ঢাকা, শুক্রবার, ২২ জুন, ২০১৮ ১৭:৩৩:৫৫

পেইনকিলার কেড়ে নিল ৪৫৬ জনের প্রাণ

পেইনকিলার কেড়ে নিল ৪৫৬ জনের প্রাণ

যুক্তরাজ্যের গোসপোর্ট ওয়্যার মেমোরিয়াল হাসপাতালে রোগীদের শরীরে বিপজ্জনক পেইনকিলার মাত্রাতিরিক্ত দেওয়ার ফলে ৪৫৬ জন রোগীকে মৃত্যুবরণ করতে হয়েছিল। এদিকে দেশটির একটি স্বাধীন প্যানেল জানিয়েছে, বিপজ্জনক পেইনকিলারের মাত্রারিক্তি ব্যবহারের ফলে আরও ২০০ রোগীকে একই ভাগ্য বরণ করতে হতে পারে। স্বাধীন প্যানেলের করা তদন্ত প্রতিবেদন হতে জানা যায়, ১৯৮৯ সাল থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত এত বিপুল সংখ্যক মানুষের মৃত্যু হয়েছে কেবল পেইনকিলারের মাত্রারিক্ত ব্যবহারের ফলে। এই ঘটনাকে ভুল চিকিৎসা বলে আখ্যায়িত করেছেন স্বাধীন কমিশনের কর্মকর্তারা। তারা আরও জানায়, ডা. জেন বার্টন অপ্রয়োজনে মাত্রারিক্ত পেইনকিলার প্রেসকাইব করতেন। নিউ হ্যাম্পশায়ারের ওই হাসপাতালে কোনো ধরণের পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই পেইনকিলারের ব্যবহার করতেন ডাক্তাররা। এদিকে স্বাধীন তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনের পরই প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে দুর্ভাগ্য বরণ করা ওইসব রোগীর স্বজনদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। এদিকে স্বাস্থ্যসচিব জেরিম হান্ট বলেন, ইতোমধ্যে পুলিশকে ঘটনা তদন্তে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সূত্র: রয়টার্সএমজে/
লন্ডনের মেট্রো স্টেশনে বিস্ফোরণ, আহত ৫

উত্তর লন্ডনের মেট্রো-স্টেশনে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। ফলে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে সেই এলাকায়। বিস্ফোরণের ফলে একাধিক যাত্রীআহত হয়েছেন।স্থানীয় সময় মঙ্গলবার বিকেলে ঘটনাটি ঘটে। সেখানকার সাউথগেট টিউব স্টেশন সঙ্গে সঙ্গে খালি করে দেওয়া হয়। লন্ডনের পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। স্টেশনে কিছু প্লাস্টিকের প্যাকেটের মধ্যে বিস্ফোরক ছিল বলে অনুমান করছে তদন্তকারীরা।প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, বিস্ফোরণের অনেক আগে থেকে উত্তর লন্ডনের এনফিল্ডের সেই স্টেশনে পোড়া গন্ধ পাওয়া যাচ্ছিল৷ গন্ধটা অনেকটা প্লাস্টিক পোড়ার মতো ছিল। তখনই পুলিশকে খবর দেওয়া হয়৷ পুলিশও গিয়ে তদন্ত শুরু করে। ঠিক তখনই বিস্ফোরণ হয় বলে প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি।এই ঘটনায় ঠিক কতজন আহত হয়েছে, তা প্রথমে জানা যায়নি। তবে পরে জানা যায়, পাঁচজন আহত হয়েছেন। যদিও এক প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ান অনুযায়ী, একজনকে স্ট্রেচার করে স্টেশন থেকে বের করতে দেখা যায়। তার থেকেই অনুমান, পাঁচজনের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর৷ তবে আহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।এসএ/

মেগানের বিয়েতে যেতে না পারায় ব্যথিত থমাস

ব্রিটিশ রাজপুত্র প্রিন্স হ্যারির সঙ্গে মেগান মর্কেলের বিয়েতে উপস্থিত থাকতে না পারায় ব্যথিত ছিলেন মেগানের বাবা থমাস মর্কেল। হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে অশ্রুসিক্ত চোখে টেলিভিশনে দেখেছেন মেগানের বিয়ের অনুষ্ঠান। আর বাবার অনুপস্থিত থাকার খবর শুনে আবেগে কেঁদেই দিয়েছিলেন ডাচেজ অব সাসেক্স মেগান মর্কেল। সম্প্রতি ইংল্যান্ডের একটি টিভি চ্যানেলে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানান থমাস মর্কেল। বিয়েতে অনুপস্থিত থাকায় নিজেকে ‘ব্যথিত’ উল্লেখ করে থমাস জানান, “নিজের মেয়েকে বিয়ের মঞ্চে নিয়ে যাওয়া বাবার পরিবর্তনে আমি ইতিহাসের বইয়ে এমন একজন হয়ে থাকলাম যাকে পাতার নিচে পাদটিকায় রাখা হয়”। তিনি আরও বলেন, “আমার মেয়েকে সেদিন খুব সুন্দর লাগছিল। পুরো বিশ্ব তাকে দেখছিল। বিষয়টা সত্যিই অবিশ্বাস্য ছিল”। বিয়ের আগে এক টেলিফোন বার্তায় মেয়ে মেগানকে নিজের অনুপস্থিতির কথা জানান থমাস। সেসময় মেগান ও হ্যারি দুইজনেই বেশ ‘দুঃখিত’ হয়েছিলেন। তারা থমাসকে শরীরের দিকে যত্ন নেওয়ার পরামর্শ দেন বলেও জানা থমাস। বেশ দীর্ঘ এই সাক্ষাৎকারে বিয়ের আগে প্রিন্স হ্যারি কীভাবে তার কাছে মেগানের হাত চাইলেন সে বিষয়েও কথা বলেন তিনি। তিনি জানান, হ্যারি যখন মেগানকে বিয়ের জন্য অনুমতি চাইলেন তখন তিনি হ্যারির রাজনৈতিক দর্শন নিয়ে আলাপ করেন। শুধু তাই নয়, খুব দ্রুতই মেগানের গর্ভে কোন রাজ শিশুর জন্ম হবে কি না সে নিয়েও তাদের মধ্যে আলোচনা হয় বলে সাক্ষাৎকারে বলেন হ্যারির শ্বশুর। ১৯ মে প্রিন্স হ্যারির সাথে বিয়েতে মেগানকে মঞ্চে নিয়ে যান হ্যারির বাবা প্রিন্স চার্লস। আর এতে ‘ঈর্ষান্বিত’ এবং ‘সম্মানিত’ বোধ করেন বলে জানিয়েছেন থমাস। তিনি বলেন, “আমি ঈর্ষান্বিত। পাশাপাশি সম্মানিত। প্রিন্স চার্লসের থেকে ভালো আমার বিকল্প আর কে হতে পারত? তবে আমি সত্যিই সেসময় চাচ্ছিলাম সেখান তাঁর (চার্লস) বদলে মেগানের হাতে আমার হাত থাকতো” সূত্র : বিবিসি। / এআর /  

জার্মানিতে ঘাতক শুঁয়োপোকার কারণে স্কুল-পার্ক বন্ধ

ওক গাছে বাস করা ঘাতক শুঁয়োপোকায় ছেয়ে গেছে জার্মানি৷ এদের লোমগুলো শরীরে .ব্যাশ ও শ্বাসকষ্টের কারণ হতে পারে৷ জলবায়ু পরিবর্তনে কারণেই এই উপদ্রব বলে ধারণা করা হচ্ছে৷ ওক গাছ থেকে শুঁয়োপোকাগুলো ছড়িয়ে পড়ার কারণে গেল কয়েক সপ্তাহে জার্মানি জুড়ে অনেকগুলো প্রি-স্কুল, সাঁতারের লেক ও পুল বন্ধ করে দেওয়া হয়৷ রাইনিশে পোস্ট পত্রিকার প্রতিবেদন অনুযায়ী, কোলন শহরের ২৫০টি ওক গাছের সত্তর ভাগই এই শুঁয়োপোকাগুলোর উৎস৷ নর্থ রাইন-ওয়েস্টফালিয়ার অন্য শহরগুলো ও পশ্চিম ব্যাভারিয়াতেও তা ছড়িয়ে পড়েছে৷  এ সব অঞ্চলে গাছগুলোকে বেড়া দিয়ে রাখা হয়েছে৷ এছাড়া বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে পার্ক এবং স্কুলের মাঠগুলো৷  ‘এত খারাপ অবস্থা কখনো হয়নি৷` রাইনিশে পোস্টকে বলেন একটি ওলফগাঙ আউলেয়ার নামে পেস্ট কন্ট্রোল কোম্পানির এক কর্মী৷ এই লার্ভাগুলোর লোমের কাঁটায় থাউমেটোপোয়েইন নামক এক ধরনের প্রোটিন থাকে, যা চামড়ায় .ব্যাশ তৈরি করে৷ আক্রান্ত স্থান ফুলে যেতে পারে এবং শ্বাসকষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে৷ যাদের অ্যালার্জি ও অ্যাজমার সমস্যা আছে তাদের জন্য এর আক্রমণ খুবই বিপজ্জনক৷ এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে মৃত্যুও ডেকে আনতে পারে৷ পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র পেটার শ্যুৎস বলেন, ‘বৃদ্ধ, শিশু ও যাদের অ্যালার্জি আছে, তাদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি অনেক বেশি৷` গত এপ্রিলের শেষে ব্রিটেনেও শুঁয়োপোকার উপদ্রব বেড়ে যায়৷ তখন ব্রিটিশ বন কমিশন একটি সতর্কতা জারি করে৷ শ্যুৎস আরও বলেন, ঠাণ্ডা পাহাড়ি এলাকার চাইতে তুলনামূলক উষ্ণ সমতলভূমি এলাকায় শুঁয়োপোকার উপদ্রব বেশি৷ ব্যাভারিয়ার বন বিভাগের প্রধান হুবার্ট মেসমেয়ার বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এই লার্ভাগুলো লোয়ার ফ্রাংকোনিয়া অঞ্চল থেকে দক্ষিণ ব্যাভারিয়া অঞ্চলে ছড়িয়েছে৷ ওক গাছে শুঁয়োপোকাদের বাসাগুলো মাটি থেকে ২০ থেকে ৩০ মিটার ওপরে থাকে৷ দূরবীনের সাহায্যে এ সব বাসাগুলো খুঁজে তাদের বিশেষ পদ্ধতিতে ধ্বংস করা হচ্ছে৷ শুধু ওক গাছেই এই শুঁয়োপোকাদের দেখা যায়৷ মে মাস নাগাদ এদের দেখা মেলে এবং জুলাই ও সেপ্টেম্বরের মধ্যে এরা মথে রূপান্তরিত হয়৷ সূত্র: ডয়চে ভেলে একে//

বিয়ের পর রাণীর সঙ্গে মেগান

গত ১৯ মে প্রিন্স হ্যারির সঙ্গে বিয়ে হয় মার্কিন টিভি অভিনেত্রী মেগান মর্কেলের। বিয়ের পর রাজ প্রাসাদের বাইরে প্রথমবারের মতো ইংল্যান্ড, উত্তর আয়ারল্যান্ড এবং ওয়েলস তথা গ্রেট ব্রিটেনের রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথের সঙ্গে দেখা গেল ডাচেজ অব সাসেক্স মেগান মর্কেলকে। আজ বৃহস্পতিবার ইংল্যান্ডের চেশায়ারে দেখা যায় রাজ পরিবারের এই দুই সদস্যকে। সেখানে ডাচেজ অব সাসেক্সকে সাথে নিয়ে মার্সি গেটওয়ে ব্রীজ এবং চেস্টার্স স্টোরিহাউজ থিয়েটার উদ্বোধন করেন রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথ। সেখান থেকে সিটি কাউন্সিলের আমন্ত্রণে চেস্টার টাউন হলে দুপুরের খাবার গ্রহণ করবেন তারা। বরাবরের মতোই এসময়ও এই দুই জনকে এক ঝলক দেখার জন্য সড়কের দুই পাশে ভীড় জমান উৎসুক জনতা। নিরাপত্তা বেষ্টনীর সাথে রীতিমত তাবু খাটিয়ে অপেক্ষা করতে দেখা যায় জনতাদের। ব্রিটিশ রানী ও ডাচেজ অব কেমব্রিজ রাজকীয় ট্রেনে করে অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছান। এসময় তারা রানকর্ন স্টেশনে পৌছালে বিদ্যালয়ের শত শত শিশুরা তাদেরকে অভ্যর্থনা জানান। চেশায়ারের লর্ড লেফটেন্যান্ট ডেভিড ব্রিগস এসময় রাজ সদস্যদের স্বাগত জানান। এসময় ডাচেজ অব কেমব্রিজ মেগান মর্কেলকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, “চেশায়ারে আপনাকে স্বাগতম। আমি জানি যে, উত্তর ইংল্যান্ডে এটিই আপনার প্রথম সফর”। উত্তরে মেগান বলেন, “ ঠিক বলেছেন আপনি”। এদিন রাণীর পরনে ছিল স্টুয়ার্ট পারভিনের ডিজাইন করা হালকা সবুজ রঙের গাউন। সাথে ছিল র‍্যাচেল ট্রেভর মরগানের ডিজাইন করা ম্যাচিং করা টুপি। আর মেগান মর্কেলের পরনে ছিল হালকা সাদা রঙের গিভেন্সী গাউন। সূত্রঃ বিবিসি //এস এইচ এস//

মৃত্যুদণ্ড থেকে রেহাই পেল সেই গর্ভবতী গাভী

সীমান্ত অতিক্রম করে সার্বিয়ায় ঢুকে পড়েছিলো পেনকা নামের একটি গাভী।  আর তাই ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) আইন অমান্য করায় গাভীটিকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দাবি করেছিলেন বুলগেরিয়ার কর্মকর্তারা।   তবে গত সোমবার মৃত্যুদণ্ড থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে গর্ভবতী গাভী পেনকাকে। এর আগে পশুটির মৃত্যুদণ্ডের কথা বলায় প্রতিবাদ শুরু করে পশু অধিকার নিয়ে কাজ করা সংস্থাগুলো। পল ম্যাককার্টনি নামের এক ব্যক্তি পাঁচ বছর বয়সী গাভীটি রক্ষার জন্য গণসমর্থনের আয়োজন করে একটি অনলাইন পিটিশন দায়ের করে। পরে গাভীর মালিক ইভান হারালামপিয়েভের সঙ্গে যোগাযোগ করে সার্বিয়া থেকে ফেরত পাঠানো হয়। গাভীটির বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, বুলগেরিয়ার কোপিলোভৎস গ্রামের কাছে সে দলছুট ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) বহির্ভূত দেশ সার্বিয়ায় চলে যায়। উল্লেখ্য, ইউরোপীয় কমিশনভুক্ত দেশে গরু বা জন্তু-জানোয়ার নিয়ে ঢোকার সময় ইইউ অনুমোদিত সীমান্ত পর্যবেক্ষণ ফাঁড়িতে কাগজপত্র দেখানোর নিয়র রয়েছে। এছাড়াও গরুর সুস্থতার প্রমাণও দেখাতে হয়। সূত্র: রয়টার্স একে//  

গভর্নর পদ থেকে আনোয়ার চৌধুরীকে প্রত্যাহার

ব্রিটিশ শাসিত দ্বীপপুঞ্জ কেইম্যান আইল্যান্ডে সদ্য নিয়োগ পাওয়া গভর্নর পদ থেকে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আনোয়ার চৌধুরীকে সাময়িকভাবে প্রত্যাহার করেছে ব্রিটিশ সরকার। কিছু অভিযোগ আসায় তদন্তের স্বার্থে তাকে এই পদ থেকে সাময়িকভাবে প্রত্যাহার করা হয়েছে। বুধবার কেইম্যান আইল্যান্ডের হেড অব গর্ভমেন্ট প্রেমিয়ার আলদেন ম্যাকলাইন জানিয়েছেন, আনোয়ার চৌধুরীকে ফরেন অ্যান্ড কমনওয়েলথ অফিসে ডেকে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তিনি লন্ডনেই থাকবেন। আগামী ৪ থেকে ৬ সপ্তাহ তার বিরুদ্ধে তদন্ত চলবে। আনোয়ার চৌধুরীর অবর্তমানে কেইম্যান আইল্যান্ডে ভারপ্রাপ্ত গর্ভনরের দায়িত্ব পালন করবেন বর্তমান ডেপুটি গর্ভনর ফ্রাঞ্জ মেন্ডারসন।এসএ/

ভূমধ্যসাগরে আটকে থাকা শরণার্থীদের আশ্রয় দিল স্পেন

মানবিক বিপর্যয় এড়াতে ভূমধ্যসাগরে আটকে যাওয়া অভিবাসন প্রত্যাশীদের একটি জাহাজ গ্রহন করছে স্পেন।  এক বিবৃতিতে দেশটির প্রেসিডেন্ট পেড্রো সানচেজ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, সেখানে থাকা ছয় শতাধিক শরণার্থীকে নিরাপদ আশ্রয় দিতেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জাহাজটি ভ্যালেন্সিয়া বন্দরে নোঙ্গর করার নির্দেশ দিয়েছেন পেড্রো সানচেজ। এদিকে স্পেনের এমন সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে টুইট করেছেন মাল্টার প্রধানমন্ত্রী জোসেফ মাসকট। এরআগে অভিবাসী গ্রহণে অস্বীকৃতি জানায় ইতালি ও মাল্টা। লিবিয়ার উপকূল থেকে ৬২৯ অভিবাসীকে উদ্ধার করে জার্মানির দাতব্য সংস্থা এসওএস মেডিটেরানে। এসওএসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তারা যেখান থেকে শরণার্থীদের উদ্ধার করেছে সেটি মাল্টা থেকে মাত্র ২৭ নটিক্যাল মাইল দূরে। অন্যদিকে ইতালি থেকে ৩৫ নটিক্যাল মাইল দূরে। যুদ্ধবিধ্বস্ত কয়েকটি দেশ থেকে পালিয়ে লিবিয়া উপকূলে আশ্রয় নিয়েছিল ওই শরণার্থীরা। ভাগ্য পরিবর্তনের আশায় ইউরোপে পাড়ি দেওয়ার পরিকল্পনা করলেও নৌকা ডুবিতে শরণার্থীদের অনেককেই দুর্ভাগ্য বরণ করতে হয়েছে।

হ্যারি-মেগান প্রথম সফরে যাচ্ছেন অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে

প্রিন্স হ্যারি ও তার নববিবাহিত স্ত্রী মেগান প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড করবেন বলে জানা গেছে। এক্ষেত্রে হ্যারি তার পিতা চালস ও তার মা প্রিন্স ডায়েনাকে অনুসরণ করছে বলে জানা গেছে। তার পিতা ও মাতা বিবাহের পর প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড সফর করেছিলেন। প্রিন্স হ্যারি ও মগোনের বিয়ার পর এটাই তাদের প্রথম রাষ্ট্রীয় সফর হবে। তারা এ বছরের অক্টোবরে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ছাড়াও ফিজি ও টোঙ্গাও সফর করবেন বলে জানা যায়। তারা অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডের প্রধানদের তাদের দেশ সফরের জন্য আহ্বান করবেন। পাশাপাশি তারা ফিজি ও টোঙ্গাকে ভ্রমণের আমন্ত্রণ জানাবেন বলে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দফতর সূত্রে জানা যায়। ১৯৮৩ সালে প্রিন্স চালস এবং প্রিন্সেস ডায়েনা অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ড সফর করেছিলেন। এই সফরে তারা দেশের বাইরে ৪১ দিন অতিবাহিত করেছিলেন। ২০১৪ সালের এপ্রিলে প্রিন্স হ্যারির ভাই ও ভাবি ১৮ দিন এই দুটি দেশে ভ্রমণ করেছিলেন। তথ্যসূত্র: বিবিসি। এসএইচ/

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি