ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৬ আগস্ট, ২০১৮ ২৩:৫৫:৩৬

কোরবানির মাংস সংরক্ষণের সহজ উপায়   

কোরবানির মাংস সংরক্ষণের সহজ উপায়   

কোরবানি ঈদের আরমাত্র ক’দিন বাকী। ঈদের অন্যতম আনন্দের বিষয় গরু খাসির মাংস দিয়ে নিজেদের ভুরিভোজ আর অতিথিদের আপ্যায়ন। এই ঈদে নিজের খাওয়া দাওয়া, অতিথিদের আপ্যায়ন আর গরীব দুঃখীদের মাঝে মাংস বিতরণের পর অনেক মাংস থেকে যায়।    পরে তা সংরক্ষনের প্রয়োজন পড়ে। কিন্তু একটুখানি ভুলের কারণে কোরবানির মাংস নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই আপনাদের সুবিধার্থে মাংস সংরক্ষরনের কয়েকটি সহজ ধাপ উল্লেখ করা হলো।    ফ্রিজে মাংস সংরক্ষনের পদ্ধতি   *ফ্রিজে মাংস রাখার পূর্বে ফ্রিজ ভালো করে পরিষ্কার করে নিতে হবে। *ভালোভাবে পরিষ্কার করে দুর্গন্ধ মুক্ত করেতে হবে। * মাংস সংরক্ষনের পূর্বে ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে। পানি ঝরাতে প্রয়োজনে চালনিযুক্ত ঝুড়ি ব্যবহার করতে পারেন। * মাংস ফ্রিজে রাখার আগে অবশ্যই মাংস থেকে রক্ত, চর্বি, পানি পরিষ্কার করে নিতে হবে। ‘এগুলো থাকলে ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে পারে। * ফ্রিজে মাংস রাখার ক্ষেত্রে বড় বড় টুকরো করে রাখতে হবে। কারণ, ছোট টুকরোতেও অনেক সময় পানি ও রক্ত জমে থাকে। *এবার পলিব্যাগে ভরে ছোট পুটলা করে ফ্রিজে রেখে সংরক্ষণ করতে পারেন। *ধুয়ে সংরক্ষণ করতে না চাইলে শুকনো কাপড় দিয়ে মাংসের রক্ত পরিষ্কার করে ফ্রিজে রেখে সংরক্ষণ করতে পারেন। *একটু ভারী পলিব্যাগ পরিহার করতে পারেন। কেননা পাতলা পলিব্যাগ ব্যবহার করলে বের করার সময় পলিব্যাগ ছিঁড়ে যায়।   *প্রতিটি ব্যাগের মাঝখানে কাপড় বা কাগজ দিয়ে রাখতে পারেন এতে প্রতিটা ব্যাগ একটার সাথে আরেকটা লেগে যাবে না।   *মাংস সংরক্ষণের সময় প্যাকেটের গায়ে সংরক্ষণের তারিখ এবং গরু না খাসি সেটা লিখে রাখতে পারেন। এতে পরবর্তীতে চিনতে সমস্যা না হয় না।   এমএইচ/এসি      
অতিরিক্ত মাংস খাওয়ার ৯ কুফল

কোরবানি ঈদে অন্যতম খাবার হচ্ছে মাংস। এই ঈদে প্রায় অধিকাংশ লোকই অতিরিক্ত মাংস খেয়ে ফেলেন। কিন্তু পরিমিত মাংস খাওয়ার বাইরে যদি অতিরিক্ত মাংস শরীরে পড়ে তাহলে স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর। এতে ওজন বেড়ে যাওয়ার মতো অনেক সমস্যায় ভুগতে হয়। তাই বলে এসব ক্ষতি কমাতে মাংস খাওয়া একদম বাদ দেবেন না। মাংস খাওয়ার সময়ে পরিমাণ কম রাখলেই আপনি ভালো থাকবেন। তবে চলুন অতিরিক্ত মাংস খাওয়া ফলে শরীরে যেসব ক্ষতি হচ্ছে- ১) ডিহাইড্রেশন অতিরিক্ত প্রোটিন খাওয়ার ফলে ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে। পানিশূন্যতার কারণে আপনার বেশি ক্লান্তি লাগতে পারে, ত্বক খারাপ হয়ে যেতে পারে এমনকি পেশী ব্যথা হতে পারে। ২) শরীরে দুর্গন্ধ শরীর ঘেমে গেলে যদি দুর্গন্ধ বেশি হয়, তাহলে হয়তো আপনার মাংস খাওয়াটা অতিরিক্ত হয়ে যাচ্ছে। ৩) কোষ্ঠকাঠিন্য শর্করার বদলে বেশি আমিষ খাওয়া গলে কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দিতে পারে। মাংসের পরিমাণ কমিয়ে এর পাশাপাশি ফল ও সবজি বেশি খাওয়া হলে কোষ্ঠকাঠিন্যের ঝুঁকি কমানো যায়। ৪) মাথাব্যথা মাংস বেশি খাওয়ার ফলে ডিহাইড্রেশন হয়, এরই কারণে দেখা দেয় মাথাব্যথা। শুধু তাই নয়, মাংস বেশি এবং শর্করা কম খাওয়া হলে মস্তিষ্ক যথেষ্ট জ্বালানী পায় না, ফলে মাথাব্যথা এবং চিন্তায় ধীরতা চলে আসে। ৫) চোখের সমস্যা বেশি মাংস খাওয়া হলো দৃষ্টিশক্তি কমে যাবার ঝুঁকি বাড়ে। এর কারণ হলো, মাংসে থাকা স্যাচুরেটেড ফ্যাট চোখের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র রক্তনালীকার জন্য ক্ষতিকর। ৬) হাড়ের দুর্বলতা খুব বেশি প্রোটিন খাওয়া হলে শরীর থেকে ক্যালসিয়াম বের হয়ে যায় বেশি পরিমাণে। মাংসের পাশাপাশি ক্যালসিয়াম খাওয়ার পরিমাণ বাড়ালে এ সমস্যাটি কমে বটে। কিন্তু মাংস খাওয়া কম রাখাই আসলে ভালো। ৭) ক্লান্তি সবসময়েই যদি আপনি ক্লান্তি বোধ করতে থাকেন তাহলে হয়তো আপনার খাদ্যাভ্যাস এর জন্য দায়ী। অনেক সময়ে মাংস বেশি খাওয়ায় তা হজম হয় না। এর কারণে ক্লান্তি দেখা যায়। ৮) নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ শরীরে দুর্গন্ধের পাশাপাশি নিঃশ্বাসেও দুর্গন্ধ হতে পারে বেশি মাংস খাওয়ার কারণে। বেশি প্রোটিন এবং চর্বি খাওয়ার কারণে শরীর কিটোন নামের এক ধরণের রাসায়নিক উৎপাদন করে। কিটোন নিঃশ্বাসের সাথে শরীর থেকে বের হয় এবং নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ তৈরি করে। ৯) পেটের সমস্যা আমাদের পেটে এমন অনেক উপকারী ব্যাকটেরিয়া থাকে যারা আমাদের স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলে। অতিরিক্ত মাংস খাওয়ার ফলে এসব ব্যাকটেরিয়ার ক্ষতি হয়। ফলস্বরূপ স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। কেএনইউ

ওজন কমাতে কার্যকর ৯ মশলা

প্রতিদিনের রান্নায় ব্যবহার করা বিভিন্ন রকম মশলা আমরা খেয়ে থাকি। তার মধ্যে বেশ কিছু মশলা ওজন কমাতে বেশ সহায়ক। তার মধ্যে গোল মরিচ, আদা, দারচিনি ইত্যাদি মশলা ওজন কমাতে বেশ গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখে। এইসব মশলা ওজন কমাতে ও হার্ট ভালো রাখতে খুবই কার্যকরী। তাহলে জেনে নিন যেসব মশলা আমাদের ওজন কমাতে বেশ সহায়তা করে- ১) মেথি মেথি পাঁচ ফোঁড়নের অন্যতম একটি মশলা। এটি ওজন কমাতে সাহায্য করা ছাড়াও আরও বিভিন্ন রোগ সারাতেও বিশেষভাবে কাজ করে। এতে রয়েছে রক্তের চিনির মাত্রা কমানোর বিস্ময়কর শক্তি। তাই ওজন কমানোর পাশাপাশি ডায়াবেটিসও নিয়ন্ত্রণে রাখে।   ২) এলাচ এলাচে রয়েছে নানা রকম রাসায়নিক উপাদান। যেমন: টর্পিন, টপিনিনোল, সিনিওল, এসিটেট, টপিনিল ইত্যাদি। এইসব উপাদান শরীরের ফ্যাটবার্ন করার ক্ষমতা বাড়ায়। ফলে শরীরে ফ্যাট জমে না। ৩) দারচিনি ওজন কমাতে দারচিনি বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে। নিয়মিত দারচিনি খেলে খিদে কমে যায়। শুধু তাই নয়, দারচিনি শরীরের জমে থাকা মেদ গলাতে সাহায্য করে। এটি শরীরের সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে, তাই ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য এটি খুবই উপকারী। এছাড়াও পেটের রোগ, ইনফ্লুয়েঞ্জা, টায়ফয়েড, টিবি ও ক্যান্সার প্রতিরোধে দারুচিনি খুবই কার্যকরী। ৪) হলুদ হলুদের বিশেষ গুণ এই যে, এটি ফ্যাট টিস্যু তৈরি হতে দেয় না। ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে। ৫) আদা আদা শুধু সর্দি-কাশিতেই উপকারি নয়, এতে রয়েছে আরও অনেক গুণ! পেট পরিষ্কার করার ক্ষেত্রে আদা খুবই কার্যকরী। এটি পাচনতন্ত্রে জমে থাকা খাবার পরিষ্কার করে দেয় ফলে ফ্যাট জমতে পারে না। ফ্যাট না জমলে ওজন এমনিতেই নিয়ন্ত্রণে থাকবে। এ ছাড়া আদার রস শরীরের জমে থাকা চর্বি দূর করতে সহায়তা করে। ৬) কাঁচালঙ্কা কাঁচালঙ্কায় রয়েছে অ্যাকজেলিক অ্যাসিড, কিউনিক অ্যাসিড, অ্যামিনো অ্যাসিড, এস্কার্বিক অ্যাসিড, সাক্সিনিক অ্যাসিড, শিকিমিক অ্যাসিড, ফোলিক অ্যাসিড, সাইট্রিক অ্যাসিড, ম্যালিক অ্যাসিড, মেলানিক অ্যাসিড, আল্ফা-এমিরন, ক্যান্সিডিনা, ক্যারোটিন্স, ক্রিপ্টোক্যানসিন, ফ্ল্যাভনয়েডস প্রভৃতি। এগুলো ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। আর কাঁচালঙ্কার ক্যাপসিসিন খিদেও নিয়ন্ত্রণ করে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, কাঁচালঙ্কা মেটাবলিজম বাড়িয়ে অতিরিক্ত ক্যালরি বার্ন করতে সহায়তা করে। ৭) মৌরি মৌরি পাচনতন্ত্রের উপকার করে, খিদে কমায়। আর এটি লিভারেরও ক্ষেত্রেও খুব উপকারী। মৌরি মাউথ ফ্রেশনার হিসেবেও খুবই কার্যকরী। ৮) ইসবগুল ইসবগুল পেট পরিষ্কার রাখে, হজম শক্তি বাড়ায়। আর ক্ষুধা অনুভব কমায়। প্রতি রাতে শোয়ার আগে ইসবগুল খেলে ওজন কমবে। অনেক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ দিনে দুবেলা খাবারের ১০ মিনিট পূর্বে তিন চামচ ইসবগুল খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। ৯) জিরা বদহজম, পেট ফোলা এবং খাবারে অরুচি সমস্যায় জিরা খুবই উপকারি। পাইলসের সমস্যায় মিছরির সঙ্গে জিরা মিশিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যায়। নিয়মিত জিরা খেলে ওজন কমে। বেশি খাবার খাওয়ার অস্বস্তি থেকেও জিরা-জল মুক্তি দেয়। সূত্র : জি নিউজ। কেএনইউ/

যৌন উদ্দীপনা বাড়ায় ৬ খাবার

বর্তমান শহুরে জীবনধারা মানসিক চাপ বাড়ায় এ কথা তো জানা সবারই। কিন্তু একই সঙ্গে তা যৌন ইচ্ছে কমানোর জন্যও দায়ী। মানসিক বা শারীরিক চাপ যত বাড়ে লিবিডো বা যৌনতার ইচ্ছা তত হ্রাস পায়। যদি দীর্ঘদিন ধরে আপনি যৌনতা না করে থাকেন বা যৌনতার ইচ্ছাই না জন্মায় তাহলে কিন্তু সতর্ক হওয়াই ভালো। যদি আপনি নিয়মিত ব্যায়াম করেন, সুস্থ খাবার খাচ্ছেন এবং মানসিক চাপও খুব কম হয় তাহলে আপনার যৌন জীবনও সুন্দর। কিন্তু অতিরিক্ত চাপ, উদ্বেগ, শারীরিক ক্লান্তি এবং খিটখিটে মেজাজ যত বাড়বে আপনার লিবিডো কমবে ততই। আপনার যৌনক্ষমতা বৃদ্ধি করার জন্য, কিছু খাবার আছে যা নিয়মিত খাদ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন। তরমুজ তরমুজ শুধু শরীরে পানির মাত্রা বাড়ানো ও ওজন কমাতেই সাহায্য করে না যৌন ইচ্ছা বাড়াতেও একই রকম সাহায্য করে এই মৌসুমি ফল। এই ফলের মধ্যে রয়েছে সিট্র্রোলিন অ্যামিনো অ্যাসিড যা লিবিডোর মাত্রা বাড়ায়। কফি সীমিত পরিমাণে খাওয়া হলে, কফি সেক্স ড্রাইভ বৃদ্ধির জন্য দারুণ উপকারী পানীয়। গবেষণায় দেখা গেছে, পুরুষদের ক্ষেত্রে দিনে দু থেকে তিন কাপ কফি লিবিডো বাড়াতে সাহায্য করে। আমন্ড এবং পেস্তা বাদাম আমন্ডস ভিটামিন ই সমৃদ্ধ। গবেষণায় দেখা যায় যে ভিটামিন ই সমৃদ্ধ খাবারগুলো হরমোনের উৎপাদনের জন্য ভালো, যা আবার লিবিডো বাড়াতেও সাহায্য করে। বাদামে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ই থাকে। আপনার লিবিডো বাড়াতে চাইলে আমন্ড পেস্তা বাদাম খেতে শুরু করুন। পেস্তা তামা, ম্যাঙ্গানিজ এবং জিঙ্কের একটি প্রাকৃতিক উৎস। শুক্রাণুর গুণমান উন্নত করতেও সাহায্য করে বাদাম। পটাসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার শরীরে পটাশিয়ামের ঘাটতি ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টি করতে পারে এবং উচ্চ রক্তচাপও দেখা দিতে পারে। পটাশিয়াম সমৃদ্ধ খাবার যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি করার জন্য উপকারী। কলা, আভোকাডো, শুকনো খুবানি এবং নারকেল পানি সবই পটাশিয়ামের সমৃদ্ধ খাবারের উদাহরণ যা লিবিডো বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। জাফরান যৌনতার ইচ্ছার অনুঘট হিসেবে কাজ করে জাফরান। এটি প্রাকৃতিক উপাদান বলে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও কম। খাবারে জাফরান দিলে তা চাপ কমাতে সাহায্য করে, যৌনতার ইচ্ছাও বাড়ায়। এটি রক্তে ইস্ট্রোজেন, সেরোটোনিন এবং অন্যান্য ফিল-গুড হরমোন উৎপাদন বৃদ্ধি করে। জাফরান উদ্বেগ হ্রাসে সহায়তা করে। ডার্ক চকলেট লিবিডোকে জাগানোর জন ডার্ক চকোলেট হল দারুণ উপকারী। এতে থাকা এল-আর্জিনিন অ্যামিনো অ্যাসিড যৌনতার ইচ্ছা বাড়াতে সাহায্য করে। ডার্ক চকোলেট আপনার অঙ্গ প্রত্যঙ্গে রক্ত ​প্রবাহ বাড়ায়। সূত্র: এনডিটিভি একে//

ভিটামিনের অভাব অসময়ে ডেকে আনতে পারে মৃত্যু!    

ভিটামিনের অভাবে নানান রোগের প্রাণকেন্দ্র হতে পারে আপনার শরীর ৷ গবেষণার তথ্য অনুসারে, দেশজুড়ে কয়েক লক্ষ মানুষ ভিটামিনের অভাবে ভোগেন ৷ ভিটামিনের অভাবে অসময়ে ডেকে আনতে পারে মৃত্যু৷ ভিটামিনের অভাবে ইমিউন সিস্টেমকে দুর্বল করে দেয় ৷ ফলে,খুব দ্রুত রোগাক্রমণের সম্ভবনা থাকে ৷ যার জন্য দায়ী অবশ্য আমাদের জীবনযাত্রাই৷   আপনার শরীরে ভিটামিনের অভাব রয়েছে বুঝবেন কীভাবে? ১) সকালে ফোলা চোখ নিয়ে ঘুম থেকে ওঠা ৷ অনেকের কাছেই বিষয়টি অবহেলার হলেও এটিও হতে পারে একটি অশুভ ইঙ্গিত ৷ প্রতিদিন যদি একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হতে থাকে ৷ তবে, আপনাকে এখনি সাবধান হতে হবে৷ ঘরোয়াভাবে এই অভাব পূরণ করতে খেতে পারেন আলু,দই ইত্যাদি৷  ২) বিবর্ণ ত্বক, হতে পারে আরও একটি লক্ষণ ৷ ভিটামিন (বি-১২) এর অভাবে ত্বকের স্বাভাবিক রঙে পরিবর্তন আসতে পারে ৷ এক্ষেত্রে দই হতে পারে একটি কার্যকরী উপাদান ৷  ৩) ভিটামিন (বি-৭) ও বায়োটিন অভাবে চুল হতে পারে রুক্ষ ৷ যেটা ভিটামিনের অভাব বলে গণ্য হতে পারে ৷ মুক্তির উপায় হতে পারে আমন্ড,বাদাম ইত্যাদি ৷  ৪) শরীরে আয়রনের অভাব হতে পারে একটি কারণ, যেখানে ঠোঁটের রঙে আসতে পারে বেশ পরিবর্তন ৷ প্রচুর শাক-সবজি হতে পারে মুক্তির উপায় ৷ খেতে পারেন পালং শাক, কড়াইশুঁটি ইত্যাদি। ৫) ভিটামিনের অভাব থেকে আরও একটি লক্ষণ দেখা যেতে পারে ৷ ভিটামিন সি এর অভাবে মাড়ি ফোলা, মাড়ি থেকে রক্ত পড়া ইত্যাদি হতে পারে৷ ভিটামিন-সি এর অভাব পূরণ করতে খেতে পারেন লেবু, আঙুর ইত্যাদি ভিটামিন সমৃদ্ধ ফলগুলো ৷ (সূত্রঃ কলকাতা ২৪ঘণ্টা) কেআই/এসি   

ঘুমের ওষুধ নয়, পাতে রাখুন ৬ খাবার

আপনারা অনেকেই ঘুমের সমস্যায় ভুগেন। যতই ঘুমাতে চান না কেন কিন্তু কিছুতেই ঘুম আসে না। আর ঘুম না আসলে তখনেই নির্ভর করতে হয় ঘুমের ওষুধে। কিন্তু এতে আমাদের শরীরে মারাত্মক ক্ষতি হয়। তবে কিছু সাধারণ খাবারে এর সমাধান মিলতে পারে। হতে পারে আপনার ঘুমের ওষুধের বিকল্প। এগুলোর কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও নেই। তাই ঘুমের সমস্যা হলে নির্ভয়ে খেতে পারেন এই সব খাবার। জেনে নিন তেমনই কিছু খাবারের কথা- পাকা কলা কলা খেলে রাতে ভাল ঘুম হয়। কলাকে ঘুমের ওষুদের বিকল্পও বলা যেতে পারে। কলায় আছে ম্যাগনেসিয়াম যা মাংসপেশীকে শিথিল করে। এছাড়াও কলা খেলে মেলাটোনিন ও সেরোটোনিন হরমোন নির্গত হয়ে শরীরে ঘুমের আবেশ নিয়ে আসে। তাই যাদের ঘুম হয় না, তারা রাতের খাবারের সঙ্গে কলা রাখতে পারেন। হালকা গরম দুধ হালকা গরম দুধ অনায়াসেই ঘুমের ওষুধের বিকল্প হতে পারে। অনেকেরই রাতের ঘুমে সমস্যা হয়। যারা রাতে ঠিক সময়ে ঘুমাতে পারছেন না বা বিছানায় শুয়ে এপাশ-ওপাশ করে সারা রাত কাটাচ্ছেন, তারা রাতে ঘুমানোর আগে হালকা গরম দুধ খেয়ে শুতে পারেন। দুধে আছে ট্রাইপটোফান ও এমিনো অ্যাসিড, যা শরীরে ঘুমের আবেশ সৃষ্টি করে। এ ছাড়াও দুধের ক্যালসিয়াম মস্তিষ্কে ট্রাইপটোফান ব্যবহারে সহায়তা করে। এক গ্লাস দুধ খেলে আপনার মানসিক চাপ অনেকটাই কমে যায় এবং শরীর কিছুটা হলেও শিথিল হয়ে আসে। ফলে ঘুম সহজেই চলে আসে। মধু মস্তিষ্কে ওরেক্সিন নামের একটি নিউরোট্রান্সমিটার আছে যা মতিষ্ককে সচল রেখে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়। রাতে ঘুমানোর আগে মধু খেলে মস্তিষ্কে গ্লুকোজ প্রবেশ করে এবং ওরেক্সিন উৎপাদন বন্ধ করে দেয় কিছুক্ষণের জন্য, যা আপনাকে দ্রুত ঘুমিয়ে পড়তে সহায়তা করবে। আলু সেদ্ধ আলু বা রান্না করা আলু আপনার রাতের ঘুমের সহায়ক একটি খাবার হতে পারে। আলু খেলে ট্রাইপটোফানের সাহায্যে হাই তোলায় ব্যাঘাত সৃষ্টিকারী এসিড নষ্ট হয়ে যায়। ফলে আপনার মস্তিষ্ক বেশ দ্রুতই আপনাকে ঘুমিয়ে পড়তে সহায়তা করতে পারে। ওটমিল যারা ওজন সমস্যায় থাকেন তারা অনেকেই ওটমিল খেয়ে থাকেন। ওটমিলে আছে ঘুমে সহায়ক মেলাটোনিন। তাই রাতের খাবার হিসেবে ওটমিল খেলে একদিকে আপনার ওজনটা নিয়ন্ত্রণে থাকবে, অন্য দিকে আপনার রাতের ঘুমটাও ভাল হবে। বাদাম রাতের ঘুমের জন্য আরেকটি উপকারী খাবার হলো বাদাম। যাদের রাতে ঘুমাতে সমস্যা হয় তারা প্রতিদিন রাতের খাবারে ১০/১২ টি বাদাম খেলে রাতের ঘুম ভাল হবে। সূত্র : জি নিউজ। কেএনইউ/

যে খাবার চোখে ঘুম এনে দেবে

ঘুম মানুষের শরীরের সমস্থ ক্লান্তি দূর করে। শরীরকে সুস্থ সতেজ রাখতে ঘুম অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে। দৈনিক কমপক্ষে ছয় থেকে আট ঘণ্টা ঘুমানো জরুরি।এর কম ঘুম হলে সেটা নিদ্রাহীনতা। এই ঘুম নিয়ে অনেকেই বেশ সমস্যায় ভোগেন। রাত হলে সময় মতো বিছানায় যান ঠিকই কিন্তু ঘুম আসে না কিছুতেই! ঘুমের জন্য অপেক্ষা করতে করতে রাতের প্রায় অর্ধেক রাত পার হয়ে যায়। এমন সমস্যায় যাঁরা আছেন, তাদের  অনেকেই ঘুমানোর জন্য ঘুমের ওষুধের আশ্রয় নিয়ে থাকেন। কিন্তু ঘুমের ওষুধের প্রতি অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে। এর থেকে মুক্তি পেতে উপায় কী? কিছু সাধারণ খাবার হতে পারে আপনার ঘুমের ওষুধের বিকল্প হিসেবে কাজ করে থাকে। এগুলো খেলে কোন রূপ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। তাই অনিদ্রার সমস্যার সমাধানের জন্য নির্ভয়ে এবং নির্বিঘ্নেই খেতে পারেন এই খাবারগুলো। আসুন জেনে নিন, তেমনই কিছু খাবার সম্পর্কে, যেগুলো হতে পারে আপনার ঘুমের ওষুধের বিকল্প। পাকা কলা কলা খেলে রাতে ভাল ঘুম হয়। কলাকে ঘুমের ওষুধের বিকল্পও বলা যেতে পারে। পাকা কলায় রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম যা মাংসপেশীকে শিথিল করে।এ ছাড়া কলা খেলে মেলাটোনিন ও সেরোটোনিন হরমোন নির্গত হয়ে শরীরে ঘুমের আবেশ তৈরি করে। তাই যাঁদের ঘুম হয় না, তাঁরা রাতের খাবারের সঙ্গে কলা রাখতে পারেন। গরম দুধ গরম দুধ অনায়াসেই ঘুমের ওষুধের বিকল্প হিসেবে কাজ করে থাকে। যাঁরা রাতে ঠিক সময়ে ঘুমাতে পারছেন না বা বিছানায় শুয়ে এপাশ-ওপাশ করে সারা রাত কাটাচ্ছেন, তাঁরা রাতে ঘুমানোর পূর্বে হালকা গরম দুধ খেয়ে বিছানায় যেতে পারেন। দুধে রয়েছে ট্রাইপটোফান ও এমিনো অ্যাসিড, যা শরীরে ঘুমের আবেশ সৃষ্টি করে। এছাড়া  দুধের ক্যালসিয়াম মস্তিষ্কে ট্রাইপটোফান ব্যবহারে সহায়তা করে থাকে। এক গ্লাস দুধ খেলে আপনার মানসিক চাপ অনেকটাই কমে যায় এবং শরীর কিছুটা হলেও শিথিল হয়ে আসে।ফলে ঘুম সহজেই চলে আসে। মধু মস্তিষ্কে ওরেক্সিন নামের একটি নিউরোট্রান্সমিটার আছে যা মতিষ্ককে সচল রেখে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়।রাতে ঘুমানোর আগে মধু খেলে মস্তিষ্কে গ্লুকোজ প্রবেশ করে এবং ওরেক্সিন উৎপাদন বন্ধ করে দেয় কিছু ক্ষণের জন্য, যা আপনাকে দ্রুত ঘুমিয়ে পড়তে সহায়তা করবে। আলু সেদ্ধ আলু বা রান্না করা আলু আপনার রাতের ঘুমের সহায়ক একটি খাবার হতে পারে। আলু খেলে ট্রাইপটোফানের সাহায্যে হাই তোলায় ব্যাঘাত সৃষ্টিকারী এসিড নষ্ট হয়ে যায়। ফলে আপনার মস্তিষ্ক বেশ দ্রুতই আপনাকে ঘুমিয়ে পড়তে সহায়তা করতে পারে।বাদাম রাতের ঘুমের জন্য আরেকটি উপকারী খাবার হলো বাদাম। যাদের রাতে ঘুমাতে সমস্যা হয় তারা প্রতিদিন রাতের খাবারে ১০/১২ টি বাদাম খেলে রাতের ঘুম ভাল হবে। সূত্রঃ জি নিউজ কেআই/ এআর

কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে বাঁচতে বাদ দিন ৪ খাবার

কোষ্ঠকাঠিন্য এই সময়ের একটি পরিচিত রোগ। কমবেশি সবাই কোনো না কোনো সময় এই রোগে ভোগেন। মূলত হজম ও পরিপাকে সমস্যা দেখা দিলে এটি দেখা দেয়। কিছু খাবার আছে, যা খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দিতে পারে৷ যে খাবারগুলো কোষ্ঠকাঠিন্য সৃষ্টি করতে পারে সেগুলো হলো- ১. কাঁচা কলা: শুনতে আজব লাগলেও একথা সত্যি যে কাঁচা কলা খাওয়া শুরু করলে বাস্তবিকই কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা যায় বেড়ে। আসলে কাঁচা কলায় রয়েছে স্টার্চ, যা সহজে হজম হতে চায় না। ফল স্বরুপ সকালে কষ্ট সহ্য করা ছাড়া আর কোনও উপায় থাকে না। তবে এক্ষেত্রে একটা কথা মাথায় রাখা একান্ত প্রয়োজন, তা হল কাঁচা কলার পরিবর্তে যদি পাকা কলা খাওয়া শুরু করেন, তাহলে কিন্তু নানা উপকার পাওয়া যায়, এমনকী কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো রোগও দূরে পালায়। ২. চুইং গাম: বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে চুইং গাম খেলে শরীরের যেমন নানা ক্ষতি হয়, তেমনি ভুল করে যদি সেটি গিলে ফেলেন, তাহলে তো আরও কেলো! কারণ সেক্ষেত্রে কনস্টিপেশনে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বহু গুণে বেড়ে যায়। তাই বন্ধু সাবধান! প্রথমত শরীরকে চাঙ্গা রাখতে চুইং গাম খাওয়া তো কমান। আর যদি মাঝে-সাঝে খেতেই হয়, তাহলে ঠিক সময়ে সেটি ফেলে দিতে ভুলবেন না যেন! ৩. কফি: দিনে ২-৩ কাপের বেশি কফি খাওয়া শুরু করলে দেহের অন্দরে এমন কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করে যে তার প্রভাবে শুধু কোষ্ঠকাঠিন্য নয়, আরও নানাবিধ পেটের রোগ মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। শুধু তাই নয়, হজমের সমস্যা দেখা দেওয়ার আশঙ্কাও থাকে। ৪. পাঁঠার মাংস: বেশি মাত্রায় এমন মাংস খাওয়া শুরু করলে শরীরে ফ্যাট, প্রোটিন ফাইবার এবং আয়রনের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। ফলে কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো রোগে আক্রান্ত হতে সময় লাগে না। তবে সপ্তাহে ১-২ দিন পাঁঠার মাংস খেলে যদিও এমনটা হয় না। সূত্র : বোল্ডস্কাই। / এআর /

কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে বাঁচতে এড়িয়ে চলুন ৭ খাবার

কোষ্ঠকাঠিন্য এই সময়ের একটি পরিচিত রোগ। কমবেশি সবাই কোনো না কোনো সময় এই রোগে ভোগেন। মূলত হজম ও পরিপাকে সমস্যা দেখা দিলে এটি দেখা দেয়। কিছু খাবার আছে, যা খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে৷ ফল, শাক-সবজি, দই ইত্যাদি খেলে পেট পরিষ্কার থাকে৷ কিন্তু আপনার তালিকায় এমন কয়েকটি খাবার রয়েই যায়, যা থেকে হতে পারে কোষ্ঠকাঠিন্য৷ এ কষ্ট থেকে মুক্তি পেতে আজই মেনু থেকে বাদ দিয়ে দিন এইসব খাবার৷ লাল মাংস: রেড মিটে হাই ফ্যাট থাকে৷ থাকে বেশি পরিমাণ প্রোটিন ফাইবারও৷ ফলে হজম হতে অনেক সময় নেয়৷ তাই পেটের সমস্যা হতেই পারে৷ চকোলেট: চকোলেট খেতে কে না ভালবাসে৷ দুশ্চিন্তা, চাপ কমিয়ে মনকে ভাল রাখতে দারুণ উপকারী চকোলেট৷ কিন্তু এর খারাপ দিকও আছে৷ চকোলেট সহজে হজম হতে চায় না৷ যাঁদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা রয়েছে, তাঁদের বেশি চকোলেট না খাওয়ারই পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা৷ পাউরুটি: কোষ্ঠকাঠিন্যের অন্যতম কারণ ময়দা৷ তাই রোজকার মেনুতে কেক, বিস্কুট, পাউরুটি জাতীয় খাবার বিশেষ না রাখাই ভাল৷ তাহলে শৌচাগারে বসে অন্তত কষ্ট পেতে হবে না৷ এর চেয়ে বরং ওটস খান৷ মদ: মদ্যপানের নানা অপকারিতার মধ্যে অন্যতম বদহজম৷ অতিরিক্ত মদ্যপানে হজম শক্তি কমে৷ সেই সঙ্গে শরীরে জলের পরিমাণও কমে যায়৷ যদি পান করার ইচ্ছা হয়, তবে প্রাণ ভরে জল পান করুন৷ কোষ্ঠকাঠিন্য তো বটেই, নানা রোগ থেকেই দূরে থাকবেন৷ ফাস্ট ফুড: চিপস, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, বার্গার, পিজ্জা, এগরোল, মোগলাইয়ের নাম শুনলেই যেন জিভে জল আসে৷ লোভ সম্বোরণ করা কঠিন হয়ে ওঠে৷ কিন্তু সবই তো খেতে হবে পেট বুঝে৷ তাই না? এসব খাবারে পুষ্টিকর উপাদান এবং ফাইবার কম থাকে৷ উলটে প্রচুর পরিমাণ ফ্যাট ঢোকে শরীরে৷ দুধজাতীয় দ্রব্য: দুধ, চিজ কিংবা আইস ক্রিম খেতে অনেকেই ভালবাসেন৷ সুস্বাদু এই খাবার খেলে মনটাও যেন ভাল হয়ে যায়৷ কিন্তু খারাপ হয়ে যায় পেট৷ দুধজাতীয় দ্রব্যে বেশি পরিমাণ ল্যাকটোস থাকায় পেটে গ্যাস হতে পারে৷ কাঁচকলা: কলা কোষ্ঠকাঠিন্য দূরে রাখতে দারুণ উপকারী৷ কিন্তু ঠিক উলটো কাজটা করে কাঁচকলা৷ যাঁরা প্রায়ই কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভোগেন তাঁদের পাতে এ খাবার না দেওয়াই ভাল৷ / এআর /

রান্নায় কালো জিরা দিলে যেসব উপকার মিলবে

তরিতরকারি থেকে ময়দা বা বেসনের যে কোনও মুখরোচক ভাজাভুজির জন্য কালো জিরা আমাদের অত্যন্ত কাজে আসে। তবে শুধু খাবারের স্বাদ বৃদ্ধিতেই নয়, আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় এই মশলার ব্যবহার খুবই। বিশেষত, বর্ষায় কালো জিরা মাধ্যমে কাটিয়ে উঠতে পারেন হঠাৎ ঠাণ্ডা লাগা, সর্দি কাশির সমস্যাও। কালো জিরাতে রয়েছে ফসফরাস, ফসফেট ও আয়রন। এই সব খনিজ শরীর অনেকটাই রোগমুক্ত রাখতে সাহায্য করে। তাই নিয়মিত খাদ্যতালিকায় কালো জিরা রাখুন। ঠাণ্ডা লাগার সমস্যা মোকাবিলা ছাড়াও দেখে নিন এর বাকি গুণাগুণ। ১. মেডিসিন বিশেষজ্ঞদের মতে, কালো জিরার ফসফরাস রোগ প্রতিরোধে অত্যন্ত কার্যকর। শরীরের যে কোনও জীবাণুর সঙ্গে লড়ে যেতে কালো জিরার ভূমিকা অসামান্য। ২. শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা থেকে রেহাই পেতে অনেক চিকিৎসকই রোগীর পথ্যে কালো জিরা রাখতে বলেন। কালো জিরার আয়রন ও ফসফেট শরীরে অক্সিজেনের ভারসাম্য রাখে। ৩. অনেকেরই বর্ষায় ঠাণ্ডা লেগে মাথা ধরে। ঘরোয়া উপায়ে তা কাটাতে হলে একটা পুঁটুলিতে কালো জিরা বেঁধে তা রোদে শুকোতে দিন। এর পর তা নাকের কাছে ধরে থাকলে জমে থাকা শ্লেষ্মা বেরিয়ে যায়, মাথা যন্ত্রণাও ছাড়ে। ৪. বর্ষায় পেটের সমস্যা থাকলে কালো জিরা রাখুন মেনুতে। ভাজা কালো জিরা গুঁড়ো করে আধ কাপ দুধে মিশিয়ে খেলে তা পেটের সমস্যাকে দূরে রাখে। ৫. কালো জিরা অ্যান্টি টক্সিনের কাজ করে। তাই তা প্রস্রাবকে নিয়মিত ও পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

প্রতিদিনের খাবারে যোগ করুন কিনো  

মানুষের চাহিদা মেটানোর জন্য নানা রকম ফলের উদ্ভব ঘটে থাকে। কোনো কোনো ফল দেখতে একই রকম কিন্তু এক রকম নয়। তেমনি কিনো ফল দেখতে হুবহু কমলা লেবুর মতো। কিন্তু ফলটি আদতে কমলালেবু নয়।বাজারে এখন পাওয়া যাচ্ছে এ কিনো। সাধারণত পাঞ্জাবের ফলের রাজা হিসেবেই পরিচিত এই কিনো। দুই ধরণের সাইট্রাস ফলের সংকরায়ন ঘটিয়ে তৈরি করা হয় কিনো- এক, কিং (সাইট্রাস নোবিল), দুই, উইলো লিফ (সাইট্রাস এক্স ডেলিসিওসা)। পুষ্টিবিজ্ঞানী ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, আমাদের দৈনন্দিন খাদ্যের সাথে কিনো যোগ করলে বিভিন্ন দিক থেকেই শরীরের উপকারে আসে এই ফল।   কিনো দুই রকম সাইট্রাস ফলের সংমিশ্রণে তৈরি   ১. হজমের সহায়ক এই ফলটি খুব সহজে হজম হয়ে যায় এবং নিজেও হজমে সাহায্য করে। তাই আপনার পেটের বাঁ হজমের সমস্যা থেকে থাকলে এই ফল খাওয়া শুরু করতে পারেন। ব্রেকফাস্টে দুধের বদলে কিনোর জ্যুস খেতে পারেন। ২. অম্লতা থেকে মুক্তি যদি আপনার অ্যসিডিটির সমস্যা থেকে থাকে তবে কিনো খেয়ে উপকার পাবেন। এই ফল খনিজ লবণে সমৃদ্ধ হওয়ায় অ্যাসিডিটি কমাতে সক্ষম। দিনে দু’টো কিনো আপনাকে অম্লতার সমস্যা থেকে বাঁচাতে পারে। ৩. ভিটামিন সি এবং খনিজ পদার্থে সমৃদ্ধ ভিটামিন C- তে সমৃদ্ধ এই ফল। কিনো অ্যান্ট এজিং হিসেবেও কাজ করে। কিনো ফল হিসেবে বা জ্যুস করে খেলে বলিরেখা থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়। এই ফলে উপস্থিত খনিজগুলি আমাদের সামগ্রিক বিপাকক্ষমতা বৃদ্ধি করে, ঔজ্জ্বল্য বাড়াতেও সাহায্য করে। ৪. প্রাকৃতিক শারীরিক শক্তি প্রস্তুতকারক নিয়মিত খেলে কিনো আমাদের শরীরের শক্তি বাড়াতে সাহায্য করতে পারে। গ্লুকোজ, ফ্রুকটোজ এবং সুক্রোজ সহ বিপুল পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট থাকায় এই ফলটি এনার্জি তৈরিতে খুবই উপকারী। যদি আপনি নিয়মিত ব্যায়াম করেন বা প্রতিদিন ভীষণ চাপের মধ্যে থেকে কাজ করেন তবে রোজ সকালে বাঁ ব্যায়ামের পর এক গ্লাস কিনোর জ্যুস খেয়ে দেখতে পারেন। ৫. কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, কিনো খারাপ কোলেস্টেরলের উপস্থিতি কমিয়ে আমাদের শরীরের ভাল কোলেস্টেরলের পরিমাণ বাড়াতে সাহায্য করে। অর্থাৎ, রোজ কিনো খেলে এথেরোস্ক্লেরোসিস, হৃদরোগ এবং স্ট্রোকের সম্ভাবনা কমাতে পারে। গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ, সুক্রোজ সহ বিপুল পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট রয়েছে এই ফলে। অন্যান্য সাইট্রাস ফলের তুলনায়, কিনোয়াতে রয়েছে অনেক বেশি পরিমাণ ক্যালসিয়াম। মানে, আপনার হাড়কে শক্তিশালী করে তুলতে এই ফল কিন্তু যথেষ্ট উপকারী। এই ফলের খোসা বিভিন্ন ভেষজ প্রসাধনীতে ব্যবহার করা হয়। ব্ল্যাকহেডস দূর করতে এটি একটি অব্যর্থ ঘরোয়া টোটকা। এসি    

ফল খেলেও বেড়ে যায় ওজন

কিছু ফল আর সবজি ওজন কমাতে বেশ সাহায্য করে। তাই ওজন কমাতে খাদ্যতালিকার বেশির ভাগ অংশ জুড়েই থাকে ফল ও সবজি। কিন্তু এমন কিছু ফল এবং সবজি আছে যেগুলো ওজন না কমে বরং ওজন বাড়িয়ে দেয়৷ জেনে নিন এমন কিছু ফল ও সবজি সম্পর্কে। শুকনো ফল ফল থেকে যতটা সম্ভব জলীয় অংশ দূর করে শুকনো ফল তৈরি করা হয়। এর অর্থ হলো এতে যোগ হয় অতিরিক্ত ক্যালরি। এক কাপ শুকনো কিশমিশে থাকে প্রায় ৫০০ ক্যালরি। সবজির জুস সবজির পুষ্টি পেতে অনেকেই সবজির ব্লেন্ড করা জুস পান করেন। কিন্তু সত্যি কথাটি হলো এতে আরো চিনি এবং লবণ যোগ করা থাকে। এর অর্থ হলো অতিরিক্ত সোডিয়াম গ্রহণ। গ্রীষ্মকালীন ফল গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ফল যেমন আম এবং আনারস অবশ্যই সুস্বাদু, কিন্তু অন্য ফলের তুলনায় এসব ফলে থাকে উচ্চ মাত্রায় ক্যালরি। এগুলো সীমিত পরিমাণে খান। তার বদলে খেতে পারেন আপেল। এতে ক্যালরিও কম গ্রহণ করা হবে, আবার উচ্চমাত্রায় ফাইবারও গ্রহণ করা হবে। সূত্র : কলকাতা টুয়েন্টিফোর। কেএনইউ/ এআর

সব বয়সী নারীদের এই ৬ ফল অবশ্যই খাওয়া উচিত

নারীরা অফিস, সংসার, সম্পর্ক সব একা হাতে সামলানোর পরেও নিজেদের সুন্দর করে সাজিয়ে রাখেন। তাদেরও খারাপ দিন আসে, মুড সুইং হয়, ক্র্যাম্প হয়, শক্তিক্ষয় হয়, মাথা যন্ত্রণা হয়। সর্বোপরি বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তারা রাগি হয়ে যায়। ভিটামিন  বি১২, সি, ডি এবং আয়রন ও ক্যালশিয়াম এই সময় তাদের বিশেষ প্রয়োজন। নারীদের দেহের বিভিন্ন জৈবিক প্রয়োজনে বিভিন্ন স্বাস্থ্যকর খাদ্য, ফল ইত্যাদি গ্রহণ অত্যন্ত প্রয়োজন হয়। ডায়াবেটিস, হাড় ক্ষয়, স্তন ক্যানসার, হার্টের বিভিন্ন সমস্যা, দৃষ্টিশক্তি ক্ষীণ হয়ে আসা, ত্বকের বার্ধক্য ইত্যাদি বিভিন্ন সমস্যা দূরে রাখতে সুষম ও স্বাস্থ্যকর খাদ্যগ্রহণ অবশ্যই প্রয়োজন। চেরি মধ্য বয়সী নারীদের গাউট এবং আরথ্রাইটিসের সমস্যা দূর করে চেরি। এছাড়াও, চেরিতে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। সপ্তাহে কয়েক ডজন চেরি বা মিষ্টিবিহীন চেরির রস সপ্তাহে তিন-চার দিন পান করুন। অথবা, দই সহযোগে তাজা চেরি গ্রহণ করুন, দেহে ভিটামিন অনুপ্রবেশ করবে। টম্যাটো লাইসোপিন নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের উৎকৃষ্ট উৎস টম্যাটো। লাইসোপিন নারীদের দেহে ক্যানসার কোষ জন্মাতে এবং বৃদ্ধি পেতে বাধা সৃষ্টি করে এবং হার্টের সমস্যা দূর করে। এছাড়াও, লাইসোপিন গ্রহণের ফলে ত্বকের বার্ধক্য আসতেও দেরি হয় বলে গবেষণায় জানা গেছে। রান্না, কাঁচা, জুস করে বা মিষ্টিবিহীন সস হিসাবে টম্যাটো গ্রহণ করুন। পেঁপে পেঁপে আমাদের শরীরের পক্ষে অত্যন্ত উপকারী। ভিটামিন এ, সি, ফলেট এবং অন্যান্য ফাইটোকেমিক্যালের উৎকৃষ্ট উৎস পেঁপে। পেঁপেতে পাপাইন নামক উতসেচক থাকে যা আমাদের হজম ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এছাড়াও পেঁপেতে প্রচুর পরিমাণে বিটা ক্যারোটিন থাকে। মিষ্টি পেঁপে ডায়াবেটিস, হার্টের সমস্যা, বুকজ্বালা ইত্যাদি বিভিন্ন সমস্যার হাত থেকে আমাদের রেহাই দেয়। কাঁচা, পাকা বা শুকনো- যেভাবে খুশি পেঁপে গ্রহণ করুন।  পেয়ারা ১০০ গ্রাম পেয়ারায় ২২৮ দশমিক ৩ গ্রাম ভিটামিন সি উপস্থিত। এই ফলটা অনেকে শক্ত ও বীজযুক্ত হওয়ায় এড়িয়ে যায়। কিন্তু এই ফল আমাদের শরীরের পক্ষে ভীষণ উপকারী। পরীক্ষায় প্রমাণিত হয়েছে, পেয়ারা রক্ত শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখে। পেয়ারায় প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম ও তন্তু থাকে যা হার্ট ভাল রাখতে সাহায্য করে। মাসিকের সমস্যা ও পেটে ব্যথা কমাতেও সাহায্য করে পেয়ারা। এছাড়া, মানসিক সমস্যা, দৃষ্টিশক্তি, বর্ণ, মেটাবলিজম ইত্যাদি ভাল করে এই ছোট্ট ফল।   আপেল আপেলে প্রচুর পরিমাণে পেকটিন থাকে, যা আমাদের দেহে অতিরিক্ত ফ্যাট সংশ্লেষিত হতে বাধা দেয়। আমাদের অনেকটা সময় পেট ভর্তি রাখতে সাহায্য করে আপেল। এছাড়াও জানা গেছে, নিয়মিত আপেল গ্রহণ করলে হার্টের সমস্যা দূর হয়। এছাড়াও যে সব নারীরা নিয়মিত আপেল গ্রহণ করেন তাদের করোনারি সমস্যা কম হয়।  অ্যাভোক্যাডো অ্যাভোক্যাডো যে শুধুমাত্র আমাদের স্বাদকোরককে সন্তুষ্ট করে তা নয়, নারীদের প্রিয় বন্ধু অ্যাভোক্যাডো। এই সুস্বাদু ফলে স্বাস্থ্যকর মনোস্যাচুরেডেট ফ্যাট থাকে যা, এলডিএল বা খারাপ কোলেস্টেরল কম করতে সাহায্য করে এবং শরীরের অতিরিক্ত মেদ দূর করে। তাই নারীরা আর অপেক্ষা কীসের? এই সব ফলগুলো নিয়মিত খাওয়া শুরু করুন এবং সুস্থ ও সুন্দর থাকুন। সূত্র: এনডিটিভি একে//

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি