি ৭-৫, ৬-৩ গেমে হেরে গেলেন নাদাল। একই সঙ্গে খোয়ালেন র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষস্থান, যা ফের চলে গেলো তার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রজার ফেদেরারের দখলে। আগামীকাল সোমবার প্রকাশিত হতে যাওয়া পরবর্তী র‌্যাংকিংয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সিংহাসনে বসবেন ফেদেরার। তবে রোম মাস্টার্সে জিতলেই ফেদেরারকে হটিয়ে ফের শীর্ষে উঠে যাবেন নাদাল। ক্লে কোর্টে এক বছর আগে সর্বশেষ থিমের কাছেই হেরেছিলেন নাদাল। মাঝে ক্লে কোর্টে টানা ৫০ সেট জয়ের অবিশ্বাস্য কীর্তির পর সেই থিমের কাছেই স্বপ্নযাত্রা থামার পর নাদাল জানালেন, ‘ফোরহ্যান্ড বা ব্যাকহ্যান্ড, কোনো কিছুই ঠিকঠাক হয়নি। তাই হারতে হলো।’ ম্যাকেনরো এক সময় ক্লে কোর্টে টানা ৪৯টি সেট জেতার অনন্য নজির গড়েছিলেন। বৃহস্পতিবার মাদ্রিদ ওপেনের দ্বিতীয় রাউন্ডে জিতে নাদাল ক্লে কোর্টে টানা ৫০টি সেট জেতার নতুন নজির গড়েন। ১৯৮৪ সালে ক্লে কোর্টে টানা সাফল্যের সময় ম্যাকেনরো মাদ্রিদ ওপেনেও জিতেছিলেন। বৃহস্পতিবার খেলতে নামার আগে নাদাল বলেছিলেন অন্য কারণে ম্যাকেনরোর রেকর্ড ভাঙতে পারলে বেশি খুশি হবেন। কী কারণ? নাদাল বলেন, আসলে এই যে টানা এতদিন ধরে জিতছি তার মানে একটাই। আমার খেলা ঠিক আছে। ধারাবাহিকভাবে ভালো খেলে যাচ্ছি গত এক বছর ধরে। এটাই আমার কাছে সেরা প্রাপ্তি। এসএইচ/

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি