ঢাকা, শুক্রবার, ২২ জুন, ২০১৮ ১৭:৩১:৫৩

বিটিভিতে আজ দেখা যাবে ইত্যাদি  

বিটিভিতে আজ দেখা যাবে ইত্যাদি  

আজ রাত ১০ টায় ইংরেজি সংবাদের পর বিটিভিতে প্রচার হবে দর্শকনন্দিত ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’। ইত্যাদির এবারের পর্ব ধারণ করা হয়েছে মিরপুর শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে। বরাবরের মতো এবারো ‘ও মন রমজানের ওই রোজার শেষে এলো খুশীর ঈদ’ গানটি দিয়ে শুরু হবে ‘ইত্যাদি’। এটি গ্রন্থনা, পরিকল্পনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেছেন হানিফ সংকেত।       এবারের ইত্যাদিতে পারিবারিক শান্তি বিষয়ক নাটিকায় অংশ নিয়েছেন অর্ধশতাধিক বিদেশি নাগরিক। রয়েছে বিষয়ভিত্তিক গান যা গেয়েছেন সাবিনা ইয়াসমিন ও এ্যান্ড্রু কিশোর। ছন্দে-সুরে ব্যতিক্রমী এক আলোচনায় অংশ নিয়েছেন শহীদুজ্জামান সেলিম, মীর সাব্বির, সাজু খাদেম ও শাহরিয়ার নাজিম জয়। রয়েছে দুটি নাচ। প্রথমটিতে অংশ নিয়েছেন নৃত্যজুটি শিবলী মহম্মদ ও শামীম আরা নিপা। অন্যটিতে ফেরদৌস, অপূর্ব, মম ও মোনালিসা।    এমএইচ/এসি  
শোবিজ তারকাদের বিশ্বকাপ উন্মাদনা

শুরু হচ্ছে বিশ্বকাপ ফুটবল উন্মাদনা। সব ক্রীড়ামোদীর স্রোত এখন রাশিয়ামুখী। ইতোমধ্যে সমর্থকরা যার যার প্রিয় দলের পতাকা-জার্সি তৈরি করে উচ্ছ্বাস জানান দেওয়া শুরু করে দিয়েছেন। পুরো বিশ্ব যেনো মেতেছে অন্যরকম আনন্দে। দেশে দেশে, ঘরে ঘরে, প্রিয় দলের প্রতি সমর্থনের প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। শোবিজ তারকারাও পিছিয়ে নেই। দেশের বেশ কয়েকজন শোবিজ তারকার বিশ্বকাপ উন্মাদনা নিয়ে তৈরি করা হয়েছে এই প্রতিবেদন- মৌসুমী বিশ্বকাপ ফুটবলে আমার বরাবরই প্রিয় দল ব্রাজিল। আমি আশা করছি এ দলটি এবার চ্যাম্পিয়ন হবে। কারণ ব্রাজিলে আছে নেইমারের মতো বিশ্বসেরা খেলোয়াড়। যেকোনো মুহূর্তে খেলার গতি পাল্টে দেয়ার ক্ষমতা আছে তার। এবার নেইমারই আমার প্রিয় খেলোয়াড়। ওমর সানী শুধু আমি একা নই। আমার পুরো পরিবার ব্রাজিলের সমর্থক। আমরা সবাই মনেপ্রাণে চাই ব্রাজিল চ্যাম্পিয়ন হোক। নেইমারকে যদিও আমি মেসির মতো বড় খেলোয়াড় মনে করি না, তারপরও সে-ই হচ্ছে ব্রাজিলের বড় অস্ত্র। বিশ্বকাপে ব্রাজিল আমার প্রিয় দল হলেও প্রিয় খেলোয়াড় কিন্তু লিওনেল মেসি। মিশা সওদাগর আমার প্রিয় দল অবশ্যই ব্রাজিল। আমি আশা করছি ইনশাআল্লাহ ব্রাজিলই চ্যাম্পিয়ন হবে। রিয়াজ ব্রাজিলের খেলা দেখেই বড় হয়েছি। ব্রাজিল মানেই সাম্বার তালে তালে দর্শক মাতানো খেলা। এবার তাদের দলীয় সমঝোতাও খুব ভালো। বিগত বিশ্বকাপগুলোতে ব্রাজিল ভালো করেনি। সুতরাং এবার জিততে তারা মরিয়া। ফেরদৌস আমার প্রিয় খেলার তালিকায় ক্রিকেটের পরই আছে ফুটবল। কাজ নিয়ে খুব ব্যস্ত থাকতে হয়। তবু সময় বের করে বিশ্বকাপের খেলাগুলো দেখার চেষ্টা করি। আমি আর্জেন্টিনার সমর্থক। এবারের বিশ্বকাপেও আশা করছি আর্জেন্টিনা ফাইনালে উঠবে। মেসির জাদুতে কাবু হবে বিশ্ব। ক্লাব টুর্নামেন্টগুলোয় মেসি যে অসাধারণ খেলা দেখিয়েছে, এর ৫০ শতাংশ দেখাতে পারলেই বাজিমাত হবে। তবে ব্রাজিলও খুব শক্তিশালী। অনেক দিন ধরেই অপেক্ষা করছি আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ নেবে। এবার সেই স্বপ্ন পূরণ হবে বলেই আমার বিশ্বাস। জায়েদ খান আর্জেন্টিনার খেলার কৌশল আমার বেশ ভালো লাগে। বিশ্বকাপে এবার তারা হট ফেভারিট দল। যে দলে মেসি আছে সেই দল তো ফেভারিট হবেই। আমার বিশ্বাস এবার আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জিতবেই। পপি বিশ্বকাপ ফুটবলে আমার প্রিয় দল দুটি। ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা। এই দুই দলের মধ্যে যে-ই চ্যাম্পিয়ন হবে আমি খুশি। তবে বাংলাদেশ যদি বিশ্বকাপে খেলতো তাহলে অনেক আনন্দ লাগতো। আশা করছি এক দিন আমরাও বিশ্বকাপ ফুটবল খেলবো। আমার প্রিয় খেলোয়াড় মেসি ও নেইমার। নিপুণ বিশ্বকাপে আমার প্রিয় দল আর্জেন্টিনা। মূলত ম্যারাডোনার কারণেই আমি আর্জেন্টিনার সমর্থক। আমার দল আর্জেন্টিনাই এবার বিশ্বকাপ জিতবে। আর প্রিয় খেলোয়াড় অবশ্যই মেসি। বিদ্যা সিনহা মীম আমার প্রিয় দল ব্রাজিল। এটি শুধু আমার একার পছন্দের নয়। পরিবারের প্রতিটি সদস্যই ব্রাজিলের সমর্থক। আর অপেক্ষা সইছে না। কারণ, ব্রাজিলই বিশ্বকাপ নেবে। তাই খেলা শুরুর অপেক্ষায় আছি। আরফিন রুমি আমার অলটাইম ফেভারিট টিম আর্জেন্টিনা। এ দলের খেলা থাকলে মিস করি না। আমার ধারণা এবারের আসর মাতাবেন বিশ্বসেরা খেলোয়াড় মেসি। আর মেসি যদি তার সেরাটা দিতে পারেন তাহলে আর্জেন্টিনাই চ্যাম্পিয়ন হবে। আশা করি আর্জেন্টিনা রাশিয়ার মাটিতে চ্যাম্পিয়ন হবে আর মেসি হবেন সেরা খেলোয়াড়। এ্যান্ড্রু কিশোর বরাবরই আমি ব্রাজিলের পক্ষে। আমি চাই এবারের বিশ্বকাপ ট্রফি থাকুক আমার দলের হাতে। আমি ব্রাজিলের সমর্থক সেই ১৯৭৮ সালের বিশ্বকাপ থেকে। আমি মনেপ্রাণে চাই সোনালি ট্রফি ষষ্ঠবারের মতো ব্রাজিলের ঘরে ঠাঁই পাক। আইয়ুব বাচ্চু ব্রাজিল ছাড়া অন্য দলের কথা চিন্তাও করতে পারি না। ফুটবল দল মানেই ব্রাজিল। এবার আশা করি বিশ্বকাপ তাদের হাতেই উঠবে। নেইমার সেরা খেলোয়াড় হবেন। এছাড়াও স্পেন, জার্মানি ভালো করবে। তবে আমি চাই বিশ্বকাপ জিতুক ব্রাজিল। আসিফ আমার প্রিয় দল ব্রাজিল। এ দলের খেলা হলেই বন্ধু-বান্ধব মিলে খাওয়া-দাওয়া আর জম্পেশ আড্ডা। যেখানেই থাকি না কেন বন্ধুদের নিয়ে খাওয়া-দাওয়ার আয়োজন থাকবে। ব্রাজিল প্রিয় দল হলেও প্রিয় খেলোয়াড় ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। ল্যাটিন দলগুলোও এবার বিশ্বকাপে ভালো করবে। তবে ব্রাজিলই চ্যাম্পিয়ন হবে আশা করি। মামুনুর রশীদ আমি খেলাধুলার দারুণ ভক্ত। বিশ্বকাপ ফুটবল শুরু হবে আর আমি দেখবো না সেটা কি করে হয়! আমি আর্জেন্টিনার সমর্থক। তবে আমার পরিবারে ব্রাজিল আর জার্মানির সমর্থকও রয়েছে। আফসানা মিমি পুরো বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখার ইচ্ছা আছে। প্রয়োজনে সব কাজ বন্ধ রেখে প্রিয় দলের খেলা দেখবো। নেইমারের জাদু মিস করা যাবে না। এবার চ্যাম্পিয়ন হবে ব্রাজিল। কারণ, এটি যে আমার প্রিয় দল। নোবেল অনেক আগে থেকেই আমি ব্রাজিলের সমর্থক। তাদের ফুটবল খেলায় শিল্প থাকে, একটা ছন্দ খুঁজে পাই। তাই ওদের খেলা দেখতেও ভালো লাগে। ফুটবলের সব সৌন্দর্য রয়েছে তাদের খেলায়। আগে বিশ্বকাপ ফুটবল এলেই বন্ধুরা মিলে বড় পর্দায় খেলা দেখার ব্যবস্থা করতাম। এবার কিছু খেলা হয়তো সেভাবে দেখবো। তবে মাঝ রাতের খেলাগুলো ঘরে পরিবারের সঙ্গে দেখবো। তানভীন সুইটি আমার প্রিয় দল আর্জেন্টিনা। সেই ছোটবেলা থেকেই এ দলের ভক্ত আমি। এক সময় ছিল ম্যারাডোনা-বাতিস্তুতাদের ম্যাজিক আর এখন মেসির। গত ক্লাব কাপের খেলাগুলোতে ও যা দেখালো তা অব্যাহত থাকলে আমি নিশ্চিত এবার কাপ আর্জেন্টিনার ঘরে। তারিন আমার পরিবারের বেশিরভাগই ব্রাজিলের সমর্থক। এ দলের খেলা মানেই বাসায় উৎসব। সবাই একসঙ্গে খাওয়া-দাওয়া, আনন্দ-উল্লাস। ব্রাজিল গোল দিলেই সবাই একসঙ্গে লাফ দিয়ে উঠি। নেইমার আমার প্রিয় খেলোয়াড়। আশা করি ব্রাজিল এবার বিশ্বকাপ জিতবে। সুমাইয়া শিমু আমার প্রিয় দল আর্জেন্টিনা। খেলা বোঝার পর থেকেই এ দলের প্রতি আমার দুর্বলতা। বাসায় বসে খেলা দেখতে চাই। তবে নাটকের শুটিং থাকলে স্পটে খেলা দেখবো। এবার যদি আর্জেন্টিনা ফাইনালে ওঠে, তাহলে সবকিছু বাদ দিয়ে খেলা দেখবো। আমি চাই আমার প্রিয় দল শিরোপা জিতুক। তিশা যখন থেকে ফুটবল বুঝি তখন থেকেই আর্জেন্টিনার ভক্ত আমি। বিশেষ করে ম্যারাডোনার নাম শুনে শুনে আর্জেন্টিনার ভক্ত হয়ে গেছি। আমার বিশ্বাস এবার আর্জেন্টিনা চ্যাম্পিয়ন হবে। মেসির নেতৃত্বে আর্জেন্টিনা এবার অনেক ব্যালান্সড টিম। চঞ্চল চৌধুরী বিশ্বকাপের খেলা আগ্রহের সঙ্গে দেখি। এবারের বিশ্বকাপের খেলাগুলোও দেখার চেষ্টা করবো। বেশিরভাগ খেলা দেখি শুটিংয়ের ফাঁকে। আমি কঠিনভাবে আর্জেন্টিনার সাপোর্টার। প্রিয় দলের সব খেলাই দেখবো। নিজের দল বাদ গেলে খেলা দেখা বাদ দেবো। জাকিয়া বারী মম বিশ্বকাপ ফুটবলের বেশিরভাগ খেলাই দেখার চেষ্টা করবো। এবার সবার খেলা খুব স্পিডি এবং ভালো হবে। আমি আর্জেন্টিনার সমর্থক। প্রিয় দল হারার পর ভালো লাগে জার্মানির খেলা। এসএ/  

পতিতা ও প্রেমের গল্প ‘গিভ অ্যান্ড টেক’

পতিতাবৃত্তিতে জড়িয়ে পড়া এক তরুণীকে নিষিদ্ধ জগত থেকে প্রেমিকের ফিরিয়ে আনার কাহিনী নিয়ে নির্মিত হয়েছে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘গিভ অ্যান্ড টেক’। আবদুল্লাহ জহির বাবুর চিত্রনাট্যে এবং বাপ্পি খানের পরিচালনায় ঈদের জন্য নির্মাণ করা হয়েছে এটি। স্বল্পদৈর্ঘ্যটির কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন তরুণ অভিনেতা আলী নূর জয়। তার বিপরীতে আছেন আলভিয়া। ১৭ মিনিটের চলচ্চিত্রটিতে একটি বিশেষ চরিত্রে অভিনয় করেছেন মারজুক রাসেল। এতে ব্যবহৃত একটি গানে কণ্ঠ দিয়েছেন হাসান মাহাদি। ঈদের দিন টিএস নূর প্রোডাকশনের ইউটিউব চ্যানেলে মুক্তি পাবে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটি। এই চলচ্চিত্রে অভিনয় প্রসঙ্গে জয় বলেন, ‘সামাজিক দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে চলচ্চিত্রটিতে অভিনয় করেছি। আমার চরিত্রটি এমন, প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ার পর আমি জানতে পারি আমার প্রেমিকা পতিতাবৃত্তিতে জড়িয়ে পড়া এক ভাগ্যহত তরুণী। এ সত্য উন্মোচনের পরও আমি তার দিকে হাত বাড়িয়ে দেই। সুন্দর জীবনে তাকে ফিরিয়ে আনি।’ এসএ/

ইটিভিতে ঈদের বিশেষ সেলিব্রেটি শো ‘স্টার কুইজ’

পবিত্র ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে একুশে টেলিভিশন দর্শকদের জন্য নিয়ে আসছে ৭ দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানমালা। এই আয়োজনের সাতদিনই থাকছে বিভিন্ন অঙ্গনের তারকাদের নিয়ে ঈদের বিশেষ সেলিব্রেটি কুইজ শো ‘স্টার কুইজ’। মাসুদুজ্জামান সোহাগের প্রযোজনায় সাত পর্বের এই বিশেষ কুইজ শোটি উপস্থাপনা করেছেন চলচ্চিত্র নির্মাতা দেবাশীষ বিশ্বাস। চলচ্চিত্র, নাটক, সঙ্গীত, মডেলিংসহ অন্যান্য অঙ্গনের তারকাদের নিয়ে সাজানো হয়েছে অনুষ্ঠানটি। অনুষ্ঠান সম্পর্কে প্রযোজক সোহাগ জানান, বিগত বছরের মত এ বছরও দর্শককে ভিন্ন কিছু উপহার দেওয়ার ভাবনা থেকেই আমার এই প্রচেষ্টা। অনুষ্ঠানটি মোট তিনটি রাউন্ডে ভাগ করে নির্মাণ করা হয়েছে। যেখানে সেলিব্রেটিরা তাদের ব্রেইনস্ট্রর্মিং করে উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। ঈদের দিন অতিথি হয়ে আসছেন হালের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা শবনম বুবলী, দ্বিতীয় দিন অতিথি থাকবেন চিত্রনায়ক ফেরদৌস আহমেদ, তৃতীয় দিন থাকছেন চিত্রনায়িকা নূসরাত ফারিয়া, চতুর্থদিন অতিথি হয়ে থাকছেন মডেল ও অভিনেত্রী মোনালিসা, সঙ্গীত জগত থেকে ঈদের পঞ্চমদিনে অতিথি হিসেবে থাকছেন কনা ও লিজা, ঈদের ষষ্ঠদিন থাকছেন সিয়াম আহমেদ এবং ঈদের সপ্তমদিন অতিথি হিসেবে থাকছেন সায়মন সাদিক এবং তমা মির্জা।অনুষ্ঠানটি ঈদের দিন থেকে ঈদের সপ্তমদিন পর্যন্ত প্রতিরাত ১০টায় একুশে টেলিভিশনে প্রচার হবে। উল্লেখ্য মাসুদুজ্জামান সোহাগ ইতোপূর্বে বাংলাদেশের দুই সুপার স্টার সাকিব আল হাসান এবং শাকিব খানকে নিয়ে ‘সাকিব বনাম শাকিব’ অনুষ্ঠান নির্মাণ করেছেন। এছাড়া নিয়মিত ৫টি সাপ্তাহিক অনুষ্ঠান  নির্মাণ করছেন, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে মিডিয়ার তারকা দম্পত্তি নিয়ে নির্মিত সরাসরি অনুষ্ঠান ‘সিম্পল লাভ স্টোরি’এবং তারকাদের মজার আড্ডা ‘উইথ নাজিম জয়’।/ এআর /

স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে কবি নির্মলেন্দু গুণ

স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন কবি নির্মলেন্দু গুণ। ‘কবিভক্ত প্রেমিক-প্রেমিকা’ শিরোনামের এ চলচ্চিত্রটি কবি নির্মলেন্দু গুণের কবিতাকে কেন্দ্র করে নির্মাণ করা হয়েছে। গল্পে দেখা যায়, সজল আর রচনা কবিতা পড়তে ভালোবাসে। তাদের দুজনের প্রিয় কবি নির্মলেন্দু গুণ। তার কবিতা তাদের মন দেয়া-নেওয়ার ক্ষেত্রে ভীষণ সাহায্য করে। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেম হয়। সজল আর রচনা কবির সান্নিধ্য পেতে চলে যায় কবির বাসায়। তখন কবি মুগ্ধ হয়ে তাদের আশীর্বাদ করেন। স্বল্পদৈর্ঘ্যে অভিনয় প্রসঙ্গে কবি নির্মলেন্দু গুণ বলেন, ‘গল্পটা আমার কবিতা নিয়ে। আমার কবিতা পড়ে অনেকের প্রেমে পড়ার ক্ষেত্রে সাহায্য করেছে। কবিতা পড়ে প্রেম করে বিয়েও করেছে কেউ কেউ। তাদের মধ্যে অনেকে হয়তো আমার কাছে আসেনি। আমি আনন্দিত স্বল্পদৈর্ঘ্যে কবিভক্ত প্রেমিক-প্রেমিকা দেখে হয়তো কেউ কেউ আমার কাছে দোয়া-আশীর্বাদ নিতে আসবে।’ ‘কবিভক্ত প্রেমিক-প্রেমিকা’ রচনা করেছেন রণজিৎ সরকার। পরিচালনা করছেন সাখাওয়াত হোসেন মিঠু। এতে অভিনয় করেছেন কবি নির্মলেন্দু গুণসহ সুহাসিনী অধরা, হান্নান হোসেন নিরব ও জাবিল আমির। এসএ/

ইসরায়েলে কনসার্ট করবেন না শাকিরা

ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলি হত্যাযজ্ঞের কারণে দেশটিতে কনসার্ট না করার জন্য কলম্বিয়ার পপ সম্রাট শাকিরাকে আহ্বান জানিয়েছিলেন অনেক খ্যাতনামা ব্যক্তি ও সংগঠন। তাতে সাড়া দিয়ে তেলআবিবে কনসার্ট করার সেই পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছেন বিশ্বনন্দিত এ গায়িকা। আসছে জুলাইয়ে ওই কনসার্ট হওয়ার কথা ছিল।যদিও কনসার্ট থেকে সরে আসার পেছনে আরও দুটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। গ্র্যামি-জয়ী কলম্বিয়ান শিল্পী শাকিরার পূর্ব-পুরুষ ছিলেন লেবানিজ। তেলআবিব থেকে কনসার্ট করার পর লেবাননেও কনসার্ট করার কথা ছিল শাকিরার। কিন্তু দেশটিতে অনেকেই দাবি তোলেন, ইসরায়েলে পারফর্ম করলে লেবাননের কনসার্ট যাতে বাতিল করা হয়। অন্যদিকে, শাকিরা জাতিসংঘের শিশু সংস্থা ইউনিসেফের শুভেচ্ছাদূত। ফিলিস্তিনি শিশুদের ওপর ইসরায়েলি নৃশংসতার অনেক কিছুই নথিবদ্ধ করা আছে ইউনিসেফের। ইসরায়েলকে শিক্ষা ও সাংস্কৃতিকভাবে বয়কট করার আন্দোলন পিএসিবিআই বলছে, মানবাধিকার লঙ্ঘন ও বর্ণবিভেদ (অ্যাপার্থেইড) ধামাচাপায় অংশ নেয়া থেকে বিরত থাকার বিশেষ বাধ্যবাধকতা রয়েছে শিল্পী ও বিশেষ করে জাতিসংঘের শুভেচ্ছা দূতদের। এটাও একটা বড় কারণ হতে পারে।এদিকে, শাকিরার এই ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছে ফিলিস্তিনিরা। এ খবর দিয়েছে ইলেক্ট্রনিক ইন্তিফাদা। এক বিবৃতিতে বলেছে, শাকিরার নাম ব্যবহার করে গাজার সাম্প্রতিক হত্যাযজ্ঞকে ধামাচাপা দেওয়ার যে পরিকল্পনা করেছিল ইসরায়েল, তা ব্যর্থ হয়েছে।সূত্র : তেলেসুর।/ এআর /

আত্মজীবনী’র দ্বিতীয় খণ্ড লিখবেন কবরী

আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ ‘স্মৃতিটুকু থাক’ এর দ্বিতীয় খণ্ডের কাজ শুরু করতে যাচ্ছেন এক সময়ের পর্দা কাঁপানো চিত্রনায়িকা কবরী। গত বছর একুশের বইমেলায় এই অভিনেত্রীর ‘স্মৃতিটুকু থাক’ প্রকাশিত হয়।কবরী বলেন, সময় পেলে আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ ‘স্মৃতিটুকু থাক’র দ্বিতীয় খণ্ডের কাজ শুরু করতে চাই।নিজ জীবনের স্মৃতিচারণ করে কবরী বলেন, চলচ্চিত্রে তার অভিষেক হয়েছিল পরিচালক ও নায়ক প্রয়াত সুভাষ দত্তের একটি চড়ের মাধ্যমে। ‘সুতরাং’ চলচ্চিত্রের প্রথম দিনের শুটিংয়ে গুলশান পার্কে একটি দৃশ্য ধারণের জন্য গাছে চড়তে হয়েছিল। সেখান থেকে মাটিতে পড়ার পরই ঘটে বিপত্তি। যন্ত্রণায় কাতর হয়ে ঠিকভাবে শট দিতে পারছিলেন না তিনি। আর তখনই নায়ক-পরিচালক সুভাষ দত্ত চড় মেরে শাসন করেন কবরীকে।কবরী আরও বলেন, ‘ঠিক সেদিনই চট্টগ্রামের ফিরিঙ্গি বাজারের মেয়ে মীনা পালের চলচ্চিত্রে অভিষেক হয়েছিল। দত্ত দা (সুভাষ দত্ত) মীনা পালের নাম বদলে রেখেছিলেন কবরী।’তিনি জানান, রাজ্জাক-শাবানা অভিনীত ‘অবুঝ মন’ সিনেমার ‘শুধু গান গেয়ে পরিচয়’ গানটিতে তাকেই দর্শক দেখতে পেত। কারণ এ সিনেমাটিতে অভিনয়ের জন্য তিনি চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলেন। পরবর্তীতে যে কোনো কারণেই হোক সিনেমাটিতে তার আর অভিনয় করা হয়নি।এসএ/    

পঞ্জাবি গায়কের মৃতদেহ ঘিরে রহস্য

পঞ্জাবি গায়ক নভজত সিংকে হত্যা করা হয়েছে। পঞ্জাবের ডেরা বাসি এলাকা থেকে তার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে তা এখনও জানা যায়নি। এরই মধ্যে শুরু হয়েছে পুলিশি তদন্ত। রিপোর্টে প্রকাশ, রবিবার মাঝরাতে পঞ্জাবের ডেরা বাসি এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয় নভজতের রক্তাক্ত মৃতদেহ। একটি কারখানার পাশেই পড়েছিল ওই পঞ্জাবি গায়কের মৃতদেহ। নভজতের মৃতদেহ পড়ে রয়েছে, এই খবর পাওয়ার পরই ঘটনাস্থলে হাজির হয় পুলিশ এবং সেখান থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়।জানা গেছে, ডেরা বাসির যে এলকায় নভজতের মৃতদেহ পড়েছিল, তার পাশেই রাখা ছিল গায়কের গাড়ি। ইতিমধ্যেই পুলিশ একটি খুনের মামলা দায়ের করেছে। তবে কে বা কারা নভজতের খুনের সঙ্গে জড়িত, সে বিষয়ে এখনও কোনও স্পষ্ট ইঙ্গিত মেলেনি।চন্ডিগড়ের একটি বাড়ি থাকতেন ২২ বছর বয়সি এই পঞ্জাবি গায়ক। ভেরা গ্রামে তার কিছু কাজ রয়েছে, এই বলেই রবিবার বাড়ি থেকে বের হন নভজত। শিগগিরই ফিরবেন বলেও জানিয়েছিলেন মা-কে। কিন্তু সন্ধ্যার মধ্যেও খোঁজ মেলেনি নভজতের। এরপর থেকেই পঞ্জাবি গায়কের খোঁজে তল্লাসি শুরু হলে। রবিবার মাঝ রাতে উদ্ধার করা হয় তার রক্তাক্ত মৃতদেহ। সূত্র : জি নিউজ এসএ/  

সাত গুণীজন পাচ্ছেন শিল্পকলা পদক ২০১৭

‘শিল্পকলা পদক ২০১৭’ এর সম্মাননা প্রদান করা হবে আগামী ২৮ মে। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ৭ গুণীজনকে এ পদক দেয়া হবে। পদক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে গুণীশিল্পীদের হাতে পদক তুলে দেবেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। মো. নাসির উদ্দিন আহমেদ-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি থাকবেন সংস্কৃতি মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর এবং স্বাগত বক্তব্য রাখবেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী।উল্লেখ্য, বাঙালি জাতির প্রতিটি সংগ্রাম, আন্দোলন ও অর্জনে এদেশের শিল্পী ও সংস্কৃতিকর্মীরা নাটক, সঙ্গীত, নৃত্য, আবৃত্তি, চিত্রকর্মসহ শিল্পের সব শাখার মাধ্যমে তাদের অপরিসীম অবদান রেখেছেন। হাজার বছরের সমৃদ্ধ ঐতিহ্যের লালন, ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করে চলেছেন আমাদের শিল্পী ও সংস্কৃতিকর্মীরা। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রাখতে তারা নিঃস্বার্থভাবে অবদান রেখে চলেছেন। তাদের অবদানকে সম্মান জানাতে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে ২০১৩ সাল থেকে ‘শিল্পকলা পদক’ প্রদান করা হচ্ছে। দেশের শিল্প ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে জাতীয় পর্যায়ে বিশেষ অবদানের জন্য গুণীজনদের কর্মকে মূল্যায়ন করে সংস্কৃতির বিকাশ সাধনের লক্ষ্যে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।এসএ/  

রাজ বধূর জন্য শাড়ি পাঠাচ্ছে ভারতের ডাব্বাওয়ালারা

বাড়ির ছোট ছেলের বিয়ে বলে কথা। তাই বিয়ের দিন মুম্বাই জুড়ে মিষ্টিমুখ করাবেন ডাব্বাওয়ালারা। মিষ্টি দেওয়া হবে টাটা ক্যানসার-সহ বেশ কয়েকটি হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের আত্মীয়দের, যারা দিনের পর দিন হাসপাতালে এসে পড়ে থাকেন প্রিয়জনের জন্য।‘মুলগা’ (মরাঠিতে ছেলে) প্রিন্স হ্যারি এবং স্নেহের ‘সুন’ (বৌমা) মেগান মার্কলের বিয়ে ১৯ মে। ইংল্যান্ডে সেই বিয়েতে নিমন্ত্রণ না পেলেও খুশিতে মাতোয়ারা ভারতের ডাব্বাওয়ালারা। তাদের সংগঠনের মুখপাত্র সুভাষ তালেক বলেন, ‘আমরা হ্যারির জন্য মরাঠি বরের পোশাক পাজামা-কুর্তা আর গেরুয়া পাগড়ি কিনেছি। মেগান বৌমার জন্য কেনা হয়েছে সবুজ রঙের পৈথানি শাড়ি। ব্রিটিশ হাইকমিশনের সঙ্গে কথা হয়েছে। এগুলো আমরা বাকিংহাম প্যালেসে কুরিয়ার করব। একই রকম পোশাক হ্যারির বাবা— আমাদের চার্লস আর ক্যামিলা-র বিয়ের আগেও কুরিয়ার করেছিলাম। বছর দু’য়েক আগে উইলিয়াম আর কেট বৌমা যখন মুম্বাই আসেন, তখনও আমরা ১২ জন ডাব্বাওয়ালা দাদার থেকে তাদের জন্য পোশাক কিনে পাঠিয়েছিলাম।’সংগঠনের সভাপতি উল্লাস শান্তারাম জানালেন, ২০০৩ সালে রাজপরিবারের সঙ্গে তাদের বন্ধন শুরু হয়েছিল প্রিন্স চার্লসের হাত ধরে। মুম্বাইয়ে এসে ডাব্বাওয়ালাদের সঙ্গে আলাদা করে দেখা করেছিলেন তিনি। ‘একশো বছর ধরে আমরা মুম্বাইয়ে কাজ করছিলাম। কেউ আমাদের গুরুত্ব দিতেন না। চার্লস যখনই ডেকে কথা বললেন, গোটা পৃথিবী আমাদের ‘ম্যানেজমেন্ট গুরু’ বলে স্বীকৃতি দিল। দিন বদলে গেল। ২০০৫ সালে চার্লস ‘ভাই’য়ের সঙ্গে ক্যামিলা ‘ভাবি’র বিয়েতে আমাদের এখান থেকে দু’জন ডাব্বাওয়ালা আমন্ত্রিতও ছিলেন!’সেই স্মৃতি জ্বলজ্বল করছে ডাব্বাওয়ালা সোপান মারে আর রঘুনাথ মেডকে-র মনে। পুণের কাছে একটি গ্রাম থেকে সোপান বলেন, ‘বিয়ের দিন ডাব্বাওয়ালাদের নিজস্ব সাদা পোশাক আর টুপি-ই পরেছিলাম আমরা। চার দিন ছিলাম লন্ডনে। খুব খাতির করেছিলেন তারা। পাঁচতারা হোটেলে ছিলাম। গাড়িতে যাতায়াত করতাম। রানি নিজে এসে আমাদের সঙ্গে আলাপ করেছিলেন আর বলেছিলেন, আমাদের দেওয়া পোশাক তাদের খুব পছন্দ হয়েছে।’গত আড়াই বছর মুম্বাইয়ে ‘রোটি ব্যাঙ্ক’ চালান ডাব্বাওয়ালারা, বিভিন্ন রেস্তরাঁ, হোটেল ও পার্টির বাড়তি খাবার গরিব মানুষের কাছে পৌঁছে দেন। হ্যারি-মেগানের বিয়ের দিন সেই দরিদ্রদের জন্য বিশেষ ভোজের আয়োজন করবেন তারা।উল্লেখ্য, ডাব্বাওয়ালা (আগে বলা হতো টিফিনওয়ালা) একজন ভারতীয়, বিশেষত মুম্বাইয়ে, যে কর্মচারীদের বাসা থেকে দুপুরের খাবার নিয়ে তাদের অফিসে পৌছে দেয়। সকালের শেষদিকে ডাব্বাওয়ালারা বাসাবাড়িতে গিয়ে লাঞ্চবক্সে (ডাব্বা) ভরে দেয়া গরম গরম খাবার নিয়ে যায়, সাইকেল বা রেলওয়ের ট্রেনে চেপে তা অন্যের কর্মস্থলে পৌঁছে দেয় এবং বিকালে আবার খালি লাঞ্চবক্স ফিরিয়ে নিয়ে যায়। মুম্বাইয়ের খাদ্য সরবরাহকারীরাও ডাব্বাওয়ালাদের কাজে লাগায়; তখন তারা কেন্দ্রীয় রান্নাঘর থেকে তৈরি/রান্নাকরা খাবার বয়ে নিয়ে ভোক্তাদের কাছে পৌঁছে দেয়।মুম্বাইয়ে অধিকাংশ অফিস কর্মচারীরা বাইরের বা হোটেলের খাবারের চেয়ে ঘরে-তৈরি খাবার খেতে বেশি পছন্দ করে, সাধারণত স্বাদ ও পরিচ্ছন্নতার জন্যে, যেকারণে এই ব্যবস্থার উৎপত্তি। অনেক মহিলারা ডাব্বাওয়ালাদের মাধ্যমে এরকম ঘরে-তৈরি খাবার সরবরাহ করে উপার্জন করেন। সূত্র : আনন্দবাজার এসএ/      

চারুকলার সেই মেয়েটি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের শিক্ষার্থী মিম মানতাসা। ১২ হাজার প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। এবারই প্রথম কোনো প্রতিযোগিতায় অংশ নেন এই সুন্দরী। আশা ছিল কিছু একটা করার, এমন স্বপ্ন নিয়েই তিনি অংশ নেন প্রতিযোগীতায়। কিন্তু চ্যাম্পিয়ন হবেন, এটা কখনও ভাবেননি। বিজয়ী হওয়ার পর অনেকের কাছ থেকে প্রতিক্রিয়া পাচ্ছেন। বিষয়টি বেশ উপভোগ করছেন তিনি। কারণ স্বজন ও আশেপাশের মানুষেরা দারুণ খুশি। সবাই শুভকামনা জানাচ্ছে তাকে। তবে এমন একটি প্রতিযোগীতায় অংশ নিয়েও জীবনযাত্রায় খুব একটা পরিবর্তন আসেনি মানতাসার। বিষয়টি নিয়ে মিম মানতাসা বলেন, ‘অনেক ভালো লাগছে। তবে খুব বেশি পরিবর্তন এখনও বুঝতে পারছি না। মনে হচ্ছে, যেমন ছিলাম তেমনই আছি। তবে দায়িত্বটা অনেক বেড়ে গেছে। অনেক কাজ করতে হবে।’ মানতাসার জন্ম পাবনায়। পাবনার আদর্শ গার্লস হাইস্কুল থেকে এসএসসি ও মহিলা কলেজ থেকে এইচএইসসি পাস করেন। পরে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে চারুকলায় ভর্তি হন। তবে পাবনায় বেশিদিন থাকা হয়নি। বাবার চাকরির সুবাদে ঢাকায় ছিলেন বেশিরভাগ সময়। মাঝখানে রাজশাহীও ছিলেন কিছুদিন। ছোট বেলায় মানতাসা স্বপ্ন দেখতেন মহাকাশচারী হবেন। পরে ইচ্ছা হলো, পেইন্টার হবেন। সেই হিসেবেই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলায় পড়া। কারণ তার মনে হয়েছিল, চারুকলায় তিনি ভালো করবেন। সব চেয়ে বড় কথা ড্রয়িং করতে ভালো লাগে তার। যেহেতু তিনি একজন লাক্স তাকরা। তাই তাকে অভিনয় করতেই হবে। কারণ অনেকের প্রস্তাব আসবে তার কাছে। তবে রঙ তুলিতে অনেক ভালো ছবি আকলেও অভিনয়ে এখনও তিনি নবীণ। তাই এ সেক্টরে জয়ের মুকুটটি মাথা পড়তে হলে আরও কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে তাকে। এ বিষয়ে মানতাসা বলেন, ‘‘লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার’ প্রতিযোগিতায় যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্তটা হুট করেই নিয়েছি। কারণ আমি আসলে নিজেকে আরও ভালোভাবে জানতে চাই। আশেপাশের মানুষ সবসময়ই বলেছে, তুমি এটাতে (অভিনয়) ভালো করবে। তাই আমিও নিজেকে দেখতে চেয়েছি-আমি আসলেই পারব কিনা।’ তিনি আরও বলেন, ‘তবে অভিনয়ের অনেক কিছুই শিখতে হবে, অনেক কিছুই জানতে হবে। প্রথমে আমি অবশ্যই শিখতে চাই। পরে ভাবব অভিনয়ের বিষয়টা। মাত্র বিজয়ী হয়েছি। ফলে এখনও খুব বড় পরিকল্পনা করিনি। আমি এখনও ক্যাম্পে। একটা নাটকের কথা আছে তাহসান ভাইয়ের সঙ্গে। সেটা থেকেই শুরু করব।’ এসএ/  

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি