ঢাকা, শুক্রবার, ২০ এপ্রিল, ২০১৮ ১৬:৩২:১২

৪ বছরে ফ্যাশন ব্র্যান্ড সেইলর

৪ বছরে ফ্যাশন ব্র্যান্ড সেইলর

বিভিন্ন উৎসব বা ঋতু অনুযায়ী পোশাক তৈরি করে সর্বশেষ ফ্যাশন ট্রেন্ডে ক্রেতাদের পরিচিত করতেই নবীন ব্র্যান্ড হিসাবে সেইলরের যাত্রা শুরু হয় ২০১৫ সালের ৩ এপ্রিল।  অভিজ্ঞ ডিজাইনারদের তৈরি বৈচিত্র্যময় পোশাক নিয়ে ঢাকায় মোট ১০টি আউটলেট এখন সেইলরের। ডিজাইন, ফিটিংস, ক্রেতা সেবা দিয়ে ফ্যাশন সচেতনদের মাঝে সেইলর ইতমধ্যে স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করে নিয়েছে।
অন্ধকারে থাকলে গোপন শক্তি কমে

আধা আলো-আধা অন্ধকার মানেই সঙ্গিনীর শরীর ছোঁয়ার ইচ্ছা, গাঢ় আলিঙ্গণ বা আরও বেশি কিছু। আর ঝকঝকে দিনের আলো মানেই যৌনতাহীন কর্মব্যস্ত জীবন, এই ধারণা এবার বদলাতে চলেছে। অন্তত গবেষণা তেমনই বলছে। ইটালির গবেষকদের দাবি, টানা দু’সপ্তাহের প্রতিদিন অন্ধকারে ডিজিটাল গ্যাজেটের সামনে বসে কাজ করলে যৌন বাসনা কমে যায়। এই সমস্যায় ভুগছে বিশ্বের প্রায় সমস্ত প্রযুক্তি নির্ভর পুরুষ। অন্ধকার ঘর, একান্তে স্বল্পবসনা সঙ্গিনীর শরীরী হাতছানি সত্ত্বেও তা পরিপূর্ণ উপভোগ করার ইচ্ছাই হয় না পুরুষ সঙ্গীর। এর জন্য আপাতভাবে কর্মব্যস্ততার দোহাই দেওয়া হয়। তবে গবেষণা বলছে শুধুই মানসিক চাপ নয়, এর পেছনে রয়েছে হরমোনের অঙ্গুলিহেলন। কবি তো সেই কবে বলেছেন, ‘ভালবাসা আসলেতে পিটুইটারির খেলা, আমরা বোকারা বলি প্রেম’। এই তত্ত্বে একমত পোষণ করেছেন ইতালির গবেষক ডা. ফ্যাজিওলিনি। তিনি জানিয়েছেন, ঝকঝকে আলোয় পিটুইটারি থেকে লিউটিনাইজিং হরমোন ক্ষরণ বাড়ে। যা টেস্টোস্টেরন ক্ষরণ বাড়িয়ে যৌন কামনাকে উদ্দীপিত করে। তাই সারাদিন মাঠে-ঘাটে কাজ করে ক্লান্ত শরীরে বাড়ি ফিরেও সামান্য অবকাশ মিললে সঙ্গিনীর সঙ্গে যৌন মিলনের আগে দু’বারও ভাবেন না প্রযুক্তির নিরিখে পিছিয়ে থাকা পুরুষ। অন্যদিকে ঠান্ডা ঘর, সাজানো বিছানা, একান্ত অবসর, স্বল্প পোশাকে সজ্জিত নারী শরীরও যৌন কামনা সৃষ্টিতে ব্যর্থ হয়। কারণ লাগাতার অন্ধকারে থাকার ফলে লিউটিনাইজিং হরমোন ক্ষরণ কম হয়। যার প্রভাবে টেস্টোস্টেরন নিঃসরণও কমে যায়। যৌন মিলন না হওয়ার কারণে অতৃপ্ত যুগল চিকিৎসার জন্য ডা. ফ্যাজিওলিনির শরণাপন্ন হলে তিনি নেচার থেরাপির পরামর্শই দেন। এই চিকিৎসা পদ্ধতিতে না লাগে কোনও ওষুধ, না কোনও জড়িবুটি। নিছকই ঝকঝকে আলোয় দিনের একটা অংশ কাটাতে বলা হয়। আর তাতেই মেলে উপকার। এতে দাম্পত্যের রসায়ন মধুর হওয়ার পাশাপাশি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কোনও ভয় নেই বলে ফ্যাজিওলিনির দাবি। সূত্র: সংবাদ প্রতিদিনএকে//

নারীদের ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল

বর্তমানে সারা বিশ্বে নারীদের সফলতার স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে। আর তাই নারীদের প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মান জানাতে প্রত্যেক বছরে ৮ মার্চ দিনটিকে নারী দিবস উদযাপন করা হয়। এখন সারা বিশ্বে যে কোন কাজেই নারীকেই পাওয়া যায়। তবে কিছু কিছু কাজ ছাড়া প্রায় সব কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্যেবোধ করে নারীরা। তেমনি একটা ক্ষেত্র হলো ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল। নারীরা এ বিষয়ে খুব বেশিই সচেতন বলা যায়। পুরুষদের ফ্যাশন কেমন হবে তা নারীরাই নির্ধারণ করতে পারে। তাই বলা যায় দেশের ফ্যাশনেবল জায়গাটা যেন নারীদেরই দখলে। আমাদের দেশে প্রায় সব ফ্যাশনেবল দোকানেই নারীদের থাকতে দেখা যায়। কোন পোষাকটা কাকে মানাবে, কোন সাজটা কাকে দেখতে ভালো রাখবে সব নারীরাই ভালো নির্দেশ দিয়ে থাকেন। নারীর এই সৌন্দর্যবোধ দক্ষতা থাকার কারণে অনেক পুরুষই সাজগোজের বিষয়ে নারীদের ওপরই আস্থা রাখেন। তবে ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল নিয়ে কাজটা যতটা সহজ মনে হয় ততটা সহজ নয়। এখানে সম্পূর্ণ রুচিবোধের ব্যাপার। রুচিবোধের মাধ্যমেই নারীরা দেখিয়ে দেয় তারা কতটা সাফল্য। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নারীরা শাড়ির ডিজাইন এবং বিভিন্ন পোশাকের বৈচিত্র এনেছে। নারীরাই এই ডিজাইনের মূল বাহক। ফ্যাশনের পাশাপাশি তারা সাজের দিকটাও খুব মনোযোগী। নারীরা যেমন ফ্যাশনে দক্ষ তেমনি সাজ-গোজেও পটু। দেশের প্রায় সব পার্লারই নারীদের আয়ত্তে। কিভাবে ত্বকের যত্ন নিতে হবে, কোন উপায়ে ত্বকটা সতেজ থাকবে, কোনটাতে ক্ষতি হবে এসব প্রশ্ন পার্লারেই সমাধান দিয়ে থাকেন। কেএনইউ/ এসএইচ/          

রোজ বিছানা ঝাড়লে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে পারে!

রোজ বিছানা ঝাড়া প্রত্যেক মানুষের একটা স্বভাবতই কাজ। এমনকি দৈনন্দিন রুটিনও বলা যায়। ঘর পরিষ্কার রাখার একমাত্র উপায় হচ্ছে বিছানা পরিষ্কার করা। বিছানা পরিষ্কার না থাকলে যতুই ঘর পরিষ্কার বা গোছানো থাকুক না কেন ঘরটা অপরিষ্কার দেখায়। তাই সবার আগে বিছানাটা ঝেড়ে পরিষ্কার করে রাখা হয়। আর তাছাড়া সকালে বিছানাটা পরিষ্কার দেখলে মনে পজিটিভ এনার্জিও সৃষ্টি হয়। বিছানা না ঝাড়লে যেন ঘুমই আসতে চায় না। তাছাড়া বিছানা পরিপাটি না থাকলে মনে হয় সবসময় বিছানায় ধুলোবালি লেগেই আছে। এ ধারণাটা ভুল। রোজ বিছানা ঝাড়লে শরীরের অনেক বড় ক্ষতি হয়ে যেতে পারে এমনটা গবেষকরা জানিয়েছে। গবেষকদের মতে, সকালে ঘুম থেকে উঠেই বিছানা ঝাড়লে কিংবা ঘন ঘন বিছানা ঝাড়লে শরীরে নানা রকম সমস্যা দেখা দিবে। এছাড়া অ্যাজমা এর প্রধান কারণ। কেননা ধুলোর মধ্যে অনেক ছোট ছোট পোকা থাকে। যা গরমের মধ্যে বাড়ে। আর ঘুমের সময় যেহেতু আমাদের শরীর গরম হয়ে যায় তাই সেই পোকাগুলি বিছানায় থাকা ধুলোর মধ্যে বাড়তে শুরু করে। আর আপনি যখন বিছানা ছাড়ের তখন পোকাগুলি বিছানার উপরেই থাকে। তবে পর্যাপ্ত গরম না পেয়ে সেগুলি মরে যায়। এরপর বিছানা ঝাড়ার ফলে ওই মরা পোকাগুলি নিশ্বাসের সঙ্গে শরীরে ঢুকে যায় যার ফলে অ্যাজমার মতো বড় ধরনের সমস্যা দেখা যায়। বিছানা না ঝেড়ে যা করতে হবে : ১) রোজ বিছানা ঝাড়ার কোনও দরকার নেই। বিছানা হালকা করে হাত দিয়ে গুছিয়ে নিতে পারেন। ২) আপনার যদি মনে হয় বিছানা না ঝাড়লে অপরিষ্কার মনে হয়, তেমন হলে দু-তিন দিন অন্তর বিছানার চাদর বদলে ফেলুন। তাহলে দেখবেন বিছানা দেখতে পরিষ্কার মনে হচ্ছে, এতে বিছানা ঝাড়ার প্রয়োজন হবে না। ৩) গরমকালে বিছানার চাদর বেশি পরিবর্তন করুন। কারণ এই সময় ঘুমের মধ্যে ঘাম হয়। এর থেকেও পোকার উপদ্রব বাড়তে থাকে। ৪) শুধু বিছানার চাদরই নয়, বালিশেও পোকা থাকে। এ থেকে অনেক সময় মুখে ব্রণের সমস্যাও দেখা দিতে পারে। তাই বিছানার চাদরের পাশাপাশি বালিশের কভারও পরিবর্তন করে ফেলুন। তথ্যসূত্র : ইনাডু ইন্ডিয়া। /কেএনইউ/এসএইচ/  

গরমে চোখের যত্নে সানগ্লাস

শীত শেষ। শুরু হয়েছে গরম। এ সময় মনে হয় সূর্য যেন পৃথিবীর কাছাকাছি অবস্থান করে। যে কারণে প্রচণ্ড তাপে অস্বস্তি গরম লাগে। তাছাড়া গরমকালে চারিদিকে ধূলোবালি উড়তে থাকে। যে পাশেই তাকান না কেন ধূলোবালি এসে আপনার চোখেই পড়ে। এমন কি সূর্যের আলোটাও চোখে পড়ে মারাত্বক ক্ষতি করে। কিন্তু উপায় নেই বাহিরে কাজের জন্য বের হতেই হবে। এসব সমস্যা থেকে যতই দূরে থাকতে চান না কেন সূর্যের আলো আর ধূলোবালি আপনার সঙ্গ ছাড়বে না। তবে ত্বকে সানস্ক্রিন লাগিয়ে রক্ষা করা গেলেও চোখ রক্ষা করবেন কিভাবে? তাই গরমকালে চোখের সুরক্ষায় প্রয়োজন সানগ্লাস। সানগ্লাস ফ্যাশনেবল হিসেবে নারী-পুরুষ উভয়ই পরতে পছন্দ করে। সাধারণত সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি যা আমাদের চোখের কর্ণিয়া এবং রেটিনার ক্ষতি করে। এ ক্ষতিকর অতি বেগুনি রশ্মিকে সানগ্লাস আমাদের চোখে পৌঁছাতে দেয় না। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত সূর্যের আলোর তীব্রতা বেশি থাকে, তাই এ সময় সানগ্লাস ব্যবহার করা দরকার। তবে যে কোন সানগ্লাস পরলেই হবে না। সানগ্লাস নেওয়ার আগে একটু বাছাই করে নেওয়াটাই ভালো। খেয়াল রাখবেন, চোখের কোণা যেন ঢেকে যায় এমন সানগ্লাস কিনতে হবে। তবে শেড গ্লাসের চাহিদা এখন খুব বেশি। চিকিৎসকদের মতে, বাদামি রং ও বাদামি শেডের সানগ্লাস চোখের জন্য ভালো। এতে বেশ আরাম পাওয়া যায়। সানগ্লাসে নীল রংটা এড়িয়ে চলাটাই ভালো। রোদে সানগ্লাস পরে বাড়ি ফিরে চোখে বেশি করে পানির ঝাপটা দিন। খালি চোখে বা সানগ্লাস পরে সরাসরি সূর্যের দিকে তাকাবেন না। রাতে সানগ্লাস পরার দরকার নাই। তথ্যসূত্র : বর্তমান।  কেএনইউ/এসএইচ/          

মিরপুরে জেন্টল পার্কের ফ্ল্যাগশীপ স্টোর

পাশ্চাত্য ট্রেন্ড নির্ভর ও পরিচ্ছন্ন মর্ডান লুক এর জন্য তরুণ-তরুণীদের পছন্দের স্টোর জেন্টল পার্ক। প্যাটার্ন ও ডিজাইন বৈচিত্র্য নিয়ে ফ্যাশন ট্রেন্ডে আধুনিকতার প্রকাশ তাই ব্র্যান্ডটির পোশাকী ক্যানভাসে। এবার ১২ বছর যাত্রা উপলক্ষে জেন্টল পার্ক মিরপুরে আরো একটি নতুন ফ্ল্যাগশীপ স্টোর চালু করেছে। সুবিশাল পরিসরে, দৃষ্টিনন্দন ইন্টেরিয়রের উস্থাপনায় স্ট্রিটওয়ার বা ফরমাল প্রতিটি পণ্যই সমকালীন তারুণ্যের চাহিদা নির্ভর।  মিরপুর ১ সনি সিনেমা হলের নীচতলায় ৪ ফেব্রুয়ারি এই ফ্ল্যাগশীপ স্টোরটির উদ্বোধন করেন চলচ্চিত্র অভিনেতা অনন্ত জলিল ও অভিনেত্রী বর্ষা। এসময়ে জেন্টল পার্কের চীফ ডিজাইনার শাহাদৎ চৌধুরী বাবু জানান, শপিং-এ ক্রেতাবান্ধব স্বসিÍ আর পণ্যের বৈচিত্র্যতা বেশি প্রদর্শনের জন্যই নতুন এই ফ্ল্যাগশীপ স্টোর। আপ টু ডেট  মেনজ, ওমেন ও জুনিয়র এই তিন ধরনের আউটফিটে ডিজাইন ও টেইলরিং মুন্সিয়ানা এখানে থাকবে শতভাগ বৈচিত্র্যপূর্ণ। পাশাপাশি ফ্ল্যাগশীপ স্টোরটি থেকে দুটি পণ্য কেনাকাটায় থাকছে একটি পণ্য বিনামূল্যে পাবার সুযোগও। এছাড়াও অনলাইন স্টোরে থাকছে প্রোডাক্ট নিয়ে বিস্তারিত ইন্টারেক্টিভ উপস্থাপনা। জেন্টল পার্কের সারাদেশের ত্রিশের অধিক স্টোরে কেনাকাটার পাশাপাশি পণ্য অর্ডার করা যাবে অনলাইনেও। উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম জিইসি মোড়, যমুনা ফিউচার পার্ক, উত্তরার পর এটি চতুর্থ ফ্ল্যাগশীপ স্টোর। বর্তমানে সারাদেশে ৩১ টি রিটেইল স্টোর রয়েছে জেন্টল পার্কের।  

কাঠের বাসন পরিষ্কার রাখার উপায়

প্রাচীনকালে রান্না ঘরে ব্যবহারকৃত বাসনপত্র ছিল সবই কাঠের তৈরি। কিন্তু আজকাল কেউই কাঠের বাসনপত্র ব্যবহার করে না। কেননা কাঠের বাসনপত্র পরিষ্কার করা অনেক ঝামেলা বলে। তবে এখনও অনেকেরই রান্নাঘরে কাঠের বাসনপত্র ব্যবহার করতে দেখা যায়। কাঠের বাসনপত্রে রান্নার দাগ লেগে গেলে সহজেই উঠতে চায় না। তবে কাঠের বাসনপত্র পরিষ্কার করার কিছু নিয়ম বা উপায় আছে। সেগুলো একুশে টিভি অনলাইনে দেওয়া হলো-   লেবুর রস গরম পানিতে লেবুর রস মেশান। ওই মিশ্রণের মধ্যে কাঠের বাসনগুলি ১৫ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। তারপর লেবুর জল থেকে তুলে শুকনো কাপড় দিয়ে মুছে রোদে শুকোতে দিলেই বাসনের দাগ, গন্ধ সব দূর হয়ে যাবে। লবণ গরম পানির সঙ্গে লবণ মিশিয়ে কাঠের বাসনগুলি পাঁচ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। এবার জল থেকে তুলে কাপড় দিয়ে ভালো করে মুছে সূর্যের আলোতে শুকিয়ে নিলেই বাসন অনেকদিন ভালো থাকবে। হলুদ প্রথমে কাঠের বাসনগুলি পানি দিয়ে ভিজিয়ে রাখুন। তারপর লেবুর রস ও হলুদ দিয়ে ঘষলেই কাঠের বাসন পরিষ্কার হয়ে যাবে। বেকিং সোডা লেবুর রসের সঙ্গে বেকিং সোডা মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করুন। এবার এই পেস্টটি কাঠের বাসনগুলিতে ১৫ মিনিট লাগিয়ে রোদে শুকোতে দিন। এবার গরম পানি দিয়ে ভালো করে বাসন ধুয়ে ফেললেই কাঠের বাসনের দাগ উঠে যাবে। ভিনিগার প্রথমে একটি বাটিতে এক চামচ ভিনিগার ও এক টেবিল চামচ মধু মেশান। এরপর এতে একটি সুতির কাপড় ভিজিয়ে বাসনগুলি মুছে নিন। এবার বাসনগুলি শুকিয়ে নিলেই বাসনগুলি নতুনের মতো মনে হবে।  গরম পানি কাঠের চামচে রান্না করার সময় অনেকটা খাবার লেগে যায় চামচে। তাই এগুলি দিয়ে রান্না করার পর গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেললে আপনাকে এর জন্য আর বাড়তি ঝামেলায় পড়তে হবে না। শিরিষ কাগজ যদি কাঠের বাসনের নাছোড়বান্দা দাগ একদমই উঠতে না চায় তাহলে শিরিষ কাগজ দিয়ে ঘষলেই দাগ উঠে যাবে। কিন্তু বারবার শিরিষ কাগজ ব্যবহার না করাই ভালো। কারণ এতে বাসন পাতলা হয়ে যেতে পারে। সূত্র : কলকাতা টুয়েন্টিফোর। /কেএনইউ/এসএইচ

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি