ঢাকা, শুক্রবার, ২০ এপ্রিল, ২০১৮ ৩:১২:০৫

পিএসসির হেল্প লাইন চালু

৩৯তম বিসিএস

পিএসসির হেল্প লাইন চালু

৩৯তম বিশেষ বিসিএসের জন্য চারটি হেল্প লাইন নম্বর চালু করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। আজ রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে পিএসসি। সরকারি মোবাইল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান টেলিটকের এই চারটি নম্বর হচ্ছে: ০১৫৫৫৫৫৫১৪৯-৫২। প্রার্থীরা আবেদন করতে গিয়ে কোনো সমস্যায় পড়লে এসব নম্বরে কথা বলে তার সমাধান করতে পারবেন। ৩৯তম বিসিএসের আবেদন নেওয়া শুরু হয় ১০ এপ্রিল মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে। আবেদন করার শেষ তারিখ ৩০ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। এই বিশেষ বিসিএসের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২১ থেকে ৩২ বছর বয়সী প্রার্থীরা অংশ নিতে পারবেন। প্রার্থীদের অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। সাধারণ পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফি ৭০০ টাকা। তবে ক্ষুদ্র নৃতাত্ত্বিক, প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের প্রার্থীরা ১০০ টাকা ফি দিয়ে আবেদন করতে পারবেন। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ৩৯তম বিসিএসে চার হাজার ৫৪২ জন সহকারী সার্জন আর ২৫০ জন সহকারী ডেন্টাল সার্জন নেওয়া হবে। সব মিলে প্রায় পাঁচ হাজার চিকিৎসক নেওয়া হবে এই বিসিএসে। এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।   এসএইচ/
বিসিএসে পিছিয়ে পড়ছেন নারীরা

দেশে বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীরা এগিয়ে গেলেও সবচেয়ে মর্যাদার চাকরি বিসিএসে পিছিয়ে পড়ছে তারা। বাংলাদেশ সরকারি কর্ম-কমিশন (পিএসসি) রোববার সংসদের বৈঠকে ২০১৭ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।সর্বশেষ পাঁচটি বিসিএস পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল পর্যালোচনায় এ চিত্র পাওয়া গেছে। সংসদের বৈঠকে প্রতিবেদনটি জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের পক্ষে উত্থাপন করেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেক। এর আগে বিকেল ৫টায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হয়।প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, বিসিএসের চূড়ান্ত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া পুরুষ ও নারী প্রার্থীদের হার বিশ্নেষণে দেখা গেছে, ৩২তম বিসিএস (বিশেষ) পরীক্ষায় ৪৪ দশমিক ৯০ শতাংশ (৭৫২ জন) পুরুষ উত্তীর্ণ হয়েছেন। কিন্তু নারীদের উত্তীর্ণ হওয়ার হার ৫৫ দশমিক ১ শতাংশ (৯২৩ জন)।পর্যায়ক্রমে ৩৩তম বিসিএসে পুরুষদের উত্তীর্ণের হার ৬১ দশমিক ৭৪ শতাংশ (৫ হাজার ২৫২ জন) ও নারী উত্তীর্ণের হার ৩৮ দশমিক ২৬ শতাংশ (৩ হাজার ২৫৫ জন)।৩৪তম বিসিএসের ফল বিশ্নেষণে দেখা যায়, এতে পুরুষ উত্তীর্ণের হার ৬৪ দশমিক ৩৮ শতাংশ (এক হাজার ৪০১ জন), নারী উত্তীর্ণের হার ৩৫ দশমিক ৬২ শতাংশ (৭৭৫ জন)।৩৫তম বিসিএসে এই হার পুরুষ ৭২ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ (এক হাজার ৫৭২ জন), নারী ২৭ দশমিক ৯২ শতাংশ (৬০৯ জন)। ৩৬তম বিসিএসে এই হার পুরুষ ৭৩ দশমিক ৭৮ শতাংশ (এক হাজার ৭১৪ জন) ও নারী ২৬ দশমিক ২২ শতাংশ (৬০৯ জন)।এদিকে গত বছর চূড়ান্ত ফল প্রকাশ হওয়া ৩৬তম বিসিএস পরীক্ষায় মোট যোগ্য পরীক্ষার্থী ছিলেন দুই লাখ ১১ হাজার ২৮২ জন। এর মধ্যে পুরুষ উত্তীর্ণ ছিলেন এক লাখ ৪১ হাজার ২৭০ জন (৬৬ দশমিক ৮৬ শতাংশ), নারী ৭০ হাজার ৬ জন (৩৩ দশমিক ১৩ শতাংশ) ও তৃতীয় লিঙ্গের ছিলেন ৬ জন (শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ)। প্রতিবেদন পর্যালোচনায় দেখা গেছে, সংখ্যার দিক থেকে সব চেয়ে বেশি নারী প্রার্থী চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হয় ৩৩তম বিসিএসে ৩ হাজার ২৫৫ জন; আর সবচেয়ে কম উত্তীর্ণ হয় ৩৬তম বিসিএসে ৬০৯ জন। গত বছর (২০১৭ সালে) চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা ৩৬তম বিসিএস পরীক্ষা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, এতে মোট যোগ্য পরীক্ষার্থী ছিল ২ লাখ ১১ হাজার ২৮২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ছিল ১ লাখ ৪১ হাজার ২৭০ জন (৬৬ দশমিক ৮৬ শতাংশ), নারী ৭০ হাজার ৬ জন (৩৩ দশমিক ১৩ শতাংশ) ও তৃতীয় লিঙ্গ ৬ জন (০.০০৩ শতাংশ)। পরীক্ষার্থীদের মধ্যে প্রিলিমিনারি টেস্টে এক লাখ ৯ হাজার ২ জন (৭৯ দশমিক ৭০ শতাংশ) ‍পুরুষ ও দুই হাজার ৭৭৭ জন (২০ দশমিক ৩০ শতাংশ) নারী উত্তীর্ণ হয়। লিখিত পরীক্ষায় চার হাজার ৭৮০জন (৭৯ দশমিক ৮০ শতাংশ) পুরুষ ও এক হাজার ২১০জন (২০.২০শতাংশ) নারী উত্তীর্ণ হয়। এরপর মৌখিক পরীক্ষা নিয়ে  নিয়োগের সুপারিশপ্রাপ্তদের (চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ) মধ্যে এক হাজার ৭১৪ জন (৭৩.৭৮ শতাংশ) ছিলেন পুরুষ এবং ৬০৯ জন (২৬ দশমিক ২২ শতাংশ) ছিলেন নারী/এআর /

১৩ তম বিসিএস ফোরামের পুনর্মিলনী ২৭ এপ্রিল

আগামী ২৭ এপ্রিল শুক্রবার তেরতম বিসিএস ফোরামের বার্ষিক সাধারণ সভা ও ২৪তম বর্ষপূর্তি উৎযাপন উপলক্ষে পুনর্মিলনীর আয়োজন করা হয়েছে। ওইদিন বিকাল ৩টায় ঢাকার ইস্কাটনে বিয়াম মিলনায়তনে এ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হবে। বিসিএস ফোরাম সদস্য এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় উপপ্রধান তথ্য অফিসার স. ম. গোলাম কিবরিয়ার পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পুনর্মিলনীতে অংশগ্রহণের জন্য তেরতম বিসিএসের সব ক্যাডার সদস্যকে ১৫ এপ্রিলের মধ্যে নাম নিবন্ধন করতে হবে। পুনর্মিলনী উপলক্ষে একটি স্মরণিকা প্রকাশ করা হবে। নাম নিবন্ধন ও স্মরণিকার জন্য হালনাগাদ তথ্যসহ পাসপোর্ট আকারের এককপি রঙিন ছবি পাঠাতে হবে।   অনুষ্ঠানে ফোরাম সদস্যের কৃতি সন্তানদের সংবর্ধিত করা হবে। ২০১৭ সালের প্রাথমিক সমাপনি, জেএসসি, এসএসসি, এইচএচসি পরীক্ষায় এ+ এবং ‘ও’ লেভেল ‘এ’ লেভেল পরীক্ষায় এ অর্জনকারীদের সার্টিফিকেট অথবা ফলাফল সিটের সত্যায়িত ফটোকপি জমা দিয়ে নাম নিবন্ধন করতে হবে। সদস্য ও সন্তানদের নাম নিবদ্ধন ও তথ্য প্রেরণের জন্য ড. মো. সহিদুল ইসলাম ০১৯৫৫৫৫৫৫৫৫, মো. আতাউর রহমান ০১৯২৪৩১৪২১৯, মো. আলমগীর হোসেন ০১৫৫২৫৫১৭৮০, পুলক কান্তি বড়ুয়া ০১৭১২১২৯৫২২, মনজু মান আরা ০১৭১১৬৬৪১২৭ অথবা ইমেইলে 1963kibria@gmail.com, modinapublishers@gmail.com তে যোগাযোগ করতে অনুরোধ করা হয়েছে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি আরকে// এআর          

শিগগিরই ৩৯তম বিশেষ বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি

৩৯তম বিসিএসের  বিধিমালা সংশোধন করে প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। বাংলাদেশ কর্ম কমিশন (বিপিএসসি) বলছে, শিগগিরই এই বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। প্রায় পাঁচ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে এই বিশেষ বিসিএসে।   এ বিষয়ে পিএসসির চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সাদিক একুশে টিভি অনলাইনকে বলেন, “ নিয়োগ বিধিতে ত্রুটি থাকার কারণে সংশোধনের জন্য আমরা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছিলাম। তা সংশোধিত হয়ে আমাদের হাতে এসে পৌঁছেছে।  আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন হাতে পেয়েছি। বিজ্ঞপ্তি  দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রকাশ করা হবে।”   জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত প্রজ্ঞাপন থেকে  জানা যায়, ৩৯তম বিশেষ বিসিএসে এমসিকিউ ধরনের লিখিত পরীক্ষা হবে। এতে ২০০ নম্বরের প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। এ ছাড়া ১০০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা হবে। মেডিকেল সায়েন্স বা ডেন্টাল সায়েন্স বিষয়ে ১০০ নম্বরের পরীক্ষা হবে। এ ছাড়া বাংলা, ইংরেজি, বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলিতে ২০ নম্বর করে এবং মানসিক দক্ষতা ও গাণিতিক যুক্তিতে ১০ নম্বর করে মোট ২০০ নম্বরের দুই ঘণ্টার এমসিকিউ ধরনের লিখিত পরীক্ষা হবে। প্রতি এমসিকিউ প্রশ্নের সঠিক উত্তরের জন্য এক নম্বর দেওয়া হবে। তবে প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য কাটা হবে শূন্য দশমিক ৫০ নম্বর। লিখিত পরীক্ষায় পাস নম্বর পিএসসি নির্ধারণ করবে। মৌখিক পরীক্ষার পাস নম্বর ধরা হয়েছে ৫০। লিখিত পরীক্ষা শুধু ঢাকায় হবে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত সংশোধিত বিধিমালা থেকে এ সব তথ্য দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য যে, ৩৯তম বিসিএসে ৪ হাজার ৫৪২ জন সহকারী সার্জন আর ২৫০ জন সহকারী ডেন্টাল সার্জন নেওয়া হবে। সব মিলে প্রায় পাঁচ হাজার চিকিৎসক নেওয়া হবে এই বিসিএসে। এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এমএইচ/টিকে

৩৬তম বিসিএস: আরো ৯৮৫ জন নন-ক্যাডারে

নন-ক্যাডারে নিয়োগ পাচ্ছেন আরো ৯৮৫ জন। ৩৬তম বিসিএসের অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির বিভিন্ন পদে তাদেরকে নিয়োগের সুপারিশ করবে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। আজ বৃহস্পতিবার পিএসসির ওয়েবসাইটে এ তালিকা প্রকাশ করা হবে। পিএসসির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক নেসারউদ্দিন (ক্যাডার) গণমাধ্যমকে বলেন, আজ দ্বিতীয় শ্রেণির নিয়োগের তালিকা প্রকাশ করবে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন। তালিকায় থাকছে ৩১ ধরনের পদ। এর আগে পিএসসি ২৮৪ জনের প্রথম শ্রেণির পদের তালিকা প্রকাশ করেছিল। পিএসসি সূত্র জানায়, নন-ক্যাডারে ৩ হাজার ৩০৮ জন প্রার্থীর মধ্যে ২ হাজার ৬৫০ জন প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির পদের জন্য আবেদন করেছেন। ৩৬তম বিসিএসে ২ হাজার ৩২৩ জনকে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়।   আর

কোটা সংস্কারের দাবিতে মন্ত্রণালয় অভিমুখে চাকরি প্রত্যাশীরা

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার দাবিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ঘেরাওয়ে রওয়ানা দিয়েছে চাকরি প্রত্যাশী ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের বিশাল মিছিল। এতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ রাজধানীর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের হাজার হাজার শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছেন। মিছিলটি শাহবাগ, টিএসসি, দোয়েল চত্বর হয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দিকে চলে যায়। বুধবার সকাল ১১টায় পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে থেকে মিছিল করে শিক্ষার্থীরা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অভিমুখে রওয়ানা হয়। একই দাবিতে আজ সারা দেশে বিক্ষোভ ও জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন বলেন, কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি। আজ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি দিবো। এটা আমাদের ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ। মিছিল কর্মসূচীতে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন পোস্টার ফেস্টুনে ‘বঙ্গবন্ধুর বাংলায়, কোটা বৈষম্যের ঠাঁই নেই`, ‘ইহা কোটা নয়, বৈষম্য’, ‘কোটা দিয়ে কামলা নয়, মেধা দিয়ে আমলা চাই’, ‘১০% এর বেশি কোটা নয়’, ‘স্বাধীনতার মূলমন্ত্র কোটা প্রথার সংস্কার কর’ ইত্যাদি বিভিন্ন লেখা প্রদর্শন করেন। অনেকে বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার ছবি নিয়ে আসেন। বঙ্গবন্ধুর ছবি সম্বলিত গেঞ্জি পরে কোটা সংস্কারের দাবি করেন তারা। আন্দোলনকারীদের পাঁচ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে- কোটা ব্যাবস্থা সংস্কার করে ৫৬% থেকে ১০% এ নিয়ে আসা, কোটায় যোগ্য প্রার্থী পাওয়া না গেলে শূন্য থাকা পদসমূহে মেধায় নিয়োগ দেওয়া, কোটায় কোনো ধরনের বিশেষ নিয়োগ পরীক্ষা নয়, সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে সবার জন্য অভিন্ন বয়সসীমা নির্ধারণ করা এবং চাকুরির নিয়োগ পরীক্ষায় কোটা সুবিধা একাধিকবার ব্যাবহার না করা। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে বর্তমানে চাকুরির সব নিয়োগ পরীক্ষায় ৫৬ শতাংশ কোটা রয়েছে। আর সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে ৪৪ শতাংশ। শিক্ষার্থীরা কোটা সংস্কার করে ১০ শতাংশে নামিয়ে আনার দাবি করছেন। এ নিয়ে তারা মানববন্ধন, অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। একে// এআর

৩৭তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল এপ্রিলে

৩৭তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলের অপেক্ষার শেষ হচ্ছে। আগামী এপ্রিল মাসে এ ফল প্রকাশ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন (পিএসসি)। প্রজ্ঞাপন জারির প্রায় দুই বছর পর এ বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। পিএসসির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাদিক জানান, আমরা এপ্রিল মাসে ৩৭তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করবো। আমরা চেষ্টা করেছি কম সময়ে বিসিএস পরীক্ষা শেষ করতে। এরই ধারাবাহিকতায় কাজ করে চলছি। বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশের পরে নিয়োগ পেতে প্রার্থীদের একটা দীর্ঘ সময় অপেক্ষায় থাকতে হয়। এ সময় তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও পুলিশি যাচাই–বাছাই হয়। সব পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর প্রতিবেদন পাওয়া সাপেক্ষে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় গেজেট বা প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করে। এরপর নিয়োগপ্রাপ্তদের পদায়ন করা হয়। ৩৪তম বিসিএসে পিএসসি থেকে চূড়ান্ত ফল প্রকাশের প্রায় এক বছর পর নিয়োগপ্রাপ্তদের পদায়ন হয়। ৩৫তম বিসিএসে চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশের প্রায় নয় মাস পর নিয়োগ হয়। এখন ৩৬তম বিসিএসের প্রার্থীরা চূড়ান্ত নিয়োগের অপেক্ষায় আছেন। গত বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি ৩৭তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা শুরু হয়। লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় গত বছরের ২৩ মে। এই পরীক্ষায় পাঁচ হাজার ৩৭৯ জন পাস করেন। ২০১৬ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ৩৭তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন দুই লাখ ৪৩ হাজার ৪৭৬ জন পরীক্ষার্থী। প্রাথমিক বাছাই পরীক্ষায় আট হাজার ৫২৩ জন উত্তীর্ণ হন। তবে লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেন আট হাজার ৩১ জন। প্রথম শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা হিসেবে এক হাজার ২২৬ জনকে নিয়োগ দিতে ৩৭তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিল পিএসসি। এসএইচ/

৩৮তমের ফল পুনর্মূল্যায়ন হবে না : পিএসসি

৩৮তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফল পুনর্মূল্যায়নের যে দাবি উঠেছে সেটির কোনো সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ কর্মকমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাদিক।গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ৩৮তমের ফল প্রকাশ করে পিএসসি। এতে ১৬ হাজার ২৮৬ জন উত্তীর্ণ হন। তাঁরা এখন লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেবেন।গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর এই প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষা হওয়ার প্রায় দুই মাসের মধ্যে ফল প্রকাশ করা হয়।ফল প্রকাশ হওয়ার পর থেকেই তা বাতিলের দাবি জানান কিছু সংখ্যক চাকরি প্রার্থী। ফল পুনর্মূল্যায়নের দাবিতে গতকাল রোববার কিছু প্রার্থী পিএসসির সামনে অবস্থান নেন। এ সময় তাঁরা ফলাফল পুনর্মূল্যায়ন করতে পিএসসির চেয়ারম্যানের কাছে একটি আবেদনপত্র দেন। এসব প্রার্থীর দাবি, ফল সঠিক হয়নি। প্রার্থী বাছাইয়ের জন্য যে নির্দিষ্ট নম্বর (কাট মার্কস) রাখা হয়েছিল, তা সঠিক ছিল না বলেও দাবি তাঁদের।তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পিএসসির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাদিক সোমবার বলেন, আমরা অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে ফল তৈরি করেছি। এখানে ভুল হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তাই এই পরীক্ষার ফল পুনর্মূল্যায়ন হবে না। তিনি আরও বলেন, এভাবে পুনর্মূল্যায়ন করতে থাকলে একেকটি বিসিএস পরীক্ষার প্রক্রিয়া শেষ হতে ৫ থেকে ১০ বছর লেগে যাবে।বিসিএসের আবেদনের ক্ষেত্রে ৩৮তম বিসিএসে রেকর্ড সৃষ্টি হয়। এতে ৩ লাখ ৮৯ হাজার ৪৬৮ জন প্রার্থী আবেদন করেন। তবে পিএসসি জানায়, পরীক্ষায় অংশ নেন ২ লাখ ৮৮ হাজার ৮৯৯ জন। এর আগে ৩৭তম বিসিএসে অংশ নেন ২ লাখ ৪৩ হাজার ৪৭৬ জন পরীক্ষার্থী।পিএসসি সূত্র জানায়, ৩৮তম বিসিএসের মাধ্যমে জনপ্রশাসনে ২ হাজার ২৪ জন ক্যাডার কর্মকর্তা নিয়োগ করা হবে। প্রশাসন ক্যাডারে ৩০০, পুলিশ ক্যাডারের ১০০টি পদসহ ৩৮তম বিসিএসে সাধারণ ক্যাডারে মোট ৫২০টি, কারিগরি ও পেশাগত ক্যাডারে ৫৪৯টি এবং শিক্ষা ক্যাডারে ৯৫৫টি পদ থাকছে।/এআর /

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি