ঢাকা, শুক্রবার, ২০ এপ্রিল, ২০১৮ ১৬:৩৫:০২

নিউ ইয়র্কে পারফর্ম করলেন পিয়া বিপাশা

নিউ ইয়র্কে পারফর্ম করলেন পিয়া বিপাশা

বর্তমানে নিউ ইয়র্কে আছেন মডেল-অভিনেত্রী পিয়া বিপাশা। নিউ জার্সির আটলান্টিক সিটিতে অনুষ্ঠিত ‘ঢালিউড ফিল্ম অ্যান্ড মিউজিক অ্যাওয়ার্ডস’ নামের একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিতেই তিনি নিউ ইয়র্কে গেছেন। এ অনুষ্ঠানে পারফর্ম করেছেন পিয়া। পিয়া বিপাশা জানান, গত ১৬ এপ্রিল নিউ ইয়র্কে এসেছি। নিউ জার্সির শেরাটন আটলান্টিক সিটি কনভেনশন সেন্টারে ‘ঢালিউড ফিল্ম অ্যান্ড মিউজিক অ্যাওয়ার্ডস’ অনুষ্ঠানটি হয়েছে। এখানে এসে বেশ ভালোই লাগছে। আর অনুষ্ঠানটিও দর্শকরা বেশ উপভোগ করেছেন। আমি ছাড়াও অভিনেতা সজল ভাই, কণ্ঠশিল্পী তাহসান খানসহ অনেক তারকা এসেছেন বাংলাদেশ থেকে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আগামী ২২ এপ্রিল নিউ ইয়র্কের জ্যামাইকাতে আরও একটি অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। সেই অনুষ্ঠান শেষ করে বাংলাদেশে ফিরব।’ এসএ/  
মায়াবতী হিমি

কালো মেয়ে জান্নাতুল সুমাইয়া হিমি। যোগ্যতাসম্পন্ন হয়েও তার যোগ্যতা কালোর আড়ালে চাপা পড়ে থাকে। চারপাশে প্রতিনিয়ত কালোদের অবহেলা। তথাকথিত সাদা সুন্দরের ভিড়ে কোথায় যেন হারিয়ে যায় সে। যেখানেই নিজেকে উপস্থাপন করতে যায় সেখানে যোগ্যতার সঙ্গে বাধা হয়ে দাঁড়ায় বর্ণ। এটাই যেন সমাজের নিয়ম। এমনি এক গল্পের টেলিছবিতে অভিনয় করেছেন সময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী হিমি। টেলিছবির নাম ‘মায়াবতী’। এর নাম ভূমিকায় হিমিকে দেখা যাবে। ‘মায়াবতী’ টেলিছবিতে হিমি জুটি বেঁধেছেন অভিনেতা এফ এস নাঈমের সঙ্গে। গীতালি হাসানের নাট্যরূপে টেলিফিল্মটি পরিচালনা করছেন গোলাম হাবিব লিটু। নজরুল জয়ন্তী উপলক্ষে আসছে ২৫ মে টেলিফিল্মটি প্রচার করা হবে একটি বেসরকারি চ্যানেলে। টেলিছবিটি সম্পর্কে হিমি বলেন, ‘এটির গল্প আমাদের সমাজের প্রতিচ্ছবি। আমার চরিত্রের নাম মায়াবতী। কিন্তু এ মায়াবতীর গায়ের রঙ কালো বলে সবাই তাকে কাজরী বলে ডাকে। আমরা ভুলে যাই সব রঙের মতো কালো একটা রঙ। তারপরও এটার প্রতি সবার অনীহা। একটা মেয়ে পরিপূর্ণ যোগ্যতাসম্পন্ন হলেও বর্ণ তার কাজে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। সমাজে একটি কালো মেয়ে যে সমস্যাগুলোর মুখোমুখি হয় নির্মাতা গল্পে সেটি তুলে ধরেছেন। এমন একটি চরিত্রে কাজ করতে পেরে ভালো লাগছে। এক কথায় বলতে পারি গল্পটা অনেক বাস্তববাদী এবং খুবই সুন্দর।’ এসএ/  

প্রাঙ্গণেমোর মঞ্চে ভাসাবে হাছন রাজার নাও!   

বাংলাদেশের প্রথম সারির নাট্যদল প্রাঙ্গণেমোর এবার মঞ্চে নিয়ে আসছে সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা, রামপাশা, লক্ষন শ্রী আর সিলেটের একাংশ নিয়ে পাঁচ লাখ বিঘার বিশাল অঞ্চলের জমিদার ও মরমী গীতিকবি হাছন রাজাকে নিয়ে নাটক ‘হাছনজানের রাজা’। যেখানে উঠে আসবে হাছন রাজার নৌকাজীবন! শাকুর মজিদের লেখা ও অনন্ত হিরার নির্দেশনায় নাটকটির উদ্বোধনী মঞ্চায়ন হবে ২০ এপ্রিল সন্ধ্যা ৭টায়, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার মূল হলে। এছাড়া ২১ এপ্রিল একই সময় পরীক্ষণ থিয়েটার হলে নাটকটির ২য় মঞ্চায়ন অনুষ্ঠিত হবে।     এর আগে জাতীয় নাট্যশালার মূল হলে ১৬ এপ্রিল নাটকটির একটি কারিগরি মঞ্চায়ন হয় এবং ১৯ এপ্রিল আরও একটি কারিগরি মঞ্চায়ন অনুষ্ঠিত হবে। ‘হাছনজানের রাজা’ নাটকটি প্রাঙ্গণেমোরের ১৩তম প্রযোজনা। এ নাটকের মঞ্চ পরিকল্পনা করেছেন ফয়েজ জহির, সংগীত পরামর্শক সেলিম চৌধুরী, সংগীত পরিকল্পনায় রামিজ রাজু, আলোক পরামর্শক ঠান্ডু রায়হান, আলোক পরিকল্পনায় তৌফিক আজীম রবিন এবং পোশাক পরিকল্পনা করেছেন নূনা আফরোজ। ‘হাজনজানের রাজা’ নাটকটিতে অভিনয় করেছেন রামিজ রাজু, আউয়াল রেজা, মাইনুল তাওহীদ, সাগর রায়, শুভেচ্ছা রহমান, সবুক্তগীন শুভ, জুয়েল রানা, আশা, প্রকৃতি, প্রীতি, সুজয়, নীরু, সুমন, বাঁধন ও রুমা। নাটকটির প্রেক্ষাপট প্রসঙ্গে নির্দেশক অনন্ত হিরা জানান, হাছন রাজা (১৮৫৪-১৯২২) বর্তমান সুনামগঞ্জ জেলার একজন সামন্তপ্রভু ছিলেন। পিতা ও মাতা উভয়ের কাছ থেকে পাওয়া বিশাল জমিদারীর মালিকানা চলে আসে কিশোর বয়সে। অর্থ, বেহিসাবি সম্পদ আর ক্ষমতার দাপটে বেপরোয়া জীবন যাপনে অভ্যস্ত হয়ে পড়েন তিনি। জাগতিক লোভ লালসা, ক্ষমতায়ন, জবরদখল করে তিনি তার প্রতিপত্তি বাড়ানোর কাজে প্রবৃত্ত ছিলেন। কিন্তু এক সময় তার ভেতরের ভ্রান্তি ঘুচে যায়। মধ্য পঞ্চাশে এসে তিনি ভিন্ন এক মানুষে পরিণত হয়ে যান। তার বোধ হয় যে, এ জগত সংসারের সব অনাচারের মূলে আছে অতিরিক্ত সম্পদ। কিছু দিনের জন্য অতিথি হয়ে আসা মানুষেরা আসলে মহা শক্তির কাছে একেবারে নশ্বর। এই বোধ থেকে তিনি তার সম্পদ জনকল্যাণের জন্য উইল করে দিয়ে কয়েকজন সঙ্গিনীকে নিয়ে নৌকায় করে হাওরে হাওরে ভাসতে থাকেন। আর এর মধ্যে খুঁজতে থাকেন সেই মহা পরাক্রমশীল সর্বশ্রেষ্ঠকে। সৃষ্টিকর্তাকে খুঁজতে খুঁজতে এক সময় আবিষ্কার করেন, নিজের মধ্যেই তার বাস। তার যে পিয়ারীকে সবাই হাছনজান বলে জানে, সেই আসলে হাছন রাজা। জগতের মানুষের কাছে যিনি রাজা বলে চিহ্নিত ছিলেন, হাছন রাজার কাছে সে কেউ নয়, বরং পিয়ারী হাছনজানের ভেতরেই প্রকৃত হাছন রাজা বিরাজমান ছিলেন। এসি  

৩টি শর্ট ফিল্ম নিয়ে আসছে রোমিও

হুমায়ুন কবির রোমিও দীর্ঘদিন থেকে মিডিয়ায় কাজ করছেন। এবার তিনি একটি ইউটিউব চ্যানেল “Keep up Dream” নিয়ে আসছেন। যেখানে তিনি বিনোদন ও শিক্ষা নিয়ে কাজ করবেন। এ লক্ষ্যে ইতিমধ্যে তিনি ৩টি শর্ট ফিল্ম নির্মাণ করেছেন। শর্টফিল্মগুলো পরিচালনা করেছেন তানিম। ভিন্ন ভিন্ন গল্পের এই ফিল্মগুলোর শুটিং হয়েছে ঢাকার বিভিন্ন লোকেশনসহ রূপগঞ্জের চিত্রপুরী শুটিং স্পটে। এতে অভিনয় করেছেন একঝাঁক নতুন মুখ। তারা হলেন, রোমিও, রাজিব, নাসা, মিলি, আজগর, নাসির প্রমুখ। হুমায়ুন কবির রোমিও বলেন, ভবিষ্যতে চ্যানেলটিতে নতুন নতুন নাটক, টেলিফিল্ম, ডকুমেন্টারী, একাডেমিক শিক্ষার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ভিডিও আপলোডের মাধ্যমে শিক্ষা ও বিনোদন নিয়ে কাজ করবো। আশা করি এর মাধ্যমে সবাই উপকৃত হবে।    আরকে/এসি  

প্রভা-সজলের ‘অভিমান খুনসুটি’   

সজল ও প্রভা নবদম্পতি। প্রভার একটা পোষা প্রাণী আছে। তার নাম নিমো। বিয়ের পর নিমোকে নিয়েই ব্যস্ত থাকে প্রভা। আর এই নিয়ে সজল আর প্রভার মধ্যে শুরু হয় মান অভিমান। এমনই ঘটনা নিয়ে নির্মাণ করা হয়েছে নাটক ‘অভিমান খুনসুটি’। ‘অভিমান খুনসুটি’ নাটকটি লিখেছেন নাইস নূর। পরিচালনা করেছেন তপু খান। নাটকটিতে আরও অভিনয় করেছেন পাভেল ইসলাম ও শিশুশিল্পী সারগাম। নাটকটিতে একজন ব্যারিস্টারের চরিত্রে অভিনয় করেছেন পাভেল ইসলাম। অভিনেতা আবদুন নূর সজল বলেন, নাটকটিতে কাজ করে তার অনেক ভালো লেগেছে। নাটকটির গল্প অনেক বাস্তবধর্মী। তপু অনেক যত্ন করে নাটকটি নির্মাণ করেছেন।     প্রভা বলেন, ‘নাটকটির গল্পের সঙ্গে আমার মিল রয়েছে। আমি নিজেও পোষা প্রাণী খুব পছন্দ করি। আমার নিজেরও পোষা প্রাণী ছিল।’ নাইস নূর বলেন, ‘অভিমান খুনসুটি নাটকটির গল্প অনেক আগেই লিখেছি। নাটকটির চিত্রনাট্য লিখেছি নাটকের শুটিং হওয়ার একদিন আগে। আশা করছি,দর্শক নাটকটি পছন্দ করবেন।’ পরিচালক তপু খান বলেন ‘নাটকটির গল্প আমার খুব পছন্দ হয়েছে। একটা বিড়াল নাটকের প্রধান চরিত্র। নাটকটির শুটিং করা খুব সহজ কাজ ছিল না। অনেক কৌশল অবলম্বন করেছি আমরা। সজল ও প্রভা খু্ব ভালো অভিনয় করেছেন।’ নাটকটি একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে প্রচারিত হবে। এসি  

নিউইয়র্ক যাচ্ছেন সজল

আবদুন নূর সজল। আসছে ঈদে বেশ কিছু নাটকে দেখা যাবে তাকে। ইতিমধ্যে অনেকগুলো নাটকের শুটিং করেছেন তিনি। জনপ্রিয় এই অভিনেতা আজ যাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রে। সেখানে নিউইয়র্কে ২০ দিন থাকার পরিকল্পনা আছে তার। এমনটাই জানিয়েছেন তিনি। সজল প্রতি বছরই একবার হলেও নিউইয়র্কে যান। এবার তিনি সেখানে দুটি শো’তে অংশ নেবেন। এ ছাড়া নিউইয়র্কে তার বোন থাকেন। বোনের সঙ্গেও দেখা করবেন তিনি। নিউইয়র্ক নিয়ে সজল বলেন, ‘বাংলাদেশের মতো সুন্দর কোনো জায়গা নেই। তবে নিউইয়র্কের জ্যামাইকা অনেক ভালো লাগে। মনে হয়, এটা বাঙালিপাড়া। জ্যামাইকাতে গেলে মনে হয় না দেশের বাইরে আছি। দেয়ালে দেয়ালে বাংলা লেখা। বাংলা দোকান। বাংলা খাবার। প্রবাসে গিয়ে এসব দেখতে ভালো লাগে।‘ ঈদের নাটক নিয়ে তিনি বলেন, ‘এখন অনেক বৈচিত্র্যময় গল্পে কাজ হচ্ছে। অভিনয় করেও ভালো লাগছে। গেল দুই ঈদে দেখা গিয়েছে শুধু হাসির, কমেডি কিংবা রোমান্টিক নাটকের বাইরেও অনেক রকম গল্পের নাটক হয়েছে। আমি আশাবাদী, সামনের ঈদে অনেক বৈচিত্র্যপূর্ণ গল্পের কাজ হবে।’ এসএ/  

ঢাকায় ফিরলেন মোনালিসা    

জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী মোনালিসা প্রায় দুই বছর পর ঢাকায় এলেন। তার বর্তমান স্থায়ী নিবাস আমেরিকা। বৃহস্পতিবার তিনি দেশে ফিরেছেন। অনেক দিন পর দেশে আসায় বেশ উচ্ছ্বসিত মোনালিসা। তিনি বলেন, প্রায় দুই বছর পর দেশে ফিরলাম। ভীষণ ক্লান্ত ছিলাম। তাই একটু বিশ্রাম নিয়েছি আম্মু এবং পরিবারের অন্যদের সঙ্গে একান্তে সময় কাটিয়েছি।    ইচ্ছে আছে এবারের রোজার ঈদ আম্মুর সঙ্গে করার। তবে, সত্যি বলতে কী এবার দেশে ফিরে দারুণ আনন্দিত আমি। কারণ এমন একটি সময়ে দেশে এসেছি যখন প্রিয় অনেক মানুষের সঙ্গে দেখা হবে। নববর্ষের দিনেই সবার সঙ্গে দেখা হবে। অনেক সুন্দর সময় কাটবে সবার সঙ্গে-ভাবতেই ভালো লাগছে। মোনালিসা জানান, এবার তিনি নাটক-টেলিফিল্মে অভিনয় করবেন, বিজ্ঞাপনে মডেল হিসেবেও কাজ করবেন। আর যদি কোনো গানের ভালো গল্প হয় তবে মিউজিক ভিডিওর মডেল হিসেবেও কাজ করবেন। মোনালিসা ২০১৬ সালের এপ্রিল মাসে সর্বশেষ ঢাকায় এসেছিলেন।  প্রসঙ্গত, মোনালিসা আমেরিকায় গত দুই বছর যাবৎ বিশ্ববিখ্যাত কসমেটিকস ও বিউটি প্রোডাক্ট সরবরাহকারী বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান ‘সেফোরা’র বিউটি অ্যাডভাইজার হিসেবে কর্মরত। পাশাপাশি সেখানে তিনি বাংলাদেশের বিশেষ বিশেষ দিবসে সেখানকার বাংলা টিভি চ্যানেলে বিশেষ অনুষ্ঠানেও অংশ নিয়ে থাকেন। এসি  

বৈশাখে নুহাশের ‘কাগজখেলা’

হুমায়ূন পুত্র নুহাশ হুমায়ূন মন দিয়েছেন নাটক ও স্বল্প দৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণে। এবার তিনি নির্মাণ করেছেন একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। ‘পেপার ফ্রগস’, শিরোনামের স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটির বাংলা টাইটেল ‘কাগজখেলা’। আসছে পহেলা বৈশাখের দিন ছোট পর্দায় প্রচার হবে চলচ্চিত্রটি। নুহাশের ‘কাগজখেলা’ প্রযোজনা করেছে ইমপ্রেস টেলিফিল্ম। ১৫ মিনিট দৈর্ঘ্যের চলচ্চিত্রটির প্রধান দু্ই চরিত্রে অভিনয় করেছেন আনাফ রহমান ও সাঁজবাতি। সর্বশেষ নভেম্বরে অনুষ্ঠিত ঢাকা লিট ফেস্টে চলচ্চিত্রটির প্রথম প্রদর্শনী হয়। ভারতে অনুষ্ঠিতব্য সাউথ এশিয়ান শর্টফিল্ম ফেস্টিভ্যালে রোববার প্রদর্শিত হয়েছে ‘কাগজখেলা’। জানা গেছে, ১৪ এপ্রিল রাত ৮টায় চ্যানেল আই-এ জেনারেশন এক্সক্লুসিভ প্রিমিয়ার হবে নুহাশের স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘কাগজখেলা’র। উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ঈদুল আজহায় প্রথম টিভি নাটক ‘হোটেল আলবাট্রোস’ দিয়ে ভালোই সাড়া পান নুহাশ হুমায়ূন। নাটকটি কয়েকটি বিভাগে চারুনীড়ম কাহিনী চিত্র পুরস্কারও জিতে নেয়। এসএ/  

কে এই সাধুবাবা?

গ্রামের মানুষের ওপর ভর করেছে অদৃশ্য এক শক্তি। এ নিয়ে ভয়ের মধ্যে রয়েছে গ্রামের নারী পুরুষরা। কোনোভাবেই তারা এর থেকে মুক্তি পাচ্ছে না। পরিত্রানেরও কোনো পথ খুঁজে পাচ্ছে না। ঠিক সেই মুহুর্তে ওই গ্রামে এসে হাজির হয় নোয়াখালীর এক সাধুবাবা।  যার চলা ফেরায় নানা রকম মজার কাণ্ড ঘটতে থাকে। এমনই এক মজার ঘটনা নিয়ে নির্মাণ করা হয়েছে নাটক ‘চুন্নু মিয়ার হালখাতা’।     এতে সাধুবাবা চরিত্রে অভিনয় করেছেন মীরাক্কেল আক্কেল চ্যালেঞ্জার্সের জামিল হোসেন। নাটকটির কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন সজল ও শ্রাবন্তী কর ঊর্মিলা।        ‌‘চুন্নু মিয়ার হালখাতা’ নাটকটি রচনা ও পরিচালনা করেছেন গোলাম সোহরাব দোদুল। এর আগে চাষি, বেকার যুবক, ছাত্রসহ বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন জামিল। নিজের নতুন কাজটি নিয়ে তিনি বললেন, ‘নোয়াখালীর মানুষ হিসেবে কাজটি করা আমার জন্য সহজ হয়েছে। তবে প্রথমবারের মতো সাধুবাবার মতো এমন অদ্ভুত এক চরিত্র করলাম।’ ‘চুন্নু মিয়ার হালখাতা, নাটকটি আগামী শুক্রবার রাত ৯টায় এসএটিভিতে প্রচার হবে। এসি    

ভালো কাজের অপেক্ষায় কুসুম শিকদার

অভিনেত্রী কুসুম শিকদার। ‘গহীনে শব্দ’ চলচ্চিত্রের মধ্য দিয়ে বড় পর্দায় নিজেকে তুলে ধরেন এই অভিনেত্রী। এরপর ‘লাল টিপ’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন তিনি। সবশেষ ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত পরিচালক গৌতম ঘোষের পরিচালনায় ‘শঙ্খচিল’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন তিনি। ২০১৬ সালে দুই বাংলায় চলচ্চিত্রটি মুক্তি পেয়েছিল। আর চলতি বছর সেই চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য জাতীয় পুরস্কার পেতে যাচ্ছেন কুসুম শিকদার। ‘শঙ্খচিল’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে এই পুরস্কার পাচ্ছেন। এ প্রসঙ্গে কুসুম বলেন, ‘খবরটা জানার পর খুব ভালো লাগছে। আর আমি ক্যারিয়ারের তৃতীয় চলচ্চিত্র দিয়েই জাতীয় পুরস্কারটি পেতে যাচ্ছি। এটাই আমার জন্য বিশাল কিছু। এজন্য আমি আমার সৃষ্টিকর্তা এবং জুরিবোর্ডের কাছে কৃতজ্ঞ।’ কুসুম শিকদার যে একজন সু-অভিনেত্রী তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তার অভিনিত নাটক ও সিনেমাগুলো দেখলে সেই প্রমান পাওয়াই যায়। কিন্তু তারপরেও পর্দায় তাকে খুব একটা দেখা যাচ্ছে না। বিষয়টি নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি বর্তমানে কোনো কাজ করছি না। আর সব ধরনের চলচ্চিত্রে আমি কাজও করি না। যদি এমন কোনো চলচ্চিত্রে কাজের সুযোগ আসে যেটা দর্শকরা অনেকদিন মনে রাখবে তাহলে আবারও নতুন চলচ্চিত্রে আমি কাজ করবো। এছাড়া কাজ করতে চাই না। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড ও আশীর্বাদ চলচ্চিত্রের প্রযোজনায় ‘শঙ্খচিল’ সিনেমাতে কুসুম শিকদারের বিপরীতে অভিনয় করেন ভারতের জনপ্রিয় অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। ‘শঙ্খচিল’ চলচ্চিত্রের পর কুসুম শিকদারকে আর কোনো নতুন চলচ্চিত্রে অভিনয় করতে দেখা যায়নি। এসএ/  

লিফটম্যান নিশোর স্ত্রী সাবিলা নূর

বৈশাখের নতুন একটি নাটকে কাজ করলেন জনপ্রিয় অভিনেতা আফরান নিশো। নাটকের নাম ‘শাড়ি’। হিমেল আশরাফের পরিচালনায় নির্মিত নাটকটিতে নিশোর বিপরীতে অভিনয় করেছেন ছোট পর্দার আরও এক প্রিয় মুখ সাবিলা নূর। নাটকে নিশোর চরিত্রের নাম শাহাদাত। সে একজন লিফটম্যান। তার স্ত্রী শিউলি। কোন রকমে তার সংসার চলে। নিজের স্ত্রীর শখ পূরণের চেষ্টা করেন সবসময়ই। কিন্তু একটা শাড়িকে কেন্দ্র করে পুরো গল্পের কাহিনী অন্যদিকে মোড় নেয়। নাটক নিয়ে নিশো বলেন, ‘এটা মধ্যবিত্তের গল্প না, একটা অস্বচ্ছল পরিবারের গল্প বলা যায়। আমার চরিত্রটা একটু আলাদা, লিফটম্যান। একটু অন্যরকম, একটা ভালো লাগা ছিল কাজটাতে।’ সাবিলা নূর বলেন, গল্পটা আমার খুবই পছন্দ হয়েছে। নিশো ভাইয়ের সঙ্গে এটা আমার দ্বিতীয় কাজ। তিনি খুবই মজার মানুষ। কাজের বিষয়ে অনেক সহযোগিপরায়ণ। সব মিলিয়ে কাজটা করে আমার খুবই ভালো লেগেছে। আসছে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে নাটকটি একটি বেসরকারি চ্যানেলের জন্য নির্মাণ করা হয়েছে। এসএ/  

গিনেজ বুকে নাম লেখাতে ঢাবিতে মূকাভিনয়

‘নির্বাক শব্দেরা মুখরিত হোক মুক্তির আলোয় আলোয়’ প্রতিপাদ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি’তে শুরু হলো তিনদিনের আন্তর্জাতিক মূকাভিনয় উৎসব। ঢাকা ইউনিভার্সিটি মাইম অ্যাকশনের (ডুমা) আয়োজনে রোববার থেকে শুরু হয় এ উৎসব। এববারের উৎসবে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ, ভারত, ইরান, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, জার্মানি ও নেপালের একক এবং বিভিন্ন দলের মূকাভিনয় শিল্পীরা। উৎসবের উল্লেখযোগ্য দিক হচ্ছে- গিনেজ বুক অব ওয়ার্ল্ডে নাম লেখানোর লক্ষ্যে টিএসসি’র সুবজ প্রান্তরে আড়াইশ মূকাভিনয় শিল্পী দলীয় পরিবেশনায় অংশ নেওয়া। রোববার সকাল থেকে এ আয়োজন চলে। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. আখতারুজ্জামান। এসময় ব্যতিক্রমধর্মী আন্তর্জাতিক উৎসব আয়োজনের জন্য মাইম অ্যাকশনকে অভিনন্দন জানিয়ে উপাচার্য বলেন, গিনেস বুকে রেকর্ড করার লক্ষ্যে শিল্পীরা যে মূকাভিনয়ে অংশ নিয়েছে তাদের সহ উৎসবে অংশ নেয়া সব দেশের শিল্পীদের অভিনন্দন জানাই। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা করছি। উদ্বোধনী দিনে মূকাভিনয় পরিবেশন করেন আমেরিকান নিউ মাইম থিয়েটারের পরিচালক বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক কাজী মশহুরুল হুদা, ভারতের সোমা মাইম থিয়েটার, জার্মানির নিমো মাইম, রংপুরের মিরর মাইম থিয়েটার, জাপানের দুজন মাইমশিল্পী এবং আয়োজক সংগঠন ঢাকা ইউনিভার্সিটি মাইম অ্যাকশন। তিনদিনের এ উৎসব শেষ হবে মঙ্গলবার, ১০ এপ্রিল। এসএ/  

আজ নাবিলার জন্মদিন

জনপ্রিয় মডেল, উপস্থাপিকা ও অভিনেত্রী মাসুমা রহমান নাবিলার জন্মদিন আজ। মিষ্টি হাসির এই নায়িকা ক্যারিয়ারে ‘আয়নাবাজি’ সিনেমা দিয়ে সফলতার শীর্ষে উঠে আসেন। সিনেমায় অভিনয়ের বাইরে নাবিলা অবশ্য মডেলিং ও উপস্থাপনাতেও নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করেছেন। জীবনের বেশ কিছু বসন্ত পাড় করেছেন তিনি। সেই সঙ্গে জন্মদিনও। তবে এবারের জন্মদিনটা একটু বেশি স্পেশাল। কারণ এ মাসেই তিনি বিয়ে করতে যাচ্ছেন। বিষয়টি নিয়ে নাবিলা বলেন, ‘জীবনের নতুন এবং গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়টি শুরু করতে যাচ্ছি এই বছরেই। এ মাসেই বিয়ে। সবার কাছে দোয়া ও শুভকামনা চাই।’ এদিকে জন্মদিনে নাবিলাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তার ভক্ত ও অনুসারীরা। তার ফেসবুকের ওয়ালে দেখা গেছে ভক্ত ও অনুসারীদের শুভেচ্ছা আর অভিনন্দন বার্তা। কাছের মানুষেরা ফোনে জন্মদিনের উইশ করছেন। নাবিলাও সবার কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। নাবিলা বলেন, ‘এতো এতো ভালোবাসার ঋণ কোনোদিন মেটানো যাবে না। আমি চেষ্টা করে যাবো সবার ভালোবাসার প্রতিদান ভালো কাজের বিনিময়ে দিতে।’ প্রসঙ্গত, মাসুমা রহমান নাবিলার জন্ম সৌদি আরবের জেদ্দায়। তার বাবা লুৎফর রহমান সেখানে একটি বেসরকারি ফার্মে নিরীক্ষণ কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সেই সুবাদে সেখানেই কেটেছে নাবিলার শৈশব। মরুভূমির সেই অঞ্চলে অবস্থিত বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজে পড়াশোনা করেছেন নাবিলা। মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) শেষ করে ঢাকায় চলে আসেন এবং ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এইচএসসি) শেষ করেন। এরপর ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজিতে বিএ (অনার্স) সম্পন্ন করেছেন। আসছে ২৬ এপ্রিল পুরনো বন্ধু জোবাইদুল হকের সঙ্গে বিয়ের দিন ধার্য রয়েছে তার। জোবাইদুল পেশায় একজন ব্যাংকার। এসএ/  

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি