ঢাকা, বুধবার, ১৫ আগস্ট, ২০১৮ ০:১৯:১৪

কবি আল মাহমুদের ৮৩তম জন্মদিন আজ

কবি আল মাহমুদের ৮৩তম জন্মদিন আজ

আধুনিক বাংলা ভাষার অন্যতম প্রধান কবি আল মাহমুদের ৮৩তম জন্মদিন আজ ১১ জুলাই। ১৯৩৬ সালের এই দিনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মৌড়াইল গ্রামের মোল্লাবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন তিনি।পঞ্চাশের দশকে আবির্ভূত কবি আল মাহমুদ কবিতা ছাড়াও লিখেছেন উপন্যাস, গল্প, প্রবন্ধ, আত্মজীবনী ইত্যাদি।১৯৬৩ সালে প্রকাশিত হয় আল মাহমুদের প্রথম কবিতার বই `লোক লোকান্তর`। এর তিন বছর পর ১৯৬৬ সালে প্রকাশিত হয় তার আরও দুটি কবিতার বই `কালের কলস` ও `সোনালী কাবিন`। এর মধ্যে `সোনালী কাবিন` তাকে নিয়ে যায় অনন্য উচ্চতায়। এ ছাড়া তার `মায়াবী পর্দা দুলে ওঠো`, `অদৃষ্টবাদীদের রান্নাবান্না`, `একচক্ষু হরিণ`, `মিথ্যাবাদী রাখাল` ইত্যাদি কাব্যগ্রন্থ উল্লেখযোগ্য।`কাবিলের বোন`, `উপমহাদেশ`, `ডাহুকি`, `আগুনের মেয়ে`, `চতুরঙ্গ` ইত্যাদি তার উল্লেখযোগ্য উপন্যাস। `পানকৌড়ির রক্ত`সহ বেশ কিছু গল্পগ্রন্থও রচনা করেছেন তিনি। এ ছাড়া `যেভাবে বেড়ে উঠি` তার উল্লেখযোগ্য আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ।সৃজনশীল সাহিত্য রচনার জন্য অসংখ্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন আল মাহমুদ। এর মধ্যে বাংলা একাডেমি পুরস্কার, একুশে পদক, ফিলিপস সাহিত্য পুরস্কার, শিশু একাডেমি (অগ্রণী ব্যাংক) পুরস্কার ও কলকাতার ভানুসিংহ সম্মাননা উল্লেখযোগ্য।এসএ/  
রূপান্তরের গল্প

আমাদের বসবাস ওইখানে, ওইখানে শুয়ে থাকি মহাকাল মহারণে। এখানে আনন্দ-কোলাহল পরিপূর্ণ এখানে নবতর প্রত্যাশা আন্দোলিত এখানে হৃদয় প্রসারিত হয় বেলুনের মতো।        আত্মা মুক্ত, বাঁধাহীন থাকে অহরহ        হাফ ছেড়ে বাঁচা যায় নিশ্চিন্তে        হৃদয় উজার হয় নব আকাক্সক্ষায়        নির্বোধ লজ্জা পালিয়ে যায়        নিজ অন্তর প্রকাশিত হয় উদারচিত্তে        প্রত্যাবর্তন করি আনন্দঘন দিনে। এখানে রোগযুক্ত সবাই, রোগের কবলে পড়ে        আকস্মিক কান সজাগ হয়ে উঠল,        নেমে এল মৃত্যুর মতো স্তদ্ধতা। এখানে সুমিষ্ট ধূপকাঠির গন্ধ ছড়ানো এখানে দেবদারু নির্যাস পোড়ানো গন্ধ চারিদিকে।        মানুষ কী যেন ভাবে,        এক অব্যক্ত ভাষায় বিড়বিড় করে        পৃথিবীতে মানুষের বেদনা অনেক। এখানে ধূসর রঙে লুকিয়ে থাকে বিশ্বাস গোপনে        গোপন রহস্যে ঈশ্বর থাকে        ঈশ্বরের ক্ষমতা অমর        ঈশ্বরের ক্ষমতা অশেষ। আমরা চলি বক্র ও সরল পথে        আত্মতৃপ্তি !        ঘৃনিত আত্মতৃপ্তি !! ওইখানে আত্মার উত্তরণ অনিবার্য ওইখানে আত্মার নিকৃষ্টতম অশুচি পথপ্রদর্শক আলোকশিখা জ্বলে ওইখানে এখানে মানুষের বসবাস স্বর্গসুখে। একে//

কবি সিকদার আমিনুল হক’র ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

আধুনিক বাংলা কবিতার ষাট দশকের অন্যতম র্শীর্ষ কবি সিদকার আমিনুল হক-এর ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ ১৭ মে।২০০৩ সালের এই দিনে কবি, সাংবাদিক, প্রাবন্ধিক, কলামিষ্ট সিকদার আমিনুল হক ঢাকায় ইন্তেকাল করেন।কবি সিকদার আমিনুল হক ১৯৪২ সালের ৬ ডিসেম্বর কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। দেশভাগের পর তিনি পরিবারের সদস্যদের সাথে ঢাকায় চলে আসেন। স্কুল জীবনেই তার লেখালেখি শুরু হয়। কলেজে ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে বাংলাদেশ ও পশ্চিবঙ্গের বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা ও সাহিত্য ম্যাগজিনে তার লেখা প্রকাশ পেতে থাকে। কবিতার পাশাপাশি সাহিত্য বিষয়ে প্রবন্ধ, কলাম লিখেন তিনি। ষাট দশকে পরাধীন বাংলাদেশে স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধ বিয়য়েও তিনি অসংখ্য কবিতা লেখেন। তার কবিতায় স্বাধীনতা সংগ্রাম, মুক্তিযুদ্ধ, সাধারন মানুষের জীবনযাপন, তাদের সুখ-দুঃখ এবং মানবিকবোধের নানা প্রসঙ্গ উঠে এসেছে।ষাট দশকের খ্যাতিমান কবিদের অন্যতম সিকদার আমিনুল হক সাংবাদিকতা পেশায় ছিলেন। দৈনিক দেশ গ্রুপের‘ বিপ্লব’ নামে একটি সাহিত্য ম্যাগাজিন পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। নিজের সম্পদনায় ‘স্বাক্ষর’ নামে একটি সাহিত্য পত্রিকা দীর্ঘদিন প্রকাশ করেন।কবি সিকদার আমিনুল হকের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘দূরের কার্নিশ’ প্রকাশিত হয় ১৯৭৫ সালে। প্রকাশিত উল্লেখযোগ্য কাব্য ও অন্যান্য গ্রন্থ হচ্ছে -তিন পাঁপড়ির ফুল (১৯৮২), আমি সেই ইলেকট্রা (১৯৮৫), বহুদিন অপেক্ষা বহুদিন অন্ধকার (১৯৪২), পত্রে তুমি, প্রতিদিন জলে (১৯৮৭), এক রাত্রি এক ঋতু (১৯৮৬), সুপ্রভাত এই বারান্দা (১৯৯৩), কাফরার জামা, রুমালের আলো ও অন্যান্য কবিতা, কবিতা সমগ্র, গদ্য সমগ্র, নির্বাচিত কবিতা।কবি ১৯৯৪ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন। এ ছাড়াও বেশকিছু পুরস্কারে ভূষিত হন তিনি।কবির লেখালেখি, জীবন ও কর্ম সম্পর্কে কবি নির্মলেন্দু গুণ বলেন, সিকদার আমিনুল হকের কবিতায় বৈচিত্র রয়েছে। নিজম্ব একটা ধারা সৃষ্টি করেন বয়ানে এবং কবিতার নির্মাণে। এটাই হচ্ছে একজন কবির বড় পরিচয়। আমরা একই সময় থেকে লিখতে শুরু করি। সে ছিল নিভৃতের বাসিন্দা। অত্যন্ত খোলামেলা বলতেন সব কথা ও চিন্তার বিষয়গুলো। স্পষ্টভাষী ছিলেন। সূত্র : বাসস এসএ/

আজ কবি সুকান্তের ৭১তম মৃত্যুবার্ষিকী    

আজ রোববার কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের ৭১তম মৃত্যুবার্ষিকী। তিনি ১৯৪৭ সালের ১৩ মে কলকাতার যাদবপুর, ১১৯ লাউডন স্ট্রিটের রেড এন্ড কিওর হোমে যক্ষা রোগে আক্রান্ত হয়ে মাত্র ২১ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। ভারতে জন্মগ্রহণ করলেও কবির পিতৃপুরুষের নিবাস গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার আমতলী ইউনিয়নের উনশিয়া গ্রামে। সুকান্তের পিতা নিবারণ কলকাতার কলেজ স্ট্রিটে বইয়ের ব্যবসা করতেন। ব্যবসার সুবাদে কবির পরিবারকে কলিকাতাই থাকতে হতো। দীর্ঘদিন কবির পরিবার কলকাতায় অবস্থান করার কারণে তার পূর্ব পুরুষের ভিটে-মাটি বেদখল হয়ে যায়। দখলমুক্ত হওয়ার পরে কবির পৈত্রিক ভিটে দীর্ঘদিন শূণ্য অবস্থায় পড়েছিল। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পরে জেলা পরিষদ কবির পৈত্রিক ভিটায় একটি অডিটোরিয়াম ও লাইব্রেরী স্থাপন করেছেন। এখানে কবির স্মৃতিকে ধরে রাখার জন্য প্রতি বছর মার্চ মাসে একটি মেলার আয়োজন করা হয়। কিন্তু কোন বছরই বিশেষ কোন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সরকারি বা বেসরকারি ভাবে কবির জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয় না। এ ব্যাপারে অনেকই হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।  স্থানীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি মিজানুর রহমান বুলু বলেন, আগামি প্রজন্মের কাছে কবি সুকান্তকে তুলে ধরতে হলে সরকারি ও বেসরকারিভাবে জাঁক-জমক পূর্ণভাবে কবির জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা উচিৎ। শুধু বাৎসরিক একটি মেলা করে বাঙালি জাতির কাছে কবি সুকান্তকে তুলে ধরা সম্ভব নয়। কবি সুকান্তকে জাতির কাছে তুলে ধরতে হলে সরকারিভাবে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিৎ।’ উল্লেখ্য, ১৯২৬ সালের ১৫ আগস্ট কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য কালীঘাটের মহিমা হালদার স্ট্রিটে মামা বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম নিবারন ভট্টাচার্য। মাতা সুনীতি দেবী। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ হচ্ছে ছাড়পত্র, ঘুম নেই, পূর্বাভাস, অভিযান, হরতাল। কেআই/এসি     

অতীতের গল্প

অতীত হলো জীবনের উৎসভূমিঅতীত পরিত্যাক্ত বজ্রের গন্ধঅনুকূল্যের কাছে অতীত পরিত্যাজ্যচেতনা ও উন্মত্তার কাছে অতীত মৃত। তবুও, অতীত হেঁটে চলে পথ,প্রজন্ম খুঁজে নিখুঁত অতীতের ব্যাখ্যাসকল অতীতের প্রতি সহানুভূতি জাগেঅতীতে জন্ম নেয় মন্দবৃক্ষক্রুশের বৃক্ষ, প্রশংসা-ঘৃনা-স্মৃতির বৃক্ষ। অতীত নৌকায় যাত্রা করে অতীত যাত্রা করে দৈবের নৌকায় চড়েঅতীতের কোলাহল রসালো হয়ে উঠে অতীতে অবসাদ-ক্লান্তি শুয়ে থাকে গভীর ঘুমেও পড়ে থাকে তৃষ্ণা মৃত্যুঅতীতে আত্মার সিঁড়ি একটি দীর্ঘপথ অতীত বহুদূর সমুদ্রপাড়েঅতীত বহুদূর মধ্যপ্রাচ্যেঅতীত বহুদূর বাসা ও কর্নিশেঅতীত বহুদূর পার্কে ও শপিংমলেঅতীত একটি জঘণ্য দানবঅতীত ধূর্ত, চতূরের মতো।অতীতে মন্দের অভাব নেইঅতীত হয়ে উঠুক জগতের সত্যশপথ করে বলছি অতীতের সন্ধান করি আমি প্রতিনিয়ত।।  

মায়াবী জীবন

জীবন সুন্দর! তবুও জীবন থেকে পালাতে চেষ্টা করিছায়া-রোদে ঘুরিবৃষ্টি-রোদে ঘুরিকত পথ চলি, ধূলি-ধূসরে ঘুরিবর্ষা এলে, বৃষ্টির ফোঁটা পড়ে দেহেবৃষ্টিভেজা দেহে স্বপ্নের জাল বুনিমনে কৃষ্ণচুড়া ফুঁটে থাকে থরে থরেমনে মনে ভাবি জীবনের মূল্য কী?ছুটে যাই বনেবন্য ফুল ফুঁটে থাকে ডালে ডালেছুটে যাই নদীর কিনারেনদীর জল মনের ভেতর করে খলখল।কাক ডাকে ভোরে, নিসর্গের ছোঁয়া পড়ে শরীরেডাকে পাখি, দৃষ্টিনন্দনে ভরে যায় আঁখিজীবন হয়ে উঠে মধুময়মনের প্লাজায় ভেসে ওঠে শ্রাবণ সন্ধ্যারাতের গভীরে অশ্রুসিক্ত স্মৃতিস্মৃতি উঁকি মারে অনির্বিঘ্ন বিশ্রামের ফাঁকে ফাঁকেপবিত্র আত্মায় সবুজ ঘাস চোখ মেলে তাকায়নির্দোষ মনের কিনারা ডুবে থাকে শ্যামলিমায়,রানীহাঁস দিঘীর পথেচষে বেড়ায় খালে-বিলেএকটু দূরেই বুনোহাঁস পাখনা মেলেই ফুটফুটে সাদা।দিঘীর পাড়ের ঠাসবুনোটগাছগাছালি উঁকি মারে জ্যোৎস্না আলোয়,চিরকাল বেশ এভাবেই চলে জীবনজীবন সুন্দর! বুকের মধ্যটায় অচেনা জীবন,ফাঁকে ফাঁকে অজস্র স্মৃতি লুকোচুরি খেলেঅস্পষ্ট স্মৃতিগুলো জীবন থেকে বেরিয়ে যাবার পথ খুঁজেপালাবো কোথায়? জীবন অতি মায়াময়।   এসএইচ/  

শেখ হাসিনাকে নিয়ে লেখা ‘পিস অ্যান্ড হারমোনি’র প্রকাশ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে দেশের খ্যাতিমান কবি সাহিত্যিকদের  লেখা নির্বাচিত একাত্তরটি  কবিতা সংবলিত  ইংরেজিতে অনুদিত বই ‘পিস অ্যান্ড হারমোনি’ প্রকাশিত হয়েছে। এই গ্রন্থে কবিতাগুলো বাংলা ও ইংরেজিতে পাশাপাশি প্রকাশ করা হয়েছে। এর ফলে পাঠকরা দুই ভাষায় পড়তে পারবে। বাংলায় বইটির নামকরণ করা হয়েছে ‘শান্তি ও সহাবস্থান’। বইটির কবিতাগুলো ইংরেজিতে অনুবাদ করেছেন লেখক আনিস মুহম্মদ এবং সম্পাদনা করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক আহমেদ রেজা।  ঢাকার বাংলা মটরের ‘গল্পকার প্রকাশনী ’ বইটি প্রকাশ করেছে। এবারের অমর একুশের বইমেলায় বইটি প্রকাশিত পায়। বইটি উৎসর্গ করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে লেখা কবিতার সংখ্যা অসংখ্য। গত আড়াই দশকে এদেশের কবিরা প্রচুর কবিতা লিখেছেন শেখ হাসিনাকে নিয়ে। সেই সব কবিতা থেকে বাছাই করে অনুবাদক ও সম্পাদক একাত্তরটি কবিতা নিয়ে এই বইটি প্রকাশ করেছেন। কবিতাগুলোতে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কর্ম জীবন,আন্দোলন, সংগ্রাম, দেশ পরিচালনার চিত্র, বঙ্গবন্ধুসহ তার পরিবারের সদস্যদের বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড, পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টে হত্যার প্রতিবাদ, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, মুক্তিযুদ্ধ ও জাতির পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কর্মযজ্ঞ, তার সংস্কৃতি চেতনা, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় তার গৃহীত নীতি, আদর্শকে নিয়ে দেশ পরিচালনাসহ নানা বিষয় এসব কবিতায় স্থান পেয়েছে। বইটিতে যে সব কবিদের কবিতা পত্রস্থ হয়েছে তারা হলেন, কবীর চৌধুরী, সৈয়দ শামসুল হক, বোরহান উদ্দিন খান জাহাঙ্গীর, তোফাজ্জল হোসেন, বেলাল চৌধুরী, আনোয়ারা সৈয়দ হক, কাজী আবু জাফর সিদ্দিকী, রফিক আজাদ, রবিউল হুসাইন, মহাদেব সাহা, হাবীবুল্লাহ সিরাজী, নির্মলেন্দু গুণ, অসীম সাহা, জাহিদুল হক, মুহম্মদ নূরুল হুদা,আখতার হুসেন, কাজী রোজী, শিহাব সরকার, হালিম আজাদ, নাসির আহমেদ, কামাল চৌধুরী, ইয়াফেস ওসমান, নূহ উল আলম লেনিন, আজিজুর রহমান আজিজ, দুলাল সরকার, মোহাম্মদ সাদিক, মুহম্মদ সামাদ, খালেদ বিন জয়েন উদ্দিন, বুলবুল মহলানবিশ, দিলারা হাফিজ, মিনার মনসুর, খালেদ হোসাইন, সালাউদ্দিন বাদল, শাহজাদী আঞ্জুমান আরা, শ্যামসুন্দর শিকদার, আমীরুল ইসলাম, তারিক সুজাত, আসলাম সানীসহ ৭১ জন বরেণ্য  কবির কবিতা এতে স্থান পায়।  বইটির ‘ভূমিকা’য় সম্পাদক অধ্যাপক আহমেদ রেজা ও অনুবাদক আনিস মুহম্মদ যৌথভাবে লিখেছেন ‘এ দেশের বিশিষ্ট প্রায় সব কবি কবিতা লিখেছেন তাদের প্রিয় নেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিাকে নিয়ে। কবিদের ভাবনা, আকাংখা, স্মৃতি, স্বপ্ন, কল্পনা ও পরিকল্পনায় উঠে এসেছে তাদের প্রিয় নেত্রী শেখ হাসিনা প্রতি অপরিমেয় ভালোবাসা। শেখ হাসিনার গুণাবলী, শোক ও দুঃখ, আনন্দ আর অভিযাত্রা মূর্ত হয়েছে এই কাব্যগ্রন্থে সংকলিত একাত্তরটি কবিতায়। দুটি বিষয়কে স্মরণে রেখে  কবিতাপ্রেমী এই মহান ব্যাক্তিকে নিয়ে লেখা একাত্তরটি অনুপম কবিতা একত্রে প্রকাশের উদ্যোগ নিয়েছি। পাশাপাশি সারাবিশ্বে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের ধারনা প্রসারের যে অনন্য নজির তিনি স্থাপন করেছেন, সে বিবেচনা থেকে এই গ্রন্থের নাম ‘শান্তি ও সহাবস্থান’ দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুমোদন নিয়ে বইটি প্রকাশ করা হয়। বইয়ের ২০৭ পৃষ্ঠায় প্রধানমন্ত্রীর অফিস থেকে এ সম্পর্কিত দেওয়া অনুমোদনপত্রটি যুক্ত করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর অফিসের কর্মকর্তা ওয়াহিদা মুসাররত অনীতার (পরিচালক-৭) স্বাক্ষরিত অনুমোদন পত্রটি বইটির অনুবাদক ও সম্পাদককে অনুলিপি প্রদান করা হয়। বইটির প্রচ্ছদ এঁকেছেন শিল্পী মাসুক হেলাল। কেআই/এসএইচ/

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি