ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ এপ্রিল, ২০১৮ ১৪:১৮:৫৬

৭ উপদেশ মেনে চললে ক্যারিয়ারে সাফল্য আসবেই

৭ উপদেশ মেনে চললে ক্যারিয়ারে সাফল্য আসবেই

আমরা সবাই সফল ক্যারিয়ার গড়তে চাই। সবাই যে শেষ পর্যন্ত সফল হতে পারে তা কিন্তু নয়। তাহলে সফল এবং ব্যর্থ এই দুই শ্রেণীর মধ্যে মূল পার্থক্যটা কোথায়? ভারতের মোটিভেশনাল স্পিকার বা অনুপ্রেরণামূলক বক্তা সিদ্ধার্থ ৭টি উপায় বলে দিয়েছেন যা মেনে চললে ক্যারিয়ারে সফলতা ধরা দেবেই। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে প্রকাশিত তাঁর উপদেশগুলো ভাষান্তর করে তুল ধরা হলো- ১) লক্ষ্য স্থির করুণ এখনই আগামীকাল কী কী কাজ করবেন বা করা দরকার তা আজকেই নির্ধারণ করে রাখুন। শুধু নির্ধারণই না; সেগুলোকে নোটবুকে লিখে রাখুন। আর পরের দিন কাজগুলো সম্পন্ন করার চেষ্টা করুণ। কোনো কাজ হয়ে গেলে কাজটির তালিকার পাশে টিক চিহ্ন দিন। এভাবে করে প্রতিটি কাজ শেষ করুন। দিন শেষে আপনি নোটবুকে নজর দিলে যখন দেখবেন যে আপনি সব কাজ শেষ করতে পেরেছেন তখন নিজের কাছেই খুব ভালো লাগবে। এক ধরণের আত্মবিশ্বাস অনুভব করবেন। শুরুতে শুরুতে হয়তো সবগুলো কাজ শেষ করতে পারবেন না। যেগুলো শেষ করতে পারেননি সেগুলো কেন শেষ করতে পারেননি তাও লিখে রাখুন। আর সেই কারণ থেকে সমাধান বের করুন। ২) কাজ করুন মন দিয়ে যে কাজই আপনি করুন না কেন তাতে মনযোগ দিন। যে বিষয়গুলো আপনার মনযোগে বিঘ্ন ঘটায় যেমন মুঠোফোন, ইন্টারনেট এধরনের বস্তু থেকে সেসময় দূরে থাকুন। কাজের ফাঁকে ফাঁকে মুঠোফোন ব্যবহার করা আমাদের অনেকেরই অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। কিন্তু এটি আমাদের দৈনন্দিন কর্মকান্ডে ধীরগতি এনে দেয়। প্রয়োজনে কাজের কিছু সময় মোবাইল সাইলেন্ট রাখুন অথবা মোবাইলের ডাটা কানেকশন বন্ধ রাখেন। ৩) একসঙ্গে অনেক কাজ নয় আমাদের মধ্যে অনেকেই মনে করেন যে, একসঙ্গে কয়েকগুলো কাজ করতে পারলেই বুঝি দক্ষ হওয়া যায়। বিষয়টি একটি কল্পনা ছাড়া আর কিছুই না। আমাদের মস্তিষ্ক শুধু একটি মাত্র কাজের দিকে জোর দিতে পারে। অনেকগুলো কাজ একসাথে করতে গেলে সফলভাবে শেষ করার চেয়ে গুলিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। তাই একটি কাজ শুরু করলে সেটি শেষ করে তারপর অন্য কাজ করুন। ৪) মানসিক এবং আবেগীয়ভাবে সুস্থ থাকুন যখন আপনি কোন কাজ স্বাচ্ছন্দে করবেন তখন কাজটিতে আপনি ভালো করবেন। তাই কর্মক্ষেত্রে ভালো করতে হলে আপনি সেই কাজটিই করুন যা করতে আপনি ভালবাসেন। আর যদি তা করতে না পারেন তাহলে যে কাজটি আপনার করতে হবে তাকেই ভালবেসে করুন। আপনি যদি একজন চাকরিজীবী হয়ে থাকেন তাহলে অপছন্দের কোনো কাজও যদি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ আপনাকে করতে বলেন আর সেই কাজটি যদি না করে কোন উপায় না থাকে তাহলে একটি হাসি দিয়ে কাজটি করে ফেলুন। যে আপনাকে বেতন দিচ্ছেন তাঁর সঙ্গে বেশি তর্কে জড়াবেন না। তাদেরকে শান্তভাবে বোঝানোর চেষ্টা করুন। যদি না পারেন তাহলে নিজেকে বদলান। যদি সেটিও না পারেন তাহলে চাকরি বদলান। তবুও ঝগড়াঝাটি যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন। নির্ঝঞ্ঝাট থাকতে পারলে তা আপনাকে মানসিক এবং আবেগের দিক থেকেও সুস্থ রাখবে। ৫) টানা কাজ নয় দিনটি আপনি কতটা নিয়ন্ত্রিতভাবে শেষ করছেন তাঁর ওপর নির্ভর করে আপনার কর্মদক্ষতা। আর এর জন্য আপনাকে থাকতে হবে শারীরিকভাবে সুস্থ। দিনে অন্তত ১ঘন্টা শারীরিক ব্যায়াম করার চেষ্টা করুন। কাজের চাপে না খেয়ে থাকাটা কর্মক্ষেত্রে আপনাকে শক্তি যোগাবে না। তাই পানি ও খাবার গ্রহণে অনিয়ম করা যাবে না। এছাড়া কোথাও টানা ১ ঘন্টার বেশি সময় বসে থাকবেন না। এক ঘন্টা পর পর প্রয়োজনে অফিসের মধ্যেই খানিকটা পায়চারি করে নিন। পরবর্তী সময়ের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতে কিছুটা সময় নিন। ৬) সহকর্মীদের মাঝে কিছু কাজ ভাগ করে দিন সহকর্মীদের মাঝে যদি কাজ ভাগ করে দিতে না পারেন তাহলে আপনার দক্ষতা প্রকাশ পাবে না। এই গুণটি আপনার মধ্যে না থাকলে বুঝে নিন যে, সব কাজ আপনাকেই করতে হবে। প্রথম দিকে বিষয়টি আপনার অধ:স্তন কর্মীদের দিয়ে শুরু করতে পারেন। আপনার অধীনে থাকা কোন কর্মী যে কাজটি করতে পারে তাকে সেটি করতে দিন। আপনি তাঁর থেকে গুরুত্বপূর্ণ কোন কাজ করুন। তবে এর মানে এই না যে, সব কাজ আপনি অন্যদের ওপর চাপিয়ে দেবেন। অন্যদের দেওয়া কাজের থেকে বড় পরিসরের কাজ আপনি করুন। এটা দেখে আপনার দলের কর্মীরা অনুপ্রাণিতও হবে। জুনিয়রদের সঙ্গে এমন দৃষ্টান্ত রাখুন যে আপনি এখনও কাজ করেন। ৭) দক্ষতায় ঝালাই দিন শিক্ষার যেমন শেষ নেই তেমনি দক্ষতারও শেষ নেই। আপনিই সবথেকে দক্ষ এমন দাম্ভিকতায় থাকার কোন মানে হয় না এই যুগে। আপনি খুবই দক্ষ হলেও সেই দক্ষতায় ধাঁর দিন। যে দক্ষতা নিয়ে আপনি অনেক পথ পাড়ি দিয়েছেন সময়ের বিবর্তনে সেই দক্ষতা কার্যকর নাও থাকতে পারে। বাজারে চলমান বিভিন্ন বিষয়ের ওপর নতুন করে জ্ঞান অর্জন করতে পারেন। অনলাইনে কোর্স করতে পারেন। করতে পারেন নিয়মিত ক্লাসও। এভাবে নিজের দক্ষতা বৃদ্ধি করুন আর বাজারে তা বিক্রি করুন। সূত্রঃ ইন্ডিয়ান টাইমস //এস এইচ এস// এআর  
ভাইবায় যে ৮ লক্ষণ দেখে বুঝবেন চাকরি অনিশ্চিত

পড়ালেখা শেষ হতে না হতেই মাথায় চাকরির চিন্তা এসে পরে। কেননা জীবনের কাঙ্খিত স্বপ্ন পূরণ করতে চাকরি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু চাকরির কথা ভাবলেই কি চাকরি হয়ে যায়! এরজন্য রয়েছে পূর্ব-প্রস্তুতি। যে কোন চাকরি করতে গেলেই আগে ইন্টারভিউয়ের মুখোমুখি হতে হয়। ইন্টারভিউ চাকরির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ইন্টারভিউ ভালো হলে চাকরি হয়ে যায়, আর যদি ভালো না হয় তাহলে চাকরি অনিশ্চিত। ইন্টারভিউয়ে প্রশ্নকর্তার প্রশ্নই বলে দিবে আপনার চাকরি হবে কি না।  তবে কিছু কিছু লক্ষণ আছে দেখলেই বুঝা যাবে চাকরি অনিশ্চিত। সেগুলো জানিয়ে দেওয়া হলো-    ১) খেয়াল রাখুন কতক্ষণ ধরে ইন্টারভিউ নেওয়া হচ্ছে? সেটা যদি খুব অল্পসময়ের জন্য হয় তাহলে বুঝতে হবে চাকরিটা অনিশ্চিত। সেক্ষেত্রে আপনাকে শুধু নামধাম জিজ্ঞেস করে বিদায় করে দিবে। ২) যে পদের জন্য আপনি ইন্টারভিউ দিতে এসেছেন, সে বিষয়ে কোন প্রশ্ন নিয়ে অলোচনাই করছে না, বরং অবান্তর কিছু প্রশ্ন করেছে? এর অর্থ হলো আপনার চাকরিটা হচ্ছে না। শুধু একটু সময় নষ্ট করে ছেড়ে দেবেন। ৩) পরপর প্রশ্ন করা হচ্ছে কি না, সেটা একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যদি ঠিকঠাক প্রশ্ন আসে, তাহলে ঠিকই আছে। কিন্তু যদি একই প্রশ্ন পেঁচিয়ে পেঁচিয়ে করতে থাকে তাহলে কিন্তু সমস্যা হচ্ছে বুঝে নিতে হবে। আপনাকে বেকায়দায় ফেলার চেষ্টা চলছে। ৪) আপনাকে যদি নেওয়ার ইচ্ছে থাকে, তাহলে যারা নিচ্ছেন তারা ইন্টারভিউয়ে চোখে চোখ রেখে কথা বলবেন। আপনার চোখে চোখ রেখে কথা না বললে বুঝতে হবে সমস্যা রয়েছে। ৫) খেয়াল রাখুন, যিনি ইন্টারভিউ নিচ্ছেন, তার ভাবভঙ্গি কেমন। তিনি যদি পেছনে গা এলিয়ে দেন, আপনার কথা শুনেও না শোনার ভান করেন, তাহলে বুঝে নিন যে আপনার চাকরিটা আর হচ্ছে না। ৬) প্রশ্নকর্তা যদি আপনার মঙ্গল কামনা করে তাহলে বুঝবেন সেটা মোটেও মঙ্গলের জন্য নয়। সামান্য কথা বলার পরেই আপনাকে ‘ধন্যবাদ’ দেওয়া হলো এবং আপনার সঙ্গে পরে যোগাযোগ করা হবে। আপনার মঙ্গল কামনা করছি।’ এই ধরনের কথা বলেলে বুঝবেন সেই যোগাযোগ আর হবে না। ৭) আপনি কেন প্রতিষ্ঠানটিতে যোগ দিতে চান? ভবিষ্যতে আপনি নিজেকে কোন জায়গায় দেখতে চান? এ ধরনের প্রশ্ন না করলে বুঝবেন ইন্টারভিউ ভালো হচ্ছে না। ৮) ইন্টারভিউ শেষে সাধারণত একটি হাসি বিনিময় হয়। ইন্টারভিউ ভালো হলে সেই হাসি হয় উজ্জ্বল। কিন্তু খারাপ হলে হাসি হয় সৌজন্যতার কিংবা বিদ্রুপের। কেএনইউ/ এআর           

‘শুদ্ধভাবে কথা বলতে পারলেই কল সেন্টারে চাকরি’

যদিও বাংলা আমাদের মাতৃভাষা, কিন্তু আমরা অধিকাংশ লোকই সঠিক ও শুদ্ধভাবে বাংলা উচ্চারণ করতে পারি না। এটা শুধু গ্রামের নয়, বরং শহরাঞ্চলে অনেক শিক্ষিত মানুষ এই ভুল প্রতিনিয়ত করে যাচ্ছে।  অথচ এই ভুল কাটিয়ে উঠতে পারলেই দেশের মোট বেকারদের মধ্যে প্রায় অর্ধেকের চাকরির ব্যবস্থা করা সম্ভব। এমনটিই মনে করেন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কল সেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিংয়ের সাবেক প্রেসিডেন্ট আহমেদুল হক।রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে দু’দিনব্যাপী বিপিও সামিটের দ্বিতীয় দিনে আজ সোমবার সকালের সেশনে বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি। সামিটের এক ফাঁকে একুশে টেলিভিশন অনলাইনকে আহমেদুল হক বলেন, বিশ্বে ৩৫ টি দেশে বাংলা ভাষা-ভাষী লোক বাস করছে। বাংলায় নিয়মিত কথা বলে ৩৫ কোটি মানুষ। ফলে যোগাযোগ ব্যবস্থায় বিপ্লবের ফলে কল সেন্টারগুলোতে প্রতিনিয়ত তরুণ তরুণীদের চাহিদা বাড়ছে। কিন্তু পর্যাপ্ত দক্ষ তরুণ তরুণীর সংকট এ বাজারে রয়েছে।এসব কল সেন্টারে কাজ করার জন্য কেমন দক্ষ কর্মী দরকার এমন প্রশ্নের জবাবে আহমেদুল হক বলেন, কে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়লো, কোন বিষয়ে স্নাতক সেটা এখানে দেখা হয় না। তার উচ্চারণ কতটুকু শুদ্ধ ও সুন্দর আদব-কেতা কেমন তা এখানে প্রধান বিবেচ্য বিষয়। আহমেদুল হক আরও বলেন, বাংলাদেশের ছেলেমেয়েরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ ডিগ্রি নিলেও তাদের মধ্যে দক্ষতা দেখা যায় না। কেউ যদি বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় যোগাযোগে দক্ষ না হয়, বিশ্ববিদ্যালয় তাকে স্নাতক ডিগ্রী দেওয়া উচিত নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।উল্লেখ্য, বিপিও সামিটের শেষ দিন আজ। এ বছরের মধ্যে ১ লাখ তরুণের চাকরির বাজার সৃষ্টিতে ও দক্ষ জনশক্তি তৈরী করাই এর উদ্দেশ্য।আআ / এআর

সফল ক্যারিয়ার গড়তে হকিং এর পরামর্শ

গত পরশুদিন বুধবার না ফেরার দেশে পাড়ি জমান স্টিফেন হকিং। পৃথিবীর অন্যতম সফল এই পদার্থবিজ্ঞানী অনুপ্রেরণার উৎস হয়েছেন অনেকের। জীবিত থাকতে সফল ক্যারিয়ার গড়তে কিছু পরামর্শ দিয়ে গেছেন এই বিজ্ঞানী। স্টিফেন হকিং বলে গেছেন, “যে কাজটি অর্থবহ এবং যে কাজটির একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য আছে সেই কাজটিই করতে হবে”। ২০১০ সালে এক সাক্ষাৎকারে এমন কথা বলেন তিনি। এবিসি ওয়ার্ল্ড নিউজকে দেওয়া ঐ সাক্ষাৎকারে সাংবাদিক ডেয়ান সোয়্যার প্রশ্ন করেছিলেন, “ক্যারিয়ার গড়তে আপনার সন্তানদের আপনি কী পরামর্শ দেবেন?” উত্তরে হকিং বলেছিলেন, “আমি তাদেরকে এমন কাজই করতে বলব যে কাজটি অর্থবহ এবং যে কাজটির একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য আছে। সেই কাজটিই করতে হবে। সেই কাজটি ছাড়া জীবন শূন্য”। আজ স্টিফেনহীন এই দুনিয়ায় স্টিফেন হকিং এর বলে যাওয়া বাণীর যথার্থতা খোঁজার চেষ্টা করেছে ব্রিটিশ ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশন বিবিসি। তারা কথা বলেছেন অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংগঠিক আচরণ এবং নেতৃত্ব বিষয়ের অধ্যাপক স্যালি মেইটলিসের সাথে। তিনি বলেন, “আপনি যা করছেন তা যদি আপনি ভালবেসে করে থাকেন তাহলে ছোটখাট সমস্যা আপনাকে বিরক্ত করবে না অথবা সেসব সমস্যা আপনাকে দমিয়ে রাখতে পারবে না। একজন মানুষের মত একটি সংস্থারও উচিত তারা যে কাজটি করছে তা ভালবেসে করা”। “তবে কাজটি যদি শুধু আপনার আত্মকেন্দ্রিক হয় তাহলে তা ক্ষতিকর হবে”। ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক কিরা স্ক্যাবরামের সাথে করা এক গবেষণার প্রসঙ্গে বিস্তারিত আলাপ করেন অধ্যাপক স্যালি মেইটলিস। উত্তর আমেরিকার ৫০ জন পশুপালকের ওপর করা সে গবেষণার সূত্র ধরে তিনি বলেন, “আমরা দেখেছি যে, যারা তাদের কাজ ভালবাসে তারা নির্ধারিত সময়ের থেকে অধিক সময় নিয়ে কাজ করে, স্বেচ্ছাশ্রমে অনেক ভারি আর কঠিন কাজও করে এবং নিজেদের থেকেই আইডিয়া শেয়ার করে। আর যারা ভালবাসা থেকে কাজটি করে না তাদের ক্ষেত্রে ঘটনা ভিন্ন। এরা বেশিদিন কাজ করতে পারেনি”। গবেষণা বলছে, ভেতর থেকে ভাল লাগা যে কাজটিতে কাজ করে সে কাজটির মধ্যে একধরনের ইতিবাচক প্রভাব থাকে। গত মাসে আমেরিকান সাইকোলজিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন এক প্রতিবেদনে প্রকাশ করে যে, “লক্ষ্য যতই বড় হোক, ক্যান্সার মুক্তি থেকে সহকর্মীকে সাহায্য করা পর্যন্ত , কাজের মাঝে সার্থকতা খুঁজে পাওয়াটা কর্মক্ষেত্রে শান্তি বয়ে আনে”। স্টিফেন হকিং তাঁর কাজের মধ্যে সে ধরনের সার্থকতাই খুঁজে পেয়েছিলেন। বিজ্ঞানের প্রতি তাঁর ব্যাপক উৎসাহ এবং মহাবিশ্বের রহস্য উন্মোচনে তার সীমাহীন আকর্ষণের কারণেই হয়তো তিনি হতে পেরেছিলেন সর্বকালের অন্যতম সেরা পদার্থবিজ্ঞানী। সূত্র: বিবিসি //এস এইচ এস//টিকে

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি