ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৪ মে, ২০১৮ ১০:২৮:৩৩

চোখের জলে বার্সা ছাড়লেন ইনিয়েস্তা

চোখের জলে বার্সা ছাড়লেন ইনিয়েস্তা

মাত্র কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে বিশ্ব ফুটবল একে একে বহু তারকাকেই তাদের দীর্ঘদিনের আস্তানা ছেড়ে যেতে দেখেছে। ওয়েঙ্গার থেকে বুফোঁ-তোরেস হয়ে সেই তালিকা দীর্ঘায়িত হল ইনিয়েস্তার বার্সা ত্যাগে। ওয়েঙ্গার হোক, অথবা বুঁফো, ন্যু ক্যাম্পের চিত্রনাট্যটাই ছিল খানিকটা একই রকম। বিদায় সংবর্ধনায় ওয়েঙ্গারকে যেমন আকুণ্ঠ ভালোবাসায় ভরিয়ে দিয়েছে গানার্স সমর্থকরা, ইনিয়েস্তাও পেলেন একই রকমের বিদায়ী মঞ্চ। আবার ক্লাবকে চ্যাম্পিয়ন করিয়ে বুফোঁর ওল্ড লেডি ছেড়ে যাওয়ার সঙ্গে ইনিয়েস্তার বার্সেলোনা ছাড়ার প্রেক্ষাপটটাও অবিকল এক। আগেই লিগ চ্যাম্পিয়ন হওয়া জুভেকে চোখের জলে বিদায় জানিয়েছিলেন বুফোঁ। শেষবেলায় ইনিয়েস্তারও চোখের জল বাধ মানেনি। তার সঙ্গে কেঁদেছে গোটা ন্যু ক্যাম্প। লা লিগার খেতাব ইতিমধ্যেই ঝুলিতে পোরা বার্সেলোনা প্রিয় তারকাকে বিদায় জানাতে গিয়ে চোখের জলে ভিজেছে। লিগের ফয়সলা হয়ে গিয়েছে বহু আগেই। লা লিগার সমাপ্তি সূচক ম্যাচটা বার্সা এবং স্প্যানিশ লিগে ইনিয়েস্তার বিদায়ী ম্যাচ হিসাবেই স্মরণীয় হয়ে থাকবে চিরকাল। রিয়াল সোসিয়েদাদের বিরুদ্ধে বার্সেলোনাকে শেষবার নেতৃত্ব দিতে নামা ইনিয়েস্তা ৮২ মিনিটে যখন মাঠ ছাড়েন, স্তব্ধ হয়ে যায় ম্যাচের গতি। সতীর্থরা ছাড়াও একে একে বিপক্ষ ফুটবলার এবং রেফারিও জড়িয়ে ধরে শেষ বারের মাতো ইনিয়েস্তার ন্যু ক্যাম্প ছাড়ার মুহূর্তটাকে আবেগঘন করে তোলেন। ডাগআউটে বসে ছলছল চোখে ম্যাচের বাকি সময়টা কাটিয়ে দেন তিনি। ৫৭ মিনিটে কুটিনহোর একমাত্র গোলে ইনিয়েস্তার বিদায়ী ম্যাচকে জয় দিয়ে স্মরণীয় করে রাখে বার্সা। ম্যাচ শেষ হওয়া মাত্রাই মাঠ জুড়ে নেমে আসে অন্ধকারের নিস্তব্ধতা। পরক্ষণেই নিয়ন আলোয় শুরু হয় বার্সেলোনায় ইনিয়েস্তার কেরিয়ার উদযাপণের বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান। সতীর্থ ও সমর্থকদের ভালোবাসায় ভেসে ইনিয়েস্তা যখন মাইক্রোফোন হাতে তুলে নেন, আবেগে উচ্ছ্বাসে উদ্বেলিত ন্যু ক্যাম্পে তখন ‘পিন ড্রপ সাইলেন্স’। কাঁপা কাঁপা গলায় ইনিয়েস্তা ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ৩১টি ট্রফি এনে দেওয়া ক্লাব, সতীর্থ ও সমর্থদের। পরক্ষণেই বলে ওঠেন, ‘আজকের দিনে আবেগ ধরে রাখা মুশকিল। এখানে এসেছিলাম একজন বালক হিসাবে। ক্লাব ছাড়ছি পরিণত মানুষ হয়ে। বিদায় বার্সা।’ এসএ/  
অনন্য রেকর্ডের সামনে রোনাল্ডো

সারা বিশ্বে হয়তো এমন কোনও ফুটবলার নেই যিনি এমন ‘পারফেক্ট টেন’ চাইবেন না। রোনাল্ডো এই মুহূর্তে যে রেকর্ডের সামনে দাঁড়িয়ে তা বিশ্ব ফুটবলে আর কারও নেই। ২৬ মে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনাল জিতলেই রিয়াল তারকার মুকুটে যুক্ত হবে এক অনন্য পালক।ইতিমধ্যে পাঁচবার ব্যালন ডি অর জিতেছেন সিআরসেভেন। কিন্তু চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতেছেন চারবার। ২৬ মে ইউক্রেনের কিয়েভে রোনাল্ডোর রিয়াল মুখোমুখি হবে লিভারপুলের। আর সেই মহাম্যাচে জিততে পারলেই রোনাল্ডো বিশ্ব ফুটবলে নতুন নজির সৃষ্টি করবেন। প্রথম ফুটবলার হিসাবে পাঁচবার ব্যালন ডি অর ও পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ের রেকর্ড রোনাল্ডোর নামের পাশে লেখা থাকবে।কেরিয়ারের প্রথম চ্যাম্পিয়ন্স লিগ রোনাল্ডো জিতেছিলেন ম্যাঞ্চেস্টারের হয়ে। আর ২০০৮ এ ম্যাঞ্চেস্টারে থাকার সময়ই প্রথম ব্যালন ডি অর পুরস্কার জেতেন। এর পর রিয়ালে থাকাকালীন ইউরোপের বর্ষসেরা ফুটবলার হন চারবার। স্প্যানিশ জায়ান্ট-এর হয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতেছেন তিনবার।  কিয়েভে লিভারপুলেরা বিরুদ্ধে ফাইনালে নামার আগে প্রস্তুতি সেরে নিল রিয়াল। লা লিগার খেতাব আগেই জিতে ফেলেছে বার্সেলোনা। ফলে শনিবার ভিলারেলের বিরুদ্ধে ম্যাচটা রিয়ালের কাছে ছিল নেহাতই নিয়মরক্ষার। কিন্তু এই ম্যাচে নিজের সেরা দুই গোলমেশিনকে পরখ করে নিতে চেয়েছিলেন রিয়াল কোচ জিদান। ভিলারেলের বিরুদ্ধে ম্যাচ ২-২ ড্র করল রিয়াল। কিন্তু দুই তারকা জিদানকে সন্তুষ্ট রাখলেন। রোনাল্ডো ও বেল, দু`জনেই গোল পেলেন এই ম্যাচে। আর সেইসঙ্গে কিয়েভে ফাইনালের ম্যাচের মহড়াও সেরে নিলেন জিদান। এসএ/  

মারিও গোৎসের অন্তর্ধান রহস্য ফাঁস করলেন কোচ

মারিও গোৎসে এখন বেপাত্তা। কোনও হেঁয়ালি নয়। ব্রাজিল বিশ্বকাপের পর আর কোনও বড় মঞ্চে মারিও মারিও গোৎসের নাম শোনা যায়নি। ব্রাজিল বিশ্বকাপ ফাইনালের হিরো হঠাৎ অন্তরালে চলে গেলেন কেন? মারিও গোৎসে অসুস্থ। মাত্র ২৪ বছর বয়সেই বিরল রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি। যে রোগের জন্য তার শরীর পর্যাপ্ত পরিমাণে ফ্যাট, শর্করা ও নিউক্লিক অ্যাসিড উৎপাদন করতে পারছে না। তবে তার চিকিৎসা শুরু হয়েছে। জার্মান ফুটবলার এখন আগের থেকে সুস্থ। সেদিন মারাকানা স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে গোৎসেকে ৯৮ মিনিটে মাঠে নামিয়েছিলেন জার্মান কোচ জোয়াকিম লো। ১১৩ মিনিটে তার একমাত্র গোলে জার্মানি বিশ্বকাপ জেতে। মারিও গোৎসের তখন মাত্র ২২ বছর বয়স। বিশ্ব ফুটবলের অনেকে সে সময় গোৎসেকে দেখে বলেছিলেন, এমন প্রতিভা একশো বছরে একবার আসে। বিশ্ব ফুটবলে সেই গোৎসের কার্যত কোনও অস্তিত্ব এই মুহূর্তে নেই। গোৎসের এই হারিয়ে যাওয়ার পিছনে জার্মান কোচ জোয়াকিম লো কিছুটা দায়ি করছেন নিজেকে। এক অনুষ্ঠানে গিয়ে লো বলেছেন, `মাঠে নামানোর আগে ওকে সেদিন বলেছিলাম, যাও তুমি যে লিওনেল মেসির থেক বড় ফুটবলার সেটা প্রমাণ করে এসো। জানি না, সেই কথাগুলো ওকে সেদিন আমার বলাটা ঠিক হয়েছিল কিনা। ওই কথাগুলো প্রকাশ্যে বলে তার থেকেও বড় ভুল করেছিলাম। মাত্র ২২ বছর বয়সে বিশ্বকাপ ফাইনালে ওরকম গোল করলে যে কোনও ফুটবলারের উপর প্রত্যাশার পাহাড় চেপে বসে। ওর সঙ্গেও তাই হল। এমনকী, আমার নিজেরও ওর উপর আগের থেকে অনেক বেশি প্রত্যাশা বেড়ে গেল। ও ভাল পারফর্ম করলেও আমার মনে হচ্ছিল গোৎসে আরও ভাল কিছু করতে পারে। এই প্রত্যাশাটাই ওর বিপদ ডেকে আনল।জার্মানির হয়ে ৬৩ ম্যাচে ১৭টা গোল করেছেন মারিও গোৎসে। কিন্তু রাশিয়া বিশ্বকাপের জন্য জার্মানির ২৭ জনের স্কোয়াডে শেষমেশ জায়গা হল না তার। কোচ লো জানিয়েছেন, ‘২০১৭-১৮ মরশুমটা গোৎসের ছিল না। তাই আমার ইচ্ছা থাকলেও জাতীয় দলে এখন ওকে রাখতে পারলাম না।’ বিশ্বকাপের দল থেকে ছিটকে গিয়ে স্বাভাবিকভাবেই মারিও গোৎসেরও মন খারাপ। তবে ফিরে আসার লড়াই যে লড়বেন সেটা জানিয়ে রেখেছেন গত বিশ্বকাপের নায়ক। সূত্র : জি নিউজএসএ/  

বেলারুশে যোগদান করেই ট্রফির দেখা পেলেন ম্যারাডোনা

বেলারুশে যোগদান করেই ট্রফির দেখা পেলেন দিয়েগো ম্যারাডোনা। গত সপ্তাহে বেলারুশের ক্লাব ডায়নামো ব্রেস্টের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পান আর্জেন্টাইন কিংবদ্বন্তী। শনিবার বেলারুশ কাপ ফাইনালে তার দল ডায়নামো ব্রেস্ট ৩-২ গোলে বাতে বরিসভকে পরাজিত করে শিরোপা জয় করে।তিন বছরের জন্য ক্লাবের চেয়ারম্যান হিসেবে ম্যারাডোনার চুক্তির পর এ ফাইনালে দুইবার পিছিয়ে পড়লেও শেষ পর্যন্ত জয়ী হয়ে টানা দ্বিতীয় ও সব মিলিয়ে তৃতীয়বার শিরোপা জয় করে ডায়নামো ব্রেস্ট।ম্যাচের ১৩ মিনিটে সার্বিয়ান মিডফিল্ডার মিরকো ইভানিচের গোলে বরিসভ এগিয়ে যাওয়ার পর ইউক্রেন স্ট্রাইকার আরটেম মিলেভস্কি ৩৪ মিনিটে গোল করে ব্রেস্টকে সমতায় ফেরান।দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে দ্বিতীয় গোল করে আবারো বরিসভকে এগিয়ে দেন ইভানিচ। তবে খেলা শেষ হওয়ার ১৪ মিনিট আগে ডায়নামোর ঘানাইয়ান ফরোয়ার্ড জোয়েল ফামেইয়েহ গোল করে ম্যাচে সমতা আনে। তবে ম্যাচ শেষ হওয়ার দুই মিনিট আগে বেলারুশের আন্তর্জাতিক তারকা পাভেল নেখাইচিক দলের হয়ে জয়সুচক গোলটি করেন।১৯৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত ক্লাবটিতে ট্রান্সফার ও স্ট্রাটেজিক ডেভেলপমেন্টের দায়িত্ব পালন করবেন ৫৭ বছর বয়সী ম্যারাডোনা। এসএ/    

লা লিগার শেষ ম্যাচে ড্র রিয়ালের

প্রথমার্ধে গোল করলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ও গ্যারেথ বেল। তবুও জেতা হল না রিয়াল মাদ্রিদের। কারণ দ্বিতীয়ার্ধে দুই গোল হজম করতে হয়েছে তাদের। অথচ ভিলারিয়ালের মাঠে শুরু থেকে দুর্দান্ত খেলেছে সফরকারী রিয়াল। শনিবার ভিলারিয়ালের মাঠে ২-২ গোলে ড্র করেছে জিনেদিন জিদানের দল। ফলে তৃতীয় স্থানে থেকেই লিগ শেষ করতে হলো রোনালদো-বেনজেমাদের। ঘরের মাঠে খেলতে নেমে চতুর্থ মিনিটে প্রথম সুযোগ পায় ভিয়ারিয়াল। মিডফিল্ডার এনেস উনাল সেবার শট লক্ষ্যে রাখতে পারেননি। নবম মিনিটে রোনালদোর দূরপাল্লার শট ঠেকিয়ে দেন স্বাগতিক গোলরক্ষক। তবে প্রতিপক্ষের মাঠে শুরু থেকে দুর্দান্ত খেলেছে সফরকারী রিয়াল মাদ্রিদ। ম্যাচের ১১তম মিনিটেই দলকে লিড এনে দেন ওয়েলস ফরোয়ার্ড গ্যারেথ বেল। ডি বক্সের মধ্যে ৪-৫ জন ডিফেন্ডারের মাঝেও ফাঁকায় বল পেয়ে যান বেল। ঠাণ্ডা মাথার নিখুঁত ফিনিশিংয়ের ম্যাচের প্রথম গোলটি করেন তিনি। পিছিয়ে পড়ে আক্রমণের ধাঁর বাড়িয়ে দেয় ভিলারিয়াল। ম্যাচের ৩২তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন রোনালদো। মার্সেলোর দারুণ ক্রসে অসাধারণ এক হেডে বল জালে পাঠান পর্তুগিজ অধিনায়ক। রিয়ালের জার্সি গায়ে এটি রোনালদোর ৪৫০তম গোল। ছয় মিনিট পর এক জনের গায়ে লেগে একটুর জন্য ক্রসবারের ওপর দিয়ে যায় ইসকোর বুলেট গতির শট। বিরতি থেকে ফিরে প্রথমার্ধে দুর্দান্ত খেলা রিয়াল খেই হারিয়ে ফেলে। ম্যাচের ৬৭তম মিনিটে ব্যবধান কমানোর মোক্ষম সুযোগ পায় স্বাগতিকরা। কিন্তু উনালের হেড ঠিক গোল লাইন থেকে ফিরিয়ে দিয়ে সে যাত্রায় নিজ দলকে রক্ষা করেন রিয়াল অধিনায়ক সার্জিও র‍্যামোস। তবে মিনিট চারেক পর আর রক্ষা পায়নি রিয়াল। কলম্বিয়ান ফরোয়ার্ড রজার মার্টিনেজের গোলে ব্যবধান কমায় স্বাগতিকরা। আর ম্যাচের ৮৫তম মিনিটে সামু কাস্তেইয়েহোর গোলে সমতা ফেরায় ভিয়ারিয়াল। ফলে ২-২ গোলের সমতায়ই শেষ হয় ম্যাচটি। ভিয়ারিয়ালের সঙ্গে এই ড্রয়ে লিগের ৩৮ ম্যাচ শেষে ৭৬ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের তৃতীয় স্থানে থেকে যায় রিয়াল। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে জিতে মৌসুম রাঙিয়ে রাখার সুযোগ এখনও আছে তাদের। এক ম্যাচ করে কম খেলা বার্সেলোনা ৯০ এবং অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ ৭৮ পয়েন্ট নিয়ে যথাক্রমে প্রথম এবং দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। আর ৬১ পয়েন্ট নিয়ে পাঁচে থেকে লিগ শেষ করল ভিয়ারিয়াল। সূত্র: গোল ডটকম একে// এআর

চেলসির ঘরে এফএ কাপ

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে ১-০ গোলে হারিয়ে এফএ কাপের ফাইনাল জয় করলো চেলসি। ম্যাচের একমাত্র গোলটি করেছেন বেলজিয়ান ফরোয়ার্ড ইডেন হ্যাজার্ড।শনিবার রাতে চেলসির হয়ে প্রাণপণেই খেলেছেন ২৭ বছর বয়সী বেলজিয়ান। ম্যাচের ২২ মিনিটে ম্যানইউর ডি-বক্সে হ্যাজার্ডকে অবৈধ ট্যাকল করেন ডিফেন্ডার ফিল জোন্স। স্বভাবতই পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। স্পট কিক থেকে গোলরক্ষক ডেভিড ডি গিয়াকে পরাস্ত করতে বিন্দুমাত্র ভুল করেননি হ্যাজার্ড।প্রথমার্ধের বাকি সময় গোল করার চেয়ে নিজেদের গোলবার সামলানোতেই বেশি মনোযোগী থাকে উভয় দল। রক্ষণাত্মক ভঙ্গিমা থেকে বেরিয়ে দ্বিতীয়ার্ধে ম্যানইউ ম্যাচে ফিরতে মরিয়া হলেও কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায়নি। অবশ্য অ্যালেক্সিস সানচেজের কল্যাণে রেড ডেভিলরা একবার জালের দেখা পেয়েছিলো। কিন্তু অফসাইডের খাড়ায় পড়ে বাতিল হয় সেই গোল।ম্যাচের শেষ দিকে ম্যানইউ কোচ হোসে মরিনহো সদ্য ইনজুরি থেকে ফেরা স্ট্রাইকার রোমেলো লুকাকুকে মাঠে নামালেও ম্যাচে আর সমতা ফেরেনি। ফলে চলতি মৌসুমে শিরোপাশূন্যই থাকতে হচ্ছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে। এসএ/  

ব্রিটিশ জাদুঘরে সালাহর বুট!

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড গড়ছেন লিভারপুলের মিশরীয় স্ট্রাইকার মোহাম্মদ সালাহ। ২০১৭-১৮ মৌসুমে ৩২টি গোল করে এই নজির গড়ছেন তিনি। এই পারফরম্যান্সের জন্য জিতে নিয়েছেন গোল্ডেন বুটও। এবার গোল্ডেন বুট জয়ী সালাহকে নিয়ে বেশ আগ্রহ দেখাল ব্রিটিশ জাদুঘর। সালাহর এক জোড়া বুট দেখা যাবে ব্রিটেনের জাদুঘর। জাদুঘর কর্তৃপক্ষকে ইতিমধ্যেই অ্যাডিডাসের এক্স-১৭ মডেলের এক জোড়া বুট দিয়ে দিয়েছেন সালাহ। মিসরের মূল্যবান ঐতিহাসিক প্রত্নতত্ত্বের পাশেই রাখা হয়েছে সালাহর বুট জোড়া। ২৬ মে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালের আগে এই প্রদর্শনী শুরু হবে।মিশরীয় রাজা ‘ফারাও’-দের সংরক্ষিত প্রত্নতত্বের পাশে প্রদর্শিত হবে মোহাম্মদ সালাহর বুট। ব্রিটিশ জাদুঘরের অন্যতম কর্তা নিয়েল স্পেনসার বলেন, ‘বুট জোড়া একজন আধুনিক মিশরীয় আইকনের কথা বলে যিনি ইংল্যান্ডে পারফর্ম করছেন। বিংশ এবং একবিংশ শতকের মিশরীয়দের জীবনযাত্রার গল্প বলার পরিকল্পনাকে সফল করতে এই উদ্যোগ।’ এসএ/  

চমক নিয়ে বিশ্বকাপে আসছে ফ্রান্স

রাশিয়া বিশ্বকাপে চমক নিয়ে আসছে ফ্রান্স। বৃহস্পতিবার কোচ আলেকসঁদ লাকাজেত ও অঁতনি মার্শিয়ালের ছাড়াই ২৩ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে। এতে জায়গা হয়নি বায়ার্ন মিউনিখের মিডফিল্ডার কিংসলে কোমান ও পিএসজির মিডফিল্ডার আদ্রিওঁ রাবিওরও। স্বাভাবিকভাবেই দলে নেই কদিন আগে চোট পেয়ে লম্বা সময়ের জন্য ছিটকে যাওয়া লাকাজেতের ক্লাব সতীর্থ ডিফেন্ডার লরাঁ কোসিয়েলনি ও ইউরোপা লিগের ফাইনালে চোট পাওয়া মার্সেইয়ের মিডফিল্ডার দিমিত্রি পায়েত। তবে চোটের কারণে মৌসুমের অনেকটা সময় মাঠের বাইরে কাটানো বাঁজামাঁ মাঁদিকে দলে রেখেছেন দেশম। দলে আছেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের মিডফিল্ডার পল পগবা। আগামী ১৬ জুন অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ যাত্রা শুরু করবে ফ্রান্স। ‘সি গ্রুপে ১৯৯৮ সালের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের অন্য দুই প্রতিপক্ষ পেরু ও ডেনমার্ক।  ফ্রান্স দল: গোলরক্ষক: হুগো ইয়োরিস, স্তিভ মাদাদা, আলফুঁস আরিওলা ডিফেন্ডার: জিবরিল সিদিবে, বাঁজামা পাভার্দ, রাফায়েল ভারানে, প্রেসনেল কিম্পেম্বে, আদিল রামি, সামুয়েল উমতিতি, লুকা এরনঁদেজ, বাঁজামাঁ মাঁদি মিডফিল্ডার: পল পগবা, এনগোলা কঁতে, কোরোঁতাঁ তোলিসো, ব্লেইস মাতুইদি, স্তিভেন জঞ্জি, তমাস লেমা।  ফরোয়ার্ড: কিলিয়ান এমবাপে, অলিভিয়ে জিরুদ, অঁতোয়ান গ্রিজমান, উসমান দেম্বেলে, নাবিল ফেকি, ফ্লোরিয়ান থাউভিন।  টিআর/এসএইচ/

রাশিয়ায় চাই সুস্থ মেসিকে : সাম্পাওলি

সামনে বিশ্বকাপ। ফুটবলাররা কেউ চান না, এমন কিছু ঘটুক যাতে চোট পেয়ে তাদের রাশিয়া যাওয়াই আটকে যায়। যারা বিশ্বকাপে যাচ্ছেন না তারাও সর্তক। জোহানেসবার্গে বার্সেলোনা প্রীতি ম্যাচ খেললো দক্ষিণ আফ্রিকার ক্লাব মামেলোদি সানডাউনসের বিরুদ্ধে। বার্সাই জিতল ৩-১ গোলে। গোল করলেন আন্দ্রে গোমেজ, লুইস সুয়ারেস ও ওসুমানো দেমবেলে। লিয়োনেল মেসিকে নামানো হল শেষ কুড়ি মিনিটের জন্য। আশ্চর্য মামেলোদির একজনও আর্জেন্টাইন মহাতারকাকে এক বারের জন্যও ট্যাকল পর্যন্ত করলেন না। কেনও করলেন না তা বোঝাই যাচ্ছে। কোনও কারণে মেসি চোট পেয়ে রাশিয়া বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেলে নেলসন ম্যান্ডেলার দেশটাই খলনায়ক হয়ে যেত যে। দক্ষিণ আফ্রিকার দলটির ব্রাজিলীয় কোচ পিতসো মসিমানে সরাসরি সেই কথাটাই স্বীকার করে নিলেন। বললেন, ‘আমরা জানি বার্সেলোনার এই দলটার অনেকেই রাশিয়ায় খেলবে। তাই আমরা চাইনি এমন কিছু ঘটুক যাতে ওদের বিশ্বকাপের পার্টি নষ্ট হয়ে যায়। তাই ফুটবলারদের পই পই করে বলে দিয়েছিলাম, কাউকে এক বারের জন্যও লাথি মারবে না। আপনারাই দেখলেন, ছেলেরা অক্ষরে অক্ষরে আমার কথা মেনে খেলল। তাই গোটা ম্যাচে একজনও হলুদ কার্ড দেখেনি।’ শুধু কী মামেলেদি? এই মুহূর্তে খুবই সাবধানে পা ফেলছে বার্সেলোনাও। বিশেষ করে মেসির ব্যাপারে। তাই বার্সা কোচ আর্নেস্তো ভালভার্দে শুধুই দক্ষিণ আফ্রিকার ফুটবলপ্রেমী মানুষদের খুশি করতে মেসিকে নামালেন খেলার ৭৪ মিনিটে। অবশ্য দুই অর্ধেই ভালভার্দে প্রায় ১১ জন করে নতুন ফুটবলার নামালেন। এ সবই কী সামনে বিশ্বকাপ বলে? ভালভার্দে কিন্তু অন্য কারণের কথা বললেন। তার বক্তব্য, ‘আমাদের দলের সবাই প্রায় অল্প-বিস্তর জ্বরে ভুগছে। তাই এত বার খেলোয়াড় বদল করতে হলো। আর একবার অন্তত নামানো উচিৎ বলে লিয়োকে বললাম একটু অন্তত খেলে দিতে। ও আপত্তি করেনি।’ প্রসঙ্গত নেলসন ম্যান্ডেলা জন্মগ্রহণ করেন ১৯১৮ সালে। এ বছর চলছে তার জন্মের শতবার্ষিকী উদযাপন। যে কারণে এই ম্যাচের আয়োজন। দক্ষিণ আফ্রিকার ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে মেসিকে নিয়ে উচ্ছ্বাসটাই ছিল চোখে পড়ার মতো। অনেকে তো তার জন্য কেঁদে ভাসিয়ে দিলেন। সঙ্গে বিশ্বকাপে মেসির সাফল্য চেয়ে প্রার্থনাও করা হয়েছে। প্রাথর্না নিশ্চয়ই আরও এক জন করছেন। আর্জেন্টিনার জাতীয় কোচ সাম্পাওলি। জাতীয় শিবিরে সুস্থ মেসিকে পাওয়ার প্রার্থনা। বুয়েনস আইরেস থেকে ৩২ কিলোমিটার দূরে এজেইজা শহরে চূড়ান্ত মহড়াও শুরু হয়ে গিয়েছে আর্জেন্টিনার। মেসি সম্ভবত রিয়াল সোসিদাদের বিরুদ্ধে লা লিগায় শেষ ম্যাচের পরেই জাতীয় শিবিরে যোগ দেবেন। সাম্পাওলি বলেছেন, ‘আমরা এখন লিয়োর জন্যই অপেক্ষা করে আছি। আমি নিশ্চিত ও এখানে এসে গেলে শিবিরের মেজাজটাই বদলে যাবে।’ এ দিকে এই ম্যাচের দিনই জানা গেল, মেসিকে নিজের দলে চেয়েছিলেন আর্সেন ওয়েঙ্গারও। দিন তিনেক আগে আর্সেনালের প্রাক্তন ম্যানেজার জানিয়েছিলেন, টাকার অভাবেই ইপিএলে ক্রিস্টিয়ানো রোনাল্ডোকে দলে নিতে না পারাটা তার বড় আফসোস। বুধবার আবার ওয়েঙ্গার বললেন, ‘মেসির জন্যও কিন্তু আমরা এক বার দারুণ ভাবে চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু বার্সা ওকে ছাড়েনি। আসলে ওর মতো প্রতিভাকে কে-ই বা ছাড়তে চায়।’ তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার। একে// এসএইচ/

ফুটবলে নতুন কোচ জেমি

জাতীয় ফুটবল দলের নতুন কোচ হলেন ব্রিটিশ জেমি ডে। গত বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) ন্যাশনাল টিমস কমিটির চেয়ারম্যান কাজী নাবিল আহমেদ।  জীবনবৃত্তান্তই বলে দিচ্ছে অভিজ্ঞতায় স্বয়ংসম্পূর্ণ মাত্র ৩৮ বছর বয়সী জেমি। সব ঠিক থাকলে খুব শিগগিরই তার সঙ্গে চুক্তিতে যাচ্ছে বাফুফে। তবে তার আগে শনিবার এই কোচের বিষয়ে যাবতীয় বিষয় মিডিয়ার সামনে তুলে ধরতে চায় দেশের ফুটবলের সর্বোচ্চ এই সংস্থাটি। উইকিপিডিয়া ঘেঁটে বেশ তথ্য জানা গেল জেমি ডে সম্পর্কে। খুব অল্প বয়সেই ইংল্যান্ডের লিলস হল ন্যাশনাল স্পোর্টস সেন্টারে যোগ দেন জেমি। পরবর্তীতে ইংল্যান্ডের অনূর্ধ্ব-১৮ পর্যায়ের ফুটবল খেলেন এবং আর্সেনালের সঙ্গে পেশাদারি চুক্তিও করেন। তবে ইনজুরির জন্য ফুটবল ক্যারিয়ারটাকে খুব বেশিদূর এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেননি ১৯৭৯ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর জন্ম নেওয়া এই কোচ। তাই কোচিং পেশাকেই বেছে নেন। বনে যান আর্সেনাল এফসি এবং শার্লটন অ্যাথলেটিকের যুব দলের কোচ। কোচিং ক্যারিয়ারে ইডি হাউ এবং আর্সেন ওয়েঙ্গারের সঙ্গেও কাটিয়েছেন। উয়েফা এ-লাইন্সে করে ২০০৯ সালে সিনিয়র কোচ হন। ২০১৩ সালে কনফারেন্স সাউথ ক্লাবকে শিরোপা এনে দেন এবং দলটিকে প্রিমিয়ারে তুলেন। পরবর্তীতে ২০১২-১৩ মৌসুমে গিলিংহ্যাম এফসির মতো দলে প্রথমবার ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পান। সম্প্রতি সহকারী ম্যানেজার হিসেবে কাজ করেছেন ব্যারো এএফসিতে। পাঁচ ফুট সাত ইঞ্চির এই মিডফিল্ডার ইংল্যান্ডের জাতীয় অনূর্ধ্ব-১৬, ১৭ ও ১৮ দলে খেলেছেন। ১৯৯৭ সাল থেকে এ পর্যন্ত গোল করেছেন ২৬টি। ১৯৯৭-৯৯ সালে আর্সেনালে থাকলেও একাদশের বাইরে ছিলেন। পরবর্তীতে বর্নমাউথে গিয়ে ২০ ম্যাচে এক গোল পান। ক্যারিয়ারে ডোভার অ্যাথলেটিক, ওয়েলিং ইউনাইটেডের মতো দলে খেলেছেন। ম্যানেজার হিসেবে পরিসংখ্যানও খুব একটা খারাপ নয় জেমির। ২০০৯ সালে ওয়েলিং ইউনাইটেডে যোগ দিয়ে ২৪৫ ম্যাচের ১১৭টিতে জয়, ৭১টিতে ড্র করলেও হেরেছেন ৫৭ ম্যাচে। ২০১৪ সাল থেকে ’১৫ পর্যন্ত এবসফ্লিট ইউনাইটেডে ২৫ ম্যাচে ১০ জয়, পাঁচটিতে ড্র করলেও হেরেছেন ১০টিতে। ২০১৬ সালে এক বছরে ব্রেনট্রি টাউনে ১২টি ম্যাচে ম্যানেজার হিসেবে ছিলেন। যেখানে তার সাফল্য দু’জয়, তিন ড্র ও সাত ম্যাচে হার। পরের বছর ফের ওয়েলিং ইউনাইটেডে যোগ দিয়ে শতভাগ সাফল্য পান জেমি। ছয় ম্যাচের ছয়টিতেই দলকে জয়ের বন্দরে নিয়ে গেছেন। ক্যারিয়ারে তার সাফল্যের হার ৪৬.৮৮ ভাগ।  টিআর/এসএইচ/

বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিফার নতুন ভাবনা

ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি। এমন রেফারির নাম কখনও শুনেছেন? রাশিয়া বিশ্বকাপের মঞ্চে এরকমই আরও অনেক নতুন কিছুর সঙ্গে ফুটবলপ্রেমীদের পরিচয় করাবে ফিফা।বিশ্বকাপের প্রতি ম্যাচে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি রাখার ব্যাপারে আগেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা। চমকের বাকি ছিল আরও। রাশিয়ায় ম্যাচ চলাকালীন মাঠে এবার একজনকে দেখা যাবে হাতে ইলেকট্রনিক ট্যাবলেট নিয়ে। তার সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখবেন আরেকজন। ট্যাবলেট হাতে তিনি অবশ্য থাকবেন স্ট্যান্ডে। ফিফার পক্ষে এই দু‘জনের বিশেষ নাম রাখা হয়েছে, ‘দ্য অ্যানালিস্ট’।দুই অ্যানালিস্ট-এর হাতে থাকা ট্যাবে সংশ্লিষ্ট দলের ফুটবলারদের খেলার স্টাইল, স্কিল, শক্তি-দুর্বলতা সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্য থাকবে। এছাড়াও থাকবে টিমের স্ট্রাটেজি সংক্রান্ত যাবতীয় ডেটা। স্ট্যান্ডে থাকা অ্যানালিস্ট ভিডিও ফুটেজ তুলে পাঠাতে পারবেন বেঞ্চে বসা অ্যানালিস্টকে। দুই অ্যানালিস্টের মধ্যে টেলিফোনিক যোগাযোগও থাকবে। এমনকী, ম্যাচের পরও তারা পরস্পরের সঙ্গে আলোচনা চালাতে পারবেন। ফিফার দাবি, প্রযুক্তির এই ব্যবহারের ফলে প্রতিটা দলই ম্যাচ চলাকালীন নিজেদের টুকটাক ভুল-ত্রুটিগুলো শুধরে নেওয়ার সুযোগ পাবে। এসএ/  

জুভেন্টাস ছাড়ার ঘোষণা বুফনের   

৪০ বছর বয়সী চিরসবুজ গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি বুফন জুভেন্টাস ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন। শনিবার ভেরোনার বিপক্ষে জুভেন্টাসের হয়ে শেষ ম্যাচটা খেলবেন তিনি। তবে অবসর যাওয়া নিয়ে এখনো কোনা সিদ্ধান্ত নেননি তিনি। জুভেন্টাস ২০০১ সালে পার্মা থেকে এই গোলরক্ষককে কিনেছিল ৫২ মিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে। গোলরক্ষকদের মধ্যে এটাই ট্রান্সফারের বিশ্ব রেকর্ড। ১৭ বছর পর জিয়ানলুইজি বুফন যখন জুভেন্টাস ছাড়ছেন, রেকর্ডটা তখনো অমলিন।   শনিবার ভেরোনার বিপক্ষে সিরি আ-তে জুভেন্টাসের হয়ে শেষ ম্যাচ খেলবেন তিনি। ফলে এই ম্যাচ দিয়েই দেড় দশকের বেশি সময়ের সম্পর্ক ছিন্ন করবেন বুফন। কিন্তু ৪০ বছর বয়সী এই গোলরক্ষক নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে এখনো সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেননি। বিদায় বেলায় তিনি বলেন, শনিবার জুভেন্টাসের হয়ে শেষ ম্যাচটা খেলব। একটি রোমাঞ্চকর অভিযাত্রার সমাপ্তি টানার এটাই সেরা উপায়।  এমএইচ/এসি  

ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ দলে তারুণ্যের জোয়ার

বিশ্বকাপের জন্য ২৩ জনের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করল ইংল্যান্ড। গ্যারেথ সাউথগেটের যুব নীতির বলি হয়ে জাতীয় দল থেকে বাদ পড়েছেন জো হার্ট ও জ্যাক উইলশেয়ারের মতো তারকারা।৩১ বছর বয়সী হার্ট দেশের হয়ে ৭৫টি ম্যাচ খেলেছেন। ২৬ বছর বয়সী উইলশেয়ারের অভিজ্ঞতা তুলনায় কম হলেও তিনিও ইতিমধ্যেই ৩৪টি ম্যাচ খেলেছেন ইংল্যান্ডের হয়ে। দলের দুই তারকাকে বিশ্বকাপ থেকে দূরে সারিয়ে রাখলেও কোচ সাউথগেট রাশিয়ার টিকিট হাতে তুলে দিয়েছেন ১৯ বছর বয়সি লিভারপুলের রাইট-ব্যাক আলেকজান্ডার-আর্নল্ডকে। লিভারপুলকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে তোলার পিছনে আলেকজান্ডার-আর্নল্ডের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। মূলত চ্যাম্পিয়ন্স লিগের পারফরম্যান্স দিয়েই ইংল্যান্ড কোচকে খুশি করতে পেরেছেন তিনি।লিভারপুল তারকাকে দলে নেওয়ার প্রসঙ্গে সাউথগেট বলেন, ‘আলেকজান্ডার-আর্নল্ডের প্রথমবার জাতীয় দলে ডাক পাওয়া নেহাৎ কাকতলীয় নয়। ও বিশ্বকাপ খেলার যোগ্য দাবিদার। যখন আমরা কোনও তরুণ ফুটবলারকে দলে নেই, তখন শুধুমাত্র তাদের বয়সটা বিবেচ্য হয় না৷ তারা তাদের পারফরম্যান্স দিয়েই দলে ঢোক।’দলের ২৩ জন ফুটবলারর গড়ে ১৯টি করে ম্যাচ খেলেছেন। ১৯৬২ পর ইংল্যান্ডের সব থেকে অনভিজ্ঞ বিশ্বকাপ দল এটিই।ইংল্যান্ড স্কোয়াড :গোলকিপার : জ্যাক বাটল্যান্ড (স্টোক সিটি), জর্ডন পিকফোর্ড (এভার্টন), নিক পোপ (বার্নলে)৷ডিফেন্ডার : কাইল ওয়াকার (ম্যান সিটি), জন স্টোনস (ম্যান সিটি), হ্যারি মাগুইর (লেস্টার), কায়রন ট্রাইপার (টটেনহ্যাম), ড্যানি রোজ (টটেনহ্যাম), অ্যাশলে ইয়ং (ম্যান ইউ), ফিল জোনস (ম্যান ইউ), গ্যারি কাহিল (চেলসি), ট্রেন্ট আলেকজান্ডার-আর্নল্ড (লিভারপুল)৷মিডফিল্ডার : এরিক ডায়ার (টটেনহ্যাম), ডেলে আলি (টটেনহ্যাম), লিংগার্ড (ম্যান ইউ), জর্ডন হেনডারসন (লিভারপুল), রুবেন লোটাস-চিক (ক্রিস্টাল প্যালেস), ফ্যাবিয়ান ডেফ (ম্যান সিটি)৷ফরোয়ার্ড : জেমি ভার্ডি (লেস্টার), মার্কাস রাশফোর্ড (ম্যান ইউ), রহীম স্টার্লিং (ম্যান সিটি), হ্যারি কেন (টটেনহ্যাম), ড্যানি ওয়েলবেক (আর্সেনাল)৷ এসএ/  

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি