ঢাকা, শনিবার, ২০ জানুয়ারি, ২০১৮ ১৩:২৭:৩৭

ফাস্ট ফুড বড় রোগের মতোই ক্ষতিকর

ফাস্ট ফুড বড় রোগের মতোই ক্ষতিকর

নিয়মিত বার্গার, পিৎজা, ফাস্ট ফুড, যা খুশি খেয়েও আপনি দারুণ সুস্থ থাকলেই ভাববেন না আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্দান্ত। এই ধরনের খাবার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ততটাই কমিয়ে দিতে পারে, ঠিক যতটা কমিয়ে দেয় বড় কোনও সংক্রমণ। এমনটাই বলছেন জার্মানির বন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা। সম্প্রতি এই গবেষণার ফল সেল জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। এই গবেষণার জন্য ইঁদুরদের টানা এক মাস ‘ওয়েস্টার্ন ডায়েট’ দেওয়া হয়। যে ডায়েটে থাকে শুধুই হাই স্যাচুরেটেড ফ্যাট, চিনি, নুনযুক্ত খাবার। সম্পূর্ণ বাদ দেওয়া হয় তাজা ফল, সব্জি ও ফাইবার। যাতে শরীরে রোগ প্রতিরোধকারী কোষ বাড়তে না পারে। গবেষক অ্যানেট ক্রিস্ট জানিয়েছেন, এই অস্বাস্থ্যকর ডায়েট ইঁদুরদের শরীরে গ্রানুলোসাইট ও মোনোসাইট শ্বেতকণিকার বৃদ্ধি ঘটায়। দেখা যায়, এক মাস পর ইঁদুরদের তাদের নিয়মিত ডায়েটে ফিরিয়ে আনা হলে রোগ প্রতিরোধক কোষের সংখ্যা বেড়ে যাওয়া সত্ত্বেও তারা যে কোনও সংক্রমণের প্রতি অনেক বেশি স্পর্শকাতর হয়ে পড়েছে। এবং ভবিষ্যতে টাইপ টু ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও বেড়েছে। সাধারণত কোনও বড় সংক্রমণের পর আমাদের শরীরে এই ধরনের সমস্যা হয়। গবেষকেরা জানাচ্ছেন, ফাস্ট ফুড ডায়েটে দীর্ঘ দিন থাকলেও আমাদের শরীর ঠিক একইভাবে প্রতিক্রিয়া জানায়। এই গবেষণার অন্য এক গবেষক ইকি লাতজ জানান, আমাদের শরীরে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ হলে যে ক্ষতি হয়, সংক্রমণ কমে যাওয়ার পর যদি আমরা শরীরের যত্ন না নিই, ক্রমাগত ফাস্ট ফুড খেতে থাকি, এক্সারসাইজ না করি, তা হলে শরীর কোনও দিনই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ফিরে পাবে না। সূত্র: আনন্দবাজার। একে//এসএইচ
বয়স ৩০ হয়ে গেলে যা খাবেন না

বয়স বাড়তে থাকলে শরীরে মেদ জমার প্রবণতা বাড়ে। সেই সঙ্গে বাড়তে থাকে হার্টের সমস্যা বা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি। তাই বয়স ৩০ পেরোলেই খেয়াল রাখা প্রয়োজন ডায়েটে। কিছু খাবার এড়িয়ে চললে বয়স বাড়লেও ধরে রাখতে পারবেন স্বাস্থ্য। কমবে ঝুঁকিও। প্রোটিন ও এনার্জি বার: এই ধরনের বার প্রোটিন ও এনার্জি কোনওটারই জোগান দেয় না। বরং এই সব বারে থাকা সর্বিটল, গ্লিসারিন, ফ্রুক্টোজ, ডেক্সট্রোজ শরীরের ক্ষতি করে। হোয়াইট ব্রেড: রিফাইন্ড ফ্লাওয়ার দিয়ে তৈরি যে কোনও খাবারই শরীরের পক্ষে খারাপ। তাই বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ডায়েট থেকে হোয়াটইট ব্রেড বাদ দেওয়াই ভাল।   ওরেও: সবচেয়ে অস্বাস্থ্যকর কুকি ওরেও ক্যালোরি ও ফ্যাটে পরিপূর্ণ। ৩০-এর পর শরীরে মেদ জমার প্রবণতা বাড়ে। তাই কুকিজ যত কম খাওয়া যায় ততই ভাল। বাটার পপকর্ন: পপকর্ন স্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস হলেও অ্যাডেড ফ্লেভার ও ফ্যাট আর্টারি ব্লক করে দিতে পারে।   মার্জারিন: মার্জারিনে থাকে হাইড্রোজেনেটেড অয়েলের মতো ট্রান্স ফ্যাট যা আর্টারি ব্লক করে। ক্ষতি করে ত্বকেরও।   প্রসেসড মিট: বেকন, হ্যাম, সালামি, সসেজ বেশি খেলে ত্বকে বলিরেখা দেখা দেয়। এই সব খাবারে নাইট্রাইট ও নাইট্রেট থাকে যা অক্সিডেটিভ স্ট্রেস বাড়ায়। যা ত্বকে কোলাজেন ও ইলাসটিনের মাত্রা কমিয়ে দেয়। সুগার ফ্রি স্ন্যাকস: সুগার ফ্রি স্ন্যাকস খেয়ে ওজন কমানো যায় না। বরং আর্টিফিশিয়াল সুইটেনার আমাদের শরীরের স্বাভাবিক কার্যকারিতায় ব্যাঘাত ঘটায়। আইসড কফি: ক্যাফেনেটেড ড্রিঙ্ক ঘুমে ব্যাঘাত ঘটায়। ফলে চেহারায় ক্লান্তি ও বয়সের ছাপ পড়ে। কফি খেতে হলে গরম কফি খাওয়াই ভাল।   ক্যানড স্যুপ: উচ্চ রক্তচাপের কারণে চেহারায় বয়সের ছাপ পড়ে। ক্যানড স্যুপে থাকে প্রচুর পরিমাণ সোডিয়াম। যা রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়। বিয়ার ও ককটেল: বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের শরীরের পক্ষে অ্যালকোহল মেটাবলিজম কঠিন হয়ে পড়ে যা অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়। ঘুমে ব্যাঘাত ঘটানোর ফলে ওজন বাড়ে। অন্য দিকে অ্যালকোহল ত্বক ডিহাইড্রেট করে দেয়।  সূত্র: আনন্দবাজার একে//

শীতের মজাদার পুলি পিঠা

শীত শুরু হলেই পিঠার উৎসব শুরু হয়। এ সময় প্রায় প্রত্যেকের ঘরে পিঠা বানানোর উৎসব চলে। বেশিরভাগ গ্রামেই নানা ধরনের পিঠা তৈরি করতে দেখা যায়। যেমন- ভাপা পিঠা, চিতুই পিঠা, খেঁজুর পিঠা, শামুক পিঠা ইত্যাদি। অনেকেই শীতের সময় শীতের পিঠা খেতে শহর ছেড়ে গ্রামে যায়। কেননা শহরে শীতের পিঠার তেমন একটা ব্যস্ততা দেখা যায় না। কেউ ঝাল পিঠা খেতে পছন্দ করেন, কেউ আবার মিষ্টি পিঠা খেতে পছন্দ করেন। শীতে সব আইটেমেরই পিঠা খেতে মজা লাগে। এরমধ্যে পুলি পিঠা অন্যতম। নিজ বাসায় বসে এটি খুব কম খরচে সহজেই বানিয়ে অতিথিকে আপ্যায়ন করা যায়। আজ রেসিপিটি একুশে টিভি অনলাইনে তুলে ধরা হলো- উপকরণ :   ১) ময়দা আধা কেজি। পুলি পিঠা বানাতে সচরাচর আতপ চালের আটা দিয়ে বানানো হয়। কিন্তু চালের আটা থেকে ময়দার বানানো পুলি পিঠা খুব নরম ও সফট হয়। তাই ময়দা দিয়ে বানানো সবচেয়ে ভালো হয়। ২) খেজুরের গুড় অথবা চিনি। ৩) কুরানো নারিকেল। ৪) তিলের গুড়া। ৫) এক চিমটি এলাস গুঁড়া। ৬) দারচিনি দুই থেকে তিনটা। ৭) লবণ স্বাদ মতো ৮) তেল ও ৯) পানি।   প্রণালি : প্রথমে নারিকেলের নাড়ু বানাতে কড়াইতে তেল দিয়ে নিন। এরপর সেখানে নারিকেল গুড়া ও তিলের গুড়া দিয়ে নাড়তে থাকুন। এতে চিনি ও লবণ দিয়ে আবার নাড়তে থাকুন। এরপর এলাস গুড়া ও দারচিনি দিয়ে নাড়ুন যতক্ষণ না লাল হচ্ছে। লাল হয়ে গেলে নামিয়ে ফেলুন। এখন আরেকটি কড়াইতে পানি গরম করে ময়দাগুলো ঢেলে দিয়ে কাওয়া করে নিন। কাওয়া হয়ে গেলে সেগুলো রুটি বানিয়ে ফেলুন। এরপর রুটিগুলো গ্লাসের মুখ দিয়ে সাইজ করে কেটে নিন। অন্যভাবেও সাইজ করে কেটে নিতে পারেন। সাইজ করে কাটা রুটিতে একটু একটু করে নাড়ু দিয়ে চাঁদের মত মুড়িয়ে ফেলুন। এমন করে অনেক ডিজাইনভাবে করা যায়। এভাবে অনেক কয়েকটা হয়ে গেলে গরম তেলে ভাজতে হবে। ভাজার সময় খেয়াল রাখতে হবে যাতে পুড়ে না যায়। তাই অল্প আঁচে পিঠাটি ভাজতে হবে। ভাজার পর একটি পাত্রে টিসু পেপার রেখে সেখানে নামিয়ে ফেলুন।  হয়ে গেল মজাদার মুচমুচে শীতের পুলি পিঠা। তবে যারা খুব ঝাল পছন্দ করেন তারা পিঠার ভিতরে নারিকেলের নাড়ু না দিয়ে ঝাল সবজি দিয়েও বানাতে পারেন।   /কেএনইউ/এসএইচ    

হৃদপিণ্ডের কর্মক্ষমতা বাড়ায় আমলকির রস

আমলকির রয়েছে অনেক গুণ। রক্ত পরিশ্রুত করে আমলকি। এছাড়া এতে থাকা বিভিন্ন ভিটামিনের সমাহার ত্বক এবং চুলে পুষ্টিও জোগায়।   শীতে ঘরে ঘরে সর্দি ও জ্বর থাকাটাই স্বাভাবিক। প্রতিদিন এক চামচ আমলকির রস মধু দিয়ে খেয়ে দেখুন, সর্দি-কাশির প্রকোপ থেকে রেহাই পেয়ে যাবেন। পাশাপাশি মুখের আলসার হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমে যায়।  আমলকির মধ্যে থাকা অ্যামাইনো অ্যাসিড এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হৃৎপিণ্ডের কর্মক্ষমতা বাড়ায়। নিয়মিত আমলকির রস খেলে কোলেস্টরল নিয়ন্ত্রণে থাকে। ডায়াবিটিস রোগীদের কাছে খুবই উপকারি আমলকির রস। হাঁপানি কমাতেও সাহায্য করে এই রস। বিশেষজ্ঞদের মতে, আমলকি হজম ক্ষমতা বাড়ায়। বিপাকে সাহায্য করে। এছাড়াও আমলকির রস লিভার ভাল রাখে। শরীর থেকে টক্সিন বা বিষাক্ত পদার্থ ছেঁকে বার করে দেয় আমলকির রস। আমলকির রসে থাকা অ্যামিনো অ্যাসিড এবং প্রোটিন চুলের পুষ্টি যোগায়। চুল পড়া রোধ করে। আমলকির রসে ভিটামিন সি ছাড়াও আয়রন, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস রয়েছে।  সূত্র: আনন্দবাজার একে// এআর

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে যা খাবেন

অনেকেই উচ্চ রক্তচাপজনিত সমস্যায় ভোগেন। এটি বর্তমান সময়ের একটি বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি। এটি নিয়ন্ত্রনে নিচের নিয়মগুলো মেনে চলুন এবং খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলুন। দেখবেন উপকার মিলবে। ১) সকালে ঘুম থেকে উঠে প্রায় ৩ গ্লাস পানি খালিপেটে পান করুন। ২) ৪৫ মিনিট জোরে জোরে হাঁটুন। ৩) নাস্তায় প্রথমে পাকা বা কাঁচা পেঁপে খান। ৪) হালকা গরম পানির সঙ্গে ২টি পেঁয়াজ ও রসুনের ২/৩ টি কোষ খান। ৫) ১টি কলা ও ১টি সেদ্ধ ডিমের সাদা অংশটুকু খান। ৬) নাস্তায় লাল আটার রুটি ও সেদ্ধ যব (ওটস) সবজি দিয়ে খান; তেল ও লবণ না দিলেই ভালো। ৭) দিনের প্রথম ভাগে ঘরে পাতা ননীছাড়া টক দই খান। ৮) দিনের যে কোনো ভাগে লাউ ও আদার রস অথবা শাক-সবজির রস বা সূপ পান করুন। ৯) মসলা হিসেবে আদা, রসুন, ধনে, মেথি ও পেঁয়াজ প্রতিদিন খান। কাঁচা আদা চিবিয়ে খান। ১০) নিয়মিত গোলমরিচের গুঁড়ো মাখিয়ে কাঁচা হলুদ এবং আমলকি ও পুদিনা পাতা খান। পুদিনা পাতা সেদ্ধ করে চায়ের মতোও খেতে পারেন। ১১) গরু ও ছাগলের মাংস সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এসব খাওয়ার পাশাপাশি প্রতিদিন যোগব্যায়াম করুন। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে যোগব্যায়াম ১) যোগাসন: শবাসন, পদ্মাসন, ভুজঙ্গাসন, পর্বতাসন বজ্রাসনসহ ধ্যান ও প্রাণায়াম করুন। ২) আকুপ্রেশার: বিছানায় বালিশ ছাড়া টান হয়ে শুয়ে পড়ুন। দুই হাতের পাতার সোজা দিক, উলটো দিক ও আঙ্গুলগুলো ৫ মিনিট করে মোট ১০ মিনিট চাপ দিন। দুই কানে কড়ে আঙ্গুল ঢুকিয়ে ২/৩ মিনিট করে ঝাঁকান। হাঁটুর সন্ধির ঠিক নিচে আঙ্গুল দিয়ে ৩ মিনিট করে চাপ দিন। দুই কানের লতির মাঝখানে ও নিচে চাপ দিন। ঘাড়ের শিরাগুলোসহ পুরো ঘাড়ে চাপ দিন। দুই পায়ের মধ্যমা আঙ্গুলের গোড়ায় চাপ দিন। চেয়ারে বসে দুই পায়ের গোড়ালিসহ পুরো পাতা কাঠের রোলারে দিনে ৩ বার ১৫ মিনিট করে গড়িয়ে নিন। একই সঙ্গে হাতে ব্যবহারযোগ্য ছোট রোলার দিয়ে হাতের তালুও গড়িয়ে নিন। ৩) পানিতে তেঁতুল গুলে সেই রস অথবা লেবুর রস মাথার তালুতে ও পায়ের তালুতে মালিশ করলে রক্তচাপ কমে। লেখক : স্বেচ্ছাসেবী সমাজ কল্যাণ সংস্থা হীল’র প্রতিষ্ঠাতা সদস্য।   একে// এআর

ক্যান্সার থেকে বাঁচতে দূরে রাখুন ৫ খাবার

আপনার ডায়াটে থাকা কিছু খাবার নিরবে আপনাকে ক্যান্সারের দিকে নিয়ে যাচ্ছে না তো! হ্যা এমন কিছু খাবার আমরা খেয়ে থাকি যা ক্যান্সারের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।ডায়েট সম্পর্কে ভালো ধারণা না থাকার কারণে এমন টা হতে পারে।  এছাড়া অনেকে মনে করেন শুধু অ্যালকোহল এবং ধুমপান ক্যান্সারের অন্যতম কারণ। কিন্তু প্রতিদিন অস্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণের মাধ্যমেও ক্যান্সার হতে পারে। এখানে আপনাদের জন্য ৫ টি খাবার তুলে ধরা হলো যে খাবারগুলো পরিহার করার মাধ্যমে নিজেকে ক্যান্সারের ঝুকি থেকে বাঁচাতে পারবেন। ১) মাইক্রোওভেনে তৈরি পপকর্ন সহজে প্রস্তুত করা যায় এরকম খাবারের মধ্যে পপকর্ন হচ্ছে অন্যতম। প্যাক করা থেকে শুরু করে খাবারটি তৈরি করাত  যে সব উপাদান ব্যবহার করা হয় সে উপাদানগুলো ক্যান্সারের কারণ হয়ে দেখা দেয়। তাই ক্যান্সার থেকে বাঁচতে আপনাকে মাইক্রোওভেনে তৈরি কারা পপকর্ন এখন থেকে বাদ দেওয়া উচিত। ২) টিনজাত খাবার টিনজাত খাবারকে ক্যান্সারের অন্যতম কারণ হিসেবে সন্দেহ করা হয়। এ খাবারকে দীর্ধদিন তাজা রাখতে এমন কিছু রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়, যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর। তাই শরীরকে সুস্থ রাখতে টিনজাত খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত। ৩) পরিশোধিত চিনি পরিশোধিত চিনি ক্যান্সারের অন্যতম কারণ। অনেকে মনে করতে পারেন যে বাদামী চিনি স্বাস্থের জন্য উপকারী। তাহলেও আপনি ভুল করবেন।সাদা চিনির সাথে রং ও ফ্লেভার একত্র করার মাধ্যমে চিনিকে বাদামী করা হয়।তাই নিজেকে সুস্থ্য রাখতে প্ররিশোধিত চিনি খাওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত ।   ৪) কার্বোনেটেড ড্রিংকস কার্বোনেটেড ড্রিংকসে উচ্চমাত্রারার ফ্রুকটোজ কর্ন সিরাপ, ক্যামিকেল এবং ডাইস ব্যাবহার করা হয়। তাই এই খাবারকে ক্যান্সারের অন্যতম বড় কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।  ৫) তেলে ভাজা খাবার আমরা অনেকেই তেলে চুপচুপে ভাজা খাবার খেয়ে থাকি। কিন্তু এই ভাজা খাবার স্বাস্থ্যের জন্য খুবই অস্বাস্থ্যকর ।এ খাবারগুলো যে উপাদান দ্বারা ভাজা হয় সেই উপাদানগুলো ক্যান্সারের অন্যতম কারণ । তাই শরীরকে সুস্থ্য রাখতে ভাজা খাবার থেকে বিরত থাকা উচিত।   সূত্র: এনডিটিভি   এম / এআর

শিশুর মস্তিস্কের উন্নয়নে ১৮০ ডিম

গবেষণায় দেখা গেছে, ছয় মাস মাত্র একটি করে ডিম খাওয়ালে শিশুর মস্তিষ্কের  বিকাশ ও কার্যকারিতা দ্রুত বৃদ্ধি পায়। মাত্র একটি করে ডিম ছয় মাস খেলে শিশু বিশেষ করে তরুণদের কোলেইন এবং ডিএইচএর উভয়েরই মাত্রা বৃদ্ধি পায়, যা মস্তিষ্ক ও স্বাস্থ্যের সঙ্গে জড়িত। অন্যান্য খাবারের তুলনায় ডিম তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ী এবং পুষ্টিকর। ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটির ব্রাউন স্কুলের লেখক লরা ইয়ান্টি বলেন, `দুধ বা বীজের মতো ডিমগুলি জীবের প্রারম্ভিক বৃদ্ধির এবং উন্নয়নে সহায়তা করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে এবং এর ফলে, পুষ্টির উপাদানগুলি এর মধ্যে রয়েছে। ডিম অত্যাবশ্যকীয় ফ্যাটি অ্যাসিড, প্রোটিন, কোলিন, ভিটামিন এ এবং বি ১২ অন্যান্য প্রাণীর খাদ্যজাত দ্রব্যগুলির তুলনায় বেশি সরবরাহ করে।` সূত্র: ডেইলি মেইল   একে/এসএইচ

টেস্টিং সল্টে রয়েছে ভয়ংকর বিষ

খাবারের স্বাদ বাড়ানোর জন্য ব্যবহৃত টেস্টিং সল্ট নামে মারাত্মক বিষ গ্রহণ করছে মানুষ। এটি একটি রাসায়নিক উপাদান, যা খাবারকে মুখরোচক বা মজাদার করার লক্ষ্যে বেশি ব্যবহৃত হয়। এটি অধিক পরিমাণে ব্যবহার করলে স্বায়ুতন্ত্রের ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে বলছেন বিজ্ঞানীরা। বিভিন্ন জটিল রোগের ঝুঁকি আছে এতে, অথচ কোনো পুষ্টিগুণই নেই। টেস্টিং সল্ট প্রধানত চায়নিজ ও থাই খাবারে এবং পাশাপাশি নামিদামি হোটেল, বিয়ে, মেজবানসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের রান্নায় অধিক পরিমাণে ব্যবহার করা হয়। অনেকে ঘরোয়াভাবে তৈরি খাবারেও ব্যবহার করেন এই সল্ট। চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা টেস্টিং সল্টকে স্নায়ুবিষ বলে আখ্যায়িত করেছেন। বিশেষজ্ঞরা জানান, টেস্টিং সল্ট মস্তিস্ককে উদ্দীপ্ত করে এমন একটি অবস্থার সৃষ্টি করে যাতে মনে হয়, খাবারটি খুবই সুস্বাদু। মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর টেস্টিং সল্টমিশ্রিত খাবার সরবরাহ নিষিদ্ধ করতে সরকারকে উদ্যোগী হতে আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টেস্টিং সল্ট মানবদেহে প্রবেশ করে কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রকে বিষিয়ে তোলে। ফলে মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়। ঘুম কম হয়। আক্রান্ত ব্যক্তির কাছে স্বাভাবিক খাবার অরুচিকর লাগে। কাজে মনোযোগ দেওয়ার ক্ষমতা হ্রাস পায়। নিয়মিত টেস্টিং সল্ট ব্যবহারকারীদের মধ্যে মাথাব্যথা, খিঁচুনি, হরমোন নিঃসরণে গোলযোগ, শিশুদের ক্ষেত্রে লেখাপড়ায় কম মনোযোগ, মনোবৈকল্য, অতিরিক্ত ছটফটানি ভাব, মুটিয়ে যাওয়া, হাঠৎ ক্ষেপে যাওয়া ইত্যাদি লক্ষণ দেখা দিতে পারে। অ্যাজমায় আক্রান্ত ব্যক্তিরা টেস্টিং সল্ট খেলে শ্বাসকষ্ট হতে পারে। এ ছাড়া মস্তিস্কে ক্যান্সারের ঝুঁকিও বাড়িয়ে দেয় এটি। ১৯০৮ সালে জাপানি রসায়নবিদ ও টোকিও ইমপেরিয়াল ইউনিভার্সিটির গবেষক কিকুনেই ইকেতা টেস্টিং সল্ট উদ্ভাবন করেন। সে সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ও পরে চীনে খাবার সুগন্ধিকারক হিসেবে এটি জনপ্রিয়তা পায়। তবে বর্তমানে চীনে টেস্টিং সল্ট নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সম্প্রতি ভারতের উত্তর প্রদেশের বারবানকি এলাকায় এক খাদ্য নিরাপত্তা কর্মকর্তা একটি বহুজাতিক কোম্পানির খাদ্যে টেস্টিং সল্ট পাওয়ার প্রমাণ দেওয়ার পর দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। এরপর সরকার ওই বহুজাতিক কোম্পানি পণ্যটি নিষিদ্ধ করতে বাধ্য হয়। খাবারের স্বাদবর্ধনকারী টেস্টিংসল্টের ক্ষতিকর দিক তুলে ধরা হয়েছে। এবার সিদ্ধান্ত নেয়ার দায়িত্ব আপনার।   একে/এমআর  

বিয়ের পর যে কারণে মুটিয়ে যায় নারীরা!

বিয়ের পর অনেক নারীই মুটিয়ে যান। বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ার নারীদের মধ্যে বিয়ের পর মুটিয়ে যাবার প্রবণতা অনেক বেশি। অনেকেই এ মুটিয়ে যাওয়াকে নেতিবাচকভাবে দেখেন। তবে ফিজিশিয়ানরা একে খুবই ‘সাধারণ’ এবং ইতিবাচক হিসেবেই দেখেন। মুটিয়ে যাবার কারণ নিয়ে আমাদের মধ্যে আছে নানান ধারণা। মিশ্র এ ধারণাগুলোর মধ্যে কিছু কিছু প্রচলিত ধারণা আছে যা খুবই ভুল। তাহলে আসুন জেনে নেওয়া যাক সঠিক কারণগুলো। ১) শারীরিক মিলন মুটিয়ে যাওয়ার কারণ নয়- বিয়ের পর নারীরা তাদের স্বামীর সঙ্গে খুব ঘন ঘন শারীরিক মিলনে আবদ্ধ হন। অনেকেই মনে করেন যে, এমন মিলন মেয়েদের শরীরে হরমোনজনিত পরিবর্তন আনে। ফলে মুটিয়ে যায় পুরো শরীর। তবে চিকিৎসা বিজ্ঞান এমন ধারণাকে সমর্থন করে না। তবে আসল কারণ যাই হোক, শারীরিক মিলন নারীদের মুটিয়ে যাওয়ার জন্য মোটেও দায়ী নয়। অনেকেই আবার মনে করেন উন্মুক্ত শারীরিক মিলনের ফলে মুটিয়ে যেতে পারেন নারীরা। তবে এখানেও দ্বিমত চিকিৎসা বিজ্ঞানের। বিশেষজ্ঞরা বলেন, দুই থেকে তিন মিলি বীর্যে মাত্র ১৫ ক্যালরি থাকে। অর্থাৎ মুটিয়ে যাওয়ার সঙ্গে শারীরিক মিলনের কোন সম্পর্ক নেই। ২) হঠাৎ করে ব্যায়াম ছেড়ে দেওয়া- বিয়ের দিন, তারিখ ঠিক হবার পর অনেক নারীই ব্যায়াম শুরু করেন। ইয়োগা থেকে শুরু করে অনেকে নিয়ম করে জিমও করে থাকেন। বিশেষ দিনে নিজেকে স্লিম এবং আকর্ষণীয় করে তুলতেই তাদের এসব প্রস্তুতি। কিন্তু বিয়ের পর? বিয়ের পর অধিকাংশ নারীই ব্যায়ামের অভ্যাস ধরে রাখতে পারেন না। এভাবে ব্যায়াম ছেড়ে দেওয়াই মুটিয়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ। ৩) ভারী খাবার-দাবার- বিয়েতে তো অনেক ভারী খাওয়া দাওয়া হয়। আর বিয়ের পরে যেন নতুন করে শুরু হয়। দক্ষিণ এশিয়ার অনেক অঞ্চলেই প্রচলিত প্রথা হলো বিয়ের পর নব দম্পতিকে নিকট আত্মীয়দের বাড়ি বেড়াতে যেতে হয়। আর বেড়ানো মানেই প্রচুর খাওয়া-দাওয়া। বিয়ের এক থেকে দুই বছরের মধ্যেই মুটিয়ে যাওয়ার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি। ৪) নিরাপদ বোধ করাতেও মুটিয়ে যান বিবাহিত নারীরা- ২০১৩ সালে প্রকাশিত ‘হেলথ সাইকোলজি’ শিরোনামের একটি সমীক্ষায় জানা যায়, বিয়ের পর যেসব নারীরা তাদের বিবাহিত জীবন নিয়ে নিরাপদ বোধ করেন তাদের মধ্যে মুটিয়ে যাবার প্রবণতা বেশি। অতিরিক্ত দুশ্চিন্তায় যেমন স্বাস্থ্যহানী হয় তেমনি অতিরিক্ত ভালবাসা আর যত্নেও মুটিয়ে যান নারীরা। অর্থাৎ বিবাহিত নারীদের মুটিয়ে যাওয়ার কারণগুলো খুবই সাধারণ। অতিরিক আরাম-আয়েশ আর খাদ্যাভ্যাসের কারণেই মুটিয়ে যান তারা। তাই বিয়ের পর ফিগার ধরে রাখতে নিয়ম মেনে জীবন যাপন করুন। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া   //এসএইচএস//এসএইচ

শীতে শরীর চাঙা রাখে বাঁধাকপি

শীতের দিনে ঠান্ডা সাধারণ ব্যাপার। তবে তা মাত্রায় বেশি হলে শরীরের জন্য হয়ে ওঠে অস্বস্তিকর। ঠান্ডার প্রভাবে অনেকে আবার অসুস্থও হয়ে পড়েন। আর সে অস্বস্তি বা শরীরের অসুস্থ্যতা থেকে রক্ষা করবে বাঁধাকপি। চিকিৎসকরা বলছেন, শীতকালে ঠান্ডায় শরীরকে চাঙা রাখতে নিয়মিত বাঁধাকপির রস খাওয়ার বিকল্প নেই। গোলাকার এ সবজিতে আছে প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন এবং মিনারেল। সেই সঙ্গে রয়েছে ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, সালফার, ফসফরাস এবং ফলেটের মতো উপকারি উপাদানও, যা নানাভাবে শরীরের গঠনে সাহায্য করে থাকে।এমনকি এ সবজিটি ত্বকের যত্নেও ঔষধ হিসেবে কাজ করে। তাই প্রতিদিনের খাবারে এ কপি রাখা যেতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, রান্না করার সময় অল্প হলেও এই সবজির উপকারি উপাদান নষ্ট হয়ে যায়। সেই কারণেই তো রান্না করে নয়, বরং বাঁধাকোপির রস বানিয়ে তা খাওয়া উচিত। এমনটা করলে সবজির অন্দরে থাকা প্রতিটি ভিটামিন এবং মিনারেল আমাদের শরীরে প্রবেশ করার সুযোগ পেয়ে যায়। ফলে মেলে নানা উপকার। যেমন... ১. শরীরে পুষ্টির ঘাটতি দূর হয়: যেমনটা একেবারে শুরুতেই আলোচনা করা হয়েছে যে বাঁধাকপিতে প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন এবং অন্যান্য খনিজ উপাদান থাকে, যেমন- ভিটামিন সি, এ,বি১,বি২,বি৬,ই এবং কে। এই সবকটি ভিটামিনই শরীরে নানা উপকারে লেগে থাকে। ২. ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ায়: সারা দিন দূষণ এবং খাবারের মাধ্যমে নানাবিধ ক্ষতিকর টক্সিক বা বিষ আমাদের শরীরে প্রবেশ করতে থাকে। এই বিষাক্ত উপাদানেরা রক্তে মিশে যাওয়ার পর যেমন শরীরের প্রতিটি কোণায় পৌঁছে যায়, তেমনি ত্বকের অন্দরেও জমতে শুরু করে। ফলে ধীরে ধীরে ত্বকের সৌন্দর্য কমে যায়। সেই সঙ্গে নানাবিধ ত্বকের রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও বাড়ে। এমন অবস্থায় নিয়মিত যদি বাঁধাকোপির রস খাওয়া যায়, তাহলে দারুন উপকার মেলে। কারণ এই সবজিটিতে থাকা সালফার এবং ফসফরাস ত্বকের ভিতরে জমতে থাকা বর্জ্য পদার্থদের বের করে দেয়। সেই সঙ্গে স্কিনের অন্দরে হওয়া পুষ্টির ঘাটতিও দূর করে। ফলে ধীরে ধীরে ত্বক উজ্জ্বল এবং প্রাণচ্ছ্বল হয়ে ওঠে। ৩. শরীরকে বিষ মুক্ত করে: বাঁধাকপির রসে উপস্থিত ভিটামিন কে এবং সি আমাদের শরীরের অন্দরে উপস্থিত ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানদের বের করে দেয়। ফলে একদিকে যেমন কোষেদের কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়, তেমনি ক্যান্সারের মতো রোগ হওয়ার সম্ভাবনাও কমে। প্রসঙ্গত, হার্টকে দীর্ঘদিন কর্মক্ষম রাখতেও এই দুই ভিটামিন দুটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ৪. রোগ প্রতিরোধ ব্য়বস্থার উন্নতি ঘটায়: শরীরকে নানাবিধ জীবাণু এবং ফরেন বডির হাত থেকে বাঁচাতে আমাদের শরীরের অন্দরে বেশি কিছু সৈনিক রাত্রি দিন কাজ করে চলে। এরা যখন কাজ করতে করতে দুর্বল হয়ে পড়ে, তখনই মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে নানা রোগ। আপনি কি চান, আপনার সৈনিকেরও এমন দুর্বল হয়ে পড়ুক। উত্তর যদি না হয়, তাহলে আজ থেকেই বাঁধাকোপির রস খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন উপকার মিলবে। কারণ এই প্রকৃতিক উপদানাটি ইমিউন সিস্টেমকে এত মাত্রায় শক্তিশালী করে তোলে যে ছোট-বড় কোনও রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না। সেই সঙ্গে কমে সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও। ৫. লিভার ফাংশনের উন্নতি ঘটে: শরীরকে চাঙ্গা রাখতে যে যে অঙ্গগুলির কোনও বিকল্প হয় না, লিভার তাদের অন্যতম। সেই কারণেই তো চিকিৎসকেরা লিভারের একটু বেশি মাত্রায় খেয়াল রাখার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। আর এই কাজটি যাতে আপনি ঠিক ঠিক মতো করতে পারেন, তার জন্যই তো বাঁধাকোপির রস খাওয়া জরুরি। কারণ এই পানীয়টি খাওয়া শুরু করলে শরীরে ইনডোল-৩ কার্বোনাইল নামে একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টর মাত্রা বাড়তে শুরু করে, যা শরীরকে বিষ মুক্ত করার পাশাপাশি লিভার ফাংশনের উন্নতিতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে। ৬. ওজন কমাতে সাহায্য করে: অতিরিক্ত ওজন আজ অভিশাপের সমান। কারণটা খুব সহজ! মাত্রাতিরিক্ত ওজন মানেই তার লেজুর হবে ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরল এবং হার্টের রোগের মতো মারণ ব্যাধি। আর এমনটা হলে জীবনে একেবারেই শান্তি থাকবে না, তা কি আর বলে দিতে হবে। তাই কোমড়ের মাপ যদি বাড়তে শুরু করে, তাহলে আজ থেকেই বাঁধাকোপির রস খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন দ্রুত ওজন কমে যাবে। আসলে নিয়মিত বাঁধাকোপির রস খেলে ইনটেস্টটাইনের কর্মক্ষমতা বাড়তে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে। আর এমনটা হলে মেদ বৃদ্ধির আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। সেই সঙ্গে নানাবিধ পেটের রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও কমে। আরকে// এআর

ধূমপায়ীরা ফুসফুস পরিষ্কার রাখবেন যেভাবে

ক্ষতিকারক অভ্যাস যেমন ধূমপান ছেড়ে দেওয়ার কথা চিন্তা করা অনেকের পক্ষে অসম্ভব মনে হয়। ধূমপান ফুসফুসকে ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে। ধূমপানের কারণে ফুসফুসে বিষাক্ত পদার্থ জমা হয়। এর ফলে ফুসফুস ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ক্যানসারও হতে পারে। তবে এমন কিছু খাবার আছে, যা ধূমপায়ীদের ফুসফুস পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। এমন কিছু খাবারের পরিচিতি থাকছে আজ। ১. আদা: ঠান্ডায় নাক বন্ধ হওয়া রোধে ঘরোয়া দাওয়াই হলো আদা। তবে ধূমপায়ীদেরও ফুসফুস পরিষ্কার করতে পারে আদা। প্রতিদিন এক টুকরো আদা চিবুলে শ্বাসতন্ত্র ও ফুসফুস থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর হয়ে যায়। ২. লেবুর শরবত: ফুসফুস শক্তিশালী ও বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে প্রতিদিন সকালে কুসুম গরম পানিতে লেবুর শরবত বানিয়ে পান করতে পারেন। ৩. গ্রিন টি: গ্রিন টি অন্ত্রের বিষাক্ত পদার্থ দূর ও ফুসফুসকে পরিষ্কার রাখে। এটি সবার ক্ষেত্রেই উপকারী। ৪. আনারস: অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার প্রাকৃতিকভাবেই ফুসফুস পরিষ্কার করে। আনারসের জুস এবং ক্র্যানবেরির জুস নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখুন। এসব ফলের জুসে প্রচুর পরিমাণে রয়েছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও ভিটামিন সি। ৫. গাজরের জুস: ফুসফুসকে পরিষ্কার রাখতে কার্যকর ভূমিকা রাখে গাজরের জুস। প্রতিদিন দুই বেলা এই জুস খেলে ফুসফুস শক্তিশালী হয়। ৬. পুদিনা পাতা: পুদিনা পাতা ফুসফুসের যেকোনো সংক্রমণের সঙ্গে লড়াই করতে পারে। তাই প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় পুদিনা পাতা রাখুন। ৭. দুগ্ধ জাতীয় খাবারকে না: ফুসফুস পরিষ্কার রাখতে হলে দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার বাদ দিতে হবে। কারণ দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার ফুসফুস পরিষ্কার প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে। ৮. যোগব্যায়াম: নিয়মিত যোগব্যায়াম করলে ফুসফুস পরিষ্কার ও শক্তিশালী হয়। যোগব্যায়ামের ক্ষেত্রে গভীর শ্বাসপ্রশ্বাস নিতে হয়, যা আপনার শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দেয়। তবে ফুসফুসকে পুরোপুরি পরিষ্কার রাখতে ধূমপান ছেড়ে দেওয়াই ভালো। দেখুন, চেষ্টা করে ছাড়তে পারেন কি না এই বাজে অভ্যাস।  একে// এআর

পিৎজা খেলে ওজন কমবে!

আপনি কী পিৎজা খেতে ভালবাসেন? কিন্তু মুটিয়ে যাওয়ার ভয়ে খাচ্ছেন না? তাহলে আর চিন্তা নেই। গবেষকরা বলছে, পিৎজা খেলে আপনার ওজন বাড়বে তো নাই, বরং কমবে। কী অবাক হচ্ছেন? অবাক হলেও ঘটনা কিন্তু সত্যি। বিজ্ঞানীরা বলছেন, পিৎজা খেলে ওজন বাড়বে না। শুধু তাই নয়, আইসক্রীম বা পাস্তা খেলেও ওজন বাড়বে না। বরং তা ওজন হ্রাসে সাহায্য করবে। পর্তুগালে চালানো এক সমীক্ষা থেকে গবেষকেরা দেখেন যে, সপ্তাহে অন্তত একবার পিৎজা বা পাস্তার মত খাবার খেলে আপনার ওজন হ্রাসে তা সহায়ক হবে। গবেষণায় এক দল লোককে দুইটি দলে ভাগ করা হয়। একদল লোককে ওজন কমানোর জন্য নিয়ন্ত্রিত খাবার দেওয়া হয়। অন্য দলকে নিয়ন্ত্রিত খাবারের সাথে পিৎজা এবং পাস্তা দেওয়া হয়। গবেষণায় দেখা যায়, যাদেরকে নিয়ন্ত্রিত খাবারের সাথে পিজা বা পাস্তার মত খাবার দেওয়া হয় তারা বাকিদের থেকে নিয়ন্ত্রিত খাবারের প্রতি বেশি উৎসাহী এবং আগ্রহী। অন্যদিকে আরেক দল নিয়ন্ত্রিত খাবারের ওপর থেকে দ্রুত আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন। গবেষকরা বলছেন, ফাস্টফুড বা এ ধরণের খাবার সপ্তাহে অন্তত একদিন খেলে তা ঐ মানুষটিকে নিয়ন্ত্রিত খাবারের প্রতি আরও আগ্রহী করে তোলে। উদাহরণ স্বরপ এক ব্যক্তি যদি একদিন ডোনাট খায় তাহলে তার সামনে পরের দিন আবার একটি ডোনাট আনা হলে তিনি তার প্রতি খুব একটা আগ্রহী প্রকাশ করবেন না। উপরন্তু সে গত দিন ডোনাট খাওয়ার জন্য নিয়ন্ত্রিত খাবারের জন্য আরও বেশি উৎসাহী হবে। অন্যদিকে যে ব্যক্তি ডোনাট খায়নি তার সামনে যখনই ডোনাট আনা হবে সে তার প্রতি আগ্রহী থাকবে। এই আগ্রহের দরুণ তিনি যখন ডোনাট খাবেন তখন তা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি খাবেন। যারা কারণে তার নিয়ন্ত্রিত খাবারের কাঙ্খিত ফলাফলা পাওয়া যাবে না। মাঝে মাঝে পিৎজার মত খাবার খাওয়া মানসিক স্বাস্থ্যের জন্যও ভালো বলে দাবি করেন গবেষকেরা। তারা বলেন, নিয়মিত এবং নিয়ন্ত্রিত হারে এমন খাবার আপনার শরীরের সেই হরমন নিঃসরণে সাহায্য করে যা আপনাকে ভেতর থেকে আনন্দ অনুভব করাবে। অন্যদিকে, প্রতিদিন শুকনো খাবার বা নিয়ন্ত্রিত খাদ্য তালিকায় একই খাবার থাকা একজন ব্যক্তিকে ওজন হ্রাসে অনাগ্রহী করে তুলবে। উপরন্তু হতাশা এবং অনীহা দেশে কর্টিসল হরমোন তৈরি করবে যা ওজন বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। তাই এখন থেকে আর আক্ষেপ না করে নিয়ন্ত্রিত হারে খেতে থাকুন পিৎজা, পাস্তা এবং আইসক্রীম। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া   এসএইচএস/টিকে  

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে পাঁচ ভেষজ

উচ্চ রক্তচাপকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। উচ্চ রক্তচাপের আগের থেকে কোনো লক্ষণও দেখা যায় না। এছাড়াও উচ্চ রক্তচাপ হার্ট এটাক, ডায়াবেটিস এবং হৃদযন্ত্রের ক্রিয়াও বন্ধ হওয়ার কারণ। উচ্চ রক্তচাপের কারণে অনেকের দৃষ্টি শক্তিও কম হতে দেখা যায়। তবে এই পাঁচটি ভেষজ মসলা যদি নিয়মিত আপনার খাবার তালিকায় থাকে তাহলে নিয়ন্ত্রণে থাকবে রক্তচাপ। ভেষজগুলো হল- ১.পুদিনা: পুদিনা শুধু খাবারের একটি উপাদানই নয়। বরং উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে কার্যকরি ভূমিকা রাখতে পারে পুদিনা। ইতালীয় বিভিন্ন খাবার যেমন পিজ্জা বা পাস্তায় ব্যবহার করা যেতে পারে পুদিনা। এছাড়াও দিনে অন্তত একবার পুদিনা পাতার শরবত খেলে উপকার পাওয়া যাবে। ২.দারুচিনি: দারুচিনিকে বহুমাত্রিকভাবে ব্যবহার করা যায়। উপমহাদেশের রান্নায় দারুচিনি এমনিতেই অনেক জনপ্রিয়। দারুচিনি উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। খাবার রান্না ছাড়াও চা, কফি এবং শুকনো খাবারের সাথেও দারুচিনিকে রাখা যায়। এমনকি শুধু দারুচিনিও চিবিয়ে খাওয়া যেতে পারে। ৩. এলাচ: খাবারের মধ্যে কামড়ে এলাচ পরলে যতটা খারাপ লাগে, ভেষজ গুণাগুণে ততটাই সমৃদ্ধ এলাচ। আপনার প্রতিদিনকার খাবারে যদি এলাচ থাকে তাহলে কয়েক মাসের মধ্যেই উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখতে পারবেন। চা বা অন্যান্য পানীয় ছাড়াও বিভিন্ন খাবারে স্বাদ বৃদ্ধিতে এলাচ ব্যবহার করা যেতে পারে। স্বাদের পাশাপাশি খাবারে একটি সুঘ্রাণেরও ব্যবস্থা করবে এলাচ। ৪.শণ বীজ: উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিডের কার্যকরী ভূমিকার প্রমাণ পাওয়া গেছে। আর এই এসিডের উত্তম যোগানদাতা শণ বীজ। এছাড়াও এন্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবেও কাজ করে এ বীজ। যে কারণে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতেও কাজ করে। স্যুপ, স্মুথি এবং কাক জাতীয় খাবারে ব্যবহার করা যেতে পারে শণ বীজ। ৫. আদা: আদা রক্ত নালীকে প্রসারিত রাখতে সাহায্য করে। যে কারণে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে কাজ করে আদা। স্বাভাবিক রক্তপ্রবাহে এবং উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে আদা। সূত্র: এনডিটিভি   এসএইচএস/টিকে

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি