ঢাকা, শুক্রবার, ২২ জুন, ২০১৮ ১৭:৩৩:৫৮

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে নিক্সনের বিরোধীতার ৭ কারণ

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে নিক্সনের বিরোধীতার ৭ কারণ

মুক্তিযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র যে বাংলাদেশের বিরোধিতা করেছিল, সে কথা কম-বেশি সবারই জানা। সে সময় বাংলাদেশের সহায়তায় এগিয়ে আসার ফলে ভারতের সঙ্গেও সংঘর্ষে জড়ানোর পরিকল্পনা ছিল নিক্সন প্রশাসনের। ওই সময় জেনারেল ইয়াহিয়া খান ও তার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে কোনো কটূক্তি শুনতে চাইতেন না যুক্তরাষ্ট্রের তত্কালীন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন। পশ্চিম পাকিস্তানের মিত্র হিসেবে তখন সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সম্প্রতি একাত্তরে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের ভূমিকার বিরোধিতায় যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালিন  প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন যেসব যুক্তি দাঁড় করিয়েছিলেন তার কিছু গোপন নথি অবমুক্ত করা হয়েছে। পিটিআইয়ের এক প্রতিবেদনে তা উঠে এসেছে। ওই সময় ক্যালিফোর্নিয়ার স্যান ক্লেমেন্টসে জাপানের প্রধানমন্ত্রী এইসাকু সাতোর সঙ্গে এক বৈঠকে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন নিক্সন। তার যুক্তিগুলো পাঠকদের জন্য সংখ্যা আকারে প্রকাশ করো হলো। ১) যুদ্ধে ভারতীয় সামরিক হস্তক্ষেপ একটি ‘বাজে নজির’ স্থাপন করবে এবং ছোট দেশগুলোর ভবিষ্যত ঝুঁকির মুখে ফেলবে বলে ধারণা করতেন নিক্সন। ২) তিনি এটিকে সামরিক শাসনে থাকা ছয় কোটি মানুষের ছোট দেশ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৬০ কোটি মানুষের বড় দেশ ভারতের গণতান্ত্রিক সরকারের সামরিক পদক্ষেপ’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। ৩) সোভিয়েত ইউনিয়নের সমর্থন নিয়ে ভারত যদি প্রতিবেশী কোনো দেশে আগ্রাসন চালায়, বিশ্বের সব ছোট দেশের ভবিষ্যতই হুমকির মুখে পড়বে বলে তিনি ধারণা করেন। ৪) বৈঠকে জাপান সরকার ভারতে আশ্রয় নেওয়া বাংলাদেশিদের জন্য আন্তর্জাতিক ত্রাণ সয়ায়তায় আগ্রহ প্রকাশ করেন। কিন্তু শরণার্থীদের জরুরি সহায়তার বিষয়ে তার প্রশাসনের দৃষ্টিভঙ্গি ‘ইতিবাচক’ হলেও ওই সহায়তা যুদ্ধের খরচ যোগাতে ব্যবহৃত হওয়ার আশঙ্কায় তাতে আপত্তি জানিয়েছে কংগ্রেস। ৫) বাংলাদেশে যেহেতু ‘নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষা করার মত স্থায়ী’ একটি সরকার তখনো চালু করতে পারেনি। তাই তিনি মনে করেন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য আরও সময় নেওয়া উচিৎ। ৬) রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকা নারীরা বিপজ্জনক বলে মনে করেন নিক্সন। ভারত ও ইসরায়েল দুই দেশই নারীর নেতৃত্বে যুদ্ধে জড়িয়েছে। ৭) জাপানি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ওই বৈঠকে নিক্সন একটি রাজনৈতিক সমাধানের উদ্যোগ নিয়েও কথা বলেন। সেখানে শরণার্থীদের জন্য ৫০০ মিলিয়ন ডলারের ত্রাণ সহায়তা এবং ইয়াহিয়া খানকে সেনা প্রত্যাহারের আহ্বান জানানোর কথা ছিল। কিন্তু ভারত সে সময় ‘নিজেদের স্বার্থকেই’ গুরুত্ব দেয়।    উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭তম প্রেসিডেন্ট নিক্সন ১৯৬৯ থেকে ১৯৭৪ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিলেন। নিজের দেশের আইন লংঘন হবে জেনেও সাড়ে চার দশক আগে তিনি যে মুক্তিকামী বাঙালিদের দমনে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে সমরাস্ত্র যুগিয়েছিলেন, তা পাঁচ বছর আগে প্রকাশিত ‘দ্য ব্লাড টেলিগ্রাম: নিক্সন, কিসিঞ্জার অ্যান্ড আ ফরগটেন জেনোসাইড’ বইয়ে উঠে আসে।   এমএইচ/ এসএইচ      
শিশু নির্যাতন করছে ট্রাম্প প্রশাসন: মানবাধিকার কমিশন

যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত অভিবাসী শিশুদেরকে নথিভূক্ত না করে তাদের বাবা-মা থেকে বিচ্ছিন্ন করার যে ষড়যন্ত্র করছে ট্রাম্প প্রশাসন তার কড়া সমালোচনা করেছে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাই কমিশন। যুক্তরাষ্ট্রের নেওয়া এ ধরণের পদক্ষেপকে ‘সরকার অনুমোদিত শিশু নির্যাতন’ বলে আখ্যা দিয়েছেন মানবাধিকারবিষয়ক হাই কমিশনের প্রধান জেইদ রাদ আল হুসেইন। জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাই কমিশনার জেইদ রাদ আল হুসেইন অভিবাসন প্রশ্নে ট্রাম্প প্রশাসনের নেওয়া এই ‘জিরো টলারেন্স নীতি’র তীব্র সমালোচনা করে বলেন, পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন শিশুরা এমন অপূরণীয় ক্ষতির শিকার হতে পারে, যা তাদেরকে জীবনভর বয়ে বেড়াতে হবে। আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন অব পেডিয়াট্রিকস-এর প্রেসিডেন্টের একটি পর্যবেক্ষণকে উদ্ধৃত করে রাদ আল হুসেইন বলেন, “শিশুদেরকে তাদের মা-বাবা থেকে বিচ্ছিন্ন করে আটকে রাখাটা ‘সরকার-অনুমোদিত শিশু নির্যাতন’। শিশুদের ওপর এ ধরনের নির্যাতন চালিয়ে মা-বাবাকে ভয় দেখানো ‘বিবেক বর্জিত’ পদক্ষেপ।” জানা গেছে, গত ৬ সপ্তাহে মেক্সিকো সীমান্তে ‘জিরো টলারেন্স নীতি’র বলি হয়েছে প্রায় ২ হাজার শিশু (১৯৯৫ জন)। ট্রাম্প প্রশাসনের নেওয়া জিরো টলারেন্স নীতিতে সীমান্ত পেরিয়ে আসা সব মানুষকেই আইনের আওতায় নেওয়া হচ্ছে। শিশুরা আইনের চোখে অপরাধী না হওয়ায় পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে। তাদের জায়গা হচ্ছে সরকারের বিভিন্ন আটককেন্দ্রে। অভিবাসন ইস্যুতে ট্রাম্পের জিরো টলারেন্স নীতির বিরোধিতা করে সাবেক ফার্স্ট লেডি লরা বুশসহ যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক অঙ্গনের বিভিন্ন নেতা এর বিরোধীতা করেছেন। এর আগে ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের এক মুখপাত্রও জানান, তিনি (মেলানিয়া) পরিবারের কাছ থেকে শিশুদের বিচ্ছিন্ন করাকে ঘৃণা করেন। তিনি আশা করেন, কংগ্রেসে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট দুই পক্ষ শেষ পর্যন্ত অভিবাসন আইন সংস্কারের প্রশ্নে একমত হতে পারবে। সূত্র: ওয়াশিংটন পোস্টএমজে/

ফ্লোরিডায় গুলিতে নিহত মার্কিন র‍্যাপার

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় বন্ধুকধারীর গুলিতে নিহত হয়েছেন এক মার্কিন র‍্যাপার। স্থানীয় সময় গতকাল সোমবার বিকাল ৪টায় বন্দুকধারীর হামলার শিকার হন ‘ট্রিপল এক্স টেনট্যাকশন’ খ্যাত ২০ বছর বয়সী ওই র‍্যাপ সংগীত শিল্পী। ফ্লোরিডার ব্রোয়ার্ড কাউন্টি পুলিশ জানায়, মাত্র ২০ বছর বয়সী ওই র‍্যাপ সংগীত শিল্পীর প্রকৃত নাম জাহসেহ ওনফ্রয়। ঘটনার সময় ওনফ্রয় একটি মোটর বাইক দোকান থেকে বের হচ্ছিলেন। তখন দুই আততায়ী তাঁকে উদ্দেশ্য করে গুলি করেন। হামলার পর আততায়ীরা ওনফ্রয়ের জিপ গাড়ি নিয়ে পালিয়ে যায়। আহত অবস্থায় ওনফ্রয়কে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। মামলার তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বিবিসি জানায়, ওনফ্রয়ের জিপ গাড়িটি ছিনতাই করার জন্যই এই হামলা হয়ে থাকতে পারে। তবে খুব অল্প সময়ে খ্যাতি পাওয়া ট্রিপল এক্স টেনট্যাকশন’কে নিয়েও আছে বিতর্ক। এক অনুষ্ঠানে তার গাওয়া গান ইন্টারনেটে প্রথম ছড়িয়ে দেয় তার এক দর্শক। এতেই অনেকটা রাতারাতি খ্যাতি পেয়ে যান ওনফ্রয়।   গত বছরের আগস্টে তার একটি একক অ্যালবাম প্রকাশিত হয়। অ্যালবামের দুইটি গান ‘স্যাড’ ও ‘মুনলাইট’ বেশ জনপ্রিয়তা পায়। গত মার্চে বিলবোর্ডের ২০০টি গানের তালিকায় স্থান পায় এই দুইটি গান। সূত্রঃ বিবিসি //এস এইচ এস// এআর

ভেনিজুয়েলায় নাইটক্লাবে পদপিষ্ট হয়ে নিহত ১৭

ভেনিজুয়েলার রাজধানী কারকাসে একটি নাইটক্লাবে পদপিষ্ট হয়ে ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে৷ মৃতদের মধ্যে আটজন নাবালক৷ জানা গেছে, নাইটক্লাবে পার্টি চলাকালীন আগুন লেগে যায়৷ হুড়োহুড়ি করে বের হতে  গিয়ে পদপিষ্ট হয়ে মারা যান তারা৷ মৃতদের সবার বয়স ২৩ বছরের নিচে৷ শনিবার ঘটে ঘটনাটি৷ ভেনিজুয়েলার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নেস্টর রেভেরল সাংবাদিকদের জানান, কারাকাসের একটি নাইট ক্লাবে গ্র্যাজুয়েশন পার্টি চলছিল৷ তখনই আগুন ধরে যায়৷ প্রাণভয়ে বাঁচতে গিয়ে পদপিষ্ট হয়ে অনেকের মৃত্যু হয়েছে৷ আহত শতাধিক৷ তাদের বেশ কয়েকজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে৷ নাইটক্লাবে সেই সময় ৫০০ জন পার্টি করছিলেন৷ মৃতদের মধ্যে আটজন নাবালক৷ এই ঘটনায় সাত জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে৷ নাইটক্লাবটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে৷ ক্লাব মালিককে গ্রেফতার করা হয়েছে৷ মর্মান্তিক ঘটনার পর একাধিক গাফিলতি সামনে এসেছে৷ প্রাথমিক তদন্তের পর জানা গেছে, ওই ক্লাবে কোনও আপদকালীন বের হওয়ার পথ নেই৷ তবে লাতিন আমেরিকার এই দেশটিতে কোনও কর্মাশিয়াল বাড়িতে সাধারণত আপদকালীন দরজা দেখা যায় না৷ কারণ অনেক ক্রেতাই বিল না মিটিয়ে আপদকালীন দরজা দিয়ে পালিয়ে যায়৷ সেটা বন্ধ করতে কেউ এমার্জেন্সি দরজা ব্যবহার করে না৷ উল্লেখ্য, কারাকাসে আগেও নাইটক্লাবে পার্টি করতে এসে পদপিষ্ট হয়ে মারা যাওয়ার নজির রয়েছে৷ ২০০২ সালে লা গুয়াজিরা নামে একটি ক্লাবে আগুনের জেরেই পদপিষ্ট হয়ে ৫০ জনের মৃত্যু হয়৷ সূত্র: কলকাতা ২৪x৭ একে//  

সিঙ্গাপুরে বৈঠক: ট্রাম্প কি তাহলে ভুল করলেন?

সিঙ্গাপুরে গতকাল মঙ্গলবার ট্রাম্প-কিম শীর্ষ বৈঠককে উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যম বিপুল সাফল্য হিসেবে তুলে ধরেছে৷ বিশেষ করে ট্রাম্প দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়াকে ‘প্ররোচনা` হিসেবে স্বীকার করে তা বন্ধ রাখার যে ইঙ্গিত দিয়েছেন, সেই বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে৷ কোরীয় উপদ্বীপে শান্তি ও সমৃদ্ধির নতুন যুগের সম্ভাবনাকে ঘিরেও সে দেশে বিপুল প্রত্যাশা জেগে উঠছে৷ উত্তর কোরিয়ার প্রাপ্তিতালিকা আরও দীর্ঘ৷ কোরীয় উপদ্বীপে পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের অঙ্গীকার করে সে দেশ নিরাপত্তা গ্যারেন্টির প্রতিশ্রুতি আদায় করতে পেরেছে৷ সম্পর্কের উন্নতি হলে নিষেধাজ্ঞাও তুলে নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন ট্রাম্প৷ যথেষ্ট অগ্রগতি হলে দক্ষিণ কোরিয়া থেকে মার্কিন সেনাও প্রত্যাহার করতে চান তিনি৷ উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কেসিএনএ ফলাও করে বিষয়গুলো উল্লেখ করেছে৷ কোনও স্পষ্ট অগ্রগতি ছাড়াই উত্তর কোরিয়ার প্রতি ট্রাম্প প্রশাসনের এমন নরম মনোভাবের কড়া সমালোচনা শোনা যাচ্ছে৷ বিশেষ করে ট্রাম্প যেভাবে দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে সামরিক মহড়া বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তের পক্ষে ব্যয়ভারের বিষয়টি তুলে ধরেছেন, আমেরিকায় অনেক মহল তার ফলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে৷ গোটা অঞ্চলে মার্কিন স্বার্থ বজায় রাখতে দক্ষিণ কোরিয়ায় মার্কিন সেনাদের উপস্থিতির গুরুত্বের কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন রিপাবলিকান দলেরই সংসদ সদস্য লিন্ডসে গ্রাহাম৷ প্রসঙ্গত, ১৯৫০-৫৩ সালের কোরিয়া যুদ্ধের পর থেকে প্রায় ২৮ হাজার ৫০০ মার্কিন সেনা দক্ষিণ কোরিয়ায় মোতায়েন রয়েছে৷ সিঙ্গাপুর থেকে আমেরিকায় ফেরার পথে ট্রাম্প নিজে এক টুইট বার্তায় শীর্ষ বৈঠকের সাফল্য তুলে ধরেছেন৷ তার মতে, পথিবী এক পরমাণু বিপর্যয় থেকে পিছিয়ে এসেছে৷ তিনি কিম জং উন-এর প্রশংসা করে লিখেন, তিনি তার দেশের মানুষের জন্য উজ্জ্বল ভবিষ্যতের পথে প্রথম সাহসী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন৷ দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জে ইন-এর সরকারও সামরিক মহড়া বন্ধ রাখার আচমকা ঘোষণার ফলে বিস্ময় প্রকাশ করেছে৷ সে দেশের অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করছেন, উত্তর কোরিয়া তার উদ্দেশ্য পূরণ করতে পেরেছে৷ পরমাণু শক্তিধর দেশ হিসেবে সমান মর্যাদা নিয়ে তারা মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে সামরিক মহড়া বন্ধ করাতে সফল হয়েছে৷ মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও বুধবার সৌলে পৌঁছাচ্ছেন৷ বৃহস্পতিবার তিনি প্রেসিডেন্ট মুন এবং পরে দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে উত্তর কোরিয়া সম্পর্কে ট্রাম্প প্রশাসনের অবস্থান তুলে ধরবেন৷ এই দুই সহযোগী দেশকে আশ্বস্ত করতে মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় মঙ্গলবারই এক বিবৃতি প্রকাশ করেছিল৷ কিছু বিশেষজ্ঞের মতে, উত্তর কোরিয়ার নেতাকে সৌজন্য, প্রশংসা ও একতরফা ছাড় দিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প উত্তর কোরিয়ার উপর নতুন ধরনের চাপ সৃষ্টি করেছেন৷ এতকাল শুধু সে দেশের উপরেই নানা পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করা হতো৷ ট্রাম্প কিম জং উন-এর প্রতি আস্থা দেখিয়ে তাকে পরমাণু অস্ত্র ত্যাগ করতে উদ্বুদ্ধ করতে চান৷ কিম বিলক্ষণ জানেন, তিনি সেই পথে অগ্রসর না হলে ট্রাম্প ক্রোধের বশে অনেক কিছু করে বসতে পারেন৷ ট্রাম্প সম্প্রতি জি-সেভেন গোষ্ঠীর ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের প্রতি যে আচরণ করেছেন, তার আলোকে চট করে তাকে ক্ষুব্ধ করতে চাইবেন না কিম, এমনটা আশা করছেন অনেকে৷ সূত্র: ডয়চে ভেলে একে//

দুপুরে কী খেলেন ট্রাম-কিম!

নানা জল্পনা কল্পনার পর অবশেষে আলোচনার টেবিলে বসলেন ট্রাম্প ও কিম। তাদের এই বৈঠক বিশ্ব ইতিহাসেও বেশ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা।এ বৈঠকের ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র সব আয়োজন নিয়ে চলে আলোচনা। বৈঠকের প্রতিটি বিষয়কেই গুরুত্ব দেয়া হয় আলাদা করে। ইতোমধ্যেই নিজের টয়লেট সঙ্গে বহন করে ঝড় তুলেছেন কিম। এবার তাদের দুপুরের খাবারের আয়োজনে কী ছিল, তা নিয়ে উঠেছে আলোচনা।এবারই প্রথমবারের মতো করমর্দনও করেছেন তারা। আর প্রথমবারের মতো একসঙ্গে দুপুরের খাবার খেলেন দুজন।কী ছিল তাদের খাবারের তালিকায়?  স্থানীয় সময় বেলা সাড়ে ১১টায় দুজন দুপুরের খাবার খান। খাবারের তালিকায় নানা রকম পশ্চিমা ও কোরিয়ান খাবার ছিল।  আগের বার যখন কিম দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রথমবারের মতো দেখা করেছিলেন তখন মেনুতে ছিল ঠান্ডা নুডলস। তবে, সিঙ্গাপুরে কিমের যেন বাসার মতোই হালকা বোধ করেন। এজন্য খাবারের তালিকাটি সাজানো হয়েছে বর্ণাঢ্য উপায়ে। সেই সঙ্গে ট্রাম্পও যেন ৮০’র দশকের নিউইয়র্কের কোনো রেস্টুরেন্টের স্বাদ পান সে বিষয়টিও মাথায় রেখেছে সিঙ্গাপুরের হোটেল কর্তৃপক্ষ। সূত্র : বিবিসি এসএ/  

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি