ঢাকা, শুক্রবার, ১৭ আগস্ট, ২০১৮ ৮:১৫:২১

সংস্কৃতি অঙ্গণে দিনব্যাপী জাতীয় শোক দিবসের কর্মসূচি   

সংস্কৃতি অঙ্গণে দিনব্যাপী জাতীয় শোক দিবসের কর্মসূচি   

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে সংস্কৃতি অঙ্গণে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের পক্ষ থেকে নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পার্ঘ অর্পণের মধ্যদিয়ে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন, বঙ্গবন্ধুর ওপর চিত্র প্রদর্শনী ও আলোকচিত্র প্রদর্শনী, আলোচনা সভা, বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখা বই প্রদর্শনী, গানের অনুষ্ঠান, বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখা কবিদের কন্ঠে কবিতাপাঠ ও মিলাদ মাহফিল।   বাংলা একাডেমির চারদিনের কর্মসূচির শেষ দিনে আগামীকাল ১৫ আগস্ট সকালে ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পার্ঘ অর্পণের মধ্যদিয়ে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করা হবে। এতে একাডেমির কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অংশ নেবেন। এ ছাড়া একাডেমির আবুদল করিম সাহিত্য বিষারদ মিলনায়তনের সন্মুখে দিনব্যাপী বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখা বিভিন্ন লেখকের পুস্তক প্রদর্শনী। এতে বঙ্গবন্ধুর ওপর পাঁচ শতাধিক বই প্রদর্শিত হচ্ছে। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে দিনব্যাপী বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে আঁকা বিভিন্ন শিল্পীদের চিত্রকর্ম প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে। এতে বিভিন্ন শিল্পীর আঁকা পঞ্চাশটি চিত্রকর্ম প্রদর্শিত হবে। এ ছাড়া বিকেলে রয়েছে আলোচনা সভা ও দিনব্যাপী বঙ্গবন্ধুর ওপর আলোকচিত্র প্রদর্শনী। সকালে একাডেমির পক্ষ থেকে ধানমন্ডিতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পার্ঘ অর্পণ করে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হবে। বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরে দিনব্যাপী বঙ্গবন্ধুর ওপর আলোকচিত্র প্রদর্শনী এবং বিকেলে আলোচনা ও কবিতা পাঠ ও গানের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির দিবসের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে মিলাদ মাহফিল,আলোচনা সভা,শিশুদের আঁকা চিত্র প্রদশর্নী এবং বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে শিশুদের বক্তৃতা এবং সংগীতানুষ্ঠান। দিবসটি উপলক্ষে একাডেমির পত্রিকা ‘শিশু’র বিশেষ সংখ্যা প্রকাশ করা হবে। রয়েছে ছড়কারদের বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ছড়া ও কবিতা পাঠ। ‘শ্রাবণ প্রকাশনী ও বই নিউজ’এর পক্ষ থেকে মাসব্যাপী ‘বঙ্গবন্ধুর ওপর বইয়ের ভ্রাম্যমান প্রদর্শনী ’র অংশ হিসেবে কাল দিনব্যাপী শাহবাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকাসহ নগরীর বিভিন্ন স্থানে বই প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে। জিয়নকাঠি সাহিত্য আসর’র পক্ষ থেকে দিবসটিতে নগরীর শাহবাগে প্রজন্ম চত্বরে বিশেষ কবিতা পাঠের আয়োজন করেছে। এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন জাতীয় সংসদ সদস্য কবি কাজী রোজী। এতে বিশিষ্ট লেখক, সাহিত্যিক ও কবিরা বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে আলোচনা ও কবিতাপাঠে অংশ নেবেন। এতে সভাপতিত্ব করবেন সংগঠনের সভাপতি শিল্পী ভাস্কর রাশা। বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে দিনব্যাপী কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। সকালে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি পুস্পার্ঘ অর্পণের মধ্যদিয়ে জাতির পিতার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে। একই সঙ্গে ঢাকার ধানমিন্ডতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে এবং গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির জনকের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানানো হবে। দুপুরে মীরপুর মাজার রোডে অনুষ্ঠিত হবে কাঙ্গালীভোজ, দোয়া মাগফিল। সন্ধ্যায় ঢাকায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অনুষ্ঠিত হবে প্রদীপ প্রজ্জ্বলন। এতে প্রধান অতিথি থাকবেন সাবেক সাংসদ ও নায়িকা সারা বেগম কবরী। বাসস  এসি   
আমি সত্যি সত্যি চঞ্চলের প্রেমে পড়ে গিয়েছি : জয়া

চঞ্চল চৌধুরীর প্রেমে পড়েছেন জয়া আহসান। ক্যামেরার সামনে দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে এ কথা জানালেন জয়া নিজেই। সম্প্রতি মাছরাঙা টেলিভিশনে ঈদের জন্য নির্মিত অনুষ্ঠান ‘কেমিস্ট্রি’তে অংশ নিয়েছিলেন জয়া-চঞ্চল। একই অনুষ্ঠানে শাকিব খানের সঙ্গে তিন বছর আগে এসেছিলেন জয়া। তবে, এবার ‘দেবী’ চলচ্চিত্রের প্রযোজক জয়া আহসান ও তার সিনেমার অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরীর মধ্যকার প্রযোজক-অভিনেতার রসায়ন আবিষ্কার করা হয়েছে অনুষ্ঠানজুড়ে। সেখানেই জয়া বলেন, এর আগে অভিনেতা চঞ্চলকে অবশ্যই পছন্দ করতাম। ভালো লাগতো তার অভিনয়। তবে ‘মিসির আলি’ চরিত্রে অভিনয় করতে দেখে আমি সত্যি সত্যি চঞ্চলের প্রেমে পড়ে গিয়েছি। অন্যদিকে চঞ্চল চৌধুরীও বলেন, প্রয়াত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের সৃষ্টি ‘রানু’ চরিত্রটির প্রতি দুই বাংলায় এত সংবেদনশীলভাবে জয়া ছাড়া অন্য কোনো অভিনেত্রী সুবিচার করতে পারতেন না। সাম্প্রতিককালে বিখ্যাত কোনো ব্যক্তির জীবনী নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে উপমহাদেশের চলচ্চিত্রে। জয়া আহসান জানান, তাকে নিয়ে বায়োপিক নির্মিত হলে সেখানে তিনি নিজেই অভিনয় করতে চান। তবে, অন্য কোনো ব্যক্তির চরিত্রে যদি অভিনয় করতে বলা হয়, জয়া শহীদ জননী জাহানারা ইমামের চরিত্রে অভিনয় করার সাহস করতে চান। চঞ্চল চৌধুরীর এ ক্ষেত্রে পছন্দ প্রয়াত অভিনেতা হুমায়ূন ফরীদি। ফরীদিকে নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মিত হলে সে চলচ্চিত্রে চঞ্চল অভিনয় করতে চান। নওশীন নাহরিন মৌ’র উপস্থাপনায়, রুম্মান রশীদ খানের গ্রন্থনা ও সাইফুল ইসলামের প্রযোজনায় ‘কেমিস্ট্রি’র এই বিশেষ পর্বটি প্রচার হবে আসছে ঈদের চতুর্থ দিন রাত ৮টায় মাছরাঙা টেলিভিশনে। এসএ/

পাক অভিনেত্রীকে গুলি করে হত্যা

পাকিস্তানের বিখ্যাত অভিনেত্রী ও গায়িকা রেশমাকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামীর বিরুদ্ধে৷ দেশটির খাইবার পাখতুনখাওয়ায় নৌসেরা কালান এলাকায় রেশমাকে গুলি করা হয়৷ অভিযোগ, রেশমার ঘরে ঢুকে তাকে গুলি করে পালিয়ে যায় তার স্বামী৷ জানা যায়, রেশমা অভিযুক্তের চতুর্থ স্ত্রী৷ স্বামীর সঙ্গে মনোমালিন্য হওয়ার পর হাকিমাবাদে নিজের ভাইয়ের সঙ্গে ছিলেন রেশমা৷ বাড়ির দরজা খুলতেই রেশমার ঘরের দিকে চলে যায় অভিযুক্ত৷ ঘুমন্ত রেশমার উপর পর পর গুলি চালানোর পর জানালা দিয়ে চম্পট দেয় বলে জানাচ্ছেন রেশমার ভাই৷ গোটা ঘটনার তদন্তে পুলিশ৷ এখনও অভিযুক্তের নাম জানা যায়নি৷ উল্লেখ্য, খাইবার পাখতুনখাওয়ায় এই নিয়ে ১৫জন নারী শিল্পীকে খুন করা হল৷ ফেব্রুয়ারি মাসে ৩ তারিখ একইভাবে স্টেজ আর্টিস্ট সুনবুলকে খুন করা হয়৷ বন্ধুদের সঙ্গে রাত পর্যন্ত পার্টি করা ছিল অপরাধ৷ মানা করা সত্ত্বেও নাকি সুনবুল পার্টিতে যান৷ আর সেই কারণেই তাকে গুলি করে খুন করে স্বামী৷ পাস্তু গান গেয়ে বিখ্যাত হন রেশমাও৷ পাশাপাশি সিনেমাতেও অভিনয় করতেন৷ পাকিস্তানি ছবি ‘জোবালা গলুনা’ অভিনয় করে কয়েকদিন আগেও প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন রেশমা৷ বার বার নারী শিল্পীদেরকে টার্গেট করে খুন বাড়ছে খাইবার পাখতুনখাওয়া এলাকায়, যা প্রশাসনের গাফিলতিকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখাচ্ছে বলেই মনে করা হচ্ছে৷ সূত্র: কলকাতা ২৪x৭ একে//

টারজানের অবয়বে হিরো আলম (ভিডিও)

আশরাফুল আলম, ওরফে হিরো আলম। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকেই তার পরিচিতি। এরপর আলোচনা, সমালোচনা ও বিতর্ক। এর মধ্যে দিয়েই এগিয়ে চলছেন তিনি। এরইমধ্যে ‘মারছক্কা’ নামের একটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। সামনে আরেকটি চলচ্চিত্রে কাজ করার কথাও শোনা যাচ্ছে। তবে এবার ইউটিউবের জন্য একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে কাজ করলেন হিরো আলাম। এর নাম ‘টারজান দ্য হিরো আলম’। ইতিমধ্যে এটির ট্রেলার প্রকাশ হয়েছে। যেখানে হিরো আলমকে দেখা গেছে টারজানের অবয়বে। এ বিষয়ে হিরো আলম বলেন,  আমাকে এই স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে কাজের প্রস্তাব দেওয়া হয়। এরপর রাজী হয়ে গেলাম। এখানে টারজানের চরিত্রে অভিনয় করেছি। এটা আমার কাছে অনেক ভালো লেগেছে। এরকম আরও চরিত্রে কাজ করতে চাই। এখানে হিরো আলমের বিপরীতে অভিনয় করেছেন রুবিনা, অমি রুবেলসহ অনেকে। এটি পরিচালনা করেছেন ইয়াসিন বিন আরিয়ান। এসএ/  

মোস্তাফা জব্বারকে ফারুকীর খোলা চিঠি

চলচ্চিত্র নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারের উদ্দেশে এক খোলা চিঠি লিখেছেন। আজ শনিবার সকালে লেখা চিঠিতে ফারুকী বলেন- ‘প্রিয় মোস্তাফা জব্বার ভাই,কিশোর বিদ্রোহের এই অনন্যসাধারণ ব্যাপারটাকে ভিলিফাই করার চেষ্টা করবেন না, প্লিজ। মনে রাখবেন, এরা আপনাদের শত্রু না। এরাই আপনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রধান সৈনিক হবে। মিরপুরে লাঠি হাতে যারা দাপিয়ে বেড়িয়েছে তাদের দিয়া জয় ভাইয়েরও কাজ হবে না, ববি ভাইয়েরও না। লাগবে এসব সোনার ছেলেমেয়েদেরই। আরো মনে রাখবেন, দুই হাজার আটে সাধারণভাবে তরুণরা আপনাদের পক্ষে ছিল বলেই আপনাদের পক্ষে জোয়ার আসছিল। ভাবেন এই ছেলেমেয়েরা পাঁচ-দশ বছর কোথায় যাবে। তখন এরা কত জরুরি হবে আপনাদের কাছে।’ তিনি আরও বলেন- ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি আমরা মেনে নিচ্ছি। বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র রেদওয়ান মুজিব তাদের সম্মানে হেঁটে অফিসে গেলেন। ডিএমপির মনির ভাই বললেন শিক্ষার্থীরা আমাদের চোখ খুলে দিয়েছে। এখন হঠাৎ করে বিচ্ছিন্ন দুয়েকটা ঘটনা, স্লোগান আর ভাষা নিয়া অহেতুক আপনার ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ছোট করার ব্যর্থচেষ্টা করবেন না। এতে আপনি, আমি, আমরা, আমাদের ভবিষ্যৎ সবাই ছোট হচ্ছি। গালি বা স্ট্রিট ল্যাংগুয়েজের নন্দন তত্ত্ব, সামাজিক ব্যাখ্যা এসবে না গিয়ে আপনাকে খেয়াল করিয়ে দিতে চাই এসব দুয়েকটা ঘটনা এই আন্দোলনের আসল চিত্র ছিল না। এত হাজার হাজার ছেলেমেয়ে রাস্তায় এসেছে তাদের মধ্যে কত রকমের মানুষ থাকতে পারে। নব্বইয়ে ছিল না এই রকম অতি সামান্য বিচ্ছিন্ন উপাদান?’ চিঠিতে লেখা হয়- ‘আমি বরং সেসব নিয়ে কথা না বলে খেয়াল করাতে চাই এই আন্দোলন কত রাজনৈতিকভাবে সচেতন স্লোগান ব্যবহার করেছে । খেয়াল করিয়ে দিতে চাই, পুলিশ-ছাত্র গলাগলি করে কীভাবে দাঁড়িয়েছিল ফার্মগেটে, কি সুমধুর সুরে এরা জাতীয় সংগীত গেয়েছে, কি সুন্দরভাবে লাইসেন্স চেক করে থ্যাংক ইউ বলেছে, কোথাও কোথাও চকলেট দিয়েছে। খেয়াল করাতে চাই এদের বক্তব্যে এবং কণ্ঠে কতবার বঙ্গবন্ধুর কথা উঠে এসেছে রেফারেন্স হিসেবে। নতুন প্রজন্মের হৃদয়ে বঙ্গবন্ধুকে এভাবে দেখেও কি আপনি আশাবাদী হন নাই? আমি তো ভীষণ হয়েছি। এখন ওদের হাসিমুখে ঘরে ফিরতে দেন আর যে কাজ করার ওয়াদা করেছেন সেগুলোতে হাত দেন। তারপর আমরা সবাই মিলে একসাথে এগিয়ে যাই সামনের দিকে। এবার নিচে এই আন্দোলনের কিছু জনপ্রিয় স্লোগানের লিস্ট দিয়ে দিলাম যদি আপনি মিস করে থাকেন এই ভয়ে।’ ‘১. হয়নি বলেই আর হবে না, আমরা বলি বাদ দে। লক্ষ তরুণ চেঁচিয়ে বলে পাপ সরাবো হাত দে। ২. যদি তুমি ভয় পাও তবে তুমি শেষ , যদি তুমি রুখে দাড়াও তবে তুমি বাংলাদেশ। ৩. জনপ্রতিনিধিদের সপ্তাহে অন্তত তিনদিন গণপরিবহনে যাতায়াত করতে হবে। ৪. পারলে মাথায় গুলি কর, তাহলে মেধা মারা যাবে, কিন্তু বুকে গুলি করিস না, এখানে বঙ্গবন্ধু ঘুমায়, বন্ধু জেগে গেলে সব ধ্বংস হয়ে যাবে। ৫. আমরা নয় টাকায় এক জিবি চাই না ‘নিরাপদ সড়ক চাই’। ৬. চার কোটি শুক্রাণুর সাথে লড়াই করে জন্মেছি, চাকার তলায় পিষার জন্য নয়। ৭. পথ খুলবে বলেই রাস্তা আটকাই। ৮. শিক্ষকের বেতের বাড়ি নিষেধ যেই দেশে, পুলিশের হাতে লাঠি কেন সেই দেশে। ৯. আর নবারুন ভট্টাচার্যর কবিতাটা যেটার লাইন আমার হুবহু মনে পড়ছে না। ১০. টনক তুমি নড়বে কবে? ১১. ন্যায্য দাবির মিছিলে যে চোখ সে চোখ জেগেছে জয়ে মিছিল কখনো থামে না বুলেটে স্লোগান থামে না ভয়ে।’ মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেন- ‘আমার তো মনে হয় না ওদের বয়সে আমি এই রকম গুছিয়ে বলতে পারতাম। মনে পড়ে মহল্লার সরু রাস্তা ছেড়ে বড় রাস্তায় উঠলে জড়তায় সংকুচিত হয়ে থাকতাম। সেখানে মহাসড়কে নেমে এত গুছিয়ে একটা আন্দোলন তো অনেক দূরে কথা। আপনি কি পারতেন, প্রিয় জব্বার ভাই? আপনাকে ধন্যবাদ।’ এসএ/

আন্তর্জাতিক আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র উৎসব

প্রতি বছরের মতো এবারো শুরু হতে যাচ্ছে দশম আন্তর্জাতিক আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র উৎসব। আর এই উৎসবে এবার যুক্ত হয়েছে ‘শর্টফিল্ম অন রিফিউজি’-শীর্ষক নতুন একটি ক্যাটাগরি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদের আয়োজনে ১০ম আসরে এবার রয়েছে ইউনাইটেড ন্যাশনস হাই কমিশনার ফর রিফিউজি (ইউএনএইচসিআর)। উৎসব কর্তৃপক্ষ জানায়, যেকোনো ধরনের সংঘাত বা নিপীড়নের শিকার হয়ে স্বদেশ ত্যাগে বাধ্য হওয়া জনগোষ্ঠী-ই শরণার্থী। সাম্প্রদায়িক পরিচয়, জাতীয়তা, রাজনৈতিক মতবাদ, বর্ণ ইত্যাদি কারণে নিপীড়ন সংঘটিত হয়। শরণার্থী ও অভিবাসীদের মাঝে প্রধান পার্থক্যসূচক হয়ে দাঁড়ায় তাদের স্থান পরিবর্তনের স্বাধীনতা।এমন মানুষদের কথা চলচ্চিত্রে তুলে আনতেই ইউএনএইচসিআর-এর উদ্যোগে ‘শর্টফিল্ম অন রিফিউজি’ বিভাগটি এবার যুক্ত করেছি। শরণার্থী বিষয়ক স্বল্পদৈর্ঘ্য-এর প্রামাণ্যচিত্র, স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র (ফিকশন), সাক্ষাৎকার, প্যানোরমাসহ যেকোনো সাব ক্যাটাগরির নির্মাণ জমা দেয়া যাবে। এরমধ্যে সেরা স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটি পাবে ৩০০ ডলার। একই বিভাগের প্রতিযোগিতায় ২য় স্থান অধিকারীকে দেয়া হবে ২০০ ডলার। চলচ্চিত্র জমা দেয়ার বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদ জানায়, ৫ আগস্ট পর্যন্ত চলচ্চিত্র জমা দেয়া যাবে। স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের সর্বোচ্চ দৈর্ঘ্য হতে হবে ১৫ মিনিট। আন্তর্জাতিক আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশ এবং বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ নির্মাতাদের নির্বাচিত ডকুমেন্টারি, অ্যানিমেশন, ফিকশন এবং নন-ফিকশন প্রদর্শিত হবে। এসব চলচ্চিত্রের বিভিন্ন দিক বিবেচনায় রয়েছে পুরস্কার। আয়োজকরা জানান, ইতিমধ্যে কেউ যদি শরণার্থী বিষয়ক কোনো চলচ্চিত্র জমা দিয়ে থাকেন, তবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তা এই ‘শর্টফিল্ম অন রিফিউজি’ ক্যাটাগরিতে প্রতিযোগিতায় বিবেচিত হবে। এসএ/  

একসঙ্গে সিয়াম-ফারিয়া

মডেল-অভিনেতা সিয়াম আহমেদ। ‘পোড়ামন টু’ সিনেমাতে অভিনয় করে বেশ প্রশংসিত হয়েছেন তিনি। এবার তিনি আরেক অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়ার সঙ্গে এক ফ্রেমে কাজ করলেন। তবে এটি কোন সিনেমার কাজ নয়। একটি মুঠোফোন কোম্পানির বিজ্ঞাপনে অংশ নেন দুজন। এ কাজটি নিয়ে সিয়াম আহমেদ বলেন, এটা কোনো সিনেমার কাজ না। একটি মুঠোফোনের নতুন ব্র্যান্ডের একটি সেট বাজারে আসবে। সেজন্য আমরা দুজনে একটি ফটোসেশনে অংশ নিয়েছি। আগামী চার মাস ধরে মুঠোফোনটির নতুন এই মডেলের শুভেচ্ছাদূত হয়ে কাজ করবো। তিনি আরও বলেন, মূলত প্রচারণার জন্যই একই ফ্রেমে মডেল হিসেবে ছবি তুললাম আমরা। এদিকে সিয়াম অভিনীত ‘দহন’ ও ‘ফাগুন হাওয়া’ নামে দুটি সিনেমা মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে। এসএ/

যুক্তরাষ্ট্রে ঘুরে বেড়াচ্ছেন পূর্ণিমা

ঢাকাই সিনেমার অন্যতম জনপ্রিয় নায়িকা পূর্ণিমা। বর্তমানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। সেখানে ঘুরে বেড়ানোর কিছু ছবি ভক্তদের উদ্দেশ্যে নিজের ফেসবুকে শেয়ার করেছেন তিনি। ছবিতে দেখা যায়, হলিউড সাইনকে ফ্রেমে রেখে ক্যামেরাবন্দি হয়েছেন এই তারকা। কালো রঙের ওয়ান পিসের ওপর রঙিন ফুলেল অ্যাম্ব্রয়ডারির কামিজ পরে মার্কিন চলচ্চিত্রের সিনেমাপাড়া হলিউডে গিয়েছিলেন এই চিত্রনায়িকা। যুক্তরাষ্ট্রে পূর্ণিমার ঘুরে বেড়ানোর সঙ্গী হিসেবে আছেন টনি ডায়েসের স্ত্রী প্রিয়া ডায়েস। এদিকে গত শনিবার বাংলাদেশি আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন অব লস অ্যাঞ্জেলেস (বিএএএলএ) আয়োজিত ‘আনন্দ মেলা’য় অংশ নিয়েছেন পূর্ণিমা। সেখান তাকে দেয়া হয়েছে ‘লস অ্যাঞ্জেলেস কংগ্রেসনাল রিকগনিশন’ সনদ। পূর্ণিমা ছাড়াও সেই অনুষ্ঠানে একই সনদ পেয়েছেন প্রিয়া ডায়েস, প্রমিথিউস ব্যান্ডের বিপ্লব, সুরকার ইমন সাহা প্রমুখ। আগামী ২ আগস্ট ঢাকায় ফিরবেন পূর্ণিমা। উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন বিরতির পর সম্প্রতি ‘জ্যাম’ নামের নতুন একটি সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন তিনি। কিছুদিন আগেই ঢাকায় জমকালো আয়োজনে সিনেমাটির মহরত অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসএ/

মালয়েশিয়া মাতাবেন রিয়াজ-পপি-জেমস

মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে একটি গানের কনসার্ট। সেখানে অংশ নেবেন জনপ্রিয় ব্যান্ড দল নগর বাউল ও রকস্টার জেমস। ওই কনসার্টে বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে থাকবেন চলচ্চিত্রের সফল জুটি রিয়াজ ও পপি।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মিস্টার প্রডাকশন অন্যতম কর্ণধার মাইদুল রাকিব। তিনি জানান, আগামী ৯ সেপ্টেম্বর কুয়ালালামপুরের ইন্টেগরেটেড কমার্শিয়াল কমপ্লেক্সের (আইসিসি) এইচএক্সসি গ্র্যান্ড বলরুমে এই কনসার্ট অনুষ্ঠিত হবে। এখানে আরও অংশ নেবেন একঝাঁক তারকা। তাদের মধ্যে অন্যতম জায়েদ খান, পিয়া বিপাশা, নায়লা নাঈম, জাহের অালভি, এমএইচ রিজভী, অাবু হেনা রনি।তিনি বলেন, ‘একটি বিশাল আয়োজনে কনসার্ট করার পরিকল্পনা করেছি আমরা। এখানে জেমস ভাই, রিয়াজ ভাইসহ আরও অনেকে থাকবেন। জেমস ভাইয়ের বেশ কিছু গান শোনতে পারবেন আগত দর্শক। থাকবে চলচ্চিত্র শিল্পীদের আকর্ষণীয় পরিবেশনা। এরইমধ্যে জেমস ভাইসহ অন্যদের সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে।’তিনি আরও বলেন, ‘অনেক বড় একটি কাজ। অনেক শ্রম দিতে হচ্ছে। সবাই দোয়া করবেন অামরা যেন সুন্দর ভাবে প্রোগ্রামটি শেষ করে সফল হতে পারি। আশা করছি উপভোগ্য একটি কনসার্ট পাবেন মালয়েশিয়াতে বাংলাদেশি প্রবাসীরা।’এসএ/  

যৌন হয়রানি ঠেকাতে আট স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র

‘সিনেমা হোক অন্যায়ের বিরুদ্ধে বিপ্লবের হাতিয়ার’- স্লোগান নিয়ে ক্যামেরা আর গল্পে নিজের পয়সা খরচ করে একটি করে স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমা তৈরি করেছেন ঢাকার আট নির্মাতা। এই উদ্যোগের নাম ‘#আই স্ট্যান্ড ফর ওম্যান’। একসঙ্গে একাধিক চলচ্চিত্র নির্মাণ করে যৌন হয়রানির প্রতিবাদ জানানোর নজির এই প্রথম। কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি ঠেকাতে গত বছর হলিউড তারকারা শুরু করেন ‘#মিটু’ ও ‘টাইমস আপ’ কর্মসূচি। তবে সেগুলো সীমাবদ্ধ ছিল কেবলই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কিংবা বিভিন্ন উৎসবে। বাংলাদেশে ‘#আই স্ট্যান্ড ফর ওম্যান’ তেমনই একটি কার্যক্রম। তবে তার অংশ হিসেবে নির্মিত হলো আটটি স্বল্পদৈর্ঘ্যের চলচ্চিত্র। সবগুলো চলচ্চিত্রেই উঠে এসেছে নারীর সঙ্গে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ধরনের যৌন নিপীড়ন ও হয়রানির ঘটনা। এছাড়া আছে একটি পিএসএ। এই উদ্যোগের চলচ্চিত্রগুলো হলো আফজাল হোসেন মুন্নার ‘দ্য ওল্ডম্যান অ্যান্ড দ্য গার্ল’ (নুসরাত ইমরোজ তিশা), জসীম আহমেদের ‘চকোলেট’ (গোলাম ফরিদা ছন্দা, শতাব্দী ওয়াদুদ, আজিজুল হাকিম), সাকি ফারজানার ‘দ্য পার্ক, দ্য বেঞ্চ অ্যান্ড দ্য গার্ল’, প্রতীক সরকারের ‘মুখোশ’ (ইন্তেখাব দিনার), আশিকুর রহমানের ‘অসম্ভাবিত’ (মৌসুমী হামিদ, শতাব্দী ওয়াদুদ), রাজু আহসানের ‘লিপস্টিক’ (জয়রাজ, তারিন রহমান) এবং আসিফ খানের ‘দ্য মাদার’। আর খিজির হায়াত খানের পিএসএ’র নাম ‘সে নো টু রেপ’। এ সম্পর্কে মুন্না বলেন, ‘আমাদের বিশ্বাস, এই সিনেমাগুলো দেখার পর যে কেউ মেয়েদের সঙ্গে বাজে আচরণ করতে ভয় পাবে। একইসঙ্গে মেয়েদের মধ্যেও সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে। আর তা যদি হয় তবেই আমরা সার্থক হবো।’ এসএ/

আবারও শুরু হচ্ছে ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’

আবারও শুরু হতে যাচ্ছে আলোচিত সেই মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা। গত বছর ২৯ সেপ্টেম্বর রাজধানীর বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয় বিতর্কিত ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতার প্রথম আসর। সেদিন চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নাম ঘোষণা করা হয় জান্নাতুল নাঈম এভ্রিলের। পরে এভ্রিলের বিরুদ্ধে বিয়ে করে তথ্য গোপন করার অভিযোগ উঠলে নতুন চ্যাম্পিয়ন হিসেবে জেসিয়া ইসলামের নাম ঘোষণা করা হয়। সেই ঘটনার পর অনেকেই ধরে নিয়েছিলো আর হয়তো ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে না। তবে সব গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়ে, অন্তর শোবিজের চেয়ারম্যান স্বপন চৌধুরী বলেন, ‘চিন্তার কিছু নেই। মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা অবশ্যই হবে। ঘোষণাও আসছে।’ জানা গেছে, আগস্ট থেকে শুরু হবে নাম নিবন্ধন। তবে যাবতীয় কার্যক্রম শুরু হবে সেপ্টেম্বর মাস থেকে। গত বছর ‘মিস ওয়ার্ল্ড’-এ বাংলাদেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেন জেসিয়া ইসলাম। সেরা চল্লিশ পর্যন্ত পৌঁছান তিনি। কিন্তু বিশ্ব সুন্দরীর মুকুট মাথায় তুলে নেন ভারতের হরিয়ানার মেয়ে মানুষী ছিল্লার। এসএ/

অভিনেত্রী সাবার ধূমপানের ছবি ভাইরাল

মাহিরা খানের পর পালা এবার বিতর্কে জড়ালেন ‘হিন্দি মিডিয়াম অভিনেত্রী  সাবা কামার।। মাহিরা খানকে নিয়ে একসময় যে সমালোচনা উঠেছিল, সাবার বেলাতেও তাই হলো। সোশাল মিডিয়ায় সম্প্রতি প্রকাশ পেয়েছে তার কিছু ছবি। কোনও এক ফটোশুটে যাওয়ার আগে ছবিটা তোলা। সেখানে প্রকাশ্যে ধূমপান করতে দেখা গিয়েছে সাবাকে। আর এই নিয়েই সোশাল মিডিয়ায় তাকে ঘিরে শুরু হয়েছে চর্চা। মাহিরা খানকে নিয়ে বেশ কয়েকমাস আগে এমনই একটি বিতর্ক উঠেছিল। তারও ছবি প্রকাশ পেয়েছিল সোশাল মিডিয়ায়। ছবিতে তার সঙ্গে ছিলেন রণবীর কাপুর। দুজনকে প্রকাশ্যে ধূমপান করতে দেখা গিয়েছিল। এর জন্য টুইটার ও ফেসবুকে সমালোচনা সহ্য করতে হয়েছিল অভিনেত্রীকে। সাবা করিমের ক্ষেত্রেও তাই হল। টুইটারে কেউ সাবাকে বলছেন, মাহিরাকে অনুসরণ করছেন সাবা। তিনি কি আদৌ মুসলিম রইলেন? কেউ বলছেন, মাহিরাকে অনুসরণ করলেন সাবা। লজ্জা… আমরা মুসলিম। কেউ আবার সাবাকে একেবারে নির্লজ্জ আখ্যা দিয়েছেন। যদিও মাহিরার যখন বিতর্কে জড়িয়েছিলেন, নিজের স্বপক্ষে মুখ খুলেছিলেন তিনি। তার কারণও অবশ্য ছিল। ধূমপানের জন্য যত না সমালোচিত হয়েছিলেন তিনি, তার থেকেও বেশি প্রশ্ন উঠেছিল রণবীর কাপুরের সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে। তখন মাহিরা বলেছিলেন, বিষয়টি তার ব্যক্তিগত। নারী ও পুরুষ একসঙ্গে সময় কাটাতেই পারে। এতে অসুবিধা কোথায়? পালটা প্রশ্ন করেন অভিনেত্রী। তার মতে, এটি খুবই সাধারণ বিষয়। পাকিস্তানি অনেক অভিনেতা অভিনেত্রীর প্রশ্ন ওঠে, সিনেমায় তো তিনি এমনটা করেন না? এর জবাবে মাহিরা বলেন, সব জিনিস তো আর পৃথিবীকে দেখানোর জন্য হয় না! সাবা কামার পাকিস্তানি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে পরিচিত নাম। ভারতেও অনেক ছবি করেছেন তিনি। এর মধ্যে ‘আয়না’, ‘মান্তো’, ‘লাহোর সে আয়েগি’ অন্যতম। ইরফান খানের সঙ্গে তিনি ‘হিন্দি মিডিয়াম’ ছবিতে অভিনয় করেন। ছবিটি ব্লকবাস্টার হয়েছিল। এই ছবিতে অভিনয়ের জন্য বহু প্রশংসিত হয়েছেন তিনি।  টিআর/ এসএইচ/

বোনের প্রতিষ্ঠানের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর বিপাশা

প্রথিতযশা অভিনেতা ও নির্মাতা আবুল হায়াতের দুই সুযোগ্য কন্যা বিপাশা হায়াত ও নাতাশা হয়াত। বাবার পথ ধরে বিপাশা অভিনয়ের সঙ্গে নিজেকে জড়ালেও নাতাশাকে কালেভদ্রে অভিনয়ে দেখা যেত। তাও বিশেষ কারও কারও অনুরোধেই দেখা যেত তাকে। অভিনয়ের চেয়ে ফ্যাশন সম্পর্কিত যে কোনো বিষয় তাকে বেশি টানতো। বড় বোন যখন অভিনয়ে ব্যস্ত নাতাশা তখন বোনের পোশাক ডিজাইন করে দিতেন। এরপর ২০০৮ সালে বিপাশার সঙ্গে পার্টনারশিপে ‘আইরিসেস ডিজাইনার স্টুডিও’ নামে একটি ফ্যাশন হাউস প্রতিষ্ঠা করেন নাতাশা। কিন্তু স্বামী, সন্তান ও সংসার নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ার কারণে ব্যবসায় ইতি টানতে হয়। ২০১৩ সালে আবারও প্রতিষ্ঠানটি নিয়ে নতুন উদ্যোমে কাজ শুরু করেন নাতাশা। বোনকে উৎসাহ দিতে এবার এ প্রতিষ্ঠানের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে কাজ করছেন বিপাশা। এ প্রসঙ্গে বিপাশার ভাষ্য, মানুষের মধ্যে কোনো না কোনোভাবে শিল্পীসত্তা থাকে, হোক তিনি ব্যাংকার, ইঞ্জিনিয়ার, ডাক্তার বা অন্য কোনো পেশার। নাতাশা পড়াশোনা করেছে মার্কেটিং ম্যানেজমেন্টে কিন্তু ফ্যাশনেই বরাবর তার আগ্রহ ছিল। টুকটাক অভিনয় করলেও যখন পুরোপুরি ফ্যাশন হাউসের সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত করেছে, তখন সে শান্তি খুঁজে পেয়েছে। আমি মনে করি, মানুষ তার নিজের আনন্দের জন্য যখন কাজ করে, তখন তা সততার সঙ্গেই করে। যে কারণে তার স্টুডিও থেকে ভালো এবং মানসম্মত পোশাক তৈরি হচ্ছে। এ কারণে নাতাশার এই ফ্যাশন স্টুডিওর শুভেচ্ছাদূত হয়ে পাশে থাকার চেষ্টা করছি। নাতাশা হায়াত বলেন, ‘বাবার আগ্রহেই আমি কিছুদিন অভিনয় করেছি। কিন্তু অভিনয়ে আমার মন টানেনি। আমি এমন একটি কাজ করতে চেয়েছি যা করতে গিয়ে আমি যেন সন্তানদেরও যথেষ্ট সময় দিতে পারি। এখন আমার ফ্যাশন হাউস যে অবস্থানে এসেছে তাতে সন্তুষ্ট আমি।’ এসএ/  

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি