ঢাকা, মঙ্গলবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ২৩:৪৩:৩৭

খোলা চিঠিতে স্বাক্ষর ১৯০ ব্রিটিশ অভিনেত্রীর

যৌন হয়রানির প্রতিবাদ

খোলা চিঠিতে স্বাক্ষর ১৯০ ব্রিটিশ অভিনেত্রীর

যৌন হয়রানির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে উঠেছে শোবিজ অঙ্গন। বিশেষ করে হলিউড। বিখ্যাত সব তারকারা প্রকাশ্যে ফাঁস করছেন তাদের গোপন কথা। এতো দিন যা বলতে পারেননি লজ্জা কিংবা ক্যারিয়ারের কথা চিন্তা করে, তা আজ ফাঁস করছেন সবার সম্মুখে। হার্ভের ওয়েনস্টিনের মতো ক্ষমতাধর ব্যক্তিরাও এই অভিযোগ থেকে মুক্তি পাচ্ছে না। চলমান প্রতিবাদ অনেকটা আন্দোলনে রূপ নিয়েছে। এবার সেই আন্দোলনের বাতাস লেগেছে ব্রিটেনেও। দেশটির একাধিক অভিনেত্রী সোচ্চার হয়ে উঠেছেন। জোটবদ্ধ হয়েছেন যৌন হয়রানি বন্ধে। সম্প্রতি একটি খোলা চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন ১৯০ ব্রিটিশ অভিনেত্রী। গণমাধ্যমে প্রকাশিত সেই খোলা চিঠিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন- এমা থম্পসন, কেইরা নাইটলি ও এমা ওয়াটসনের মতো তারকারা। যৌন হয়রানির শিকার নারীদের সাহায্যার্থে তহবিল গড়ারও উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। যাতে এরইমধ্যে এক মিলিয়ন ডলার দিয়েছেন এমা ওয়াটসন। উল্লেখ্য, রবিবার রাতে লন্ডনে বসতে যাচ্ছে বাফটা অ্যাওয়ার্ডের আসর। যৌন হয়রানির প্রতিবাদ জানাতে আসরে লাল গালিচায় কালো পোশাক পরে আসবেন তারকারা। এর আগেও বিভিন্ন অ্যাওয়ার্ডের আসরে কালো পোশাক পরেছিলেন তারকারা। অপরদিকে সম্প্রতি মার্কিন পপ সঙ্গীতের পুরষ্কার অনুষ্ঠান গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডের সময় তারকারা সাদা গোলাপ পরে যৌন নিপীড়নের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছিলেন। গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডের ওই বিক্ষোভ ছিলো স্বতঃস্ফূর্ত। এরপর যৌন নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার ঘোষণা দেয় ব্রিটেনের পপ সংগীতের সেরা পুরষ্কার ব্রিট অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানের উপস্থাপক, অতিথি এবং পারফর্মাররা। সূত্র : দ্য অবজারভার এসএ/  
বর্ণবৈষম্যের অভিযোগ ব্ল্যাক মেরিল স্ট্রিপের

ভায়োলা ডেভিস। হলিউডের কৃষ্ণাঙ্গ অভিনেত্রী। গায়ের রং কালো হলেও ভক্তরা তাকে তুলোনা করেন সুন্দরী অভিনেত্রী মেরিল স্ট্রিপের সঙ্গে। অস্কার জয়ী এ অভিনেত্রীর পারিশ্রমিক অনেকের চেয়ে কম। সিনেমার প্রস্তুাবও খুব একটা আসে না তার কাছে। ইতিমধ্যে হলিউডে ৩০ বছরের ক্যরিয়ার শেষ করেছেন তিনি। তবে এ সময়ের মধ্যে অনেক তিক্ত অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন ভায়োলা। আর এর কারণ হিসেবে বর্ণবৈষম্যকেই দায়ী করেছেন তিনি। সম্প্রতি কৃষ্ণাঙ্গ এ অভিনেত্রী জানান, মেরিল স্ট্রিপ, জুলিয়ান মুরেরা তার মতো একই পথ পাড়ি দিয়েছেন। কিন্তু এখনও তিনি তাদের কাছে পৌঁছাতে পারেননি। অর্থের দিক দিয়েও নয়, চাকরির সুযোগের দিক দিয়েও নয়। লস অ্যাঞ্জেলেসে ‘ওম্যান ইন দ্য ওয়ার্ল্ড স্যালন’ অনুষ্ঠানে ৫২ বছর বয়সী ভায়োলা ডেভিস আরও বলেন, মানুষ বলে, ‘তুমি ব্ল্যাক মেরিল স্ট্রিপ। আমরা তোমাকে ভালোবাসি। তোমার মতো আরেকজন হয় না।’ তাই যদি হয়, তোমরা যদি মনে করো আমার মতো কেউ এত যোগ্য না- তবে আমার যোগ্য সম্মানটা অন্তত দাও। সূত্র : নিউজ ইয়র্ক ডেইলি নিউজ এসএ/  

আজ দেখুন সেরা দশ রোমান্টিক সিনেমা

আজ বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। এদিন প্রিয় মানুষটিকে নিয়ে অনেকেই হয়তো অনেক পরিকল্পনা করেছেন। কেউ ঘুরে বেড়াবেন সারাদিন, কেউ আপন মানুষটিকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানাবেন, কেউ আবার প্রিয় মানুষটিকে নিয়ে একান্তে সময় কাটাবেন। সবার জন্যই থাকছে আজকের আয়োজন। সুযোগ করে আজ আপনি আপনার ভালোবাসার মানুষটিকে নিয়ে দেখতে পারেন কিছু রোমান্টিক সিনেমা। ভালোবাসা দিবস উপলক্ষ্যে সেরা দশ রোমান্টিক সিনেমার তালিকা নিয়ে তৈরি করা হয়েছে এই প্রতিবেদন। জুলস অ্যান্ড জিম স্থান প্যারিস। ১৯৬২ সাল। ফরাসি নিউ ওয়েভ সিনেমার স্বর্ণযুগ। মুক্তি পায়া ‘জুলস অ্যান্ড জিম’। মানবীয় আবেগের জটিলতার প্রকাশ এবং পর্দায় নারীর প্রথাগত উপস্থাপনের বাইরে যাওয়ার প্রচেষ্টা - দুইয়ে মিলে নতুন এক মাইলফলকের সৃষ্টি করে ত্রিভূজ প্রেমের এই গল্প। ক্যাথরিন নামের এক ফরাসি নারী একই সঙ্গে প্রেমে পড়েছে দুই তরুণের। একজন জুলস, জাতে জার্মান। অপরজন জিম, ফরাসি। দুই পুরুষও পাগলের মতোই ভালবাসে ক্যাথরিনকে। দুজনেরই সঙ্গেই প্রেম এগিয়ে যেতে থাকে সমান তালে। আ রুম উইথ আ ভিউ কদিন বাদেই বিয়ের পিড়িতে বসছে লুসি। বোন শার্লটকে নিয়ে তাই সে বেড়াতে এসেছে ইতালির ফ্লোরেন্সে। খুঁজে পেতে একটা হোটেলে উঠলো বটে তারা, কিন্তু ঘরে ঢুকে দেখে সেখানে নেই কোনো জানালা। ঠিক এমন সময়ই তাদের সাহায্যে এগিয়ে এল মিস্টার এমারসন এবং তার তরুণ ছেলে জর্জ। স্বাপ্নিক এই তরুণের প্রেমেই অবশেষে পড়ে যায় লুসি। ওদিকে ফ্লোরেন্সের দিনগুলি শেষ হয়ে এলে লুসি টের পায়, ব্রিটেনে, নিজের শহরে ফিরে যেতে হবে তাকে তার বাগদত্তের কাছেই। ১৯৮৫ সালের সিনেমাটি স্মরণীয় হয়ে আছে মূল চরিত্রে হেলেনা বোনহ্যাম কার্টারের অনবদ্য অভিনয়ের জন্য। ই এম ফ্রস্টারের উপন্যাস অবলম্বনে এটি পরিচালনা করেছিলেন জেমস আইভরি। অভিনয়ে হেলেনাকে সঙ্গ দিয়েছিলেন ম্যাগি স্মিথ, ডেনহম এলিয়টের মতো শিল্পীরা। ইটারনাল সানশাইন অফ আ স্পটলেস মাইন্ড ব্রিটিশ অভিনেত্রী কেইট উইন্সলেটের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় হিট ‘টাইটানিক’ হলেও চলচ্চিত্রপ্রেমীরা তাকে সবসময়ই মনে রাখবেন ‘ইটারনাল সানশাইন অফ আ স্পটলেস মাইন্ড’ সিনেমার নীল চুলের স্বাধীনচেতা মেয়ে ক্লেমেন্টাইন ক্রসিনস্কি হিসেবেই। অন্যদিকে কৌতুকাভিনেতা হিসেবে বিশ্বব্যাপী খ্যাতি পেলেও জিম ক্যারির ক্যারিয়ারের অন্যতম মাইলফলক যে এই সিনেমাটিই- সেটাও স্বীকার করবেন সবাই। প্রথম পরিচয়, প্রেমে পড়া, ধীরে ধীরে ভালবাসায় নিমজ্জিত হওয়া, আবার সেই ভালবাসার প্রতিই একসময় নিরাসক্ত হয়ে পড়া - আর দশটা মানবিক সম্পর্কের মতোই জোয়েল এবং ক্লেমেন্টাইনের ভালোবাসার গল্প। বিরহের তিক্ত স্মৃতিগুলোকে ভুলে যেতে দুজনেই শরণাপন্ন হয় একটি মানসিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের। তিক্ত স্মৃতি ভুলতে ভুলতেই তারা নতুন করে আবিষ্কার করে তাদের হারিয়ে যাওয়া ভালোবাসার মুহূর্তগুলোকে। এমরকমই এক গল্পকে আলেকজান্ডার পোপের কবিতা থেকে ধার করা শিরোনাম দিয়ে সেলুলয়েডের ফিতায় বেঁধে ফেলেছিলেন মাইকেল গন্ড্রি। চার্লস কফম্যানের অনবদ্য চিত্রনাট্যে সিনেমাটি হয়ে উঠেছে আরও উপভোগ্য। হ্যানা অ্যান্ড হার সিস্টার্স ‘ম্যানহ্যাটান’ খ্যাত নির্মাতা আর উডি অ্যালেনের সবচেয়ে হিট সিনেমা ১৯৮৬ সালের ‘হ্যানা অ্যান্ড হার সিস্টার্স’। সিনেমায় মিয়া ফ্যারো অভিনয় করেছেন হ্যানা নামের এক গৃহবধুর চরিত্রে, যার স্বামী এলিয়ট প্রেমে পড়ে যায় তারই বোন লিয়ের। ওদিকে একই সময়ে হ্যানার আরেক বোন হলির সঙ্গে প্রেমে মগ্ন হ্যানারই সাবেক স্বামী মিকি। সিনেমায় এলিয়টের চরিত্রে অসাধারণ অভিনয় করে পার্শ্ব-চরিত্রে সেরা অভিনেতার অস্কার সেবার বাগিয়ে নিয়েছিলেন মাইকেল কেইন। মিয়া ফ্যারোও প্রশংসিত হয়েছিলেন অদ্ভূত রকমের মানসিক সঙ্কটের মধ্যে থেকেও দৃঢ়চেতা এক চরিত্রে অভিনয়ের সুবাদে। দ‍্য অ‍্যাপার্টমেন্ট ‘সাম লাইক ইট হট` মুক্তির পরের বছরই নির্মাতা বিলি ওয়াইল্ডার দর্শকদের উপহার দিলেন আরেকটি কালজয়ী কমেডি- ‘দ‍্য অ‍্যাপার্টমেন্ট`। বক্স-অফিসে দারুন জনপ্রিয় হওয়া সিনেমাটি সমালোচকদেরও মন জয় করে নিয়েছিল সমানভাবে। জিতে নিয়েছিল সেরা চলচ্চিত্র, সেরা পরিচালনা এবং সেরা চিত্রনাট‍্যসহ ৫ টি অস্কার। সিনেমার কেন্দ্রীয় চরিত্র বাড ব‍্যাক্সটার নামে এক কেরানি, যে নিজের অ‍্যাপার্টমেন্টটিকে অফিসের সহকর্মীদের যৌনক্রিয়ার জন্য ভাড়া দিয়ে থাকে। একদিন নিজের ঐ অ‍্যাপার্টমেন্টই সে আবিষ্কার করে তার স্বপ্নকন্যাকে, যে সঙ্গে করে নিয়ে এসেছে তাদেরই পরিচিত একজনকে। বিলি ওয়াইল্ডারের এই সিনেমার অন‍্যতম গুণ, সিনেমাটি একদমই বাহুল্যবজর্িত। অত‍্যন্ত স্বতস্ফূর্তভাবে এগিয়েছে সিনেমার কাহিনি। ইন দ‍্য মুড ফর লাভ স্বামী বিশ্বাসঘাতকতা করছে স্ত্রীর সঙ্গে। প্রতারিত এই নারীর সমব‍্যাথী তারই মতো আরেক পুরুষ, যে ছলনার স্ত্রীর ছলনার শিকার। নিজেদের দুঃখ ভাগাভাগি করে নিতে নিতে একসময় একে অপরকে ভালোবেসে ফেলেন তারা। কিন্তু নিজেরা দাম্পত‍্যজীবনে বিশ্বাসঘাতকতা করবেন না বলে মনের কথা মনেই চেপে রাখেন। হংকং-এর নির্মাতা ওং কার-ওয়াইয়ের ‘ইন দ‍্য মুড ফর লাভ`-এর গল্প এমনই স্পর্শকাতরতায় পূর্ণ। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে প্রধান দুই চরিত্রে টনি লিওয়াং এবং ম‍্যাগি চিওয়াং-এর অভিনয়। তবে সবকিছুকে ছাড়িয়ে গেছে সিনেমাটির চিত্রগ্রহণ। অনুপম দৃশ্যবিন‍্যাসের কারণেই সিনেমাটি চলচ্চিত্রপ্রেমীদের বিশেষ পি্রয়। ব্রেথলেস সময়টা ১৯৬০ সাল। হলিউডের স্বর্ণযুগের সূর্য তখন অস্তগামী। ফ্রান্সে ঠিক তখনই ‘ব্রেথলেস` দিয়ে চলচ্চিত্রের ভাষা বদলে ফেললেন নির্মাতা জ‍্যঁ লুক গদার। জন্ম নিল নতুন এক চলচ্চিত্রধারার, যা আজ নিউ ওয়েভ সিনেমা নামে পরিচিত। সিনেমার গল্প এক ছিঁচকে চোরকে নিয়ে, যে দুর্ঘটনাবশত এক পুলিশকে মেরে ফেলে। এর মধ্যে সে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছে এক মার্কিন তরুণীর সঙ্গে। শাস্তির ভয়ে তাকে নিয়ে ইতালি পালাতে চায় সে। তবে কাহিনি গুরুত্বপূর্ণ নয় এই সিনেমার জন্য। সিনেমার ক্রমিক বয়ানের ধারাকে সম্পূর্ণ অগ্রাহ্য করেছিলেন গদার। সেই সঙ্গে হলিউডের প্রচলিত চলচ্চিত্রকাঠামোকে গুড়িয়ে দিয়েছিলেন। আর তার ফলশ্রুতিতে দর্শক মুখোমুখি হতে পেরেছে অভিনব এক চলচ্চিত্রিক অভিজ্ঞতার।   বিফোর সানরাইজ, বিফোর সানরাইজ, বিফোর সানরাইজ রিচার্ড লিঙ্কলেটার বিশ্ববাসীকে চিনেছিলেন তার রোমান্টিক সিনেমাত্রয়ী ‘বিফোর সানরাইজ`, ‘বিফোর সানসেট` এবং ‘বিফোর মিডনাইট` দিয়ে। তিনটি সিনেমারই কেন্দ্রীয় চরিত্র প্রেমিক যুগল সেলিন এবং জেসি। ইথান হক এবং জুলি ডেপলি অভিনীত এই দুই চরিত্রের পরিচয়, প্রণয়, বিচ্ছেদ এবং সবশেষে পুনর্মিলন- এমনই সরলরৈখিক গল্প নিয়ে এগিয়ে গেছে সিনেমা তিনটির গল্প। তারপরও এগুলো রোমান্টিক সিনেমাপ্রেমী সব দর্শকদের পছন্দের তালিকার শীর্ষে, তার কারণ নির্মাণকুশলতা। কেবল প্রেমে পড়াই নয়, ভালোবাসার সবগুলো দিক ঘুড়ে বেড়ানো সিনেমা তিনটি তাই সহজ ভাষায় বলে চলে বেঁচে থাকারই দারুণ সুন্দর অভিজ্ঞতার কথা। কাসাব্লাঙ্কা পৃথিবীর যে কোনো প্রান্তের যে কোনো রোমান্টিক সিনেমার তালিকা অসম্পূর্ণ থেকে যাবে হামফ্রে বোগার্ট এবংইনগ্রিড বার্গম‍্যান অভিনীত এই সিনেমাটির কথা না বললে। গল্পের মোড়ে মোড়ে দ্বন্দ্ব, নির্মেদ কথন, দারুণ নির্মাণশৈলী আর অসাধারণ অভিনয় নৈপুণ‍্য- সব মিলিয়েই কালোত্তীর্ণ সিনেমার সব রসদই যে আছে সিনেমাটিতে। আর সিনেমার শেষে ‘বড় প্রেম কবল কাছেই টানেনা, দূরেও ঠেলে দেয়`- এই আপ্ত বাক‍্যকে সত‍্য প্রমাণ করা পরিণতি ‘কাসাব্লাঙ্কা`কে যেন তুলে ধরে এক অনন‍্য উচ্চতায়। ব্রিফ এনকাউন্টার কিছু প্রেম ছোটগল্পের মতো ‘শেষ হইয়াও হয় না শেষ’। এই সিনেমাটিও তেমন। ট্রেন যাত্রায় এক নিষিদ্ধ আকর্ষণের টানে যে প্রেমের শুরু, তা শেষও হয়ে যায় ট্রেনের হুইসেলের সঙ্গে সঙ্গে। হলিউডের সবচেয়ে বিখ‍্যাত ক্লাসিক রোমান্টিক এই সিনেমায় ক্ষণিকের প্রেমিক-যুগলের ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন সিলিয়া জনসন এবং ট্রেভর হাওয়ার্ড। ক‍্যামেরার পেছনে ছিলেন ডেভিড লিন। হলিউডে বর্তমানেও অসংখ্য ভালো ভালো রোমান্টিক সিনেমা নির্মাণ হচ্ছে। তবে এই সিনেমাগুলো সময়ের সঙ্গে পুরোন হয়ে গেলেও আজও সকল রোমান্টিকতাকে ছাড়িয়ে যাবে। তাই আজকের বিশেষ দিনটিকে আরও রঙিন করতে দেখেনিতে পারেন সিনেমাগুলো। এসএ/  

হার্ভের বিরুদ্ধে নিউ ইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেলের মামলা

বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না হলিউডের প্রযোজক হার্ভে ওয়েনস্টিনের। যৌন হয়রানির দায়ে অভিযুক্ত এই চলচ্চিত্র প্রযোজকের বিরুদ্ধে এবার মামলা করেছেন নিউ ইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল এরিক স্নেইডারম্যান। ডজনখানের যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠার পর নিজের মিরাম্যাক্স স্টুডিও থেকে বহিষ্কার করা হয় হার্ভেকে। সম্প্রতি হার্ভের ‘দ্য ওয়েনস্টিন কোম্পানি’ বিক্রি করার পদক্ষেপ নেয়া হয়। কিন্তু অ্যাটর্নি জেনারেলের মামলার কারণে এটি আটকে গেছে। সহজে এটি আর বিক্রি করা সম্ভব হচ্ছে না। মামলায় হার্ভের ভাই ও কোম্পানির সহ প্রতিষ্ঠাতা রবাট ওয়েনস্টিনকেও আসামি করা হয়েছে। অ্যাটর্নি জেনারেল অভিযোগ করেছেন, হার্ভের হাত থেকে কর্মীদের বাঁচাতে স্টুডিও কর্তৃপক্ষ ব্যর্থ হয়েছে। ওয়েনস্টিন নারী কর্মীদের হেনস্থা করেছেন এবং মৌখিকভাবে তাদের হত্যার হুমকি দিয়েছেন। অপরদিকে ওয়েনস্টিনের আইনজীবী বলেছেন, ‘সুষ্ঠু তদন্ত হলে বেশিরভাগ অভিযোগের সত্যতা মিলবে না।’ মামলার বিষয়ে ওয়েনস্টিনের কোম্পানি এখনও কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। সূত্র : সিএনএন ও বিবিসি এসএ/  

ট্রাম্প কন্যার সঙ্গে অভিনেতা জোন্সের ডেটিং!

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়ে ইভাঙ্কা ট্রাম্প। লাস্যময়ী এই নারী অনেকের ক্রাশ। মায়ের মত তিনিও বেশ সুন্দরী। মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারণার সময় থেকেই ডোনাল্ড ট্রাম্পের কন্যা ইভাঙ্কা রয়েছেন আলোচনায়। ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর ধারণা করা হচ্ছিল ট্রাম্প প্রশাসনে বড় প্রভাব থাকবে ইভাঙ্কার। হয়েছেও তাই। ইভাঙ্কা ট্রাম্প এখন তার বাবার একজন উপদেষ্টা। সে তো গেলো রাজনৈতিক ব্যাপার। কিন্তু ব্যাক্তিগত জীবনে এই লাস্যময়ী অনেক পুরুষেরই ঘুম কেড়ে নিয়েছেন। সম্প্রতি জানা গেছে, ১২ বছর আগে ইভাঙ্কার সঙ্গে ডেট করেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রবীণ অভিনেতা কুইন্সি জোন্স। এক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করে বলেছেন, ১২ বছর আগে আমার মেয়ে কিডাডার (প্রাক্তন মডেল ও বর্তমানে ডিজাইনার) সঙ্গে কাজ করছিল টমি হিলফিজার। ও আমাকে বলে, ইভাঙ্কা আমার সঙ্গে ডিনারে যেতে চায়। আমি বলি, কোনও সমস্যা নেই। ইভাঙ্কাকে সুন্দরী নারী বলে উল্লেখ করলেও, বাবা ট্রাম্প সম্পর্কে এই সাক্ষাৎকারে একাধিকবার অশ্লীল শব্দ প্রয়োগ করেছেন জোন্স। তিনি বলেছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আমি সহ্য করতে পারি না। ও ছোট মনের লোক, ক্ষমতালোভী এবং অহংকারী। তবে ইভাঙ্কার সঙ্গে আমি ডেট করেছি। বর্তমানে জোন্সের বয়স ৮৩। ইভাঙ্কার বয়স ৩৬। জোন্সের সঙ্গে সত্যিই ডেট করেছিলেন কি না, সে বিষয়ে এখনও কোনও মন্তব্য করেননি মার্কিন প্রেসিডেন্টের মেয়ে। সূত্র : ফক্স নিউজ এসএ/  

যুক্তরাষ্ট্রের টিভি অভিনেতা মেহনি আর নেই

যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় অভিনেতা জন মেহনি আর নেই। দীর্ঘদিন ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করে অবশেষে গত ৬ ফেব্রুয়ারি তিনি হাসাপাতালে থাকা অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৭ বছর বয়স। যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে জনপ্রিয় টিভি সিরিয়াল সিটকমে ফ্রেইজার চরিত্রে অভিনয় করে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন মেহনি। তাকে অনেকেই ফ্রেইজার নামে ডাকতেন। জীবদ্দশায় তিনি সিটকমের ১১টি সিরিজেই অভিনয় করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ চলচ্চিত্র পুরস্কার গোল্ডেন গ্লোবসের জন্যও মনোনীত হয়েছিলেন। শিকাগোর স্টিফেনওলফ থিয়েটার কোম্পানি তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। ওই থিয়েটারের সঙ্গে মেহনি ৩৯ বছর ধরে সম্পৃক্ত ছিলেন বলে জানা গেছে। মেহনি যুক্তরাজ্যে জন্মগ্রহণ করলেও ১৯ বছর বয়সে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান। যুক্তরাষ্ট্রের একটি কলেজে অধ্যাপনার জন্য তিনি দেশটিতে পাড়ি জমিয়েছিলেন। তবে শেষে শিক্ষকতা ছেড়ে যোগ দেন অভিনয়ে। সেখানেও সফল গুণী এই ব্যক্তি। সূত্র: এএফপিএমজে/

ভয়ঙ্কর ‘ফলেন কিংডম’র নতুন ট্রেইলার (ভিডিও)

‘ফলেন কিংডম’ সিনেমাটি মুক্তি পাচ্ছে আগামী জুনে। সিনেমাটি ২০১৫ সালে মুক্তি পাওয়া ‘জুরাসিক ওয়ার্ল্ড’ সিনেমার সিক্যুয়েল হিসেবে তৈরি করা হয়েছে। এরইমধ্যে সিনেমাটির নতুন ট্রেইলার মুক্তি দেয়া হয়েছে। প্রথম ট্রেইলারটি প্রকাশ করা হয়েছিল গত বছর। প্রথমটির চেয়ে দ্বিতীয় এই ট্রেইলারটি আরও বেশি ভয়ঙ্কর এবং কৌতূহলোদ্দীপক। এতে দেখানো হয়েছে, ডাইনোসর স্বয়ং ঢুকে পড়েছে বেডরুমে। ‘জুরাসিক ওয়ার্ল্ড : ফলেন কিংডম’ সিনেমাতে ক্রিস প্র্যাট ও ব্রাইস ডালাসের চরিত্র দুটি ফিরিয়ে আনা হয়েছে যারা ডাইনোসরকে বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষার চেষ্টা করেন। জে.এ.বেয়না পরিচালিত সিনেমাটি মুক্তি পাচ্ছে ২২ জুন। নতুন ট্রেইলার দেখুন : এসএ/

অভিনেত্রী উমার সামনে নগ্ন হতে চেয়েছিলেন ওয়েনস্টিন

হার্ভে ওয়েনস্টিন। কুয়েন্টিন তারান্তিনো পরিচালিত বিশ্ব চলচ্চিত্রের ইতিহাসে অন্যতম মাস্টারপিস ‘পালপ ফিকশন’ সিনেমার অন্যতম নির্বাহী প্রযোজক। হার্ভের বিরুদ্ধে এ পর্যন্ত ডজন ডজন হলিউড অভিনেত্রী যৌন হয়রানির অভিযোগ তুলেছেন। এবার তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন আরেক অভিনেত্রী উমা থারম্যান। ‘পালপ ফিকশন’ সিনেমার মূল চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। গত নভেম্বরে হার্ভের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করলেও সরাসরি কোনো অভিযোগ করেননি উমা। এবার নিউ ইয়র্ক টাইমসে লেখা প্রতিবেদনে তিনি এর বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন। ‘কেন উমা রাগান্বিত’ শিরোনামে ওই প্রতিবেদনে উমা বলেন, হার্ভে আমাকে নিচে ছুড়ে ফেলেছিল এবং আমার সামনে নগ্ন হওয়ার চেষ্টা করছিল। ১৯৯০ এর কোনো এক সময়ে লন্ডনে প্রযোজকদের হোটেল রুমে এ ঘটনা ঘটে।’ ৪৭ বছর বয়সী উমা আরও জানান, ‘তিনি সেখান থেকে কোনো মতে পালিয়ে এসেছিলেন।’ তবে হার্ভের নারী মুখপাত্র এসবকে অসত্য বলে দাবি করেছেন। শুধু হার্ভের বিরুদ্ধেই নয়, উমা তার এক সহঅভিনেতার বিরুদ্ধেও অভিযোগ এনেছেন। উমা বলেন, কিশোরী বয়সে তাকে শারিরীক সম্পর্ক স্থাপনে বাধ্য করেন এক অভিনেতা- যে তার চেয়ে ওই সময় ২০ বছরের বড় ছিল। সূত্র : নিউ ইয়র্ক টাইমস এসএ/  

গাগার শরীরে প্রচণ্ড ব্যথা, কনসার্ট বাতিল

মার্কিন পপ তারকা লেডি গাগার শরীরে প্রচণ্ড ব্যথা। এ জন্য তিনি বাতিল করলেন ইউরোপ সফর। ৩১ বছর বয়সী এ সংগীতশিল্পী এক টুইটে ভক্তদের কাছে এ জন্য ক্ষমা চেয়েন। তিনি লিখেছেন, ‘আমি ভীষণ বিধ্বস্ত। শারীরিকভাবে সুস্থ হয়ে উঠতে চাই আগে।’ গ্রামি অ্যাওয়ার্ডজয়ী এ তারকা শিল্পী বছর তিনেক ধরে ‘ফিব্রোমায়ালজিয়া’ নামক জটিল রোগে ভুগছেন। এতে তার পুরো শরীরে তীব্র ব্যথা হয়। একই সমস্যায় গত বছর ব্রাজিলের রক ইন রিও ফেস্টিভ্যালে পারফর্ম করতে পারেননি তিনি। ওয়ার্ল্ড ট্যুরের অংশ হিসেবে ইউরোপ অধ্যায়ে রোববার লন্ডন ও মঙ্গলবার মানচেস্টারের দুই কনসার্টে অংশ নেওয়ার কথা ছিল তার। টিকিট বিক্রিও ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। লন্ডনের মঞ্চে উঠার একদিন আগেই কনসার্টগুলো বাতিলের ঘোষণা এলো তার কাছ থেকে। উল্লেখ্য, লেডি গাগার এই সমস্যা ধরা পড়ে ২০১৬ সালে। গতবছরের শেষ দিকে গুরুতর অসুস্থ হয়ে যুক্তরাষ্ট্রের একটি হাসপাতালে ভর্তিও হয়েছিলেন তিনি। সূত্র : সিএনএন এসএ/

ধর্ম ত্যাগ করবেন টম ক্রুজ!

চার্চ অব সাইন্টোলজির কঠিন নিয়ম কানুনের জন্য মেয়ে সুরির (১১) সঙ্গে পাঁচ বছর ধরে দেখা নেই টম ক্রুজের। এ কারণে ধর্ম ত্যাগ করতে প্রস্তুত ৫৬ বছর বয়সী এই হলিউড অভিনেতা। ২০১২ সালের আগস্টে বাবা-মেয়েকে সর্বশেষ প্রকাশ্যে দেখা গেছে ফ্লোরিয়ার ডিজনির একটি পার্কে। হোমস কেটির কাছের একটি সূত্রের তথ্যানুযায়ী, মেয়েকে ফিরে পেতে চাইলে চার্চ থেকে বের হয়ে আসতে হবে টমকে। আর এ কারণেই ধারণা করা হচ্ছে, জীবনের সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছেন এ হলিউড অভিনেতা। ২০১২ সালে অভিনেত্রী কেটি হোমসের সঙ্গে ডিভোর্স হয় টম ক্রুজের। এর পর থেকে মায়ের কাছেই রয়েছে মেয়ে সুরি। ডিভোর্সের পর সাইন্টোলজি ছেড়ে ক্যাথলিক চার্চে ফিরে যান কেটি। টমের অনুপস্থিতিতে একা একা মেয়েকে লালন-পালন করতে গিয়ে হাপিয়ে উঠেছেন ৩৯ বছর বয়সী কেটি। অন্যদিকে বাবা ছাড়া সুরির বেড়ে উঠা কঠিন হয়ে পড়ছে। উল্লেখ্য, ১৯৯০ সালে সাইন্টোলজিতে যোগ দেওয়ার পর টম এ ধর্মটির পক্ষে নানান উদ্যোগ নেয়। তাই দীর্ঘদিন পালন করা নিয়মকানুন ছেড়ে দেওয়া হয়ত কঠিনই হবে টমের পক্ষে। সূত্র: হলিউডলাইফ ডট কম একে// এআর

আবারও বিতর্কে কিম কার্দেশিয়ান

কিম কার্দেশিয়ান। নামটা শুনলেই সবার মধ্যে অন্যরকম অনুভুতি কাজ করে। কারণ এই তারকা বরাবরই একটু বেশি হট। নিজেকে খোলামেলা ভাবে প্রকাশ করতে পারাটাকে তিনি বোধকরি গৌরবের মনে করেন। এবারও তিনি শিরোনামে এসেছেন এমন একটি গরম খবরের শিরোনাম হয়ে। ‘ফ্রি দ্য নিপল’ হ্যাশট্যাগ দিয়ে একটি ছবি পোস্ট করেছেন ইনস্টাগ্রামে। তবে এবার বিপ্লব করলেন কিম কার্দেশিয়ান। ‘নিপল’ কে সম্পূর্ণভাবে ‘ফ্রি’ করে দিলেন তিনি। ছবি নিয়ে রীতিমত বিতর্ক তৈরি হয়েছে। কারণ বিতর্ক তৈরি হওয়ার মতই ছবি। শরীর থেকে পোশাক সম্পূর্ণ সরিয়ে ফেলেছেন এই তারকা। আর এতে উন্মুক্ত হয়ে গেছে বক্ষ। সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে কিছু ফটোশ্যুটের ছবি পোস্ট করেছেন কিম। তার মধ্যেই রয়েছে এরকম এক বিস্ফোরক ছবি। তবে ইনস্টাগ্রামের নিয়ম রক্ষার খাতিরে নিপলের উপর একটা চৌকা অংশ ব্লার করা রয়েছে। তা সত্ত্বেও পোস্টটি ডিলিট করে দেওয়া হবে কিনা সেটাই দেখার বিষয়। তাঁর পরনে রয়েছে একটি সাদা থং আর ফারের কালো রঙের কোট। নিজে হাতেই কোটটি সরিয়ে ছবি তুলেছেন তিনি। ছবিটিতে কোনও ক্যাপশন দেননি তিনি। শুধু তাই নয়, পরপর বেশ কয়েকটি ছবি পোস্ট করেছেন কিম। কোনোটিতে তাঁর পরনে বিকিনি, কোনোটিতে থং। সূত্র : কলকাতা টুইন্টিফোর এসএ/

টম ক্রুজের নতুন মিশন

হলিউড নায়ক টম ক্রুজ যুক্ত হলেন ইনস্টাগ্রামে। গত ২৬ জানুয়ারি এই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রবেশ করেন তিনি। তিনি যে ভক্তদের কাছে বেশ জনপ্রিয় তা আবারও প্রমাণ করলেন। একদিন যেতে না যেতেই ৭ লাখ ফলোয়ার হয়ে গেছে তার। ইনস্টাগ্রামে এসে একটুও সময় নষ্ট করেননি অস্কারজয়ী টম। ‘মিশন : ইমপসিবল’ সিরিজের ষষ্ঠ কিস্তির নতুন দুটি ছবি পোস্ট করেছেন তিনি। এর একটিতে আছে ক্ল্যাপারবোর্ড। এতে জানা গেলো সিনেমাটির নাম ‘মিশন : ইমপসিবল-ফলআউট’। স্থিরচিত্রটির ক্যাপশনে টম ক্রুজ লিখেছেন, ‘তৈরি হোন।’ অন্যটিতে দেখা যাচ্ছে, ৫৫ বছর বয়সী এই তারকা একটি হেলিকপ্টারের বাইরের অংশে ঝুলে আছেন। ‌ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‘আমরা ষষ্ঠ মিশন ইমপসিবল নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি। আপনাদের আরও কিছু জানাতে অধির অপেক্ষায় রয়েছি।’ ‘মিশন : ইমপসিবল-ফলআউট’ সিনেমার কাজ করতে গিয়ে গত বছর গোড়ালিতে চোট পান টম ক্রুজ। এ কারণে শুটিং স্থগিত ছিল অনেকদিন। লন্ডনে এক ভবন থেকে আরেকটিতে লাফ দেওয়ার সময় আহত হন তিনি। সিরিজের আগের পর্ব ‘মিশন : ইমপসিবল-রোগ নেশন’ একটি উড়োজাহাজের বাইরে ঝুলতে দেখা গেছে টম ক্রুজকে। ওই সিনেমার মতো এবারও পরিচালনার দায়িত্বে আছেন ক্রিস্টোফার ম্যাককোয়ারি। সূত্র : এনএমই ডট কম এসএ/  

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি