ঢাকা, শুক্রবার, ২২ জুন, ২০১৮ ১৭:৩৩:২০

ইন্দোনেশিয়ায় ধর্মীয় নেতার মৃত্যুদণ্ড

ইন্দোনেশিয়ায় ধর্মীয় নেতার মৃত্যুদণ্ড

ইন্দোনেশিয়ার এক ধর্মীয় নেতাকে মৃত্যুদণ্ড দণ্ডিত করা হয়েছে। ২০০৬ সালে দেশটির রাজধানী জাকার্তার একটি রেস্টুরেন্টে আত্মঘাতী হামলা চালানোর দায়ে তাকে এ দণ্ড দেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, আইএসআইএল জঙ্গিরা ওই ক্যাফেতে হামলা চালায়। দণ্ডপ্রাপ্ত ওই ব্যক্তির নাম আমান আব্দুররহমান। পুলিশ ও মামলার প্রসিকিউটররা জানিয়েছে, আমান আইএসআইএল’র এক সক্রিয় কর্মী। ৫ সদস্যের বিচারিক প্যানেল এই আদেশ দেন। বিচার চলাকালে আদালত প্রাঙ্গনে আদা সামরিক বাহিনীর সদস্যরা ঘিরে রাখে। এদিকে গতমাসেও দেশটির দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর সারাবায়াতে হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। ওই হামলায় অন্তত ২৬ জনের প্রাণহানি ঘটে। সূত্র: বিবিসিএমজে/
মাকে তালাবন্দি করে শ্বশুরবাড়ির দাওয়াতে ছেলে-পুত্রবধূ!

খাবার বলতে এক বোতল পানি আর চারখানা বিস্কুট। দরজা-জানালা যেভাবে বন্ধ, তাতে কারও দৃষ্টি তো দূর, আলো-বাতাসও ঢুকতে পারবে না। আশি বছরের বৃদ্ধা মাকে তিন দিনের জন্য ওই অবস্থায় রেখে জামাইষষ্ঠীতে দাওয়াত খেতে বউকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি বেড়াতে গেলেন ছেলে। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের রাজধানী কলকাতার দমদমের বেদিয়াপাড়ায় এ ঘটনা ঘটেছে। বুধবার রাতে বৃদ্ধাকে উদ্ধার করার পরে সব শুনে স্তম্ভিত দমদমের বেদিয়াপাড়ার বাসিন্দারা। দক্ষিণ রবীন্দ্রনগরের ক্ষুদিরাম সরণিতে তিন কাঠা জমির উপরে নিজের বাড়ি ছিল বৃদ্ধা শোভারানি দাসের। ওই বাড়িতে প্রোমোটিং হওয়ায় ছোট ছেলে ভবনাথ দাস ও বউ শ্যামলী দাসের সঙ্গে বেদিয়াপাড়ার আর এন ঠাকুর রোডের একটি বাড়ির একতলায় ভাড়া থাকেন তিনি। প্রতিবেশী এক মহিলা জানান, গত তিন দিন ধরে মাঝেমধ্যেই দরজা-জানলায় ধাক্কা মারার আওয়াজ পাচ্ছিলেন তারা। কিন্তু সেই আওয়াজ যে পাশের বাড়ির বৃদ্ধা করছেন, তা প্রথমে বুঝতে পারেননি কেউ। বুঝবেনই বা কী করে! অভিযোগ, বাড়িতে মায়ের অস্তিত্ব যাতে পাড়া প্রতিবেশী টের না পায়, তার জন্য বন্দোবস্তের কোনও কসুর রাখেননি ছেলে-বউ। সদর দরজায় বাইরে থেকে তালা ঝোলানো। শোভারানি যাতে জানালা খুলতে না পারেন, তার জন্য ভিতরের একটি জানালা ছিটকিনির পাশাপাশি চেন-তালা দিয়ে লাগানো ছিল। আর একটি জানালা কাঠের বিম দিয়ে সিল করে দিয়েছিলেন পেশায় অটোচালক ভবনাথ। এই পরিস্থিতিতে বুধবার রাত সাড়ে আটটা নাগাদ বৃদ্ধার কান্নার আওয়াজ শুনে বিচলিত হয়ে পড়েন প্রতিবেশীরা। চেন-তালা লাগানো জানালার পাল্লা কোনও মতে সরিয়ে ঘরের ভিতরে বৃদ্ধাকে তারা দেখতে পান। এর পর তারাই দরজার তালা ভেঙে শোভারানিকে উদ্ধার করেন। রাত ১০টার দিকে দমদম পুর হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় তাকে। বৃহস্পতিবার হাসপাতালের বিছানায় বসে বৃদ্ধা বলেন, ‘যখন শ্বশুরবাড়ি যাচ্ছিল, ছেলেকে বললাম, চার দিন ধরে ভাত খাইনি, একটু ভাত দিয়ে যা। ভাত ছিল না। তখন বললাম একটু মুড়ি দিতে। চোখে তো দেখতে পাই না। একটু পরে বুঝলাম, মুড়িও নেই। শুধু এক বোতল পানি আর চারটে বিস্কুট দিয়ে গেছে।’ স্থানীয় বাসিন্দা শিখা রায় বললেন, ‘যাতে শৌচাগারে যেতে না হয়, তার জন্য সোম ও মঙ্গলবারের ওই অস্বাভাবিক গরমেও মাত্র এক বোতল পানি দিয়ে গিয়েছিল। নিজের মায়ের সঙ্গে কেউ এমন ব্যবহারও করতে পারে!’ স্থানীয় বাসিন্দাদের রোষের মুখে ভুল স্বীকার করে নিয়েছেন ভব ও তার স্ত্রী। তবে নিজেদের নির্দোষ প্রমাণে যুক্তি দিতে ছাড়েননি তারা। ছেলের বক্তব্য, ‘জানালা খোলা থাকলে মা মলত্যাগ করে কাগজে মুড়ে বাইরে ছোড়েন। তাই মাকে নিয়ে প্রতিবেশীরা যাতে অসুবিধায় না পড়েন, সেই জন্যই ওইভাবে রেখে গিয়েছিলাম।’ বৃদ্ধা মাকে দেখাশোনার জন্য লোকও তো রাখা যেত? বউয়ের জবাব, ‘আমাদের সেই আর্থিক সামর্থ্য নেই।’ যদিও তা মানতে নারাজ স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের বক্তব্য, তিন কাঠা জমির উপরে প্রোমোটিং হচ্ছে। টাকার তো অভাব হওয়ার কথা নয়। এ বিষয়ে শোভারানির দুই ছেলে দায়িত্বের ভার একে অপরের কোর্টে ঠেলেছেন। ছোট ছেলের যুক্তি, পাঁচতলা বাড়ি উঠলেও তারা মাকে তার ভাগের টাকা দেননি। কারণ মায়ের দায়িত্ব তো তাদেরই নিতে হবে। তার দাবি, বাড়ির প্রোমোটিং সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয় দেখছেন দাদা জগন্নাথ দাস। সেই দাদার বক্তব্য, ‘মায়ের দায়িত্ব নেবে বলেই তো ভাই তার ভাগে ১০০ বর্গফুট জায়গা বেশি পেয়েছে। আমি বাবার চিকিৎসা ও দেখাশোনার ভার নিয়েছিলাম।’ তার অভিযোগ, মায়ের খোঁজ নিতে গেলে ভবনাথের স্ত্রী তার সঙ্গে দেখা করতে দিতেন না। উল্টো মাকে দেখতে যাওয়ার জন্য শুরু হয়ে যেত অশান্তি। দুই ছেলে যখন মায়ের দায়িত্ব কার বেশি, তা নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণে ব্যস্ত, তখন হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে মা বলছেন, ‘আমার ছেলের কোনও দোষ নেই। ভালই যত্নআত্তি করে!’ সূত্র: আনন্দবাজার একে//

আগামী সপ্তাহে ভারত আসছেন মার্কিন দূত নিক্কি হ্যালি

জাতিসংঘে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী প্রতিনিধি নিক্কি হ্যালি আগামী সপ্তাহে ভারত সফরে আসছেন। তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আস্থাভাজন সহকারীদের একজন। সফরকালে তিনি পররাষ্ট্র দফতর, ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাডভাইজর অজিত দোভালের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এ ছাড়াও ২৭ জুন একটি থিঙ্ক ট্যাঙ্ক প্রতিষ্ঠানের অনুষ্ঠানে যোগ দিবেন হ্যালি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা করার সম্ভাবনা রয়েছে তার। হ্যালি এমন সময় ভারত সফরে আসছেন, যখন দুটো বড় ইস্যুতে দুই দেশের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে। ইস্যু দুটি হল- ইরানের পারমাণবিক চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বেরিয়ে আসা এবং রাশিয়ার সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তির ওপর নিষেধাজ্ঞা। সূত্র জানিয়েছে, আগের নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী এই দ্বিপক্ষীয় সফর হচ্ছে। আগামী ৬ জুলাই ওয়াশিংটন ডিসিতে দুই দেশের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী পর্যায়ের যে ২+২ আলোচনার কথা রয়েছে, তারই প্রস্তুতি হিসেবে এ সফর হচ্ছে। জানা গেছে, হ্যালির সফরে বৈশ্বিক ইস্যুগুলো উঠে আসবে এবং ভারতীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় জেসিপিওএ থেকে ট্রাম্প প্রশাসনের বেরিয়ে আসার বিষয়টিও আলোচিত হবে। সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস একে//

বেনজির ভুট্টোর ‘গোপনে’ সন্তান জন্ম দেওয়ার দিনগুলো

প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকা অবস্থায় সন্তানের জন্ম দিয়ে বিশ্বজুড়ে গণমাধ্যমের শিরোনাম হয়েছেন নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা আর্ডার্ন। তিনি হচ্ছেন দ্বিতীয় সরকার প্রধান, যিনি দায়িত্বে থাকা অবস্থায় সন্তানের মা হলেন। এ ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে স্বাভাবিকভাবেই আলোচনায় আসছেন পাকিস্তানের প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টোর নাম, যিনি প্রধানমন্ত্রী থাকা অবস্থায় সন্তানের জন্ম দিয়েছিলেন। এখানে কিছু কাকতালীয় বিষয় রয়েছে। নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা আর্ডার্ন যেদিন সন্তানের জন্ম দিয়েছেন, অর্থাৎ ২১ শে জুন তারিখ পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টোরও জন্মদিন। ৬৫ বছর আগে এ দিনটিতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন বেনজির ভুট্টো। নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ৩৭ বছর বয়সে সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। বেনজির ভুট্টোও ৩৭ বছর বয়সে অর্থাৎ ১৯৯০ সালে তার কন্যা বখতাওয়ার ভুট্টো জারদারিকে জন্ম দিয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার এক টুইট বার্তায় বখতাওয়ার ভুট্টো নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। বখতাওয়ার ভুট্টো জারদারি তার টুইট বার্তায় লিখেছেন, ‘বেনজির ভুট্টো দেখিয়েছিলেন যে আপনি একই সঙ্গে মা হতে পারেন এবং প্রধানমন্ত্রীও থাকতে পারেন।’ বেনজির ভুট্টো যখন তার কন্যা বখতাওয়ার ভুট্টোর জন্ম দিয়েছিলেন তখন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি এক বছরের চেয়ে কিছুটা বেশি সময় অতিবাহিত করেছিলেন। অন্যদিকে নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা আর্ডার্ন ক্ষমতায় আসার এক বছর এখনো পূর্ণ হয়নি। আর্ডার্নের সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার ছয় মাস আগেই ঘোষণা দিয়েছিলেন যে তিনি সন্তানসম্ভবা। তিনি এরই মধ্যে ছয় সপ্তাহের মাতৃত্ব-কালীন ছুটি নিয়েছেন এবং তার সহকারীর কাছে সাময়িক সময়ের জন্য দায়িত্ব হস্তান্তর করেছেন। কিন্তু বেনজির ভুট্টো তার গর্ভবতী হওয়ার বিষয়টিকে গোপন রেখেছিলেন এবং ডাক্তারের পরামর্শে দ্রুত কাজে ফিরে আসেন। ভুট্টোর সন্তানসম্ভবা হওয়ার বিষয়টি শুধু যে দেশবাসীর কাছে গোপন রাখা হয়েছিল তা নয়, এমনকি তার মন্ত্রী পরিষদের সদস্যরাও এ বিষয়ে কিছু জানতেন না। বেনজির ভুট্টোর মন্ত্রী পরিষদের এক সদস্য জাবেদ জব্বার পরবর্তীতে বিবিসিকে বলেছিলেন, ‘আমাদের মন্ত্রী পরিষদের কোনও সদস্যই জানতেন না যে প্রধানমন্ত্রী সন্তানের জন্ম দিতে যাচ্ছেন।’ ‘এবং আকস্মিকভাবে আমরা জানতে পরলাম যে তিনি শুধু গণতন্ত্রের জন্ম দেননি, একই সঙ্গে তিনি সন্তানেরও জন্ম দিয়েছেন।’ বেনজির ভুট্টো সে সময় উত্তাল রাজনৈতিক পরিস্থিতির ভেতরে ছিলেন। যখন বখতাওয়ারের জন্ম হয় সে সময় সেনা-সমর্থিত একটি ডানপন্থী রাজনৈতিক জোট সরকারকে ঘিরে ধরেছিল। তিনি তখন একটি অনাস্থা ভোটে টিকে গিয়েছিলেন। এ অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে বেনজির ভুট্টোকে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য সে সময় পাকিস্তানের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা বা আইএসআই তার দল থেকে অর্থের বিনিময়ে সংসদ সদস্যদের ভাগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল। পাকিস্তানে নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য প্রেসিডেন্টের যে একক কর্তৃত্ব ছিল সেটিকে বাতিল করার জন্য সংগ্রাম করছিলেন বেনজির ভুট্টো। কিন্তু তিনি শেষ পর্যন্ত সফল হননি। সেজন্য বেনজির যখন সন্তানসম্ভবা হয়েছিলেন তখন তিনি বিষয়টি জনসমক্ষে প্রকাশ করেননি এবং মাতৃত্ব-কালীন কোনও ছুটিও নেননি। বেনজির ভুট্টোর ব্যক্তিগত গাইনোকলজিস্ট তার অপারেশন করেছিল এবং সন্তান জন্মের পর ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে তিনি দ্রুত কাজে যোগ দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে বেনজির ভুট্টো সে সময়ের বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেছিলেন, ‘পরদিন আমি কাজে ফিরেছিলাম। সরকারি কাগজপত্র পড়েছি এবং সরকারি ফাইলে স্বাক্ষর দিয়েছি,’ ‘পরে আমি জানতে পারলাম যে ইতিহাসে আমিই হচ্ছি একমাত্র প্রধানমন্ত্রী যে ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় সন্তানের জন্ম দিয়েছে।’ বেনজির ভুট্টো বলেছিলেন যে তার সন্তান জন্মদানের বিষয়টি তখন নারীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল। কারণ এর মাধ্যমে প্রমাণ হয়েছে যে, একজন নারী নেতৃত্বের সর্বোচ্চ অবস্থানে থেকে এবং নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে সে সন্তানের জন্ম যেমন দিতে পারে তেমনি কাজও করতে পারে। পাকিস্তানের রাজনীতিতে যত অনিশ্চয়তা এবং বিপদ আছে সেটি নিউজিল্যান্ডের রাজনীতিতে নেই। বখতাওয়ারকে জন্মদানের কয়েকমাস পরে তৎকালীন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট গুলাম ইসহাক খান বেনজির ভুট্টোর সরকারকে বরখাস্ত করেছিল। এরপর একটি কারচুপির নির্বাচনের মাধ্যমে বেনজির ভুট্টোর প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় আসে। তৎকালীন বিরোধী নেতা সৈয়দা আবিদা হুসাইন মিস ভুট্টোকে `লোভী` হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি অভিযোগ করেন, বেনজির ভুট্টো দেশের সেবা না করে বরং `মাতৃত্ব, পরিবার এবং গ্ল্যামারের` দিকে বেশি মনোযোগী ছিলেন। বেনজিরের অপর দুই সন্তানের জন্মও একইভাবে গোপনীয়তার ভেতর দিয়ে হয়েছিল। ১৯৮৮ সালে সামরিক শাসক জেনারেল জিয়া সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে এবং সে বছর নভেম্বর মাসে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করে। বেনজির ভুট্টো তখন সন্তানসম্ভবা ছিলেন এবং তার গর্ভে তখন ছিল বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি। একটা কথা ব্যাপকভাবে প্রচলিত রয়েছে যে গোয়েন্দা রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে জেনারেল জিয়া নভেম্বর মাসের শেষ দিকে নির্বাচন ঘোষণা করেছিলেন। কারণ গোয়েন্দা রিপোর্টে বলা হয়েছিল যে নভেম্বর মাসে বেনজিরের সন্তান জন্ম দানের সময় ঘনিয়ে আসবে এবং সে জন্য তিনি ভালোমতো নির্বাচনী প্রচারণা করতে পারবেন না। কিন্তু বিলাওয়ালের জন্মের খবর আসে সেপ্টেম্বর মাসে এবং নির্বাচনী প্রচারণায় তখন সেটি গতির সঞ্চার করে। বলা হয়ে থাকে, বেনজির ভুট্টো ইচ্ছাকৃতভাবে সন্তানের জন্মদানের সময় সম্পর্কে ভুল তথ্য প্রচার করেছিলেন। সূত্র: বিবিসি একে//  

নিজেকে দলের চেয়ে বড় মনে করলে বের হয়ে যান : মমতা

সামনেই লোকসভা নির্বাচন৷ তার আগে দলের নেতাকর্মীদের জনসংযোগ বাড়ানোর উপর জোর দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ জনসংযোগ না বাড়ালে দলে জায়গা হবে না বলেও হুঁশিয়ারি উচ্চারন করেন তৃণমূল কংগ্রেসের এ নেত্রী। আজ বৃহস্পতিবার নেতাজী ইন্ডোর স্টেডিয়ামে দলের বর্ধিত কোর কমিটির বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। বলেন, জনসংযোগ বাড়াতে হবে৷ তা না হলে তৃণমূলে জায়গা নেই৷ গায়ে হাওয়া লাগিয়ে দলে থাকার দরকার নেই৷ দলের কয়েকজন নেতা কর্মীর আচরণে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মমতা৷ নাম না নিয়েই তাদের সাবধান করেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, দলটা অনেক কষ্ট করে তৈরি করা হয়েছে৷ মানুষের দয়ায় তৃণমূল ক্ষমতায় এসেছে৷ কেউ যদি নিজেকে দলের থেকে বড় মনে করে তাহলে তৃণমূলের দরজা খোলা আছে৷ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একা খাটবেন সেটা চলতে পারে না৷ সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন। / এআর /

৩৭০ ধারাকেই নিশানা বিজেপির

মেহবুবা মুফতির সঙ্গ ত্যাগের সঙ্গে সঙ্গেই বিজেপি ফিরল নিজের ৩৭০ ধারার রাজনীতিতে। ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য রাম মন্দিরের বিষয় ছিলই। তিন তালাক তুলে দিয়ে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালুর রবও উঠে গিয়েছে। আর জম্মু-কাশ্মীরে জোট ভেঙে বেরিয়ে আসার পরে এ বার কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা সংক্রান্ত সংবিধানের ৩৭০ ধারা তুলে দেওয়ার দাবি তুলছে বিজেপি। ২০১৯-এর লোকসভা ভোটের আগে মেরুকরণের রাজনীতির সব হাতিয়ারই এখন বিজেপির হাতে চলে এসেছে। সেই অস্ত্র কাজে লাগাতে বিজেপি যে কসুর করবে না, তা আজ বুঝিয়ে দিয়েছেন জম্মু-কাশ্মীরের ভারপ্রাপ্ত নেতা রাম মাধব। জনসঙ্ঘের আমল থেকেই সংঘ পরিবারের নেতারা সংবিধানের ৩৭০ ধারায় জম্মু ও কাশ্মীরকে বিশেষ সুবিধা ও অধিকার দেওয়ার বিরুদ্ধে। সে কথা মনে করিয়ে দিয়ে রাম মাধবের যুক্তি, ৩৭০ ধারার অবলুপ্তি বিজেপির প্রধান কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে। এ বিষয়ে সংসদই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। পিডিপি-র সঙ্গে জোট করে বিজেপি জম্মু-কাশ্মীরে সরকারে এলেও মেহবুবা এত দিন ৩৭০ ধারা নিয়ে এগোতে দেননি। শরিকি চাপের মুখেও কাশ্মীরের বিশেষ সুবিধার প্রশ্নে আপস করতে রাজি হয়নি তিনি। কিন্তু ৩৭০ ধারাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা হয়েছে। মামলায় বলা হয়েছিল, ৩৭০ ধারা কোনও স্থায়ী বন্দোবস্ত ছিল না। কিন্তু গত এপ্রিলে শীর্ষ আদালত রায় দেয়, সংবিধানের ৩৭০ ধারা কোনও অস্থায়ী বন্দোবস্ত নয়। সুপ্রিম কোর্টের সেই রায়ে স্বস্তি পেয়েছিলেন মেহবুবা। কিন্তু ইতিমধ্যে সংবিধানের ৩৫এ ধারার বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের হয়েছে। যে ধারায় বলা হয়েছে, ১৯৫৬ সালে গৃহীত জম্মু-কাশ্মীরের সংবিধান অনুযায়ী রাজ্যের স্থায়ী বাসিন্দা কারা। সুপ্রিম কোর্টে কেন্দ্র ইতিমধ্যেই দাবি তুলেছে, এ বিষয়ে বিতর্ক প্রয়োজন। গরমের ছুটির পরে অগস্টে এই মামলার শুনানি। পিডিপি ও ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতাদের আশঙ্কা, শুনানিকে কেন্দ্র করে কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা নিয়ে দেশ জুড়ে বিতর্ক খাড়া করবে বিজেপি। সে ক্ষেত্রে জম্মু-কাশ্মীরের অন্তর্ভুক্তি নিয়েও বিতর্ক শুরু করতে হবে। এখানেই প্রমাদ গুণছেন কংগ্রেস নেতারা। তাঁদের মতে, ভূ-স্বর্গের ভালমন্দের কথা ভেবে নয়, হিন্দি বলয়ে মেরুকরণকে পাখির চোখ করে ৩৭০ ধারা বিলোপের দাবিতে ফের মাঠে নামতে চাইছে সঙ্ঘ পরিবার। আর বিজেপি সূত্রের মতে, জম্মু-কাশ্মীরে রাজ্যপাল শাসন জারি হওয়ায় কেন্দ্রই রাজ্যপালের মাধ্যমে রাজ্য চালাবে। ফলে সুপ্রিম কোর্টেও কাশ্মীরের বিশেষ সুবিধার বিরুদ্ধে সরব হতে অসুবিধা হবে না। তবে প্রশ্ন উঠেছে, কাশ্মীরের মানুষের মতের বিপক্ষে গিয়ে রাজ্যপাল ৩৭০ ধারা বিলোপের পক্ষে আদৌ কতটা জোরালো অবস্থান নিতে পারবেন? বিজেপি নেতাটির পাল্টা বক্তব্য, রাজ্যপালকে আখেরে কেন্দ্রের মতামতকেই গুরুত্ব দিতে হয়। কেন্দ্র যা চাইবে, রাজ্যপাল সেটাই করবেন। এমজে/

ইমরানকে ফের জোট গঠনের আহ্বান মোশাররফের

পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) প্রধান ইমরানকে জোট গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক স্বৈরশাসক পারভেজ মুশাররফ। নিজ দল অল পাকিস্তান মুসলিম লীগের সঙ্গে জোট বেঁধে আগামী নির্বাচনে লড়ার আহ্বান জানান পাকিস্তান ৯ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা পারভেজ মুশাররফ। দেশা ফেরার পূর্বে দ্বিতীয়বারের মতো ইমরানকে জোট গঠনের আহ্বান জানান মুশাররফ। এর আগে চলতি বছরের এপ্রিলে জোট গঠনের জন্য ইমরানকে চিঠি পাঠান মুশাররফ। উল্লেখ্য, পারভেজ মুশাররফ বর্তমানে ব্রিটেন অবস্থান করছেন। পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশনের রিটার্নিং কর্মকর্তা তার নির্বাচনী মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেছে। শিগগিরই তিনি আপিল করবেন বলে জানা গেছে। এদিকে আগের অবস্থানেই অনঢ় রয়েছেন বিশ্বকাপজয়ী ক্রিকেটার ইমরান খান। তিন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, কারও সঙ্গে কোয়ালিশন গড়ে নয়, তেহরিক-ই-ইনসাফ এবার নিজেই সরকার গঠন করবে। সূত্র: দ্য ডন এমজে/

যশোদাবেনকে বিয়ে করেননি মোদি!

গুজরাটের বিজেপি নেত্রী সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও মধ্যপ্রদেশের বর্তমান রাজ্যপাল আনন্দিবেন প্যাটেলের ওপর ক্ষুব্ধ হয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির স্ত্রী যশোদাবেন ও তাঁর ভাই অশোক মোদি।সম্প্রতি যশোদাবেনকে নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করেন আনন্দিবেন। পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে ক্ষোভ ঝেড়েছেন যশোদাবেন ও তার দেবর অশোক মোদি। আনন্দিবেন গুজরাটের দিব্য ভাস্কর নামের একটি সংবাদপত্রে ১৯ জুন এক সাক্ষাৎকারে দাবি করেন, যশোদাবেনকে নাকি বিয়েই করেননি মোদি! তিনি অবিবাহিত।ইস্যুটি নিয়ে বিরোধিরা মুখর হওয়ার আগেই মোদিপত্নী যশোদাবেন ও তাঁর ভাই অশোক গুজরাটের উঞ্ছায় গতকাল বুধবার সংবাদ সম্মেলন করেন।সম্মেলনে বলা হয়, আনন্দিবেনের মন্তব্যে অবাক হয়েছেন যশোদাবেন ও অশোক। এ ধরনের মন্তব্য অনভিপ্রেত।গুজরাটে মোদির পর মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন আনন্দিবেন। পরে তিনি মধ্যপ্রদেশের রাজ্যপাল হন।২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় মোদি নিজেই লিখেছিলেন তাঁর স্ত্রী আছে। তিনি বিবাহিত। তাঁর সহধর্মিণীর নাম যশোদাবেন। যশোদাবেন গুজরাটের একটি স্কুলে শিক্ষকতা করেন।বিজেপিরই নেত্রী হয়ে আনন্দিবেন কীভাবে মোদিপত্নী যশোদাবেন সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য করতে পারলেন, তাতে যশোদাবেন ও অশোক বিস্মিত।যশোদাবেন এক ভিডিও সাক্ষাৎকারে বলেন, আনন্দিবেনের মন্তব্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর ভাবমূর্তিও ক্ষুন্ন হয়েছে।যশোদাবেন বলেন, আমি ওনাকে (নরেন্দ্র মোদি) শ্রদ্ধা করি। সম্মান করি। উনি আমার কাছে রামের সমান।/ এআর /

তালেবান হামলায় ৩০ আফগান সেনা নিহত

তালেবান যোদ্ধারা হামলা চালিয়ে ৩০ আফগান সেনাকে হত্যা করেছে। শুধু তাই নয়, হামলার পরই পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর বাদগিসের একটি সেনা ক্যাম্প দখলে নিয়েছে তালেবান যোদ্ধারা। ঈদুল-ফিতরের পর এটাই আফগান সেনাদের লক্ষ্য করে তালেবানদের প্রথম কোনো হামলা। গত রোববার তালেবানের সঙ্গে আফগান সেনাদের যুদ্ধবিরতির দিন শেষ হয়েছে। প্রাদেশিক গভর্নর আব্দুল ঘাফুর মালিকজাই বলেন, তালেবানরা দুটি নিরাপত্তা চৌকিতে হামলা চালিয়েছে। এদিকে বাদঘিস প্রাদেশিক কাউন্সিলের প্রধান আব্দুল আজিজ বেক জানায়ন, একটি সেনা ক্যাম্প লক্ষ্য করে ওই হামলা চালায় তালেবান যোদ্ধারা। বেক আরও জানায়, বিপুল সংখ্যক তালেবান যোদ্ধা ওই এলাকার একটি সেনাক্যাম্প দখলে নিয়েছে। ৩০ সেনা নিহত হওয়ার পরই বিভিন্ন প্রদেশ থেকে শত শত তালেবান যোদ্ধা ওই এলাকায় অবস্থান শুরু করেছে। এদিকে প্রদেশের অন্য জেলায় সেনা অভিযানে অন্তত ১৫ জন তালেবান যোদ্ধা নিহত হয়েছে। সূত্র: দ্য ডনএমজে/

উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপনাস্ত্র পরীক্ষাগার চিহ্নিত

যুক্তরাষ্ট্রের এক ঊর্ধতন কর্মকর্তা বলেছেন, উত্তর কোরিয়ার পশ্চিমাঞ্চলীয় এলাকায় থাকা ক্ষেপনাস্ত্র পরীক্ষাগারটি থেকে ক্ষেপনাস্ত্রের ইঞ্জিন পরীক্ষা করা হতো। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাতে ওই পরীক্ষাগারটি গুড়িয়ে দেওয়ার বিষয়ে সম্মত হয়েছিলেন কিম জং উন। গত ১২ জুন ট্রাম্প ও কিমের মধ্যে বৈঠকে কিম জানায়, যেই পরীক্ষাগারটি থেকে ক্ষেপনাস্ত্র পরীক্ষা করা হতো সেটি খুব দ্রুতই ধ্বংষ করে ফেলা হবে। তবে ওই মুহূর্তে কিম পরীক্ষারটির নাম মুখে আনেননি। এবার মার্কিন এক ঊর্ধতন কর্মকর্তা বিষয়টির সত্যতা জানালেন। চিহ্নিত হওয়া ওই পরীক্ষাগাড়ের নাম সুহায়ে স্যাটেলাইট লঞ্চিং গ্রাউন্ড। জানা যায়, উত্তর কোরিয়া ওই স্থান থেকে তরল-জ্বালানি চালিত ইঞ্জিনের পরীক্ষা করতো। বিশেষ করে দূর পাল্লার ব্যালিস্টিক মিসাইল ক্ষেপনাস্ত্রের ইঞ্জিনের পরীক্ষা করা হতো। সূত্র: রয়টার্সএমজে/

কাশ্মীরে গভর্নরের শাসন জারি

ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে গভর্নরের শাসন জারি করেছে ভারত সরকার। মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতির পদত্যাগের পরই বিতর্কিত এই অঞ্চলের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয় প্রেসিডেন্টের মনোনীত গভর্নর এনএন ভোহরার হাতে। এখন থেকে পরবর্তী কোয়ালিশন সরকার বা নির্বাচন অনুষ্ঠানের আগ পর্যন্ত তিনিই অঞ্চলটি শাসন করবেন। এর আগে কাশ্মীরের সংখ্যাগরিষ্ঠ দল পিডিএফের সঙ্গে কোয়ালিশন ছিন্ন করে ক্ষমতাসীন দল বিজেপি। এরপর গত মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন মেহবুবা মুফতি। বিজেপি জানায়, তিন বছরের জোট ভাঙ্গতে তারা বাধ্য হচ্ছেন। কারণ হিসেবে তারা বলছেন, এই অঞ্চলে ব্যাপকহারে সহিংসতা বাড়তে থাকায় মেহবুবা মুফতির সঙ্গে তারা জোট ধরে রাখতে রাজি নয়। এদিকে এক বিবৃতিতে বিজেপি জানায়, কাশ্মীরের প্রভাবশালী সাংবাদিক সুজাট বুখারির হত্যার ঘটনায় বিজেপি ও মেহবুবা মুফতির মধ্যে ফাটল ধরে। এর জের ধরেই বিজেপি মেহবুবা মুফতির কাছ থেকে শাসন ক্ষমতা কেড়ে নিতে কোয়ালিশন ভেঙ্গে দেয়। জানা গেছে, রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের পক্ষে এখন থেকে এনএন ভোহরা রাজ্য শাসন করবে।

ইমরান-আব্বাসি-মোশাররফের মনোনয়নপত্র বাতিল

পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রধান ইমরান খানের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, আরেক হেভিওয়েট প্রার্থী সদ্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান মুসলিম লিগের (পিএমএল-এন) নেতা শহীদ খাকান আব্বাসির মনোনয়নপত্র বাতিল করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।  এছাড়া সাবেক প্রেসিডেন্ট ও অল পাকিস্তান মুসলিম লীগের প্রধান পারভেজ মোশাররফের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়ে গেছে। গতকাল মঙ্গলবার মনোনয়নপত্রে তথ্য না দেওয়া বা মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগে তাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করেন সংশ্লিষ্ট এলাকার রিটার্নিং কর্মকর্তারা। প্রার্থীরা এখন নির্বাচনী আপিল ট্রাইব্যুনালে আপিল করতে পারবেন। ২২ জুন পর্যন্ত আপিল গ্রহণ করবে পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশন। ২৭ জুনের মধ্যে এসব আবেদনের সুরাহা করা হবে। এরপর ২৮ জুন বৈধ প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে। ২৯ জুন পর্যন্ত প্রার্থিতা প্রত্যাহার করতে পারবেন প্রার্থীরা। আর প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশিত হবে ৩০ জুন। প্রসঙ্গত, আগামী ২৫ জুলাই দেশটির জাতীয় ও প্রাদেশিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া তালিকায় আরো রয়েছেন, মুত্তাহিদা কউমি মুভমেন্টের ফারুক সাত্তার, পিটিআইয়ের আয়েশা গুলালি ও পিএমএল-এনের সরদার মেহতাব খান আব্বাসি। নানা কারণে তাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা। এদিকে, পিপিপি চেয়ারম্যান বিলওয়াল ভুট্টো জারদারি, পিএমএল-এনের হামজা শাহবাজ ও মরিয়ম নওয়াজের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। সূত্র: ডন একে//

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি