ঢাকা, শুক্রবার, ২০ এপ্রিল, ২০১৮ ১৬:৩৩:১০

রক্তচাপ কমাতে থাকুক ৫ ফল

রক্তচাপ কমাতে থাকুক ৫ ফল

উচ্চ রক্তচাপ শরীরের জন্য খুবই ক্ষতিকর। বিশেষজ্ঞদের মতে, দৈনন্দিন জীবনযাত্রা ও খাদ্যাভাস এর জন্য অধিকাংশই দায়ী। তবে, পুষ্টিবিদরা জানিয়েছেন, এমন কিছু ফল আছে যেগুলো রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে ব্যপক সাহায্য করে। এই ফলগুলো যদি প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখায় যায় তাহলে উচ্চ রক্তচাপ কমানো সম্ভব। এছাড়া পুষ্টিবিজ্ঞানীরা দাবি করে জানিয়েছেন, পটাশিয়াম এবং ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল খেতে পারলে উচ্চ রক্তচাপ কমবে। রক্তচাপ কমাতে এমনিই ৫ ফলের কথা জানিয়ে দেওয়া হলো- কলা কলা একটি সহজলভ্য ফল। এটি সারা বছরই পাওয়া যায়। কলাতে সোডিয়াম কম থাকে কিন্তু পটাশিয়াম বেশি থাকে। যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। কলা দিয়ে আপনি বিভিন্ন আইটেম করেও খেতে পারেন। বেদানা বেদানার মধ্যে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকায় ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। রক্ত চলাচল ভালো হয়। এছাড়া প্রচুর পরিমাণে অ্যামাইনো অ্যাসিড, ভিটামিন সি, পটাশিয়াম থাকে। বেদানার জুস করে ছোট-বড় সবাই খেতে পারেন। তরমুজ গ্রীষ্মকালের ফল হিসেবে তরমুজ অন্যতম। তরমুজের মধ্যে প্রচুর ফাইবার, পটাশিয়াম, ভিটামিন এ, অ্যামাইনো অ্যাসিড থাকে। যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ রাখতে যেমন সাহায্য করে তেমনি হার্ট ভালো রাখতেও সাহায্য করে। বিট বিট রক্ত থেকে টক্সিন উপাদান বের করতে বিশেষ সাহায্য করে। এছাড়া উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিটের ভূমিকা রয়েছে। কমলালেবু কমলালেবুতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, ফাইবার ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে। যা স্ট্রেস ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভালো কাজ করে। এছাড়াও ত্বক ভালো রাখতেও সাহায্য করে। এটি জুস বা স্যালাড করেও খেতে পারেন। তথ্যসূত্র : এই সময়। কেএনইউ/এসএইচ/      
গরমে থাকুক লিচুর শরবত

তীব্র গরমে গলা শুকিয়ে গেছে। আর এ সময় যদি গলায় ঠাণ্ডা কিছু পড়ে তাহলে পুরো শরীরে যেন স্বস্তি ফিরে আসবে। আর ঠাণ্ডা কিছু মানেই শরবত। সেই শরবত যদি লিচুর হয় তবে মন্দ নয়। গ্রীষ্মের অন্যতম রসালো ফল হচ্ছে লিচু। এই লিচুতে রয়েছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট যা আমাদের হার্টকে সুস্থ রাখে। সুতরাং গরমে ভালো থাকতে এবং ছোট বাচ্চাদের জন্য লিচুর শরবত করে খেতে পারেন। তাহলে চলুন এর রেসিপি জেনে নেই- উপকরণ : ১) ১০ থেকে ১৫টি লিচু। ২) এক কাপ দুধ। ৩) চিনি ও লবণ স্বাদমতো। ৪) এক চামচ লেবুর রস। ৫) একটি কাঁচা মরিচ (যদি হালকা ঝাল খেতে চান)। ৬) পানি। প্রণলি : প্রথমে লিচুগুলোর খোসা ও বীজ ছাড়িয়ে নিন। এখন একটি প্যানে চিনি ও পানি দিয়ে লিচুগুলো হালকা সেদ্ধ করে নিন। সেদ্ধ করতে না চাইলে নাও করতে পারেন। এরপর লেবুর রস, একটি কাঁচা মরিচ, দুধ ব্লেন্ডারে দিয়ে লিচুগুলো ঢেলে দিন। এবার সামান্য পানি দিয়ে ভালোভাবে ব্লেন্ডার করে নিন। ব্লেন্ডার হয়ে গেলে ফ্রিজে ঠাণ্ডা করার জন্য কিছক্ষণ রাখুন। ঠাণ্ডা হয়ে গেলে ফ্রিজ থেকে বের করে নিজেও খান এবং অন্যকেও পরিবশেন করুন। কেএনইউ/  

সবুজ চা পানে ৩ উপকারিতা  

বর্তমান সময়ে চা পান করাটা আমাদের জীবনে অন্যতম অধ্যায় হয়ে দাড়িয়েছে। জীবনের কর্ম ব্যস্ততায় এক কাপ চা যেন প্রশান্তি এনে দেয়। তবে বিভিন্ন চায়ের মধ্যে সবুজ চা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারি। প্রতিদিন নিয়ম করে ৩ বার সবুজ চা বা গ্রিন টি পান করতে পারেন। এই চা পান আপনার ওজন নিয়ন্ত্রণ, স্কীনের সমস্যা ও শরীরে জমে থাকা ক্ষতিকর পদার্থ দূর করতে সাহায্য করবে। আমাদের এবারের আয়োজনে সবুজ চায়ের ৩ টি উপকারিতা তুলে ধরা হলো।   ১) রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি       সবুজ চা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। এটি একাধারে স্কিন, ফুসফুস, লিভার সুরক্ষিত রাখে।সবুজ চাতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আর মিনারেল শরীরকে সতেজ ও সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।      ২) ওজন নিয়ন্ত্রণে  সবুজ চা ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। এটি শরীরে জমে থাকা অতিরিক্ত মেদ দূর করতে সাহয্য করে। সবুজ চাতে পলিফেনল নামে এক ধরনের উপাদান আছে যা ওজন কমাতে সাহায্য করে। ৩)ত্বকের সমস্যা দূর করে সবুজ চা শরীর থেকে বিষাক্ত উপাদান দূর করতে সাহায্য করে। এটি ত্বকের সমস্যা যেমন ব্রন, প্যাচি স্কিন, ত্বক ফেটে যাওয়ার মত বিভিন্ন সমস্যা দূর করে।  বি.দ্র. অতিরিক্ত সবুজ চা পানে বিভিন্ন সমস্যা হতে পারে। এর মধ্যে পেটে সমস্যা, ডায়ারিয়া এবং অন্যান্য সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই দৈনিক নিয়ম মেনে সবুজ চা পান করুন সুস্থ থাকুন।   সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া এমএইচ/এসি        

মাশরুমের পিৎজা রেসিপি

মাশরুম এখন একটি পরিচিত খাবার। অন্যান্য সবজির মতো মাশরুমেও প্রচুন প্রোটিন রয়েছে। মাশরুম এমন একটি খাবার যা স্তন ক্যান্সার, উচ্চ কোলেস্টেরল, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস এবং মেদ প্রতিরোধে সাহায্য করে। মাশরুম সালাদ বা স্যুপ করে কিংবা সবজিতে দিয়ে খাওয়া হয়। তবে আজ আমরা মাশরুমের একটি ভিন্ন রেসিপি জানব। মাশরুমের পিৎজা, এটি বাড়িতে বসেই বানিয়ে ফেলতে পারেন। তার আগে এর রেসিপিটি জেনে নিন- উপকরণ : ১) ময়দা, চিনি (পিৎজার বেস তৈরি করতে লাগবে)। ২) মাশরুম টুকরো করে কাটা একবাটি। ৩) লাল ও হলুদ ক্যাপসিকাম লম্বা করে কাটা চার চামচ। ৪) পিঁয়াজ কোচানো দেড় বাটি। ৫) টমেটো সস এক বাটি এবং কুচি করা এক বাটি। ৬) মোজ্জারেলা চিজ কোচানো চার চামচ (পিৎজা বানাতে এই উপকরণের প্রয়োজন হয়)। ৭) সরষে গুঁড়ো ও গোলমরিচ গুঁড়ো এক চামচ। ৮) কাঁচামরিচ কুচি এক চামচ। ৯) অরিগ্যানো অথবা সয়াবিন তেল। ১০) পার্সলে পাতা অথবা ধনে পাতা কোচানো এক চামচ। ১১) লবণ স্বাদমতো। প্রণালি : প্রথমে পিৎজার বেস বানিয়ে নিতে হবে। আপনি ইচ্ছা করলে এটি বাজার থেকে কিনে আনতে পারেন। তবে বাসায় বানিয়ে নেওয়াই ভালো। ময়দা, চিনি, লবণ, তেল ও খামির (এটি রুটি বা বেসকে খুব নরম করে) একসঙ্গে মিশিয়ে পানি দিয়ে গুলিয়ে নিতে হবে। এরপর রুটির আকৃতি করে বেলে নিতে হবে। বেলে নেওয়া হলে ওভেনে কিংবা চুলায় হালকা সেকে নিন। এভাবে পিৎজার বেস তৈরি হয়ে গেলে একটি ট্রেতে রেখে সুন্দরভাবে বসিয়ে নিন। এই বেসের উপর টমেটো সস পুরোপুরিভাবে লাগিয়ে নিন। খেয়ল রাখবেন যাতে পুরো বেসে লেগে যায়। তার উপর ছড়িয়ে দিন টুকরো করে রাখা মাশরুম। মাশরুমের উপর দিয়ে দিন কোচানো টমেটো। পিঁয়াজের উপর ছড়িয়ে দিন লাল ও হলুদ ক্যাপসিকাম। উপর থেকে দিয়ে দিন কোচানো পার্সলে পাতা (এই পাতা খুঁজে না পেলে ধনে পাতা কুচি দিতে পারেন), গোলমরিচ গুঁড়ো, অরিগ্যানো তেল, লবণ স্বাদমতো, সরষে গুঁড়ো ও কোচানো মোজ্জারেলা চিজ। সব উপকরণ দেওয়া হয়ে গেলে ওভেনে ১৮০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডে দশ মিনিট বেক করুন। দশ মিনিট পর ওভেন থেকে বের করুন। ব্যচ তৈরি হয়ে গেল মাশরুম পিৎজ়া। এবার বন্ধুদের সামনে পরিবেশন করুন। তথ্যসূত্র : ইনাডু ইন্ডিয়া। কেএনইউ/ এআর

মাছের সঙ্গে রাখতে পারেন ভর্তা

বৈশাখ উপলক্ষে বাঙালিরা পান্তা-ইলিশ খাবারের আয়োজন রাখে। এর পাশাপাশি মুখোরোচক কয়েক পদের ভর্তাও রাখে তালিকায়। কেউ পান্তা ভাতের সঙ্গে খেতে ভালোবাসে, কেউ আবার গরম ভাতের সঙ্গে খেয়ে থাকেন।  বৈশাখের দিনে রাখতে পারেন স্পেশাল চার পদের ভর্তা। এই চার পদের ভর্তার রেসিপি একুশে টিভি অনলাইনে দেওয়া হলো-    পটলের খোসা দিয়ে চিংড়ি ভর্তা উপকরণ : পটলের খোসা এক কাপ, মাঝারি সাইজের চিংড়ি মাছ কয়েকটি, পেঁয়াজ কুচি, রসুন কুচি, আদা কুচি, হলুদ গুঁড়া, শুকনা মরিচ অথবা কাঁচা মরিচ (ঝালমতো), লবণ পরিমাণ মতো, সরিষার তেল। প্রণালি : প্রথমে পটল থেকে খোসা ছাড়িয়ে ধুয়ে নিতে হবে। এখন খোসাগুলোতে হলুদ গুঁড়া ও লবণ মাখিয়ে সামান্য পানি দিয়ে সেদ্ধ করে নিতে হবে। সেদ্ধ হয়ে গেলে এবার একটি কড়াইতে সরিষার তেল দিয়ে সেদ্ধ হওয়া খোসা এবং চিংড়ি ভেজে নিতে হবে। ভাজা হলে একই তেলে পেঁয়াজ কুচি, রসুন কুচি, আদা কুচি, শুকনা মরিচ ভেজে নিন। এবার একযোগে পাটায় বেটে নিন। বাটার সময় পরিমাণ মতো লবণ ও সামান্য পানি দিয়ে নিন। বাটা হয়ে গেলে আরও একটু সরিষার তেল দিয়ে হাতে মেখে নিন। এটি ব্লেন্ডারেও করে নিতে পারেন। টাকি মাছের ভর্তা : উপকরণ : টাকি মাছ চারটা, পেঁয়াজ কুচি এক কাপ, কাঁচা মরিচ চারটা, শুকনা মরিচ দুইটা, হলুদ গুড়া এক চিমটি, শুকনা মরিচের গুঁড়া, সরিষা বাটা দুই চামচ, রসুন কুচি দুই কোয়া, লবণ পরিমাণ মতো, সরিষার তেল ও ধনেপাতা কুচি। প্রণালী : টাকি মাছ কেটে পরিষ্কার করে হলুদ, শুকনা মরিচের গুঁড়া ও লবণ দিয়ে মাখিয়ে নিন। এবার সরিষার তেলে মাখানো মাছগুলো ভেজে নিন। ভাজা হয়ে গেলে মাছ নামিয়ে একই তেলে পিঁয়াজ, রসুন কোয়া, শুকনা মরিচ, কাঁচা মরিচ ভেজে নিন। ধনে পাতাও তেলে ভেজে নিতে পারেন। এখন ভেজে নেওয়া মাছগুলো থেকে কাটা বেছে নিন। এবার সরিষা বাটা ও ধনে পাতাসহ সব উপকরণ একযোগে মিশিয়ে পাটায় বেটে নিন কিংবা ব্লেন্ডারেও করে নিতে পারেন। বাদাম ভর্তা : উপকরণ : ২০০ গ্রাম বাদাম, পিঁয়াজ একটি, রসুনের কোয়া চার থেকে পাঁচটি, কাঁচা মরিচ চার থেকে পাঁচটি, শুকনা মরিচ দুইটি, লবণ পরিমাণ মতো, ধনে পাতা কুচি ও সরিষার তেল। প্রণালি : প্রথমে একটি তাওয়ায় তেল দিয়ে বাদামগুলো অল্প আঁচে ভেজে নিন। এরপর সেগুলো নামিয়ে পিঁয়াজ কুচি, রসুনের কোয়া, কাঁচা মরিচ, শুকনা মরিচ ভেজে নিতে হবে। ধনে পাতা কুচিও ভেজে নিন। এতে স্বাদ হবে ভালো হয়। পরে সবগুলো নামিয়ে বাদামসহ লবণ পরিমাণ মতো দিয়ে একসঙ্গে পাটায় বাটুন। তবে বেটে নেওয়ার আগে অল্প পরিমাণ পানি দিতে হবে। বাটা শেষ হলে একটি বাটিতে তুলে সেখানে সরিষার তেল দিয়ে মিশিয়ে নিন। ব্যস তৈরি হয়ে গেল বাদাম ভর্তা। বাদাম ভর্তায় যত ঝাল দেওয়া যাবে ততবেশি স্বাদ হবে। চ্যাপা শুটকির ভর্তা : উপকরণ : চ্যাপা শুটকি ২০০ গ্রাম, পিঁয়াজ কুচি, রসুনের কোয়া তিনটি, শুকনা মরিচ ঝাল মতো, লবণ স্বাদ মতো, ধনে পাতা, সরিষার তেল। প্রণালি : প্রথমে তাওয়ায় শুটকিগুলো ভেজে নিতে হবে। তাওয়া থেকে নামিয়ে শুটকির কাটা বেছে নিতে হবে। এরপর প্যানে তেল দিয়ে পিঁয়াজ, রসুন, শুকনা মরিচ ভেজে নিতে হবে। তবে ভাজা যেন হালকা হয়। শেষে ধনে পাতাটাও অল্প আঁচে ভেজে নিন। এতে স্বাদ হবে ভালো। এবার পাটায় শুটকিসহ সব উপকরণ একসঙ্গে দিয়ে বেটে নিন। বাটা হয়ে গেলে অন্য একটি পাত্রে তুলুন। এর ওপরে সরিষার তেল দিয়ে হাতে হাতে মাখিয়ে নিন। ব্যাচ হয়ে গেল বৈশাখ উপলক্ষে চ্যাপা শুটকির ভর্তা। তবে শুটকি ভর্তার জন্য লইট্যা শুটকি ভালো না। কেএনইউ/ এসএইচ/        

পেশী বানাতে ডায়েটে যা রাখবেন

শরীরে সঠিক পুষ্টির জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় উপাদান প্রোটিন। যারা ফিটনেস রুটিন মেনে চলেও পেশী গঠন করতে চান তাদের ডায়েটে প্রচুর পরিমাণ প্রোটিন রাখার পরামর্শ দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞরা। সাপ্লিমেন্ট নয়, প্রোটিনের ঘাটতি পূরণ করতে চাইলে ডায়েটে কী কী রাখবেন দেখে নিন- সবুজ শাক: সবজির মধ্যে প্রচুর পরিমাণ প্রোটিনজাত উপাদান থাকে। প্রতিদিনের ডায়েটে অন্তত এক কাপ পরিমাণ সবুজ শাক খেলে ৩ গ্রাম থেকে ৩ দশমিক ৩ গ্রাম পর্যন্ত প্রোটিনের ঘাটতি পূরণ হয়। তাছাড়া সবুজ শাকপাতায় রয়েছে ভরপুর ভিটামিন ও মিনারেলস যা শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি গড়ে তোলে। ব্রোকোলি: ব্রোকোলিতে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। দু’কাপ পরিমাণ ব্রোকোলিতে প্রোটিনজাত উপাদান রয়েছে ৫ গ্রাম। তা ছাড়া ব্রোকোলিতে রয়েছে ফোলেট, ম্যাঙ্গানীজ, পটাসিয়াম, ফসফরাস, ভিটামিন সি ও ভিটামিন কে। এতে ক্যালোরির পরিমাণও খুব কম। এক কাপ ব্রোকোলির ক্যালোরি কাউন্ট মাত্র ৩১। ব্রাসেল স্প্রাউট বা ছোট বাঁধাকপি: পেশী বানাতে প্রোটিন, ফাইবার ও ভিটামিন সমৃদ্ধ এই সবজি রাখুন আপনার খাদ্যতালিকায়। এক কাপ ব্রাসেলে রয়েছে ৩ গ্রাম প্রোটিন এবং ৩ দশমিক ৩ গ্রাম ফাইবার। তাছাড়া ফোলেট, ম্যাগনেসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, পটাসিয়াম, আয়রন, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন এ, সি, কে ও বি৬ রয়েছে পুরোমাত্রায়। ফুলকপি: ব্রোকোলির মতোই ফুলকপিতেও রয়েছে ভরপুর প্রোটিন। এক কাপ ফুলকপিতে (১০০ গ্রাম) রয়েছে ২ গ্রাম প্রোটিন ও ২৫ ক্যালোরি। তাছাড়া ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও আয়রনের ঘাটতি পূরণেও ফুলকপি রাখুন প্রতিদিনের ডায়েটে। বাদাম: যাঁরা নিয়মিত শরীরচর্চা করেন তাঁদের জন্য বাদাম খুবই উপকারী। চিনাবাদাম, আমন্ড এবং পেস্তায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণ প্রোটিন। ক্যালোরি কাউন্টও অনেক বেশি। বিনস: বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, প্রাণিজ প্রোটিনের বিকল্প হিসেবে ডায়েটে রাখুন বিনস। ১০০ গ্রাম বিনসে রয়েছে প্রায় ১৫ গ্রাম প্রোটিনজাত উপাদান। পাশাপাশি, রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ফাইবার যা শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি গড়ে তোলে। মাশরুম: প্রোটিল ডায়েট করতে চাইলে অবশ্যই তালিকায় রাখুন মাশরুম। এতে প্রচুর পরিমাণে রয়েছে প্রোটিন এবং ভিটামিন ডি। এছাড়া মাশরুমে রয়েছে ভরপুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। পেশী শক্তি বাড়াতে মাশরুম খুবই উপকারী। সূত্র : বোল্ডস্কাই আর / এআর

গরমের শান্তিতে ৩ শরবত   

গরমে তীব্র দাবদাহে ক্লান্ত শরীর, ঠিক তখনই এক গ্লাস শরবত হলে প্রাণটা জুড়িয়ে যায়। দই ও আমের শরবত, তরমুজের শরবত, বেলের শরবত এ ক্ষেত্রে অনেক বেশি কার্যকর। শরবতের নানা গুণাগুণ। এর মধ্যে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, স্নায়ু ও মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়ায়, ফুসফুস পরিষ্কার করে হাঁপানি সমস্যার উপশম করে,শরীর থেকে অপ্রয়োজনীয় ও ক্ষতিকারক পদার্থ বের করতে সাহায্য করে। এছাড়াও  লিভার সুরক্ষাসহ ত্বক দাগ মুক্ত রাখতে শরবত অত্যন্ত উপকারী। কিভাবে এ শরবত তৈরি করবেন তা উল্লেখ করা হলো। ১) দই ও আমের শরবত    উপকরণ কাঁচা বা পাকা আম ৪ টি, টক দই ১৫০ গ্রাম, কাঁচা মরিচ ৮-১০টা, গোল মরিচ গুঁড়ো ১ টেবিল চামচ, ধনেপাতা, চিনি, বিট লবন, বরফ কুচি।   প্রস্তুত প্রণালী আমের আঁটি ছাড়িয়ে এর সঙ্গে দই, ধনেপাতা, বরফ কুচি পরিমাণমত চিনি ও বিট লবণ মিশিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। এতেই তৈরি হয়ে যাবে আপনার শরবত।  ২) তরমুজের শরবত উপকরণ তরমুজ ২০০ গ্রাম, আদা ৫ গ্রাম, লেবুর রস ৫ মিলিগ্রাম, লবণ- চিনি স্বাদ অনুযায়ী, পানি ১০০ মিলিগ্রাম। প্রস্তুত প্রণালী তরমুজ কেটে খোসা ফেলে টুকরো করে নিন। তারপর তরমুজের বীজ বের করে নিন। তারপর এক সাথে সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে পানি দিয়ে বালো করে ব্লেন্ড করুন। ৩০ মিনিট ফ্রিজে রেখে এবার পরিবেশন করুন। উপরে বরফও দিতে পারেন চাহিদা মতো৷ ৩) বেলের শরবত উপকরণ বেল ১টা, দুধ হাফ কাপ, পানি ৪ কাপ, চিনি পরিমাণ মতো, বরফ কুচি। প্রস্তুত প্রণালী আগের দিন অথবা ১২ ঘন্টা আগে অল্প পানিতে বেল ভিজিয়ে রাখতে হবে। আঠা ও বীজ ফেলে ভালভাবে চটকে ছেঁকে নিতে হবে। এরপর বেলের রসের সাথে পানি মিশিয়ে তাতে চিনি ও দুধ মেশান। প্রয়োজন মতো বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন। এমএইচ/এসি   

ছানার মিষ্টি তৈরি করবেন যেভাবে

মিষ্টির কথা শুনলে অনেকের জিবেই জল এসে যায়। কম বেশি সবাই মিষ্টি খেতে পছন্দ করে। কিন্তু বিভিন্ন প্রকার মিষ্টির মধ্যে ছানার মিষ্টি বেশ জনপ্রিয় এবং খেতেও সুস্বাদু। আপনি চাইলে নিজের বাড়িতে এ মিষ্টি তৈরি করতে পারেন। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক কিভাবে সহজে এ মিষ্টি তৈরি করবতে পারেন। উপকরণ সমূহ ছানা-১ কাপ খিরশা-অর্ধেক কাপ ঘি-চার ভাগের এক কাপ(কিছু ব্রাশ করার জন্য) পানি জড়ানো টক দই-হাফ কাপ খিরশা তৈরি করবেন যেভাবে এক কেজি দুধকে ঘন করে দ্বাল করতে হবে (পুডিং পুর মত)। তার সাথে ৩ থেকে ৪ টেবিল চামচ গুড়া দুধ মিলাতে হবে। প্রস্তুত প্রাণালি ব্রাশ করার জন্য সামান্য ঘি রেখে বাকি সব উপকরণ এক সাথে ভালোভাবে মেখে নন স্টিক প্যানে আস্তে আস্তে দ্বাল করতে হবে। যতক্ষণ না প্যান থেকে ছেড়ে আসে ততক্ষণ নাড়াতে হবে। তার পর ঘি ব্রাশ করা পাত্রে ঢেলে ছড়িয়ে দিয়ে কেটে তৈরি করতে হবে ছানার মিষ্টি বা কালকান্ড।   এমএইচ/টিকে

গরমে সুস্থ থাকতে খাবেন পাকা আম  

গবেষকরা গবেষণা করে দেখেছেন, গরমে সুস্থ থাকতে চাইলে নিয়মিত পাকা আম খাওয়া প্রয়োজন। পাকা আম শরীরের খারাপ কোলেস্টরলের মাত্রা কমতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কাও অনেকটা কমে যায়।        উল্লেখ্য যে, আমাদের দেশে যেভাবে হার্টের রোগীর সংখ্যা বাড়ছে, তাতে এই গবেষণাটি অনেকটাই আশার আলো দেখাবে তাতে কোনও সন্দেহ নেই। এছাড়া ক্যান্সার রোগকে প্রতিরোধ করার পাশাপাশি একাধিক মারণ রোগকে দূরে রাখতেও আমের কোনও বিকল্প হয় না।   তাই এই গরমে নিয়মিত আম খেতে ভুলবেন না যেন! চিকিৎসকদের মতে, আমের শরীরে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং আরও বেশ কিছু কার্যকরি উপাদান শরীরের নানা কাজে লেগে থাকে।   ১) হজমে সাহায্য করে : আমের ভিতরে বিশেষ এক ধরনের এনজাইম উপস্থিত রয়েছে, যা খাবার হজম করতে ভালো কাজ করে। তাই এই ফলটি খেলে হজমের সমস্যা দূর হয়। চিকিৎসকদের মতে, আমের মধ্যে থাকা ফাইবারও এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।   ২) দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটায় : দীর্ঘক্ষণ কম্পিউটারের সামনে বসে কাজ করার জন্য বাড়ছে চোখের পাওয়ার। আম খাওয়া শুরু করুন, দেখবেন দৃষ্টিশক্তি নিয়ে আর কোনও চিন্তা থাকবে না। আসলে আমে উপস্থিত ভিটামিন এ, এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।  ৩) অ্যানিমিয়ার প্রকোপ কমায় : ফলের রাজার আমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রণ, যা শরীরে প্রবেশ করার পর লোহিত রক্তচণিকার উৎপাদন এত মাত্রায় বাড়িয়ে দেয় যে রক্তাল্পতার মতো রোগের প্রকোপ কমতে সময় লাগে না। প্রসঙ্গত, আমাদের দেশে যে হারে অ্যানিমিয়া রোগীর সংখ্যা বাড়ছে, তাতে এই গরমে আরও বেশি করে আম খাওয়ার প্রয়োজন যে বেড়েছে সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।   ৪) ক্যান্সার রোগকে প্রতিরোধ করে : আমের ভিতরে থাকা কুয়েরসেটিন, আইসোকুয়েরসেটিন, অ্যাস্ট্রাগেলিন ফিসেটিন, মাথাইল গ্যালেট প্রভৃতি উপাদানগুলি কোলোন, ব্রেস্ট, লিউকেমিয়া এবং প্রস্টেট ক্যান্সারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ৫) ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ায় : বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে, সপ্তাহে তিন-চার বার আমের রস দিয়ে যদি ভাল করে ত্বকের মাসাজ করা যায়, তাহলে ত্বকের ভিতরে পুষ্টির ঘাটতি যেমন দূর হয়, তেমনি ত্বকের বন্ধ হয়ে যাওয়া ছিদ্রগুলিও খুলতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বাড়তে শুরু করে। এছাড়া ত্বকের ব্রণ কমাতে খুব ভালো কাজ করে। তাই পাকা আম খাওয়ার পাশাপাশি ত্বকেও ব্যবহার করুন। ৬) শরীরে অ্যাসিডের ভারসাম্য বজায় রাখে : আমের মধ্যে থাকা টার্টেরিক, ম্যালিক এবং সাইট্রিক অ্যাসিড শরীরের ভিতরে ‘অ্যালকালাইন ব্যালেন্স’ ঠিক রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আর আপনাদের সকলেরই অবশ্যই জানা আছে যে, শরীরকে সুস্থ রাখতে অ্যাসিডের ভারসাম্য ঠিক রাখাটা কতটা জরুরি। সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন।    কেএনইউ/এসি    

শসার ৫ ব্যবহার তীব্র গরমেও এনে দেয় স্বস্তি

প্রকৃতিতে গ্রীষ্মের আগমনী বার্তা আরও আগেই এসেছে। কিছু দিন বাদেই ভ্যাপসা গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা শুরু হবে। ঘামের দুর্গন্ধ, পানিশূন্যতা, ক্ষুধামন্দা কিংবা ত্বকের র‍্যাশ বড় সমস্যা হয়ে দেখা দিতে পারে এসময়ে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এ অবস্থায় একটি সবজি আমাদের অনাবিল প্রশান্তি এনে দিতে পারে। সেটি হচ্ছে শসা। আসুন জেনে নেই শসার অনন্য ৫টি গুণের কথা। *বেশ কিছু জরুরি পুষ্টি উপাদান রয়েছে শসায়। ফাইবার, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ইত্যাদি স্বাস্থ্যের জন্যে খুবই ভালো। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে এবং শরীরটাকে সুস্থ রাখে। * দেহের পানিশূণ্যতা পূরণ করে শশা। সেই সঙ্গে দেহের সব ধরনের দূষিত উপাদান বের করে দেয়। কাজেই গরমে এসব কাজের গুরুভার চাপাতে পারেন শসার ওপর। আবার পানির সঙ্গেও শসা মিলিয়ে খেতে পারেন। আট গ্লাস বিশুদ্ধ পানিতে দুটো শসা কুচি করে কেটে দিন। এক চিমটি লবণও দিতে পারেন। ভালো করে মিশিয়ে অন্তত ৪ ঘণ্টা রেফ্রিজারেটরে রাখতে পারেন। এই পানি তিন দিনের মধ্যে শেষ করতে হবে। *ত্বকের জেল্লাই বৃদ্ধি করে শসা। এটা ছেঁচে যদি মুখে দিতে পারেন তবে শুষ্ক ত্বকের সমস্যা চলে যাবে। ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পাবে। সামান্য শসা ছেঁচে তার সঙ্গে টক দই ও মধু দিয়ে পেস্টের মতো বানাতে পারেন। এটা ত্বকে ফেস মাস্কের মতো ব্যবহার করুন। *চোখের নিচে ফোলাভাব এবং কালো দাগ অতি যন্ত্রণার বিষয়। এটা থেকে আপনাকে মুক্তি দেবে শসা। রেফ্রিজারেটরে রাখা দুই চাকতি শসা চোখের নিচে দিয়ে রাখুন। প্রতিদিন ৮-১০ মিনিট রাখবেন। ফলাফলটা নিজেই দেখতে পাবেন। *প্রখর সূর্যের জ্বালাপোড়া থেকে বাঁচতে শসা ওষুধের মতো কাজ করে। এতে আছে অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি উপাদান। কয়েক টুকরা শসা ব্লেন্ডারে দিয়ে পেস্টের মতো বানিয়ে নিন। তাতে মেশান ঠাণ্ডা টক দই। এটা অনেকটা ফেস মাস্কের মতোই। এটা ঘাড়ে ও মুখে মাখতে পারেন। জ্বালাপোড়া কমে যাবে। সূত্র : ইন্ডিয়া টাইমস।/এআর /

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি