ঢাকা, বুধবার, ২৫ এপ্রিল, ২০১৮ ১৪:৫১:৩৫

‘নিয়তি’ নিয়ে জাজের প্রতিবাদ  

‘নিয়তি’ নিয়ে জাজের প্রতিবাদ  

২০১৬ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের জন্য শ্রেষ্ঠ নৃত্য পরিচালক বিভাগে এবার নির্বাচিত হয়েছেন ‌‘নিয়তি’ ছবির জন্য হাবিব। নাম ঘোষণার পর এ নিয়ে শুরু হয় বিতর্ক। হাবিব দাবি করেন তিনি এই চলচ্চিত্রে কাজ করেননি। তাহলে কেন তাকে এ পুরস্কার দেওয়া হলো? চলচ্চিত্রের অনেকে ছবিটির প্রযোজনায় জাজ মাল্টিমিডিয়া বলে দাবি করেন। এ জন্য তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি তোলেন।     এমন পরিস্থিতিতে জাজ মাল্টি মিডিয়া দাবি করেন তারা চলচ্চিত্রটির প্রযোজনায় ছিলেন না। তারা মাত্র এর পরিবেশনার দায়িত্ব পালন করেছেন। ‘নিয়তি’ প্রযোজনা করেছে এ, এইচ, খান এন্টারটেইনমেন্ট। জাজ মাল্টিমিডিয়া থেকে প্রেরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তারা এসব বিষয় তুলে ধরে এর প্রতিবাদ জানান। জাজের সিইও আলিম উল্লাহ স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ‘সকলের অবগতির জন্য জানাতে চাই, জাজ মাল্টিমিডিয়া একটি স্বনামধন্য চলচ্চিত্র প্রযোজনা, পরিবেশক প্রতিষ্ঠান। সম্প্রতি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও নৃত্য পরিচালক হাবিবকে কেন্দ্র করে কোনো কোনো মহল উদ্দেশ্য মূলকভাবে জাজ মাল্টিমিডিয়ার সুনাম ক্ষুন্ন করার লক্ষে মিথ্যাচার করছে। ‘নিয়তি’ চলচ্চিত্রটির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান এ, এইচ, খান এন্টারটেইনমেন্ট যাহার স্বত্তাধিকারী জনাব আনিসুর রহমান। উল্লেখ করতে চাই জাজ মাল্টিমিডিয়া নিয়তি চলচ্চিত্রটির পরিবেশক মাত্র। নিয়ম অনুযায়ী জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এর জন্য প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান আবেদন করে। তাই এই চলচ্চিত্রের তথ্যগত কোনো ভুলের দায় জাজ মাল্টিমিডিয়ার উপর বর্তায় না।’ সেখানে সিইও আরও বলেন, ‘আমরা এই মিথ্যাচারের প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সেই সাথে সংশ্লিষ্ট মহলকে জাজ মাল্টিমিডিয়াকে জড়িয়ে সকল ধরণের মিথ্যাচার থেকে বিরত থাকার জন্য আহব্বান জানাচ্ছি, অন্যথায় জাজ মাল্টিমিডিয়া আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বাধ্য হবে।’   এসি    
শাকিব নয় জিতের পাশে নুসরাত ফারিয়া

দুই বাংলায় দুইজনই খুব জনপ্রিয়। ওপার বাংলায় জিৎ আর এপার বাংলায় শাকিব খান। এই দুই জনের মধ্যে প্রিয় কে? এমন প্রশ্ন অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়ার কাছে রাখলে তিনি জিতকেই এগিয়ে রাখলেন। তাকে বলা হয়েছিল ঢাকাই চিত্রনায়ক শাকিব খান নাকি জিৎ, কে আপনার প্রিয়? উত্তর দিতে সময় নেননি নুসরাত ফারিয়া। তিনি বললেন, অবশ্যই জিৎ আমার প্রিয়। আমি তার সাথে কাজ করেছি, তাকে জানি। শাকিবের সাথে আমার কাজ করা হয়নি- স্বাভাবিকভাবেই আমাকে তার সম্পর্কে প্রশ্ন করলে তো আমি কিছুই বলতে পারবো না।    নুসরাত ফারিয়া বলেন, শাকিব ভাইয়ের সাথে আমার তেমন কোনো যোগাযোগ নেই। তার সাথে কোনো কাজও হয়নি। একবার জাজ মাল্টিমিডিয়ার প্রোগ্রামে তার সাথে দেখা হয়েছিল। সেখানে আমাকে শাকিব ভাই জিজ্ঞেস করেছিল কাজ কেমন চলছে- সব ঠিক ঠাক কি না! আমি উত্তর দিয়েছিলাম। ওই একবারই। এরপরে আর দেখা হয়নি।   শাকিবের সাথে কাজ করবেন কি না? এই প্রশ্নের জবাবে নুসরাত ফারিয়া বলেন, সুযোগ তৈরি হলে অবশ্যই কাজ করবো। সে সুযোগ এখনও তৈরি হয়নি। যদি হয় তাহলে করবো। সম্প্রতি একটি শোয়ে এসে নুসরাত ফারিয়া এসব কথা বলেন। এসি  

অপুর সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই: বাপ্পী

কাজ নিয়েই বেশ ব্যস্ত রয়েছেন চিত্রনায়ক বাপ্পী চৌধুরী। সম্প্রতি তার ‘পলকে পলকে তোমাকে চাই’ ছবিটি মুক্তি পেয়েছে। এই ছবিতে বাপ্পীর বিপরীতে ছিলেন মাহিয়া মাহি। এবার তিনি শুরু করতে যাচ্ছেন নতুন আরও দুটি ছবির কাজ। ‘জানবাজ’ ও ‘শ্বশুরবাড়ী জিন্দাবাদ টু’ এই দুই ছবিতে বাপ্পীর সঙ্গে জুটি বেঁধে অভিনয় করবেন চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। অপুর সঙ্গে বাপ্পীকে জড়িয়ে বিভিন্ন ধরণের কথা ওঠেছিল কিছু দিন আগে। এখন তারা একসঙ্গে জুটি বেঁধে কাজ শুরু করতে যাচ্ছেন।       এ সম্পর্কে বাপ্পী বলেন, ‘অপু বিশ্বাস আমার চেয়ে অনেক সিনিয়র। তিনি আমার বড় বোনের মতো। তার সঙ্গে কোনো ধরণের খারাপ সম্পর্ক নেই। অপু বিশ্বাস অসংখ্যা হিট ছবিতে কাজ করেছেন। আমার চেয়ে তার অভিজ্ঞতা অনেক বেশি। এবার আমরা জুটি বেঁধে অভিনয় করতে যাচ্ছি। আশা করি কাজটি অনেক ভালো হবে। বাপ্পী চৌধুরী বলেন, “আমরা দুটি ছবিতে কাজ করার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছি। একটি ‘জানবাজ’ অন্যটি দেবাশিষ বিশ্বাসের শ্বশুরবাড়ী জিন্দাবাদ টু’। এর মধ্যে ‘জানবাজ’ ছবিটির কাজ আগামী মাসে শুরু হতে পারে। দুটো ছবির গল্পই অনেক মজার। আশা করি সিনেমাগুলো ভালো হবে। দর্শক গ্রহণ করবে। এসি   

পাঁচ দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীকে চাকরি দেবেন অনন্ত জলিল

চিত্রনায়ক অনন্ত জলিল। সিনেমা থেকে দূরে সরে গিয়ে ধার্মীক হয়ে উঠেছেন তিনি। পাঁচ ওয়াক্ত নাম পড়া থেকে শুরু করে তবলীগেও অংশ নিচ্ছেন তিনি। হজ্জ পালন করেছেন স্ত্রী চিত্রনায়িকা বর্ষাকে সঙ্গে নিয়ে। সেই সঙ্গে এই আলোচিত নায়ক প্রায়ই অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। এবার পাঁচজন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীকে নিজের প্রতিষ্ঠানে চাকরি দেওয়ার ঘোষণা দিলেন অনন্ত জলিল। তিনি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী বিতার্কিকদের নিয়ে বিতর্ক আয়োজনকে সফল করে তোলার জন্য আর্থিক অনুদান দেওয়ার ঘোষণা দেন। সম্প্রতি তাঁর এ ঘোষণায় এফডিসিতে উপস্থিত দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীরা আবেগে আপ্লুত হন। অবশেষে শুরু হলো দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে জাতীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতা ‘যুক্তির আলোয় দেখি’। এই প্রতিযোগিতা আয়োজন করেছে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি। প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন ব্যবসায়ী, চিত্রনায়ক, পরিচালক ও প্রযোজক অনন্ত জলিল। প্রথম দিনে বিতর্কে অংশ নিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী বিতার্কিকেরা। সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী। এফডিসির একটি ফ্লোরে আয়োজিত ‘যুক্তির আলোয় দেখি’র প্রথম দিনের বিতর্ক উপভোগ করেন অনন্ত জলিল। তিনি বলেন, ‘দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের যে জ্ঞান, বুদ্ধি, মেধা রয়েছে, তা অনেক স্বাভাবিক মানুষের নেই।’ উল্লেখ্য, জাতীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতা ‘যুক্তির আলোয় দেখি’ আয়োজনে অংশ নিচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম বদরুন্নেসা মহিলা কলেজ এবং ইডেন মহিলা কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী বিতার্কিকেরা। এসএ/  

চালবাজিতে ‘চালবাজ’, অবশেষে মুক্তি

শাকিব খান অভিনীত নতুন সিনেমা ‘চালবাজ’। সিনেমাটি নিয়ে নাকি বেশ চালবাজি হয়েছে। শাকিব বিরোধীরা কোনোভাবেই চায়নি, বৈশাখে সিনেমাটি বাংলাদেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাক। কিন্তু সব বাধা পেরিয়ে অবশেষে ‘চালবাজ’ মুক্তির আলো দেখছে। আগামী ২৭ এপ্রিল প্রায় একশ’ প্রেক্ষাগৃহে সিনেমাটি মুক্তি দেওয়ার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সিনেমাটির বাংলাদেশের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান এন ইউ ট্রেডার্সের কর্ণধার কামাল মোহাম্মদ কিবরিয়া। শাকিব খান অভিনীত ‘চালবাজ’ প্রযোজনা করেছে ভারতের এসকে মুভিজ। সাফটা চুক্তির আওতায় সিনেমাটি বাংলাদেশে মুক্তি পাচ্ছে। আর এর বিনিময়ে বাংলাদেশের সিনেমা ‘অজান্তে ভালোবাসা’ ভারতের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। ভারত থেকে আমদানি করা ‘চালবাজ’ সিনেমাটিকে ইতিমধ্যে বিনা কর্তনে ছাড়পত্রও দিয়েছে চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ড। সিনেমাটির প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন বাংলাদেশের শাকিব খান। তাঁর বিপরীতে আছেন টালিউডের নায়িকা শুভশ্রী। বিষয়টি নিয়ে শাকিব খান বলেন, ‘আমি তো দেশে আর দেশের বাইরে সিনেমার কাজ নিয়ে ব্যস্ত। এর মধ্যে শুনলাম, কে বা কারা আমার এই সিনেমার মুক্তিতে নাকি বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। নানা বিভ্রান্তিমূলক কথা ছড়িয়েছে। শুনেছি, চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডের সদস্যরা সিনেমাটি দেখে খুশি হয়েছেন, এটা বড় প্রাপ্তি। আশা করছি, চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডের সদস্যদের পর এবার সিনেমাটি দেশের মানুষের ভালোবাসা পাবে।’ শাকিব আরও বলেন, ‘দেশের চলচ্চিত্রের অভিভাবক, আমার ভক্ত আর শুভাকাঙ্ক্ষীদের বলতে চাই, আপনাদের কারণেই আমি শাকিব খান। আপনাদের দেখানো পথেই আমি হাঁটছি। অনেক সাধনার পর আজ বাংলাদেশের বাইরেও আমার কাজের সুযোগ তৈরি হয়েছে। বাইরের দেশে যে সম্মান নিয়ে আমি কাজ করছি, এটা সবার অর্জন। চেষ্টা করছি, দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের মধ্য দিয়ে যৌথভাবে সুন্দর সব কাজ করতে, আপনারা সহযোগিতা করুন। এর ফলে নতুন প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা দেশের পাশাপাশি বাইরেও কাজের সুযোগ পাবে।’ উল্লেখ্য, ২০ এপ্রিল ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ৯১টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে ‘চালবাজ’। বাংলাদেশের তথ্য মন্ত্রণালয়ে আমদানির অনুমতি পেতে দেরি হওয়ায় ভারতে আগে মুক্তি পেয়েছে ‘চালবাজ’। ‘চালবাজ’ সিনেমাটিতে শাকিব খান, শুভশ্রী ছাড়া আরও অভিনয় করেছেন বাংলাদেশের শাহেদ আলী, রেবেকা, সুব্রত, কলকাতার আশিষ বিদ্যার্থী, খরাজ মুখোপাধ্যায়, রজতাভ দত্ত সহ আরও অনেকে। এটি পরিচালনা করেছেন জয়দীপ মুখার্জি। এসএ/  

`চালবাজ` মুক্তি পাচ্ছে ২৭ এপ্রিল

আগামী ২৭ এপ্রিল `চালবাজ’ ছবিটি বাংলাদেশে মুক্তি পেতে যাচ্ছে। সোমবার বিনা কর্তনে সেন্সর বোর্ড থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে শাকিব খান অভিনীত এই ছবিটি। গত ২০ এপ্রিল কলকাতায় ছবিটি মুক্তি পায়। একই দিনে বাংলাদেশেও ছবিটি মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা হয়নি। ২০১৬ সালের ১৩ মে মাসে মুক্তি পাওয়া ‘অজান্তে ভালোবাসা’ ছবিটির বিনিময়ে কলকাতার এ ছবিটি বাংলাদেশে প্রদর্শিত হবে। ‘চালবাজ’ ছবিটি প্রযোজনা করেছে কলকাতার এসকে মুভিজ। আর ভারত থেকে ছবিটি বাংলাদেশের দর্শকদের জন্য আমদানি করেছে এন ইউ ট্রেডার্স।  কলকাতার নির্মাতা জয়দ্বীপ মুখার্জী পরিচালিত এ ছবিতে শাকিব খানের নায়িকার ভূমিকায় অভিনয় করেছেন শুভশ্রী গাঙ্গুলী। `চালবাজ` ছবিতে আরও অভিনয় করেছেন রজতাভ দত্ত, খরাজ মুখোপাধ্যায়, কাজী হায়াত, হাসান ইমাম, আশিষ বিদ্যার্থী প্রমুখ।    এমএইচ/এসি   

অভিনয়কে বাই বাই জানালেন মাহি

ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়িকা মাহিয়া মাহি। বর্তমানে ঢালিউডে যে ক’জন নায়িকা রয়েছেন, তাদের মধ্যে তিনি অন্যতম। ঠিক যখন কাজের অভাবে বসে আসেন অনেক ভালো ভালো চিত্রনায়িকা, তখন একের পর এক নতুন চলচ্চিত্রে কাজ করছেন মাহি। সম্প্রতি ‘ও মাই লাভ’ নামের নতুন একটি সিনেমাতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন এ নায়িকা। সিনেমাটি পরিচালনা করবেন আবুল কালাম আজাদ। নায়িকা ঠিক হলেও সিনেমার নায়ক এখনও ঠিক হয়নি। তাই এ মুহুর্তে বলা যাচ্ছে না কে কে থাকছেন মাহির বিপরীতে। আগামী জুলাইয়ের শেষের দিকে শুটিং শুরু হবে সিনেমাটির। এদিকে মাহি জানিয়েছেন, এ সিনেমার শুটিং শুরুর আগেই প্রায় দেড় মাসের জন্য অভিনয় থেকে ছুটিতে যাচ্ছেন তিনি। দেবরের বিয়ের জন্যই এ ছুটি নিচ্ছেন ঢালিউড সুন্দরী। বিয়ের শপিং ও নিজের মতো করে সময়টা কাটাতে চান তিনি।’ মাহি বলেন, ‘রোজার আগে অপুর (মাহির স্বামী) ভাইয়ের বিয়ে। এ বিয়ে নিয়েই আমাকে ব্যস্ত থাকতে হবে। তাই দেড় মাস অভিনয় করব না। তবে ডাবিং, টুকটাক এক-দু’দিনের কাজ থাকলে হয়তো করব। ঈদের পর আবার নতুন উদ্যেমে টানা কাজ করব।’ এদিকে বাপ্পি ও মাহি অভিনীত ‘পলকে পলকে তোমাকে চাই’ সিনেমাটি মুক্তি পেয়েছে সম্প্রতি। মুক্তির তৃতীয় সপ্তাহে এসেও সিনেমাটি প্রদর্শিত হচ্ছে প্রেক্ষাগৃহে। অন্যদিকে মাহি ও সাইমন জুটি অভিনীত ‘জান্নাত’ সিনেমটি মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে। এছাড়াও ‘অন্ধকার’ নামের একটি সিনেমাতেও শুটিং করছেন মাহি। এই সিনেমায় তার বিপরীতে অভিনয় করছেন ডিএ তায়েব। এসএ/  

আবারও পর্দা কাঁপাবেন মুনমুন

এক সময়ে পর্দা কাাঁপানো চিত্রনায়িকা মুনমুন আবারও ফিরে আসছেন রঙিন পর্দায়। যদিও অনেকের কাছে মুনমুন এখন অচেনা নাম। তবে বাংলা চলচ্চিত্রের এক সময়কার বিতর্কিত এই অভিনেত্রীকে আবারও দেখা যাবে চলচ্চিত্রে। ‘পদ্মার প্রেম’ নামের একটি সিনেমাতে ইতিমধ্যে শুটিং শুরু করেছেন তিনি। হারুন-উজ-জামান পরিচালিত এ সিনেমায় তার বিপরীতে রয়েছেন আরও এক আলোচিত অভিনেতা আলেকজান্ডার বো। মুনমুনের ক্যারিয়ার শুরু হয় শহীদুল ইসলাম খোকন পরিচালিত ‘লম্পট’ সিনেমার মাধ্যমে। এছাড়া তিনি ওই সময় ‘বিষে ভরা নাগিন’ সিনেমায় শাকিব খানের সঙ্গে জুটি হয়ে বেশ নাম করেন। এ সিনেমাটি বেশ ব্যবসা সফল হয়। এরপরও জুটি হয়ে শাকিব খানের সঙ্গে প্রায় দেড় ডজন সিনেমায় অভিনয় করেন মুনমুন। এদিকে কিছু দিন হলো ‘পদ্মার প্রেম’ সিনেমার প্রথম লটের শুটিং শেষ করেছেন মুনমুন। দীর্ঘ বিরোতির পর নতুন এই সিনেমা নিয়ে দারুণ আশাবাদী এই অভিনেত্রী। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘প্রথম লটের কাজ দারুণ হয়েছে। তাছাড়া এর আগেও হারুন ভাইয়ের ‘ক্ষ্যাপা’ সিনেমাতে আমি আর আলেক ভাই একসঙ্গে কাজ করেছি। হারুন ভাইয়ের সঙ্গে আমার কাজের অভিজ্ঞতা চমৎকার। এক বছর আগে নতুন এই সিনেমাতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলাম।’ উল্লেখ্য, ১৯৯৫ সালে শহীদুল ইসলাম খোকন পরিচালিত ‘লম্পট’ সিনেমার মাধ্যমে রুপালি পর্দায় অভিষেক হয় মুনমুনের। এরপর প্রায় ৮৫টির মতো সিনেমাতে অভিনয় করেছেন তিনি। অ্যাকশন ঘরানার সিনেমাতে অভিনয় করে আলোচিত মুনমুনের উল্লেখযোগ্য সিনেমাগুলোর মধ্যে রয়েছে-‘টারজান কন্যা’, ‘বিষে ভরা নাগিন’, ‘রানী ডাকাত’, ‘মৃত্যুর মুখে’, ‘রাজা’ ও ‘মরণ কামড়’। এসএ/

চলচ্চিত্র পুরস্কার নিয়ে বিতর্ক, আন্দোলনে নামছে পরিবার   

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার নিয়ে এবার শুরু হয়েছে বিতর্ক। যে চলচ্চিত্রের জন্য পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে সেই চলচ্চিত্রে তিনি কাজই করেননি। এমন অভিযোগ নিয়ে ফের মাঠে নামছে চলচ্চিত্র পরিবার। ২০১৬ সালের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে সেরাদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে এরইমধ্যে। সেখানে ‘নিয়তি’ ছবির জন্য নৃত্য পরিচালক হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের নাম ঘোষণা করা হয়েছে নৃত্য পরিচালক হাবিবের। আর এ নিয়েই চলছে এখন আলোচনা-সমালোচনা।    এ ইস্যুকে কেন্দ্র করে ফুঁসে ওঠছে চলচ্চিত্র পরিবার। শনিবার এ জন্য তারা এফডিসিতে পরিচালক সমিতি কার্যালয়ে একটি জরুরি বৈঠকে মিলিত হন। সেখানে তারা এমন ঘটনায় ক্ষুব্দ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। যারা এমন একটি কাজ করেছে তাদেরকে বিচারের আওতায় আনারও দাবি জানান। চলচ্চিত্র পরিবারের আহ্বায়ক চিত্রনায়ক ফারুক বলেন, চলচ্চিত্রে একটা দেশের সর্বোচ্চ পুরস্কার হলো জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। একটা ছেলে জানেই না তবুও নৃত্য পরিচালক হিসেবে তার নাম দেয়া হয়েছে। ভারতীয় নৃত্য পরিচালক দিয়ে কাজ করিয়ে হাবিবের নাম দেয়া হয়েছে। কারণ ভারতীয় কাউকে দিয়ে কাজ করলে ওয়ার্ক পারমিট থাকতে হয়। এই ধরনের জালিয়াতির সঙ্গে যারা জড়িত তাদের আইনের আওতায় এনে বিচার করতে হবে। তিনি আরও বলেন, ‘এই জঘন্য জালিয়াতির জন্য সংশ্লিষ্ট প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে। সেন্সর বোর্ডের তথ্য অনুযায়ীই জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের জুরি বোর্ড সবকিছু চূড়ান্ত করেন। নইলে পরবর্তীতে এইসব অপরাধ নিয়মে পরিণত হবে। যদি এই জালিয়াতির সঠিক শাস্তি নিশ্চিত না হয় তবে আমরা আন্দোলনে যাবো। অনিয়ম ঢুকে গেছে চলচ্চিত্রের রন্দ্রে রন্দ্রে। আমরা চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রিকে অনিয়মের হাত থেকে রক্ষা করতে বদ্ধ পরিকর।’ এ বিষয়ে নৃত্য পরিচালক হাবিব বলেন, আমি এই ছবিতে কাজই করিনি। কিন্তু আমাকে পুরস্কার দেওয়া হলো। এই পুরস্কার গ্রহণ করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়।   এসি  

চাইলেই সুচিত্রা-শাবানা হতে পারবো না : পরীমনি

বাংলা চলচ্চিত্রের আলোচিত নায়িকা পরীমনি। অভিনয় দক্ষতা দিয়ে ইতোমধ্যে দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি তার অভিনিত ‘স্বপ্নজাল’ সিনেমা মুক্তি পেয়েছে। মুক্তির পর সিনেমাটি ব্যপক প্রশংসা পেয়েছে। ঢালিউডের শীর্ষ স্থানীয় এই নায়িকা শুরুতেই চলচ্চিত্রে অভিনয় করেননি। তার ক্যারিয়ার নাটক দিয়ে। একদিন চলচ্চিত্র অভিনেত্রী চম্পার পরামর্শে বড় পর্দায় পা রাখেন তিনি। ২০১৫ সালে ‘ভালোবাসা সীমাহীন’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তার বড় পর্দায় অভিষেক হয়। একই বছর ‘রানা প্লাজা’ সিনেমাতে চুক্তিবদ্ধ হয়ে এই নায়িকা আলোচনায় আসেন। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে ‘আরো ভালোবাসবো তোমায়’, ‘মহুয়া সুন্দরী’, ‘রক্ত’, ‘ভালোবাসা সীমাহীন‘, ‘স্বপ্নজাল’ ইত্যাদি। পরীমনি মডেলিং এর মাধ্যমে তার কর্ম জীবন শুরু করেন। অভিনয় জীবন শুরু করেন টিভি নাটকে অভিনয়ের মাধ্যমে। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে তিনি ‘সেকেন্ড ইনিংস’, ‘এক্সক্লুসিভ’, ‘এক্সট্রা ব্যাচেলর’, ‘নারী ও নবনীতা তোমার জন্য’ ধারাবাহিক নাটকে কাজ করেছেন। সেই থেকে অনেকটা সময় চলে গেছে। তিনি এখন প্রতিষ্ঠিত নায়িকা। শুধু নায়িকা নয়, তার নতুন পরিচয় তিনি একজন প্রযোজক। তবে নতুন সিনেমা ‘স্বপ্নজাল’ মুক্তির পর থেকে প্রশংসার জোয়ারে ভেসে যাচ্ছেন তিনি। নিজেও নিজের মধ্যে বেশ পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছেন পরী। কেউ কেউ আবার পরীমনিকে বাংলাদেশের সুচিত্রা সেন বলেও আখ্যা দিচ্ছেন। কেউ আবার শাবানার সঙ্গেও তুলোনা করছেন। তবে পরী বললেন ভিন্ন কথা। তিনি বলেন, ‘সবাই বললেই তো শাবানা, সুচিত্রা হওয়া যায় না। আর আমি সবসময় ভেতর থেকেই মানি, চাইলেই কখনো সুচিত্রা-শাবানার মতো অভিনেত্রী হতে পারবো না। আমি শুধু আমার সর্বোচ্চ চেষ্টাটা চালিয়ে যেতে পারি যেন ধীরে ধীরে নতুনদের জন্য উদাহরণ হতে পারি। আসলে শাবানা, সুচিত্রা তো আদর্শ। অনুপ্রেরণার জন্য এ রকম উদাহরণ সামনে থাকা দরকার। ‘ এসএ/  

ভিডিও বার্তায় শাকিব খানের নিমন্ত্রণ    

ঘটা করে নিজের জন্মদিনে ইউটিউব চ্যানেল খুলেছিলেন ঢালিউড কিং শাকিব খান। সেই চ্যানেলের জন্য এখন চলছে নিয়মিত ভিডিওর কাজ।    তার নমুনা পাওয়া গেল ‘ভাইজান এলো রে’ ছবির একটি ভিডিওর অংশ আপ করার মাধ্যমে। গত ১৯ এপ্রিল শাকিব খান তার মুক্তি প্রতীক্ষিত ছবি ‘ভাইজান এলো রে’ নিয়ে ইউটিউবে বিশেষ ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেছেন। সেখানে তিনি তার ভক্ত-দর্শকদের নিমন্ত্রণ জানিয়েছেন ছবিটি দেখার জন্য। লন্ডনে গানের শুটিংয়ের ফাঁকে ধারণ করা বিশেষ এই ভিডিওতে শাকিবের সঙ্গে অংশ নেন ওপার বাংলার পায়েল সরকার। পাশাপাশি এই ছবির ‘চলো হাঁটি পায়ে পায়ে’ গানের কিছু অংশ নেচে দেখিয়েছেন এই তারকারা। ভিডিওতে শাকিব খান বলেন, ‘এই শট নেওয়ার মধ্য দিয়েই শেষ হলো ‘ভাইজান এলো রে, ছবির শুটিং। এটির শেষ কাজ হয়েছে লন্ডনে। আগামী ঈদুল ফিতরে ছবিটি মুক্তি পাবে।’ ‘ভাইজান এলো রে’ ছবিতে অভিনয় করেছেন শ্রাবন্তী, রজতাভ দত্ত, বিশ্বনাথ, শান্তিলাল মুখার্জিসহ দুই বাংলার আরও অনেকে। ছবিটি পরিচালনা করেছেন কলকাতার জয়দীপ মুখার্জি। এর প্রযোজনায় রয়েছেন ভারতের এস কে মুভিজ। সাফটা চুক্তির আওতায় ছবিটি বাংলাদেশ মুক্তি দেওয়া হবে। এদিকে কলকাতার ১০০টি প্রেক্ষাগৃহে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে শাকিব-শ্রাবন্তীর ‘চালবাজ’ ছবিটি। গত ২০ এপ্রিল ছবিটি সেখানে মুক্তি দেওয়া হয়।  এসি  

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি