ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৬ আগস্ট, ২০১৮ ২৩:৫৫:৩৯

ভারতের মাটিতে জন্ম নিল প্রথম পেঙ্গুইন

ভারতের মাটিতে জন্ম নিল প্রথম পেঙ্গুইন

ভারতের স্বাধীনতা দিবসে প্রকৃতি প্রেমীদের জন্য সুখবর। ভারতের প্রথম পেঙ্গুইন ছানা জন্ম নিল মুম্বাইয়ের এক চিড়িয়াখানায়।   ব্রিহান মুম্বাই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন ঘোষনা করে গতকাল ১৫ই আগস্ট রাত আটটায় পেঙ্গুইন ছানাটি জন্মগ্রহণ করে।চিড়িয়াখানার ডিরেক্টর ইন চার্জ সঞ্জয় ত্রিপাঠী জানান, জন্মের পর থেকেই বেশ চনমনে রয়েছে ছানাটি। মা পেঙ্গুইন ছানাটিকে খাওয়ানোর চেষ্টা করছে। বীর জীজাবাই ভন্সাল উদ্যানে সদ্যজাত পেঙ্গুইনের বাবা-মা মিস্টার মোল্ট ও ফ্লিপারকে নিয়ে উত্তেজনা ছিল বেশ কয়েকদিন ধরেই। গত জুলাই মাসে ফ্লিপার প্রসব করে। চিড়িয়াখানার সবচেয়ে পুরাতন মহিলা সদস্য ফ্লিপার। উল্টোদিকে মিস্টার মোল্ট নবীনতম সদস্য। এই উদ্যানের পেঙ্গুইন পাড়ার সবচেয়ে চর্চিত নাম মিস্টার মোল্ট ও ফ্লিপার। চিড়িয়াখানায় ঘুরতে আসা মানুষদের কাছেও সেরা আকর্ষণ এরা। প্রায় ৪০ দিন ধরে প্রবল যত্নের সঙ্গে ডিমটির পরিচর্যা করেন চিড়িয়াখানার কর্মীরা। তাদের মধ্যেও উৎসাহের অন্ত ছিল না। পেঙ্গুইনদের জন্য তৈরি একটি বিশেষ শীতল স্থানে ডিমটিকে রাখা হয়। অবশেষে জল্পনার অবসান ঘটিয়ে স্বাধীনতা দিবসের রাতে ডিমের খোলস থেকে মুক্ত হয় সে। প্রায় এক হাজার সাতশ স্কোয়ার ফিট জায়গা জুড়ে তৈরি এই জায়গায় সবসময় ১৬ থেকে ১৮ ডিগ্রি তাপমাত্রার সমতা রাখা হয়। পানির পরিমাণও নিয়মিত দেখা হয়। সেখানে পেঙ্গুইনদের মাছ খেতে দেওয়া হয়। ২০১৬ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার চিড়িয়াখানা থেকে আটটি পেঙ্গুইনকে ভারতে নিয়ে আসা হয়। পরে তাদের নামকরণও করা হয়। ডোরি, ডোনাল্ড, ডাইসি, পোপেই, অলিভ, বাবেল, ফ্লিপার এবং মিস্টার মোল্ট। ওই আটটি পেঙ্গুইন মুম্বাই চিড়িয়াখানার অন্যতম আকর্ষণ। যদিও ডোরি মারা যায়। গত ২৩ অক্টোবর জনসমক্ষে আসার আগেই ব্যাকটেরিয়া ঘটিত সংক্রমণের ফলে পেঙ্গুইন পরিবারের সদস্য সংখ্যা কমে যায়। তবে ভারতের মাটিতে এই প্রথম কোন পেঙ্গুইন জন্ম নিল। সদ্যজাত এই পেঙ্গুইনকে নিয়ে উৎসাহের অভাব নেই চিড়িয়াখানাজুড়ে। পাশাপাশি ভারতের জলবায়ুতে ওরা মানিয়ে নিতে পারছে তা দেখে অনেকেই স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন। এমএইচ/এসি  
তুরস্কের পাশে জার্মান চ্যান্সেলর   

যুক্তরাষ্ট্র আর তুরস্কের মধ্যে চলছে এখন চরম উত্তেজনা। ধর্ম যাজককে কেন্দ্র করে বন্ধুত্বের সম্পর্ক এখন রুপ নিয়েছে চরম শত্রুতায়। এর মধ্যেই আংকারার প্রতি সমর্থনের ঘোষণা দিয়েছে জার্মানি। বুধবার তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগানের সঙ্গে টেলিফোন আলাপে জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মারকেল তুরস্কের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করেন বলে খবর প্রকাশ করেছে তুরস্কের বার্তা সংস্থা আনাদলু এজেন্সি। অ্যাঙ্গেলা মারকেল বলেন, তার সরকার তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক শক্তিশালী করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সর্বোচ্চ পর্যায়ের সফরের মধ্য দিয়ে সে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়া হবে।    সামনে সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোগান জার্মানি সফরে যাবেন। এছাড়া আগামী কয়েক দিনের মধ্যে তুরস্কের অর্থমন্ত্রী বেরাত আলবায়রাকের সঙ্গে জার্মান অর্থমন্ত্রী পিটার আল্তমেয়ারের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সূত্র জানিয়েছে, ফোনালাপের সময় জার্মান চ্যান্সেলর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, জার্মানির স্বার্থেই তুরস্কের শক্তিশালী অর্থনীতি দরকার। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন তুরস্কের পণ্যের ওপর নানারকম বাড়তি শুল্ক আরোপের পদক্ষেপ নিয়েছেন এবং আংকারার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন ঠিক তখনই চ্যান্সেলর মেরকেল তুরস্কের প্রতি এই সমর্থনের কথা জানালেন। এসি    

অটল বিহারী বাজপেয়ী আর নেই

দিল্লির একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ী। দীর্ঘ অসুস্থতায় ভুগতে থাকা ৯৩ বছর বয়সী সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী আজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা ৫ মিনিটে নয়াদিল্লির অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সেস (এইমস) হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। দীর্ঘদিন ধরেই বাজপেয়ীর একটি কিডনি অচল ছিল। গত কয়েক বছর ধরে ঠিক মতো সচল ছিল না তার স্মৃতিশক্তি। অসামান্য বাগ্মীতার জন্য খ্যাতি ছিল যার, সেই অটলবিহারী বাজপেয়ী গত কয়েক বছর ধরে কথা বলার ক্ষমতাও হারিয়েছিলেন অনেকটাই। কিডনি, মূত্রনালী ও বুকে সংক্রমণ নিয়ে গত ১১ জুন থেকে টানা হাসপাতালেই ছিলেন তিনি। বুধবার দুপুর থেকেই অটলবিহারী বাজপেয়ীর শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সঙ্কটজনক হতে শুরু করে। তাকে দেখতে হাসপাতালে যান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় বস্ত্রমন্ত্রী স্মৃতি ইরানি, কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী পীযুষ গয়াল-সহ অারো অনেকে। বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ, কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীসহ অনেকেই গত কয়েক দিন ধরে নিয়মিত খোঁজখবর নিচ্ছিলেন তার শারীরিক অবস্থার। ১৯৯৬, ১৯৯৮, ১৯৯৯ সালে তিনবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন অটলবিহারী বাজপেয়ী। প্রথম দফায় ১৩ দিন, দ্বিতীয় দফায় ১৩ মাস আর তৃতীয় দফায় পূর্ণ সময়ের জন্য প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেশের দায়িত্বভার সামলেছেন তিনি। ২০১৪ সালে মোদির সরকার ক্ষমতায় আসার পরে বাজপেয়ীকে ভারতরত্ন দেওয়া হয়। ২০০২ সালে গুজরাটে ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক সহিংসতার সময় এ রাজ্যের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে রাজধর্ম পালনের পরামর্শ দিয়েছিলেন বাজপেয়ী। ভারত যদি ধর্মনিরপেক্ষ না হয়, তা হলে ভারত ভারতই নয়; এমন মন্তব্যও শোনা গিয়েছিল তার মুখে। ১৯২৪ সালে গ্বালিয়রে জন্ম বাজপেয়ীর। বাবা কৃষ্ণবিহারী বাজপেয়ী কবি ছিলেন। দীর্ঘ এবং ব্যস্ত রাজনৈতিক জীবনের ফাঁকে অবসর খুঁজে নিয়ে অটলবিহারীও কাব্যচর্চা করতেন নিয়মিত। গ্বালিয়রেই আর্যসমাজের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন অটল। তখন ছাত্রাবস্থা। তার পরে যোগ দেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘে। পরবর্তীতে জনসংঘের প্রতিষ্ঠাতা শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের অত্যন্ত প্রিয়পাত্র হয়ে ওঠেন। ১৯৭৭ সালে জনতা পার্টি সরকারে মন্ত্রী হন তিনি। কিন্তু পরে সংঘপন্থী অন্য নেতাদের সঙ্গে বাজপেয়ীও জনতা পার্টি ছেড়ে বেরিয়ে আসেন, গঠিত হয় ভারতীয় জনতা পার্টি। তথ্যসূত্র: বিবিসি, টাইমস অব ইনডিয়া। এসএইচ/  

ভারতকে ‘চুরি যাওয়া’ বুদ্ধমূর্তি উপহার ব্রিটেনের   

নালন্দা সংগ্রহশালা থেকে ৫৭ বছর আগে চুরি হয়েছিল এই দুষ্প্রাপ্য বুদ্ধমূর্তি। ঠিক ৭২ তম স্বধীনতা দিবসের প্রাক্কালে এই মূর্তিটিই উদ্ধার করে ভারতকে উপহার দিল ব্রিটেন। তবে খুব সহজে মূর্তিটি পাওয়া যায়নি। তার সঙ্গে জড়িয়ে আছে এক লম্বা গল্প।   ১৯৬১ সালে এই মূর্তিটির সঙ্গে নালন্দা সংগ্রহশালা থেকে চুরি হয়ে গিয়েছিল আরও চোদ্দটি বুদ্ধমূর্তি। তারপর অ্যান্টিকের চোরাবাজারে তা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন হাতে ঘুরতে থাকে। কয়েক বছর আগে রূপোয় মোড়া ব্রোঞ্জের তৈরি এই মূর্তিটি লন্ডনের একটি নিলাম ঘরে প্রথম নজরে আসে প্রত্নতাত্ত্বিকদের। যদিও নিলাম সংস্থাটি জানতো না, এই মূর্তিই ভারত থেকে চুরি করা হয়েছিল। ভারত ও ইংল্যান্ডের প্রত্নতত্ত্ববিদেরা তখন ব্রিটিশ পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এরপর আর নিলাম হাউস থেকে যিনি মূর্তিটি কিনেছিলেন, তিনি আপত্তি করেননি। মূর্তি আসে স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের হাতে। বুধবার ৭২ তম স্বাধীনতা দিবসে লন্ডনের ইন্ডিয়া হাউসে ভারতীয় হাই কমিশনারকে এই মূর্তিটি উপহার হিসেবে তুলে দেয় স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড। হাজির ছিলেন ব্রিটিশ সরকারের সংস্কৃতি দফতরের কর্তাব্যক্তিরাও। যেভাবে এতপুরনো বুদ্ধমূর্তি খুঁজে বের করেছেন ব্রিটিশ গোয়েন্দারা তার জন্য স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডকে বিশেষ ধন্যবাদ দিয়েছে ভারতও। এসি   

সিঙ্গাপুরে ব্যাপক হারে বৃদ্ধদের আত্মহত্যা বেড়েছে       

সিঙ্গাপুরে বৃদ্ধদের আত্মহত্যার হার অনেক বেড়ে গেছে। গত বছর ষাট বছরের বেশি বয়সিদের আত্মহত্যার হার যে কোনো বছরের তুলনায় বেশি ছিল৷ বৃদ্ধদের মাঝে এই আত্মহত্যার প্রবণতার কারণ এবং তা প্রতিরোধে কী উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে তা জানতে ডয়চে ভেলে কথা বলেছে এক বিশেষজ্ঞের সঙ্গে৷    গত বছর সিঙ্গাপুরে ষাট বছরের বেশি বয়সি ১২৯ ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছেন৷ এর আগে কখনো এক বছরে দেশটিতে প্রবীণদের এত বেশি আত্মহত্যা করতে দেখা যায়নি৷ আত্মহত্যা রোধে কাজ করা সংগঠন ‘সামারিটানস অফ সিঙ্গাপুর (এসওএস)` মনে করে, সিঙ্গাপুরে বয়োজ্যেষ্ঠ মানুষের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে৷ অথচ তাঁদের জীবনমান উন্নয়নের দিকে তেমন গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে না৷ সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশটিতে ৬৫ বছর বয়সি মানুষের সংখ্যা ২০৩০ সাল নাগাদ বর্তমানের দ্বিগুন হবে৷ সিঙ্গাপুরে বয়োজ্যেষ্ঠরা বন্ধুবান্ধব এবং পরিবারের সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগে ঘাটতিসহ শারীরিক দুর্বলতা এবং নিজেকে পরিবারের বোঝা মনে করাসহ নানা সমস্যায় ভোগে৷ সাক্ষাৎকারে এসওএস-এর ক্রিস্টিন ওয়াং সিঙ্গাপুরে বৃদ্ধদের মাঝে আত্মহত্যা বৃদ্ধির কারণ এবং তা প্রতিকারের উপায় জানিয়েছেন৷ ডয়চে ভেলে: সিঙ্গাপুরে ২০১৭ সালে আত্মহত্যার হারের সঙ্গে অন্যান্য বছরের তুলনা করলে কী বেরিয়ে আসে? ক্রিস্টিন ওয়াং: ২০১৭ সালে আসলে সিঙ্গাপুরে আত্মহত্যার সামগ্রিকহার অন্যান্য বছরের তুলনায় সবচেয়ে কম ছিল৷ দেশটির প্রতি একলাখ বাসিন্দার মধ্যে আত্মহত্যায় মৃত্যুর হার ছিল মাত্র ৭ দশমিক চুয়াত্তর শতাংশ৷ অথচ ২০১২ থেকে ২০১৬ সাল অবধি এই হার ছিল ৯ দশমিক ১৪ শতাংশ৷ যদিও ২০১৭ সালে আত্মহত্যার সংখ্যা আগের পাঁচ বছরের তুলনায় সবচেয় কম, মানে ৩৬১টি ছিল, ষাট বছরের বেশি বয়সি মানুষের কথা বিবেচনা করলে তা ছিল আগের যে কোনো বছরের তুলনায় সবচেয়ে বেশি - ১২৯টি৷ বৃদ্ধদের মাঝে আত্মহত্যার এই উচ্চহার সিঙ্গাপুরের জন্য অত্যন্ত উদ্বেগের ব্যাপার৷ সামগ্রিকভাবে আত্মহত্যার হার কমলেও বৃদ্ধদের মাঝে তা বাড়ছে কেন? মুলত আত্মহত্যা বিষয়ক সামাজিক এবং সম্প্রদায়ভিত্তিক সচেতনতাই এর হার সামগ্রিকভাবে কমানোর পেছনে সহায়তা করেছে৷ এক্ষেত্রে এসওএস-এর সদস্যদেরও ধন্যবাদ দেয়া উচিত৷ এসওএস সক্রিয়ভাবে আত্মহত্যার কুফলের বিষয়ে মানুষকে সচেতন করছে এবং কারো মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা দেখা দিলে তার উপযুক্ত চিকিৎসার ব্যবস্থা করছে৷ তবে, বয়োজ্যেষ্ঠরা সম্ভবত আত্মহত্যারোধে যেসব প্রচারণা চালানো হচ্ছে এবং উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে, সেসবের ব্যাপারে যথেষ্ট অবগত নন৷ যখন তাঁরা এসব জানেন না, তখন আরো বেশি অসহায়বোধ করেন৷ আর তাতে তাঁরা আরো বেশি সমাজ থেকে দূরে সরে যান৷ সিঙ্গাপুরে বয়োজ্যেষ্ঠ মানুষের সংখ্যা বাড়ছে এবং একইসঙ্গে পরিবারের আকারও ছোট হচ্ছে৷ তাছাড়া বিশ্বায়নেরও একটা ভুমিকা আছে এখানে৷ কেননা, সিঙ্গাপুরের অনেক মানুষ অন্য দেশে কাজের জন্য যাচ্ছেন এবং সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন৷ তাঁদের অনেকেই পরিবারের বৃদ্ধ সদস্যকে সঙ্গে নিয়ে যান না৷ ফলে তাঁরা আরো বেশি একাকি হয়ে যান৷ সেক্ষেত্রে বৃদ্ধদের মাঝে আত্মহত্যার প্রবণতা কমাতে কী করা যেতে পারে? আমাদের বিভিন্ন এজেন্সির মাধ্যমে তাঁদের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি তাঁদের ভালোবাসার মানুষদের এবং শুশ্রুষাকারীকে বয়োজ্যেষ্ঠদের মানসিকভাবে সহায়তার বিষয়ে আরো জ্ঞান দিতে হবে৷ আমাদেরকে আরো প্রচারণা চালাতে হবে এবং সতর্ক হতে হবে৷ কারো মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা দেখা দিলে তা প্রতিরোধে দ্রুত উদ্যোগ নিতে হবে৷ সূত্র: ডয়েচে ভেলে   এসি   

পাকিস্তানে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ৪ সেপ্টেম্বর

পাকিস্তানের বর্তমান প্রেসিডেন্ট মামনুন হুসাইনের মেয়াদ শেষ হবে আগামী ৯ সেপ্টেম্বর। তাই মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই এই পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এ পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৪ সেপ্টেম্বর। তবে দেশটির নিয়ম অনুসারে মেয়াদ শেষ হওয়ার এক মাস আগেই প্রেসিডেন্ট নির্বাচন সম্পন্ন করার কথা। বৃহস্পতিবার দেশটির নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের এ তারিখ ঘোষণা দিয়েছে। কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী, আগ্রহী প্রার্থীরা ইসলামাবাদ ও চার প্রদেশে (বালুচিস্তান, খাইবার পাখতুনখওয়া, পাঞ্জাব ও সিন্ধ) প্রিসাইডিং অফিসারের কাছে মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারবেন। মনোনয়নপত্র আগামী ২৭ আগস্ট দুপুর ১২টার মধ্যে জমা দিতে হবে। আর এসব মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হবে ২৯ আগস্টের মধ্যে। এবং ৩০ আগস্ট দুপুর ১২টার মধ্যে প্রার্থীরা তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করতে পারবেন। একই দিন দুপুর ১টায় ঘোষণা হবে বৈধ প্রার্থীদের নাম। এরপর আগামী ৪ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় শুরু হবে ভোট গ্রহণ, চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। এতে ভোট দেবেন জাতীয় পরিষদের সদস্য ও প্রাদেশিক পরিষদের সংশ্লিষ্ট সদস্যরা। প্রসঙ্গত, পাকিস্তানের সদ্য অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে জয় লাভ করে সরকার গঠন করতে যাচ্ছেন ইমরান খানের নেতৃত্বাধীন তেহরিক-ই-ইনসাফ। এখন ধারণা করা হচ্ছে, তার দল থেকে মনোনীত কেউই নির্বাচনে জিতে পাকিস্তানের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্বে আসবেন। বর্তমানে প্রেসিডেন্ট পদে দায়িত্ব পালন করছেন ৭৭ বছর বয়সী মামনুন হুসাইন। তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান মুসলিম লিগ ক্ষমতায় আসার পর ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বরে রাষ্ট্রের প্রধান পদে দায়িত্ব নেন। সূত্র: ডন একে//

লাইফ সাপোর্টে অটলবিহারী বাজপেয়ী

সংকটজনক অবস্থায় ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ী৷ নয়াদিল্লির এইমসে চিকিৎসা চলছে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর৷ গত দু’মাস ধরে এইমসে ভর্তি ছিলেন বাজপেয়ী৷ গত দু’দিন ধরে ভেন্টিলেশনে আছেন ৷   বুধবার রাত থেকেই অবস্থার আরও অবনতি ঘটে তার ৷ আপাতত লাইফ সাপোর্টে রয়েছেন বাজপেয়ী৷ বুধবার বিকেলে এইমসে বাজপেয়ীকে দেখতে যান দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি৷ জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরেই লোকচক্ষুর আড়ালে ছিলেন বিজেপির প্রথম প্রধানমন্ত্রী৷ কিন্তু গত ১১ জুলাই থেকে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন তিনি৷ মূত্রনালীতে সংক্রমণ, শ্বাসকষ্টের জন্য তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে বাজপেয়ীর শারীরিক অবস্থা নিয়ে সরকারিভাবে কিছু জানানো হয়নি। সূত্র: নিউজ ১৮ একে//

বিস্ময় বালিকা এস্থার লি!

সিডনির পাঁচ বছরের খুদে শিশু এস্থার লি। তার মুখের দিকে তাকালে সত্যি অবাক হতে হয়। নিজের কানকে বিশ্বাস নাও হতে পারে। মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, এও কীভাবে সম্ভব? বয়স মাত্র পাঁচ। অথচ এই বয়সেই সে ১৯৫টি শহরের নাম অনর্গল বলতে পারে। তাঁর এমন পাণ্ডিত্যের কারণে তাঁকে বিস্ময় বালিকা ছাড়া আর কীই বা বলা যেতে পারে!     ২০১৬ সালে মাত্র তিন বছর বয়সে বিরল কীর্তি করে সংবাদের শিরোনামে উঠে এসেছিল সে। বিশ্বের ১৯৫টি দেশের রাজধানীর নাম এক নিমেষে বলে দিতে পারত। এখন, যত বড় হচ্ছে দুনিয়াকে ততই বিস্মিত করে দিচ্ছে সে। কারণ বর্তমানে এই খুদে শিশু চোখ বন্ধ করে বলে দিতে পারে শেক্সপিয়ারের বড় বড় কবিতাও। এখানেই শেষ নয়। প্রতিভাবান লি এখন তিনটি ভাষায় সাবলীলভাবে কথা বলতে পারে। উচ্চারণে শৈশবের ছোঁয়া থাকলেও তার মস্তিষ্ক যে কোনও প্রাপ্তবয়স্ককেও হার মানায়। পাঁচ বছরের এই শিশু খেলাধুলো, পড়াশোনা খুব বেশি হলে নাচ-গান নিয়ে ব্যস্ত থাকবে, এমনটা দেখেই অভ্যস্ত সাধারণ মানুষের চোখ। কিন্তু এস্থার তো আর যে সে মেয়ে নয়। বাবা-মা তাঁকে কী খাইয়ে মানুষ করছেন, এমন প্রশ্ন অনেকের মনেই জাগে। সম্প্রতি একটি লাইভ অনুষ্ঠানে শেক্সপিয়রের ‘রোমিও জুলিয়েট’ শুনিয়েছে সে। যা ভাবতেও অনেকের অবাক লাগবে, তা বাস্তবে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে করে চলেছে লি। স্বাভাবিকভাবেই তার অসামান্য পারফরম্যান্স হাততালি কুড়িয়েছে দর্শকদেরও। শেক্সপিয়ার তার কতটা প্রিয়, সে কথাও জানাতে ভোলেনি খুদে ওস্তাদ। বলে, ‘শেক্সপিয়রের সব লেখাই আমার পছন্দ। উনি দারুণ কবি ছিলেন।’  মাত্র ১৮ মাস বয়সেই এস্থারের বাবা-মা বুঝেছিলেন তাঁদের সংসারে বিস্ময় বালিকার জন্ম হয়েছে। কারণ তখন থেকেই তাকে কোনও এক শহরের নাম বললে সে আর তা ভুলত না। এমন সন্তানের জন্ম দিয়ে গর্বিত ও আপ্লুত এস্থারের অভিভাবক। কেআই/এসি   

এবার মার্কিন পণ্যের উপর তুরস্কের দ্বিগুণ শুল্ক       

গত শুক্রবার তুরস্ক থেকে আমদানি করা অ্যালুমিনিয়াম ও স্টিলের ওপর দ্বিগুণ শুল্কারোপের ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।    এরই পাল্টা জবাবে মার্কিন পণ্যের উপর দ্বিগুণ শুল্কারোপ করে গেজেট প্রকাশ করেছে তুরস্ক। এরই মধ্যে রয়েছে যাত্রীবাহী গাড়ি, অ্যালকোহল ও তামাক।   মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যের উপর দ্বিগুণ শুল্কারোপের বিষয়ে তুরস্কের ভাইস প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ‘তুরস্কের অর্থনীতিতে মার্কিন হামলার জবাবে এ শুল্ক বসানো হয়েছে।’ মার্কিন যাজককে সন্ত্রাসবাদ মামলায় বিচার ও বিভিন্ন কূটনৈতিক কারণে দুই ন্যাটো মিত্রের মধ্যে উত্তেজনা চলছে দু’দেশের মধ্যে। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানের সই করা ওই গেজেটে বলা হয়েছে, ‘মার্কিন যাত্রীবাহী গাড়িতে ১২০ শতাংশ, অ্যালকোহলে ১৪০ ও তামাক পাতায় ৬০ শতাংশ শুল্কারোপ করা হয়েছে। এছাড়া প্রসাধনী, চাল ও কয়লার মতো পণ্যে দ্বিগুণ শুল্ক বসিয়েছে তুরস্ক।   তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান আরও বলেন, ‘তুরস্ক অর্থনৈতিক যুদ্ধের টার্গেটে পরিণত হয়েছে। অর্থনীতিকে জাগিয়ে তুলতে তুর্কি নাগরিকদের নিজেদের ইউরো ও ডলারগুলো বিক্রি করে দিতে আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ফুয়াত ওকাট বলেছেন, ‘আমাদের অর্থনীতির ওপর মার্কিন প্রশাসনের ইচ্ছাকৃত হামলার জবাবে তাদের বেশ কয়েকটি পণ্যে শুল্ক বাড়ানো হয়েছে।’    কেআই/এসি   

ভারতের স্বাধীনতা দিবসে শুভেচ্ছাবার্তা  

আজ ভারতের ৭২ তম স্বাধীনতা দিবস। এ দিবস উপলেক্ষ বিভিন্ন মানুষ নিজেদের মতো করে দেশের প্রতি নিজেদের ভালবাসা জানিয়েছেন।    সচিন তেন্ডুলকার ও বিভিন্ন বিখ্যাত মানুষ সোশ্যাল মিডিয়ায় অনুপ্রেরণা প্রদানকারী পোস্ট শেয়ার করেছেন এবং হোয়াটসঅ্যাপে পরিবার বন্ধুদের বিভিন্ন শুভেচ্ছাবার্তা পাঠিয়েছেন। পদ্মশ্রী পুরস্কারপ্রাপ্ত শিল্পী সুদর্শন পট্টনায়ক আজকের দিনে বালি দিয়ে একটা বিশেষ স্থাপত্য তৈরি করেছেন। টুইটারে তিনি লেখেন, “সকল দেশবাসীকে জানাই ৭২ তম # স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছ”।   উড়িষ্যার পুরী সমুদ্র সৈকতের বালি নির্মিত স্থাপত্যকীর্তির সাহায্যে তিনি সকলকে স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। স্থাপত্যটি গেরুয়া, সাদা, সবুজ রঙের বালি দিয়ে তিনি ভারতের জাতীয় পতাকার আদলে স্থাপত্যটি গড়ে তুলেন। কেন্দ্রীয় সরকারের মানবকল্যাণ দপ্তরের পক্ষ থেকেও সুদর্শন পট্টনায়কের তৈরি অন্য একটা স্থাপত্যের ছবি শেয়ার করা হয়েছে, যেখানে লেখা দেখা যাচ্ছে, “এক ভারত শ্রেষ্ঠ ভারত।”   সূত্র: এনডিটিভি এমএইচ/এসি    

রাহুলের বিয়ে ভাবনা

ভারতের বিরোধী দল কংগ্রেসের সভাপতি রাহুল গান্ধী। গত নির্বাচনে হারার পর দলীয় নেতাকর্মীদের তোপের মুখে পড়েন। তার নেতৃত্ব নিয়ে কড়া সমালোচনা হয়। পরে অবশ্য কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তার ওপরই আস্থা রাখে। সর্বশেষ কাউন্সিলে কংগ্রেস সভাপতি হন চল্লিশোর্ধ রাহুল। দায়িত্ব নেওয়ার পর দলের হাল কিছুটা হলেও উজ্জ্বল করেছেন রাহুল গান্ধী। মায়ের হাত থেকে নিজের হাতে লাগাম আসার পর দলটি একটু একটু ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের হাওয়াও নাড়া দিচ্ছে ভারতের রাজনীতিকে। আর সেই সঙ্গে আলোচনার কেন্দ্রে বারবারই ফিরে আসছে কংগ্রেসের এই নতুন ও ব্যাচেলর সভাপতির নাম। রাজনৈতিক জীবনের রঙিন হাতছানি তাকে হয়তো স্বপ্ন দেখাচ্ছে। তবে সত্য হলো, তার ব্যক্তিগত জীবন এখনও সাদা-কালো। কখনও কখনও কোনো নারীর নাম উঠে এলেও, তাতে কোনোদিনই বিশেষ আমল দেননি কংগ্রেসের যুবরাজ। দিনকয়েক আগেই এক গায়িকার নাম জড়িয়েছিল রাহুল গান্ধীর সঙ্গে। কিন্তু ধোপে টেকেনি। আর এবার তাকে সরাসরিই প্রশ্ন করা হলো, বিয়ে নিয়ে কিছু ভাবছেন কি-না। দু`দিনের সফরে হায়দরাবাদে গেছেন রাহুল। সেখানে মঙ্গলবার এক অনুষ্ঠানে এই প্রশ্নের মুখোমুখি হন তিনি। তবে রাহুল জবাব দিলেন, তার বিয়ে কংগ্রেস দলের সঙ্গেই হয়ে গেছে। বলতে গেলে সামনের দিনগুলোতে বিয়ের সম্ভাবনার কথা উড়িয়ে দিলেন তিনি। এর আগে গত মে মাসের শুরুর দিকেও একবার গুজব উঠেছিল রাহুল বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন। সোনিয়া গান্ধীর হবু পুত্রবধূ হিসেবে সে সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উত্তর প্রদেশ রাজ্যের রায়বেরেলির কংগ্রেস বিধায়ক অদিতি সিংয়ের ছবি ছড়িয়ে পড়েছিল। `অবশেষে সঙ্গী পেলেন রাহুল` ছবিটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতে সময় লাগেনি। রাজনীতির অঙ্গনে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি হয় রাহুল ও অদিতির সেই ছবি। শেষ পর্যন্ত অদিতিকেই মুখ খুলতে হয়। তাকে বলতে হয়েছে পুরোটাই গুজব। কর্ণাটকে বিধানসভা ভোটের আগে রাহুলের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিরোধীরা এ গুজব ছড়াচ্ছে। রাহুল তার দাদার (ভাই) মতো। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ওই ছবিতে দেখা যায়, কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীর পাশে বসে রায়বেরেলির বিধায়ক অদিতি সিং। তাদের ঘিরে রয়েছেন দুই পরিবারের সদস্যরা। এদিকে রাহুল বলেন, নরেন্দ্র মোদি আর আগামী লোকসভায় প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না। তার দল বিজেপি ২৩০ টির বেশি আসন পাবে না। সূত্র: এনডিটিভি। / এআর /

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি