ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৪ অক্টোবর, ২০১৭ ২:৩৪:২২

সারিকার মন ভালো, শুটিংয়ে ফিরছেন

সারিকার মন ভালো, শুটিংয়ে ফিরছেন

বাবার অসুস্থতার কারণে বেশ কিছুদিন শুটিং থেকে বিরতি নিয়েছিলেন জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী সারিকা। অসুস্থ বাবাকে নিয়ে প্রায় দুই সপ্তাহ হাসপাতালে সময় দিতে হয়েছে তার। বাবাকে দেখাশোনা করতে গিয়ে সব ধরনের শুটিং বন্ধ রেখেছিলেন সারিকা। বর্তমানে বাবা সুস্থ হয়ে উঠেছেন। তাই আবারও শুটিংয়ে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সারিকা। এ প্রসঙ্গে সারিকা বলেন, ঈদের পর কাজ শুরু করেছিলাম। কিন্তু হঠাৎ বাবা অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিলো। এমন অবস্থায় বাবার পাশে থাকা ছাড়া কোনো উপায়ও ছিল না। এছাড়া আমার মেয়েও কয়েকদিন অসুস্থ ছিল। সবমিলিয়ে গেল কয়েকটা দিন যে কীভাবে কেটেছে আমার তা বলে বুঝাতে পারব না। তিনি আরও বলেন, ‘আল্লাহর অশেষ মেহেরবানিতে বাবা এখন ভালো আছেন। সবার কাছে দোয়া চাই যেন আল্লাহ আমার বাবাকে পুরোপুরি সুস্থ করে দেন। এখন কিছুটা ফ্রি হয়েছি। তাই শিগগিরই শুটিং শুরু করব। পূর্বের দেয়া সিডিউলে কাজ করতে না পারলেও যারা চাইবেন তাদের নতুন করে সিডিউল দেবেন বলে জানিয়েছেন সারিকা।   এসএ / এআর  
কানাডায় চঞ্চল সময় কাটাচ্ছেন খুশি

সময়টা খুব ভালো যাচ্ছে দুজনের। ঘুরে বেড়াচ্ছেন কানাডার টরোন্টোতে। প্রবাসীদের আমন্ত্রণে মঞ্চ মাতিয়ে এবার নিজেদের কিছুটা সময় উপভোগের পালা। তাইতো ট্রেনে উচ্ছ্বল হাসিতে মেতে আছেন দুজন। বলছি চঞ্চল-খুশির কথা। সম্প্রতি মঞ্চনাটকে অভিনয়ের জন্য কানাডায় গিয়েছেন অভিনয়শিল্পী চঞ্চল চৌধুরী ও শাহনাজ খুশী। গত ১১ অক্টোবর বুধবার রাত দুইটার ফ্লাইটে কানাডার উদ্দেশে যাত্রা করেন তারা। এরপর ১৪ ও ১৫ অক্টোবর কানাডার টরোন্টো’তে একটি মিউজিক্যাল শো’তে দু’টি ভিন্ন মঞ্চ নাটকে অভিনয় করেন। প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য আয়োজিত অনুষ্ঠানটি শুরু হয় স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টায়। টরোন্টোতে বসবাসরত প্রতিবন্ধী ও অসহায় নারীদের সহায়তা করার জন্য এই শো’র আয়োজন করা হয়। বৃন্দাবন দাস রচিত ও নির্দেশিত ‘মাটির টানে’ ও ‘ভুতের স্বর্গ’ নাটক দু’টিতে তারা অভিনয় করেন। অভিনয়ের পাশাপাশি অনুষ্ঠানে চঞ্চল চৌধুরী গানও গেয়েছেন। এছাড়া এ অনুষ্ঠানে গান গেয়েছেন ভারতীয় সংগীতশিল্পী নচিকেতাও। চঞ্চল ও খুশির ফেসবুকে দেখা গেছে অনুষ্ঠান ও এরপরবর্তী সময়ের কিছু ছবি। ভক্তদের উদ্দেশ্যেই প্রকাশ করা হয়েছে এসব ছবি। ছবিতে দেখা যায় কখনও চঞ্চল-খুশি সেলফিতে দৃশ্যবন্দি হন নচিকেতার সঙ্গে। আবার দেখা গেছে দুজনই ভ্রমণ করছেন ট্রেনে। এছাড়া ঘুরে বেড়াচ্ছেন ঐতিহ্যবাহি স্থানে এবং প্রিয় মানুষদের সঙ্গে দেখা করছেন। ছবি দেখে মনে হচ্ছে- সব মিলিয়ে সময়টা দুজনের ভালোই কাটছে। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের টিভি নাটকের জনপ্রিয় মুখ চঞ্চল চৌধুরী ও শাহনাজ খুশি। চঞ্চল টিভি নাটকের পাশাপাশি চলচ্চিত্রে অভিনয় করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন। সবশেষ আয়নাবাজি চলচ্চিত্রে অভিনয় করে আলোচিত হয়েছেন তিনি। এর আগে মনপুরা, মনের মানুষ সিনেমায় অভিনয় করে দর্শক হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন এই অভিনেতা। অপরদিকে টিভি নাটকে চঞ্চল-খুশি একসঙ্গে বেশ কিছু নাটকে অভিনয় করে প্রশংসিত হয়েছেন। ব্যক্তিজীবনেও তারা ভালো বন্ধু।   এসএ / এআর

জণ্ডিসে আক্রান্ত মোশাররফ করিম

জণ্ডিসে আক্রান্ত হয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেতা মোশাররফ করিম। বর্তমানে তিনি রাজধানীর উত্তরায় একটি বেরসকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বলে জানিয়েছেন তার স্ত্রী জুঁই। জুঁই বলেন, ‘মোশাররফ করিমের জণ্ডিস হয়েছে। এছাড়া সুগার বাড়তি রয়েছে। সকালে ডাক্তার চেক আপ করে জানিয়েছেন অবস্থা কিছুটা ভালো এখন। এর আগে বুকে ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল। এবার সে সমস্য নেই। আগেরবার ডাক্তার ১৫ দিন পূর্ণ বিশ্রাম নিতে বলেছিলেন। কিন্তু সপ্তাহ না পেরুতেই আবার শুটিং শুরু করে। যার ফলে অনিয়মের মধ্যে পড়ে গিয়ে আবার ভুগতে হলো।’ তিনি আরও বলেন, ‘মূলত খাওয়া দাওয়াত অনিয়মের কারণে এবার জণ্ডিস হয়েছে মোশাররফ করিমের। ডাক্তার জানিয়েছেন, আগামী ৭২ ঘন্টার মধ্যে বাসায় ফিরতে পারবেন। এরপর টানা একমাস পূর্ণ বিশ্রামে যেতে হবে তাকে। কোনো রকম শুটিং করা যাবে না। ঘুম-বিশ্রাম খাওয়াদাওয়া সব নিয়ম মাফিক করতে হবে।’ উল্লেখ্য, পূবাইলে শুটিং করতে গিয়ে গত ৩০ আগস্ট বুকে ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন জনপ্রিয় অভিনেতা মোশাররফ করিম। দেড় মাসের মাসের মাথায় আবারও অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন তিনি। মোশাররফ করিমের সুস্থতা কামনায় সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন মোশাররফ করিমের স্ত্রী জুঁই করিম।   এসএ/এআর

দর্শকদের ভালোবাসা-ই সবচে বড়

মুখে মুক্তোমাখা হাসি। মিষ্টি কথা আর বৈচিত্রময় অভিনয় দিয়ে দর্শকদের মনে জায়গা পাকাপোক্ত করে নিয়েছেন এরইমধ্যে। এ প্রজন্মের কাছে জনপ্রিয় মুখ তিনি। নড়াইলের বিখ্যাত চিত্রা নদীর পাশে কেটেছে যার শৈশব। বলছি শিক্ষিত ও মার্জিত স্বভাবের সুমাইয়া শিমুর কথা। অভিনয়ে দেড় যুগেরও বেশি সময় দর্শকদের উপহার দিয়েছেন অসংখ্য জনপ্রিয় নাটক। একুশে টেলিভিশন (ইটিভি) অনলাইনের একান্ত সাক্ষাৎকারে উঠে এসেছে শিমুর ভালোলাগা, শৈশব ও বর্তমান। সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন- সোহাগ আশরাফ একুশে টেলিভিশন  অনলাইন: আপু কেমন আছেন? সুমাইয়া শিমু : জি অনেক ভালো আছি। একুশে টেলিভিশন অনলাইন: বিয়ের পর কিছুদিন বিরতি নিয়েছিলেন। তখন দর্শক আপনাকে মিস করেছে। কেনো এই বিরতি? সুমাইয়া শিমু : হ্যাঁ। কিছুদিন বিরতি নিয়েছিলাম। তবে শুধু বিয়ে বা সংসারের জন্য নয়; ওই সময়টাতে বেশ কিছু কারণে আমাকে অভিনয় থেকে দূরে থাকতে হয়েছে। আমি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সরকার ও রাজনীতিবিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতকোত্তর শেষ করেছি। একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নাট্যকলা বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রী নিয়েছি। ওই সময়টাতে আমার থিসিস লেখা, জমা দেওয়া নিয়ে অনেকটা সময় দিতে হয়েছে। তাছাড়া একই সময়ে আমার বাবা অনেক অসুস্থ ছিলন। তখন বাবাকে নিয়ে হাসপাতালে যাওয়া আসা, পরিবারকে সময় দেওয়া-সব মিলিয়ে ব্যস্ত সময় কেটেছে। এরপর বাবা চলে গেলেন। সেই সময় মাকে সময় দিতে হয়েছে। একই সঙ্গে নতুন সংসার, নতুন মানুষ, নতুন আত্মীয় স্বজন সব কিছু মিলিয়ে তাদেরকে বুঝে উঠতে কিছুটা সময় নিতে হয়েছে। দর্শক, নির্মাতারা এসময়টাতে অনেকটা অভিমানই করেছিলেন আমার উপর। কিন্তু সবারতো একটা ব্যক্তিগত জীবন থাকে। তাই কিছুটা বিরোতি নিয়েছি। তবে সবার ভালোবাসা ছিলো বলে আমি আবারও ফিরে এসেছি। একুশে টেলিভিশন অনলাইন: আপনি তো নাট্যকলা বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রী নিয়েছেন। অভিনয় ছাড়া অন্য কোনো পরিকল্পনা আছে কি? সুমাইয়া শিমু : ঠিক এ মুহুর্তে অন্য কিছু ভাবছি না। অভিনয়টায় ভালো করে করতে চাই।  একুশে টেলিভিশন অনলাইন : বর্তমানে কি কি কাজ করছেন? সুমাইয়া শিমু : ঈদের সময় কিছু একক নাটক, টেলিফিল্ম করেছি। ঈদের পরেও বেশ কিছু কাজ করেছি। তবে ধারাবাহিক বা সিরিয়ালে বেশি কাজ করা হয়নি। আশা করি খুব শিগগিরই নতুন কিছু কাজ করব। সেভাবেই কথা হচ্ছে। গল্প দেখছি। সব কিছু মিলে গেলে নতুন করে ধারাবাহিকে কাজ করবো।   একুশে টেলিভিশন অনলাইন: আপনি একক নাটক, টেলিফিল্ম ও ধারাবাহিকের মধ্যে কোনটাতে অভিনয়ে বেশি স্বাচ্ছন্দ বোধ করেন? সুমাইয়া শিমু : আসলে আমি সবগুলোতেই আনন্দ পাই। বেছে বেছে কাজ করি। গল্প ও চরিত্রের সঙ্গে নিজেকে তুলে ধরতে ভালো লাগে। একক নাটক বা টেলিফিল্ম দর্শক পছন্দ করে। তবে ধারাবাহিক বা সিরিয়ালে দীর্ঘ সময় ধরে একটা চরিত্র নিয়ে কাজ করতে হয়। এসময় দেখা যায় চরিত্রের সঙ্গে নিজেকে মিশিয়ে নিতে হয়। দর্শকও তখন একটি চরিত্রের সঙ্গে অভিনেত্রীকে দেখে। আসলে ধারাবাহিকগুলো এমন হয় যে, গল্প, নির্মাণ কৌশল, নির্মাতার ভাবনা ও উপস্থাপনা যদি ঠিকঠাক মিলে যায় তবে রসায়নটা বেশ ভালো হয়। মোট কথা আমি সবগুলোতেই কাজ করি এবং করতে চাই। একুশে টেলিভিশন : আপনার অভিনিত অনেক নাটকই আছে জনপ্রিয়। এর মধ্যে কোন নাটকটি আপনার পছন্দের তালিকায় শীর্ষে? সুমাইয়া শিমু : আসলে এভাবে ভাবিনি। পছন্দ সবগুলোই। কারণ আমি চেষ্টা করি আমার সবটুকু দিয়ে অভিনয় করতে। আলাদা করে বলা খুব কঠিন। তবে আমার অনেক নাটক আছে যেগুলো দর্শকদের কাছে প্রশংসিত হয়েছে। যেমন ধরুন- বিহাইন্ড দ্য সিন, ইডিয়ট, মন কাঁদে, মিস্টার এন্ড মিসের সরকার, হ্যালো, আনন্দ, সাদা গোলাপ, শিউলি অথবা রক্তজবার গল্প, লেক ড্রাইভ লেন, স্বপ্নচূড়া, ‘মনোবাসিতাল’ ‘মধুরা’ ‘ললিতা’ অন্যতম। অধিকাংশ নাটকই দর্শকের পছন্দ হয়েছে। একুশে টেলিভিশন অনলাইন : আপনাকে ছোট পর্দায় দর্শক বেশি চেনে। ছোটপর্দার অনেকেই আছেন যারা বড় পর্দায় কাজ করছেন। আপনারও আগ্রহ আছে কি? সুমাইয়া শিমু : আমি ছোট পর্দায় কাজ করেই জনপ্রিয়তা পেয়েছি। দর্শকও আমাকে অনেক ভালোভাবেই গ্রহণ করেছে। বড় পর্দার জন্য খুই আকাঙ্ক্ষা নেই। তবে কখনও যদি সুযোগ চলে আসে বা ব্যাটে বলে হয়ে যায় তবে অভিনয় করতে পারি।  একুশে টেলিভিশন : আপনার শৈশব কেটেছে নড়াইলে। শৈশব নিয়ে কিছু বলেন। সুমাইয়া শিমু : আসলে শৈশব নিয়ে অনেক স্মৃতি রয়েছে (হাঁসি দিয়ে বলেন)। এর মধ্যে একটা স্মৃতি আমার খুব মনে পড়ে। ভাবলে অনেক ভালোও লাগে। বিখ্যাত শিল্পী এস এম সুলতান, ক্রিকেটার মাশরাফির দেশ নড়াইলে একটি বিখ্যাত নদী রয়েছে ‘চিত্র’। আমাদের বাড়ি থেকে মাত্র ৩-৪ মিনিটের দূরত্ব। আমার মনে আছে, দাদু আমাকে সেই নদীতে গোসল করতে নিয়ে যেতো। আমাকে সাঁতার শিখিয়েছে দাদু। চিত্রা নদী আমার কাছে অনেক আবেগের জায়গা। দাদুর কাছেই আমার সাঁতার শেখা। সেই স্মৃতি মনে পড়লে ভালো লাগে। একুশে টেলিভিশন অনলাইন: ব্যাক্তি শিমু অনেক সুন্দরী। অভিনয় অনেক চমৎকার। দর্শকও আপনাকে তাদের হৃদয়ে স্থান দিয়েছেন পছন্দের তালিকায়। দর্শকদের জন্য কিছু বলবেন? সুমাইয়া শিমু : দর্শকই আমার প্রাণ। তাদের ভালোবাসা আছে বলেই আমি কাজ করার প্রেরণা পাই। দর্শকদের ভালোবাসার জন্যই আসলে কাজ করা। হয়তো আমি যদি অন্য পেশা বা অন্য কোন কিছুর সঙ্গে যুক্ত থাকতাম তবে আমার অনেক টাকা বা সম্পদ হতে পারতো। কিন্তু অভিনয়ে এসে আমি দর্শকদের যে ভালোবাসা পেয়েছি তা অনেক বড় কিছু। একুশে টেলিভিশন অনলাইন : আপু একুশে টেলিভিশন অনলাইনের পক্ষ থেকে আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ও শুভ কামনা রইলো। সুমাইয়া শিমু : একুশে টেলিভিশনকেও অনেক ধন্যবাদ। অনলাইনের সব পাঠকদের প্রতি অনেক ভালোবাসা। আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন।   //এস এ // এআর

ঈশানাকে বিয়ে করলেন নিলয়

বিয়ে করেছেন নিলয়-ঈশানা! দাম্পত্য জীবনে সুখে থাকার জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন নিলয়! নিলয় তার ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে এই দোয়া কামনা করেন। ঈশানার সঙ্গে হাসিমুখের একটি ছবি পোস্ট করে নিলয় লিখেছেন, ‘ফিলিং লাভ’, ‘নতুন সংসার, সবাই দোয়া করবেন।’ ফেসবুকে নিলয়ের স্টাটাস দেখে দর্শকের চোখে কপালে ওঠার মতো অবস্থা। সবাই ধারণা করে বসেন, অভিনেত্রী শখের সঙ্গে দাম্পত্য জীবনে ছন্দপতনের পর নিলয় কি সত্যিই ঈশানাকে বিয়ে করলেন? এ বিষয়ে নিলয়ের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও পাওয়া যায়নি। তবে ঈশানা খুললেন রহস্যের জট। তিনি বলেন, বিয়ে-টিয়ে কিছু না। নিলয়ের সঙ্গে নতুন একটি ধারাবাহিক নাটকে স্বামী-স্ত্রীর চরিত্রে দেখা যাবে আমাকে। সে (নিলয়) মজা করেই ফেসবুকে ওটা লিখেছে! এই ধারাবাহিক নাটকের নাম ‘উল্টো স্রোত’। নাটকটি পরিচালনা করছেন সৈয়দ শাকিল। আর/ডব্লিউএ্ন  

আসছে তৌসিফ-তিশার ‘পেইন’

সৌরভ কিছুটা ঘুম কাতুরে। সকাল সকাল ঘুম থেকে ওঠা তার জন্য একটি কঠিন সমস্যা। বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইনাল পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর এ সমস্যা আরো প্রকট হয়ে উঠে। এদিকে নিশির সকালে ক্লাস থাকে। ক্লাসে যাওয়ার আগে সে সৌরভের সঙ্গে দেখা করতে চায় এবং যথারীতি ঘুমের কারণে সৌরভ ডেটিংএ দেরি করে আসে। সৌরভ স্যরি বলতে বলতে মুখে ফেনা তুললেও নিশিকে শান্ত করা সম্ভব হয় না। ছেলেদের সম্পর্কে নিশির পূর্ব থেকে একটি ধারনা আছে- ছেলেরা একটু সুযোগ পেলেই বেড়া ডিঙ্গিয়ে ঘাস খায়; এজন্য তাদের কখনো লাই দিতে নেই। তাই সৌরভকে অকারণে ডেকে পাঠায়, মেয়েদের হোস্টেলের সামনে দাঁড় করিয়ে রাখে, অপরিচিত মেয়ের প্রসঙ্গ টেনে ঝগড়া বাঁধায়, সৌরভকে হয়রানির মধ্যে ফেলে সে আনন্দ পায়। প্রতিনিয়ত পেইন সহ্য করতে করতে সৌরভ অতিষ্ঠ হয়ে উঠে। একসময় হাল ছেড়ে দেয়। পেইনের মাঝেই সৌরভের জীবনে হাজির হয় অন্য কোন নারী। সেকি নতুন না অতীত আবারও ফিরতে চাই তার জীবনে। এমনই গল্প নিয়ে নির্মিত হয়েছে নাটক ‘পেইন’। নাটকটিতে দুই কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন ছোটপর্দার প্রিয়মুখ তৌসিফ মাহবুব ও তানজিন তিশা। রাসেল এ এম এর রচনায় ‘পেইন’ নাটকটির শুটিং ঢাকার উত্তরা, কাওলা, হাতিরঝিল, সাতারকুল, রামপুরা সহ বিভিন্ন লোকেশনে হয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিচালক। নাটকটি প্রসঙ্গে তৌসিফ বলেন, ‘নাটকটি বর্তমান সময়ের প্রেমিক প্রেমিকাদের কেন্দ্র করে নির্মান করা হয়েছে। ভালোবাসার মানুষটিকে কখনও কষ্ট দিতে হয় না, বিশ্বাসের সঙ্গে তাকে ভালোবাসতে হয়। আশাকরি, নাটকটি দর্শকদের কাছে জনপ্রিয়তা পাবে।’ এছাড়া অভিনেত্রী তানজিন তিশা বলেছেন, ‘নাটকে হঠাৎ একটি নারী চরিত্রের আর্বিভাব হয়। যা নিশির জীবনটাকে প্রায় এলোমেলো করে দিয়ে ছিলো। নাটকটির গল্প শিক্ষামূলক। আশা করি, দর্শকরা ভালো কিছু বার্তা পাবেন।’ পরিচালক এল আর সোহেল বলেন, ‘নাটকটি বর্তমানের সাথে তাল মিলিয়ে লেখা অসাধারন একটি গল্প। আমি সর্বদা ভিন্ন গল্প নিয়ে কাজ করি। চেষ্টা করেছি গল্পটির ভালো ভাবে ফুটিয়ে তোলার। সকলে সহযোগিতায় কাজটি করতে পেরেছি।’   এসএ/এআর

সুখের সন্ধানে সজল-শিমু

ভালোবেসে বিয়ে করার পরেও আনান (সজল) ও রাহীর (শিমু) জীবনে এমন কিছু অতীত এসে সামনে দেয়াল হয়ে দাঁড়ায়। সে দেয়াল ভেদ করে সম্মুখে এগিয়ে যাওয়া কখনো সম্ভব হয় না। তখন ভালোবাসার সংসারে উঠে ঝড়, সব কিছু ত্যাগ করে তখন আশ্রয় নিতে হয় ছলনার। এই ছলনার মাঝেই তখন সুখ খুঁজে নেওয়ার চেষ্টা করতে হয় তাদের। মেনে নিতে হয় এক জীবনে মানুষের সকল চাওয়া পাওয়া হয়ে উঠে না। এমনি কিছু মান অভিমানের গল্প নিয়ে এগিয়ে যায় নাটক ‘ভালোবেসে ভালোবাসা’। আহসান হাবিব সকালের রচনায় ‘ভালোবেসে ভালোবাসা’ শিরোনামের নাটকটি পরিচালনা করেছেন শরিফুল ইসলাম শামিম। কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন অভিনেতা সজল ও সুমাইয়া শিমু। সম্প্রতি নাটকটির শুটিং শেষ হয়েছে। নাটক প্রসঙ্গে সুমাইয়া শীমু বলেন, নাটকের গল্পটিতে বিশেষ কিছু ভালো লাগা রয়েছে। ভালোবেসে বিয়ে করার পরেও অনেকের জীবনে অনাকাক্ষিত কিছু অতীত এসে সুখটাকে পুড়িয়ে দেয়। যেটি মেনে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। এমনি এক দম্পতির কাহিনী নিয়ে এই নাটকের পটভূমি। সজল বলেন, কাজটি করে অনেক ভালো লেগেছে। একটি পরিপূর্ণ ভালোবাসায় কিভাবে একটু একটু করে ভাঙন ধরে সেটি দর্শক এই নাটকে দেখবেন। সজল ও শিমু ছাড়া নাটক টিতে আরো অভিনয় করেছেন, লীনা আহমেদ, সাদ্দাম আবদুর রহমানসহ অনেকেই। খুব শিগগিরই নাটকটি একটি বেসরকারি চ্যানেলে প্রচার হবে বলে জানিয়েছেন নির্মাতা।   এসএ/এআর

‘দুই বউ’ নিয়ে দোটানায় মোশাররফ করিম

সম্প্রতি নির্মিত হয়েছে ধারাবাহিক নাটক ‘শুকনো পাতার নূপুর’। শাহজাদা মামুনের রচনা ও পরিচালনায় এতে অভিনয় করেছেন জনপ্রিয় অভিনেতা মোশাররফ করিম। তার দুই বউয়ের চরিত্রে দেখা যাবে অভিনেত্রী ঊর্মিলা শ্রাবন্তী কর ও মন্দিরা চক্রবর্তীকে। গ্রামের সহজ সরল ছেলে হেলাল। পরিবারের পছন্দেই বিয়ে করেন। কিন্তু বিয়ের বছরখানে পরই কথা ওঠে বউ নিয়ে। কারণ বউয়ের সন্তান হয় না। তাই মায়ের মর্জি রাখতেই আবার বিয়ে করেন হেলাল। হেলালের দ্বিতীয় বউয়ের কি সন্তান হবে? আর না হলেই বা কী করবে হেলাল? এমন গল্পনিয়ে এগিয়ে যায় নাটকটি। নাটকের নাম আপাতত শুকনো পাতার নূপুর হলেও এ নাম পরিবর্তন হতে পারে বলে জানিয়েছেন নির্মাতা। নাটকটিতে অভিনয় প্রসঙ্গে মোশাররফ করিম বলেন, ‘গ্রামীণ পটভূমিতে নির্মিত নাকটির গল্প দারুণ। এতে সামাজিক অনেক কুসংস্কার সুন্দর করেই তুলে ধরা হয়েছে। যা আমাদের সমাজে এখনও বিদ্যমান। এছাড়াও নাটকটিতে ছোট ছোট অনেক বিষয় পাবেন যা দর্শকদের পূর্ণ বিনোদন দেবে। শাহাদাজা মামুনের প্রতি আমার অন্যরকম আস্থা রয়েছে। সে ভালো কিছুই বানাচ্ছে।’ ঊর্মিলা বলেন, ‘এরই মধ্যে ধারাবাহিকটির শুটিং করেছি। এতে আমি মোশাররফ ভাইয়ের বড় বউয়ের চরিত্রে অভিনয় করেছি। চরিত্রটি অনেক ইমোশনাল। অনেক ভালো লেগেছে। আশা করি দর্শকদেরও ভালো লাগবে।’ মন্দিরা বলেন, ‘দারুণ লাগছে মোশাররফ ভাইয়ের ছোট বউয়ের চরিত্রে এ নাটকে অভিনয় করতে পারছি বলে। নির্মাতাকে ধন্যবাদ এমন একটি চরিত্রে আমাকে সুযোগ দেয়ার জন্য।’ এতে আরও অভিনয় করেছেন- মামুনুর রশিদ, শামিমা তুষ্টি, জয়রাজ, শহিদ আলমগীর, হিমি হাফিজ, রিমু রোজা খন্দকার, আফরোজা হোসাইন, তানিন তানতা, এস এম মহসিন, বৈদ্য নাথ সাহাসহ আরও অনেকেই। ধারাবাহিকটি শিগগিরই বেসরকারি চ্যানেলে প্রচার হবে বলে জানিয়েছেন নির্মাতা।   এসএ/এআর

বন্ধনের জন্য খাগড়াছড়িতে স্পর্শিয়া

টিভি নাটকের পরিচিত মুখ অর্চিতা স্পর্শিয়া। সম্প্রতি তার সংসার ভেঙেছে। কিন্তু থেমে নেই তার ক্যারিয়ারের পেছনে ছুঁটে চলা। ছোট পর্দার পাশাপাশি এখন তিনি বড় পর্দায় কাজ করার জন্য বেশ ব্যস্ত সময় পার করছেন। ‘বন্ধন’ নামের একটি সিনেমায় অভিনয় করছেন তিনি। সিনেমাটি পরিচালনা করছেন অনন্য মামুন। এ সিনেমার কাজে বর্তমানে খাগড়াছড়িতে রয়েছেন স্পর্শিয়া। সিনেমায় অভিনয় প্রসঙ্গে স্পর্শিয়া বলেন, বন্ধুত্ব আর তারুণ্যে উদ্দীপ্ত গল্পে সাজানো পাঁচ বন্ধুকে কেন্দ্র করে ‘বন্ধন’ সিনেমার গল্প। গত ৭ অক্টোবর থেকে খাগড়াছড়ির পার্বত্য এলাকায় এর শুটিং শুরু হয়। বর্তমানে ছবির শেষভাগের কাজ চলছে। বেশকিছু দৃশ্যের কাজ আগেই হয়েছে। এ সিনেমাতে আমাকে ভিন্ন এক চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাবে। তিনি আরও বলেন, খাগড়াছড়িতে এবার গানের দৃশ্যধারণের জন্য এসেছি আমরা। কাজ করে বেশ ভালো লাগছে। আশা করি, দর্শকও সিনেমাটি পছন্দ করবেন। উল্লেখ্য, স্পর্শিয়া ছাড়াও শিপন মিত্র, সাঞ্জু জন, তানভীর, এমিয়া এমি, কলকাতার মেয়ে মৌমিতা হরি, ডন, ইভার সাইর, মিশা সওদাগরসহ আরো অনেকে এ সিনেমাতে অভিনয় করছেন। সিনেমাটি প্রযোজনা করেছে লাইভ টেকনোলোজিস।   এসএ/এআর

শিশু-কিশোরদের ধারাবাহিক ‘টিরিগিরি টক্কা’

শুরু হচ্ছে শিশু-কিশোরদের উপযোগী ধারাবাহিক নাটক ‘টিরিগিরি টক্কা’। ধ্বনি চিত্র লি. এর প্রযোজনায় নির্মিত সাইন্সফিক্সন এই নাটকটি রচনা করছেন এম আসলাম লিটন এবং পরিচালনা করেছেন ছোটদের জনপ্রিয় অনুষ্ঠান সিসিমপুর এর পরিচালক তৌহিদ খান বিপ্লব। ধারাবাহিকটিতে অভিনয় করেছে তিন জন শিশু শিল্পী নদী, ইরা ও তুর্য। বড়দের মধ্যে অভিনয় করেছেন আদনান ফারুক হিল্লোল, শামিমা তুষ্টি, সুজতি শিমুল, নিলা ইসরাফিল, ফকরুজ্জামান চৌধুরী ও মূকাভিনয় শিল্পী নিথর মাহবুব। বিভিন্ন পর্বে আরও অভিনয় করেছেন কাজী উজ্জল, শামিম ভিস্তি প্রমুখ। নাটকের গল্পে দেখা যাবে ঢাকা শহরে একটা বাড়িতে একটা বাচ্চা মেয়ে সূর্যমুখী। হঠাৎ করে এই বাড়িতে সূর্যমুখীর মতো চেহারার একটা মেয়ে হাজির হয়। একইরকম চেহারার দুজনকে দেখে বাড়ির সবার মধ্যে জন্ম নেয় আতংক। অবশেষে মেয়েটি পরিচয় দেয় সে ভিন গ্রহ থেকে আসা এলিয়েন। তার নাম টিরিগিরি। ইচ্ছে করলে সে সবার রূপ ধারণ করতে পারে। আর এই এলিয়েনকে নিয়ে নাটকে একেরপর এক জন্ম নিতে থাকে মজার মজার ঘটনা। পরিচালক বিপ্লব বলেন, ‘শিশু-কিশোরদের নিয়ে কাজ করা অনেক কঠিন। খুব চ্যালেঞ্জিং একটি কাজ আমরা করেছি। তবে একটি ভালো কাজ যাতে বের হয়ে আসে সেই লক্ষে অভিনেতা-অভিনেত্রী থেকে শুরু করে টিমের সবাই নিজে থেকে আন্তরিক ভাবে চেষ্টা করছে। নিজেদের কাজগুলো যত্ন সহকারে করেছে। এক কথায় সবার কাছ থেকে আমি অনেক সহযোগিতা পাচ্ছি। তিনি আরও বলেন, কাজটি শুরু করার আগে অডিশনের মাধ্যমে শিশু শিল্পীদের বাছাই করেছি। বাছাই করার পর তাদের প্রশিক্ষণ দিয়েছি। বড়দের মধ্যে যারা কাজ করেছে তারা মঞ্চ থেকে উঠে আসা এবং অভিনয়ে দক্ষতা সম্পন্ন। নাটকের গল্পটিও আকর্ষনীয়। তাই এই নাটকটি নিয়ে আমি অনেক আশাবাদী। প্রতি রবি থেকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিট, রাত ৮টা ৩০ মিনিট এবং ১২টা ৩০মিনিটে নাটকটি প্রচার হবে দুরন্ত টিভিতে।  এসএ/ডব্লিউএন

খান আতাকে রাজাকার বললেন বাচ্চু

নাট্যজন ও মুক্তিযোদ্ধা নাসিরউদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু বলেছেন, ‘খান আতা অনেক বড় শিল্পী কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু তিনি রাজাকার ছিলেন।’ সম্প্রতি নিউইয়র্কে অভিবাসীদের এক সাংস্কৃতিক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। নাসিরউদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু বলেন, ‘আমি গৌরব করে বলবো আমি না হলে খান আতা মারা যায় ৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বরের পরে।’ তিনি বলেন, ‘আবার তোরা মানুষ হ’ এটাও একটি নেগেটিভ ছবি। মুক্তিযোদ্ধাদের সে বলতেছে আবার তোরা মানুষ হ— ‘আরে তুই মানুষ হ’ তাই না। তুই মানুষ হ তুই তো রাজাকার ছিলি।’ নাসিরউদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধাদের আবার তোরা মানুষ হ নামে ছবি করাও ছিল অপমানজনক। উদ্দেশ্যেমূলক শিরোনামে এই সিনেমা বানানো। রাজাকাররা মানুষ হ সিনেমা নির্মাণ করা উচিত ছিলো।’ খান আতাউর রহমান ১৯২৮ সালের ১১ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৯৭ সালের ১ ডিসেম্বর তিনি মারা যান। খান আতা একইসঙ্গে একজন বাংলাদেশি চলচ্চিত্র অভিনেতা, গীতিকার, সুরকার, সঙ্গীত পরিচালক, গায়ক, চলচ্চিত্র নির্মাতা, চিত্রনাট্যকার, কাহিনীকার এবং প্রযোজক। তার অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র ‘জাগো হুয়া সাভেরা’। চলচ্চিত্রকার এহতেশাম পরিচালিত ‘এ দেশ তোমার আমার’ তার অভিনীত প্রথম বাংলা চলচ্চিত্র। ‘নবাব সিরাজউদ্দৌল্লা’(১৯৬৭) এবং ‘জীবন থেকে নেয়া’ (১৯৭০) চলচ্চিত্র দিয়ে তিনি পরিচিতি লাভ করেন। ‘সুজন সখী’ (১৯৭৫) চলচ্চিত্রের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার হিসেবে ১ম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। পরে ‘এখনো অনেক রাত’ (১৯৯৭) চলচ্চিত্রের জন্য শ্রেষ্ঠ সঙ্গীত পরিচালক ও শ্রেষ্ঠ গীতিকার হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত হন। মুক্তিযুদ্ধের পর ১৯৭৩ সালে নির্মাণ করেন ‘আবার তোরা মানুষ হ’; যার বিষয়বস্তু ছিল যুদ্ধ পরবর্তী প্রেক্ষাপট। এসএ/ডব্লিউএন

নতুন বিজ্ঞাপনে শখ-ইমন

একসঙ্গে জুটিবদ্ধ হয়ে সম্প্রতি একটি বিজ্ঞাপনে কাজ করলেন শখ ও ইমন। অচিরেই বিজ্ঞাপণটির মাধ্যমে হাজির হচ্ছেন এই জুটি। গত ৭ অক্টোবর এর দৃশ্যধারণ হয় পুরান ঢাকার বিভিন্ন লোকেশনে। উৎসব আমেজের একটি ভাবনায় এটি নির্মিত হয়েছে। বিজ্ঞাপনটি প্রসঙ্গে ইমন বলেন, ‘এটি বাংলাদেশের জনপ্রিয় একটি কোমল পানীয়। আমি এ পণ্যের বিজ্ঞাপনে প্রথমবার কাজ করলাম। এর বিজ্ঞাপন নিয়ে সবসময় দর্শকদের মধ্যেও আগ্রহ থাকে।’ সহশিল্পী শখ প্রসঙ্গে ইমন বলেন, ‘আমার পছন্দের একজন সহশিল্পী শখ। ওর সঙ্গে কাজ করে সবসময়ই আনন্দ পাই। এর আগেও আমরা নাটক-টিভিসিতে জুটি হয়েছি। সেগুলো বেশ ভালো সাড়া পেয়েছে। আশা করছি, এ বিজ্ঞাপন দিয়েও নতুন করে আলোচিত হবে আমাদের জুটি।’ শিগগিরই এটি প্রচারে আসবে বলে জানান নির্মাতা নাফিস রেজা।   এসএ/এআর

জন্মদিনে সন্তানদের ভালোবাসায় সিক্ত শাওন

মেহের আফরোজ শাওন। অভিনেত্রী, পরিচালক ও গায়িকা। বাংলাদেশের জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের দ্বিতীয় স্ত্রী। আজ ১২ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার তাঁর জন্মদিন। জন্মদিনে দুই ছেলের উপহারে সিক্ত শাওন। স্মরণ করলেন তার প্রয়াত স্বামী নন্দিত কথাসাহিত্যিক ও নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদকে।   শাওন জানান, আমার ছেলেরা আমার জন্মদিনে নিজ হাতে কার্ড তৈরি করে উপহার দেয়। এবারও নিনিত কার্ড বানিয়ে আমাকে উপহার দিয়েছে। তবে নিষাদ আমাকে সারপ্রাইজড করেছে। সে আমার জন্য গলার মালা কিনে এনেছে। আমি তো রীতিমত অবাক। জন্মদিনের প্রথম প্রহর থেকে পরিবার, ভক্ত ও সহশিল্পীদের কাছ থেকে শুভেচ্ছা বার্তা পাচ্ছেন শাওন। জন্মদিন প্রসঙ্গে শাওন বলেন, ‘আজ কাউকে সময় দিচ্ছি না। ছেলেদের সঙ্গে সারাবেলা সময় পার করব। অপরদিকে, নিজের ফেসবুকে শাওন স্ট্যাটাস দিয়ে ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করলেন হুমায়ূন বিষয়ক ব্যক্তিগত স্মৃতি। শাওন লিখেছেন : ``৬ বছর আগে হুমায়ূন আহমেদ একটা সিদ্ধান্ত নিলেন ... আমার কনিষ্ঠ পুত্র নিনিতের বয়স তখন ছয় মাসের কিছু কম... সন্ধ্যার পর হুমায়ূন যখন তাঁর জন্য বানানো বারান্দায় বসে জোছনা দেখতেন.., তখন গান শোনানোর জন্য বারান্দায় আমার ডাক পড়ত... চার বছরের পুত্র নিষাদ আর তার শিশু ভ্রাতাকে নিয়ে ব্যস্ত আমি তাড়াহুড়া করে দুই একটা গান গেয়েই উঠে আসতাম... এরকম এক সন্ধ্যায় মন খারাপ করে হুমায়ূন সিদ্ধান্ত নিলেন- ‘নাহ্... গান শোনানোর জন্য নিষাদ নিনিতের মাতাকে তিনি আপাতত বিরক্ত (!!!) করবেন না... তাঁর কুসুমের কণ্ঠের যে গানগুলো তাঁর বারবার শুনতে ইচ্ছা করে সেগুলোকে রেকর্ড বন্দী করে ফেলবেন... এরপর আর চিন্তা কী..! সিডি প্লেয়ার অন তো গান শুরু... নিনিত-নিষাদের মাতাকে পাত্তা দেয়ারই আর প্রয়োজন নাই ...’ ভাবা মাত্রই ফোন গেল ইমন সাহার কাছে... তার সংগীতায়োজনে রবীন্দ্রনাথের প্রিয় গানগুলো রেকর্ড করতে স্টুডিওতে নিয়ে গেলেন `কুসুম`কে... স্টুডিওর বাইরে নিষাদ হুমায়ূন দৌড়ে বেড়ায়, আর নিনিত হুমায়ূন কোলে চড়ে বেড়ায় ... গান যখন বেশ কয়েকটাই হয়ে গেল, হুমায়ূনের মাথায় তখন ভূত চাপল সে গানগুলো সব শ্রোতাদের শোনানোর জন্য... ঠিক করে ফেললেন সবার জন্য প্রকাশ করবেন সিডি আকারে... কিন্তু হলো না... সাতটি গান রেকর্ডের পর সেপ্টেম্বর ২০১১ তে কর্কট রোগের সাথে যুদ্ধ করতে আমরা চলে গেলাম ১৮ হাজার মাইল দূরে... গানগুলো পড়ে রইল বাকসোবন্দী হয়ে... মাঝে মাঝে নিউইয়র্কের ১৪৪-০১, ৯০ এভিনিউ, জ্যামাইকার বাড়ির দো’তলা থেকে সিডি প্লেয়ারে বেজে ওঠে- `চরণ ধরিতে দিয়ো গো আমারে নিয়ো না নিয়ো না সরায়ে...` আজ আমার জন্মদিনে `কুসুমের` গাওয়া হুমায়ূনের প্রিয় দু’টি গান সবাইকে উপহার দিলাম... `শেষ জয়ে যেন হয় সে বিজয়ী তোমারই কাছেতে হারিয়া...`` নিজের জন্মদিনে কুসুম (হুমায়ূন আহমেদ শাওনকে এই নামে ডাকতেন) হৃদয়ের গভীর থেকে তুলে আনলেন যে স্মৃতি, স্ট্যাটাস ও গান শেয়ারের মাধ্যমে তার অংশ করে তুললেন ভক্তদেরও। উল্লেখ্য, হুমায়ূন আহমেদ পরিচালিত ‘শ্রাবণ মেঘের দিন’, ‘দুই দুয়ারী’, ‘চন্দ্রকথা’, ‘শ্যামল ছায়া’সহ অনেক ছবিতে অভিনয় করে  জনপ্রিয়তা পেয়েছেন মেহের আফরোজ শাওন। অভিনয়ের পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে নাটক নির্মাণ করছেন তিনি। শুধু নাটক নয় চলচ্চিত্রও নির্মাণ করছেন  তিনি। তাঁর পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র ‘কৃষ্ণপক্ষ’। ২০১৬ সালে ছবিটি মুক্তি পেয়েছিল।   এসএ/এআর

© ২০১৭ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি