ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৪ অক্টোবর, ২০১৭ ২:৩১:৪৬

ক্যানসার রুখবে মুরগির ডিম!

ক্যানসার রুখবে মুরগির ডিম!

ডিমের ‘ড্রিম প্ল্যান’ এর কথা শুনে অবাক হবেন! কী সেই ‘ড্রিম প্ল্যান’? মুরগির ডিম এবার ক্যানসার রুখতে সাহায্য করবে। তবে যে সে মুরগির ডিম নয়। একেবার বিশেষভাবে ‘ক্যানসার প্রতিরোধ ডিম’ পাড়বে মুরগি! রোজ একটা করে। কখনও তার বেশিও হতে পারে। হ্যাঁ। এমনটিই বলছেন জাপানের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যাডভান্স ইনডাস্ট্রিয়াল সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (এআইএসটি)-র গবেষকরা। ওষুধের দ্বারা বেশ কিছু মুরগির শুক্রাণু জিনগত ভাবে পরিবর্তন করা হয়েছে। তাঁদের দাবি, এসব মুরগির সঙ্গে সংমিশ্রণ ঘটিয়ে যে নতুন শঙ্কর প্রজাতির মুরগি তৈরি করা হয়েছে, তার ডিম ক্যানসার প্রতিরোধে সক্ষম। আর জিনের এই পরিবর্তন করতে গিয়ে বিজ্ঞানীরা ব্যবহার করেছেন ইন্টারফেরনস নামে দুর্মূল্য ওষুধ। ক্যানসার, হেপাটাইটিস, স্কেলারোসিসের মতো আক্রান্ত রোগীদের এই ওষুধ ব্যবহার করা হয়। এই ওষুধ এতটাই দুর্মূল্য যে, মাত্র কয়েক মাইক্রোগ্রামের দাম ৮৮৮ ডলার। অর্থাৎ এই ডিম যে আমজনতার সাধ্যের মধ্যে হবে, তা বলা যাচ্ছে না। এই ধরনের মুরগি প্রতিদিনই ডিম পাড়বে বলে দাবি বিজ্ঞানীদের। এখনও পর্যন্ত পরীক্ষা নিরীক্ষার মধ্যে রয়েছে এই গবেষণা। যদি এই গবেষণা সফল হয় তাহলে, সোনার ডিমের আশা ছেড়ে ক্যানসার প্রতিরোধক ডিম পেতে একটা মুরগি কিনেই ফেলতে পারেন! সূত্র : জিনিউজ। / কে আই / এআর  
দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি পেতে লেমন ওয়েল

দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি পেতে চান? তবে লেমন ওয়েল ব্যবহার করুন। পুষ্টিবিদরা বলছেন, লেমন ওয়েল সেবন করার মাধ্যমে চিন্তাসহ আরোও অনেক রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।  রোজ যদি একটু একটু করে লেমন অয়েল খাওয়া যায়, তাহলে তা আপনাকে শ্বাসকষ্ট থেকে মুক্তি দেবে। সাইনাসের মত সমস্যা কমিয়ে দেয় লেমন অয়েল। ওজন কমাতে এবং পেট ব্যথা  দূর করতেও সাহায্য করে লেমন অয়েল। এক গ্লাস পানিতে ৩-৪ ড্রপ লেমন অয়েল মিশিয়ে  খেলে পেটের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। হজম শক্তি বাড়াতে এবং রক্ত সঞ্চালনের ক্ষেত্রেও সাহায্য করে লেমন অয়েল। প্রতিদিন লেমন অয়েল ব্যবহার করতে পারলে ইনসোমনিয়া থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে । ঘুমনোর আগে যদি কিছুটা তুলোর মধ্যে লেমন অয়েল মিশিয়ে শ্বাস নেওয়া যায়, তাহলে ঘুম ভাল হবে। চিন্তা এবং যে কোন ধরণের স্ট্রেস থেকে মুক্তি দিতেও লেমন ওয়েল অসাধারণ কাজ করে। তাই লেমন অয়েল ব্যবহার শুরু করে বিভিন্ন সমস্যা থেকে মুক্তি পান। সূত্র:জি নিউজ এম/এআর

বয়সের ছাপ দূর করে কলার মোচা

আপনার শরীরে হিমোগ্লোবিন কম অথবা শরীর একের পর এক রোগ বাসা বাঁধছে? কিংবা রক্তের রোগ বা ডায়াবেটিসে ভুগছেন? এ থেকে পরিত্রান পেতে নিয়মিত কলার মোচা খান। মোচা ভিটামিন, আয়রন, মিনারেলস সমৃদ্ধ। এটি আপনার শরীরে রক্তের পরিমাণ ঠিক রাখে এবং রক্ত পরিষ্কার করে। এর ফলে শরীর থাকে সুস্থ। আয়রনে ভরপুর কলার মোচা রক্তের মূল উপাদান হিমোগ্লোবিনকে শক্তিশালী করে। স্বাদে অতুলনীয় মোচার ঘণ্ট, ভর্তা, মোচার কোফতা জিভে জল এনে দেয়। মোচার গুণাগুণ: মোচা আপনার শরীরে ইনফেকশন ও ঋতু পরিবর্তনের সময় যে কোনো সংক্রমণের ঝুঁকি কমায়। নিয়মিত কলার মোচা খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে। মোচার ফাইবার ও আয়রন রক্তস্বল্পতা কমায় এবং রক্ত পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। কলার মোচা প্রচুর সলিউবল ও ইনসলিউবল ফাইবার থাকায় হজম ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি ওজন কমায়। এক্ষেত্রে আপনি নিয়মিত মোচার সালাড ও স্যুপ খেতে পারেন। গর্ভাবস্থায় প্রতিদিন মোচা খেলে স্তনদুগ্ধের পরিমাণ বাড়ে। মোচার ম্যাগনেসিয়াম অবসাদ ও উৎকণ্ঠা কাটাতে সাহায্য করে। মোচা খেলে চেহারায় বয়সের ছাপ পড়া থেকে রক্ষা করে এবং অ্যালঝাইমার্স ও পারকিনসন্সেরও ঝুঁকি কমে। হলুদ, গোলমরিচ গুঁড়া ও জিরা দিয়ে মোচা সেদ্ধ করে খেলে জরায়ু সুস্থ থাকে। মোচায় রয়েছে প্রচুর ট্যানিন, ফ্ল্যাভনয়েড, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। তাই মোচা খেলে হার্ট ভালো থাকে। ১০০ গ্রাম মোচায় থাকে: ১.৭ গ্রাম প্রোটিন, ৩২ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ৫.১ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ৩২ মিলিগ্রাম ফসফরাস, ১.৬ মিলিগ্রাম লোহা, ০.৭ গ্রাম ফ্যাট, ১৮৫ মিলিগ্রাম পটাসিয়াম, ০.২ মিলিগ্রাম রিবোফ্লেবিন, ৪২০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি, ১.৩ গ্রাম আঁশ, ০.৫ মিলিগ্রাম থায়ামিন। সূত্র: জিনিউজ।   আর/এআর

হৃৎপিণ্ডের শিরায় চর্বি জমতে দেয় না লেটুস পাতা

লেটুস একটি মজাদার সবজী। লেটুস পাতার বৈজ্ঞানিক নাম লাকটুসা স্যাটিজ এল। সাধারণত সালাদ, বার্গারের ভেতরে বা স্যান্ডউইচের মাঝে আমরা লেটুস পাতা খেয়ে থাকি। লেটুস কাঁচা ও রান্না উভয়ভাবেই খাওয়া যায়। এতে নানা রকম ভিটামিন ছাড়াও রয়েছে একেবারে কম ক্যালরি। লেটুসপাতায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি ও বিটা ক্যারোটিন আছে। এ দুটি উপাদান কোলেস্টেরলের অক্সিডেশনকে বাধা দেয় এবং কোলেস্টেরল কমাতে সহায়তা করে। ফলে রক্তের খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং হৃৎপিণ্ড ভালো থাকে। শুধু তাই নয় হৃৎপিণ্ডের শিরা-উপশিরার দেয়ালে চর্বি জমাট বাঁধতে বাধা দেয় এ পাতা। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতি ১০০ গ্রাম লেটুসে রয়েছে ১৫ ক্যালোরি, ২৮ মিলিগ্রাম সোডিয়াম, ১৯৪ মিলিগ্রাম পটাসিয়াম, ২.৯ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ১.৪ গ্রাম প্রোটিন, ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ভিটামিন বি-৬, ক্যালসিয়াম, আয়রন ও ম্যাগনেসিয়াম। এছাড়া লেটুস পাতার উপকারিতা অনেক। আসুন জেনে নেই এর উপকারিতাগুলো- * কাঁচা বা ভাজা লেটুসপাতার সালাদ রক্ত পরিষ্কার করে, হৃৎপিণ্ডের শিরা-উপশিরার দেয়ালে চর্বি জমাট বাঁধতে বাধা দেয়। * লেটুসপাতায় ক্যালরির পরিমাণ কম থাকে। ডায়াবেটিক রোগীদের রক্তে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করতে লেটুসপাতার গুরুত্ব অনেক বেশি। এছাড়া ওজন কমাতে এ পাতা দারুন কাজ করে। * লেটুসপাতা সোডিয়াম ভিটামিন-বি ওয়ান, বি টু থ্রি শরীরের যে কোনো অঙ্গে পানি জমে যাওয়া রোধ করে। এ পাতায় নিয়মিত খেলে বার্ধক্য আসে দেরিতে ত্বকের বলিরেখাও পড়ে না। * ঠাণ্ডাজনিত অসুখ হাঁচি, কাশি, কফ, হাঁপানি ও ফুসফুসের ইনফেকশন দূর করতে সালাদে প্রতিদিন লেটুসপাতা খেতে পারেন। * ত্বকের কোথাও কেটে বা ছিঁড়ে গেলে এ পাতা থেঁতলে ব্যথার স্থানে লাগালে ব্যথা কমে যায়। * লেটুসপাতায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন। লেটুসপাতা হিমোগ্লোবিন বাড়াতে সাহায্য করে। অ্যানমিয়া বা রক্তশূন্য রোগীদের জন্য লেটুসপাতা উত্তম খাবার। * লেটুসপাতা ভিটামিন কে আছে। ভিটামিন কে হাড়ের মেটাবলিজম বাড়ায়। লেটুসপাতা দ্রুত হাড় ক্ষয় হওয়া থেকে শরীরকে রক্ষা করে। * লেটুসপাতার পুষ্টি উপাদান হাত-পা ফুলে যাওয়া, কিডনির পাথর, কিডনির কার্যহীনতা, মূত্রথলির ইনফেকশন ও কিডনির ব্যথায় লেটুসপাতা উপকারী। * গর্ভবতী নারীরা কাঁচা লেটুসপাতা খেলে মা ও শিশু উভয়ের শরীরেই রক্তের মাত্রা বাড়ে। * চোখের ইনফেকশনজনিত সমস্যা কমায় লেটুসপাতা। * লেটুসপাতা খুশকি কমাতে সাহায্য করে। শ্যাম্পুতে লেটুসপাতা গুঁড়া ব্যবহার করা হয়। রোদে পোড়াভাব দূর করতে লেটুপসাতা থেঁতলে ত্বকে দিলে ত্বকের উপকার হয়। সূত্র : বোল্ডস্কাই। ডব্লিউএন

ব্যাঙের ছাতায় দূর হবে বিষণ্ণতা

ব্যাঙের ছাতায়  রাসায়নিক ব্যবহার করে বিষন্নতার চিকিৎসা করা যাবে বলে জানিয়েছেন একদল বিজ্ঞানী । এই গবেষণা করেছেন ইম্পেরিয়াল কলেজ অব লন্ডন । ম্যাজিক মাশরুমে থাকা সিলোসিবিন নামে এই রাসায়নিক উপাদান মানুষের মস্তিষ্কে একটা মাদকের ঘোর সৃষ্টি করবে, যা মস্তিষ্ককে  চাঙ্গা করে তুলতে সাহায্য করবে। ১৯জন রোগীর ওপর ম্যাজিক মাশরুম নামে পরিচিত এই উপাদান পরীক্ষা করে দেখেছেন বিজ্ঞানীরা। এটি ব্যবহারের পর অর্ধেক রোগীর মানসিক বিষণ্নতা কেটে গেছে এবং তারা মস্তিষ্কে একটা পরিবর্তন অনুভব করতে পেরেছেন যা প্রায় পাঁচ সপ্তাহ ধরে স্থায়ী হয়েছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন তারা গবেষণায় দেখেছেন সিলোসিবিন রাসায়নিক পদার্থটি মস্তিষ্ককে হালকা করে দেয় এবং মানুষকে মানসিক বিষণ্নতার উপসর্গ থেকে বেরিয়ে আসতে সাহায্য করে।তবে মস্তিষ্কের ভেতর এটি ঠিক কীভাবে কাজ করে তা এখনও পরিস্কারভাবে জানা যায় নি।বিজ্ঞানীরা বলছেন তারা গবেষণায় দেখেছেন এই সিলোসিবিন মস্তিষ্কের দুটি গুরুত্বপূর্ণ অংশে কাজ করে। এই অংশ দুটি মস্তিষ্কের মধ্যে ভয় বা উদ্বেগের মত অনুভূতি কীভাবে কাজ করবে তার জন্য দায়ী। তবে গবেষণা দলের প্রধান ড. রবিন কারহার্ট-হ্যারিস বলেছেন এখনও আরও বিস্তৃত পরিসরে এই গবেষণা এগিয়ে নিয়ে যাওয়া দরকার।কিন্তু প্রাথমিক গবেষণার ফলাফল খুবই আশাব্যঞ্জক এবং মানসিক বিষণ্নতার সফল চিকিৎসায় এই সিলোসিবিন কীভাবে ব্যবহার করা হবে সেটাই গবেষণার পরবর্তী ধাপে তারা পরীক্ষা করে দেখবেন। সূত্র:বিবিসি এম/এআর

বিটের জুসে শরীর ফিট

শরীর দুর্বল লাগে, মাঝে মাঝে খেতেও ইচ্ছা করে না? মনে হয় সারাক্ষণ বিছানায় পরে থাকি, ঘন্টার পর ঘন্টা ঘুমাই। মাঝে মাঝে এমন ভালো না লাগাটা আমাদের সবারই প্রায় হয়ে থাকে। আসলে সারা সপ্তাহ ধরে নানা ব্যস্ততায় কাটাতে কাটাতে শরীরের ভেতরে বাইরে ক্লান্তি যেন লোমের গোড়ায় গোড়ায় ভর করে থাকে। সেই সঙ্গে শরীরও কেমন যেন ভাঙতে শুরু করে। এমন পরিস্থিতিতে ৯০ শতাংশই মানুষই ৫০০-১০০০ টাকা খরচ করে ডাক্তারের কাছে গিয়ে সাপ্লিমেন্ট ট্যাবলেটের পসরা নিয়ে আসেন। কিন্তু একবার বিটের জুস পান করে দেখতে পারেন কত দ্রুত আপনার সমস্যা কেটে যায়। গবেষণা বলছে বিটে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন সি এবং এ। সেই সঙ্গে রয়েছে বিপুল পরিমাণে ক্যালসিয়াম এবং আয়রন। তাই তো এই সবজিটিকে সুপার ফুড হিসেবে গণ্য করে থাকেন চিকিৎসকেরা। আসুন জেনে নেওয়া যাক বিটের রসের আরো নানা উপকারিতা সম্পর্কে- রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে যেভাবে মানসিক চাপের মধ্যে দিয়ে আমাদের নাগরিক জীবন কাটে তাতে রক্তচাপ একটি স্বাভাবিক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমন অবস্থায় রক্তকে ঠান্ডা করতে পারে একমাত্র বিটের রক্তিম রস। আসলে রক্তের মতোই দেখতে এই রসটিতে রয়েছে নাইট্রেস, যা রক্তচাপকে স্বাভাবিক বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ত্বকের হারানো সৌন্দর্য ফিরে আসে রক্তে উপস্থিত নানাবিধ ক্ষতিকর উপাদান এবং টক্সিক উপাদানদের শরীরে থেকে বার করে দিয়ে ত্বককে ভিতর থেকে সুন্দর করে তুলতে বিটের রসের কোনো বিকল্প হয় না বললেই চলে। তাই তো মুখের ক্যানভাসে যদি কালো ছোপ বা ব্রণর দাপাদাপি থাকে, তাহল আজই বিটের রসের পান করার শুরু করুন। শরীর বিষমুক্ত করে বিটের অন্দরে রয়েছে বিটালায়েন্স নামে একটি ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস, যা দেহে উপস্থিত টক্সিক উপাদানকে শরীর থেকে বার করে দেয়। ফলে ক্যান্সারসহ নানাবিধ জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে যায়। এখানেই শেষ নয়, বিটের রসে উপস্থিত অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান আরও নানাভাবে শরীরের উপকারে লেগে থাকে। শরীর চাঙ্গা রাখে   গলা দিয়ে গড়িয়ে রসটা যখনই রক্তে মেশে অমনি সারা শরীরে অক্সিজেন সমৃদ্ধি রক্তের প্রবাহ বেড়ে যায়। ফলে দেহের প্রতিটি অংশ উজ্জীবিত হয়ে ওঠে। সেই সঙ্গে ঘাটতি হতে থাকা ফিজিকাল এনার্জিও ফিরে আসে। শুধু তাই নয়, স্ট্রেসও কমতে থাকে। তাই এবার থেকে অফিস থেকে ফিরে ক্লান্ত-অবশান্ত লাগলে ঝপ করে এক গ্লাস বিটের রস বানিয়ে খেয়ে ফেলবেন। দেখবেন নিমেষে চাঙ্গা হয়ে উঠবেন। হজম ক্ষমতা বাড়ে   বাড়ির বাইরে খেতে খেতে পাকস্থলি কাজ করা বন্ধ করে দিতে বসেছে। ফলে বাড়ছে গ্যাস-অম্বলের প্রকোপ? কাল থেকে এক গ্লাস করে বিট রুটের রস খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন পাকস্থলি তার হারিয়ে যাওয়া ক্ষমতা ফিরে পাবে। ফলে হজম ক্ষমতা এমন বেড়ে যাবে যে অম্বল ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারবে না। ডায়াবেটিস দূরে রাখে একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে বিটের শরীরে উপস্থিত একাধিক পুষ্টিকর উপাদান রক্তে শর্করার মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি ইনসুলিনের ক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ার কোনো আশঙ্কাই থাকে না। সূত্র : বোল্ডস্কাই ডব্লিউএন

জবা ফুলের চা পান করেছেন কখনও?

চা পান করেন না এমন মানুষের সংখ্যা তুলনামূলক কম। চায়ের মধ্যে শরীরের জন্য অনেক উপকারী ও দরকারি উপাদান রয়েছে। আর একবার চায়ের অভ্যাস হয়ে গেলে তো কথাই নেই। তবে লাভ-ক্ষতি হিসেব করতে করতে চায়ের মধ্যেও ভিন্নতা এসেছে। চা পানের ক্ষেত্রেও সচেতনা বেড়েছে। একের মধ্যে দুই পাওয়ার প্রবণতা বেড়েছে। এজন্য অনেকে আমলকি চা, তুলসি চা কিংবা অন্য কোনো উপকারী ভেষজ দিয়ে বানানো চা পানের দিকে ঝুঁকছেন। তবে জবা ফুলের চা’য়ের বিষয়টি একেবারে নতুন। অনেকের কাছে তা অবাক করার মতো বিষয়। জবা ফুলের চায়ে কি কি উপকারী উপাদান সে সম্পর্কে আমাদের ভালো জানাও নেই। আর্গুয়ে দা জামাইকা নামে পরিচিত জবা ফুল দিয়ে বানানো চা‘য়ে এমন সব উপকারি উপাদানের সন্ধান মেলে যেগুলো নানা রোগ থেকে আমাদের প্রতিনিয়ত বাঁচিয়ে দেয়। সেই কারণেই সারা বিশ্বে এই চায়ের জনপ্রিয়তা ধীরে ধীরে বাড়ছে। জবা ফুল দিয়ে বানানো চা খেলে সাধারণত যে উপকার পাওয়া যায়- রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখে আজকাল অফিসে কাজের চাপে ব্লাড প্রেসার আর নিয়ন্ত্রণে থাকে না। তাই তো অ্যাপোয়েন্টমেন্ট লেটার পাওয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই কারও কারও লো তো কারও হাই হতে শুরু করে রক্তচাপ। সে কারণেই তো আজকের পরিস্থিতিতে জবা ফুলের চা খাওয়ার প্রয়োজন বেড়েছে। প্রসঙ্গত, আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের প্রকাশ করা এক রিপোর্ট থেকে জানা যায় এই বিশেষ চা’য়ে উপস্থিত অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি প্রপাটিজ নিমেষে রক্তচাপ স্বাভাবিক অবস্থায় নিয়ে আসতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায় আপনার নিশ্চয়ই জানা আছে ব্লাড প্রেসারের বেস্ট ফ্রেন্ড হলো কোলেস্টেরল। একাধিক কেস স্টাডি করে দেখা গেছে, যেসব ছেলে-মেয়ে আইটি ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করেন, তাদের বেশিরভাগকে দিনের নানা সময় কাজ করতে হয়। ফলে কাজের চাপে একদিকে যেমন ব্লাড প্রেসার ঊর্ধ্বমুখী হয়, তেমনি অন্যদিকে এদিক-সেদিকের খাবার খাওয়ার কারণে রক্তে বাড়তে শুরু করে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা। ফলে হার্টের অবস্থা এতটাই খারাপ হয়ে যায় যে কম বয়সে হঠাৎ করে হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের আশঙ্কা বাড়ে। এমন পরিস্থিতির শিকার যদি আপনি হতে না চান, তাহলে আজ থেকেই জবা ফুলের চা খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন হার্টের কোনো ক্ষতি হবে না। কারণ এই পানীয়টি ব্লাড ভেসেলের কর্মক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ফলে ব্রেন এবং হার্টের কোনো ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে না। লিভারের কর্মক্ষমতা বাড়ে বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে জবা ফুলে উপস্থিত অ্যান্টিক্সিডেন্ট শরীরে প্রবেশ করার পর রক্তে ভেসে বেরানো টক্সিক উপাদানদের বার করে দেয়। ফলে লিভারের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে আরও অনেক উপকার মেলে। যেমন ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে। সেই সঙ্গে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এতটাই বেড়ে যায় যে সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও কমে। অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল প্রপাটিজ  জবা ফুলে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় অ্যাসকর্বিক অ্যাসিড, যা একদিকে যেমন ভিটামিন সি-এর ঘাটতি মেটায়, তেমনি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটিয়ে শরীরকে চাঙ্গা করে তোলে। এখানেই শেষ নয়, এই চায়ের অন্দরে থাকা বেশ কিছু উপকারি উপাদান শরীরের অন্দর মহলে প্রদাহ কমানোর পাশাপাশি ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ থেকেও বাঁচায়। সেই কারণেই তো সর্দি-জ্বরের প্রকোপ কমাতে আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞরা জবা ফুল দিয়ে বানানো চা খাওয়ার পরামর্শ দেন। পিরিয়ডের কষ্ট কমায় মাসের এই বিশেষ সময় যদি নিয়মিত জবা ফুল দিয়ে বানানো চা খাওয়া যায়, তাহলে পিরিয়ড ক্র্যাম্প এবং যন্ত্রণা অনেকটাই কমে। সেই সঙ্গে অন্যান্য অস্বস্তিও দূর হয়। প্রসঙ্গত, হরমোনাল ইমব্যালেন্স কমাতেও এই পানীয়টি দারুন কাজে আসে। তাই মেয়েরা যদি প্রতিদিন এই চা পান করতে পারেন, তাহলে দারুন উপকার মেলে। মানসিক অবসাদ কমায় নানা কারণে মনটা কি বেজায় খারাপ? তাহলে ঝটপট এক কাপ হিবিস্কাস টি বানিয়ে ফেলে পান করে ফেলুন। এমনটা করলে দেখবেন মুড একেবার ফ্রেশ হয়ে যাবে। কারণ এতে উপস্থিত উপকারি ভিটামিন এবং মিনারেল নার্ভাস সিস্টেমে তৈরি হওয়া প্রদাহ কমানোর পাশাপাশি অ্যাংজাইটি কমাতেও বিশেষ ভূমিকা নেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ডিপ্রেশন কমতে সময় লাগে না। হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটায় বাওয়েল মুভমেন্টের উন্নতি ঘটানোর মধ্যে দিয়ে দিয়ে হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘাটতে এই পানীয়টির বিকল্প হয় না বললেই চলে। আসলে জবা ফুলে উপস্থিত ডিউরেটিক প্রপাটিজ এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রসঙ্গত, কনস্টিপেশনের প্রকোপ কমাতেও এই ঘরোয়া ঔষুধটি দারুন কাজে আসে কিন্তু!   ওজন কমায় একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত হিবিস্কাস টি খেলে শরীরে শর্করা এবং স্টার্চের শোষণ কমে যায়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ওজন কমতে শুরু করে। তবে এখানেই শেষ নয়, বেশ কয়েকজন গবেষক এ প্রসঙ্গে আলোচনা করতে গিয়ে আরেকটি বিষয়ের উপর আলোকপাত করেছেন। তাদের মতে জবা ফুলের চায়ে এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা শরীরে অ্যামিলেস নামক একটি উপাদানের উৎপাদন কমিয়ে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ওজন কমার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়। সূত্র : বোল্ডস্কাই। ডব্লিউএন  

স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় যেসব খাবার

আপনার যেকোনো রোগ হওয়ার আগেই সেই রোগের প্রতিরোধক গড়ে তুলতে হবে সঠিক সময়ে। প্রকৃতিতেই এমন কিছু খাবার রয়েছে যেগুলো আপনার ক্যান্সারসহ নানা রোগের মহৌষধ। জেনে নিন সেই খাবারগুলো সম্পর্কে। আর বেঁচে থাকুন স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি থেকে। ডালিম: স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে ডালিম বিশেষ সহায়ক। ডালিমে রয়েছে পলিফেনল নামক এলাজিক অ্যাসিড এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান। এটি ক্যান্সারের বৃদ্ধি প্রতিরোধে সাহায্য করে। স্বাস্থ্য উপকারিতার জন্য এই ফলটি প্রতিদিন খাবার তালিকায় যোগ করুন। তিসি: এটি স্তন ক্যান্সারের জন্য দায়ী ক্যান্সারের কোষের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। তিসিতে থাকা ওমেগা-থ্রি, লিগনান্স এবং আঁশ এই কোষের বিরুদ্ধে প্রতিনিয়ত সংগ্রাম করে। তিসির বীজ, আস্ত তিসি বা তিসির তেল খাবারে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। নাটস: ব্রাজিল নাটস-এ রয়েছে উচ্চমাত্রায় সেলেনিয়াম, আঁশ এবং ফাইটোকেমিক্যাল। এই বাদাম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে, প্রদাহ এবং টিউমারের বৃদ্ধি কমাতে সাহায্য করে। রোজ একমুঠো ‘ব্রাজিল নাট’ খেলে বড় ধরনের উপকার পাবেন। রসুন: ক্যান্সারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার উপাদান ‘অ্যালিয়াম’। এটি রসুনে উচ্চ মাত্রায় থাকে। রসুন ছাড়াও এই ধরনের অন্যান্য মসলা যেমন- পেঁয়াজ, পেঁয়াজজাতীয় গাছেও এই উপাদান থাকে। এগুলো টিউমারের বৃদ্ধি রোধ ও কোলোরেক্টাল ও প্রোস্টেট ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। প্রতিদিন সকালে একটি রসুন খেলে সারাজীবনের জন্য ক্যান্সার থেকে মুক্তি দিতে সাহায্য করে। সবুজ সবজি: গাড় সবুজ পাতার সবজি যেমন, পাতাকপি, পালংশাক ইত্যাদি স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধের ‘ওয়ান স্টপ শপ’ হিসেবে বিবেচিত। এছাড়া দেহের জন্য প্রয়োজনীয় আঁশ, ভিটামিন বি, ফাইটোকেমিকল, ক্লোরোফিল ইত্যাদি মিলবে এ সবজিতে। স্যামন মাছ: স্যামন মাছে রয়েছে ওমেগা-থ্রি এবং ভিটামিন বি-টুয়েল্ভ, ভিটামিন ডি। এটি শরীরের পুষ্টি সরবারহ করে এবং কোষের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। ব্রোকলির কচিপাতা: ব্রোকলিতে রয়েছে উচ্চ মাত্রায় সালফোরোফেন এবং ইন্ডোলেস উপাদান যা স্তন, মূত্রাশয়, লিম্ফোমা, প্রোস্টেট এবং ফুসফুস ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সারের কোষের বৃদ্ধিতে বাঁধা দেয়। গ্রিন টি: নিয়মিত গ্রিনটি খেলে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে। গ্রিন টি’র ফাইটোকেমিকল নামক উপাদান শরীর সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। মরিচ: যে কোন মরিচেই আছে ফাইটোকেমিকেল যা ক্যান্সারের বিরুদ্ধে কাজ করে। কাঁচামরিচ ক্লোরোফিলের ভালো উৎস যা অন্ত্রের ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। আর লালমরিচে থাকে ক্যাপসাইসিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যারোটেনোয়েডস। হলুদ: হলুদে থাকে কারকিউমিন যা ক্যান্সারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে সহায়ক। এটি স্তন, গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল, ফুসফুস এবং ত্বকের ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে। এক চিমটি হলুদ অনেক কঠিন ক্যান্সারের কোষের বিরুদ্ধেও কাজ করে।  সূত্র : বোল্ডস্কাই। আর/এআর

পা থেকে মাথা পর্যন্ত উপকারী কারি পাতা

বাঙালি রান্নাতে মাঝে মাঝে কারি দেখা গেলেও নানা গুণে ভরপুর কারি পাতা। খাবারের স্বাদ তো বাড়ায়ই, সেই সঙ্গে শরীরের উন্নতিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে কারি পাতা। বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, কারি পাতা এক কথায় মাথার চুল থেকে পায়ের নখ পর্যন্ত শরীরের প্রতি অঙ্গের কর্মক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এখানেই নয়, একাধিক মারণ রোগকে দূরে রেখে আয়ু বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে। তাই সুস্থ-সুন্দর জীবন যদি পেতে চান, তাহলে কারি পাতাকে নিত্য সঙ্গী বানান। অ্যানিমিয়া থেকে দূরে রাখে কারি পাতায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফলিক এসিড এবং আয়রন।  তাই এই প্রকৃতিক উপাদানটি শরীরে প্রবেশ করার পর লোহিত  রক্ত কনিকার মাত্রা এতটাই বাড়িয়ে দেয় যে অ্যানিমিয়ার মতো রোগ বেশিদিন মাথাচাড়া দেওয়ার সুযোগই পায় না। এক্ষেত্রে প্রতিদিন সকালে একটা খেজুরের সঙ্গে ২ টা কারি পাতা খেলেই উপকার মেলে। লিভারের কার্যক্ষমতা বাড়ায় প্রায় প্রতিদিনই কি অ্যালকোহল সেবন করেন? তাহলে তো নিয়মিত কারি পাতা খাওয়াও জরুরি। কারণ এই প্রাকৃতিক উপাদানটি অক্সিডেটিভ স্ট্রেস এবং ক্ষতিকর টক্সিনের হাত থেকে লিভারকে রক্ষা করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই শরীরের এই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গটির কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে লিভারের উপর অ্যালকোহলের কুপ্রভাবও পরে কম। এক কাপ কারি পাতার রসে এক চামচ ঘি, অল্প পরিমাণে চিনি এবং গোলমরিচ মিশিয়ে খেলে উপকার পাবেন। ডায়াবেটিসকে নিয়ন্ত্রণে কারি পাতা খাবারে দিয়ে প্রতিদিন কারি পাতা খেলে ইনসুলিনের কর্মক্ষমতা বাড়তে শুরু করে। ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা স্বাভাবিক লেভেলের উপরে যাওয়ার সুযোগ পায় না। এখানেই শেষ নয়, কারি পাতায় উপস্থিত ফাইবারও ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। হার্ট ভালো রাখে কারি পাতায় এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা রক্তে খারাপ কোলেস্টরলের মাত্রা কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আর একবার খারাপ কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে চলে এলে হার্টের ক্ষতি হওয়ার কোনো আশঙ্কাই থাকে না। সম্প্রতি জার্নাল অব চাইনিজ মেডিসিনে প্রকাশিত একটি গবেষণা পত্র অনুসারে, কারি পাতা শরীরে প্রবেশ করা মাত্র খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা তো কমেই, সেই সঙ্গে ভালো কোলেস্টরলের পরিমাণও বাড়তে শুরু করে। ফলে হার্টের কর্মক্ষমতার উন্নতি ঘটে। হজম ক্ষমতা বাড়ায় প্রাচীন আয়ুর্বেদিক পুঁথিতে উল্লেখ পাওয়া যায়, কারি পাতায় উপস্থিত ল্যাক্সেটিভ প্রপাটিজ শুধু যে হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটায়, তা নয়। সেই সঙ্গে শরীরে উপস্থিত টক্সিক উপাদনদেরও বের করে দেয়। ফলে নানাবিধ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অনেক কমে। তাই যারা প্রায়শয়ই বদ-হজমের সমস্যায় ভুগে থাকেন, তাদের কারি পাতাকে সঙ্গী বানানো মাস্ট! ত্বকের সংক্রমণ কমায় শুনে অবাক হচ্ছেন? কারি পাতায় উপস্থিত শক্তাশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ফাঙ্গাল প্রপাটিজ যে কোনো ধরনের স্কিন ইনফেকশন কামতে দারুন কাজে লাগে। সূত্র : বোল্ডস্কাই। ডব্লিউএন  

ডুরিয়ান ফলের দুর্গন্ধের রহস্য উদঘাটন

কাঁঠালের মত দেখতে ডুরিয়ান নামের দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই ফলটির তীব্র গন্ধের কারণে বহু দুর্নাম। অনেক মানুষ ডুরিয়ানের গন্ধ একবারেই সহ্য করতে পারেন না। ডুরিয়ানের কেন এই গন্ধ বা দুর্গন্ধ - সেই রহস্য উদঘাটন করেছেন সিঙ্গাপুরের একদল বিজ্ঞানী। যে জিনের কারণে এই গন্ধ - সেটি খুঁজে পেয়েছেন তারা। বিজ্ঞানীরা বলছেন, জিনগত পরিবর্তন ঘটিয়ে এখন হয়তো গন্ধ-বিহীন ডুরিয়ান ফলানো সম্ভব হবে।তবে এ সম্ভাবনায় অনেক ডুরিয়ান ভক্ত নাখোশ। রিচি লিয়াং নামে সিঙ্গাপুরের এক বাসিন্দা তার ফেসবুক পাতায় লিখেছেন, গন্ধ ছাড়া ডুরিয়ান হবে নেহাতই একটি খোলস, একজন মানুষ তার আত্মা খুইয়ে ফেললে তার যে অবস্থা দাঁড়াবে, ডুরিয়ান থেকে গন্ধ চলে গেলে ফলটির অবস্থা তেমন হবে। তিন বছর ধরে গবেষণা চালিয়ে একদল ক্যান্সার গবেষক এই ফলটির জিন ম্যাপ বের করে ফেলেছেন। স্বনামধন্য সাময়িকী নেচার জেনেটিক্সে তাদের গবেষণার ফলাফলটি প্রকাশিত হয়েছে। বিজ্ঞানী প্যাট্রিক ট্যান বলছেন, ফলটির জিনগত গঠনই এমন যে এর মধ্যে অতিরিক্ত সালফার তৈরি হতে থাকে। আর তীব্র গন্ধ সে কারণেই।তিনি বলেন, গন্ধের কারণে প্রকৃতিতে বংশ বিস্তারে সুবিধে হয় ডুরিয়ানের। বহু দুর থেকে গন্ধ পেয়ে বানর সহ জঙ্গলের অনেক জীবজন্তু এই ফলের প্রতি আকৃষ্ট হয়। ফলে তাদের মাধ্যমে সহজে বীজ ছড়ায়।গন্ধের কারণের পাশাপাশি, ডুরিয়ান ফলের জন্মের ইতিহাস আবিষ্কার করেছেন বিজ্ঞানীরা। ধারণা করা হয়, কোকো প্রজাতির এই গাছের জন্ম এখন থেকে ৬৫ মিলিয়ন বছর আগে। বিজ্ঞানী জাকারি টে মজা করে লিখেছেন, "সুতরাং আমরা যখন ডুরিয়ান খাই, তখন আসলে আমরা চকলেট খাই।" সূত্র:বিবিসি এম/এআর

হলুদ চায়ের ৫ গুণ

সময়ের যাচ্ছে এগিয়ে সামনের দিকে, সভ্যতার দিকে। পেছনে রয়ে যাচ্ছে অগ্রহণযোগ্য অনেক কিছু। তবু ইতিহাসের জীবাষ্মের উপরই বর্তমানের ইমারত দাঁড়িয়ে থাকে। তাই তো অতীতকে মুছে ফেললে বর্তমানের মূল্য যে কমে, সে কথা তাবৎ বিশ্ব মেনে নিয়েছে। সেই কারণেই তো এক সময়ে আয়ুর্বেদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া আধুনিক সমাজ ধীরে ধীরে ভরসা ফিরে পাচ্ছে হাজার বছরের পুরানো এই চিকিৎসা বিদ্যার উপরে। আর এই ভরসা যে নেহাতই নয়, তা আরেকবার প্রমাণ করুন হলুদ চা পান করে। আসুন জেনে নেই হলুদ চা’য়ের উপকারীতা সম্পর্কে। আর্থ্রাইটিসের কষ্ট কমে সকাল-বিকাল মিলিয়ে দু-কাপ হলুদ চা পান করলে শরীরে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটারি উপাদানের মাত্রা বাড়তে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই জয়েন্টের ব্যাথা এবং প্রদাহ কমতে শুরু করে। কারণ, হলুদে কার্কিউমিন নামে একটি উপাদানের সন্ধান পাওয়া যায়। এই উপাদানটি যে কোনো ধরনের যন্ত্রণা কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। স্মৃতিশক্তির উন্নতি হলুদে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা রক্তে উপস্থিত ক্ষতিকর উপাদানদের শরীরে থেকে বার করে দেয়। ফলে ব্রেন সেল ড্যামেজের আশঙ্কা কমে। অন্যদিকে কার্কিউমিন মস্তিষ্কের বিশেষ কিছু অংশের ক্ষমতা এতটা বাড়িয়ে দেয় যে স্মৃতিশক্তি লোপ পাওয়ার আশঙ্কা কমে। সেই সঙ্গে বুদ্ধির জোরও বাড়তে থাকে। ক্যান্সার দূরে রাখে ন্যাশনাল ক্যান্সার ইনস্টিটিউটের প্রকাশ করা রিপোর্ট অনুসারে হলুদে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি প্রোপাটিজ, শরীরে যাতে ক্যান্সার সেল জন্ম নিতে না পারে সেদিকে খেয়াল করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ক্যান্সার রোগ ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় একাধিক পুষ্টিকর উপাদানে সমৃদ্ধ হলুদ দিয়ে বানানো চা খেলে শরীরের বেশ কিছু পরিবর্তন হতে থাকে, যার প্রভাবে ধীরে ধীরে রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা বাড়তে শুরু করে। ফলে রোগমুক্ত জীবন পাওয়ার স্বপ্ন একেবারে হাতের মুঠোয় চলে আসে। খারাপ কোলেস্টরলের মাত্রা কমায় বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে হলুদে উপস্থিত কার্কিউমিন রক্তে জমতে থাকা এল ডি এল বা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। ফলে স্বাভাবিভাবেই হার্টের কোনো ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা কমে যায়। আসলে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা যত কমতে শুরু করে, তত হার্টের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনাও কমে। সেই সঙ্গে হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের সম্ভাবনাও কমে। কীভাবে বানাবেন হলুদ চা- ১. ৩-৪ কাপ পানি ফুটিয়ে নিন প্রথমে। ২. পানি  ‍ফুটতে শুরু করলে তাতে ২ চামচ হলুদ গুঁড়ো মেশান। ৩. হলুদ মেশানোর পর কম করে ৫-১০ মিনিট পানি নারাতে থাকুন। ৪. পানি নামিয়ে ছেঁকে নিন। ৫. এবার অল্প করে মধু, লেবুর রস এবং দুধ মিশিয়ে নিন। ৬. আপনার হলুদ চা তৈরি। এবার গরম গরম পান করুন। সূত্র : বোল্ডস্কাই। ডব্লিউএন

রাতে দেরিতে খেলে দেখা দেয় যেসব স্বাস্থ্যঝুঁকি

সময়ের সঙ্গে আমাদের লাইফস্টাইল যেমন পাল্টে যাচ্ছে, তেমনি বদলে যাচ্ছে নতুন প্রজন্মের খাদ্যাভ্যাসও। ঘুম থেকে উঠে ক্যারিয়ারের পিছনে ছুটতে যেয়ে খাওয়ার রুটিনটাই এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু আপনার এই খাদ্যভাস শরীর তো আর শুনবে না। নিয়ম পাল্টালেই শরীরে পড়ে এর প্রভাব পড়ে। তাই শরীর ঠিক রাখতে যথা সময়ে পরিমাণমতো খাওয়া আর পর্যাপ্ত ঘুম অত্যন্ত জরুরি। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেশি রাতে খেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ঘুমিয়ে পড়লে খাবার ঠিক মতো হজম হয় না। এর ফলে অম্বল, বুক জ্বালা, অস্বস্তিকর ভাব দেখা যায়। বদহজমের কারণে আপনার আরামের ঘুম বারবার ভেঙেও যেতে পারে। আপনার শরীরে বাসা বাঁধতে পারে ইনসমনিয়ার মতো রোগ। বেড়ে যায় স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাক, ক্রনিক অম্বল, গ্যাসের সমস্যা। বাড়বে রক্তচাপ। বাড়বে ওজন ও স্ট্রেস হরমোনের পরিমাণও। গবেষণায় বলা হয়, রাত জেগে খাওয়ার ফলে পরদিন সকালে ক্ষুধা থাকে না। এর ফলে বাদ পড়ে যায় ব্রেকফাস্ট। একে বলে মর্নিং অ্যানোরেক্সিয়া। মনে রাখবেন, আপনার সারাদিনের খাওয়ার মধ্যে নাশতাটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এর ফলে রাতে জাঙ্ক খাবার, মিষ্টি বা নোনতা খাবার বা উচ্চ ক্যালরিযুক্ত খাবার খাওয়ার প্রবণতা বেড়ে যায়। ধীরে ধীরে শরীরে ফ্যাট জমা হয়। দেখা দিতে পারে ওবেসিটির সমস্যা। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই গবেষণায় ওঠে এসেছে, বেশি রাতে খেয়ে ঘুমানোর ফলে ব্লাড প্রেশার বেড়ে যায়। সবচেয়ে ভাল রাত ১০টার মধ্যে খেতে হবে। মনে রাখবেন, খেয়েই ঘুমানো যাবে না। খাওয়ার অন্তত ২ ঘণ্টা পর ঘুমোতে হবে। তাছাড়া বেশি রাতে ডিনার করলে স্মৃতিশক্তির ওপর প্রভাব পড়ে, ভবিষ্যতে হতে পারে অ্যালঝাইমার্সের মতো রোগ। গবেষকদের মতে, ভরাপেটে খাবার না খেয়ে একটু সালাড, অল্প একটু গরম দুধ খেতে পারেন। সবচেয়ে ভাল শাক-সবজি খাওয়া। রেড মিট, ভাজা, সোডা, ক্যান্ডি এড়িয়ে যাওয়ায় ভাল। রাতের খাবার আর ঘুমাতে যাওয়ার মধ্যে ২ ঘণ্টার ব্যবধান রাখতেই হবে। পাশাপাশি নাশতা, দুপুরের খাবার ও রাতের খাবারের মধ্যে সঠিক ব্যালান্স করতে হবে। সূত্র: জিনিউজ।   /আর/এআর  

ধূমপান ছাড়ুন প্রাকৃতিক উপায়ে

ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এটা আমরা সবাই জানি। কিন্তু ধূমপান ছাড়তে পারিনা। প্যাকেটে লেখা সতর্কবানী উপেক্ষা করে নিজের বিপদ ডেকে আনি নিজেরাই। বড় ধরনের বিপদে পড়লে সিগারেট ছাড়ার সংকল্প করি। কেউ কেউ নিজেকে তা থেকে রক্ষা করতে পারলেও বড় একটি অংশ এ নেশা থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারে না। তবে সাধারণ এবং প্রাকৃতিক উপায়ে এই ধূমপান থেকে রেহাই পাওয়া যেতে পারে। যদি আপনি অতিরিক্ত ধূমপান করেন, তাহলে শরীরে জমা বিষাক্ত পদার্থগুলোকে পরিষ্কার করা অবশ্যই প্রয়োজন। তাই, বিশেষজ্ঞরা কিছু স্বাভাবিক এবং সহজ উপায়ের কথা জানাচ্ছেন। এতে সহজেই নিষ্কৃতি পাওয়া যাবে বলেই মনে করছেন তারা। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, প্রচুর পরিমাণ ঠাণ্ডা পানি পান করার। তবে খুব ঠাণ্ডা পানি বা ফ্রিজে রাখা পানি খাওয়া থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। আর এই পানীয় যদি তামার পাত্রে সংরক্ষণ করা যায় তাহলে শরীর থেকে ধূমপানের ফলে যা জমেছে সেগুলো পরিষ্কার হয়ে যাবে। এছাড়াও অশ্বগন্ধা, ত্রিফলা এবং সুদর্শণচূর্ণ আমাদের শরীরে জমে থাকা দূষিত উপাদানগুলোকে ক্ষয় করতে সাহায্য করে। তবে এইগুলো সেবন করার আগে ডাক্তারের পারমর্শ নিয়ে ব্যবহার করা ভাল। ব্যবহার করা যাতে পারে হার্বাল সিগারেট  প্রথম প্রথম ধূমপান ছেড়ে দিতে ভীষণ কষ্ট হতে পারে। তাই চিকিৎসকদের পরামর্শ, এই সময় সব থেকে ভালো উপায় হল সাধারণ সিগারেটের বদলে হার্বাল সিগারেট ব্যবহার করা। এই হার্বাল সিগারেটে সাধারণত হলুদ, তুলসি, লবঙ্গ, দারুচিনি এবং এলাচ দিয়েই তৈরি হয়ে থাকে। ধূমপান থেকে নিজেকে একটু দূরে রাখতে চাইলে, নিকোটিন যুক্ত সিগারেটের বদলে এই হার্বাল সিগারেট ব্যবহার করাকেই সবথেকে ভালো উপায় বলে পরামর্শ দেন আয়ুর্বেদিক ডাক্তাররা। মাঝে মাঝে আয়ুর্বেদিক বিশেষজ্ঞরা আরও একটি পরামর্শ দিয়ে থাকেন৷ তাঁরা বলছেন আদা, হলুদ এবং আমলা গুঁড়ো করে মিশ্রণ বানিয়ে মুখের মধ্যে কিছুক্ষণ রেখে খাওয়া যেতে পারে। এই মিশ্রণ রোজ বা সপ্তাহে কয়েকদিন খেলে সিগারেটের প্রতি আকর্ষণ একেবারেই চলে যাবে বলে দাবি করেন আয়ুর্বেদিক বিশেষজ্ঞরা। খাবার তালিকার পরিবর্তন ধূমপান হঠাৎ করে ছেড়ে দেওয়ার পর পরই খাবার খেতে গেলেই অনেকের মুখে একরকমের তেঁতো স্বাদ লাগে। তাই এই সময় কিছুদিন নিরামিষ খাবার  খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। অ্যালকালিন জাতীয় খাবার যেমন শাক-সবজি, ফল, শুকনো বাদাম, ইত্যাদি খাওয়ার চেষ্টা করতে হবে। পাঁউরুটি, দুধ থেকে তৈরি খাবার, চা, কফিকে  একটু এড়িয়ে চলার চেষ্টা করতে বলেছেন চিকিৎসকরা। সপ্তাহ খানেক এইরকম খাবার খেলেই  মুখে আবার স্বাভাবিক স্বাদ ফিরে পাবেন। সূত্র:কলকাতা টুয়েন্টিফোর এম/ডব্লিউএন  

© ২০১৭ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি