ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৬ আগস্ট, ২০১৮ ২৩:৫৫:৫৪

স্বাধীনতা দিবসে শুভেচ্ছা জানিয়ে ট্রোল সানিয়া

স্বাধীনতা দিবসে শুভেচ্ছা জানিয়ে ট্রোল সানিয়া

তিনি ভারতের বিখ্যাত টেনিস তারকা। তবে সংসার পেতেছেন পাকিস্তানের তারকা ক্রিকেটার শোয়েব মালিকের সঙ্গে। কিছুদিন পর ওই দুজনের ঘর আলো করে আসছে সন্তান। হ্যা সানিয়া মির্জার কথাই বলছি। এই সুদর্শনী আগেই বলেছিলেন, সন্তানের নাম নিজের নামের সঙ্গে মিলিয়ে রাখা হবে নাকি শোয়েবের নামের সঙ্গে মিলিয়ে রাখা হবে তা নিয়ে তার জোরালো কোনো অবস্থান নেই। শোয়েব চাইলে তার নামের সঙ্গে মিলিয়ে সন্তানের নাম রাখতে পারেন। সানিয়া-শোয়েব সব সময় রোমান্সে ঠাসা থাকলেও তাদের সমালোকচকা সর্বদা কান খাড়া করে রেখেছেন। পান থেকে চুন খসলেই এক হাত নিয়ে নিচ্ছেন। এবারও তাই হলো। পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবসে সেদেশের মানুষকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ট্রোল হলেন টেনিস সুন্দরী সানিয়া মির্জা। পাকিস্তান আর ভারতের স্বাধীনতা দিবসের মধ্যে তফাৎ মাত্র কয়েক ঘণ্টার। ১৪ই আগস্ট মঙ্গলবার সানিয়া মির্জা তাঁর টুইটারে পাকিস্তানের মানুষকে স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা জানান। এরপরই তার কমেন্ট বক্সে একজন লেখেন, ‘আপনার স্বাধীনতা দিবস আজ তাই না?’ সানিয়াও পাল্টা লেখেন, ‘আমার এবং আমার দেশের স্বাধীনতা দিবস আগামীকাল অর্থাৎ ১৫ই আগস্ট। আজ আমার স্বামী শোয়েব মালিক ও তাঁর দেশ পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবস। আশাকরি আপনি বুঝতে পেরেছেন।’ সানিয়া ওই ব্যক্তির উদ্দেশ্যে আরও লেখেন, ‘আপনার স্বাধীনতা দিবস কবে? আপনাকে একটু কনফিউসড দেখাচ্ছে। যদিও টুইটারে এই প্রথম নয়। এর আগেও সানিয়াকে বেশ কিছু অপ্রীতিকর মন্তব্যের মুখোমুখি হতে হয়েছে। কিন্তু প্রতিবারই তিনি অত্যন্ত ভদ্র ভাবে তাঁর জবাব দিয়েছেন। টেনিসের ময়দান হোক বা তাঁর পোশাক বা শোয়েবের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক সোশাল মিডিয়ায় বারবার আক্রান্ত হতে হয়েছে সানিয়াকে৷ এই মুহূর্তে সানিয়া ও শোয়েব তাঁদের প্রথম সন্তানের অপেক্ষায়। সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে তাঁর ভাবী সন্তানকে নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। সঞ্চালক জিজ্ঞেস করেন, ভবিষ্যতে সানিয়া নিজের সন্তানকে কোন খেলার ময়দানে দেখতে চান? উত্তরে সানিয়া যা বলেন তা একেবারে আউট অফ সিলেবাস। সানিয়ার জবাব ছিল, টেনিস বা ক্রিকেট নয়। তিনি তাঁর সন্তানকে ডাক্তার হিসেবে দেখতে চান। পাশাপাশি সানিয়া এও বলেন তিনি তাঁর সন্তানের জাতীয়তা নিয়ে এখনও কিছু ভাবেননি। তার জাতীয়তা ভারত বা পাকিস্তান ছাড়া অন্য কোন দেশও হতে পারে। এরপর যখন তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হয় তিনি ছেলে না মেয়ে চান? তিনি বলেন, এতে কিছু যায় আসে না। যদিও তাঁর স্বামীর বরাবরই ইচ্ছে কন্যাসন্তান। সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন। / এআর /
রজার্স চ্যাম্পিয়ন নাদাল

গতকাল রোববার ছিল গ্রিক টেনিস তারকা স্টেফানোস সিসিপাসের ২০তম জন্মদিন। জয় দিয়ে জন্মদিন উৎসবটা রাঙাতে চেয়েছিলেন তিনি। তবে গ্রিক রাজপুত্রের স্বপ্নটা অধরাই রয়ে গেল। তাকে ৬-২, ৭-৬ (৭/৪) সেটে হারিয়ে রজার্স কাপ জিতলেন রাফায়েল নাদাল। এ জয়ে ইউএস ওপেনের প্রস্তুতিটা দারুণ হল স্প্যানিশ কিংবদন্তির। র‌্যাংকিংয়েও থাকলেন প্রথম স্থানে। এ নিয়ে ক্যারিয়ারে চতুর্থ রজার্স কাপ জিতলেন নাদাল। সব মিলিয়ে ক্যারিয়ারে এটি তার ৮০তম এটিপি ট্যুর ট্রফি। যার মধ্যে এটিপি ওয়ার্ল্ড ট্যুর মাস্টার্স ১০০০ ট্রফি সংখ্যা গিয়ে দাঁড়াল ৩৩-এ। এর আগে ২০০৫, ২০০৮ ও ২০১৩ সালে রজার্স কাপ জিতেছিলেন তিনি। এবারের মতো ২০০৮ সালের শিরোপা এসেছিল টরন্টোর হার্ড কোর্ট থেকে। বাকি দুবার মন্ট্রিলে রজার্স চ্যাম্পিয়ন হন রাফা। এ নিয়ে চলতি মৌসুমে পাঁচটি ট্রফি জিতলেন নাদাল। একটি গ্র্যান্ডস্ল্যামসহ বাকি চারটি শিরোপা এসেছে তার পছন্দের ক্লে কোর্ট থেকে। এ বছর ফরাসি ওপেন, মন্টে কার্লো, বার্সেলোনা ও রোম মাস্টার্সে চ্যাম্পিয়ন হন ৩২ বছর বয়সী টেনিস সম্রাট। সূত্র : বিবিসি। / এআর /

দু’দেশকে এক করতে বিয়ে করিনি: সানিয়া মির্জা

সব বাধা টপকে দীর্ঘ প্রেমের পর বিয়ে করেছেন ভারতের টেনিস তারকা সানিয়া মির্জা ও পাক ক্রিকেটার শোয়েব মালিক। আর দু’মাস বাদেই তাদের ঘর আলো করে আসছে সন্তান। এই সেলিব্রেটি জুটিকে নিয়ে আগ্রহের শেষ নেই ভক্তদের। প্রেম-বিয়ে থেকে হানিমুন সব জায়গাতেই খবরের শিরোনাম হয়েছেন তারা। এবার অন্ত:স্বত্ত্বা সানিয়া মির্জা খবরের শিরোনাম হয়েছেন এক মন্তব্য করে। সম্প্রতি একটি ম্যাগাজিনের জন্য কভারশুট করেছেন সানিয়া মির্জা। সাক্ষাৎকারে অনেক কথাই হল। আর কথা প্রসঙ্গেই সানিয়া জানালেন, এই যে এত বলা হয় তাঁর আর শোয়েব মালিকের বিয়ে নিয়ে। বলা হয়, দুই দেশকে তাঁরা ঐক্যবদ্ধ করার জন্যই এক হয়েছেন। তা নয় একেবারেই। বিয়ের সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ তাঁদের ব্যক্তিগত। টেনিস তারকা সানিয়া মির্জার সঙ্গে শোয়েব মালিকের বিয়ে হয় হঠাৎ করেই। দুই তারকার অনুরাগীরা আঁচও করতে পারেনি যে এমনটা হতে চলেছে। কিন্তু বিয়ের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছিল দুই দেশই। এমনকী এমন কথাও উঠেছিল, সানিয়া ভারতের মেয়ে আর পাকিস্তানের বধূ। তাহলে কোন দেশের হয়ে খেলবেন তিনি? এ বিষয়ে নিজের মতামত স্পষ্ট করে জানিয়েও দিয়েছিলেন সানিয়া। তারপর থেকে সমস্যা তেমন একটা দেখা যায়নি। মোটামুটি ভালোভাবেই চলেছে দুই তারকার সম্পর্ক। তার ফলশ্রুতি, আজ সাতমাসের অন্ত:স্বত্ত্বা সানিয়া। সাক্ষাৎকারে সানিয়া জানিয়েছেন, অনেকের মনে তাঁকে আর শোয়েবকে নিয়ে একটা ভ্রান্ত ধারণা আছে। অনেকে মনে করেন, দুই দেশকে একত্রিত করার জন্য বিয়ে করেছেন তাঁরা। কিন্তু এটি একেবারেই ঠিক নয়। তাঁরা একে অপরের প্রেমে পড়েই বিয়ে করেছেন। এ প্রসঙ্গে সানিয়া জানিয়েছেন, তিনি যখন পাকিস্তানে থাকতেন বা শ্বশুরবাড়ি যেতেন, তখন দেশবাসীর থেকে অনেক ভালবাসা পেয়েছেন তিনি। গোটা পাকিস্তান তাঁকে ‘ভাবী’বলে সম্বোধন করে। আর এই ভালবাসা তিনি পান তাঁর স্বামী পাকিস্তান টিমের ক্যাপ্টেন বলেই। অকপট উত্তর সানিয়ার। সানিয়া এও বলেন, তাঁরা দু’জনেই দেশের জন্য খেলেন। তাই বিয়ের আগে একে অপরের কাছে পরিষ্কার করে দিয়েছিলেন, তাঁদের ক্যারিয়ার যেন কোনোভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। সেই প্রতিশ্রুতি তাঁরা রেখেছেন। সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন। / এআর /

মানুষ হিসেবে ঠিক কাজটিই করেছেন ওজ়িল: সানিয়া মির্জা

`বর্ণবৈষম্যে`র অভিযোগে তুলে রাগে-ক্ষোভে ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন জার্মানির তারকা ফুটবলার মেসুত ওজিল। তার অবসর নিয়ে ফুটবল বিশ্বে রীতিমতো তোলপাড় চলছে। তার অভিযোগ নিয়ে বিতর্ক চলছে। ঠিক এ সময়ে এই জার্মান তারকার পাশে দাঁড়ালেন ভারতীয় টেনিস তারকা সানিয়া মির্জা। মেসুত ওজ়িলের অবসরের ঘটনায় ব্যথিত সানিয়া মির্জ়া! সন্তানসম্ভবা হওয়ার পর থেকেই তিনি কোর্টের বাইরে। কিন্তু ক্রীড়া দুনিয়ার সমস্ত খবরই তাঁর কাছে রয়েছে। ওজ়িলের খোলা চিঠির একাংশ টুইটারে পোস্ট করে সানিয়া লিখেছেন, ‘এক জন খেলোয়াড়ের পক্ষে এই লেখা পড়া অত্যন্ত যন্ত্রণাদায়ক। মানুষ হিসেবে ঠিক কাজই করেছেন ওজ়িল। কোনো অবস্থাতেই বর্ণবিদ্বেষ মেনে নেওয়া যায় না। অভিযোগ যদি সত্যি হয়, তা খুবই দুঃখজনক।’’ একা সানিয়া নন, ওজ়িলের পাশে দাঁড়িয়েছেন রিয়ো ফার্ডিনান্ড, জেহোম বোয়াটেং, হেক্তর বেলেরিনের মতো তারকারাও। ইংল্যান্ড জাতীয় দল ও ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের প্রাক্তন তারকা টুইটারে লিখেছেন, ‘তোমায় শ্রদ্ধা জানাচ্ছি।’ ওজ়িলের সঙ্গে ছবি পোস্ট করে বোয়াটেং লিখেছেন, একসঙ্গে ২০০৯ সালে অনূর্ধ্ব-২১ ইউরো কাপ জিতেছি। ২০১৪ সালে বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছি। তোমার সঙ্গ সব সময়ই উপভোগ করেছি।  আর্সেনালে ওজ়িলের প্রাক্তন সতীর্থ ও স্পেন জাতীয় দলের ডিফেন্ডার হেক্টরের প্রতিক্রিয়া, ‘‘অবিশ্বাস্য! মাঠের মধ্যে দেশের জন্য যে নিজেকে উজাড় করে দিয়েছে, মাঠের বাইরে তাকে এ ভাবে অপমান করা হবে? সাবাশ ওজ়িল, এই ধরনের ব্যবহারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে গর্জে ওঠার জন্য।’ ওজিলের অভিযোগ, জার্মান ফুটবল ফেডারেশনের কর্তারা হেরে গেলেই তাঁকে অভিবাসী বলে কটাক্ষ করেন। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানের পাশে দাঁড়িয়ে ছবি তোলার পর ওজিলের ওপর জার্মানিতে আক্রমণ নেমে আসে। যা নিয়ে ওজিল ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, ``আমি জিতে গেলে জার্মান, আর হেরে গেলেই অভিবাসী। এমন শুনতে শুনতে ক্লান্ত। কীভাবে রাশিয়া বিশ্বকাপে হারের জন্য তুরস্কের প্রেসিডেন্টে সঙ্গে আমার দেখা করার প্রসঙ্গ জুড়ে দেওয়া হয় তা জানি না।` ওজিল বলেন, খারাপ পারফর্ম করলে যেকোনো ফুটবলারকে সমালোচনা শুনেছি। আর্সেনালের হয়ে খেলার সময় তিনি এমন সমালোচনা অনেকবার শুনেছেন, কিন্তু কেউ যদি তাঁর ঐতিহ্য, আমার শিকড়কে নিয়ে কটাক্ষ করে সেটা আমি সহ্য করব না।`` বুন্দেশ লিগা, লা লিগা ও প্রিমিয়ার লিগ-বিশ্বের কঠিন তিনটি লিগে খেলা ওজিল তাঁর দেশের সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধেও তোপ দেগেছেন। ওজিল বললেন, রাশিয়ায় জার্মানির বিদায়ের পর থেকেই আমার সঙ্গে তুরস্কের প্রেসিডেন্টের দেখা হওয়া নিয়ে খবর বেশি করে ছাপা হতে থাকে। আসলে পরিকল্পিতভাবে এটা প্রমাণের চেষ্টা চলছিল যে আমি একজন জার্মানের মত খেলিনি। অথচ ২০১৪ বিশ্বকাপে জয়ের পর এরাই আমায় দেশের হিরো বলে মাথায় তুলে নেচেছিল। শুধু দেশের ফুটবল ফেডারেশন, সংবাদমাধ্যম নয় স্পন্সরদেরও এক হাত নেন ওজিল। বিশ্বকাপ জয়ী এই তারকা ফুটবলারের অভিযোগ, `তাঁকে ইচ্ছাকৃতভাবে বেশ কিছু প্রমোশনাল ইভেন্টে বাদ দেওয়া হয়।``তবে জার্মানির হয়ে না খেললেও আন্তর্জাতিক ফুটবলে ২৯ বছরের ওজিল খেলতে চান বলে ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন বলে ইংল্যান্ডের সংবাদমাধ্যমে খবর। ২০০৯ সালে দেশের জার্সিতে অভিষেক হয় ওজিলের। জার্মানির হয়ে খেলেন মোট ৯২টি ম্যাচ। ২৩টি গোলও তিনি করেছেন। / এআর /

আবারও বিয়ে হিঙ্গিসের!

মার্টিনা হিঙ্গিসের জীবনে প্রেম এসেছে বারবার। এই সাবেক সুইস টেনিস তারকার খেলোয়াড়ি জীবন যেমন বর্ণময় ছিল, তেমনি তার প্রণয়-ভাগ্যও ঈর্ষণীয়। আজ থেকে প্রায় ১৮ বছর আগে ডেট করতেন সুইডিশ গলফ তারকা ম্যাগনাস নরম্যানের সঙ্গে। এরপর নিজেকে জড়ান আরেক গলফার স্পেনের সের্গিও গার্সিয়ার সঙ্গে। কিন্তু এখানেই থেমে থাকেননি হিঙ্গিস। চেক খেলোয়াড় রাদেক স্তেপানেকের সঙ্গে ডেট করেন বছরকয়েক। অতঃপর প্রেম টেনিস তারকা ইভো হুগেনবার্গ এবং গুলিয়ান আলন্সোর সঙ্গে। ভাবছেন এখানেই শেষ? না! ২৪ বছরের ফরাসি ইকুয়েস্ট্রিয়ান তারকা থিবাউ হুতিনকে হিঙ্গিস বিয়ে করেন ২০০০ সালে। ১৩ বছর টিকেছিল সেই সংসার। এরপর চার বছর কোনো খবর নেই টেনিস সুন্দরীর। গেল বছর আবারও সংবাদের শিরোনামে হিঙ্গিস। স্পেনের স্পোর্টস ম্যানেজার দাবিদ তোসাস রোসের সঙ্গে তার প্রেমের খবর চাউর হয়। সেই প্রেমেও ভাটা পড়ে একসময়। নতুন খবর, এক বছরের প্রেমের পর অবশেষে হ্যারাল্ড লেমানকে বিয়ে করেছেন সাবেক সুইস টেনিস সুন্দরী। গত শনিবার সুইজারল্যান্ডে নিজের ব্যক্তিগত এ ডাক্তারকে বিয়ে করেন তিনি। অবশ্য এমন তারকার বিয়েতে মোটেও আগন্তুকের ছড়াছড়ি ছিল না। আগন্তুকের পরিবর্তে অত্যন্ত গোপনীয়ভাবে তিনি বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন। আর এ নিয়ে এখন পর্যন্ত তিনি দুবার বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন। সেটা ঠিক আছে। প্রশ্ন হল, এরপর কী? একে//

সানিয়ার নতুন জার্নি…

ভারতের সর্বকালের সেরা নারী টেনিস তারকা সানিয়া মির্জা। চুটিয়ে প্রেম করে ঘর বেধেছেন পাকিস্তানের ক্রিকেট তারকা শোয়েব মালিকের সঙ্গে। বর্তমানে তিনি অন্ত:সত্ত্বা। টেনিস থেকে ‘মেটারনিটি লিভ’চলছে তাঁর এখন। প্রত্যাশা মতো সন্তান পেটে আসায় খুশি সানিয়া। স্বামী শোয়েব মালিক এই সময়ে তাকে পূর্ণ সাপোর্ট দেওয়ায় তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে ভুল করেন নি এ সুদর্শনী। জনপ্রিয় বিদেশি দৈনিকে শনিবার এক সাক্ষাৎকারে ভারতের সর্বকালের সেরা নারী টেনিস তারকা বলেছেন, টেনিসই তাকে সব দিয়েছে। নাম, যশ, খ্যাতি সব। সাক্ষাৎকারে সানিয়া বলেন, …ছোটবেলা থেকে খেলাধুলো করেই কাটিয়েছি এতগুলো বছর। তাই অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় বলতে গেলে আমি আশ্চর্যজনক ভাবেই বেশ সুস্থ আছি। শারীরিকভাবে ভালো বোধ করছি। একজন নারী হিসেবে আমার কাছে এটা স্বপ্নের অন্তঃসত্ত্বা অবস্থা চলছে। আমার টেনিস প্লেয়ার সত্ত্বাকে বাইরে রেখেও বলা যায়, এটা জীবনের একটা নতুন শুরু। নতুন জার্নি। আমার প্রিয় চকোলেট খাওয়া একদম ছেড়ে দিয়েছি। ভালোই হল। মা হওয়ার পরেও অভ্যেসটা থেকে যাবে। নইলে চকোলেট আমার বড্ড ওজন বাড়িয়ে দেয়। যেটা খেলোয়াড়জীবনের জন্য ভাল নয় মোটেও। তবে আসল হল মশলাদার, চটপটা খাবারদাবার খাওয়া বন্ধ হয়ে গেছে আমার এখন। অতিপ্রিয় ভেলপুরি যে কত দিন হল খাইনি! তারপর মাংস। রেড মিট খাওয়া একদম বন্ধ। এই অভ্যেসটাও মা হওয়ার পর কোর্টে ফিরে বদলাব না আর। ওজনটা আমায় কম রাখতেই হবে এরপর। সূত্র : ওয়ান ইন্ডিয়া। / এআর /

শোয়েব মালিককে নিয়ে যা বললেন সানিয়া মির্জা

ভারতের সর্বকালের সেরা নারী টেনিস তারকা সানিয়া মির্জা। চুটিয়ে প্রেম করে ঘর বেধেছেন পাকিস্তানের ক্রিকেট তারকা শোয়েব মালিকের সঙ্গে। বর্তমানে তিনি অন্ত:সত্ত্বা। টেনিস থেকে ‘মেটারনিটি লিভ’চলছে তাঁর এখন। প্রত্যাশা মতো সন্তান পেটে আসায় খুশি সানিয়া। স্বামী শোয়েব মালিক এই সময়ে তাকে পূর্ণ সাপোর্ট দেওয়ায় তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে ভুল করেন নি এ সুদর্শনী। জনপ্রিয় বিদেশি দৈনিকে শনিবার এক সাক্ষাৎকারে ভারতের সর্বকালের সেরা নারী টেনিস তারকা বলেছেন, চা আর ডিমসেদ্ধ ছাড়া তিনি কিছুই করতে পারেন না। স্বামী শোয়েব তাকে পূর্ণ সাপোর্ট দিচ্ছে। সাক্ষাৎকারে সানিয়া বলেন- আমি বহু মেয়ে বা মায়ের মতো রান্নাবান্না করতে জানি না। একমাত্র চা আর ডিমসেদ্ধ ছাড়া কোনো খাবার বানাতে জানি না। কিন্তু আমারও সংসার করার, মা হওয়ার ইচ্ছে আর পাঁচটা সাধারণ মেয়ের মতোই ছিল। আজ সেটা বাস্তব। এটাই আমার জয়। (আমার স্বামী) শোয়েব (মালিক) এ ব্যাপারে আমাকে সব রকম সাহায্য করেছে। ও নিজে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। নিজে পেশাদার প্লেয়ার বলে আমার ব্যাপারটা আরও ভাল বোঝে। আমরা দুজনই যখন চেয়েছি, ঠিক তখনই আমাদের সন্তান পৃথিবীর প্রথম আলো দেখতে চলেছে। এ জন্য আমি গর্বিত। সূত্র : ওয়ান ইন্ডিয়া। / এআর /

সন্তানকে ব্রেস্টফিড করাবো: সানিয়া মির্জা

ভারতের সর্বকালের সেরা নারী টেনিস তারকা সানিয়া মির্জা। চুটিয়ে প্রেম করে ঘর বেধেছেন পাক ক্রিকেটার শোয়েব মালিকের সঙ্গে। বর্তমানে তিনি অন্ত:সত্ত্বা। টেনিস থেকে ‘মেটারনিটি লিভ’চলছে তাঁর এখন। প্রত্যাশা মতো সন্তান পেটে আসায় খুশি সানিয়া। স্বামী শোয়েব মালিক এই সময়ে তাকে পুর্ণ সাপোর্ট দেওয়ায় তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে ভুল করেন নি এ সদর্শনী। জনপ্রিয় বিদেশি দৈনিকে শনিবার এক সাক্ষাৎকারে ভারতের সর্বকালের সেরা নারী টেনিস তারকা বলেছেন, সন্তান জন্মের পর নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত তাকে বুকের দুধ খাওয়াবেন। সন্তানের স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করেই এমনটি করাবেন। সাক্ষাৎকারে সানিয়া বলেন- হ্যাঁ, আমি আমার বাচ্চাকে ‘ব্রেস্টফিড’করাব। এটা আমি কোনো চাপের সামনে করব না। ‘ব্রেস্টফিডিং’ একটা সময় পর্যন্ত বাচ্চার স্বাস্থ্যের পক্ষে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় বলেই এটা করাব। তাছাড়া এর সঙ্গে আমার খেলার কোনো সম্পর্ক নেই। সানিয়া বলেন, আমি চাই আমার নর্ম্যাল ডেলিভারি হোক। তবে এ ব্যাপারে শেষ কথা ডাক্তাররাই বলবেন। তাঁদের প্রতি আমার পূর্ণ আস্থা আছে। বেবি ছেলে হোক বা মেয়ে, তার নাগরিকত্ব নিয়ে আমার কোনো পছন্দের ব্যাপার নেই। বাবার পাকিস্তানি নাগরিকত্ব কিংবা মায়ের ভারতীয় নাগরিকত্ব যেটা বাচ্চার হবে তাতেই আমি খুশি। আমার বাচ্চা ভালো, বড় মানুষ হয়ে উঠুক এটাই চাইব…। সূত্র : ওয়ান ইন্ডিয়া। / এআর /

ফুটবলের ট্রায়াল দিচ্ছেন বোল্ট

আটবারের অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন উসাইন বোল্ট আবারও আলোচনায় চলে এসেছেন। তবে এবারের আলোচনায় কোনো অ্যাথলেট হিসেবে নয়, বরং একজন নবাগত ফুটবলার হিসেবে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। অস্ট্রেলিয়াতে ফুটবল খেলার ট্রায়াল দিচ্ছেন বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুততম এ মানব। জ্যমাইকার সাবেক এই স্প্রিন্টার বর্তমানে ছয়সপ্তাহের জন্য দেশটির এ লিগ সেন্ট্রাল কোস্ট ম্যারাইনারসের সঙ্গে সমঝোতা করছেন। ক্লাবটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যদি সবকিছু ঠিকঠাকভাবে এগোয় তাহলে খুব শিগগিরই এক ‘সিজনের’ জন্য ক্লাবটির সঙ্গে চুক্তি করবেন তিনি। উসাইন বোল্ট এর আগে জার্মানি, নরওয়ে ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিভিন্ন ক্লাবে খেলেছেন। গত বছরই তিনি অ্যাথলেটিক্স থেকে বিদায় নেন। তবে অস্ট্রেলিয়ার ক্লাব ম্যারাইনারের হয়ে চুক্তি করতে গেলেও উসাইন বোল্টের প্রিয় ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। সূত্র: বিবিসিএমজে/

চতুর্থবার উইম্বলডন চ্যাম্পিয়ান হলেন জকোভিচ

উইম্বলডনে ম্যারাথন লড়াইয়ের শেষে শেষ হাসিটা হাসলেন জোকারই! দক্ষিণ আফ্রিকার কেভিন অ্যান্ডারসনকে ৬-২, ৬-২, ৬-৭ সেটে হারিয়ে চতুর্থবার উইম্বলডন চ্যাম্পিয়ান হলেন জকোভিচ। নিজের চতুর্থ উইম্বলডনসহ মোট ১৩টি গ্র্যান্ডস্লাম জিতলেন তিনি। ২০১৬-র পর দীর্ঘ দু’বছর চোটের জন্য কোর্টের থেকে এক রকম দূরেই ছিলেন জকোভিচ। চোট সারিয়ে ফিরে এসে এই গ্র্যান্ডস্লামের ফাইনালে উঠেছিলেন তিনি। ফাইনালে পৌঁছানোর লড়াইটাও মোটেই সহজ ছিল না! উইম্বলডনের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিলেন নাদাল-জকোভিচ। এই হাই ভোল্টেজ ম্যাচে বিশ্বের এক নম্বরে থাকা নাদালকে ৫ ঘণ্টা ১৫ মিনিটের দীর্ঘ লড়াইয়ে পরাস্ত করেন জোকার। রোবারের ফাইনালে জকোভিচের দুর্দান্ত সার্ভ আর ভলির সামনে প্রথম দুই সেটে দাঁড়াতেই পারেননি অ্যান্ডারসন। তৃতীয় সেটে লড়াইয়ে ফেরার আপ্রাণ চেষ্টা করেও শেষ রক্ষা করতে ব্যর্থ হন অ্যান্ডারসন। জোকারের প্রত্যাবর্তনে খুশি তার অসংখ্য ভক্ত। আবেগাপ্লুত জকোভিচ নিজেও। সূত্র: জিনিউজ একে//

নাদালকে হারিয়ে ফাইনালে জকোভিচ

উইম্বলডনে আরও একটা ম্যারাথন লড়াই। পরপর দুটো সেমিফাইনাল ম্যাচে হল দীর্ঘতম খেলার নজির। শুক্রবার প্রথম সেমিফাইনালে কেভিন অ্যান্ডারসন- জন এসনারের মধ্যে পাঁচ সেটের ম্যাচ গড়ায় ৬ ঘণ্টা ৩৬ মিনিটে। যা উইম্বলডনে ইতিহাসে দীর্ঘতম সেমিফাইনাল ম্যাচ। আর গতকাল শনিবার নাদাল-জকোভিচ ম্যাচটা হল উইম্বলডনের ইতিহাসে দ্বিতীয় দীর্ঘতম সেমিফাইনাল ম্যাচ। যে কারণে অ্যান্ডারসন ৭-৬,৬-৭, ৬-৭, ৬-৪, ২৬-২৪ জেতার পর দ্বিতীয় সেমিফাইনালে নাদাল বনাম জকোভিচের হাইপ্রোফাইল ম্যাচ শুরু হতে অনেকটা দেরি হয়। বিশ্বের এক নম্বর খেলোয়াড় নাদালের বিরুদ্ধে জকোভিচ এগিয়ে ছিলেন ৬-৪, ৩-৬, ৭-৬। গতকাল শনিবার নাদাল-জকোভিচের বাকি ম্যাচটা দিনের শুরুতেই সেন্টার কোর্টে  হয়। চতুর্থ সেটে নাদাল ৬-৩ জিতে নিয়ে ম্যাচ ২-২ করে দেন। এরপর নির্ধারক পঞ্চম সেট গড়ায় ১৮টা গেম। শেষ পর্যন্ত জকোভিচ জেতেন ১০-৮। দু দিন ধরে চলা এই সেমিফাইনাল ম্যাচ গড়াল ৫ ঘণ্টা ১৫ মিনিট।  নাদালের ছোট্ট ভুলটা কাজে লাগিয়ে ম্যারাথন ম্যাচে শেষ হাসিটা হাসলেন জোকারই। ২০১৬ -র পর দীর্ঘ দু বছর পর চোট থেকে কামব্যাক করে গ্র্যান্ডস্লামের ফাইনালে উঠলেন জকোভিচ। তার চতুর্থ উইম্বলডন তথা ১৩টা গ্র্যান্ডস্লাম জিততে হলে জোকারকে এবার হারাতে হবে দক্ষিণ আফ্রিকার কেভিন অ্যান্ডারসনকে। যে অ্যান্ডারসন দীর্ঘতম সেমিফাইনাল জয়ের পাশাপাশি ফেডেরারকে কোয়ার্টার ফাইনালে হারিয়েছিলেন। পরপর দুটো রাউন্ডে প্রায় ১২ ঘণ্টার কাছাকাছি ম্যাচ খেলে আজ রোববার ফাইনালের মুখোমুখি জকোভিচ-অ্যান্ডারসন।  ২০১১, ২০১৪, ২০১৫ উইম্বলডনে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন জকোভিচ। সেই জন এসনার। সেই উইম্বলডন। আরও একটা দীর্ঘতম ম্যাচ। তবে এবার সেমিফাইনালে। ২০১০ উইম্বলডনে প্রথম রাউন্ডের ম্যাচে ১১ ঘণ্টার ম্যাচে আমেরিকার জন এসনার জিতেছিলেন ৬-৪, ৩-৬, ৬-৭, ৭-৬, ৭০-৬৮ ফরাসি নিকোলাস মাহুতের বিরুদ্ধে। সেই রকমই একটা দীর্ঘ ম্যাচ খেলে এবার হেরে গেলেন এসনার। শুক্রবার উইম্বলডনে পুরুষদের সিঙ্গলসে দক্ষিণ আফ্রিকার কেভিন অ্যান্ডারসন আর জন এসনার-এর মধ্যে ম্যাচ গড়াল ৬ ঘণ্টা ৩৬ মিনিটের। যা উইম্বলডনের ইতিহাসে দীর্ঘতম সেমিফাইনাল ম্যাচের নজির। পাশাপাশি উইম্বলডনের ইতিহাসে দ্বিতীয় দীর্ঘ ম্যাচ। তার মানে উইম্বলডনের দুটি দীর্ঘ ম্যাচেই জড়িয়ে থাকল এসনারের নাম। শেষ পর্যন্ত উইম্বলডনের দীর্ঘতম সেমিফাইনালে শেষ হাসিটা হাসলেন শেষ আটে রজার ফেডেরারকে হারানো অ্যান্ডারসন। ছোটবেলায় এবি ডেভিলিয়ার্সের কাছে টেনিসে হারা অ্যান্ডারসন জিতলেন ৭-৬, ৬-৭, ৬-৭, ৬-৪, ২৬-২৪। আর আট বছর আগে যিনি দীর্ঘতম ম্যাচ খেলে জিতেছিলেন, সেই ৬ ফুট ১০ ইঞ্চি উচ্চতার এসনার হেরে গেলেন। সেমিফাইনালে শেষ সেটটা চলল ২ ঘণ্টা ৫৫ মিনিট। একটা সময় মনে হচ্ছিল ম্যাচটা শুক্রবার শেষ হবে না। কিন্তু এসনারের ছোট্ট ভুলটা কাজে লাগিয়ে বাজিমাত করেন অ্যান্ডারসন। উইম্বলডনের নিয়ম হল, শেষ সেটে টাইব্রেকার হবে না। যতক্ষণ কেউ কারও সার্ভ না ব্রেক করবে, ফলাফল না পাওয়া পর্যন্ত চলবে ম্যাচ। আর তাতেই এই হাল। কোয়ার্টারে রজার ফেডেরারে বিরুদ্ধে ম্যারাথন ম্যাচে জেতার পর সেমিতে দীর্ঘতম ম্যাচ জিতে ফাইনালে ওঠা অ্যান্ডারসনের ফিটনেস দেখে সবাই অবাক। কারণ ফেডেরারের বিরুদ্ধে অ্যান্ডারসনের ৫ সেটের দীর্ঘ লড়াইটা গড়িয়েছিল ৪ ঘণ্টা ১৪ মিনিটে। ফেডেরারের বিরুদ্ধে শেষ সেটে অ্যান্ডারসন জেতেন ১৩-১১। সেমিতেও একেবারে ক্লোজ ম্যাচে জিতে ৩৩ বছর পর উইম্বলডনের ফাইনালে খেলবেন দক্ষিণ আফ্রিকার কোনও খেলোয়াড়। সূত্র: এনডিটিভি একে//

ইসনারকে হারিয়ে ফাইনালে অ্যান্ডারসন

যেখানে অন্যসব ম্যাচে শেষ হতে সময় লাগে ২ থেকে ৩ ঘন্টা। সেখানে এই ম্যাচটি শেষ হতে কি না সময় লেগেছে ৬ ঘন্টা ৩৬ মিনিট, যা টেনিসের ইতিহাসে দ্বিতীয় দীর্ঘতম সময়ব্যাপী অনুষ্ঠিত কোনো ম্যাচ। যুক্তরাষ্ট্রের জন ইসনারকে এই দীর্ঘ সময়ে পাঁচ সেটের লড়াইয়ে হারিয়ে অবশেষে ফাইনালে পৌঁছে ইতিহাস গড়লেন দক্ষিণ আফ্রিকার কেভিন অ্যান্ডারসন। ৭-৬, ৬-৭, ৬-৭, ৬-৪ ও ২৬-২৪ ব্যবধানে ইসনারকে হারিয়ে ফাইনালে গেলেন অ্যান্ডারসন। প্রথম সেট টাইব্রেকারে জেতার পরের দুটি সেট তিনি হেরে যান। তারপরে চতুর্থ সেটে ফের জয়লাভ করেন। পঞ্চম সেটে ৪৯ নম্বর গেম জেতার পরে ৫০ নম্বর গেম জিতে ম্যাচ পকেটে পুরে নেন দক্ষিণ আফ্রিকান এ তারকা। অ্যান্ডারসনের এর আগে এত দীর্ঘ ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা না থাকলেও ইসনার উইম্বলডন তো বটেই টেনিস ইতিহাসের সবচেয়ে দীর্ঘতম ম্যাচ খেলেছেন। ২০১০ সালে সেই ম্যাচটি তিনি খেলেছিলেন নিকোলাস মাহুতের বিরুদ্ধে। উইম্বলডনের প্রথম রাউন্ডের ম্যাচ ছিল সেটি। মাহুতকে ৬-৪, ৩-৬, ৬-৭, ৭-৬ ও ৭০-৬৮ সেটে হারিয়ে ইসনার জিতেছিলেন। ম্যারাথন ম্যাচের অভিজ্ঞতা থাকলেও এদিন অ্যান্ডারসনের কাছে দাঁড়াতে পারেননি তিনি। কোয়ার্টার ফাইনালে রজার ফেদেরারকে হারিয়ে অ্যান্ডারসন সেমিফাইনালে ওঠেন। এমজে/

শেষ চারে নাদালের বিপক্ষে খেলবে জোকার

এক নম্বর কোর্টে নাটকীয় লড়াইয়ে কেভিন অ্যান্ডারসনের কাছে যখন হার মানলেন রজার ফেডেরার, তখন সেন্টার কোর্টে দেল পোত্রোর বিরুদ্ধে রাফায়েল নাদালের কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচ শুরু হয়ে গেছে৷ সেস্টার কোর্টে সময় যত গড়িয়েছে, নবম দিনে জোড়া অঘটনের আশঙ্কা জাঁকিয়ে বসেছে উইম্বলডনে৷ গ্যালারিতে আতঙ্ক ছড়ালেও শেষমেশ দেল পোত্রোর বিরুদ্ধে কষ্টার্জিত জয়ে সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেন দ্বিতীয় বাছাই রাফা৷ পাঁচ সেটের ম্যারাথন কোয়ার্টার ফাইনালে ৭-৫, ৬-৭ (৭/৯), ৪-৬, ৬-৪, ৬-৪ ব্যবধানে জয় তুলে নেন স্প্যানিশ তারকা৷ অপর কোয়ার্টার ফাইনালে ২৪ তম বাছাই কেই নিশিকোরির কাছে একটি সেট খোয়াতে হলেও শেষমেশ ম্যাচ জিততে বিশেষ অসুবিধা হয়নি দ্বাদশ বাছাই নোভাক জকোভিচের৷ ৬-৩, ৩-৬, ৬-২, ৬-২ সেটে ম্যাচ জিতে শেষ চারে জায়গা করে নেন জোকার৷ সেমিফাইনালে অবশ্য তার সামনে কঠিন লড়াই অপেক্ষা করে রয়েছে৷ তাকে লড়াইয়ে নামতে হবে টুর্নামেন্টের হট ফেভারিট রাফায়েল নাদালের বিরুদ্ধে৷ অন্যদিকে ফেডেরারকে ছিটকে দেওয়া কেভিন অ্যান্ডারসন প্রথমবার উইম্বলডনের সেমিফাইনাল খেলতে নামবেন নবম বাছাই জন ইসনারের বিরুদ্ধে৷ শেষ কোয়ার্টার ফাইনালে ইসনার ৬-৭ (৫/৭), ৭-৬, (৯/৭), ৬-৪, ৬-৩ সেটে পরাজিত করেছেন ত্রয়োদশ বাছাই কানাডিয়ান তারকা মিলোস রাওনিচকে৷ সূত্র: কলকাতা ২৪x৭ একে//

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি