ঢাকা, শুক্রবার, ২২ জুন, ২০১৮ ১৭:২৯:২১

ইটিভিতে আজ আলকাপ গান

ইটিভিতে আজ আলকাপ গান

একুশে টেলিভিশনে আজ রাত ১১টা ২০ মিনিটে প্রচার হবে আলকাপ গান। সাতদিন ব্যাপী লোকগানের অনুষ্ঠানে উত্তরাঞ্চলের আলকাপ গান নতুন মাত্রা যোগ করবে। এটি প্রযোজনা করেছেন রঞ্জন মল্লিক। অনুষ্ঠানের প্রযোজক রঞ্জন মল্লিক বলেন, আলকাপ গান মাটি ও মানুষের গান। খেটে খাওয়া মানুষের দৈনন্দিন জীবন-যাত্রা নিয়ে রচিত হয় আলকাপ। সাধারণ মানুষ নিত্যদিন যা ভাবেন এবং বাস্তবে যা করেন সেসব কথা ও গান আলকাপ গানের মূল বৈশিষ্ট্য। তিনি আরও বলেন, রঙ্গ রস করে গানের মাধ্যমে কথার বয়ান খুবই সরস ও উপভোগ্য। উত্তর বঙ্গের মানুষের অতিপ্রিয় আলকাপ গান টেলিভিশনের পর্দায় নাগরিক জীবনে অভ্যস্ত দর্শকদের মন মাতাবে এতে কোন সন্দেহ নেই। উল্লেখ্য, আলকাপ গান এক প্রকার যাত্রাগান। সাধারণত পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ, বীরভূম ও মালদহ এবং বাংলাদেশের রাজশাহী অঞ্চলে এ গানের প্রচলন বেশি। ‘আলকাপ’ একটি আরবি শব্দ- যার বাংলা অর্থ হচ্ছে মস্করা, ঢং বা কৌতুক। এটি মূলত একটি দলীয় ও মিশ্র পরিবেশনা। এতে নাচ, গান, কথা, ছড়া, অভিনয় ইত্যাদির মিশ্রণ রয়েছে। উনিশ শতকের প্রথমদিকে আলকাপ গানের চর্চা শুরু হলেও বিশ শতকের গোড়ার দিকে গৌড়ীয় অঞ্চলে আলকাপের একটি উল্লেখযোগ্য বিকাশ লক্ষ্য করা যায়। আলকাপ গান বিভিন্ন বিষয় নিয়ে রচিত হয়ে থাকে। অর্থাৎ ঐতিহাসিক বিষয় সম্পর্কিত আলকাপ। এছাড়া রয়েছে- কৃষক আন্দোলন, সাঁওতাল বিদ্রোহ, সমাজ সমস্যামূলক আলকাপ। যৌতুক, মাদক, দুর্নীতি, ধর্মীয় বিষয় সম্পর্কিত আলকাপ। মুহররমের বিয়োগান্তক ঘটনা, মনসা-চণ্ডীর কাহিনী, শিল্প সম্পর্কিত আলকাপ। রেশমশিল্প, কুটিরশিল্পের বর্ণনা। এছাড়া জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম সহ বিখ্যাত ব্যক্তির পরিচিতিমূলক আলকাপ। আলকাপ দলের মূল আকর্ষণ হলো নাচিয়ে ছোকরা এবং কাপদার বা কমেডিয়ান। এ দুজনকে নায়ক-নায়িকার সঙ্গে তুলনা করা যায়। এ দুজনই আলকাপ গানের প্রাণ ও কেন্দ্রবিন্দু বলা যায়। এদের ছাড়া আলকাপ গানের অনুষ্ঠান হতেই পারে না। ছোকরাকে মেয়েদের মতো কেশ রাখতে হয়। গায়ে পরতে হয় মেয়েলী পোশাক, হাতে চুড়ি এবং তাকে ভুলে থাকতে হয় যে সে একজন পুরুষ। এসএ/
আদনান সামির ওজন কমানোর রহস্য

মেদ ঝরিয়ে সুস্থ থাকতে কে না চায়! পুরো বিশ্বে অতিস্থূলতা এখন মাথা ব্যথার কারণ। যে পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নিয়ে ওজন কমানোর যুদ্ধে নেমেছিলেন বলিউডের জনপ্রিয় গায়ক আদনান সামি। ২০০ কিলোগ্রাম থেকে শুরু হয়েছিল যাত্রা। ১৫৫ কিলো ঝরিয়ে আদনান এখন ছিপছিপে, প্রায় মেদহীন। কেমন ছিল আদনানের জার্নি- ২০০০ সালের কথা। ‘মুঝকো ভি তো লিফট কারা দে’-র সঙ্গে নেচে উঠেছিল গোটা দেশ। র‌্যাপ, পপের বাজারে একটু অন্যরকম তাজা হাওয়া এনে দিয়েছিলেন আদনান। সুরেলা কণ্ঠের ওই গায়ক প্রথম ঝলকেই মন কেড়েছিলেন লক্ষ লক্ষ সঙ্গীত প্রেমীর। একে একে আরও অ্যালবাম, আরও খ্যাতি। মোটাসোটা, গোলগাল চেহারার গায়কের কিন্তু তাতে মন ভরেনি। কারণ একটাই তার অতিস্থূলতা। নিজের চেহারা নিয়ে নানা ভাবে ট্রোলড হতে হয়েছিল আদনানকে। একটা সময় প্রবল মানসিক চাপের মধ্যে দিয়ে গিয়েছিলেন গায়ক। ‘তেরা চেহেরা’, ‘উড়ি উড়ি’, ‘ইসক হোতা নেহি’ গান তখন লোকের মুখে মুখে। ক্যারিয়ারের চূড়ান্ত সাফল্যও তাকে শান্তি দিতে পারেনি। প্রিয়জনের কাছ থেকেও নাকি আঘাত পেয়েছিলেন তিনি। এক সাক্ষাৎকারে আদনান বলেছিলেন, ‘আমি ওবেসিটিতে আক্রান্ত মানে এই নয় আমার একটা সুন্দর মন নেই। শুধু পর্দায় আমাকে সুন্দর দেখায় না।’ ২০০৫-০৬ সালে হঠাৎই উধাও হয়ে যান আদনান। গুজব ছড়ায়, তিনি নাকি লাইপোসাকশন করাতে গিয়েছেন। তবে, সব জল্পনায় জল ঢালেন গায়ক নিজেই। লাইপোসাকশন নয়, বরং চিকিৎসা করাতেই গিয়েছিলেন বলে জানান আদনান। অতিরিক্ত মেদের কারণে শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন তিনি। চিকিৎসকেরা জানান, দ্রুত ওজন না ঝরালে আর হয়তো মাস ছ’য়েক বাঁচবেন তিনি। চিকিৎসকের পরামর্শ মতোই শুরু হয় মেদ নিধন অভিযান। সঠিক ডায়েট ও শরীরচর্চার জন্য নামী নিউট্রিশনিস্টের দ্বারস্থ হন তিনি। উড়ে যান হিউস্টন। তবে ওই অভিযানে তিনি একা ছিলেন না। পরিবার ও বন্ধুরাও তার পাশে ছিলেন। ওজন ঝরানোর প্রক্রিয়া মোটেই সহজ ছিল না তার। আদনানের কথায়, ‘বিষয়টা ৮০ শতাংশ মানসিক এবং ২০ শতাংশ শারীরিক’। ডায়েট শুরুর আগের দিন নাকি কব্জি ডুবিয়ে পছন্দের খাবার ম্যাশড পটেটো, প্রচুর মাখন মাখানো স্টেক এবং বড়সড় চিজ কেক দিয়ে ভুরিভোজ সেরেছিলেন তিনি। তবে, ঠিক তার পর দিন থেকেই শুরু করেছিলেন লো-ক্যালরি এবং হাই-প্রোটিন ডায়েট। প্রথমেই তার খাদ্যতালিকা থেকে ভাত, রুটি এবং জাঙ্কফুড ছেঁটে ফেলেন নিউট্রিশনিস্ট। সেখানে পাকাপাকি ভাবে জায়গা করে নেয় স্যালাড, মাছ এবং সেদ্ধ ডাল। আদনান বলেন, ‘নিউট্রিশনিস্ট আমাকে বলেন আগে মন থেকে খাই খাই বন্ধ কর। তার পর ডায়েট মেনে চল। মনকে সংযত করলে তবেই শরীর কথা শুনবে।’ আদনানের দিন শুরু হতো এক কাপ চিনি ছাড়া চা দিয়ে। লাঞ্চে সব্জির স্যালাড এবং মাছ। রাতে শুধু সেদ্ধ ডাল অথবা চিকেন। তা ছাড়া, খুচরো খিদে মেটাতে বাড়িতে তৈরি পপকর্ন, নুন-মাখন ছাড়া। সঙ্গে চিনি ছাড়া ড্রিঙ্কস। সঠিক ডায়েট মেনে ৪০ কিলোগ্রাম ওজন ঝরানোর পরেই জিমে যাওয়ার অনুমতি পান আদনান। সেখানে ট্রেডমিল এবং হালকা ফ্রি-হ্যান্ড দিয়েই শুরু হয় তার শারীরিক কসরৎ। কয়েক মাস পর ট্রেনার প্রশান্ত সবন্ত তার জন্য ওয়েট ট্রেনিং-এর রুটিন বানিয়ে দেন। সপ্তাহে ছ’দিন মেপে ফিটনেস ট্রেনিং শুরু করেন গায়ক। প্রতি মাসে ১০ কিলোগ্রাম করে ওজন ঝরিয়েছেন আদনান। ১৬ মাসের মধ্যে ১৫৫ কিলো ওজন ঝরিয়ে এখন তার ওজন ৬৫ কিলোগ্রাম। ২০১৩ সালে ফের যখন পর্দায় ধরা দেন গায়ক, গোটা দেশ তার নতুন লুক দেখে চমকে ওঠে। মেকওভারের পর আদনান নিজেও খুব খুশি। গায়ক বলেন, ‘আগে নিজের পায়ের পাতা দেখতে পেতাম না। আর এখন অনেক ফিট এবং ঝরঝরে লাগে। মানসিক অবসাদও চলে গেছে।’ সূত্র : আনন্দবাজার এসএ/

আজ বিশ্ব সংগীত দিবস

আজ বিশ্ব সংগীত দিবস। দিনটি উদ্‌যাপন উপলক্ষে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে থাকছে নানা আয়োজন। এসবের মধ্যে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি আয়োজন করেছে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান। এতে থাকবে উদ্বোধনী পর্ব, আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। আজ সন্ধ্যা ৬টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার সামনে বেলুন উড়িয়ে বিশ্ব সংগীত দিবসের উদ্বোধন এবং একই জায়গার লবিতে শিল্পী তিমির নন্দীর পিয়ানো বাদন ও শিল্পীদের মিলনমেলার আয়োজন করা হয়েছে। জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে আলোচনা পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর এমপি।আলোচনা পর্বে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সচিব জাহাঙ্গীর হোসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে আলোচক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিশিষ্ট শিল্পী মোস্তাফা জামান আব্বাসী, রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা, এ্যান্ডু্র কিশোর, গাজী আব্দুল হাকিম, আইয়ুব বাচ্চু, সুজিত মোস্তাফা ও মমতাজ বেগম। আলোচনা শেষে সাংস্কৃতিক পর্বে শিল্পী চন্দন দত্তের পরিচালনায় সমবেত যন্ত্রসংগীত পরিবেশন করবে বাংলাদেশ যন্ত্রশিল্পী ফোরাম, একক বেহালা বাদনে থাকছেন শিল্পী রূপসী মমতাজ, সমবেত সংগীত পরিবেশন করবে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি শিশু দল, শিশু একাডেমি ও সরকারি সংগীত মহাবিদ্যালয়। ব্যান্ড সংগীত পরিবেশনায় থাকছে জলের গান ও গান পাগল। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করবেন আনিকা ফারিহা। এদিকে, দেশের সংগীত দল ও সংগীত একাডেমিগুলোর জাতীয় ভিত্তিক সংগঠন বাংলাদেশ সংগীত সংগঠন সমন্বয় পরিষদের আয়োজনে ২০০৭ সাল থেকে এই দিনটি ঢাকাসহ বিভিন্ন বিভাগীয় শহরে পালিত হয়ে আসছে। এবার এ আয়োজনে শোভাযাত্রায় বাংলাদেশসহ বিশ্বের কৃতিমান ৩০ সংগীতজনের প্রতিকৃতি সংবলিত ফেস্টুন স্থান পাবে। আজ ও আগামীকাল গণ-গ্রন্থাগারের শওকত ওসমান মিলনায়তনে সংগীতাঙ্গনের সব শিল্পী-কবি-সুরকারদের নিয়ে শোভাযাত্রা, আলোচনা, গুণীজন সম্মাননা, দলীয় সংগীত ও  একক পরিবেশনার আয়োজন করা হয়েছে। উৎসবের এবারের স্লোগান, ‘বিশ্ব ভরে উঠুক মানবতার জয়গানে’। অনুষ্ঠানে তপন মাহমুদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব নাসির উদ্দিন আহমেদ ও বিশিষ্ট সংগীতজ্ঞ আজাদ রহমান। এসএ/    

বিয়ে সবাইকে জানিয়েই করবো : লিজা

সানিয়া সুলতানা লিজা। ক্লোজআপ ওয়ান প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর থেকেই গানে ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি। গানের সব ক্ষেত্রেই সরব এই কণ্ঠশিল্পী। অডিওর পাশাপাশি চমকে ভরা বেশ কিছু মিউজিক ভিডিওতেও লিজার পারফরমেন্স বেশ প্রশংসিত হয়েছে। সেই সঙ্গে দেশ-বিদেশের স্টেজ শোতেও তাকে ব্যাপক ব্যস্ততা। ঈদের আগেই তিনি সিঙ্গাপুরে শো করে এসেছেন। আর ঈদের পরদিন শো করেছেন নিজের শহর ময়মনসিংহে। তাছাড়া ঈদে এশিয়ান টিভিতে লাইভে ছিলেন। এর বাইরে এবারের ঈদ উপলক্ষে অনেকগুলো অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন তিনি। বর্তমান ব্যস্ততা নিয়ে লিজা বলেন, রমজানে তেমন একটা শো হয়নি। সেই সময়টায় ঈদের অনুষ্ঠানের শুটিং করেছি। বিভিন্ন গানে কন্ঠ দিয়েছি। এখন আবার কিছু কিছু শো হচ্ছে। তবে আগের তুলনায় কম। কারণ এখন বর্ষা মৌসুম চলছে। তাই শো-এর আয়োজনও কম হচ্ছে। নতুন গান নিয়ে লিজা বলেন, ক’দিন আগেই আমার ‘আসমানি’ শীর্ষক একটি গানের মিউজিক ভিডিও প্রকাশ হয়েছে। ভালো সাড়া পেয়েছি এ গান থেকে। এর বাইরে নতুন বেশ কিছু গানের পরিকল্পনা রয়েছে। সেগুলোও নির্দিষ্ট সময় পর পর ভিডিও আকারে প্রকাশ করবো। কারণ ভিডিও ছাড়া এখন গান সেভাবে বের হয়ে আসছে না। আশা করছি যে গানগুলোর পরিকল্পনা করছি সেগুলো ভালো লাগবে সবার। তিনি বলেন, সিনেমার গানও করছি। তবে বেছে বেছে। সর্বশেষ ‘গহিন বালুচর’ সিনেমাতে ইমন সাহার সুরে ‘তারে দেখি আমি রোদ্দুরে’ গানটি প্রকাশ হয়েছে। এ গানটির অনেক প্রশংসা পেয়েছি আমি। আরও কিছু সিনেমাতে গাওয়া হয়েছে। এগুলো সামনে হয়তো প্রকাশ হবে। বিয়ে প্রসঙ্গে লিজা হেসে বলেন, সেটা আসলে এখনই বলতে পারছি না। কারণ এটা সৃষ্টিকর্তার ওপর নির্ভর করছে। তবে বিয়ে সবাইকে জানিয়েই করবো। এসএ/

তাহসানের ‘শেষ দিন’ 

এবারের ঈদে সংগীতশিল্পী তাহসান খানের ‘শেষ দিন’ শিরোনামে একটি দ্বৈত গান প্রকাশিত হয়েছে। সম্প্রতি জিপি মিউজিকে এ গানটি প্রকাশিত হয়। গানটি নিয়ে ভিডিও তৈরি করা হয়েছে।   দ্বৈত এ গানটিতে তাহসানের সঙ্গে আছেন টিনা। গীতিকবি জুলফিকার রাসেলের লেখা এমন কথায় সুর করেছেন সাজিদ সরকার ও তাহসান নিজে। এর সংগীতায়োজন করেছেন সাজিদ সরকার।  গান সম্পর্কে তাহসান বলেন, গানের কথা অসাধারণ। এটাই এ গানের মূল শক্তি। এছাড়া সুর যেহেতু নিজে করেছি; তাই এ বিষয়ে কথা বলব না। মিউজিক অ্যারেঞ্জমেন্টে সাজিদ বরাবরই ভালো। বাকিটা শ্রোতারা বলবেন। আশা করি, আমরা হতাশ হব না। শিগগিরই আসছে গানটির ভিডিও। এটি নির্মাণ করেছেন রাজু রাজ। সিডি চয়েসের ব্যানারে নির্মিত এ গানটির ভিডিও দ্রুতই ইউটিউবে অবমুক্ত হবে। গানের কয়েকটি কলি হচ্ছে-‘মনে করো, কাল বলে কিছু নেই/ আজই সেই শেষ দিন/ যা বলার আছে বলে দাও/ জানোই তো মন খুলে সব বলা কত কঠিন/ মনে করো, আজই শেষ দিন’।  এমএইচ/এসি   

জেলে আসিফের নতুন দল!  

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে দায়ের করা মামলায় ৫ দিন কারাবাস শেষে ১১ জুন বিকেলে মুক্তি পান কণ্ঠ শিল্পী আসিফ আকবর। মুক্তি পাওয়ার পর  তিনি তার জেল জীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে। জেলে তিনি একটি নতুন দলও গঠন করেন।  আসিফ বলেন, আনন্দ ফুর্তিতে এসেছে জামিনের খবর। উচ্ছ্বসিত হতে পারলাম না, সবার মধ্যে একটা বিষাদ নেমে এল। আমি ইচ্ছা করেই সবার সঙ্গে দুষ্টুমি করার চেষ্টায় কালক্ষেপণ করছি। সবার মন খারাপ হয়ে আছে, আবার জামিনের খবরের আনন্দও তাদের চেহারা দিয়ে ঠিকরে বেরোচ্ছে। বিদায় নিতে কষ্ট হচ্ছিল, কয়েক দিনে কত আপন হয়ে গেলাম সবার, পুরো কক্ষে নিস্তব্ধতা। কারাবন্দী সহকর্মীরাই আমার ব্যাগ গুছিয়ে দিচ্ছে, কেউ চোখের দিকে তাকাচ্ছে না। তার আগে আমি “বাংলাদেশ কারা পার্টি” নামে একটি দলের ঘোষণা দিয়ে আহ্বায়ক কমিটি করে দিয়েছি। জেল থেকে বের হলে আমরা দেখা-সাক্ষাৎ করব। কথা দিলাম, অনুমতি পেলে কনসার্টও করব। আসিফ বলেন, ঘুরে ঘুরে পুরো কারাগারের সবার সঙ্গে দারুণ সম্পর্ক হয়ে গেল। অভিজ্ঞ কারা কর্তৃপক্ষ মামলার জামিন নিয়ে আশাবাদী, আর আমি ভাবছি, গত ২০ বছরে এত পরিশ্রম শেষে এই কয়েকটা দিন খুব আরামেই কাটছে। মোবাইল ফোন না থাকায় আরও বেশি খুশি। আড্ডা, গান, দাবা, লুডু খেলে চলে যাচ্ছে সময়। রাতে সবাই সুবোধ বালকের মতো ঘুমাচ্ছি। অতিরিক্ত ভালোবাসায় এক্সট্রা টেবিল ফ্যান পেলাম, মাহবুব নামের একজনের বুদ্ধিতে তো রাতে গোসল করে ঠান্ডা বাঁধিয়ে ফেলেছি। মশারি ছাড়াই ঘুম শুরু। বৃষ্টি নেই শুধু গরম, রাতে মশা কামড়ায়নি। পাশের বিছানায় “জাতীয় ভাগনে” সোহাগকে পেলাম, তার বাড়ি মাদারীপুর। তাকে বললাম, মামা মশা কামড়ায় নাই, মানে মশা নাই। ভাগনে সোহাগ বলল, মামা সব মশার জামিন হয়ে গেছে। উল্লেখ্য, গত ৫ জুন দিবাগত রাত দেড়টার দিকে শিল্পী ও সুরকার শফিক তুহিনের দায়ের করা মামলায় আসিফ আকবরকে গ্রেফতার করে সিআইডি। ৬ জুন আসিফ আকবরকে ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম কেশব রায় চৌধুরীর আদালতে হাজির করা হয়। এমএইচ/এসি    

‘আমি হাজতি নাম্বার ২৫০২৭/১৮’

তথ্যপ্রযুক্তি আইন ও প্রতারণার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ১০ হাজার টাকা মুচলেকা দিয়ে জামিন পেয়েছেন কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবর। মামলায় পুলিশ প্রতিবেদন দাখিল করার আগ পর্যন্ত এ জামিন বহাল থাকবে। ১১ জুন তিনি জামিন পান। বর্তমানে তিনি বাড়িতেই আছেন। ৫ দিন কারাগারে থাকার পর ভক্তদের সঙ্গে নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করছেন আসিফ। নিজের ফেসবুক পেজে প্রতিদিন লিখছেন তিনি।গতকাল আসিফ লিখেছেন-[আমি হাজতি নাম্বার ২৫০২৭/১৮ কারাগারের উঁচু প্রাচীরগুলো ভয় জাগানিয়া। আনুষ্ঠানিকতা শেষে ঢুকলাম কারা হাসপাতালের কেবিনে। একজন মুরুব্বীর নেতৃত্বে মাগরিবের নামাজের জামাত চলছে। বাইরে ঝোলানো ভয়ানক তালা, ঢুকতে হলো চার দেয়াল আর লোহার গরাদ বেষ্টিত কক্ষটিতে। মনে হচ্ছিলো- বাবা মা হারিয়ে ফেলা অনাথ আশ্রমে আশ্রয় পাওয়া এক এতিম আমি। নামাজ শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত দাঁড়িয়ে চারিদিকের মাপ নিচ্ছিলাম। নামাজ শেষে মাথা নীচু করে হেঁটে গেলাম আমার জন্য রাখা নির্ধারিত বিছানায়। শত সহস্র অনুসন্ধিৎসু চোখের আড়ালে নিজেকে লুকানো অসম্ভব। চোখ ভিজে আসতে চাইছে। দৃঢ়তা আর সততার ট্যাবলেট খাওয়া সিদ্ধান্ত - নাহ... পানি বের হতে দেয়া যাবেনা, শুধু রক্তই বেরুতে পারে।ব্যাগটা রেখে গোসলে গেলাম। প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র তাড়াহুড়োয় আনা হয়নি, এগিয়ে এলো আরেক কয়েদী প্লাস রাইটার- শাওন। তার অধীনেই চলে এই অবরুদ্ধ কক্ষটি। সবাই তাকাচ্ছে আমার দিকে, আমি কুঁকড়ে আছি নতুন পরিচয় হজমের আতঙ্কে। কবে আসবে রুপকথার ফিনিক্স পাখীটা !! আর কতদিন গল্প শুনে যেতে হবে!! আমিই তো ফিনিক্স, আজন্ম এক যোদ্ধা, আমার অদম্য অগ্রযাত্রা থামবে শুধু মৃত্যুতেই ...মুহূর্তেই ঝেড়ে ফেললাম অতীত, মুখে নিয়ে আসলাম বিজয়ীর হাসি। সবার সাথে হাত আর বুক মেলানো শুরু করলাম। কিছু কয়েদী এগিয়ে এলেন, আর কিছু আছেন অব্জারভেশনে। এর মধ্যে খুনে চোখ, অসহায় চোখ, ভালবাসার চোখ, সন্দেহের চোখ, করুণার চোখ, নেশার চোখ, বন্ধুত্বের চোখ - সবই আছে। নানান চোখের নানান ভাষা, ওগুলো পরেও পড়া যাবে। সারাদিন কিছু খাইনি, আগে একটু খেয়ে নেই, অনেক ক্ষুধা পেয়েছে ...] চলবে ...

কারাগারে কাচ্চি পার্টি করেছেন আসিফ

আসিফ আকবর। দেশের জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী। জীবনে এই প্রথম কারাগারে কয়েদিদের সঙ্গে কাটিয়েছেন তিনি। ৫ দিন তিনি জেল হাসপাতালে ছিলেন। জেল হাসপাতাল ১১-তে তার সঙ্গে আরও ছিল ১৭ জন কয়েদি। কারাগারে প্রথম ঢোকার পর খারাপ লাগলেও ধীরে ধীরে বেশ উপভোগ করেছেন। অর্থাৎ সবাই তাকে পেয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত ছিল। তাকে অনেক ভালোবাসা ও যত্ন করেছেন। আসিফ বলেন, ‘প্রথম মনে হয়েছে, মা-বাবা হারিয়ে কোনো অনাথ আশ্রমে ঢুকছি। ব্যাগ নিয়ে যখন ঢুকি, তখন তো সাড়ে চারটা বাজে, তালা বন্ধ করে দেওয়া হয়। আমাকে তালা খুলে ঢোকানো হয়েছে। আমি তো নির্দোষ, এটা ভেবেই প্রথমে আবেগপ্রবণ হয়ে গিয়েছিলাম। কারাগারে যাওয়ার পর জীবনে প্রথম সরকারি খাবার খেলাম। তবে কারা কর্তৃপক্ষ থেকে সবাই নিঃস্বার্থভাবে ভালোবাসা দিয়েছেন। আর আমার আসার সময় তো সবাই কান্নাকাটি শুরু করে দিয়েছিলেন। সবাইকে ফোন নম্বর দিয়ে এসেছি।’ তিনি বলেন, ‘আমরা পার্টি করেছি। সবাই মিলে কাচ্চি বিরিয়ানি খেয়েছি। কারাগারে তো কাচ্চি বিরিয়ানি পাওয়া যায় না, বহু কষ্ট করে বানানো হয়। সবাই খুব সহযোগিতাও করেছেন।’ আসিফ আরও জানান, তিনি কাপড় ধুতে পারতেন না, এ কথা জানার পর অন্য কয়েদিরা তার কাপড় ধুয়ে দিতেন। ব্রাশে টুথপেস্টও লাগিয়ে দিতেন। শেভ করার রেজার পর্যন্ত এনে দিতেন। কয়েদিরা যে ভালোবাসা দিয়েছেন, তা ভোলার নয়। তিনি বলেন, ‘আমার জীবনে শিল্পী হিসেবে এ এক অন্য রকম প্রাপ্তি।’ এসএ/  

কারাগারে কি কি করেছেন আসিফ!

তথ্যপ্রযুক্তি আইনে গ্রেফতার হওয়া কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবর জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে তার জামিন আদেশ পৌঁছানোর পর গতকাল বিকেল সাড়ে ৪টায় তিনি ছাড়া পান। এরপর স্ত্রী সালমাসহ পরিবারের লোকজনের সঙ্গে বাসায় আসেন। কিন্তু দেশিয় সঙ্গীত ভুবনের এই যুবরাজ কারাগারে কেমন সময় কাটিয়েছেন তা হয়তো সবার জানতে ইচ্ছে করছে? কারাগার থেকে মুক্তিরপর আসিফ আকবর গণমাধ্যমকে জানান সেই অভিজ্ঞতার কথা। আসিফ আকবর ছিলেন জেল হাসপাতালে। জেল হাসপাতাল ১১-তে আরও ১৭ জন কয়েদি ছিলেন তার সঙ্গে। কারাগারের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে আসিফ বলেন, ‘আমি যেখানে ছিলাম, সেখানে আরও ১৭ জন কয়েদি ছিলেন। ঢুকেই দেখি সবাই নামাজ পড়ছেন। চারদিকে তাকাই, কিছুক্ষণ পর সবার সঙ্গে মিশে যাই। সারা দিন না-খাওয়া ছিলাম, এরপর খাইলাম। আস্তে আস্তে সবার সঙ্গে সম্পর্ক হয়ে গেল। আড্ডা দেওয়া শুরু করলাম। লুডু খেলা, দাবা খেলা, আরও কত কী! সবার পারিবারিক কাহিনি শুনলাম। কেস ফাইল দেখে সব কয়েদির নামও মুখস্থ করলাম।’ তিনি বলেন, ‘কারাগারে প্রথম ঢোকার পর মনে হয়েছে, মা-বাবা হারিয়ে গেছেন, কোনো ছেলে অনাথ আশ্রমে ঢুকছে। ব্যাগ নিয়ে যখন ঢুকি, তখন তো সাড়ে চারটা বাজে, তালা বন্ধ করে দেওয়া হয়। আমাকে তালা খুলে ঢোকানো হয়েছে।’ প্রথমবারের মতো কারাগারে ঢোকার পর শুরুতে একটু মন খারাপ হয়েছে জানিয়ে আসিফ বলেন, ‘আমি তো নির্দোষ, এটা ভেবেই প্রথমে আবেগপ্রবণ হয়ে গিয়েছিলাম। কারাগারে যাওয়ার পর জীবনে প্রথম সরকারি খাবার খেলাম। তবে কারা কর্তৃপক্ষ থেকে সবাই নিঃস্বার্থভাবে ভালোবাসা দিয়েছেন। আর আমার আসার সময় তো সবাই কান্নাকাটি শুরু করে দিয়েছিলেন। সবাইকে ফোন নম্বর দিয়ে এসেছি।’ আসিফ আরও জানান, তিনি যেখানে ছিলেন, সেখানে কয়েদিদের কেউ কেউ বরিশাল, মাদারীপুর ও মেহেরপুরের। তবে সবার সঙ্গে সম্পর্কটা পারিবারিক হয়ে গেছে। একসঙ্গে শেয়ার করে ইফতারি খেয়েছেন, সাহেরীও খেয়েছেন। সব মিলিয়ে পরিবার মনে হয়েছে। কারাগারে তৃতীয় দিন আসিফ অন্য কয়েদিদের কাচ্চি বিরিয়ানি খাইয়েছেন বলেও জানান। গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘আমরা পার্টি করেছি। সবাই মিলে কাচ্চি বিরিয়ানি খেয়েছি। কারাগারে তো কাচ্চি বিরিয়ানি পাওয়া যায় না, বহু কষ্ট করে বানানো হয়। সবাই খুব সহযোগিতাও করেছেন।’ আসিফ আরও জানান, তিনি কাপড় ধুতে পারতেন না, এ কথা জানার পর অন্য কয়েদিরা তার কাপড় ধুয়ে দিতেন। ব্রাশে টুথপেস্টও লাগিয়ে দিতেন। শেভ করার রেজার পর্যন্ত এনে দিতেন। কয়েদিরা যে ভালোবাসা দিয়েছেন, তা ভোলার নয়। তিনি বলেন, ‘আমার জীবনে শিল্পী হিসেবে এ এক অন্য রকম প্রাপ্তি।’ উল্লেখ্য, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে করা গীতিকার ও সুরকার শফিক তুহিনের মামলায় আসিফকে গত ৫ জুন মঙ্গলবার দিবাগত রাত দেড়টায় গ্রেপ্তার করা হয়। পাঁচ দিন কারাবাস শেষে আসিফ এখন আবার মনোযোগী হয়েছেন গানে। এসএ/

কারাগার থেকে বাসায় আসিফ  

তথ্যপ্রযুক্তি আইনে গ্রেফতার হওয়া কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবর জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে তার জামিন আদেশ পৌঁছানোর পর বিকেল সাড়ে ৪টার মধ্যে তিনি ছাড়া পান। এরপর স্ত্রী সালমাসহ পরিবারের লোকজনের সঙ্গে বাসার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন। আসিফের গ্রেফতারে পরিবার ও ভক্তদের মধ্যে সংশয় ছিল তিনি ঈদের আগে ছাড়া পাবেন কি না। এখন সেই সংশয় কেটে গেছে। কারা জীবন থেকে জামিনে ছাড়া পেয়ে আবারও সবার মাঝে ফিরে এসেছেন। শফিক তুহিনের করা মামলায় ১০ হাজার টাকা মুচলেকা দিয়ে জামিন পেয়েছেন কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবর। মামলায় পুলিশ প্রতিবেদন দাখিল করার আগ পর্যন্ত এ জামিন বহাল থাকবে। সোমবার ঢাকা মহানগর হাকিম কেশব রায় তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করে এ আদেশ দেন।    এর আগে গত মঙ্গলবার (৫ জুন) দিনগত রাত দেড়টায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) একটি টিম কণ্ঠশিল্পী আসিফকে তার অফিস থেকে গ্রেফতার করে। সুরকার ও কণ্ঠশিল্পী শফিক তুহিন কর্তৃক তেজগাঁও থানার দায়ের করা তথ্যপ্রযুক্তি আইন ও প্রতারণার একটি মামলায় (মামলা নম্বর ১৫) তাকে গ্রেফতার করা হয়। প্রসঙ্গত, কুমিল্লার ছেলে আসিফ আকবর ছেলেবেলা থেকেই ক্রিকেট ও গানকে সঙ্গী করে চলেছেন। নানা কারণে ক্রিকেটের সঙ্গে দূরত্ব ঘটলেও গানকে তিনি জীবনের পাথেয় করে নিয়েছেন। সেই গান আসিফ আকবরকেও দিয়েছে দুই হাত ভরে। ২০০১ সালে প্রকাশিত তার প্রথম সংগীত অ্যালবাম ‘ও প্রিয়া তুমি কোথায়’ দিয়ে বাজিমাত করে দেন তিনি। এক অ্যালবাম দিয়েই বনে যান সুপারস্টার। যদিও তারও আগে ১৯৯৭ সালে মুক্তি পাওয়া ‘রাজা নাম্বার ওয়ান’ ছবিতে ‘আমারই ভাগ্যে তোমারই নাম’ গান দিয়ে যাত্রা করেছিলেন তিনি। তবে পরবর্তীতে অডিও এবং চলচ্চিত্রেও জনপ্রিয়তার শীর্ষস্থানে পৌঁছে দিয়েছেন নিজের নাম। মাঝখানে দীর্ঘ আট বছর ছিলেন না গানে নানা অভিমানের জন্য। তবে নতুন করে ফিরে স্বভাবজাত তাক লাগিয়ে দিয়েছেন আসিফ। এখনো তিনিই সবার সেরা, শ্রোতা ও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের চাহিদায়। এসি   

এবার আসিফ প্রসঙ্গে মুখ খুললেন ন্যান্সি

কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবরের ফেসবুক লাইভ, এরপর সংগীতশিল্পী শফিক তুহিনের মামলা, তারপর কারাগারে আসিফ, কয়েকদিন কারাগারে থেকে অবশেষে জামিন। পুরো বিষয়টি নিয়ে সংগীতাঙ্গন বেশ উত্তপ্ত। দ্বন্দ্বের সূত্রপাত হয়েছিল বিভিন্ন শিল্পীর গাওয়া ৬১৭টি গান নিয়ে। যেটি সবার সামনে সবার আগে প্রথম তুলে আনেন সংগীতশিল্পী প্রীতম আহমেদ। তথ্য মতে, যেগুলো ‘অন বিহাফ’ সিগনেচার করে আসিফ আকবর একাই বিক্রি করেছেন বিভিন্ন মুঠোফোন প্রতিষ্ঠানে। যে তালিকায় শফিক তুহিনের গানও রয়েছে। রয়েছে কণ্ঠশিল্পী ন্যান্সির গাওয়া ১২টি গানও। চলমান বিতর্ক নিয়ে এবার মুখ খুললেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী ন্যান্সি। জানালেন, আসিফ আকবরের বিরুদ্ধে তারও অভিযোগ রয়েছে। তবে সেই অভিযোগ বা প্রতিবাদ অর্থনৈতিক নয়, নৈতিক। বিষয়টি নিয়ে ন্যান্সি বলেন, ‘আমি ফেসবুক লাইভটি সরাসরি দেখিনি। পরে একজন শিল্পী আমাকে উনার লাইভে আসার বিষয়টি জানায়। সেখানে শিল্পীদের নিয়ে তিনি (আসিফ) বেশ আপত্তিকর কথা বলেছেন। আমি তো ভেবেছিলাম আমাকে নিয়েও বলবেন। তবে তিনি তা করেননি। সেটাই অবাক হলাম। আর আমার সঙ্গে তার দ্বন্দ্ব তেমন কিছু নয়। একটি অ্যালবামকে ঘিরে। এটা ছিল ‘ঝগড়ার গান’ অ্যালবাম। এটি একটি দ্বৈত অ্যালবাম। সেখানে আমি ছাড়াও অনেকে কাজ করেছেন। গান লিখেছিলেন কবির বকুল, রাজীব আহমেদ। সুর করেছিলেন মনোয়ার হোসেন টুটুল। এখানে অন্যদের মতো আমিও ২৫ শতাংশ মালিক। সে হিসেবেই কাজটি করা। পরবর্তীতে কোনও টাকা পয়সা আমি পাইনি। যেহেতু আমি কোনও ইউনিটি নিয়ে চলি না, আমাদের তেমন কোনও বন্ধুবান্ধব নাই। তাই আগ বাড়িয়ে আর বিরোধে যাইনি। প্রথমে তিনি (আসিফ) ২৫ পার্সেন্ট মালিকানার কথা বলেছেন, কিন্তু পরবর্তীতে তিনি তার কথায় থাকেননি। শেষ পর্যন্ত আমি টাকা পয়সার কিছু দেখিনি। পরবর্তী সময়ে তিনি যখন আবারও অ্যালবামের কথা বলেন, আমি তখন সোজা ‘না’ করে দিই। তখন তিনি আমাকে বললেন, তাহলে পার্সেন্টেজের হিসাব বাদ, এককালীন হলে কত নিবে? তখনও বললাম যে আমি অ্যালবাম করবো না। কারণ, যে লোকটার প্রথম লেনদেনই ভালো নয়, তার সঙ্গে এককালীনই কী আর ‘দশকালীনই’ কী! তখন আমার বিরুদ্ধে অনেক কথাই আসিফ ভাই বলেছেন। এরমধ্যে একজন আমাকে বললেন, আসিফ ভাই নাকি আমাকে গুলি করবেন! বিষয়টি আমি গুরুত্ব দিতে চাইনি। তবে সবার কথায় এটা বুঝেছি, আসিফ ভাই আমার বিষয়ে ক্ষুব্ধ। ১২টা গান দিয়েছিলাম, সেখানে সবই ছিল দ্বৈত। তবে একটি একক গান শ্রোতারা শুনেছেন। কিন্তু সে গানটি যে অ্যালবামে রাখা হবে তা আমার জানা ছিল না। বা আমার অনুমতিও তিনি নেননি। আরও একটি বিষয়, পরবর্তী সময়ে জানতে পারি তিনি (আসিফ) ‘অন বিহাফ’ লিখে গানগুলো বিক্রি করে দিয়েছেন! ‘অন বিহাফ’ দেওয়া সিগনেচার আর মালিকানা তো এক নয়। আমার পক্ষেও যদি কেউ সিগনেচার করে, তার মানে সে সব টাকা নিয়ে নিতে পারে না। আর এই ‘অন বিহাফের’ বিষয়টিও আমি জানতাম না। আমাকে অগোচরে রেখেই আসিফ ভাই এটা করেছেন। এটা অন্যায়। তিনি আরও বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে কেউ জানতে চায়নি। শুধু একটি পত্রিকা (আমাদের সময়) জানতে চায়, আমি তখন তাদের বিস্তারিত বলি। কিন্তু পরবর্তী সময়ে দেখেছি, পত্রিকাটি তাদের অনলাইন থেকে নিউজটি নামিয়ে রেখেছে। কেন এটা করল, আমি জানি না।’ ন্যান্সি বলেন, ‘বিনা টাকায় অনেক শিল্পীই গান করেন। আমিও করেছি। আজ যে সমস্যা প্রীতম আহমেদ ও শফিক তুহিন ভাই সামনে এনেছেন, এটা যদি আসিফ ভাই সরাসরি তাদের বলতেন, সব সমাধান হতো। তাহলে হয়তো প্রীতম আহমেদ ও শফিক তুহিন মামলা থেকে সরে আসতেন। আমার তো মনে হয় আমাদের শিল্পীদের এই মানসিকতা এখনও আছে। আমি যতটা অর্থনৈতিক কারণে কষ্ট পেয়েছি, তারচেয়ে কষ্ট হয়েছে নৈতিক অস্পষ্টতা নিয়ে। শিল্পী আসিফ আকবরের বিরুদ্ধে আমার প্রতিবাদটি অর্থনৈতিক নয়, নৈতিক!’ এসএ/

মুচলেকা দিয়ে জামিন পেলেন কণ্ঠশিল্পী আসিফ

তথ্যপ্রযুক্তি আইন ও প্রতারণার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ১০ হাজার টাকা মুচলেকা দিয়ে জামিন পেয়েছেন কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবর। মামলায় পুলিশ প্রতিবেদন দাখিল করার আগ পর্যন্ত এ জামিন বহাল থাকবে। সোমবার ঢাকা মহানগর হাকিম কেশব রায় তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করে এ আদেশ দেন।সকালে আদালতে তার আইনজীবী জামিনের আবেদন করেন। পরে জামিন আবেদনে শুনানি শেষে আদালত জামিন মঞ্জুর করেন। এর আগে রোববারও আসিফের আইনজীবী জামিনের আবেদন করেন। তবে কোনো কারণ উল্লেখ্য না করে জামিন আবেদনটি প্রত্যাহার করে নেন।উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার দিনগত রাত দেড়টায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) একটি টিম কণ্ঠশিল্পী আসিফকে তার অফিস থেকে গ্রেফতার করে। সুরকার ও কণ্ঠশিল্পী শফিক তুহিন কর্তৃক তেজগাঁও থানার দায়ের করা তথ্যপ্রযুক্তি আইন ও প্রতারণার একটি মামলায় (মামলা নম্বর ১৫) তাকে গ্রেফতার করা হয়।এসএ/

কনার ঈদ উপহার

আসছে ঈদে সংগীতশিল্পী কনার একাধিক গান প্রকাশ পাচ্ছে। এরমধ্যে গত শনিবার একটি গানের রেকর্ডিং হয়েছে। ‘নিমন্ত্রণ’ শিরোনামের গানটি লিখেছেন এন আই বুলবুল। সুর ও সংগীত পরিচালনা করেছেন অরণ্য আকোন।গানটি প্রসঙ্গে কনা বলেন, গানটির কথা ও সুর বেশ ভালো। ঈদের আনন্দের সঙ্গে গানটি একেবারে উপযুক্ত। অরণ্যর সুর ও সংগীতে প্রথমবারের মত কাজ করেছি। নতুন হলেও সে ভালো কাজ করেছে বলতে পারি। শ্রোতারা গানটি পছন্দ করবেন বলে আশা করছি।এদিকে কনা ডি রক স্টার শুভর সঙ্গে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে একটি গানে কণ্ঠ দিয়েছেন বলেও জানান।ঈদ উপলক্ষে ‘নিমন্ত্রণ’ গানটি প্রকাশ করবে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সিডি চয়েস মিউজিক।এসএ/  

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি