ঢাকা, শুক্রবার, ২০ এপ্রিল, ২০১৮ ৩:১১:০০

এক ছবিতে সবচেয়ে বেশি আয় করা পরিচালক স্পিলবার্গ

এক ছবিতে সবচেয়ে বেশি আয় করা পরিচালক স্পিলবার্গ

স্টিভেন অ্যালান স্পিলবার্গ। তিনি একজন মার্কিন চলচ্চিত্র নির্মাতা ও প্রযোজক। ড্রিম ওয়ার্কস স্টুডিও`র সহ-প্রতিষ্ঠাতাকে আধুনিক হলিউড যুগের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে। এ পর্যন্ত তিন তিনবার অস্কার পুরস্কার জয় করেছেন স্পিলবার্গ। তবে এবার নতুন এক ইতিহাস রচনা করেছেন। তিনি পৃথিবীর প্রথম ও এখন পর্যন্ত একমাত্র পরিচালক, যার ছবি বিশ্বব্যাপী ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করেছে; যা টাকার অঙ্কে প্রায় চুরাশি হাজার কোটির সমান। এর আগে কোনো পরিচালক এতো বড় অঙ্কের মাইলফলক ছুঁতে পারেননি। স্টিভেন তার সর্বশেষ ছবি ‘রেডি প্লেয়ার ওয়ান’-এর মাধ্যমে নতুন এই ইতিহাস তৈরি করলেন। আয়ের দিক থেকে ৭১ বছর বয়সী এই পরিচালকের পরেই আছেন ‘দ্য লর্ড অব রিংস’ ছবির নির্মাতা পিটার জ্যাকসন ও ‘ট্রান্সফরমার’ ছবির পরিচালক মাইকেল বে। স্পিলবার্গ এখন হলিউডের বিখ্যাত ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘ইন্ডিয়ানা জোনস’-এর পঞ্চম কিস্তি নিয়ে কাজ করছেন। এ ছাড়া কয়েকটি বড় প্রকল্প রয়েছে তার হাতে। গত মার্চ মাসে মুক্তি পাওয়া ‘রেডি প্লেয়ার ওয়ান’ ছবির পরিচালক ও প্রযোজক দুই স্টিভেন স্পিলবার্গ। টাই শেরিডান, অলিভিয়া কোকি, বেন মেন্ডেলসন, সাইমন পেগ, টি জে মিলারসহ অনেকে এখানে অভিনয় করেছেন। অ্যাডভেঞ্চারধর্মী এই সায়েন্স ফিকশন চলচ্চিত্রটি আরনেস্ট ক্লাইনের একই নামের একটি উপন্যাস থেকে তৈরি। তথ্যসূত্র: সিক্রিনরেন্ট। এসএইচ/  
মাদকাসক্তের হাত থেকে নারীকে বাঁচালেন বিবার    

এক মাদকাসক্তের কবলে পড়ে হেনস্তার স্বীকার হচ্ছিলেন এক নারী। ওই সময় সেই নারীকে বাঁচাতে এগিয়ে এলেন জাস্টিন বিবার। কিন্তু ওই মাদকাসক্ত বিবারকে পাত্তাই দিচ্ছিলেন না। উল্টো তাকে গালিগালাজ করলেন। বিবারও নাছোড় বান্দা। সে ওই নারীকে মুক্ততো করলেনই, ওই মাদকাসক্তকেও দিলেন কয়েকটা। গত শনিবার কোয়াশেলা মিউজিক আর্ট উৎসবের পার্টিতে এ ঘটনা ঘটে। সেখানে বেশ ফুর্তিতে ছিলেন বিবার। সে সময়ই তিনি দেখছিলেন যে এক লোক এক নারীকে জাপটে ধরেছেন। জাস্টিন বিবার এগিয়ে এসে হেনস্তাকারীকে বলেন ওই নারীকে ছেড়ে দিতে। এরপরই ঘটে পরবর্তী ঘটনাগুলো।     মাদকাসক্ত লোকটি নাকি এরপর রাগ করে একটা ব্যক্তিগত গাড়িতে আঘাত করেন আর জাস্টিন বিবারের নাম ধরে চিৎকার করেন। পরে পুলিশ এসে তাঁকে গ্রেপ্তার করে। দুই-তিন দিন ধরেই ওই উৎসবে আছেন জাস্টিন। সূত্র: ইয়াহু এসি

নগ্ন হয়ে উপস্থাপনায় দুই সাংবাদিক    

নগ্ন হয়ে অনুষ্ঠান উপস্থাপনা! সভ্য জগতে এমনটি কি সম্ভব? হ্যাঁ, মানুষের শরীরের নানা চিত্র আর নগ্নতা নিয়ে বিবিসিতে একটি অনুষ্ঠান প্রচার হয়। এটি উপস্থাপন করেন দুই নারী রিপোর্টার। পুরো অনুষ্ঠানটি তারা নগ্ন হয়ে উপস্থাপন করেন।  বিবিসি শেফিল্ডের দি ন্যাকেড পডকাস্ট অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন জেনি এলস ও কেট হ্যারবোর্ন। প্রায় এক বছর ধরে অনুষ্ঠানটি তৈরি করছেন তারা। পডকাস্টের ওই আলোচনা শুরুর ঠিক আগে আগে কাপড়-চোপড় খুলে পুরোপুরি নগ্ন হয়ে যান দুই উপস্থাপিকা। সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি থেকে তাদের নারী অতিথিরা আসেন। আলোচনার সময় তাদের শরীরেও কোনো কাপড় থাকে না।   কিন্তু কেন এই ব্যতিক্রমী উপস্থাপনা? জেনি বলছেন, ‘আমরা দেখতে চেয়েছি, নগ্ন অবস্থায় মানুষ কি সত্যিই সব কিছু খুলে বলে? মানুষ কি আরও খোলামেলাভাবে আলোচনা করে?’ ‘যে নারীদের সঙ্গে আমরা এই অনুষ্ঠানে কথা বলেছি, তারা আসলে তাই করেছেন।’ নগ্ন হয়ে উপস্থাপনা বা অতিথি হয়ে আসা সহজ কাজ নয়। তবে কেউ সামনে নগ্ন হয়ে বসলে অনেকটাই হালকা হয়ে যাওয়া আর বিশ্বাস তৈরির ঘটনা ঘটে বলে তারা জানান। এ সিরিজে ১০টি এপিসোড রয়েছে এবং বিবিসি শেফিল্ড বেশ কয়েকটি অনুষ্ঠান সম্প্রচার শুরু করেছে। যদিও নগ্নতার বিষয়ে আলোচনা হলেও সেটি প্রচার হয় পডকাস্টে, ইন্টারনেটের মাধ্যমে শোনা যায়। ফলে তাদের এই ব্যতিক্রম উদ্যোগ আসলে কারো চোখে পড়বে না। কিন্তু খোলামেলা আর আন্তরিক আলোচনার পরিবেশ তৈরির জন্যই তাদের এ উদ্যোগ। কেট বলেন, ‘আমাদের দুজনেরই বয়স ত্রিশের কোঠায়। মেয়েরা অনেক সময় ব্যয় করে তাদের শরীর নিয়ে, কীভাবে আরও চিকন বা ফিট হবে, চুলের স্টাইল কী হবে, চামড়া রোদে পুড়বে কিনা ইত্যাদি নিয়ে। কিন্তু এখন বুঝতে পারছি, কী বিশাল সময় আমরা নষ্ট করেছি। কিন্তু সাধারণ নারীদের এর চেয়েও আরও অনেক বেশি সমস্যা মোকাবেলা করতে হয়।’ কেট বলেন, ‘প্রথমে তাদের সঙ্গে আলোচনা শুরুর সময় আমরা ভেবেছিলাম যে, একজন শক্তিশালী, বুদ্ধিমতী ও মজার ধরনের একজন নারীর সঙ্গে আমরা আলোচনা শুরু করতে যাচ্ছি। কিন্তু নগ্ন হয়ে আলাপচারিতা শুরুর পর দেখা গেল, তারা নিজের শরীর নিয়ে কতটা বিব্রতকর, নেতিবাচক কথাই না ভেবেছেন।’ তাদের এই অনুষ্ঠানে অংশ নেয়া অতিথিদের মধ্যে রয়েছেন মডেল, মূত্র জটিলতায় ভোগা একজন নারী, যাকে সবসময় মূত্রথলি সঙ্গে নিয়ে ঘুরে বেড়াতে হয়। আরেকজন মুসলিম নারী, যিনি বিয়ের পরই প্রথম কোনো নগ্নদেহ দেখেছেন, যা ছিল তার স্বামীর। তাদের সঙ্গে গল্পে জীবনের বিচিত্র দিক, যৌন নির্যাতন, ব্যক্তিগত নানা বিষয় উঠে এসেছে। জেনি বলেন, ‘প্রায় এক বছর আগে আমরা এই কাজটি শুরু করি। এখন আমি আমার নিজের শরীর নিয়ে শতভাগ স্বস্তিবোধ করি।’ সূত্র : বিবিসি বাংলা। এসি  

কিংবদন্তি অভিনেতা চার্লি চ্যাপলিনের জন্মদিন আজ

‘চার্লি চ্যাপলিন’। পুরো নাম স্যার চার্লস স্পেনসার চ্যাপলিন জুনিয়র। যদিও তার জন্মতারিখ নিয়ে কিছুটা সন্দেহ রয়েছে, তবে প্রচলিত রয়েছে ১৮৮৯ সালের ১৬ এপ্রিল লন্ডনে জন্মগ্রহণ করেন ইতিহাসের সেরা কৌতুক অভিনেতা এবং নির্মাতা চার্লি চ্যাপলিন। তার জন্মদিনের নির্দিষ্ট কোনো দলিল-দস্তাবেজ এখনও উদ্ধার হয়নি। এমনকি জন্মস্থান নিয়েও রয়ে গেছে সন্দেহ। তিনি নিজেও ফ্রান্সকে তার জন্মস্থান হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। ১৮৯১ সালের স্থানীয় আদমশুমারি থেকে জানা যায়, চার্লি তার মা হান্না চ্যাপলিন এবং ভাই সিডনির সঙ্গে দক্ষিণ লন্ডনের বার্লো স্ট্রিটে থাকতেন, এটি কেনিংটনের অন্তর্গত। ইতিমধ্যে তার বাবা চার্লস চ্যাপলিন জুনিয়রের সঙ্গে তার মায়ের বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে গেছে। চ্যাপলিনের শৈশব কাটে প্রচণ্ড দারিদ্র্য আর কষ্টের মধ্য দিয়ে। পিতৃহারা চ্যাপলিন অবর্ণনীয় কষ্ট ও দারিদ্র্যের মধ্যে বড় হয়েছেন। শৈশব সম্পর্কে চার্লি চ্যাপলিন বলেন, যদি ভাগ্য সহায় না হতো, তাহলে আমি লন্ডনের পথে পথে চুরি করে বেড়াতাম। আর, বেওয়ারিশ লাশ হয়ে কবরে যেতে হতো। মা ও ভাইয়ের সঙ্গে দক্ষিণ লন্ডনের একটি শহরে বিভিন্ন বাড়িতে ভাড়া থাকতেন চ্যাপলিন। ভাড়া দিতে না পারায় প্রায়ই তাদের বাসা থেকে বের করে দেয়া হতো। এভাবে তাড়া খাওয়ার চেয়ে চ্যাপলিন পার্কের বেঞ্চিতে ঘুমাতেই বেশি পছন্দ করতেন। চার্লি একটি মুদির দোকানেও কিছুদিন কাজ করেছিলেন। সেখানে কাজ চলে যাওয়ার পর কাজ নিয়েছিলেন একটি ডাক্তারখানায়। সেখানে কাজ চলে যাওয়ার পর লোকের বাড়িতে বাসন মাজার কাজে লেগে যান চার্লি। এক কাচের কারখানা, রঙের দোকান, লোহার দোকান, ছাপাখানা, খেলনা কারখানা, কাঠ চেরাই কল, কাগজ বিক্রি ইত্যাদি নানা কাজের মধ্যে তিনি যুক্ত হয়ে পড়েছিলেন। তার মা-বাবা দু’জনেই মঞ্চাভিনয়ের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তাই এ পেশাতে আসা তার কাছে সহজ ছিল। চ্যাপলিন সেই সময়ের জনপ্রিয় লোকদল ‘জ্যাকসন্স এইট ল্যাঙ্কাশায়ার ল্যাডস’-এর সদস্য হিসেবে নানা অনুষ্ঠানে অংশ নেন। এরপর ১৪ বছর বয়সে তিনি উইলিয়াম জিলেট অভিনীত শার্লক হোমস নাটকে কাগজওয়ালার চরিত্রে অভিনয় করেন। এ সুবাদে তিনি ব্রিটেনের নানা প্রদেশ ভ্রমণ করেন ও অভিনেতা হিসেবে তিনি যে খুবই সম্ভাবনাময়- তা সবাইকে জানিয়ে দেন। ১৮৯৮ সালে ৯ বছর বয়সে চ্যাপলিন একটি নাচের দলে যোগ দেন। ওই দলটির সঙ্গে যুক্ত থেকে নাচ দেখিয়ে কিছু অর্থ-কড়ি রোজগার করতেন। সেই রোজগার দিয়েই চ্যাপলিন দিন কাটাতেন। ওই নাচের দলে চ্যাপলিন কমেডিয়ানের ভূমিকা পালন করতেন। ১৯ বছর বয়সে ‘ফ্রেড কার্নো’ থিয়েটার কোম্পানির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়ে ইংল্যান্ড থেকে চলে যান যুক্তরাষ্ট্রে। ১৯১৪ সালে ২৫ বছর বয়সে প্রথম সিনেমাতে অভিনয় করেন চার্লি চ্যাপলিন। নাম ছিল ‘মেকিং এ লিভিং’। সিনেমার পরিচালক ছিলেন ফ্রান্সের অরি লোর্মা। এক রিলের এ সিনেমাটি প্রদর্শনের মেয়াদ ছিল মাত্র দশ মিনিট। এ সিনেমাতে চার্লি অভিনয় করেন খামখেয়ালি উচ্ছৃংখল প্রকৃতির যুবকের চরিত্রে। ১৯১৪ সালে তার নিজের সৃষ্ট দ্য ট্রাম্প বা ভবঘুরে চরিত্রটি দিয়ে তিনি বিশ্ব চলচ্চিত্রে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলেন। নির্বাক চলচ্চিত্রের যুগে মানুষকে হাসানোর মতো দুরূহ কাজটি শুধু অঙ্গভঙ্গি দিয়ে যিনি করতেন অত্যন্ত সফলভাবে। সাদাসিধে ভবঘুরে একটা মানুষ, যার পরনে নোংরা ঢিলেঢালা প্যান্ট, শরীরে জড়ানো জীর্ণ কালো কোট, পায়ে মাপহীন জুতো, মাথায় কালো মতো হ্যাট আর হাতে লাঠি। যে ব্যাপারটি কারও চোখ এড়ায় না তা হচ্ছে লোকটির অদ্ভুত গোঁফ। তিনি রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছেন আর ঘটাচ্ছেন অদ্ভুত সব কাণ্ড-কারখানা। আর এসব দেখেই হেসে কুটিকুটি হচ্ছেন বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ। চ্যাপলিনের উল্লেখযোগ্য সিনেমাগুলোর মধ্যে রয়েছে- মেকিং অব লিভিং (১৯১৪), দ্য ট্রাম্প (১৯১৪), কিড অটো রেসেস অ্যাট ভেনিস (১৯১৫), এ ডগস লাইফ (১৯১৭), শোল্ডার আর্মস (১৯১৮), দ্য কিড (১৯২১), দ্য সার্কাস (১৯২৬), সিটি লাইটস (১৯৩১), মডার্ন টাইমস (১৯৩৬), দ্য গ্রেট ডিক্টেটর (১৯৪০), দ্য গোল্ড রাশ (১৯৪২), লাইম লাইট (১৯৫২), এ কিং অব নিউইয়র্ক (১৯৫৭) প্রভৃতি। সিটি লাইট ১৯৩১ সালে নির্মিত একটি নির্বাক হাস্যরসাত্মক প্রেমের সিনেমা। এ সিনেমাটি চার্লি চ্যাপলিনের কাহিনী, পরিচালনা ও প্রযোজনায় নির্মিত। এটি কমেডি-রোমান্টিক সিনেমার ক্যাটাগরিতে আজও এক নম্বর স্থান দখল করে আছে। এসএ/  

কানের পোস্টারে ভালোবাসার শুভ্রতা

ফ্রান্সের সাগরপাড়ের শহর কানে আগামী ৮ থেকে ১৯ মে অনুষ্ঠিত হবে বিশ্ব চলচ্চিত্রের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ আয়োজন কান চলচ্চিত্র উৎসব। উৎসব ঘিরে প্রতি বছরই কানের অফিসিয়াল পোস্টারের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেন চলচ্চিত্রপ্রেমীরা। অবশেষে প্রকাশ পেয়েছে কান উৎসবের ৭১তম আসরের অফিসিয়াল পোস্টার। যেখানে ফরাসি চলচ্চিত্রকার জ্যঁ-লুক গদারের ‘পিয়েরো দ্য ম্যাডম্যান’ সিনেমার একটি দৃশ্য দেখা গেছে। পোস্টারে দুই গাড়িতে দু’জন তারকা ভালোবাসার উদ্যানে ভেসে একে অপরের মাঝে ডুব দিয়েছেন। ভালোবাসার চুম্বন ছড়িয়ে দিয়েছেন প্রেমের আকাশে। যা নিয়ে বেশ আলোচনা শুরু হয়েছে। ধ্রুপদী সিনেমাটির শুটিং চলাকালে এক নারী ও এক পুরুষের এই অন্তরঙ্গ মুহূর্তটি ক্যামেরাবন্দি করেছিলেন আলোকচিত্রী জর্জেস পিয়েরে (১৯২৭-২০০৩)। ১৯৬০ সালে শুরু, এরপর ৩০ বছরের ক্যারিয়ারে শতাধিক সিনেমার শুটিংয়ে আলোকচিত্রী হিসেবে কাজ করেছেন তিনি। কানের অফিসিয়াল পোস্টারটি মূলত গ্রাফিক্স ডিজাইনার ফ্লো ম্যাকুইনের সাজানো। পপ সংস্কৃতিতে অনুপ্রাণিত তার এই সৃষ্টিকর্ম। ড্রইং, পেইন্টিং ও ডিজিটাল আর্টের সঙ্গে রঙের মিশ্রণ ঘটিয়েছেন তিনি। ইউনিভার্সাল পিকচার্স, প্যারামাউন্ট চ্যানেল, ইউরোপাকর্প, ওয়াইল্ড সাইড ও আর্তে টিভির জন্য নিয়মিত পোস্টার বানিয়ে থাকেন ২৭ বছর বয়সী এই তরুণী। উল্লেখ্য, দু’বারের অস্কারজয়ী আসগর ফারহাদির ‘এভরিবডি নৌস’ (পেনেলোপি ক্রুজ, হাভিয়ার বারদেম) প্রদর্শনের মধ্য দিয়ে উৎসবের উদ্বোধন হবে। সূত্র : ভ্যারাইটি এসএ/  

ডায়ানা হতে চান মেগান

চলতি বছরের মে মাসেই প্রিন্স হ্যারির বউ হয়ে শিগগিরই ব্রিটিশ রাজপরিবারে ঢুকতে যাচ্ছেন হলিউড অভিনেত্রী মেগান মার্কেল। তবে তার আগে চমৎকার তথ্য উঠে এল ৩৬ বছর বয়সী হলিউড এ অভিনেত্রী সম্পর্কে। মেগান নাকি প্রিন্সেস ডায়ানার মতো হতে চান। ডায়ানা আর কেউ নন। তিনি প্রিন্স হ্যারির প্রয়াত মা। এ খবর নিশ্চিত করেছন মেগানের ঘনিষ্ঠ এক বন্ধু। এ কথাটা উঠে এসেছে মেগানকে নিয়ে লেখা ‘মেগান: আ হলিউড প্রিন্সেস’ নামের একটি জীবনীভিত্তিক বইয়ে। বইটি লিখেছেন, রাজপরিবারের জীবনীকার অ্যান্ড্রু মর্টন। এ বইয়ে উঠে এসেছে, প্রিন্সেস ডায়ানার ব্যক্তিত্বে মেগান মার্কেলের মুগ্ধতার কথা। তাঁকে অনুকরণও করতে চেয়েছেন তিনি। মেগানের শৈশবের এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু অ্যান্ড্রুকে বলেন, মেগান সব সময়ই ব্রিটিশ রাজকীয় পরিবার নিয়ে মুগ্ধ ছিলেন। শুধু তাই নয়, সে সব সময়ই ডায়ানার মতো হতে চেয়েছেন। মর্টন তাঁর বইয়ে লিখেছেন যে তাঁর পরিবার ও বন্ধুদের মতে, মেগান শুধু ডায়ানার ‘স্টাইল’ নিয়েই কৌতূহলী ছিলেন না। মেগান ডায়ানার মানবিক কাজগুলো নিয়েও ছিলেন মুগ্ধ। মেগান তাঁকে রোল মডেল হিসেবে দেখতেন। প্রিন্সেস ডায়ানার ব্যক্তিত্ব ও সৌন্দর্য যে কারও মনে দাগ কাটবে। আর বিয়ের আগে হবু রাজবধূ সম্পর্কে এমন তথ্য তার মনের সৌন্দর্যও যেন আরেকটু বাড়িয়ে দিল। জানা গেছ, ৩৩ বছর বয়সী প্রিন্স হ্যারি ও ৩৬ বছর বয়সী মেগান মার্কেলের বাগদানের আংটি উৎসর্গ করা হয়েছে ডায়ানার স্মৃতির উদ্দেশ্যে। সূত্র: ইউএসএ টুডে একে// এআর

রাজপরিবারে রূপকথার বিয়ের প্রস্তুতি

ব্রিটিশ সিংহাসনের পঞ্চম উত্তরাধিকারী প্রিন্স হ্যারি। গত বছর নভেম্বরের শুরুতে বাগদান করেছিলেন অভিনেত্রী মার্কলের সঙ্গে। ওই সময়ই জানানো হয় তাদের বিয়ের তারিখ। চলতি বছরের আগামী ১৯ মে সেই শুভ দিন। হাতে মাত্র একটি মাস। তাই বেশ জোরেশোরেই চলছে ব্রিটিশ রাজপরিবারে সেই বিয়ের প্রস্তুতি। এ যেনো রূপকথার বিয়ের প্রস্তুতি! জানা গেছে, বিয়েবাড়ি থেকে শুরু করে হবু বধূ মেগান মার্কেলের সাজসজ্জার নানা খুঁটিনাটি সামনে আসতে শুরু করেছে। আরও মজার বিষয় হচ্ছে- বিয়েবাড়ি সাজানো হবে সাদা গোলাপ দিয়ে। এর সঙ্গে থাকবে পেয়োনিস আর ফক্সগ্লোভ। ব্যবহার করা হবে বিচ, বার্চ ও হর্নবিমের পাতা আর ডালও। আগেই জানানো হয়েছে, বিয়ে হবে উইন্ডসর ক্যাসলের সেন্ট জর্জেস চ্যাপেলে। আর এই গির্জা সাজানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে লন্ডনের ফুল ব্যবসায়ী ফিলিপা ক্র্যাডোককে। এই জুটি চান, তাঁদের বিয়ের আসরটি সাজানো হোক মৌসুমি ফুল দিয়ে। এরই মধ্যে হবু দম্পতির বিয়ের কেকের অর্ডারও দেওয়া হয়ে গেছে। বিয়েতে লেমন এল্ডারফ্লাওয়ার কেক থাকবে বলে জানা গেছে। আর এই কেক তৈরি করবেন পেস্ট্রি প্রস্তুতকারী শেফ ক্লেয়ার পিটাক। উল্লেখ্য, পরস্পরের বন্ধুদের মাধ্যমে ২০১৬ সালের জুলাইয়ে এ জুটির পরিচয় হয়। মেগান মার্কল বয়সে প্রিন্স হ্যারির চেয়ে তিন বছরের বড়। যুক্তরাষ্ট্রের টিভি সিরিজ ‘ফ্রিঞ্জ’ ও ‘স্যুটস’য়ে অভিনয় করে জনপ্রিয়তা পাওয়া মেগান এর আগেও একবার বিয়ে করেছিলেন। সূত্র : বিবিসি এসএ/  

শোয়ার্জনেগারের হার্টে সার্জারি

হার্ট সার্জারি হয়েছে হলিউড তারকা আর্নল্ড শোয়ার্জনেগারের। যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলসে সিডার্স-সিনাই হাসপাতালে গত ২৯ মার্চ এই অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়। জানা গেছে, শোয়ার্জনেগারের অবস্থা এখন স্থিতিশীল। অস্ত্রোপচারটি মূলত অস্ট্রিয়ান-আমেরিকান এই তারকার শরীরের ক্যাথিটার ভালভ প্রতিস্থাপনের পূর্বনির্ধারিত প্রক্রিয়ার অংশ। ত্রুটিপূর্ণ ভালভ পুনরুদ্ধারের জন্য ১৯৯৭ সালে প্রথমবার এই পদ্ধতি স্থাপন করা হয় তার শরীরে।  ৭০ বছর বয়সী শোয়ার্জনেগার ক্যালিফোর্নিয়ার সাবেক গভর্নর। তার মুখপাত্র ড্যানিয়েল কেচেল বলেছেন, ‘প্রতিস্থাপন করা ভালভটি স্থায়ী নয়। তবে আপাতত আমাদের নতুন প্রক্রিয়াটি সফল।’   ‘টার্মিনেটর, ‘কোনান দ্য বারবারিয়ান, ‘কমান্ডো সিনেমাগুলোর সুবাদে শোয়ার্জনেগার পরিচিত ছিলেন শক্তিশালী নায়ক। ২০০৩ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত দু’বার ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এরপর ‘দ্য এক্সপেন্ডেবলস’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় ফেরেন। পরিবেশের উন্নয়নে অবদান রাখায় গত বছর ফ্রান্সের সবচেয়ে মর্যাদাসম্পন্ন ‘নাইট অব দ্য লিজিয়ন অব অনার’ পদকে ভূষিত হয়েছেন তিনি। সূত্র : রয়টার্স এসএ/এসি  

বলিউড কাঁপাবে ক্যাটরিনার বোন ইসাবেলে

বলিউডে অভিষেক হচ্ছে ক্যাটরিনা কাইফের বোন ইসাবেলে কাইফের। আর এ খবরটি জানিয়েছেন সিনেমার প্রধান অভিনেতা সুরজ পাঞ্চোলি। জানা গেছে, ‘ইন টাইম টু ড্যান্স’ সিনেমায় নারী অভিনেত্রীর কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করবেন ইসাবেলে। এই সিনেমায় ইসাবেলের বিপরীতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করছেন সুরজ পাঞ্চোলি। এ বিষয়ে অভিনেতা সুরজ পাঞ্চালি জানিয়েছেন, নৃত্যপ্রধান এই চলচ্চিত্রে তারা একসঙ্গে কাজ করবেন। সিনেমাটি নিয়ে গত দুমাস ধরে তারা গবেষণার কাজ করে চলেছেন। তিনি আরও জানান, ক্যাটরিনার মতোই খুব সুন্দরী ইসাবেলে সিনেমার কাজে কঠোর পরিশ্রমও করছেন। প্রতিদিন প্রায় দশ ঘন্টা ধরে সিনেমাটির জন্য রিহার্সল করছেন। প্রযোজক ভূষণ কুমার বলেন, ‘সিনেমাটি পরিচালনা করছেন রেমো-র সহকারি স্ট্যানলি ডি-কস্টা । সম্পূর্ণ ভিন্ন রকমের এই ছবি । এর আগে দর্শক এধরনের নাচের সিনেমা দেখেন নি। সিনেমাটির জন্য সুরজ এবং ইসাবেলে দীর্ঘ সময় ধরে নিজেদের তৈরি করছে।’ সুরজ নিজের ইন্সটাগ্রামে ইসাবেলের সুন্দর একটি ছবি পোস্ট করে তাদের এই সিনেমা সম্পর্কে আগাম জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, কোরিওগ্রাফার ও পরিচালক রেমো ডি’সুজার দীর্ঘ দিনের সহকারী স্ট্যানলি ডি’কস্টার পরিচালনায় জুটি বাঁধছেন সুরজ পাঞ্চালি ও ইসাবেল কাইফ। প্রযোজনায় ভূষণ কুমার ও রেমো। সিনেমাটি নাচ-নির্ভর। সুরজ ও ইসাবেল দু’জনকেই কঠিন কঠিন ডান্স ফর্ম করতে দেখা যাবে এই সিনেমায়। সালসা, জুম্বা, বাচাতার মতো নাচে পারফর্ম করবেন সুরজ। সূত্র : ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস  এসএ/ এআর    

প্রতি রাতের জন্য কার্দেশিয়ান পাবে ১ মিলিয়ন ডলার

বিতর্ক সব সময়ই পিছু লেগে থাকে কিম কার্দেশিয়ানের। গ্ল্যামার, স্বল্প বসনায় উপস্থিতি আর যৌনতায় তার নামটি সবার আগে চলে আসে। এবার আবারও খবরের শিরোনাম হলেন এই মার্কিনি রিয়েলিটি তারকা। তবে এবারের বির্তকে তাকে কষ্ট করে কিছু করতে হয়নি। এইবার তার হয়ে কাজটি করেছেন আদিল আল ওতাইব। সৌদি রাজপরিবারের সন্তান তিনি। তিনি জানিয়েছেন, কিমের সঙ্গে এক রাত কাটতে তিনি ১ মিলিয়ন ডলার খরচ করতে রাজি।    সম্প্রতি ওতাইব তার ইনস্টাগ্রাম পেজে লিখেছেন, “আমি একজন সৌদি। কিম আমি তোমায় বলছি, প্রতি রাতের জন্য আমি তোমাকে ১ মিলিয়ন ডলার করে দেব”।    জানা গেছে, কিম নাকি সেই প্রস্তাবে ইতিমধ্যে রাজিও হয়ে গেছেন। তবে এটা প্রথমবার নয়। এর আগেও টাকা নিয়ে কিম পার্টিতে গিয়েছিলেন নিমন্ত্রণ রক্ষা করতে। ২০১৩ সালে ৮১ বছর বয়স্ক ‘বিলিয়নিয়ার’ রিচার্ড লুগনার সঙ্গে ৫ লক্ষ মার্কিন ডলারের বিনিময়ে কিম গিয়েছিলেন ভিয়েনা বল। এসি  

‘বেস্ট অ্যাকট্রেস’ হলেন অপ্সরা

সম্প্রতি জার্মানির বার্লিনে অনুষ্ঠিত হলো ‘মিস গ্ল্যামারফেস ওয়ার্ল্ড-২০১৮’ প্রতিযোগিতা। প্রতিযোগিতায় সেরার মুকুট জিতে নিয়েছেন রুশ সুন্দরী তাতিয়ানা গেনরিক। প্রথম ও দ্বিতীয় রানার-আপ যথাক্রমে কসোভোর আইডা হুসাজ ও ইউক্রেনের আন্দ্রিয়া মারোসি। বিশ্বের ২১টি দেশের সুন্দরীরা অংশ নিয়েছিলেন এতে। এবারের আসরে বাংলাদেশ থেকে অংশ নিয়েছিলেন মডেল অভিনেত্রী অপ্সরা আলী। ‘মিস গ্ল্যামারফেস ওয়ার্ল্ড’ প্রতিযোগিতার ‘অ্যাক্ট্রেস কুইন’ বিভাগে সেরা হয়েছেন তিনি। হলিউড, বলিউড এবং জার্মান চলচ্চিত্র জগতে নিজের জ্বলজ্বলে অবস্থান তুলে ধরলেন বাংলাদেশের মডেল এবং অভিনেত্রী অপ্সরা আলী। উল্লেখ্য, ২০১১ সালে ভিট-চ্যানেল আই টপ মডেল প্রতিযোগিতার সেরা পাঁচে ছিলেন অপ্সরা আলী। জিতে নেন মিস বিউটি স্মাইল খেতাবও। কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত ‘মিস কসমোপলিটান ২০১৫’ প্রতিযোগিতায় ছিলেন সেরা দশে। গত বছর বাংলাদেশের বড় বাজেটের সিনেমা ‘পরবাসিনী’-তে এক সিক্রেট এজেন্টের রোমাঞ্চকর চরিত্রে দেখা যায় অপ্সরাকে। পাশপাশি ‘অ্যাকশন গোয়েন্দা’ নামের টিভি সিরিয়ালে গোয়েন্দা চরিত্রে আছেন এই গ্ল্যামারফেস। এসএ/  

‘যৌন হয়রানির অভিযোগ’ অস্কার প্রধানের অস্বীকার  

অস্কার অ্যাকাডেমি প্রধানের বিরুদ্ধে উঠেছিল যৌন হয়রানির অভিযোগ। আর সে অভিযোগ এবার তিনি অস্বীকার করলেন। গত ১৬ মার্চ অ্যাকাডেমি অব মোশন পিকচার আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সের প্রধান জন বেইলির বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ নিয়ে আসে হলিউড রিপোর্টার ও ভ্যারাইটি ম্যাগাজিন। তবে অজ্ঞাত সূত্রের বরাতে তারা এই যৌন হয়রানির অভিযোগ করে। তিনি তাদের আনিত এই অভিযোগকে অস্বীকার করেছেন।  ভ্যারাইটি পত্রিকা সূত্রে খবর, গত ২৩ মার্চ অ্যাকাডেমি অব মোশন পিকচার আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সের প্রধান জন বেইলি তার সহকর্মীদের উদ্দেশ্যে লিখিত এক দাপ্তরিক চিঠিতে জানান, ভ্যারাইটি পত্রিকা ১৬মার্চ যে সংবাদ পরিবেশন করে তাতে লেখে, তার বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ পাওয়া গেছে, তথ্যটি সঠিক নয় । তার বিরুদ্ধে এক ব্যক্তিই অভিযোগ জানিয়েছিল দশবছর আগের এক ঘটনার কথা উল্লেখ করে। যদিও অভিযোগকারিনীর নাম তিনিও উল্লেখ করেননি । তিনি লিখেছেন যে, দশবছর আগে ছবির সেটের এক ভ্যানে তারা একসঙ্গে যাচ্ছিলেন, সে সময় অভিযোগ কারিনীকে কোনো ‘অনাকাঙ্খিত স্পর্শ’ তিনি করেননি। এরকম কোনো ঘটনাই ঘটেনি। তিনি আরও লিখেছেন, তার পঞ্চাশ বছরের কর্মজীবন কলঙ্কিত করার জন্য তার বিরুদ্ধে এ ধরণের অভিযোগ করা হয়েছে ।  তিনি জানান, তার দীর্ঘ কর্মজীবনে অনেক মহিলার সঙ্গেই কাজ করেছেন, অনেককেই কাজের বিষয়েও  সহযোগিতা করেছেন। তিনি মহিলাদের সম্মান করেন এবং এ ধরনের ঘটনা স্বপ্নেও ভাবতে পারেন না।  ‘আমেরিকান জিগোলো’, ‘দ্য বিগ চিল অ্যান্ড গ্রাউন্ডহগ ডে’-র মতো দর্শকপ্রিয় চলচ্চিত্রে কাজ করা বেইলি গত অগাস্টে চার বছরের জন্য অস্কার অ্যাকাডেমির প্রধান হন।  ২০১৫ সালে আমেরিকান সোসাইটি অব সিনেমাটোগ্রাফার তাকে আজীবন সম্মাননা পুরস্কারে ভূষিত করে। এসি

প্যারিস হিলটনের আংটি কাণ্ড

এক আংটির জন্য পাগলের মতো হয়ে গিয়েছিলেন মার্কিন তারকা প্যারিস হিলটন। এমনিতে তার টাকার অভাব নেই। পকেট থেকে কোটি কোটি টাকা খোয়া গেলেও তার দুঃখ করার কিছু থাকবে না। কিন্তু কিছু জিনিসের সঙ্গে এমন আবেগ জড়িত থাকে যে অর্থ দিয়ে সেটা পূরণ করা যায় না। যেমন বাগদানের আংটি। প্রেমিক ক্রিস জিলকার এবার ইংরেজি নববর্ষে প্যারিসকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ের প্রস্তাব দেন। তখন বাগ্‌দত্তা প্যারিসের অনামিকার ক্রিস পরিয়ে দেন একটি হীরার আংটি। প্লাটিনামের ওপর বসানো ২০ ক্যারেট হীরার এই আংটির দাম টাকার অঙ্কে ১৬ কোটি ৫৮ লাখ ৭৬ হাজার টাকা। আংটিটি সম্প্রতি একটি নাইট ক্লাবে হারিয়ে যায়। দেরি না করে তখনই সেই আংটি খুঁজতে নেমে পড়েন ক্রিস।     পরে অবশ্য সেটি খুঁজে পাওয়া গেছে। কোথায়? তা শুনলে অবাক হবেন।    কিছু দিন আগে প্যারিস আর ক্রিস মিয়ামিতে ছুটি কাটাতে যান। সেখানে গত শুক্রবার একটি নাইট ক্লাবে বন্ধুদের সঙ্গে নাচতে গিয়ে বাগদানের আংটি হারিয়ে ফেলেন প্যারিস। নাচের ফাঁকে কখন সে অনামিকা থেকে আংটি খসে পড়ে, প্যারিস টেরই পাননি। টের পাওয়ার পরের অবস্থা একবার অনুমান করুন। কাঁদতে কাঁদতে ক্লাবের সবাইকে পাগল করে তোলেন প্যারিস হিলটন। কিন্তু বিস্ময়করভাবে তাঁর প্রেমিক ওই সময় একটুও মাথা গরম করেননি। বরং নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে নিজেও নেমে পড়েন আংটি খুঁজতে। কিন্তু ৫০ হাজার বর্গফুটের একটি নাইট ক্লাবে প্রায় ৭ হাজার মানুষকে দাঁড় করিয়ে রেখে হীরার আংটি খোঁজা তো আর সহজ কথা নয়। তন্ন তন্ন করে খোঁজার পর অবশেষে আংটি পাওয়া যায় ক্লাবের ভিআইপি এলাকার বাইরের একটি টেবিলের ওপর বরফ রাখার পাত্রে। জানুয়ারিতে একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, এই আংটির সুরক্ষার জন্য ভ্রমণের সময় প্যারিস ও ক্রিস বাড়ির নিরাপত্তা গ্রহণ করবেন বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এরপরও এত কাণ্ড! অবশ্য প্রায় হারাতে বসা আংটিটি অবশেষে খুঁজে পাওয়া গেছে বলে রক্ষা।     ‘পিপল’ সাময়িকীর খবর অনুযায়ী, প্যারিসের এই বিশাল হীরার আংটি নকশা করেছেন হীরা বিশেষজ্ঞ ও যুক্তরাষ্ট্রের তারকা গয়না কারিগর মাইকেল গ্রিনি। বাগদানের পর একটি পত্রিকাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্যারিস বলেছিলেন, ‘আংটিটা খুব জমকালো আর দীপ্তিময়। ক্রিস আমাকে আংটিটি পরানোর সময় আমি উত্তেজনায় কাঁপছিলাম। এটি আমার দেখা পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর একটি আংটি।’ পিপল স্টাইল এসি    

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি