ঢাকা, শুক্রবার, ১৭ আগস্ট, ২০১৮ ৮:১৫:০০

বিশ্বের সবচেয়ে দামি পাদুকা!

বিশ্বের সবচেয়ে দামি পাদুকা!

গায়ে সুন্দর একটি পোশাক বাড়িয়ে দেয় মানুষের সম্মান বা মর্যাদা। সে মর্যাদাকে বহুগুণে বাড়িয়ে দেয় গায়ের সবচেয়ে দামি গহণা। মার্যাদা বাড়ানোর মিছিলে যোগ দেয় দুই পায়ে পরিহিত পাদুকাও। তাই পোশাক ও গহণার পাশাপাশি বিশ্বের সবচেয়ে দামি পাদুকার দাম সম্পর্কে জানতে কৌতুহলের শেষ নেই সাজ পিয়াসুদের। তাদের সেই আগ্রহের খোরাক যোগাতে বিলাসবহুল ফ্যাশন ব্র্যান্ডগুলো বছরের বিভিন্ন উপলক্ষ ও সময় ধরে হাজির হয় নতুন নতুন সংগ্রহ নিয়ে। যার ধারাবাহিকতায় ২০১৮ সালেও তুলে ধরা হয়েছে সবচেয়ে দামি কয়েকটি পাদুকা। লুই ভিশন: অনেকের ধারণা, বহুমূল্যের জুতা সরবরাহকারী ব্র্যান্ডগুলো কেবল নারীদের জন্যই পসরা সাজায়। তবে সে ধারণা একেবারেই মুছে ফেলে ম্যানহাটন রিশেলিউ মেন’জ জুতা বিক্রি হয়েছে ১০ হাজার ডলারে। ২০১০ সালে পুরনো নকশায় তৈরি চামড়ার লাইনিং ও হ্যান্ড পেইন্ট চামড়ার সোলের এ জুতা আনে লুই ভিশন। স্টুয়ার্ট ওয়াইজম্যান: এ ব্র্যান্ড সাধারণত ৩০০-৪০০ ডলারে জুতা বিক্রি করে। সাম্প্রতিক বছরগুলোয় তারা এনেছে বহু দামি কিছু পাদুকা, যা কিনা কখনো কখনো ধনকুবেরদের কাছেও অতিমূল্যের বলে মনে হতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে ৫ লাখ ডলারের ডায়মন্ড ড্রিম স্টিলেটো, ১০ লাখ ডলারের মেরিলিন মনরো সু রেট্রো রোজ পাম্প। ২০ লাখ ডলারের সিনড্রেলা স্লিপার ও ৩ মিলিয়ন ডলারের রিটা হেইওয়ার্থ হিল। মানোলো ব্লানিক: মূল্যবান জুতার সংগ্রহ রয়েছে এমন ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে মানোলো ব্লানিক অন্যতম। এ ব্র্যান্ডের ব্লিক্সা এলিগেটর পাম্পের দাম ৪ হাজার ৬০০ ডলার। ক্রিস্টিয়ান লুবোটান: লাল সোলের হাইহিলের সুন্দর একটি জুতা এনেছে ক্রিস্টিয়ান লুবোটান। বর্তমানের আধুনিক নারীকে উৎসর্গকৃত এ জুতা একই সঙ্গে বহিঃপ্রকাশ ঘটাবে শক্তি, উদ্যম ও নারীত্বের। এমন একটি জুতা পায়ে গলাতে চাইলে খরচ করতে হবে ৩ হাজার ৯৫ ডলার। গুচি: স্বকীয়তা, ভিন্ন ঘরানা ও কাঁচামালের জন্য গুচি ফ্যাশনপ্রেমীদের কাছে অন্যতম প্রিয় ব্র্যান্ড। গুচির এ-যাবৎ বিক্রি করা দামি জুতাগুলোর অন্যতম হলো বুনন করা চামড়ার তৈরি বুট, যার মূল্য ৩ হাজার ৭৫০ ডলার। তাছাড়া এদের সোফিয়া এটলি জুতার মূল্য ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ১৯৫ ডলার। সূত্র: ফিন্যান্সেস অনলাইন আরকে//  
সন্তানের চোখে চশমা, মেনে চলুন জরুরি কিছু নিয়ম

শরীরের অত্যন্ত স্পর্শকাতর অঙ্গ হলো চোখ। ছেলেবেলা থেকেই এর যত্ন নেওয়া আবশ্যিক। অথচ, সারা বছর পড়াশোনার চাপ, মোবাইল বা টিভির স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকা অথবা সৃজনশীল কোনো কাজে যুক্ত থাকা— শিশুদের চোখের উপর চাপ পড়ার এমন নানা রসদ রয়েছে আমাদের চারপাশে। ভারতের বিখ্যাত শিশুচক্ষু বিশেষজ্ঞ প্রাপ্তি ঘোষের মতে, ‘খুব কম বয়সেই বেশি পাওয়ারের চশমা দেখা যায় অনেক শিশুর চোখেই। সাধারণত কঠিন কোনো অসুখ না থাকলে স্কুলের ব্ল্যাকবোর্ডের লেখা দেখতে অসুবিধা দিয়েই বেশির ভাগ শিশুর চোখের সমস্যা সামনে আসে। অভিভাবকরা একটু সতর্ক হলেই কিন্তু এই সমস্যা অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা যায়।’ চিকিৎসকদের পরামর্শ, টিভি, কম্পিউটার, মোবাইল বা ভিডিও গেমের স্ক্রিনে বেশি ক্ষণ তাকিয়ে থাকতে দেবেন না শিশুকে। এ সবের স্ক্রিন থেকে বেরনো রশ্মি চোখের উপর চাপ ফেলে। তার চেয়ে তাকে অভ্যস্ত করুন বই পড়ায়। এতে চোখ ক্ষতিকারক রশ্মি থেকে বাঁচে, সেই সঙ্গে মোবাইল গেমে আসক্তি কমাতে পারলে তাকে অন্যান্য অসুখ থেকেও দূরে রাখে। সূর্যের চড়া আলো চোখের জন্য ক্ষতিকারক। সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি চোখের অনেক ক্ষতি করে। এ থেকে চোখের কর্নিয়ার নানা অসুখ, ক্যাটারাক্ট বা ছানি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই খুব রোদে শিশুকে নিয়ে বেরলে টুপি বা ছাতা ও সানগ্লাস ব্যবহার করুন। যেসব শিশু খুব ছোটবেলা থেকেই চশমা পরে, অনেক সময় তাদের অভিভাবকরাই পড়াশোনার সময় ব্যতীত তাদের চশমা খুলে থাকতে উৎসাহ দেন। এটা ঠিক নয়। চেষ্টা করুন যতটা বেশি সময় সম্ভব, চশমা পরিয়ে রাখতে। এতে অনেক সময়ই বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চোখের ক্ষমতা বাড়ে। চশমার প্রয়োজন ফুরোয়। কিন্তু ক্ষণে ক্ষণে চশমা খুললে চোখের পক্ষেও ওই নির্দিষ্ট দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয় না।  প্রতি বছর অন্তত একবার চোখ পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। চোখ পরীক্ষা পুরো শরীর পরীক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ। চোখ ভাল রাখতে চিকিৎসকরা বেশ কিছু ব্যায়ামেরও পরামর্শ দেন। সে সবে অবশ্যই নজর রাখুন। ছোট মাছ, গুগলি, সবুজ সব্জির মতো বিশেষ কিছু খাবার চোখ ভাল রাখতে অত্যন্ত কার্যকর। বিটা ক্যারোটিন আছে এমন খাবার— বিট-গাজর, রাঙা আলু ইত্যাদি শিশুকে পর্যাপ্ত পরিমাণে দিন। / এআর /

ফ্যাশনের সময় যে ৫ বিষয় মাথায় রাখবেন

বাইরে বের হতে চাইলে একটু ফ্যশন চাই-ই চাই। ফ্যাশন ছাড়া তো বের হতেও ভালো লাগবে না। কিন্তু কিছু ফ্যাশনের ভুলের কারণে হতে পারে শারীরিক সমস্যা। তাই এ সময় সতর্ক থাকতে হবে। ১) হাই হিল নিজেকে আকর্ষণীয় দেখাতে এর কোনও জুড়ি নেই। মেয়েদের হাই হিল পরলে সত্যিই আকর্ষণীয় লাগে। কিন্তু ককটেল পার্টির পর ঘণ্টার পর ঘণ্টা হিল পরে দাঁড়িয়ে থাকলে পায়ের উপর চাপ পড়ে। এর ফলে পায়ের পেশি ও জয়েন্টের ক্ষতি হতে পারে। ২) ফিট না হওয়া ব্রা অনেক মহিলা ঠিকমতো ব্রা পরার দিকে নজর দেন না। ব্রা কোনও একটা পরলেই হল। কিন্তু সঠিক ব্রা না পরলে স্তনের আকার নষ্ট হয়ে যায়। শুধু তাই নয়। শেপ অনুযায়ী ব্রা না পরলে শারীরিক সমস্যাও হতে পারে। পিঠের ব্যথা থেকে কাঁধে টান ধরা, অনেক কিছুই হতে পারে। ৩) স্কিন জিন্স টাইট বা স্কিনি জিনস পরলে স্টাইলিশ লাগে। কিন্তু এতে শরীরের ক্ষতি হয় প্রচুর। অনেকক্ষণ ধরে স্কিনি জিনস পরে থাকলে ঘাড় ও পিঠে এর প্রভাব পড়ে। এই জিনস পরলে পেলভিস পিছনের দিকে সরে যায়। হাড়েও এর বিরূপ প্রভাব পড়ে। এছাড়া স্কিনি জিনস পরলে রক্ত চলাচলও ঠিকমতো হতে পারে না। ৪) শেপওয়্যার সমস্যা অনেকসময় আকর্ষণীয় দেখানোর জন্য মানুষ শেপওয়্যার পরে। কিন্তু রোজ শেপওয়্যার ব্যবহার করলে শরীরের ক্ষতি হয়। সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়ে হৃদযন্ত্রের উপর। এছাড়া ফুসফসের সমস্যাও হয়। শ্বাসকষ্ট এক্ষেত্রে খুব স্বাভাবিক ঘটনা। ৫) টাইট বেল্ট কখনই টাইট বেল্ট পরা উচিত নয়। তাহলে ফ্যাশনের খেয়াল রাখতে গিয়ে শ্বাসকষ্টের সমস্যায় ভুগতে হবে। শেপওয়্যার পরলে যে সমস্যা হয়, এক্ষেত্রেও ঠিক একই সমস্যা হতে পারে। সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন। কেএনইউ/

বর্ষায় চাই স্পেশাল স্টাইল

বর্ষায় স্টাইল করা বা ফ্যাশন ধরে রাখাটা সবচেয়ে কঠিন কাজ। কেননা বর্ষায় সব ফ্যাশনই বৃষ্টির পানিতে ধুয়ে যায়। কিন্তু তাই বলে কি এ সময় কোন ফ্যাশনই হবে না! ইমেজ বলে তো কিছু আছে, তাই না। তাই যতই ভরা বর্ষায় হোক না কেন এ সময় মাথা থেকে পা পর্যন্ত চাই বিশেষ স্টাইল স্টেটমেন্ট। বর্ষার পোশাক বর্ষার জন্য শর্টস, স্কার্ট বা হাঁটু পর্যন্ত পোশাক পরুন। এতে জামাকাপড়ে কাদা লাগার সম্ভাবনা কমবে। জিনস, ট্রাউজার, প্লাজো বা ম্যাক্সি ড্রেস এড়িয়ে যান। ইচ্ছা হলে পরতে পারেন হাঁটু পর্যন্ত ওয়ান পিস বা জাম্পসুট। পোশাকের রং ও কাপড়ের কথা মাথায় রাখুন বর্ষার সময় ডেনিম বা সিল্কের পোশাক পরার চেষ্টা করুন। এতে পোশাক তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যাবে। বর্ষাকালে কখনোই গাঢ় রঙের পোশাক পরা উচিত নয়। এতে চোখে লাগে বেশি। এই সময় চেষ্টা করুন হালকা রঙের পোশাক পরতে। সাদার সঙ্গে নীলের হালকা কোনও শেড, হলুদ, সবুজের মতো রঙের পোশাক পরতে পারেন। গাঢ় গোলাপির মতো ডার্ক শেড এড়িয়ে চলুন। জুতো জেলি শু, ফ্লিপ-ফ্লপের মতো জুতো বর্ষাকালে সবচেয়ে বেশি উপযোগী। ভেলভেটের জুতোও পরবেন না। এতে পা ভিজে থাকে। ফলে অসুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এ সময় দুই ফিতাওয়ালা জুতো বেশি পড়ার চেষ্টা করবেন। হ্যান্ডব্যাগও গুরুত্বপূর্ণ এই সময়ে হ্যান্ডব্যাগ সবাই এড়িয়ে চলে। একে তো বৃষ্টি। তার উপর একটা অতিরিক্ত জিনিস নিয়ে কে আর বোঝা বাড়াতে চায়? কিন্তু টুকটাক জিনিস নিয়ে যেতে তো একটা ব্যাগ চাই। সেটা যেন হয় স্টাইলিশ। টোটে ব্যাগ এই সময় খুব উপকারী। ছাতাতেও হতে পারে ফ্যাশন বৃষ্টি রুখতে ছাতা অবশ্যই দরকার। কিন্তু এই প্রয়োজনীয় জিনিসটি নিয়েও হতে পারে ফ্যাশন। ভরা বর্ষায় গাঢ় রঙের ছাতা ব্যবহার করতে পারেন। কিন্তু হালকা বৃষ্টিতে ব্যবহার করুন হালকা রঙের বা ট্রান্সপারেন্ট ছাতা। প্রিন্টেড ছাতাও ব্যবহার করতে পারেন। এতে লোকের নজরে পড়বেন আপনি। সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন। কেএনইউ/

হিল পরে ব্যথা! ঘরোয়া পদ্ধতিতে উপশমের ৭ উপায়

বড় বড় পার্টিতে যেতে হলে হাই হিলের আবশ্যক। কিন্তু হাই হিলে অনেকেরই পায়ে ব্যথা বা বিভিন্ন সমস্যা হয়। হিল ব্যথা পায়ের একটি সাধারণ সমস্যা। এই সাধারণ সমস্যা স্বাভাবিক কাজকর্মের ব্যহত ঘটায়। মাঝে মাঝে হিলের ব্যথা কোমর কিংবা পিঠ পর্যন্ত উঠতে পারে। চিকিৎসকদের মতে হাই হিল পরলে প্রায়ই কিছু নির্দিষ্ট রোগের কারণ দেখা যায়। যেমন- গেটো ব্যথা, পায়ের গোড়ালি ব্যথা, আর্থ্রাইটিস (হাড়ের জয়েন্ট ব্যথা) ইত্যাদি যা খুব বেদনাদায়ক। যারা এই সমস্যার অধিভুক্ত তারা বুঝেন যে এই ব্যথা কতটা যন্ত্রণাময়। তবে যন্ত্রণা কমাতে কয়েকটি প্রাকৃতিক ঘরোয়া পদ্ধতিতে উপশমের উপায় রয়েছে। একুশে টেলিভিশন অনলাইনে এই উপায়গুলো দেওয়া হলো- ইপসম লবণ : ইপসম লবণ হিলের ব্যথা দ্রুত সারিয়ে তোলে। কারণ ইপসম লবণ ম্যাগনেসিয়াম সালফেট দিয়ে তৈরি যা ফোলা ভাব, যে কোন ব্যথা বা প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। ইপসম লবণ তিন টেবিল চামচ গরম পানিতে মিশিয়ে ওই পানিতে ২০ মিনিট পা ডুবিয়ে রাখুন। হলুদ : হলুদ হিলের ব্যথা সারাতে খুব ভালো কাজ করে। হলুদে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। এক কাপ দুধের সাথে এক চামচ হলুদ গুঁড়া ও মধু মিশিয়ে নিন। এটি প্রতিদিন দুই থেকে তিনবার খাবেন। এতে ব্যথার উপশম হবে। আদা : হাই হিলের ব্যথায় আদা খেলে খুব উপকার পাওয়া যায়। আদাতে অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি গুণ রয়েছে যা ব্যথা উপশমে সহায়তা করে। দিনে তিনবার আদা চা খেতে হবে। এছাড়া যে কোন খাবার খাওয়ার সময় আদা ব্যবহার করেন। আপেলের রস : আপেলের রস হিল ব্যথা নিরাময়ের জন্য অন্যতম। আপেলের রসের মধ্যেও রয়েছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট যা ব্যথা উপশমে বেশ কর্যকারি। একটি পাত্রে এক কাপ পানির সঙ্গে ১/৪ কাপ আপেলের রস মিশিয়ে গরম করুন। এখন একটি শুকনো কাপড় দিযে ধোয়ার ভাপ নিন এবং ব্যথার স্থানে ১৫-২০ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। গোলমরিচ : গোলমরিচ হিল ব্যথার উপশমে বেশ উপকার করে। এক টেবিল চামচ গোলমরিচ পিশিয়ে নিন। এরপর ১/৪ কাপ হালকা গরম জলপাই তেলের মধ্যে মিক্সড করে ব্যথার স্থানে লাগিয়ে রাখুন। ১৫ মিনিট পর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। তিসি বীজের তেল : হিলের ব্যথায় সাহায্য করবে তিসি বীজের তেল। এই তেলে রয়েছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড যা ঘরোয়া পদ্ধতিতে ব্যথার চিকিৎসার অন্যতম উপায়। কুসুম গরম পানিতে তিসি বীজের তেল কয়েক ফোঁটা ঢেলে সেখানে শুকনো কাপড় ভিজিয়ে নিন। এটি এখন পায়ের গোড়ালিতে এক ঘণ্টা বেঁধে রাখুন। দেখবেন ব্যথা কমে যাবে। ব্যায়াম : ব্যথা কমাতে ব্যায়াম খুবই উপকার করে। খালি পায়ের কিছু ব্যায়াম রয়েছে যেগুলো প্রতিদিন করলে ব্যথা দূর হয়ে যাবে। সূত্র : বোল্ডস্কাই। /কেএনইউ/ এসএইচ/  

বর্ষায় ১০ টি আকর্ষণীয় হেয়ার কাট   

গরম হোক বা শীত, বর্ষা হোক বা গ্রীষ্ম, নিজের খেয়াল তো রাখাই হয় না৷ শরীরের সঙ্গে ত্বক, চুল সব নষ্ট হতে থাকে৷ সানস্ক্রিন লোশন মেখে আপনি ত্বককে না হয় বাঁচালেন৷ কিন্তু স্কার্ফ দিয়ে চুল ছাকলে চুলের ক্ষতি হয়। তাই যেকোনো ওয়েদারে সাধারণ হেয়ারকাটে না গিয়ে কেটে ফেলুন ট্রেন্ডি ইউনিক হেয়ারকাট৷ নিচে আপনাদের সুবিধার্থে তা উল্লেখ করা হলো।     ১) অ্যাঙ্গুলার ব্লান্ট কাট হলিউড অভিনেত্রী মারগট রবির কারণে এই হেয়ারকাট জনপ্রিয়তা লাভ করে৷ সাধারণত ঘার অবধি চুলের উচ্চতা থাকে এই হেয়ারকাটে৷ তবে মাঝখানে সিঁথি করা একেবারে চলবে না৷ হেয়ারকাটটি করার সময়ই এক পাশে সিঁথি করতে হয়৷ সেইভাবেই পুরো হেয়ারকাটটা হবে৷ তাই জন্যই এটাকে অ্যাঙ্গুলার ব্লান্ট কাট বলে৷ ২) সেভেন্টিস স্যুপ  এটি আসলে সত্তরের দশকের হেয়ারকাট৷ যা আবারও ফিরে এসেছে ২০১৮ সালে ৷ মাঝখানে সিঁথি করে রাখতে হয় এই হেয়ারকাটে। সামনের দিকটা হালকা লেয়ারস থাকে৷ সেটাই এই হেয়ারকাটের ইউএসপি৷ ৩) রেজার শার্প এটা সাধারণত ঘন চুলের নারীদের ক্ষেত্রে মানায় বেশি। চুলের আগাটা আসলে কাটা হয় রেজার দিয়ে৷ এই হেয়ারকাটে তেমন লেয়ারস থাকে না৷ রেজার দিয়ে কাটা হয় বলেই এর নাম রেজার শার্প৷ ৪) কার্লি বব শর্ট হেয়ারের যেকোনো লেন্থেই এই হেয়ারকাটটি মানিয়ে যায়৷ যাদের চুল খানিকটা কোকরানো হয় তাদের এটা আরও বেশি মানাবে৷ মাঝখানে কিংবা পাশে যেকোনও জায়গায় সিঁথি করা যায়৷   ৫) বেবি ব্যাংস ছোটবেলায় এই হেয়ারকাট আমরা সকলে কমবেশি কেটেছি৷ কারণ সামনে ছোট ছোট ফ্রিঞ্জেস প্রত্যেক মেয়েরই থাকত৷ ছোটবেলার সেই হেয়ারকাট আবারও ফিরিয়ে আনুন৷ পেছনের চুলগুলো একটু লম্বাও রাখতে পারেন৷ ৬) ফাজি ফ্রিঞ্জ বেবি ব্যাংস এবং ফাজি ফ্রিঞ্জ খানিক একই রকমের তবে এই হেয়ারকাটের বিশেষত্ব হল ফ্রিঞ্জেস৷ এই হেয়ারকাট গুলি সবরকম বয়সেই মানেবে৷   ৭) ওয়েভি লব লম্বা হোক বা ছোট, এই হেয়ারকাটটি ইউনিভার্সাল৷ এমনকি পাতলা কিংবা ঘন দুইরকম চুলেই মানাবে৷ ৮) সাইড ব্যাং এই হেয়ারকাটটি পুরোপুরি নির্ভর করছে আপনার স্টাইলিংয়ের উপর৷ আপনি যেভাবে ইচ্ছে স্টাইলিং করতে পারেন৷ খোলা রাখলে একদিকের লক্স ঝুলিয়ে রাখতে পারেন৷ ৯) ক্লাউড রিংলেটস কোকরানো চুলে এই হেয়ারকাটটি বেশি উপযুক্ত। আপনি চাইলে হেয়ার কার্লার দিয়েও মাঝে মধ্যে চুল কার্ল করে নিতে পারেন৷ ১০) উইস্পি ব্যাং লম্বা চুলে আনুন হালকা কুল লুক৷ সামনে লাইট ফ্রিঞ্জ কেটে নিয়ে বাকি চুলটা দু-তিনটে স্টেপ কেটে নিন৷ এমএইচ/এসি     

অকালে চুল পাকা থেকে বাঁচার ঘরোয়া ৫ টোটকা

অল্পবয়সেই অনেকের চুল পাকতে শুরু করে। সাধারণত মাথার চামড়ায় (ত্বকে) পর্যাপ্ত ভিটামিন ও খনিজের অভাবে চুল পাকতে পারে। কম বয়সে চুল পাকার ফলে অনেকেই অস্বস্তিতে বোধ করেন। তবে ঘরে বসে সহজেই অকালে চুল পাকা থেকে রেহাই পাওয়া যেতে পারে। আসুন জেনে নেওয়া যাক তার উপায়... *গাজরের রস: গাজরের রসের সঙ্গে পানি, চিনি ভালো করে মিশিয়ে নিন। এ ভাবে এই মিশ্রণ বানিয়ে নিয়মিত খান। দ্রুত উপকার পাবেন। *পেঁয়াজ বাটা: এটি চুলের অকালে পেকে যাওয়া ঠেকাতে অত্যন্ত কার্যকরী উপাদান। পেঁয়াজ বেটে রোজ চুলের গোড়ায় দিন। ৩০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। অল্প ক’দিনের মধ্যেই পাকা চুলের সমস্যা অনেকটাই কমে যাবে। * বাদাম তেল: এই তেলের সঙ্গে তিলের বীজ গুঁড়ো করে ভাল করে মিশিয়ে নিন। এবার এই মিশ্রণটি চুলের গোড়ায় ভালোভাবে মেখে ২০-৩০ মিনিট রেখে দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত তিন দিন এই মিশ্রণ ব্যবহার করতে পারলে দ্রুত উপকার পাবেন। *আমলকি : আমলকির গুঁড়োর সঙ্গে পাতিলেবুর রস মিশিয়ে রোজ অন্তত ৩০ মিনিট চুলের গোড়ায় মালিশ করুন। তারপর ভাল ভাবে ধুয়ে ফেলুন। পাকা চুলের সমস্যায় দ্রুত উপকার পাবেন। * লেবুর রস : পাকা চুলের সমস্যা থেকে রেহাই পেতে হলে রোজ নারিকেল তেলের সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে চুলের গোড়ায় মাখুন। সপ্তাহ দুয়েকের মধ্যেই পাকা চুলের সমস্যা অনেকটাই কমে যাবে। সূত্র : জিনিউজ। / এআর /

বয়সের তুলনায় বয়স্ক দেখায়, এড়াবেন যেভাবে

ভারী চেহারা বলে যত না বয়স, তার চেয়েও বয়স্ক দেখতে লাগে কি আপনাকে? কেবল চেহারাই কিন্তু এর জন্য দায়ী নয়, বরং দায়ী আপনার স্টাইল স্টেটমেন্ট। নিজেকে কী ভাবে ক্যারি করছেন তার উপরই নির্ভর করে অন্যদের চোখে আপনার বয়স ঠিক কত। তাই চেহারায় তারুণ্য ধরে রাখতে মেনে চলুন এই ক’টা নিয়ম, আর অন্যের চোখে হয়ে উঠুন এভারগ্রিন! আড়াআড়ি দাগকে ‘না’: যদি চেহারা এমনিতেই একটু ভারীর দিকে হয়, তা হলে এড়িয়ে চলুন এমন স্ট্রাইপ। তার চেয়ে ওয়ার্ডরোবে থাকুক প্রচুর ভার্টিকাল লাইনসের পোশাক। যা পরলে তুলনায় রোগা ও কম বয়সি দেখতে লাগে। ঠিক মাপের পোশাক: জামাকাপড় কেনার সময় একটু ঢোলা পোশাকের দিকে চোখ চলে যায় অনেকের। আবার কেউ ভাবেন, আঁটো পোশাক হলেই বুঝি ছিপছিপে দেখতে লাগে। এর কোনওটাই ঠিক নয়। ঢিলে পোশাক যেমন চেহারাকে ভারী করে তুলে বয়সের ছাপ ফেলে, তেমনই আঁটো পোশাকে স্পষ্ট হয় শরীরের বাড়তি মেদ। তাই পোশাক কিনুন শারীরিক গঠন বুঝে, ঠিক মাপের। লং স্কার্ট নয়: লং স্কার্টের নকশা যতই মনে ধরুক, এড়িয়ে চলুন। কিনে এনে অল্টার করিয়েও নিতে পারেন। হাঁটু ঝুলের চেয়ে বড় স্কার্ট পরলে শরীরের নীচের অংশ ভারী দেখায়। চোঙাকৃতি লং পেনসিল স্কার্টও কিন্তু তা ঢাকতে পারে না। ঘের না থাকায় কোমরের বাড়তি মেদকে বুঝিয়ে দেয় সে। তাই ঘের দেওয়া নি লেংথ স্কার্টেই হ্যাঁ বলুন। ছবি: পিক্সঅ্যাবে গিকি গ্লাসেস: হাল ফ্যাশনে এটাই ইন। চশমার আকৃতিই বদলে দিতে পারে আপনার ব্যক্তিত্ব ও বয়স। মুখের সঙ্গে মানানসই ফ্রেমের চশমা না পরলে বয়স বেশি দেখাবেই। সে ক্ষেত্রে পুরনো নকশা পাল্টে ট্রাই করুন গিকি গ্লাস। এর ফ্রেম মুখকে সরু দেখায়, চওড়া করে তোলে চোখের চারপাশকে। স্টাইল তো হবেই, সঙ্গে দেখাবেও কমবয়সি। ছবি: আনস্প্ল্যাশ। স্কার্ফ এড়ান: খুব ঠান্ডা না পড়লেও পোশাকের সঙ্গে মানানসই একটা স্কার্ফ কিনে ফেলা আমাদের অনেকের বদভ্যাস। স্কার্ফের নকশা আরও চটকদার করে তোলে ভাবলে, সে ধারণা সরান। বরং, স্কার্ফ জড়ানো খুব পুরনো ফ্যাশান। গলার নমনীয়তা ও লম্বাটে আকার ঢেকে তা চেহারায় ভারিক্কি ভাব আনে আর বয়স্কও দেখায়। এমজে/

দাড়ি না কাটার ৯ উপকার

বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে, অল্প অল্প দারি রাখার অভ্যাস করলে বাস্তবিকই একাধিক উপকার পাওয়া যায়। বিশেষত আলট্রাভায়োলেট রশ্মির ক্ষতিকারক প্রভাব যাতে ত্বকের উপর সরাসরি না পরে,সেদিকে খেয়াল রাখে দাড়ি। ফলে কোনও ধরনের ত্বকের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা যায় কমে। সেই সঙ্গে মেলে আরও অনেক উপকার। প্রসঙ্গত, দাড়ি-গোঁফ রাখার স্টাইল কিন্তু আজকের নয়। ইতিহাস ঘাঁটে জানা যায়, ১৮০০ শতকের পর থেকেই দাড়ি রাখা হয়ে ওঠে একটা নতুন ফ্যাশন। তার পর থেকে সময় যত এগিয়েছে, তত এই ফ্যাশনের পালে হাওয়ার তেজ বেড়েছে। আর আজকের দিনে তো এই স্টাইল একবারে দাবানলের চেহারা নিয়েছে। যার আঁচ থেকে এক সময়ে বাদ যাননি আমেরিকার প্রাক্তন রাষ্ট্রপতিরাও। আব্রাহাম লিঙ্কন হোন কি এস গ্রান্ট, অনেক মার্কিন প্রেসিডেন্টই দাড়ি রাখতে বেজায় ভালবাসতেন। তবে ধীরে ধীরে এই ট্রেন্ডে ভাটা পরতে শুরু করে দ্বিতীয় বিশ্বের সময়। আসলে সে সময় যুদ্ধের পরিবেশে ক্লিন শেভ রাখার চল শুরু হয়। তাই তো ১৯৪০ সাল পর্যন্ত সমকালীন পুরুষদের মধ্যে দাড়ি রাখার প্রবণতা সেভাবে চোখে পরেনি। তবে ক্লিন শেভ লুক বেশিদিন চলেনি। বার বার ফিরে এসেছে সেই দাড়ি রাখার চলই। আর এখন তো কোনও কথাই নেই। ইয়ংস্টারদের মতে দাড়ি মানে মাচো ম্যান, দাড়ি মানে বেশ কতক ফিমেল ফ্যান! দাড়ি রাখলে যে কেবল মাচো লাগে, তা নয়, সেই সঙ্গে একদল বিজ্ঞানী, একাধিক গবেষণার পর একথা প্রমাণ করে ছেড়েছেন যে দীর্ঘদিন দাড়ি রাখলে বেশ কিছু উপকার পাওয়া যায়। যেমন ধরুন... গুরুত্বপূর্ণ সময় বেঁচে যায় সত্তরের দশকে করা এক স্টাডিতে দেখা গেছে, প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষেরা তাদের সারা জীবনে গড়ে ৩ হাজার ৩৫০ ঘণ্টা সময় দাড়ি কাটার পিছনে ব্যয় করেন। যার অর্থ সারা জীবনে আমরা প্রায় ১৩৯ দিন এভাবেই নষ্ট করে ফেলি। কিন্তু যদি দাড়ি রাখা শুরু করা যায়, তাহলে এই দিনগুলোতে আমরা করতে পারি কোনও গুরুত্বপূর্ণ কাজ। তাই ভেবে দেখুন, দাড়ি রাখবেন না ১৩৯ দিন নষ্ট করবেন! গলার কোনও ধরনের রোগ হয় না একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, দাড়ি লাগলে পরিবেশে উপস্থিত ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ারা মুখ হয়ে শরীরের ভেতরে পৌঁছাতে পারে না। ফলে গলার কোনও রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা যেমন কমে, তেমনি আরও নানাবিধ রোগও ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না। ঠাণ্ডার মার থেকে রক্ষা করে তাপমাত্রা যখন কমতে থাকে, তখন শরীরকে গরম রাখতে দাড়ি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। একাধিক কেস স্টাডি করে বিজ্ঞানীদের মনে আর কোনও সন্দেহ নেই যে, শরীরের তাপমাত্রা ধরে রাখতে বিয়ার্ড বাস্তবিকই সাহায্য করে। তাই খেয়াল করে দেখবেন ক্লিন শেভ থাকেন যারা তাদের তুলনায় দাড়িওয়ালারা কম রোগে ভুগে থাকেন। স্কিন ক্যান্সারের মতো মারণ রোগ ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না সম্প্রতি প্রকাশিত বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, দাড়ি থাকলে আলট্রাভায়োলেট রশ্মি ত্বকের সেভাবে ক্ষতি করতে পারে না, যতটা ক্লিন শেভ থাকলে করে থাকে। আর একথার নিশ্চয় সবাই জানেন যে ‘ইউ ভি’ রশ্মির সংস্পর্শ থেকে ত্বক যত দূরে থাকবে, তত ত্বকের ক্যান্সার হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পাবে। ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা কমে স্কিন স্পেশালিস্টরা লক্ষ করে দেখেছেন, দাড়ি থাকলে ত্বকের আদ্রতা সহজে হারায় না। কারণ এক্ষেত্রে দাড়ি অনেকটা রক্ষাকবচের কাজ করে থাকে। ফলে সহজে স্কিন ড্রাই হয়ে যায় না। তাই তো যারা সারা বছরই কম-বেশি ড্রাই স্কিনের সমস্যায় ভুগে থাকেন, তারা দাড়ি রাখার কথা ভাবতেই পারেন। অ্যালার্জির প্রকোপ কমে আপনি কি প্রায়শই ডাস্ট অ্যালার্জিতে ভুগে থাকেন? তাহলে দাড়ি রাখার কথা ভাবতেই পারেন। কারণ পরিবেশ উপস্থিত ডাস্ট পার্টিকালসগুলো যাতে নাকের মাধ্যমে শরীরের ভেতরে প্রবেশ করতে না পারে, সেদিকে খেয়াল রাখে দাড়ি। আসলে দাড়ি হল একটা প্রতিরোধ ব্য়বস্থা, যাকে ভেদ করে ধুলো-বালির পক্ষে শরীরে প্রবেশ করা সম্ভব হয় না। এখানেই শেষ নয়, বিজ্ঞানীরা লক্ষ করে দেখেছেন অ্যাস্থেমার মতো রোগের প্রকোপ কমাতেও গোঁফ এবং দাড়ি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সংক্রমণের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে আমরা দাড়ি কাটি কীভাবে? কীভাবে আবার রেজার দিয়ে। একেবারেই! আর দাড়ি কাটতে গিয়ে কেটে যাওয়াটা খুবই স্বাভাবিক ঘটনা, তাই না? সমস্যাটা হল এই ক্ষত থেকে মারাত্মক সংক্রমণ এবং তা থেকে মৃত্যু পর্যন্তও ঘটে থাকে। ভাববেন না একটুও বাড়িয়ে বলছি। গুগলে সার্চ করেও দেখতে পাবেন। এমন অনেক মানুষের নাম পাবেন যারা এমনভাবেই সংক্রমণে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। তাই দাড়ি রাখবেন কি রাখবেন না, এই সিদ্ধান্ত আপনাদের! তবে দাড়ি রাখলে যে উপকার হয়, সে বিষয়ে নিশ্চয় আর কোনও সন্দেহ নেই। বয়স কম লাগে অনেকেই মনে করেন দাড়ি রাখলে বুড়োটে লাগে। এই ধরণা কিন্তু একেবারে ভুল। বরং একেবারে উল্টো ঘটনা ঘটে! আলট্রাভায়োলেট রশ্মির আঘাত কম লাগার কারণে যাদের দাড়ি রয়েছে, তাদের ত্বকের ক্ষয় কম হয়। ফলে কম বয়সীদের মতো দেখতে লাগে। তাই বেশি দিন পর্যন্ত যদি ত্বকের বয়স ধরে রাখতে চান, তাহলে দাড়ি রাখাটা মাস্ট কিন্তু! সূত্র: বোল্ডস্কাই একে//

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি