ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৪ অক্টোবর, ২০১৭ ২:৩৬:৪১

৩৭তম বিসিএস : লিখিতের ফল আগামী সপ্তাহের যেকোনো দিন

৩৭তম বিসিএস : লিখিতের ফল আগামী সপ্তাহের যেকোনো দিন

অবশেষে অবসান হতে যাচ্ছে ৩৭তম বিসিএস পরীক্ষার্থীদের প্রতিক্ষার। লিখিত পরীক্ষার ফল খুব শিগগিরই প্রকাশ করা হচ্ছে। মঙ্গলবার ৩৬তম বিসিএস পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল প্রকাশের পর এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী সপ্তাহের যেকোনো দিন ৩৭তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ হতে পারে। এমন আভাস পাওয়া গেছে পিএসসি সূত্রে। সূত্র জানায়, ৩৭ তম বিসিএস পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন ও ফলাফল তৈরির কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এগুলো এই সপ্তাহের মধ্যেই শেষ হয়ে যাবে। ৩৭ তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ সম্পর্কে পিএসসির  একজন উর্দ্ধতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ৩৭তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফল অল্প সময়ের মধ্যে প্রকাশ করা হয়। লিখিত পরীক্ষার ফলাফলও চূড়ান্ত পর্যায়ে আছে। দ্রুত প্রকাশের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আগামী সপ্তাহের মধ্যেই ফল প্রকাশের প্রস্তুতি চলছে। এ লক্ষ্যে যাবতীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। সব ঠিক থাকলে আগামী সপ্তাহে যে ৩৭ তম বিসিএসের লিখিতের ফল ঘোষণা করা হবে সেটি নিশ্চিত করেছেন পিএসসির চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সাদিক। মঙ্গলবার ৩৬ তমের ফল ঘোষণার পর তিনি বলেছিলেন, আগামী সাত দিনের মধ্যে ৩৭তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে। গত বছরের ১ নভেম্বর ৩৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফল ঘোষণা করা হয়। এতে উত্তীর্ণ হন ৮ হাজার ৫২৩ জন। বিসিএসের ইতিহাসে ওইবার এতো কম সময়ের মধ্যে প্রথম ধাপের ফল ঘোষণা হয়। গত ৩০ সেপ্টেম্বর এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন ২ লাখ ৪৩ হাজার ৪৭৬ জন পরীক্ষার্থী। মঙ্গলবার প্রকাশিত ৩৬তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলে দুই হাজার ৩২৩ জনকে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগের সুপারিশ করেছে সরকারি কর্ম কমিশন। এছাড়া আরও তিন হাজার ৩০৮ জনকে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির নন-ক্যাডার পদে নিয়োগের জন্য অপেক্ষমান রাখা হয়েছে। / এআর /
৩৬তম বিসিএস: ক্যাডার পাচ্ছেন ২৩২৩ জন

একটু আগেই ঘোষণা করা হয়েছে ৩৬তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল। এতে দুই হাজার ৩২৩ জনকে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগের সুপারিশ করেছে সরকারি কর্ম কমিশন। এছাড়া আরও তিন হাজার ৩০৮ জনকে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির নন-ক্যাডার পদে নিয়োগের জন্য অপেক্ষমান রাখা হয়েছে বলে কমিশনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাদিক জানিয়েছেন। বিকালে ফল প্রকাশের পর তিনি জানান , ৩৬তম বিসিএসের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় মোট ৫ হাজার ৬৩১ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। কিন্তু পদ স্বল্পতার জন্য ২ হাজার ৩২৩ জনকে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগের সুপারিশ করে বাকিদের নন-ক্যাডার পদে নিয়োগের জন্য রাখা হয়েছে। এদের মধ্য থেকে সর্বোচ্চ সংখ্যক চাকরিপ্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়ার লক্ষ্যে আমি প্রত্যেকটি মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন বলেও জানিয়েছেন কমিশনের চেয়ারম্যান। আগামী সাত দিনের মধ্যে ৩৭তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার ফলাফলও প্রকাশ করা হবে বলে জানান তিনি। বিসিএসের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও যারা ক্যাডার পান না, তাদের মধ্য থেকে ফলাফলের ভিত্তিতে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির নন-ক্যাডার পদে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। এ ধরনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট উত্তীর্ণ চাকরিপ্রার্থীকে সম্মতি জানিয়ে কমিশনে আবেদন করতে হয়। ৩৬তম বিসিএসের প্রিলিমিনারিতে দুই লাখ ১১ হাজার ৩২৬ জন চাকরিপ্রার্থী অংশ নেন। তাদের মধ্যে ১৩ হাজার ৮৩০ জনকে লিখিত পরীক্ষার জন্য মনোনীত করা হয়। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৫ হাজার ৯৯০ জনের মৌখিক পরীক্ষা নেওয়ার পর চূড়ান্ত এই ফল ঘোষণা করলো কমিশন।   এমআর

৩৬ তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ

বহু প্রতিক্ষার পর ৩৬তম বিসিএস পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন (বিপিএসসি)। মঙ্গলবার বিকাল ৫টার পর বিপিএসসির ওয়েবসাইটে এই ফল প্রকাশ করা হয়। ফল জানতে যোগাযোগ করুন বিপিএসসির www.bpsc.gov.bd এই ওয়েবসাইটে। এ ছাড়া টেলিটকের মাধ্যমে PSC<Space>36 <Space> Registration Numnber Send to 16222 নম্বরে এসএমএস পাঠালে ফলাফল পাওয়া যাবে। উদাহরণ: PSC 36123456 Send to 16222 ফল প্রকাশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পিএসসির তথ্য কর্মকর্তা ইশরাত শারমীন। পিএসসি সূত্রে জানা গেছে, ফলাফল সংক্রান্ত বিষয়ে আজ মঙ্গলবার দুপুর থেকেই দফায় দফায় সভা হয় পিএসসিতে। প্রসঙ্গত, ৩৬ তম বিসিএসের ফল দীর্ঘদিন ধরে আটকা ছিল। এ নিয়ে আবেদনকারীরা ছিলেন উদ্বিগ্ন। এ মাসের শুরুর দিকে পিএসসির চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সাদিক  অক্টোবরের মাঝামাঝি ফল প্রকাশের আভাস দিয়েছিলেন। অবশেষে সেই ফল ঘোষণা করা হলো।

বিজ্ঞান বিষয়ের প্রস্তুতি-২

১. সৌরকোষের বিদ্যুৎ রাতেরও ব্যবহার করা সম্ভব যদি এর সঙ্গে থাকে- ক) ট্রান্সফরমার      খ) জেনারেটর গ) স্টোরেজ ব্যাটারি    ঘ) ক্যাপাসিটর ২. বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ধীরে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ – ক) একই হয়    খ) বেশি হয় গ) কম হয়       ঘ) খুব কম হয় ৩) সমুদ্র স্রোতের অন্যতম কারণ- ক) বায়ু প্রবাহের প্রভাব খ) সমুদ্রের পানিতে তাপ পরিচালনা গ) সমুদ্রের পানিতে ঘনত্বের তারতম্য ঘ) সমুদ্রের ঘূর্ণিঝড় ৪. ধানের ফুলে পরাগ সংযোগ ঘটে- ক) বাতাসের সাহড্যে পরাগ ঝড়ে পড়ে খ) পাতা দ্বারা স্থানান্তরিত হয়ে গ) কীটপতঙ্গের সাহায্যে ঘ) ফুলে ফুলে সংস্পর্শে ৫. সমুদ্রপৃষ্ঠের বায়ুর চাপ প্রতি বর্গ সেন্টিমিটারে- ক) ১০ কিমি    খ) ১০ নিউটন গ) ২৭ কিমি    ঘ) ৫ কিমি ৬. সর্বপ্রথম যে উফশি ধান এ দেশে চালু হয়ে এখনো বর্তমান রয়েছে তা হলো- ক) ইরি-৮       খ) ইরি-১ গ) ইরি-২০    ঘ) ইরি-৩ ৭. ইস্পাত সাধারণ লোহা থেকে ভিন্ন। কারণ এতে- ক) বিশেষ ধরনের আকরিক ব্যবহার করা হয়েছে খ) সুনিয়ন্ত্রিত পরিমাণ কার্বন রয়েছে গ) লোহাকে টেম্পারিং করা হয়েছে ঘ) সব বিজাতীয় দ্রব্য বের করে দেয়া হয়েছে ৮. প্রাকৃতি গ্যাসের প্রধান উপাদন হলো- ক) নাইট্রোজেন গ্যাস      খ) মিথেন গ) হাইড্রোজেন গ্যাস      ঘ) কার্বন মনোক্সাইড ৯. মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা যা রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে তাকে বলা হয়- ক) পরমাণু        খ) ইলেকট্রন গ) অণু           ঘ) প্রোটন ১০. কাজ করার সামর্থকে বলে- ক) ক্ষমতা           খ) কাজ গ) শক্তি             ঘ) বল ১১. রংধনু সৃষ্টির বেলায় পানির কণাগুলো- ক) দর্পণের কাজ করে          খ) আতষী কাচের কাজ করে গ) লেন্সের কাজ করে          ঘ) প্রিজমের কাজ করে ১২. কাচ তৈরির প্রধান কাঁচামাল হলো- ক) জিপসাম                 খ) বালি গ) সাজি মাটি                ঘ) চুনাপাথর ১৩. নবায়নযোগ্য শক্তি উৎসের একটি উদাহরণ হলো- ক) পারমাণবিক জ্বালানি            খ) পীট কয়লা গ) ফুয়েল সেল                      ঘ) সূর্য ১৪. প্রেসার কুকারে রান্না তাড়াতাড়ি হয় কারণ- ক) রান্নার জন্য তাপ নয় চাপও কাজে লাগে খ) বদ্ধ পাত্রে তাপ সংরক্ষিত হয় গ) উচ্চচাপে তরলের স্ফূটনাংক বৃদ্ধি পায় ঘ) সঞ্চিত বাষ্পের তাপ রান্নায় সহায়ক ১৫. যে তিনটি মুখ্য বর্ণের সমন্বয়ে অন্যান্য বর্ণ সৃষ্টি করা যায় সেগুলো হলো- ক) লাল, হলুদ, নীল                খ) লাল, কমলা, বেগুনী গ) হলুদ, সবুজ, নীল              ঘ) লাল, নীল, সবুজ ১৬. জলজ উদ্ভিদ সহজে ভাসতে পারে, কারণ- ক) এরা অনেক ছোট হয়       খ) এদের কাণ্ডে অনেক বায়ু কুঠুরী থাকে গ) এরা পানিতে জন্মে        ঘ) এদের পাতা অনেক কম থাকে ১৭. নীচের কোনটি জীবাশ্ম জ্বালানী নয়- ক) পেট্রোলিয়াম        খ) কয়লা গ) প্রাকৃতিক গ্যাস      ঘ) বায়োগ্যাস ১৮. পৃথিবীর ঘূর্ণনের ফলে আমরা ফিটকিয়ে পড়ি না- ক) মহাকার্ষ বলের জন্য খ) মাধ্যকর্ষণ বলের জন্য গ) আমরা স্থির থাকার জন্য ঘ) পৃথিবীর সঙ্গে আমাদের আবর্তনের জন্য ১৯. যে বায়ু সবর্দাই উচ্চচাপ অঞ্চল হতে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়, তকে বলা হয়- ক) আয়ন বায়ু              খ) প্রত্যয়ন বায়ু গ) মৌসুমী বায়ু            ঘ) নিয়ত বায়ু ২০. আমাদের দেহ কোষ রক্ত হতে গ্রহণ করে- ক) অক্সিজেন ও গ্লুকোজ              খ) অক্সিজেন ও রক্তের আমিষ গ) ইউরিয়া ও গ্লুকোজ                ঘ) এমাইনো এসিড ও কার্বন ডাইঅক্সাইড   উত্তরমালা: ১. গ ২. ক ৩. ক ৪. ক ৫. খ ৬. ক ৭. খ ৮. খ ৯. ক ১০. গ ১১. ঘ ১২. খ ১৩. ঘ ১৪. গ ১৫. ঘ ১৬. খ ১৭. ঘ ১৮. খ ১৯.ঘ ২০. ক

দৈনন্দিন বিজ্ঞান বিষয়ের প্রস্তুতি

০১. গাড়ির ব্যাটারিতে কোন এসিড ব্যবহৃত হয়? ক) নাইট্রিক খ) সালফিউরিক গ) হাইড্রোক্লোরিক ঘ) পারক্লোরিক   ০২. বরফ পানিতে ভাবে কারণ বরফের তুলনায় পানির- ক) ঘনত্ব কম খ) ঘনত্ব বেশি গ) তাপমাত্রা বেশি ঘ) দ্রবণীয়তা বেশি   ০৩. মানব দেহে শক্তি উৎপাদনের প্রধান উৎস- ক) পরিপাক খ) খাদ্য গ্রহণ গ) শ্বসন ঘ) রক্ত সংবহন   ০৪. কোন ডালের সঙ্গে ল্যাথারাইজম রোগের সম্পর্ক রয়েছে? ক) মুগডাল খ) মশুর ডাল গ) খেসারী ঘ) মটর   ০৫. ইউরিয়া সার থেকে উদ্ভিদ কি খাদ্য উপাদান গ্রহণ করে? ক) ফসফরাস খ) নাইট্রোজেন গ) পটাশিয়াম ঘ) সালফার   ০৬. পরমাণুর নিউক্লিায়াসে কী কী থাকে? ক) নিউট্রন ও প্রোটন          খ) ইলেকট্রন ও প্রোটন গ) নিউট্রন ও পজিট্রন       ঘ) ইলেকট্রন ও পজিট্রন   ০৭. রক্তে হিমোগ্লোবিনের কাজ কী? ক) অক্সিজেন পরিবহন করা খ) রোগ প্রতিরোধ করা গ) রক্ত জমাট বাধতে সাহায্য করা ঘ) উপরে উল্লিখিত সবগুলো   ০৮. সুষম খাদ্যের উপাদান কয়টি? ক) ৪টি খ) ৬টি গ) ৫টি ঘ) ৮টি   ০৯. ইনসুলিন নি:সৃত হয় কোথা থেকে? ক) অগ্ন্যাশয় থেকে                  খ) লিভার থেকে গ) পিটুইটারি গ্লান্ড থেকে        ঘ) হৃদপিণ্ড থেকে   ১০. পানির জীব হয়েও বাতাসে নি:শ্বাস নেয়- ক) পটকা মাছ খ) হাঙ্গর গ) শুশুক ঘ) জেলি ফিস   ১১. অতিরিক্ত খাদ্য থেকে লিভারে সঞ্চিত সুগার হলো- ক) গ্লাইকোজেন খ) গ্লুকোজ গ) ফ্রুক্টোজ ঘ) সুক্রোজ   ১২. প্রাণী জগতের উৎপত্তি ও বংশ সম্বন্দীয় বিদ্যাকে বলে- ক) জুওলজি খ) বায়োলজি গ) ইভোলিউশন ঘ) জেনেটিক্স   ১৩. কোন খাদ্যে প্রোটিন বেশি? ক) ভাত খ) গরুর মাংস গ) মসুর ডাল ঘ) ময়দা   ১৪. হাড় ও দাঁতকে মজবুত করে- ক) আয়রন খ) আয়োডিন গ) ম্যাগনেশিয়াম ঘ) ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস   ১৫. সুনামির কারণ হলো- ক) আগ্নেয়গিরির অগ্ল্যুৎপাত      খ) ঘূর্ণীঝড় গ) চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ              ঘ) সমুদ্রের তলদেশে ভূমিকম্প   ১৬. ডায়াবেটিস রোগ সম্পর্কে যে তথ্যটি সঠিক নয়- ক) এ রোগে মানব দেহের কিনডনি নষ্ট করে খ) চিনি জাতীয় খাবার খেলে এ রোগ হয় গ) এ রোগ হলে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বৃদ্ধি পায় ঘ) ইনসুলিনের অভাবে এ রোগ হয়   ১৭ প্রাকৃতিক কোন উৎস হতে সবচেয় বেশি মৃদু পানি পাওয়া যায়? ক) নদী খ) সাগর গ) হ্রদ ঘ) বৃষ্টিপাত   ১৮. নবায়নযোগ্য জ্বালনি কোনটি? ক) পরমাণু শক্তি খ) কয়লা গ) পেট্রোল ঘ) প্রাকৃতিক গ্যাস   ১৯. জমির লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণ করে কোনটি? ক) কৃত্রিম সার প্রয়োগ খ) পানির সেচ গ) মাটিতে নাইট্রোজেন ধরে রাখা ঘ) প্রাকৃতিক গ্যাস প্রয়োগ করা   ২০. কোনটির বিদ্যুৎ পরিবাহিতা সবচেয়ে বেশি ক) তামা খ) রূপা গ) সোনা ঘ) কার্বন   ২১. কোনটি এন্টিবায়োটিক? ক) ইনসুলিন খ) পেপসিন গ) পেনিসিলিন ঘ) ইথিলিন   ২২. জন্ডিসে আক্রান্ত হয়- ক) যকৃত খ) কিডনি গ) পাকস্থলী ঘ) হৃদপিণ্ড   ২৩. কোনটি বিদ্যুৎ পরিবাহী নয়? ক) তামা খ) লোহা গ) রূপা ঘ) রাবার   ২৪. কোনটি নবায়ণযোগ্য শক্তির উৎস? ক) সূর্যরশ্মি খ) পীট কয়লা গ) পেট্রোল ঘ) প্রাকৃতিক গ্যাস   ২৫. ইন্টারনেট চালুর বছর- ক) ১৯৫৯ খ) ১৯৬৯ গ) ১৯৬৫ ঘ)১৯৬৭   ২৬. এমকেএস পদ্ধতিতে ভরের একক- ক) কিলোগ্রাম খ) পাউন্ড গ) গ্রাম ঘ) আউন্স   ২৭. কোনটিকে চুম্বকে পরিণত করা যায়? ক) তামা খ) ইস্পাত গ) পিতল ঘ) স্বর্ণ   ২৮. অ্যালটিমিটার কী? ক) তাপ পরিমাপক যন্ত      খ) উচ্চতা পরিমাপক যন্ত্র গ) উষ্ণতা পরিমাপক যন্ত্র   ঘ) গ্যাসের চাপ পরিমাপক যন্ত্র   ২৯. কোনটি মৌলিক পদার্থ? ক) লোহা খ) ব্রোঞ্জ গ) পানি ঘ) ইস্পাত   ৩০. কোন ধাতু স্বাভাবিক তাপমাত্রায় তরল থাকে? ক) পারদ খ) লিমিয়াম গ) জার্মেনিয়াম ঘ) ইউরেনিয়াম   ৩১. স্টেইনলেস স্টিলের অন্যতম উপাদান- ক) তামা খ) দস্তা গ) ক্রোমিয়াম ঘ) এলুমিনিয়াম   ৩২. সর্বপেক্ষা হালকা গ্যাস- ক) অক্সিজেন খ) হাইড্রোজেন গ) র‌্যাডন ঘ) নাইট্রোজেন   ৩৩. ভারি পানির সংকেত- ক)2HO2 খ)H2O গ)D2O ঘ)HD2O2   ৩৪. লোহাকে গ্যালভানাইজিং করতে ব্যবহৃত হয়- ক) তামা খ) দস্তা গ) রূপা ঘ) এলুমিনিয়াম   ৩৫. সংকর ধাতু পিতলের উপাদান- ক) তামা ও টিন            খ) তামা ও দস্তা গ) তামা ও সীসা            ঘ) তামা ও নিকেল   ৩৬. কোনটি সিমেন্ট তৈরির অন্যতম কাঁচামাল? ক) জিপসাম খ) সালফার গ) সোডিয়াম ঘ) খনিজ লবণ   ৩৭. বিগব্যাঙ তত্ত্বের প্রবক্তা- ক) আইনস্টাইন খ) জি ল্যামেটার গ) স্টিফেন হকিং ঘ) গ্যালিলিও   ৩৮. মহাজাগতিক রশ্মি আবিষ্কার করেন- ক) হেস খ) আইনস্টাইন গ) টলেমি ঘ) হাবল   ৩৯. দুধে থাকে- ক) সাইট্রিক এসিড                খ) ল্যাকট্রিক এসিড গ) নাইট্রিক এসিড               ঘ) এসিটিক এসিড   ৪০. কোনটি জৈব অম্ল- ক) নাইট্রিক এসিড            খ) হাইড্রোক্লোরিক এসিড গ) এসিটিক এসিড           ঘ) সালফিউরিক এসিড   উত্তরমালা: ০১. ক ২.খ ০৩. গ ০৪. গ ০৫. খ ০৬. ক.০৭. ক ০৮. খ ০৯. ক. ১০. খ ১১.ক ১২.ঘ ১৩. গ ১৪. ঘ ১৫. ঘ ১৬. খ ১৭. ঘ ১৮. ক ১৯. খ ২০.খ ২১.গ ২২. ক ২৩. ঘ ২৪. ক ২৫. খ ২৬. ক ২৭. খ ২৮. খ ২৯. ক ৩০. ক ৩১. গ ৩২. খ ৩৩. গ ৩৪. খ ৩৫. খ ৩৬. ক ৩৭. খ ৩৮. ক ৩৯. খ৪০. গ  

প্রাথমিকে প্রধান শিক্ষক হচ্ছেন ৮৯৮ জন

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদে শিগগিরই নিয়োগ পাচ্ছেন ৮৯৮ জন। প্রথমবারের মতো আগামী সপ্তাহ থেকে নন-ক্যাডার পদের এ নিয়োগ কার্যক্রম শুরু হবে এবং দুই মাসের মধ্যে শেষ হবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই) সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। সূত্রে জানা গেছে, সারাদেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় ২০ হাজার প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। প্রধান শিক্ষকবিহীন এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষাকার্যক্রম পরিচালনা চরমভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। বিষয়টি আমলে নিয়ে পিএসসির সুপারিশ করা ব্যাক্তিদের মধ্য থেকে প্রথমবারের মত ৮৯৮ জনকে নিয়োগ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ডিপিই। এর আগে ৩৪তম বিসিএসে উত্তীর্ণ ৮৯৮ জনকে গত বছরের ১০ আগস্ট নন-ক্যাডার হিসেবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগের সুপারিশ করেছিল সরকারি কর্মকমিশন (পিএসসি)। ডিপিই মহাপরিচালক আবু হেনা মোস্তফা কামাল গণমাধ্যমকে বলেন, পিএসসির সুপারিশ করা ব্যক্তিদের প্রধান শিক্ষকের পদে আগামী দুই মাসের মধ্যে নিয়োগ দেওয়া হবে। নিয়োগ সংক্রান্ত একাধিক সভায় এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। যেসব বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে সেখানে তাদের নিয়োগ দেওয়া হবে। সে লক্ষ্যে আগামী সপ্তাহ থেকে নিয়োগ কার্যক্রম শুরু হবে। ডিপিই মহাপরিচালক বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরাসরি প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগপ্রাপ্তরা ২০১৩ সালের নিয়োগ বিধিমালা অনুযায়ী ১১-১২ গ্রেডে নিয়োগ পাবেন। নতুন বিধিমালা অনুযায়ী ৬০ শতাংশ পিএসসির সুপারিশে এবং ৪০ শতাংশ শিক্ষকতার জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে নিয়োগ দেয়া হবে। উল্লেখ্য, বিসিএসে উত্তীর্ণদের মধ্য থেকে (যারা ক্যাডার পাননি) দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দিতে ২০১৪ সালের ১৬ জুন নন-ক্যাডার পদের নিয়োগ বিধিমালা সংশোধন করে সরকার।//এআর

বাংলা বিষয়ের প্রস্তুতি নিবেন যেভাবে

লেখাটি তাদের উদ্দেশে, যারা বিসিএসে আবেদন করেছেন; অথচ সিলেবাসই জানেন না। ইতস্তত করছেন, কীভাবে শুরু করা যায়। কষ্ট করে লেখাটি একবার পড়ুন। ‘পাইলেও পাইতে পারেন সমস্যার সমাধান!’সব সময় মনে রাখবেন পৃথিবীর মানুষ উদীয়মান সূর্যের পূজা করে, অস্তমিত সূর্যের নয়। বিসিএস ক্যাডার হওয়া কোনো স্বপ্নতো নয়-ই, বরং অন্যান্য চাকরির মতো এটি শেষ পর্যন্ত একটা চাকরি বই অন্য কিছুই নয়। ‘আজ কোনো ভূমিকা নয়, একটা চাকরির পরীক্ষায় বাংলা বিষয়ে তুলনামূলক ভালো নম্বর পাওয়ার কতক উপায় নিয়ে আশাব্যঞ্জক বাণী শোনানোই আমার মুখ্য উদ্দেশ।’-এ বাক্যটির দিকে খেয়াল করলে দেখতে পাবেন, কিঞ্চিত শ্রুতিমধুর বাক্যটি শেষ অবধি না পড়লে আপনার মন আন-চান করবে। দায়িত্ব নিয়ে বলছি, এরকম আকর্ষণীয় ও শ্রুতিমধুর সহজ-সরল বাক্যই আপনাকে কাক্সিক্ষত লক্ষে পৌঁছে দেবে। বাংলা আমাদের মাতৃভাষা হওয়ার কারণে এদেশে চাকরির পরীক্ষায় সবিশেষ মর্যাদা পেয়ে থাকে। আপনার-আমার সৌভাগ্য যে, বিসিএস পরীক্ষা এখন-অবধি বাংলাতেই, হ্যাঁ বাংলাতেই দেয়া সম্ভব। প্রাথমিক স্তর থেকে উচ্চস্তর; সর্বত্র বাংলা ভাষায় আমরা শিক্ষা-অর্জন করেছি। আপনার অর্জিত শিক্ষার ফল পেতে পারেন, যদি আপনি এ পর্যন্ত অর্জিত বাংলা ভাষা বিষয়ক জ্ঞানকে সহজভাবে প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষায় উপস্থাপন করতে পারেন। বাংলা বিষয়ের প্রস্তুতি নিতে গিয়ে দেখা যায়, সাহিত্য অংশের প্রস্তুতি নিতে সবচেয়ে বেশি কষ্ট হচ্ছে। যে ছাত্র/ছাত্রী বাংলা সাহিত্যে স্নাতক-স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছে,তার জন্য যেমন সমস্যা; আপনার জন্যও ঠিক তেমনই সমস্যা। মনে রাখা জরুরী, বিসিএস নামক চাকরির পরীক্ষায় সব ডিসিপ্লিনের ছেলেমেয়েরা অংশগ্রহণ করে। যে কারণে আবেদনকারীর সংখ্যা অন্য যেকোনো চাকরির তুলনায় অনেক বেশি হয়ে থাকে। ৩৮ তম বিসিএসের আবেদনের সংখ্যা পূর্বেও যেকোনো বিসিএসর রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। বিসিএস ক্যাডার সার্ভিসের চাকরি এখনও যে তীব্র আকর্ষণীয় চাকরি, এটি তারই প্রমাণ। বিসিএসে প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় বাংলা বিষয়ে কীভাবে ভালো করা যায় সে বিষয়ে সবিস্তারে আলোচনা করছি।দেখতে অ্যামিবা প্রকৃতির প্রিলিমিনারির সিলেবাসটি আপনার মাথা নষ্ট করে দিতে বদ্ধপরিকর। মনে রাখবেন, প্রিলিমিনারির পড়া দিয়েই আপনি লিখিত পাশ করত পারবেন, যদি আপনি পড়াশুনার ক্ষেত্রে কিছু কৌশল অবলম্বন করতে পারেন। বাংলা বিষয়ে ব্যাকরণ (ভাষা) অংশ ও সাহিত্য অংশ। প্রথমেই ব্যাকরণ অংশ নিয়ে কিছু কথা চাই। ব্যাকরণ (ভাষা) অংশ: এখানে অবশ্যই আমি বাংলা ভাষার কথা বলছি। ভাষাকে ভাসিয়ে দিতে না চাইলে খুব কম পড়–ন। প্রথমেই চিহ্নিত করুন, আপনি কী জানেন না। সেটি চিহ্নিত করতে পারলে নিজেই সমস্যার সমাধান পেয়ে যাবেন। যদি সমস্যার সমাধান না পেয়ে থাকেন, তাহলে নিচের দিকে তাকান; নচেৎ সাধু সাবধান। বাংলা ভাষা বা ব্যাকরণ অংশ থেকে মোট ১৫ নম্বরের প্রশ্ন থাকবে প্রিলিমিনারির পরীক্ষার জন্য। শুধু প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার ক্ষেত্রেই নয়, লিখিত পরীক্ষায়ও এই অংশ অসামান্য কাজে দিবে। এক্ষেত্রে সামান্য সচেতনা পারে আপনার সারা জীবনের ক্লান্তি দূর করতে।প্রয়োগ-অপপ্রয়োগ: ধরা যাক, এ শব্দযুগল আপনি ইহজীবনে এই প্রথম শুনলেন। তাহলে চট করে একটি গাইড বই কিনে ফেলুন। প্রথমেই এ বিষয়টি সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা নিন। আরেকটি উপায় কার্যকরী হতে পারে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলায় অনার্স/ মাস্টার্স পড়া বন্ধুটির কাছ থেকে প্রথম বর্ষের গাইড সংগ্রহ করুন। টানা পড়ে ফেলুন। দেখবেন, দুদিনেই আপনি বিশেষ-অজ্ঞ হতে বিশেষজ্ঞ হতে চলেছেন। রাস্তাঘাটে আপনার অত্যাচারে বাংলা ভাষার ভুল বানান দৌঁড়ে পালাবে।বানান ও বাক্য শুদ্ধি: বানান মানেই বাংলা একাডেমি প্রণীত প্রমিত বাংলা বানান। গাইড বইগুলো এ বিষয়ে মারাত্মক জগাখিচুড়ি করেছে বলে আমার মনে হয়। বাংলা একাডেমির ‘ব্যবহারিক বাংলা অভিধান’-এর শেষ পৃষ্ঠাগুলোতে বাংলা বানানের নিয়ম দেয়া আছে। অথবা, মাত্র ২০ টাকা খরচ করে বাংলা একাডেমি থেকে বাংলা বানানের নিয়ম সংগ্রহ করুন। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বানানের নিয়ম/বাংলাদেশের পাঠ্যক্রমের বানানের নিয়ম/ভারতের আনন্দবাজার পত্রিকার বানানের নিয়ম/বাংলাদেশের প্রথম আলো পত্রিকার বানানের নিয়ম বেমালুম ভুলে যান। শোনেন ভাই, এই একটি পড়া আপনাকে লিখিত পরীক্ষার ৫ নম্বর ম্যানেজ করে দিবে। এর সাথে গাইড বই থেকে শুদ্ধ বানান অংশের প্রস্তুতি নিয়ে নিন। মনে রাখবেন, আমাদের দেশের সকল চাকরির পরীক্ষায় বানান শুদ্ধি থেকে একাধিক প্রশ্ন আসে। বিসিএস-ই একমাত্র নয়, জীবনে শান্তিমতো বেঁচে থঠশতেও বানান শুদ্ধি জানা জরুরী ।সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ: শিক্ষা জীবনের প্রাথমিক স্তর থেকে আমরা সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ শিখে আসছি। স্মৃতিকে পুনরায় ফেরত আনুন আর নবম-দশম শ্রেণির বাংলা ব্যাকরণ বইটা আরেকবার পড়ে নিন। পাশাপাশি বাজারের যেকোনো একটি গাইড বই অনুসরণ করতে পারেন।পারিভাষিক শব্দ:আগের বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রশ্ন পর্যালোচনা করলে একটি বিষয় দেখা যায় যে প্রায় প্রত্যেকটি পরীক্ষায় অন্তত একটি প্রশ্ন এসেছে। ক্ষেত্র বিশেষ একাধিক প্রশ্নও দেখা গেছে। তাই এ অংশটি প্রিলিমিনারি পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।  সন্ধি ও সমাস: এ দুটো বিষয়ের সাথে সন্ধি করতে পারলে সব চাকরির পরীক্ষায় অন্তত পক্ষে ১ নম্বর নিশ্চিত আপনার পক্ষে জমা হবে।ধ্বনি, বর্ণ, শব্দ, পদ, বাক্য: এ অংশের জন্য যে কোনো একটি গাইড বই আপনি অনুসরণ করতে পারেন। তবে অবশ্যই নবম-দশম শ্রেণির বই এক্ষেত্রে টেক্সট হিসেবে নিতে হবে। বিসিএস ছাড়াও অন্য যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় একাধিক প্রশ্ন পেতে পারেন। সাহিত্য অংশ: মোটা দাগে সাহিত্য অংশের উত্তর করা প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের জন্য তুলনামূলক কষ্টের। ভালো ফল পেতে হলে এ অংশে নিবিড়ভাবে পড়াশুনা করুন। প্রিলিমিনারি পরীক্ষার জন্য বাংলা সাহিত্যাংশের নম্বর বিভাজন রয়েছে। চলুন তাহলে নম্বর বিভাজনের আলোকে সাহিত্য অংশ নিয়ে দু’একটি কথা বলা যাক।  প্রাচীন ও মধ্যযুগ: এই অংশ থেকে প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় মাত্র ০৫ নম্বরের প্রশ্ন আসবে। বাংলা ভাষার আদি নিদর্শন চর্যাপদ (৬৫০ অথবা ৯৫০) হতে ১৮০০ সাল পর্যন্ত- এ সুদীর্ঘ সময়ের বাংলা সাহিত্যাংশ থেকে আপনার জন্য মাত্র ০৫ নম্বর বরাদ্দ থাকবে। বেশি সময়ের সাহিত্য কর্ম হলেও পড়াশুনা খুব বেশি নয়, যদি আপনি কিছু কৌশল অবলম্বন করেন। প্রথমে আপনি বিগত সালের এই অংশের প্রশ্নগুলো নিয়ে একটু বিশ্লেষণ করুন। এ অংশের জন্য  চর্যাপদ, অন্ধারযুগ, বৈষ্ণব পদাবলী, মঙ্গলকাব্য, নাথ সাহিত্য, অনুবাদ সাহিত্য, জীবনী সাহিত্য বিষয়গুলো একটু ভালোভাবে দেখুন।  এ অংশের জন্য যে কোনো একটি  গাইড বই থেকে ঈস্খস্তুডু নিন।আধুনিক যুগ (১৮০০-বর্তমান): এ অংশে অসীমের মাঝে আপনি নিমজ্জিত হতে চলেছেন। কূল হারা নদীর মধ্যে আপনি ভাসছেন। সুতরাং যত দ্রণু কূলের দিকে আপনি ধাবিত হবেন ততই মঙ্গল। এক্ষেত্রে আপনাকে বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত সাহিত্যিকদের সাহিত্যকর্মের বিষয়ে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। যাঁদের নাম শুনতে শুনতে আপনার শিক্ষার্থী-জীবন অতিষ্ট হয়েছিল। যেমন ধরুন, মাইকেল মধুসূদন দত্ত, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, জীবনানন্দ দাশ, জসীম উদ্দিন, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, প্রমথ চৌধুরী, শামসুর রাহমান, সৈয়দ শামসুল হক, নির্মেলেন্দু গুণ প্রমুখ উল্লেখযোগ্য। শুরুতেই আপনি নবম-দশম শ্রেণির বাংলা প্রথম পত্র বই সংগ্রহ করুন। এরপর লেখক পরিচিতি পড়ে ফেলুন। এর পর একাদশ-দ্বাদশের বই সংগ্রহ করে পড়ে ফেলুন। এছাড়া বাজারের প্রচালিত যেকোনো একটি বই সংগ্রহ করে পড়ে ফেলুন। এ অংশে জবষধঃব (তুলনামূলক) পদ্ধতিতে পড়ে ধীরে ধীরে এগোতে হবে। বিভিন্ন সাহিত্য পত্রিকার নাম, সম্পাদক ও প্রকাশ সাল গুরুত্ব দিয়ে পড়–ন। এখান থেকে প্রতি প্রিলিমিনারির পরীক্ষায় এক বা একাধিক প্রশ্ন থাকে। এছাড়া বিভিন্ন সাহিত্যিকদের উপাধি, ছদ্মনামও গুরুত্বসহকারের আয়ত্ব করুন। এ বিষয় থেকেও একটি প্রশ্ন প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় আসে।  সাহিত্য অংশের জন্য আরো যেসব বই পড়তে পারেন:১.লাল নীল দীপাবলি ও কতো নদী সরোবর- হুমায়ুন আজাদ২.বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস ও বাংলাদেশের সাহিত্য- মাহবুবুল আলম। ৩.নিশ্চয়ই বাজারের গাইডগুলোর কথা আমাকে বলে দিতে হবে না।মনে রাখবে একটি প্রশ্নের ভুল উত্তর আপনাকে যেমন প্রিলিমিনারির প্রতিযোগিতা থেকে বাদ দিয়ে দিতে পারে। ঠিক তেমনটি একটি সঠিক উত্তরও আপনাকে প্রিলিনারি পরীক্ষায় উত্তর্ণী করে দিতে পারে। তাই প্রস্তুতি নেওয়া ক্ষেত্রে কোনো কিছু বাদ দেওয়া উচিত হবে না। জীবনে ভালোভাবে বেঁচে থাকাও কম আনন্দের নয়। যে যে অবস্থাতেই থাকুন, আনন্দে থাকুন, ভালো থাকুন। আমার অভিজ্ঞতা বলে, কেউই তাঁর বর্তমান চাকরি নিয়ে সন্তুষ্ট নন। আপনার সর্বাঙ্গীন মঙ্গল কামনা করছি।   লেখক: বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা, বাংলা), ৩৫তম বিসিএস।

পিএসসির সদস্য হলেন শাহজাহান আলী

সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) নতুন সদস্য হলেন অবসরপ্রাপ্ত সচিব মো. শাহজাহান আলী মোল্লা। সংবিধানের ১৩৮(১) অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি তাকে ওই পদে নিয়োগ দিয়েছেন।  বৃহস্পতিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক আদেশে নিয়োগের এ বিষয়টি জানানো হয়। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব থাকাকালে ২০১৪ সালের ৯ নভেম্বর ভারপ্রাপ্ত সচিবের পদমর্যাদায় পিএসসি সচিবের দায়িত্ব পান শাহজাহান আলী। পরে এই কমিশনের সচিব পদে পদোন্নতি পান তিনি। নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুনের মামলায় সরকারের প্রশাসনিক তদন্ত কমিটির প্রধানের দায়িত্বও পালন করেন শাহজাহান আলী। শাহজাহান আলীকে নিয়ে পিএসসির সদস্য সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ জন। //এআর

বিসিএস আবেদনে ফি ৭০০ টাকা কেন

দেশের চাকরির বাজারে বর্তমানে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস)-ক্যাডার পদের চাকরিগুলোকেই সবচেয়ে ‘এলিট’ চাকরি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। জনপ্রশাসনে যুক্ত থেকে দেশের কাজে সরাসরি অবদান রাখার সুযোগ, সামাজিক মর্যাদা, চাকরির নিরাপত্তা, চাকরিজীবন শেষে পেনশন সুবিধা এবং অন্য আনুষঙ্গিক দিক বিবেচনায় রেখেই ক্যাডার সার্ভিসের চাকরিগুলো এখন তরুণ শিক্ষার্থীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে।  আর তাই দেশের চাকরি প্রত্যাশীদের  বড় একটি অংশ ক্যারিয়ার হিসেবে বিসিএসকে পছন্দের তালিকার শীর্ষে স্থান দেন। ৩৮ তম বিসিএসের সার্কুলার জারির পর গতকাল সোমবার থেকে অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই  আবেদনের ক্ষেত্রে প্রতি শিক্ষার্থীদের ৭০০ টাকা ফি গুনতে হচ্ছে। আবেদনকারীদের বেশিরভাগই তরুণ বেকার। বেকার জীবনের ঘানি টেনে চাকরির আবেদন করতে গিয়ে এই টাকা দিয়ে আবেদন করা অনেকের জন্যই কষ্টকর। চাকরি প্রার্থীদের আর্থিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাংকে নিয়োগ পরীক্ষার ফি বাতিল করেছে। এখন রাষ্ট্রায়ত্ব কিংবা বেসরকারি কোনো ব্যাংকেই আবেদন করতে টাকা লাগে না। অথচ সরকারি প্রতিষ্ঠানে (পিএসসি) আবেদনের ক্ষেত্রে প্রতি শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৭০০ করে  টাকা নেওয়া হচ্ছে। এতে ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন দেশের চাকরি প্রত্যাশী তরুণেরা। তাদের প্রশ্ন ব্যাংকে আবেদনে টাকা লাগে না, তবে বিসিএসে কেন? পিএসসির মাধ্যমে প্রতি শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে এত টাকা নিয়ে কী করছে জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়? এমনকি আমাদের পাশের দেশ ভারতের সিভিল সার্ভিসে আবেদন করতেও ফি নেয়া হচ্ছে নামেমাত্র।   বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চাকরি প্রার্থীদের কাছ থেকে পিএসসি ৭০০ টাকা ফি নেয়া অযৌক্তিক। গ্রাজুয়েশন শেষ করার থেকে চাকরিতে প্রবেশের সময়টুকু প্রতিটি শিক্ষার্থীদের জন্যই কষ্টের। এই সময়টাতে অনেকেই অর্থকষ্টে ভোগেন। এসময় বিসিএসসহ বিভিন্ন চাকরিতে আবেদনের ক্ষেত্রে ফি যোগার করা তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। তাদের এই অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে বিসিএসে আবেদনের ফি ৭০০ টাকা থেকে কমিয়ে আনা উচিত।  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর করেছেন সনি পিটার পেরেইরা। একাডেমিক পড়াশুনা শেষে এখন প্রতিযোগিতামূলক চাকরির পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি। ৩৭তম বিসিএসসহ বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় অংশগ্রহণও করছেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশে একাডেমি ডিগ্রি নেয়ার পর চাকরির জন্য আরও কমপক্ষে দুই বছর প্রস্তুতি নিতে হয়। মাস্টার্স পাশ করার পর পরিবার থেকে টাকা আনার মতো অবস্থা আমাদের অনেকেরই থাকে না। অন্য দিকে পরিবারের প্রত্যাশা থাকে পড়ালেখা শেষ, সন্তান এখন চাকরিতে প্রবেশ করবে। কষ্ট করে আর টাকা পয়সা দিতে হবে না। এমতাবস্থায় বিসিএসে আবদনের ক্ষেত্রে ৭০০ টাকা দিতে আমাদের খুবই কষ্ট হয়। এছাড়া পরিবার থেকে আরও একটি কথা শুনতে হয় যে, ‘চাকরি হতে আর কত দিন লাগবে’। একজন বেকারের কাছে এগুলো খুবই কষ্টের!’  একই বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগ থেকে সম্প্রতি পাশ করা মোহাম্মদ নাহিদ হাসান আক্ষেপ করে বলেন, ‘পড়াশুনা শেষ করে চাকরি পাওয়ার আগ পর্যন্ত সময়টা শিক্ষার্থীদের জন্য সব থেকে ‘কঠিন ও বাজে’ সময়। এ সময় পকেটে না থাকে হাত খরচের টাকা, না থাকে উপার্জনের কোনো সুযোগ। অথচ এই সময়েই সরকারি বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষার জন্য বিভিন্ন পরিমাণে ফি দিতে  হচ্ছে। পিএসসি- এর মত সরকারি প্রতিষ্ঠানে আমাদের মত অসহায় বেকারদের কাছ থেকে এত টাকা নেওয়া সত্যি দুঃখজনক।’ ইডেন মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী নাসমারি আক্তার মলি বলেন,  ‘বিসিএসের একটা আবেদনের ক্ষেত্রে ৭০০ টাকার পাশাপাশি কিছু চার্জ কাটে। কম্পিউটারের (সাইবার সেন্টার) দোকান থেকে আবেদন করতে গেলে প্রতিটি আবেদন বাবদ আরও কিছু টাকা খরচ হয়। বলতে গেলে আবেদন করতে প্রায় এক হাজার টাকাই খরচ হয়ে যায়। এত আবেদনকারীর ভিড়ে চাকরি যে হবে, তারও কিন্তু কোনো নিশ্চয়তা নাই।’ সরকারি কবি নজরুল কলেজের শিক্ষার্থী নয়ন আহমেদ বলেন, ‘চাকরির জন্য ব্যাংকে আবেদন করতে টাকা লাগে না। অথচ পিএসসি সরকারি প্রতিষ্ঠান হয়েও আবেদনের ক্ষেত্রে ফি বাবদ এত টাকা নেয়। এটা অন্যায়, মেনে নেয়া কঠিন।’ ফরিদপুর সরকারি ইয়াসিন কলেজের শিক্ষার্থী জাসিম উদ্দিন বলেন, ‘প্রতিমাসে বিভিন্ন চাকরির আবেদনের জন্য সর্বনিন্ম খরচ হয় দু’হাজার টাকা। এছাড়া থাকা খাওয়া বাবদ আরও খরচ আছে। একজন কৃষক বা স্বল্প বেতনধারী পিতার পক্ষে বেকার সন্তানের এত খরচ দেওয়া সম্ভব হয় না। তবুও তারা ধার দেনা করে, জমি বন্ধক দিয়ে এই খরচ যোগান দেন। প্রত্যাশা থাকে পড়ালেখা শেষেই ছেলে চাকরি পেয়ে যাবে। তখন সব কষ্ট দূর হয়ে যাবে। কিন্তু চাকরির বাজারের যে অবস্থা তাতে দুই তিন বছর চেষ্টা করেও চাকরি হচ্ছে না। এমতাবস্থায় সরকারি চাকরিতে এত ফি নেয়া ‘মরার ওপর খাড়ার ঘাঁ এর মত’।’ বেকারদের কাছ থেকে আবেদন ফি না নেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে বিনীত আবেদন জানিয়ে এই শিক্ষার্থী বলেন, নিয়োগদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর তো  বিভিন্ন আয়ের উৎস আছে। কিন্তু বেকারদের তো কোনো আয়ের উৎস নেই। অনেক বেকার লজ্জায় বাবার কাছে টাকা চায় না। কিন্তু এদের কত বেলা না খেয়ে কাটে! না খেয়েও আবেদনের টাকা দিতে হয়। এই কষ্ট কী কেউ বুঝবেন?’ তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, সরকারি চাকরির অবেদনের ক্ষেত্রে উন্নত দেশগুলোতে আবেদনের ক্ষেত্রে ফি লাগে না, লাগলেও নামেমাত্র। এমনকি  আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতের কেন্দ্রীয় পাবলিক সার্ভিসে আবেদনের ক্ষেত্রেও শিথীলতা আছে। দেশটিতে কেন্দ্রীয়ভাবে সরকারি চাকরিতে জনবল নিয়োগ করে থাকে ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশন। চাকরি প্রত্যাশীদের কাছ থেকে আবেদন বাবদ ফি নেওয়া হয় মাত্র ২৫ রুপি (বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৩২ টাকা)। পৃথিবীতে বাংলাদেশই সম্ভবত সরকারি চাকরির আবেদনে এত বেশি টাকা ফি নিয়ে বিরল(!) দৃষ্টান্ত স্থাপন করল। তথ্যানুসন্ধানে আরও জানা গেছে, আগে বিসিএসে আবেদন করতে ৫০০ টাকা ফি লাগলেও পিএসসি ৩৬তম বিসিএস থেকে তা বাড়িয়ে সাতশ’ টাকা করে নিচ্ছে। সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সূত্র মতে, সর্বশেষ ৩৭ তম বিসিএসে এক হাজার ২২৬ টি শূন্য পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা  হয়। এই পদের বিপরীত আবেদন জমা পড়ে ২ লাখ ৪৩ হাজার ৪৭৬ টি। প্রতি পদে আবেদনে ফি সাতশ’ টাকা ধরে হিসাব করলে দেখা যায়,  ১৭ কোটি চার লাখ ৩৩ হাজার দুইশ’ টাকা চাকরি প্রার্থীদের পকেট কেটে বের করে নেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সাদিক মুঠোফোনে একুশে টেলিভিশন অনলাইনকে বলেন, ‘প্রার্থীদের কাছ থেকে বিসিএস পরীক্ষার আবেদনের ফি বাবদ যে টাকা নেওয়া হয় তা আসলে পিএসসি পায় না। সম্পূর্ণ টাকা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সরকার নিয়ে নেয়। পরীক্ষা সংক্রান্ত খরচের জন্য মন্ত্রণালয় পরবর্তীতে কমিশনকে টাকা বরাদ্দ দেয়। প্রার্থীদের আবেদনের টাকা পিএসসির সরাসরি খরচ করার কোনো এখতিয়ার নেই।  তিনি আরও বলেন, ‘মন্ত্রণালয় কশিনকে পরীক্ষার খরচের জন্য যে টাকা দেয় তা যতসামন্য। পরীক্ষার কেন্দ্রে যারা দায়িত্ব পালন করেন, যে পরীক্ষককে দিয়ে পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ণ করানো হয়, ভাইবা বোর্ডে যাদেরকে নিয়ে আসি তাদেরকে যথাযথ সম্মানি দিতে পারি না।’ চাকরির আবেদনের ক্ষেত্রে প্রার্থীদের কাছ থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকসহ অন্য ব্যাংকগুলো কোনো ধরনের ফি নিচ্ছে না। বেকার চাকরি প্রার্থীদের আর্থিক দিক বিচেনায় পিএসসি এ ধরনের অথবা নামেমাত্র ফি দিয়ে আবেদনের কোনো উদ্যোগ নিতে পারে কিনা-এমন প্রশ্নের জবাবে ড. মোহাম্মদ সাদিক বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংক কীভাবে করেছে, তা আমার জানা নেই। পিএসসিতেও আগে এ ধরনের কোনো নিয়ম বা উদ্যোগ ছিলো না। তবে প্রার্থীদের বেকার জীবনের কথা বিবেচনায় নিয়ে এ বিষয়ে আমরা সরকারের কাছে প্রস্তাব উত্থাপন করবো। যাতে আবেদনের ফি কমানো হয়।’ এ বিষয়ে জানতে জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মোজাম্মেল হক খানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। মঙ্গলবার দুপুর ১২ টা ১০ মিনিটে তার মুঠোফোনে কল করা হলে তিনি সাড়া দেননি। পরে ক্ষুদেবার্তা পাঠিয়েও উত্তর পাওয়া যায়নি। বিসিএস ক্যাডার ও নন ক্যাডার পরীক্ষার ফি নামেমাত্র নেয়া উচিত বলে মনে করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গর্ভনর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। তিনি একুশে টেলিভিশন অনলাইনকে টেলিফোনে বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব আয় রয়েছে। পিএসসির সে রকম কোনো আয় নেই। এ বিষয়ে কিছু করতে হলে সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে করতে হবে। এখানে পিএসসির নিজস্ব কোনো এখতিয়ার নেই। তবে একেবারে ফ্রি করে দিলে কিছু সমস্যাও আছে। তখন দেখা যাবে কোনো প্রার্থী পরীক্ষা দিবে না কিন্তু আবেদন করে বসে আছে। পিএসসির কিন্তু প্রত্যেক আবেদনকারীর জন্য একটি প্রশ্ন ও আসনের ব্যবস্থা করতে হবে। তাই আমার বক্তব্য হচ্ছে আবেদনের ফি একেবারে ফ্রি না করে নমিনাল (নামেমাত্র) একটা ফি রাখা যেতে পারে।’ চাকরি প্রার্থীদের আর্থ-সামাজিক অবস্থানের কথা বিবেচনা করে আবেদন ফি কমানোর পক্ষে মত দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকও। তিনি একুশে টেলিভিশন অনলাইনকে বলেন, ‘একজন গ্রাজুয়েটের পড়ালেখা শেষ করার পর চাকরিতে প্রবেশ করার সময়টুকু বেশ কষ্ট করতে হয়। এই সময়টাতে অনেকেই অর্থকষ্টে ভোগেন। এসময় বিসিএসসহ বিভিন্ন চাকরিতে আবেদনের ক্ষেত্রে ফি এর টাকা ম্যানেজ করা তাদের জন্য কষ্টের।  তাদের এই অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে বিসিএসে আবেদনের ফি ৭০০ টাকা থেকে কমিয়ে আনা উচিত। সরকার ও পিএসসি এ বিষয়ে উদ্যোগ নিতে পারে।’  //এআর

© ২০১৭ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি