ঢাকা, শুক্রবার, ২২ জুন, ২০১৮ ১৭:৩৪:০২

নিয়মিত হাঁটার ৯ উপকারিতা

নিয়মিত হাঁটার ৯ উপকারিতা

হাঁটুন, সুস্থ থাকুন। কথায় আছে, নিয়মিত ব্যায়াম, নিয়মিত হাঁটি, থাকবে জীবন সুস্থ পরিপাটি। তাই নিয়ম মেনে প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট শারীরিক পরিশ্রম করুন। তাই নিয়মিত হাঁটুন, নিয়মিত শরীরচর্চা করুন। আর এই নিয়মিত হাঁটার যে উপকারিতা রয়েছে তার ৯টি এখানে তুলে ধরা হলো- ১. হাড় ও মাংসপেশী শক্তিশালী করে। ২. শরীরে রক্তসঞ্চালন বাড়ায়৩. রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে৪. হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়৫. ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে৬. বিষণ্ণতা ও স্নায়ুবিক দুর্বলতা কাটাতে সাহায্য করে৭. শরীরের ব্যথা কমায়৮. মনকে সতেজ করে৯. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এমজে/
অতিরিক্ত গ্রিন টি শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর

এখন সবাই নিজেকে ফিট আর হিট রাখতে চায়৷ তার জন্য লোকে কি-না করে৷ নিয়মিত জিমে যায়৷ খাবার নিয়ন্ত্রণ থেকে শুরু করে আরও কত কি৷ আর সেই তালিকায় থাকে গ্রিন টিও৷ ধারণা, গ্রিন টি নাকি মেদ কমাতে সহায়ক৷ তাই অনেকেই আছে যারা নিয়ম করে দু‘ বেলা বা তার বেশি সময় সাধারণ চায়ের বদলে গ্রিন টি খেয়ে থাকেন৷ তবে যে ধারণায় গ্রিন টি খাওয়া হয় সেটা কি আদৌ সত্য নাকি গুজব? এই প্রশ্নের উত্তর যদিও কোনও ভাবেই পরিষ্কার নয়৷ সম্প্রতি একাডেমি অফ নিউট্রিশন এন্ড ডাইটেটিক্স গোষ্ঠী জানিয়েছে, তারা কোনও অংশেই নিশ্চিত নন যে গ্রিন টি মেদ কমায় কি-না৷ তবে একটা বিষয়ে তারা নিশ্চিত যে গ্রিন টি যে কোনও ধরণের বিপাকীয় কাজে সাহায্য করে৷ কোচেন রিভিউতে ২০১২ সালে প্রকাশিত একটি রিপোর্টে মেটাবোলিজম নিয়ে কিছু বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে৷ সেখানে প্রমাণ করা গেছে, গ্রিন টি মেদ কমাতে সাহায্য করে৷ কিন্তু তা এতোটাই কম মাত্রায় যা বোঝার উপায় নেই৷ বিশেষত যাদের ওজন অতিরিক্ত৷ তবে যাই হোক, মেদ কমানোর জন্য অতিরিক্ত গ্রিন টি পান একেবারেই শরীরের পক্ষে ভালো না৷ তার একটাই কারণ, গ্রিন টিতে থাকে ক্যাফিন৷ এ এফ ডি এর সমীক্ষা অনুযায়ী ৪০০ মিলিগ্রামের বেশি ক্যাফিন খাওয়া উচিত নয়৷ যেখানে রোজের এক কাপ গ্রিন টি তে থাকে ২৫ মিলিগ্রাম ক্যাফিন৷ তবে আপনি কি ভাবছেন গ্রিন টি খেয়ে নিজেকে মেদ মুক্ত রাখবেন? বা এই ব্যাপারে কি সত্যই কি কোনও পরিবর্তন কিছু ঘটবে? তাহলে আর একবার ভেবে দেখুল৷ বিস্তারিত আলোচনার পর এই প্রশ্ন উঠতেই পারে৷ শুধুমাত্র টেলিভিশনের রঙিন বিজ্ঞাপনের ফাঁদে না পড়ে সব দিক যাচাই করে তবেই যে কোনও জিনিস কেনা বা খাওয়া উচিত৷ সূত্র: কলকাতা ২৪x৭ একে//

ওষুধ ছাড়াই অর্শরোগ থেকে বাঁচার ঘরোয়া ৫ উপায়

অর্শরোগ বা পাইলস (হেমোরয়েড) বর্তমান সময়ে খুব পরিচিত একটি শারীরিক সমস্যা। মলদ্বারে যন্ত্রনা, রক্ত পড়া, ব্যথাসহ নানা উপসর্গ এই রোগের, যা রোগীর জীবনটাই বিষিয়ে দেয়। এক জড়িপে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৭৫% মানুষ এই রোগে আক্রান্ত। বিশেষত, ৪৫ থেকে ৬৫ বছর বয়সীদের মধ্যে এই রোগের প্রভাব বেশি দেখা যায়। তবে বর্তমানে এই রোগ আর কোনো নির্দিষ্ট বয়সের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নেই। মলদ্বারে যন্ত্রণা, রক্ত পড়া, মলদ্বার ফুলে ওঠা, জ্বালা করা ইত্যাদি অর্শ্বরোগের সাধারণ উপসর্গ। ফাইবারযুক্ত খাবার খাওয়ার অভাব, কোষ্ঠকাঠিন্য, স্থূলতা, গর্ভাবস্থায়, দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে অথবা বসে থাকার অভ্যাস, ব্যায়াম না করা ইত্যাদি কারণে এই রোগ শরীরে বাসা বাঁধে, বাড়তে থাকে। সাধারণত ওষুধ বা অস্ত্রপচারের মাধ্যমে পাইলসের চিকিৎসা হয়ে থাকে। তবে কিছু ঘরোয়া উপায়েও এই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। আসুন জেনে নেওয়া যাক ঘরোয়া উপায়গুলো: *অলিভ অয়েল: অর্শরোগের সবচেয়ে বড় প্রতিশেষধ হচ্ছে অলিভ অয়েল। টয়লেটে যাওয়ার আগে মলদ্বারে অলিভ অয়েল ব্যবহার করুণ, যন্ত্রণা উপশম হবে। এছাড়া রোজ এক চা চামচ অলিভ অয়েল খান। এটি দেহের প্রদাহ দ্রুত হ্রাস করতে সাহায্য করে। অর্শরোগে নিরাময়ের ক্ষেত্রে এটি খুবই কার্যকরী। *আদা ও লেবুর রস: ডিহাইড্রেশন অর্শরোগের অন্যতম আরেকটি কারণ। আদাকুচি, লেবু এবং মধু মিশ্রণ দিনে দু’বার খান। এই মিশ্রণ নিয়মিত খেলে অর্শরোগ দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসে। এছাড়া দিনে অন্তত ২-৩ লিটার পানি খেলেও অনেকটা উপকার পাওয়া যায়। *বরফ: ঘরোয়া উপায়ে অর্শ নিরাময় করার অন্যতম উপাদান বরফ। বরফ রক্ত চলাচল সচল রাখে এবং ব্যথা দূর করে দেয়। একটি কাপড়ে কয়েক টুকরো বরফ পেঁচিয়ে ব্যথার স্থানে ১০ মিনিট রাখুন। এভাবে দিনে বেশ কয়েকবার বরফ ব্যবহার করলে ভালো ফল পাবেন। *অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার: একটি তুলোর বলে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার লাগিয়ে ব্যথার স্থানে লাগান। শুরুতে এটি জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করবে, কিন্তু কিছুক্ষণ পর এই জ্বালাপোড়া কমে যাবে। এটি পদ্ধতিটিও দিনে বেশ কয়েকবার অবলম্বন করুন। অভ্যন্তরীণ (ইন্টারনাল) অর্শরোগের জন্য এক চা চামচ অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার এক গ্লাস জলে মিশিয়ে দিনে দু’বার খান। এর সঙ্গে এক চা চামচ মধু মিশিয়ে নিতে পারেন। *অ্যালোভেরা: বাহ্যিক (এক্সটারনাল) অর্শরোগের জন্য আক্রান্ত স্থানে অ্যালোভেরা জেল লাগিয়ে ম্যাসাজ করুন। এটি দ্রুত ব্যথা কমিয়ে দিতে সাহায্য করবে। অভ্যন্তরীণ অর্শরোগের ক্ষেত্রে অ্যালোভেরা পাতার কাঁটার অংশ কেটে জেল অংশটুকু একটি প্ল্যাস্টিকের প্যাকেটে ভরে ফ্রিজে রেখে দিন। এ বার এই ঠান্ডা অ্যালোভেরা জেলের টুকরো ক্ষত স্থানে লাগিয়ে রাখুন। এটি জ্বালা, ব্যথা, চুলকানি কমিয়ে দিতে সাহায্য করবে। সূত্র : জিনিউজ। / এআর /

ঈদে কী খাবেন কী খাবেন না

অাজ পবিত্র ঈদুল ফিতর। ঈদ মানে অানন্দ, হাসি খুশী, ঘোরা ফেরা, নতুন পোশাক অার খাওয়া দাওয়া। ঈদ অানন্দের বেশীরভাগ জুড়েই থাকে ভালো খাবার দাবার। নানা রকম মেন্যু যেমন বাড়ীতে তৈরী হয় তেমনি বেড়াতে গেলে সেখানেও থাকে নানা রকম খাবার। অার স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে খাওয়া দাওয়া করতে হয় সাবধানে। কেননা খাবার দাবারের ভুল থেকে স্বাস্থ্যের কোন ক্ষতি হলে পুরো অানন্দটাই মাটি। তাই পুষ্টি বিবেচণায় অাপরার ঈদের খাবার কেমন হওয়া উচিত তা জেনে নিন এখুনি। ঈদের সকালঈদের দিন সকালে খাবার মেন্যু তৈরী করার সময় মাথায় রাখা দরকার, ত্রিশদিন একভাবে রোজা রাখার পর ঈদের সকালে হঠাৎ বেশী খাবার খেয়ে ফেললে বদহযম, পেটে অস্বস্তি সহ অারো নানা সমস্যা হতে পারে। তাই ঈদের সকালের মেন্যু একটু হালকা হলে ভাল। সেক্ষেত্রে ফিরনী হতে পারে খুব ভাল মেন্যু। দুধ, চাল ও গুড় দিয়ে তৈরী ফিরনী থেকে প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট ও মিনারেলস পাওয়া যায়। এছাড়া তেলছাড়া পাতলা পরোটা অার সবজিও হতে পারে ভাল মেন্যু। মনে রাখবেন, সারাদিন অনেক খাবার খেলেও মেন্যুতে সবজি কম থাকে। তাই সকালেই সবজি খেলে সবজির দৈনিক যে চাহিদা তার কিছুটা পূরণ হবে। ঈদের দিন সকালে অন্যান্য দিনের মতো ডিম না খাওয়া ভাল। কারণ সারাদিন এতো বেশী পরিমাণ মাংস খাওয়া হয়- ডিম না খেলে তার একটা ব্যালেন্স থাকে। ঈদের দুপুরনানা রকম খাবার ঈদের দিন দুপুরে মেন্যুতে না রেখে বরং দুই থেকে তিনটি খাবার সুন্দর করে তৈরী করলে পুষ্টি, তৃপ্তি, ক্যালরী- সবই পূরণ করা সম্ভব। মাছের একটি অাইটেম দুপুরে থাকলে মাংস খাওয়া কিছুটা নিয়ন্ত্রিত হয়। যেমন মাছের চপ বা কাটলেট বা মাছের দোলমা বা মাছের কোরমা। গ্রীল ফিস বা মাছের কাবাব- সুস্বাদু করে তৈরী করলে রসনা তৃপ্তির পাশাপাশি পুষ্টির জোগান হয়।কার্বোহাইড্রেটের চাহিদা মেটানোর জন্য দুপুরের মেন্যুতে সাদা পোলাও বা খিচুড়ী থাকতে পারে। তবে কেউ বিরিয়ানী করলে সাইড ডিশ যেন বেশী না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। সবুজ সালাদ বা টকদই ও সবজির সালাদ দুপুরের মেন্যুতে রাখা যেতে পারে। যা ভিটামিনস ও মিনারেলস প্রদান করে। ঈদের রাতের খাবারসারাদিন ঘোরাঘুরি ও নানা রকম খাওয়া দাওয়ার পর অনেকেই ঈদের দিন রাতে তেমন খেতে পারেনা। অাবার যা খাওয়া পছন্দ করে তা ঠিকই খেতে পারে। তাই রাতের মেন্যুতে খুব বেশী মেন্যু না করাই ভাল। রুটি বা সাদা ভাতের সাথে মুরগী বা গরুর কাবাব বা সবজি ও মাংসের কোন রেসিপি থাকতে পারে রাতের মেন্যুতে। অাবার অনেকে একটু ভিন্নধর্মী খাবারের স্বাদ নিতে চাইলে চাইনিজ ফুডও ঘরে করতে পারেন। কেননা, এই জাতীয় খাবারে তেল মসলা কম থাকে। বৈচিত্যময়, মজাদার, ভিন্নতা পুষ্টি, স্বাদ সব মিলিয়েই খাবার উপভোগ করুন অাজকের ঈদে। মনে রাখবেন, শরীরের নাম মহাশয় নিয়ম জানলে সবই সয়সবার ঈদ ভাল কাটুক। সবার জন্য ঈদ শুভেচ্ছা।[লেখক পরিচিতি:তামান্না চৌধুরী এ্যাপোলো হাসপাতালের প্রধান পুষ্টিবিদ। তিনি বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অফ নিউট্রিশনিষ্টস ও ডায়টিশিয়ানস এর ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন।]অনু লেখক : অালী অাদনান এসএ/  

যে খাবারগুলো নিয়ন্ত্রণে রাখবে ডায়াবেটিস  

ডায়াবেটিসের সমস্যা এখন ঘরে ঘরে। এটি একটি বিপাকীয় প্রক্রিয়া সংক্রান্ত ব্যাধী। ডায়াবেটিসের ফলে দেহ পর্যাপ্ত পরিমাণে ইনসুলিন উৎপাদনে অক্ষম হয়ে পড়ে। ফলে রক্তে সুগারের মাত্রা বেড়ে যায় অস্বাভাবিক হারে। এই রোগের ক্ষেত্রে সবচেয়ে দুর্ভাগ্যজনক বিষয়টি হল, ওষুধ, শরীরচর্চা এবং খাওয়া-দাওয়া নিয়ম মেনে করলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে বটে, কিন্তু তা কোনও ভাবেই পুরোপুরি নিরাময় করা সম্ভব নয়।   ডায়াবেটিস ধরা পড়লে প্রথমেই মিষ্টি জাতীয় খাবার বন্ধ করার কথা বলেন চিকিৎসকরা। একই সঙ্গে একেবারে বদলে যায় রোজকার রুটিন। চিকিৎসকের পরামর্শে ইনসুলিন ইনজেক্সনই হয়ে ওঠে একমাত্র ভরসা। তবে রোজ রোজ ইনসুলিন ইনজেক্সন না নিয়েও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেন এই ঘরোয়া উপায়ে, একেবারে সামান্য খরচে। এমন চারটি খাবার রয়েছে যা খেলে রক্তে সুগারের মাত্রা থাকবে একেবারে নিয়ন্ত্রণে। আসুন জেনে নেওয়া যাক সেগুলি কী কী?   করলা: গবেষণায় দেখা গিয়েছে, করলার মধ্যে এমন উপাদান রয়েছে যা অ্যান্টি-ডায়েবেটিক এবং ইনসুলিন ইনজেক্সনের থেকেও বেশি কার্যকর। চিকিত্সকেরা বলছেন, কাঁচা করলা বা করলার রস নিয়মিত খেতে পারলে ডায়াবেটিসের সমস্যা থাকবে নিয়ন্ত্রণে। গম: যাঁরা ডায়াবেটিসে ভুগছেন, তাঁদের জন্য গম খুবই উপকারী। আটার রুটি খেতে পারলে ডায়াবেটিসের সমস্যা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে থাকবে।  সবুজ শাক-সব্জি: চিকিৎসকদের মতে, যে কোনও সবুজ শাক, যেমন, পালং শাক, মুলো শাক ইত্যাদি রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখার ক্ষেত্রে খুবই উপকারী। যাঁরা ডায়াবেটিসে ভুগছেন, তাঁরা নিয়মিত সবুজ শাক-সব্জি খেতে পারলে ডায়াবেটিসের সমস্যা থাকবে নিয়ন্ত্রণে। কুমরোর বীজ: ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের মধ্যে মিস্টি খাওয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। এক্ষেত্রে সামান্য পরিমাণ কুমরোর বীজ রোদে শুকিয়ে নিয়ে নিজের সঙ্গে রাখতে হবে। যখনই মিষ্টি খেতে ইচ্ছে করবে, তখনই দু’-একটা কুমরোর বীজ মুখে রাখলে মিষ্টি খাওয়ার প্রবণতাও কমবে এবং একই সঙ্গে রক্তে সুগারের মাত্রাও নিয়ন্ত্রণে থাকবে। আরকে//এসি   

নিয়মিত একটা করে আম খেলে মিলবে ১১ উপকার 

বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত একটা করে আম খেলে শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা যায় কমে। প্রসঙ্গত, আমাদের দেশে যেভাবে হার্টের রোগীর সংখ্যা বাড়ছে, তাতে এই গবেষণাগুলো যে অনেকটাই আশার আলো দেখাবে তাতে কোনও সন্দেহ নেই। তবে ভাববেন না, আম শুধুমাত্র হার্টেরই খেয়াল রাখে। আরও বেশ কিছু গবেষণায় বলছে, ক্যান্সার রোগকে প্রতিরোধ করার পাশাপাশি একাধিক মরণ রোগকে দূরে রাখতেও আমের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে! তাই রোগমুক্ত জীবনের স্বপ্ন যদি পূরণ করতে চান, তাহলে এই গরমে নিয়মিত আম খেতে ভুলবেন না যেন! চিকিৎসকদের মতে আমের শরীরে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং আরও বেশ কিছু কার্যকরি উপাদান শরীরে প্রবেশ করার পর এমন খেল দেখায় যে একাধিক রোগ দূরে থাকতে বাধ্য হয়, যেমন ধরুন- অ্যাস্থেমা বা হাঁপানির মতো রোগের প্রকোপ কমে  সম্প্রতি হওয়া একটি গবেষণায় দেখা গেছে, শরীরে ভিটামিন সি-এর মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করলে এমন রোগের প্রকোপ কমে যেতে যেতে সময় লাগে না। আর যেমনটা আপনাদের সবারই জানা আছে যে আম হল ভিটামিন সি-এর ভান্ডার। তাই তো এই ফলটি নিয়মিত খাওয়া শুরু করলে অ্যাস্থেমার মতো রোগ সেরে যায় চোখের নিমেষে। গর্ভবতী মহিলাদের জন্য উপকারি একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত এই ফলটি খাওয়া শুরু করেন, তাহলে দেহের ভেতরে আয়রন, ভিটামিন এ, সি এবং বি৬-এর ঘাটতি দূর হয়। ফলে গর্ভাবস্থায় কোনও ধরনের শারীরিক সমস্যা মাথা চাড়া দিয়ে ওঠার আশঙ্কা যায় কমে। ব্রণের প্রকোপ কমে বেশ কিছু কেস স্টাডিতে দেখা গেছে, ত্বকের পরিচর্যায় এই ফলটিকে কাজে লাগালে ব্রণের সমস্যা তো কমেই, সেই সঙ্গে স্কিন টোনের উন্নতি ঘটতেও সময় লাগে না। তাই অল্প দিনেই যদি ফর্সা হয়ে উঠতে চান তাহলে আম দিয়ে বানানো ফেস মাস্ক ব্যবহার করতে ভুলবেন না যেন! এক্ষেত্রে সারা মুখে ভাল করে আম লাগিয়ে মাসাজ করতে হবে। তারপর ১০ মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলতে হবে মুখটা।   রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে আমের ভেতরে থাকা বিটা-ক্যারোটিন এবং ক্যারোটেনয়েড শরীরে প্রবেশ করার পর রোগ প্রতিরোধী ব্যবস্থাকে এতটাই শক্তিশালী করে তোলে যে ছোট-বড় কোনও রোগই ধারে কাছে ঘেঁষার সুযোগ পায় না। সেই সঙ্গে সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও হ্রাস পায়। প্রসঙ্গত, গরম কালে নানাবিধ ক্ষতিকর জীবাণুর প্রকোপ খুব বৃদ্ধি পায়। এই সময় তাই সুস্থ থাকতে আমের সঙ্গে বন্ধুত্ব পাতাতে ভুলবেন না যেন! হজম ক্ষমতা উন্নতি ঘটে আমের ভেতরে বিশেষ এক ধরনের এনজাইম উপস্থিত রয়েছে, যা খাবার হজম যাতে ঠিক মতো হয়, সেদিকে খেয়াল রাখে। তাই তো এই ফলটি খেলে হজমের সমস্যা মাথা তুলে দাঁড়ানোর সাহসই পায় না। প্রসঙ্গত, চিকিৎসকদের মতে আমের মধ্যে থাকা ফাইবারও এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটায় দীর্ঘক্ষণ কম্পিউটারের সামনে বসে কাজ করার জন্য বাড়ছে চোখের পাওয়ার? কোনও চিন্তা নেই! আম খাওয়া শুরু করুন, দেখবেন দৃষ্টিশক্তি নিয়ে আরও কোনও চিন্তা থাকবে না। আসলে আমে উপস্থিত ভিটামিন এ, এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে যেমনটা আগেও আলোচনা করা হয়েছে আমে উপস্থিত ফাইবার, পেকটিন এবং ভিটামিন সি, কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে বিশেষ ভূমিকা পলন করে থাকে। সেই সঙ্গে হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতিতেও বিশেষ ভূমিকা নেয়। ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ে বেশ কিছু কেস স্টাডিতে দেখা গেছে, সপ্তাহে ৩-৪ বার আমের রস দিয়ে যদি ভাল করে ত্বকের মাসাজ করা যায়, তাহলে স্কিনের ভেতরে পুষ্টির ঘাটতি যেমন দূর হয়, তেমনি ত্বকের বন্ধ হয়ে যাওয়া ছিদ্রগুলোও খুলতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বাড়তে শুরু করে। ক্যান্সার রোগকে দূরে রাখে ফলের রাজার ভেতরে থাকা কুয়েরসেটিন, আইসোকুয়েরসেটিন,অ্যাস্ট্রাগেলিন ফিসেটিন, গ্যালিক অ্যাসিড, মাথাইল গ্যালেট প্রভৃতি উপাদানগুলি কোলোন, ব্রেস্ট, লিউকেমিয়া এবং প্রস্টেট ক্যান্সারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। শরীরে অ্যাসিডের ভারসাম্য বজায় থাকে আমের মধ্যে থাকা টার্টেরিক, ম্যালিক এবং সাইট্রিক অ্যাসিড শরীরের ভেতরে ‘অ্যালকালাইন ব্যালেন্স’ ঠিক রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আর যেমনটা আপনাদের সবারই জানা আছে যে শরীরকে সুস্থ রাখতে অ্যাসিডের ভারসাম্য ঠিক রাখাটা কতটা জরুরি। অ্যানিমিয়ার প্রকোপ কমায় ফলের রাজার ভেতরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন, যা শরীরে প্রবেশ করার পর লোহিত রক্তকণিকার উৎপাদন এত মাত্রায় বাড়িয়ে দেয় যে রক্তাল্পতার মতো রোগের প্রকোপ কমতে সময় লাগে না। প্রসঙ্গত, আমাদের দেশে যে হারে অ্যানিমিয়া রোগীর সংখ্যা বাড়ছে, তাতে এই গরমে আরও বেশি করে আম খাওয়ার প্রয়োজন যে বেড়েছে সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। সূত্র: বোল্ডস্কাই একে//এসি   

মেদ ঝরাতে ঘরোয়া ম্যাজিক

তাপমাত্রার পারদ বেড়েই চলেছে। এই গরমে শরীরচর্চার কথা বললে কার না মাথা গরম হয়! কিন্তু গরম বলে হাত পা ছাড়া দিলে ‘ওজন’ কি আর শুনবে সেকথা। আপন মনে সে বেড়েই চলবে। তাই শরীরচর্চা বাদ দিয়ে রোগা থাকার ফর্মূলা আজকের ডায়েটের খাতায়। এমন কিছু ম্যাজিক ড্রিঙ্কের নাম, যা খেলে ওজন তো বাড়বেই না আর ত্বকের ঔজ্জ্বল্যও বাড়বে বহুগুণ। ১. এই তালিকায় প্রথমেই নাম নিঃসন্দেহে জল। এই গরমে দিনে কম করে ৩ থেকে ৪ লিটার জল শরীরে যাওয়া আবশ্যক। জল শরীরের অতিরিক্ত টক্সিন বার করে দেন। তবে ত্বক ভালো থাকে। ২. যা গরম পড়েছে তাতে লেবুর সরবতই গরমে সব থেকে উপকারী। তাই বাজার চলতি ঠাণ্ডা পানীয়রের বদলে লেবু সরবতের হাত ধরে চলুন এই গরমে পথ। তবে বরফ না মেশালেন ভালো। ৩. পুদিনা পাতার সরবতও খেতে পারেন। প্রথমে পুদিনা পাতা সারারাত জলে ভিজিয়ে রাখো। পরেরদিন তা ছেঁকে নিয়ে জলটা খান। এতে গরমে শরীর ঠাণ্ডা থাকে তো বটেই সঙ্গে মন-মেজাজও থাকে ফুরফুরে। আর মন ও স্বাস্থ্য ভালো থাকলে ত্বকে উজ্জ্জ্বলতা আসে এমনিতেই। সঙ্গে ভালো হজমও হবে। ৪. গরমে দুধ-চিনি দিয়ে কড়া চা খাওয়ার পাট চুকিয়ে, ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বাড়াতে ভরসা রাখো গ্রিন টি বা উলং টি-র ওপর। এই চা শরীরে ভরপুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আনার পাশাপাশি ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সাহায্য করে। তবে খুব বেশি নয়। দিনে দু’বার গ্রিন টি খান। ৫. গরমে প্রতিদিন ডাবের জল খাওয়ার চেষ্ঠা করুন। এমনিতেই গরমে ডাবের জল খেতে বলে ডাক্তাররা। তবে শুধু শরীরের হাজার-একটা রোগ উপসম নয়। ডাবের জল কিন্তু নিষ্প্রাণ ত্বকে প্রাণ ফেরায়। ৬. অ্যালোভেরার জুস খেতে পারেন গরমে। অ্যালোভেরার শুধু ত্বকেত জন্যই ভালো তাই নয়! ওজন কমাতেও এর বেশ নাম ডাক। তাই অবশ্যই এই গরমে অ্যালোভারাকে বন্ধু করতে পারেন। বাজারে বিভিন্ন সংস্থার অ্যালোভেরা জুস পাওয়া যায়। আপনি চাইলে বাড়িতেও বানিয়ে নিতে পারেন। ৭. যে কোনও টাটকা সবজির রস এই সময় খেলে যেমন আপনার ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকবে তেমনই স্কিনের উজ্জলতা বাড়বে তরতর করে। তা হলে আর অপেক্ষা কীসের। এই গরমে আপন করে নিনি এই ৭টি পানীয়। আর গরমের বিউটি কুইন হয়ে উঠুন আপনি। তথ্যসূত্র: কলকাতা ২৪ ঘণ্টা। এসএইচ/

নারীদের যে কারণে বেশি আয়রন লাগে?

নারীদের শরীর পুরুষের তুলনায় আলাদা বলেই জানা যায়। তবে পুরুষের তুলনায় নারীদের দেহে আয়রনের চাহিদা বেশি বলে জানা গেছে। জানা যায়, মানবদেহ গঠিত হয় অসংখ্য ধরনের পুষ্টি ও মিনারেল দিয়ে, যা শরীরের যথাযথ কার্যক্রমে সহায়তা করে। এরকমই একটি অতি প্রয়োজনীয় খনিজ হলো আয়রন। লোহিত রক্তকণিকার মাধ্যমে শরীরের কোষগুলোতে অক্সিজেন পৌঁছাতে সহায়তা করে আয়রন। নারী-পুরুষ উভয়ের শরীরেই আয়রন প্রয়োজনীয় মিনারেল হলেও মূলত নারীদের বেশি আয়রনের প্রয়োজন হয়। ন্যাশনাল হেলথ ইনস্টিউটের হিসেব অনুযায়ী, গড়ে একজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের দৈনিক প্রায় আট মিলিগ্রাম ও একজন নারীর ১৮ মিলিগ্রাম আয়রনের প্রয়োজন। তবে গর্ভাবস্থায় একজন নারীর আয়রনের চাহিদা বেড়ে ২৭ মিলিগ্রামে দাঁড়ায়। কনসালটেন্ট নিউট্রিশনিস্ট ড. রুপালি দত্ত বলেন, মূলত প্রতি মাসে পিরিয়ডে রক্ত চলে যাওয়ায় নারীদের শরীরে আয়রনের চাহিদা বেশি। আবার গর্ভাবস্থায় গর্ভস্থ সন্তানের সঠিকভাবে বেড়ে ওঠার জন্য আয়রনের আরও চাহিদা বেড়ে যায়। মূলত এ দুটি কারণে নারীদের তুলনামূলকভাবে বেশি আয়রন দরকার হয়। প্রতিমাসে বেশ কিছু পরিমাণ রক্ত নারীদের শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। এতে শরীরের আয়রনের পরিমাণের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। এ ক্ষতি পূরণে খাদ্য তালিকায় আয়রন সমৃদ্ধ খাবার যোগ করতে হয়। এই আয়রন পুরনের জন্য। গর্ভাবস্থায় মায়ের শরীর থেকে পাওয়া আয়রনে শিশুর বুদ্ধি ঘটে। এমনকি একজন শিশুর জন্মের পর ছয়মাস পর্যন্ত আয়রন পায় মায়ের শরীর থেকেই। এজন্য গর্ভাবস্থায় মায়ের আয়রনের চাহিদা আরও বেড়ে যায়। আয়রন ঘাটতির প্রভাব- শরীরে আয়রনের ঘাটতি হলে রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণ কমে যায়। যার ফলে হতে পারে রক্তস্বল্পতা, দুর্বলতা ইত্যাদি। তাই সবুজ শাক সবজি, ডিম, শুকনা ফল, বাদাম ও বীজ, শিম, মাছ ইত্যাদি খাবার খাদ্য তালিকায় রাখতে হবে পর্যাপ্ত পরিমাণে। তথ্যসূত্র: এনডিটিভি। এসএইচ/

ফরমালিন মেশানো আম চেনার উপায়! 

এখন আমের মৌসুম। আম খেতে ভালবাসেন না, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া ভার। গ্রীষ্মের এই দাবদাহের গরমে থেকে মুক্তি পেতে অনায়াসে খেতে পারেন আম। দেশজুড়ে আমের ফলনও বেশ ভালো হয়। হিমসাগর, ফজলি, ল্যাংড়া বা আম্রপালি আমের স্বাদ থেকে দূরে থাকতে পারে না কেউই। কিন্তু এই আমের সঙ্গে শরীরে বিষ ঢুকছে না তো! উপাদেয় এই ফলটি দীর্ঘদিন ‘তাজা’ রাখতে ফরমালিন-সহ অন্যান্য ক্ষতিকারক রাসায়নিক পদার্থ মেশানো হয়।     ফরমালিন মেশানো আম খেলে কিডনি, লিভার-সহ বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা প্রবল। সেই সঙ্গে বিকলাঙ্গতা,এমনকি ক্যানসারেও আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অনেকটাই বেড়ে যায়। তাহলে কি আমও খাওয়া যাবে না! কীভাবে বুঝবেন আমে ফরমালিন মেশানো আছে কিনা? ফরমালিন মেশানো আম চেনারও উপায় আছে। আসুন জেনে নেওয়া যাক।  প্রাকৃতিকভাবে পাকা আমের বৃন্তে সুঘ্রাণ মিলবে। কিন্তু ফরমালিনযুক্ত আমের বৃন্তে কোনও ঘ্রাণ থাকবে না। তাই কেনার আগে গন্ধ শুঁকে দেখে নিতে পারেন। আমের রং দেখেও চেনা যায় ফরমালিনযুক্ত। প্রাকৃতিকভাবে পাকা আমে হলুদ এবং সবুজের একটা মিশেল থাকে। অনেক সময় হালকা সবুজ রঙেরও হয়। আবার আমার গায়ে সাদাটে বা কালো দাগ দেখা যায়। কিন্তু ফরমালিনযুক্ত বা অন্যান্য কেমিকেল দিয়ে পাকানো আমগুলো দেখতে খুব সুন্দর, চকচকে আর সম্পূর্ণ হলুদ রঙের হয়। আমের গায়ে কোনও দাগ থাকে না। প্রাকৃতিকভাবে পাকা আম বেশ মিষ্টি হয় এবং সেগুলি অনেক বেশি রসালো হয়। কিন্তু ফরমালিনযুক্ত আমে রস অনেক কম থাকে। প্রাকৃতিকভাবে পাকা আম মুখে দিলে টক-মিষ্টি স্বাদ মেলে। তাছাড়া এই আমে মাছিও বসবে। কিন্তু ফরমালিনযুক্ত আমে তেমন কোনও স্বাদ পাওয়া যায় না। এগুলোতে মাছিও বসে না। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, ফরমালিনযুক্ত আম খেলে পেটে ব্যথা, গলা জ্বলা এমনকি ডাইরিয়া পর্যন্ত হতে পারে। তাই সতর্ক হওয়া জরুরি। (সূত্রঃজি২৪ঘণ্টা) কেআই/এসি     

সুস্বাদু আর স্পাইসি খাবার বাড়ায় গোপন শক্তি

আপনার সঙ্গীকে যত বেশি সুস্বাদু আর স্পাইসি খাবার খাওয়াবেন, ততই তার সহবাসের ইচ্ছে বাড়বে, ফলে বিছানায় আপনিও পাবেন শারীরিক আর মানসিক তৃপ্তি৷ সম্প্রতি ফ্রান্সে একটি গবেষণায় উঠে এসেছে এই তথ্য৷ কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, যত বেশি করে স্পাইসি খাবার পুরুষরা খান, তত বেশি করে তাদের শরীর থেকে নির্গত হয় টেস্টোস্টেরন হরমোন৷ ফলে সেক্সেও আসে বাড়তি সাফল্য৷ ফ্রান্সের গ্রেনেবাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সমীক্ষকরা এই গবেষণার সময় ১১৪ জন পুরষকে বেছে নিয়েছিলেন যাদের বয়স ১৮-৪৪ বছরের মধ্যে৷ প্রথমেই তাদের স্পাইসি পেপার সস আর লবণ দিয়ে স্ম্যাসড পটেটো খেতে দেওয়া হয়েছিল৷ আর তার পরের ঘটনাটাই রীতিমতো চাঞ্চল্যকর৷ যারা খাওয়ার সময় প্লেটে বেশি করে স্পাইসি সস নিয়েছেন, খাওয়ার পর পরই তাদের স্যালাইভা স্যাম্পেল পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছিল, তাতে বেড়ে গিয়েছিল টেস্টোস্টেরনের মাত্রা৷ গবেষণার অন্যতম সহযোগী লরেন্ট বেগের মতে, স্পাইসি খাবারে টেস্টোস্টেরন বাড়ে, এটা ঠিক, কিন্তু কেনও বাড়ে বা কীভাবে বাড়ে, সে সম্পর্কে এখনও পুরো তথ্য পাওয়া যায়নি৷ তবে আশা করা যাচ্ছে, অচিরেই গবেষণায় উঠে আসবে পুরো মেকানিজমটা৷ আর শরীরে টোস্টোস্টেরন হরমোনের মাত্রা কমে গেলে, তা শরীরে অবসাদ বা ক্লান্তি নিয়ে আসে৷ ফলে কমে যায় সহবাসের ইচ্ছাও৷ তবে সমসময়েই সহবাসের আগে প্রচুর পরিমাণে স্পাইসি ফুড খেতে হবে, এমন কোনও লিখিত নিয়ম নেই৷ সূত্র: কলকাতা ২৪x৭ একে//

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি