ঢাকা, শনিবার, ২০ জানুয়ারি, ২০১৮ ১৩:২৬:১১

বরফ পানিতে খালি গায়ে পুতিনের ডুব

বরফ পানিতে খালি গায়ে পুতিনের ডুব

তীব্র শীতের মধ্যেই একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে লেকের বরফ শীতল পানিতে খালিগায়ে ডুব দিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। সাইবেরীয়ায় এখন তাপমাত্রা মাইনাস ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস প্রায়। ঠাণ্ডায় বরফ জমে যাচ্ছে সব জায়গায়। এমন এক সময়ে গত বৃহস্পতিবার পুতিনের এই কাণ্ড দেখে অবাক হয়েছেন অনেকেই। অর্থোডক্স খ্রিস্টানদের ধর্মীয় উৎসব এপিফ্যানি উদযাপন উপলক্ষে রাজধানী মস্কোর ২৫০ মাইল উত্তরের লেক সেলিজারের বরফ ঠাণ্ডা পানিতে পুতিন ওই ডুব দেন। পুতিনের এ কাণ্ড এবং অনুষ্ঠানটির দৃশ্য সম্প্রচার করেছে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান। একে/এসএইচ
ব্রিটেনে প্রথম মুসলিম নারী মন্ত্রী

ব্রিটেনে প্রথম মুসলিম নারী মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভুত নুস ঘানি (৪৫)। তিনি গত সপ্তাহে  ইংল্যান্ড সরকারের পরিবহন বিষয়ক জুনিয়র মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। ভারতের কাশ্মীর থেকে ব্রিটেনে অভিবাসন নেওয়া বাবা মায়ের সন্তান ঘানি। তার জন্ম বার্মিংহামে। দায়িত্ব পাওয়ার পর এক বিবৃতিতে ঘানি জানান, ‘নতুন দায়িত্ব একইসঙ্গে রোমাঞ্চকর ও কঠিন। ওয়েল্ডেন এলাকায় এমপি নির্বাচনের সময় থেকে আমি পরিবহন বিষয়ে সচেতনতামূলক প্রচারণা চালিয়েছি। মন্ত্রীর দায়িত্বের পাশাপাশি আমি ওয়েল্ডেন এলাকার পক্ষে কাজ করবো এবং  এলাকার সেবা করবো।’ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ক্রিস গ্রেইলিং বলেন, নুস ঘানির পদোন্নতির মধ্য দিয়ে প্রমাণিত হচ্ছে টোরি পার্টি সবাইকে সুযোগ দেয়। তিনি বলেন, আমাদের দলই প্রথম একজন নারী মুসলিমকে মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দিল। আমি তাঁকে শুভেচ্ছা জানাই। তাঁর পাশে বসার সুযোগ পেয়ে আমি গর্বিত। ২০১০ সালে বার্মিংহামে কনজারভেটিভ পার্টি থেকে সাধারণ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আগে নুস ঘানি স্বেচ্ছাসেবক সংগঠন যেমন, এইজ ইউকে, ব্রেকথ্রু ব্রেক ক্যানসার ও বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিসে কাজ করেন। ২০১৫ সালে সংসদ নির্বাচনের জন্য রক্ষণশীল দলের প্রথম মুসলিম নারী প্রার্থী হন তিনি। সূত্র:  আনন্দবাজার এম/টিকে

বয়ঃসন্ধিকালের নতুন সময় ১০ থেকে ২৪

১০ থেকে ২৪ বছর সময়কে বয়ঃসন্ধিকালের নতুন সময় হিসেবে দাবি করেছেন একদল গবেষক। ছেলে মেয়েদের দীর্ঘ সময় ধরে পড়াশুনা করা এবং দেরিতে সংসার জীবন শুরু করার কারণে মানুষের বয়ঃসন্ধিকাল পর্যায় বেড়ে গিয়েছে বলে দাবি এ গবেষক দলের। প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী মানুষের বয়ঃসন্ধিকাল শুরু হয় ১৩ বছর বা এরপর থেকে আর শেষ হয় ১৯-এ। কিন্তু ‘ল্যাসেন্ট চাইল্ড এন্ড এডোলেসেন্ট হেলথ জার্নাল’-এ প্রকাশিত গবেষকদের এই গবেষণাপত্র সঠিক প্রমাণিত হলে বদলে যাবে আগের সব ধারণা। গবেষকরা আরও বলেন, “আইনকে যুগোপযোগী করে বয়ঃসন্ধিকালের নতুন সংজ্ঞা নির্ধারণ করতে হবে”। বয়ঃসন্ধিকালের শুরু এবং শেষ চিকিৎসাবিজ্ঞান মতে, মানুষের মস্তিষ্ক থেকে “হাইপোথ্যালামাস” নামের এক হরমোন নিঃসরণের সময় থেকে বয়ঃসন্ধিকালের শুরু হয়। এই হরমোন মানুষের শরীরের পিটুইটারি গ্রন্থি এবং গোনাডাল গ্রন্থিগুলোকে সক্রিয় করে তোলে। আগে ১৩ বছর বয়স থেকে মানব শরীরে এ হরমোন নিঃসরণ শুরু হত। কিন্তু বিগত কয়েক দশকে উন্নত দেশগুলোতে মানুষের স্বাস্থ্য ও পুষ্টিগত ব্যাপক উন্নতি হয়। আর এ কারণে বয়ঃসন্ধির সময় নেমে এসেছে দশ বছর বয়সে। আর পৌঁছেছে ২৪ বছর বয়সে। পাশাপাশি গত দেড়শো বছরে মেয়েদের শরীরে মাসিক শুরু হওয়ার বয়স গড়ে চার বছর পর্যন্ত কমে গেছে। পৃথিবীর প্রায় অর্ধেক কিশোরীর এখন ১২ থেকে ১৩ বছর বয়সে মাসিক শুরু হয়। পাশাপাশি বয়ঃসন্ধিকাল সময় মানব শরীরে এখন আগের থেকে বেশি বয়স পর্যন্ত হয়ে থাকে। এর পিছনে গবেষকদের যুক্তি হচ্ছে মানুষের শরীর এখন আগের থেকে বেশি সময় পর্যন্ত বাড়ে। যেমন, আগের তথ্য অনুযায়ী মানুষের মস্তিষ্ক বিকশিত হয় ১৫ বছর বয়স পর্যন্ত। কিন্তু নতুন এ গবেষণা বলছে বিশ বছর বয়স পর্যন্ত মানুষের মস্তিষ্ক এখন বিকশিত হচ্ছে। পাশাপাশি ২৫ বছরের পরে গিয়ে অনেকের আক্কেল দাঁত উঠছে। জীবনের মাইল-ফলক মানুষ এখন আগের থেকে বেশি বয়সে সংসার জীবন শুরু করছে। তাদের সন্তান নেওয়ার সময়ও পিছিয়ে যাচ্ছে। আর ঠিক এ কারণেই মানুষেরা নিজেদের ভেতর থেকে প্রাপ্ত বয়স্ক হচ্ছেন না বলে দাবি গবেষকদের। ১৯৭৩ সালের পর থেকে খোদ ইংল্যান্ডেই মানুষের বিয়ের বয়স বেড়েছে গড়ে ৮ বছর। গবেষকদলের প্রধান সুজান সয়্যার বলেন, “ইংল্যান্ডের আইন অনুযায়ী ১৮ বছর বয়স্ক ব্যক্তি ‘প্রাপ্তবয়স্ক’ হয়ে যান কিন্তু পুরোপুরি প্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে তাদের আরও বেশি সময় লেগে যায়”। তবে কয়েকজন বিজ্ঞানী আবার এমন ধারণার সমালোচনা করেছেন। তাদের মতে, এমন তত্ত্বের ফলে তরুণদের অপরিপক্ক হিসেবে বিবেচনার ঝুঁকি বাড়ছে। সূত্র: বিবিসি //এস এইচ এস//টিকে

ধর্ষিত হওয়ার সময়ের পোশাকের প্রদর্শনী

বিভিন্ন বিষয়ের ওপর অনেক ধরনের প্রদর্শনীর কথা আমরা শুনি। আলোকচিত্র প্রদর্শনী অথবা চিত্রাংকন প্রদর্শনী। কিন্তু ধর্ষিত হওয়ার সময় ভুক্তভোগিরা কী পোশাক পরিহিত ছিলেন তা নিয়ে যদি প্রদর্শনী হয় তাহলে কেমন হয়? এমনটা কী আগে কখনো শুনেছেন? আপনি শুনে থাকুন বা না থাকুন বেলজিয়ামে গেলে চাক্ষুষ দেখতে পারবেন এমন এক ‘প্রতিবাদী’ প্রদর্শনী। বার্তা সংস্থা বিবিসি জানায়, সম্প্রতি বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে এমনই এক ‘ব্যতিক্রমী’ প্রদর্শনীর আয়োজন করে একটি সামাজিক সংগঠন। ধর্ষিত নারীরা তাদের ওপর হওয়া যৌন নির্যাতনের সময় যেসব পোষাক পরিহিত ছিলেন সেগুলোই স্থান পায় এ প্রদর্শনীতে। প্রায় শ’খানেক নির্যাতিত এসব নারীরা তাদের পোশাকের সাথে একটি করে “মন্তব্য”ও জুড়ে দেন। প্রদর্শনীতে স্থান পাওয়া পোশাকগুলোর মধ্যে আছে মিনি স্কার্ট, টপ-জিন্স, ফুল-হাতা পোশাক এমনকি পুলিশ ইউনিফর্ম। নিজেদের সেই দুর্বিষহ অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে একজন নির্যাতিতা লেখেন, “আমার মা বাইরে থেকে বাসায় ফেরার আগে আমার সৎ বাবা আমাকে যৌন নির্যাতন করত।” পুলিশের এক নারী সদস্যও ধর্ষণের শিকার হন। তিনি লেখেন, “আমার শরীরে পুলিশের ইউনিফর্ম ছিল। কোমরে পিস্তলও ছিল। কিন্তু সেই পিস্তল আমাকে ধর্ষণের হাত থেকে রক্ষা করতে পারেনি”। মূলত পোশাকের কারণেই নারীরা ধর্ষিত হয় এমন মানসিকতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই এমন প্রদর্শনী বলে জানায় এর আয়োজকেরা। মোলেনবিক সোশ্যাল সার্ভিসেস নামক ঐ সংগঠনের এক সদস্য ইয়াসমিনা এল মৌটুক বিবিসি’কে বলেন, “আদালত-বন্ধুবান্ধব-আত্মীয় পরিজন ধর্ষিতাকে শুধু একটা প্রশ্নই করে যে, ধর্ষণের সময় সে কী পোশাক পরা ছিল। এতে ঐ ভুক্তভোগী আরও মানসিকভাবে ভেঙ্গে পরেন যেন ধর্ষণের জন্য তিনিই দায়ী, তার পোশাক দায়ী। আর এমনটা মোটেই ঠিক না। মানুষের এমন চিন্তাধারা এবং মানসিকতার প্রতিবাদে এবং সবাইকে সচেতন করতেই আমাদের এ উদ্যোগ”। সূত্র: বিবিসি এস এইচ এস/টিকে  

গুগল-ফেসবুক মানব অস্তিত্বের জন্য হুমকি: অ্যাসেঞ্জ

মার্কিন প্রতিরক্ষা বিষয়ক গোপন নথি ফাঁস করে পৃথিবীজুড়ে ঝড় তোলা উইকিলিক্সের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসেঞ্জ বলেন, গুগল এবং ফেসবুকে পৃথিবীর দুই বৃহৎ প্রযুক্তি এবং সামাজিক মাধ্যম প্রতিষ্ঠান মানব অস্তিত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ। ওয়ার্ল্ড সোশালিস্ট ওয়েবসাইট আয়োজিত এক অনলাইন ভিত্তিক সেমিনারে এমন মন্তব্য করেন জুলিয়ান অ্যাসেঞ্জ। ‘অর্গানাইজিং রেসিস্টেনস ট্যু ইন্টারনেট সেন্সরশীপ’ শীর্ষক ওই সেমিনারে জুলিয়ানের দেওয়া বক্তব্যের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ গণমাধ্যম ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস টাইমস জানায়, জুলিয়ান মনে করেন এসব টেক প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদেরকে শক্তিশালী  ডিজিটাল পারস্টেটস’-এ পরিণত করছে। নিজের টুইটার একাউন্টে নিজেকে  ভূ-রাজনীতি বিশ্লেষক পরিচয় দেওয়া অ্যাসেঞ্জ ঐ ওয়েব সেমিনারের ভিডিও বার্তায় আরও বলেন, একে অপরকে শিক্ষা দেওয়ার বিষয়ে ইন্টারনেট আমাদেরকে বিপ্লব এনে দিয়েছে পাশাপাশি বিদ্যমান গণতান্ত্রিক অবকাঠামোর একদম মূল কাঠামোতে আঘাত করেছে ইন্টারনেট। গুগল, ফেসবুক এবং সমগোত্রীয় চাইনিজ উঠতি প্রতিষ্ঠানগুলো গণতান্ত্রিক অবকাঠামোকে ভিন্ন ক্ষেত্রে প্রবাহিত করছে। এসময় কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার প্রযুক্তিকে মানব সভ্যতার জন্য হুমকি হিসেবে উল্লেখ করে এসাঞ্জ বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে সাধারণের মাঝে যে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করা হচ্ছে তা মানব সভ্যতা এবং মানব অস্তিত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ। ভবিষ্যতে মানুষের যে পক্ষ যন্ত্র নিয়ন্ত্রণ করে আর যন্ত্রের যে পক্ষ মানুষ নিয়ন্ত্রণ করে তাদের মধ্যেকার যুদ্ধের ফলাফলের ওপরই মানব সভ্যতার ভবিষ্যত নির্ভর করছে। একই বিবৃতিতে ফেসবুক এবং টুইটারের বিরুদ্ধে ওঠা রাজনৈতিক প্রচারণা চালানোর মত অভিযোগের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেন তিনি। প্রসঙ্গত, দুই নারীকে যৌন হয়রানি অভিযোগ ওঠার পর ব্রিটেনের ইকুয়েডর দূতাবাসে এসে রাজনৈতিক আশ্রয় নেন এই সুইডিশ নাগরিক। ব্রিটেনের ইকুয়েডর দূতাবাস থেকেই গত মঙ্গলবার ঐ অনলাইন সেমিনারে বক্তব্য দেন অ্যাসেঞ্জ। সূত্র: ইন্টারন্যাশনাল বিজনেজ টাইমস   এস এইচ এস/টিকে   

বেলজিয়ামে তরুণীকে যেভাবে বাঁচাল স্মার্টফোন

বেলজিয়ামে অপহৃত হওয়ার পর স্মার্টফোনে নিজের অবস্থান খুঁজে বের করতে পারার ফলেই উদ্ধার হয়েছেন উনিশ বছরের এক তরুণী। ওই তরুণী জানিয়েছে, রাজধানী ব্রাসেলসে একটি নাইটক্লাবের সামনে থেকে পাঁচ ব্যক্তি তাকে অপহরণ করে তিনদিন ধরে নিকটবর্তী শারলেরোয় শহরের একটি ফ্ল্যাটে আটকে রাখে। কোনক্রমে মোবাইল ফোনটি নিজের কাছেই রাখতে পেরেছিলেন ওই তরুণী। পরে ওই স্মার্টফোনে গুগল ম্যাপের সাহায্যে নিজের ‘লোকেশন’ শনাক্ত করতে পারেন তিনি। তিনি দেখতে পান, ব্রাসেলস থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরের শারলেরোয় শহরের একটি ঠিকানায় তাকে আটকে রাখা হয়েছে। ওই তরুণী তারপর সেই ঠিকানাটি নিজের ভাইয়ের কাছে পাঠিয়ে দিলে তার ভাই কর্তৃপক্ষকে বোনের অপহরণের ব্যাপারে অ্যালার্ট করেন। পুলিশ এরপর গত সোমবার রাতে ওই ফ্ল্যাটে হানা দিয়ে ওই তরুণীকে উদ্ধার করে। একইসঙ্গে ফ্ল্যাটটি থেকে দুজন সন্দেহভাজন অপহরণকারীকে আটক করে পুলিশ। আটক হওয়া ওই দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে বেলজিয়ামের পুলিশ অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগ এনেছে। অভিযুক্ত বাকি তিনজন অপহরণকারীর খোঁজে তল্লাসি চলছে বলেও ওই পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছে। আটক ব্যক্তিরা তাদের বিরুদ্ধে যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করে বলছে, ওই তরুণীর সঙ্গে তাদের দলের একজনের সম্পর্ক ছিল এবং সে স্বেচ্ছাতেই তাদের সঙ্গে ওই ফ্ল্যাটে এসেছিল। সূত্র: বিবিসি একে/এমজে

চাকরি ছেড়ে বিশ্বভ্রমণে যে নারী!

চাকরি ছেড়ে দিয়ে বিশ্ব ভ্রমণে বেড়িয়েছেন রাশিয়ান ডান্সার একাটেরিনা তেরেনিনা। ২৪ বছর বয়সী এ তরুণী ইতোমধ্যে এখন সোশাল মিডিয়া তারকা। ২০১৫ সালে বিশ্ব ভ্রমণে বেরিয়ে এখন পর্যন্ত ঘুরে বেড়িয়েছেন নেপাল, স্পেন, থাইল্যান্ড, মন্টেনিগ্রো এবং ইটালি। এসব দেশের দৃষ্টিনন্দন এবং চমকপ্রদ সব জায়গায় ঘুরে বেড়িয়েছেন তিনি। আর সেসময় বিভিন্ন যোগ ব্যায়ামের আসনের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দিয়ে রাতারাতি বনে গেছেন সামাজিক তারকা। ইন্সটাগ্রামে এখন পর্যন্ত ১১ হাজার অনুসারী আছে তার। নাচের পাশাপাশি যোগ ব্যায়ামের ব্যাপক পারদর্শী এই তরুণী। রাশিয়ার একটি ক্লাবে ডান্সার হিসেবে কাজ করতেন। নিজের দৈনন্দিন জীবনের প্রতি এক প্রকার হতাশ হয়েই বিশ্ব দেখতে ঘর ছাড়েন তিনি। ডেইলি মেইলকে তিনি বলেন, “দিন দিন আমার আত্মবিশ্বাস এবং শারীরিক শান্তি কমে আসছিল। আমি বিষন্নতায় ভুগছিলাম। আর তখনই মনে হলে একটা পরিবর্তন দরকার”। “আমি অনেক দিন থেকেই ভাবছিলাম নিজের জীবনে এই পরিবর্তনটা আনব। কিন্তু মানসিক জোড় পাচ্ছিলাম না। আবার ক্লাব থেকেও (যেখানে ডান্সার হিসেবে কাজ করতেন) ভাল বেতন পাচ্ছিলাম”। তবে সবকিছু ছাপিয়ে ঠিকই ঘর ছেড়ে বের হয়ে আসেন একাটেরিনা। শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র যাওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও ভিসা না পেয়ে থাইল্যান্ড চলে যান তিনি। তিনি বলেন, “শুরুতে আমার পরিকল্পনা ছিল যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়া। এটা আমার একটা স্বপ্নও ছিল। কিন্তু ভিসা দেওয়া হয়নি আমাকে। পরে থাইল্যান্ড যাই। আর এরজন্য কোন দুঃখ নেই আমার।” ভ্রমণে বের হয়ে কেমন অনুভব করছেন এমন এক প্রশ্নের জবাবে তেরেনিনা বলেন, “আমি মনে করি এখন আমার মুড অনেক ভাল থাকে। ভ্রমণে বের হওয়ার পর থেকে আমি রাতে আরামে ঘুমাতে পারছি। নতুন নতুন মানুষের সাথে পরিচয় হচ্ছে, সাগরে সাতার কাটছি। এভাবেই ভালো যাচ্ছে”। তিনি আরও বলেন, “আমি এখন আগের থেকে অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী। নিজেকে অনেক মুক্তও মনে হয়। তবে আর দশজনের মত আমার স্থায়ী কোনো জীবন নেই। আমার জীবন একটা স্যুটকেসে ভরা থাকে। এক জায়গায় বেশি দিন থাকতে পারি না।” এক একটি স্থানে একটি মাত্র যোগ ব্যায়াম আসন অনুশীলন করেন একাটেরিনা তেরেনিনা। তার জানা প্রতিটি যোগাসন এক একটি স্থানে গিয়ে অনুশীলন করার স্বপ্ন আছে এই রাশিয়ান সুন্দরীর। সূত্র: ডেইলি মেইল এস এইচ এস/টিকে

হ্যারডস থেকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে ডায়ানা-দোদির মূর্তি

লন্ডনের অভিজাত ডিপার্টমেন্ট স্টোর হ্যারডসে প্রিন্সেস ডায়ানা আর দোদি আল-ফায়েদের যে ব্রোঞ্জের মূর্তি ছিল, তা সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। প্রিন্সেস ডায়ানা ও তার বন্ধু দোদি ১৯৯৭ সালে প্যারিসে এক গাড়ি দুর্ঘটনায় মারা যাবার পর হ্যারডসের তৎকালীন মালিক এবং দোদির পিতা মোহাম্মদ আল-ফায়েদ এই যুগল ভাস্কর্য স্থাপন করেছিলেন। আল-ফায়েদ ২০১০ সালে কাতারি রাজপরিবারের কাছে হ্যারডস বিক্রি করে দেন ১৫০ কোটি পাউন্ড দামে। এখন ২০০৫ সালে স্থাপিত মূর্তিটিকে আল-ফায়েদের কাছেই ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে ঘোষণা করা হয়েছে। হ্যারডসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাইকেল ওয়ার্ড বলেছেন, মূর্তিটি আল-ফায়েদের কাছে ফিরিয়ে দেবার এটাই উপযুক্ত সময়, কারণ সাধারণ লোকেরা এখন কেনসিংটন প্রাসাদে যে নতুন স্মৃতিস্তম্ভ নির্মিত হবে সেখানে গিয়ে সম্মান দেখাতে পারবেন। মিশরে জন্ম নেওয়া ধনকুবের আল-ফায়েদ বরাবরই প্রিন্সেস ডায়ানা ও দোদির মৃত্যু `দুর্ঘটনা ছিল না` বলে দাবি করে আসছিলেন। কিন্তু সরকারি এক তদন্তে সেরকম কোন কিছু ঘটেনি বলে জানানো হয়। আল-ফায়েদের পরিবার কাতার হোল্ডিংসকে এতদিন মূর্তিটি রাখার জন্য ধন্যবাদ দিয়েছে। আল ফায়েদ ২০১১ সালে তার তৎকালীন মালিকানাধীন ফুলহ্যাম ফুটবল ক্লাবের সামনে পপ তারকা মাইকেল জ্যাকসেনর একটি মূর্তি বসিয়েছিলেন। পরে ফুলহ্যাম প্রিমিয়ার লিগ থেকে নেমে যাবার পর তিনি বলেছিলেন, নতুন মালিক ওই মূর্তিটি সরিয়ে ফেলার কারণেই ক্লাব রেলিগেশনের শিকার হয়েছে। সূত্র: বিবিসি। একে//এসএইচ

অ্যাসাঞ্জকে নাগরিকত্ব দিলো ইকুয়েডর

বিশ্বজুড়ে সাড়া জাগানো বিকল্প সংবাদমাধ্যম উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে নাগরিকত্ব দিয়েছে ইকুয়েডর। বুধবার দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মারিয়া ফার্নান্দো এসপিনোসা এমন তথ্য জানান। তিনি বলেন, ইকুয়েডর অফিস তার আবেদন গ্রহণ করেছে। ১২ ডিসেম্বর অ্যাসাঞ্জকে নাগরিকত্ব দেওয়া হয় জানিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ইকুয়েডরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মারিয়া ফার্নান্দো এসপিনোসা বলেন, যুক্তরাজ্যের সঙ্গে সংলাপে অন্যান্য সমাধানের পথ খুঁজছে ইকুয়েডর। আন্তর্জাতিক ও যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা ছাড়া সবপক্ষের জন্য উপযুক্ত কোনও সমাধান পাওয়া সম্ভব নয়। তার (অ্যাসাঞ্জ) জীবন ও সততা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে বলে আমরা আশঙ্কা করছি। হয়ত তা যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে নয়, তৃতীয় কোনও রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে। তবে নাগরিকত্ব দেওয়াতে কীভাবে অ্যাসাঞ্জ ব্রিটিশ পুলিশের গ্রেফতার এড়াবেন তা ব্যাখ্যা করেননি পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, লন্ডন দূতাবাস ছাড়তে অ্যাসাঞ্জকে নিরাপত্তার নিশ্চয়তা পেতে হবে। সুইডেনে দুই নারীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠার পর ২০১২ সালের জুন থেকে লন্ডনের ইকুয়েডর দূতাবাসের আশ্রয়ে আছেন অ্যাসাঞ্জ। তবে ধর্ষণের অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসছেন তিনি। অ্যাসাঞ্জের আশঙ্কা, তিনি সুইডেনে গেলে সুইডিশ সরকার তাকে গ্রেফতার করে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কাছে প্রত্যর্পণ করবে। আর যুক্তরাষ্ট্র সরকার তাকে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে বিচারের নামে মৃত্যুদণ্ড দেবে। ইকুয়েডর দূতাবাস থেকে বের হলে সুইডেন বা যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কাছে প্রত্যর্পণ না করার নিশ্চয়তা চান অ্যাসাঞ্জ। গত বছর সুইডিশ প্রসিকিউটররা ওই অভিযোগের তদন্ত বন্ধ করে দেন। তবে জামিনের শর্ত ভঙ্গ করায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি রয়েছে। উইকিলিকসের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে মার্কিন কতৃপক্ষও অ্যসাঞ্জকে বের করে দিতে চাপ দিচ্ছেন। সম্প্রতি অ্যাসাঞ্জের ‘বন্দি জীবনের’ অবসানে আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতা প্রত্যাশা করে ইকুয়েডর। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন, বের হলেই গ্রেফতারের ভয়ে সাড়ে পাঁচ বছর ধরে লন্ডনে ইকুয়েডরের দূতাবাসে অ্যাসাঞ্জের বন্দিদশা ‘সমর্থনযোগ্য’ নয়। আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতায় এর অবসান হওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেছিলেন তিনি। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মারিয়া ফার্নান্দা এসপানিসো বলেছেন, ইকুয়েডর এখন ‘তৃতীয় কোনও দেশ বা ব্যক্তি’র সন্ধান করছেন, যারা যুক্তরাজ্যের সঙ্গে অ্যাসাঞ্জ ইস্যুটি নিয়ে চূড়ান্ত সমাধানে পৌঁছাতে সহায়তা করবে। আন্তর্জাতিক ও যুক্তরাজ্যের সহায়তা ছাড়া কোনও সমাধান আসবে না বলে মনে করেন তিনি। তবে ইকুয়েডরের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে যুক্তরাজ্য। তথ্যসূত্র: এএফপি, আল-জাজিরা, দ্য ইনডিপেনডেন্ট। এসএইচ/

দিনে ১৬৫ বার পর্নসাইটে ঢুকার চেষ্টা করেন ব্রিটেনের এমপিরা

গত বছরের জুনের নির্বাচনের পরবর্তী ছয় মাসে বিভিন্ন পর্ন সাইটে প্রবেশের জন্য গড়ে প্রতি দিন ১৬৫ বার চেষ্টা করা হয় ব্রিটিশ পার্লামেন্ট থেকে। ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সদস্যদের কম্পিউটার, মুঠোফোন এবং ট্যাব থেকে এসব চেষ্টা করা হয়। ব্রিটিশ সাংসদদের পর্ন সাইটে প্রবেশের চেষ্টার এমন তথ্য সম্প্রতি প্রকাশ করে ব্রিটেন প্রেস এসোসিয়েশন। গত ৬ মাসে সাংসদদের পর্ন সাইটগুলোতে প্রবেশের চেষ্টার মোট পরিমাণ প্রায় ২৪ হাজার ৪৭৩টি। সব চেয়ে বিস্ময়কর তথ্য এই যে, সংসদের অধিবেশন চলাকালীন অবস্থায়ই চুটিয়ে অশ্লীল ছবি-ভিডিও দেখেন সাংসদ এবং আরও অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারিরা। ব্যক্তিগত মোবাইল, ল্যাপটপ ছাড়াও সরকারি ডেস্কটপ কম্পিউটার থেকেও করা হচ্ছে এ অপকর্ম।  হাতে নাতে ধরাও পরেছেন কেউ কেউ। ব্রিটিশ সাংসদের এমন কর্মকাণ্ডে বেশ বিব্রত দেশটির প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে। এর আগেই যৌন কেলেঙ্কারিতে পুলিশকে ভুল তথ্য দেওয়ার অভিযোগে উপ-প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরিয়ে দেন নিজের দীর্ঘদিনের বন্ধু ডামিয়ান গ্রীনকে। সংসদের বিনামূল্যের ওয়াইফাই এবং ল্যান সংযোগ দিয়ে এসব পর্ণোগ্রাফিক সাইটে ঢোকার চেষ্টা করেন সাংসদেরা। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া/ইন্ডেপেন্ডেন্ট এসএইচএস/টিকে   

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি