ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৬ আগস্ট, ২০১৮ ২৩:৫৫:৩০

ঔপন্যাসিক স্যার ভিএস নাইপল আর নেই

ঔপন্যাসিক স্যার ভিএস নাইপল আর নেই

সাহিত্যে নোবেলজয়ী ঔপন্যাসিক স্যার ভিএস নাইপল আর নেই। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর। নাইপল ১৯৩২ সালে ত্রিনিদাদের গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার লেখা ৩০টির বেশি বই সাহিত্য অঙ্গনে দারুণ জনপ্রিয়। এগুলোর মধ্যে ‘আ বেন্ড ইন দ্য রিভার’ ও ‘আ হাউস ফর মি. বিশ্বাস’ তাঁর শ্রেষ্ঠকর্মের মধ্যে রয়েছে।
গ্রীসের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাগ গলানোর অভিযোগ রাশিয়ার বিরুদ্ধে

গ্রীসের কর্মকর্তাদের ঘুষ প্রদানের চেষ্টা ও দেশটির অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলানোর অভিযোগ উঠেছে রাশিয়া বিরুদ্ধে। সম্প্রতি গ্রীস রাশিয়ার বিরুদ্ধে এ অভিযোগ আনে। এতে করে রাশিয়া ও গ্রীসের মধ্যকার সম্পর্ক তলানিতে পৌঁছেছে বলে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। সম্প্রতি গ্রীসের রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কার করে রাশিয়া। এ ঘটনাকে  প্রতিহিংসা এবং অযৌক্তিক বলে আখ্যায়িত করেছে এথেন্স। এদিকে এথেন্সও রাশিয়ার চার কূটনীতিককে নিষিদ্ধ করেছে। তাদের বিরুদ্ধে গুপ্তচর বৃত্তির অভিযোগ আনা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার এথেন্স এক বৃবিতে জানায়,  রাষ্ট্রদূতকে বহিস্কারের ঘটনায় রাশিয়ার কাছে কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য নেই। কিন্তু এথেন্সের কাছে রাশিয়ার বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট এবং নির্ভরযোগ্য অভিযোগ রয়েছে। রাশিয়াকে উদ্দেশ্য করে এথেন্স জানায়, কোন দেশই তাদের রাষ্ট্রীয় কর্মকর্তাদের ঘুষ প্রদান, বৈদেশিক নীতি ধ্বংস করা এবং দেশের অভ্যন্তরীন বিষয়ে নাক গলানো সহ্য করবে না।   সূত্র: দ্যা গার্ডিয়ান।   এমএইচ/ এসএইচ/

রুশ কেন্দ্রে প্রশিক্ষণ নেবেন পাক সেনারা

রাশিয়ার সামরিক কেন্দ্রে এই প্রথম প্রশিক্ষণ নেবেন পাকিস্তানি সেনারা। এ নিয়ে দু’দেশের সমঝোতা হয়েছে বলে জানিয়েছে পাক প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। আমেরিকার সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পাকিস্তানের সঙ্গে সখ্য বেড়েছে রাশিয়ার। সন্ত্রাস নিয়ে ভারত-পাক টানাপড়েনের সময়ে পাকিস্তানে যৌথ মহড়ায় অংশগ্রহণ করেছে রুশ সেনা। পুরনো মিত্র রাশিয়ার এই অবস্থান বদলে অস্বস্তিতে পড়েছে দিল্লি। পাক প্রতিরক্ষাসচিব জামির উল হাসান শাহের সঙ্গে বৈঠক করেন রুশ উপপ্রতিরক্ষামন্ত্রী আলেকজান্ডার ভি ফোমিন। বৈঠকেই রুশ সামরিক কেন্দ্রে পাক সেনাদের প্রশিক্ষণ নিয়ে সমঝোতা হয়। পশ্চিম এশিয়া ও আফগানিস্তানের পরিস্থিতি নিয়েও পাক নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করেছেন রুশ মন্ত্রী। প্রাক্তন পাক প্রতিরক্ষাসচিব তালাত মাসুদের মতে, রাশিয়া ও পাকিস্তান দ্রুত প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়াতে চাইছে। আমেরিকার সঙ্গে সম্পর্কে চিড় ধরার ফলে রাশিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়াতে উদ্যোগী হয়েছে ইসলামাবাদ। আবার রাশিয়াও অস্ত্র বিক্রির জন্য নতুন বাজার খুঁজছে। আর এক প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞ সৈয়দ ফারুক হাসমতের মতে, এই সমঝোতা থেকেই বোঝা যাচ্ছে পাকিস্তান মার্কিন প্রভাবাধীন গোষ্ঠী থেকে বেরোতে পেরেছে। তার কথায়, ‘রাশিয়ার সঙ্গে চীনের ঘনিষ্ঠতা আছে। আবার চীন পাকিস্তানের ঘনিষ্ঠ মিত্র। তাই রাশিয়ার সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্কে কোনও টানাপড়েন নেই।’ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতির ফলেই পাকিস্তান যে নয়া মিত্র খুঁজতে ব্যস্ত হয়েছে, তা এক কথায় মেনে নিচ্ছেন সে দেশের সব বিশেষজ্ঞেরাই। সন্ত্রাস নিয়ে পাকিস্তানকে একাধিকবার কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন ট্রাম্প। তার পরেই ওয়াশিংটন-ইসলামাবাদ সম্পর্কে নতুনভাবে অবনতি শুরু হয়। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

সুইজারল্যান্ডে দুটি বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ২৩

এক ঘণ্টার ব্যবধানে সুইজারল্যান্ডে দুটি বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। শনিবার সুইস আল্পস ও নিডভালডেন প্রদেশে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এতে বহু হতাহতের আশঙ্কা করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, প্রথম বিমানটি সুইজারল্যান্ডের নিডভালডেন প্রদেশে বিধ্বস্ত হয়। এতে একটি পরিবারের চারজন মারা যায়। যার মধ্যে দুই শিশু রয়েছে।সুইস পুলিশের বরাত দিয়ে দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট জানায়, একটি বনভূমিতে প্লেনটি বিধ্বস্ত হয়। ঘটনাস্থলে উদ্ধারকারীরা যাওয়ার আগেই আগুন ধরে যায় এতে। এই দুর্ঘটনার এক ঘণ্টার মধ্যে আরেকটি বিমান সুইস আল্পসে বিধ্বস্ত হয়। স্থানীয় সূত্রের খবর, এই  বিমানে যাত্রী সংখ্যা ছিল ১৭ জন। সঙ্গে দুজন পাইলট। স্থানীয় এয়ারলাইন জে ইউ-এআইআর কর্তৃপক্ষ বলেছে, তাদের জু-২৫ বিমান বিধ্বস্ত হয়। এতে দুটি পাইলটসহ ১৭ জন যাত্রী ছিল। তবে আশঙ্কা করা হচ্ছে তারা সবাই মারা গেছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, বিমানটির সব যাত্রী নিহত হয়েছেন। সূত্র : রয়টার্স ও দ্য ইন্ডিপেনডেন্টএসএ/

ভয়ঙ্কর খাদের ৩৩০ ফুট উপরে এই রাস্তা

এল কামিনিতো দেল রেই। ‘কিংস লিটল পাথওয়ে’। এই ছোট্ট রাস্তাটি পৃথিবীর অন্যতম বিপজ্জনক রাস্তা হিসাবে পরিচিত। স্পেনের মালাগা প্রদেশের এই রাস্তাটি অ্যাডভেঞ্চারপ্রেমীদের সবচেয়ে পছন্দের। জেনে নেওয়া যাক, এই রাস্তাটি কেমন। বলা হয়, এই রাস্তা দিয়ে রাজা ত্রয়োদশ আলফোনসো প্রথম হেঁটে যান। তাই নাম এল কামিনিতো দেল রেই বা রাজার ছোট্ট পথ। এল চোররো ও গাইতানেখো ঝর্ণার পাশেই ছিল একটি পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র। ১৯০১-১৯০৫ নাগাদ সেখানকার কর্মীদের যাতায়াতের জন্য এই সংকীর্ণ পথ তৈরি হয়। প্রথমে সংকীর্ণ পাথুরে পথটার ভিত্তি ছিল একটা ইস্পাতের দণ্ড। খানিকটা এগিয়ে কাঠের পাটাতনের পাশে ধরার যে রেলিংটা, সেটিও খুব নড়বড়ে ছিল। দক্ষ পর্বতারোহীদেরও বুক কাঁপত এটি পেরোতে। ১৯৯৯-২০০০ সালের মধ্যে পাঁচজন মারা যান এই পথ পেরোতে গিয়ে। এরপর ১১ বছর বন্ধ ছিল এটি। ২০১১-২০১৪ সালের মধ্যে প্রায় ৪০ লাখ ডলার খরচ করে সুরক্ষিত করার চেষ্টা করা হয়েছে এটিকে। ২০১৩ সালেও ৪ জন মারা যান। ২০১৫ সালের ২৯ মার্চ এটি আবার খুলে দেওয়া হয় অ্যাডভেঞ্চারপ্রেমীদের জন্য। তবে আট বছরের নীচে শিশুদের প্রবেশ নিষেধ। এখানে ৫০ জনের একটা দল একবারে প্রবেশ করতে পারে, তার বেশি নয়। দিনে হাজারখানেক পর্যটক এখানে আসেন। ন্যূনতম পাঁচ ঘণ্টা সময় লাগে এটি পেরোতে। ২০১৫ সালের পর প্রায় সাড়ে ছয় লাখ পর্যটক পাড়ি জমিয়েছেন এই পথে। মঙ্গল থেকে শুক্রবার, সাধারণের জন্য চার দিন খোলা থাকে এই পথ। এই পথ পেরোনোর খরচ বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় এক হাজার দুইশো টাকা। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

মেসিরাই ছিল সেই জঙ্গি হামলার মূল টার্গেট

গত বছর স্পেনের বার্সেলোনায় চালানো জঙ্গি হামলার মূল টার্গেট ছিল বার্সেলোনার ফুটবল দল। কাতালোনিয়ার সংবাদ মাধ্যম এল পেরিওডিকো বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ওই হামলায় ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল, আহত হয়েছিল আরও ১০০ জন। ২০১৭ সালের ১৭ আগস্টে চালানো হামলায় ক্ষেপে উঠিছিল বার্সেলোনা নগরী। দিনের আলোয় লাস রাম্বলাসের রাস্তায় পথচারীদের ওপর গাড়ি তুলে দিয়েছিল এক জঙ্গি। এতে ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছিলেন ১৩ জন। স্প্যানিশ পত্রিকা এল পেরিওদিকো দাবি করেছে, লাস রাম্বলাস ও ক্যামব্লিলসে হামলার পর ২০ আগস্ট আরও বেশ কিছু জায়গায় হামলার পরিকল্পনা করেছিল জঙ্গি সংঘটনটি। গোয়েন্দারা দাবি করেছে, হামলার তদন্তের সময় নিয়ে বেশ কিছু তথ্য বেরিয়ে এসেছে। যাতে পরিষ্কার ইঙ্গিত ছিল ক্যাম্প ন্যু ছিল তাদের পরবর্তী লক্ষ্য। সেই হামলায় জড়িত মোহাম্মদ হিশামির মোবাইলে বার্সেলোনার বিখ্যাত স্টেডিয়ামের ছবি পাওয়া গিয়েছিল। তদন্তের সঙ্গে জড়িত এক সূত্র জানিয়েছে, প্যারিসে সেন্ট ডেনিস স্টেডিয়ামে ফ্রান্সের খেলার সময় যেভাবে হামলা হয়েছিল, ঠিক একই কায়দায় হামলা করতে চেয়েছিল জঙ্গিরা। সূত্র: ইএসপিএনএমজে/

ইংল্যান্ডে গড় আয়ু বেশি ধনীদের!

গোটা ব্রিটেনেই বেশ কয়েক বছর ধরে ধনী-গরীবের আয়ের বৈষম্য বাড়ছে। গড় আয়ুর বৈষম্যও বাড়ছে সমানতালে। আর সেটি বৈষম্য সবচেয়ে বেশি ইংল্যান্ডে। সেখানে গড় আয়ু বেশি যাদের আয় বেশি। যাদের আয় কম তারা মারা যাচ্ছেন আগেভাগেই। দেশটির স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, স্টকটনে নগরীতে গরীবদের আয়ু তেমন বাড়ছে না। তাদের বেশির ভাগই মারা যাচ্ছে অল্প বয়সে। ওই নগরীর বাসিন্দা রব হিল। একদিকে তিনি সারা জীবন সিগারেট খেয়েছেন, অন্যদিকে দারিদ্র্যের কারণে সব সময়ই খেয়েছেন সস্তা ও নিম্নমানের খাবার। সব মিলিয়ে হিলের শরীরে বাসা বেঁধেছে রোগ-বালাই। তাঁর আছে এম্ফিসেমা, লিম্ফিডেমা ও টাইপ-২ ধরনের ডায়াবেটিস। স্ত্রী ও আট সন্তানকে রেখে মাত্র ৪৬ বছর বয়সে তিনি এখন নিজের মৃত্যুর প্রস্তুতি নিচ্ছেন। আরও দুই বছর আগেই চিকিৎসকরা তাঁকে মাস ছয়েক সময় বেঁধে দিয়েছিলেন। সেই অর্থে এখন তিনি বেঁচে আছেন বাড়তি আয়ুর বদৌলতে। স্টকটনে গরিবের চেয়ে ধনীর আয়ু অন্তত ১৮ বছর বেশি। জাতীয় হিসাবে, ইংল্যান্ডের ধনী পরিবারে জন্ম নেওয়া শিশুরা অপেক্ষাকৃত গরিব পরিবারে জন্ম নেওয়া শিশুদের চেয়ে গড়ে সাড়ে আট বছর বেশি বাঁচে। স্টকটন শহরের চিকিৎসক ডেভিড হজসন বলছেন, এ নগরীতে পুরুষের প্রত্যাশিত গড় আয়ু মোটে ৬৪ বছর। এটি মূলত আফ্রিকার দেশ ইথিওপিয়ার সমান। শহরটিতে ধনী-গরিবের আয়ুর বৈষম্য নিয়ে পাঁচ বছর ধরে একটি গবেষণা করেছেন অধ্যাপক ক্লেয়ার বামব্রা। এ গবেষণা বলছে, আয়ুর ক্ষেত্রে বৈষম্য তৈরি হওয়ার পেছনে বেশ কিছু কারণ থাকলেও মূল কারণ আয়বৈষম্য। সেন্ট বেড’স ক্যাথলিক একাডেমির প্রধান বার্নি রিজি-এলান বলেন, মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থা ও শ্রেণির বিভেদ দিয়ে মানুষের আয়ু নিরূপণ ঠিক নয়। এই বৈষম্য অবশ্যই কমানো সম্ভব এবং এটি কমবেও। সূত্র : বিবিসি। / এআর /

গ্রিসের দাবানল কেড়ে নিল ৯১ জনের প্রাণ

গ্রিসে ভয়াবহ দাবানলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯১ জনে দাঁড়িয়েছে। এতে আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১৮৭ জন। এদিকে হতাহতের সংখ্যা আরো বাড়বে বলে আশক্ষা করা হচ্ছে। ২৫ জন লোকের এখনো কোনো সন্ধান মেলেনি। উদ্ধারকারীরা আটকে পড়া লোকদের খোঁজে বাড়িঘরে অথবা দগ্ধ গাড়িতে তল্লাশি চালাচ্ছে। জানা যায়, সোমবার বিকালে এই দাবানলের সূত্রপাত ঘটে। আগুন বনভূমি ,বাড়িঘর ও বসতি এলাকা গ্রাস করে। এসময় লোকজন আগুন থেকে বাঁচতে সমুদ্রে ঝাঁপিয়ে পড়ে। এথেন্সের নিকটবর্তী সমুদ্র উপকূলের মটি শহরটির রাস্তা, গাড়ির পার্কিং এলাকা পাইন ফরেস্টের দাবানলের ধোঁয়া ও ছাইয়ে ঢেকে যায়।শহরটি এথেন্স থেকে ৪০ কিলোমিটার উত্তরপূর্বে অবস্থিত। এদিকে দাবানলে সবচেয়ে বড় ট্রাজেডির শিকার হয়েছেন শিশুরা। এদিকে একই পরিবারের তিন শিশু নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য, ২০০৭ সালে গ্রীসের দক্ষিণাঞ্চলীয় দ্বীপ ইভিয়ায় অগ্নিকান্ডে নিহতদের সংখ্যা থেকে ছাড়িয়ে যেতে পারে,ওই ঘটনায় ৭৭জন মারা যায়। আহত ১৮৭ জনকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। এদের মধ্যে অনেক শিশু রয়েছে। এদের মধ্যে ১০ জনের অবস্থা গুরুতর। নিহতদের মধ্যে একজন বেলজিয়ান এবং পোল্যান্ডের এক নারী ও তার ছেলে রয়েছে। পোপ ফ্রান্সিসসহ বিশ্বনেতারা এথেন্সের বিপর্যয়ে শোক ও সংহতি জানিয়েছেন। এথেন্স বলেছে,ক্ষয়ক্ষতি নিরুপনে বুধবার ৩০৮ জন ইঞ্জিনিয়ারকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। সূত্র: এএফপিএমজে/

ভালোবাসার টানে মৃত স্ত্রীর পাশে স্বামীর ৬ রাত

স্বামী-স্ত্রীর দাম্পত্য জীবনে একে অপরের পরিপূরক। একজন ছাড়া অন্যজন বড়ই একাকি। পৃথিবীর সবকিছু ত্যাগ করা যায়, কিন্তু দুজন দুজনকে ত্যাগ করা কঠিন। এমন নজির পৃথিবীতে অহরহ। স্ত্রীর প্রতি স্বামীর ভালোবাসা, মায়া বা টান এতো গভীর হলেও মৃত্যুর পর অনেকেই ভয়ে দীর্ঘদিনের প্রিয় মানুষটির সঙ্গে একাকী একটি মুহূর্তও কাটাতে চান না। কিন্তু মৃত সেই স্ত্রীর কাছে ৬ রাত কাটিয়ে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন ব্রিটেনের এক নাগরিক। ভালোবাসার টানে ব্যতিক্রমি এ ঘটনার জন্ম দিয়েছেন রাসেল ডেভিসন। ব্রিটেনের ডার্বিশায়ারের যে বাড়িতে, যে ঘরে তাদের কয়েক দশকের বিবাহিত জীবন কেটেছে, স্ত্রী ওয়েন্ডির মৃত্যুর পর মৃতদেহ সেই ঘরেই রেখে ছয় রাত ঘুমিয়েছেন তিনি। দীর্ঘ এক দশক ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করে ৫০ বছর বয়সে সম্প্রতি মারা যান রাসেল ডেভিসনের স্ত্রী ওয়েন্ডি ডেভিসন। নিজেদের শোয়ার ঘরের খাটে স্বামী রাসেল ডেভিসনের বাহুতে মাথা রেখে শেষ নিঃশ্বাস ফেলেন তিনি। ব্রিটেনের বর্তমান প্রথা অনুযায়ী শেষকৃত্যের আগে মৃতদেহ এলাকার সুনির্দিষ্ট হিমঘরে রাখতে হয়। কবর দেওয়া বা দাহ করার আগে একজন নার্স মৃত ব্যক্তিকে গোসল করান। কিন্তু স্ত্রীকে তিনি এতটাই ভালোবাসতেন যে সে পথে হাঁটেননি ডেভিসন। নিজ হাতে স্ত্রীকে গোসল করিয়ে, পোশাক পরিয়ে নিজেদের বেডরুমেই ছয়দিন ধরে রেখে দেন এবং ওই ছয় দিনই তিনি মৃত স্ত্রীর সাথে একই ঘরে ঘুমিয়েছেন। ব্রিটেনের ডার্বিশায়ার কাউন্টি আদালতের বরাত দিয়ে বিবিসি জানায়, এতদিন মৃতদেহ ঘরে রেখে প্রথা ভঙ্গ হলেও আইন ভঙ্গ হয়নি। চিকিৎসককে জানিয়ে শেষকৃত্যের আগ পর্যন্ত ঘরে রাখলে আইন ভঙ্গ হয় না। আরকে//

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি