ঢাকা, বুধবার, ১৫ আগস্ট, ২০১৮ ১৯:৩৯:৪১

এবার প্রযোজক হচ্ছেন হিলারি ক্লিনটন

এবার প্রযোজক হচ্ছেন হিলারি ক্লিনটন

রাজনীতির পাশাপাশি বিনোদন জগতেও যে কম যান না, তা আবারও প্রমাণ করতে যাচ্ছেন সাবেক মার্কিন ফার্স্ট লেডি ও প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনক। হলিউডের নতুন টিভি সিরিজের সহ-প্রযোজকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হবেন তিনি। অনুষ্ঠানটির বিষয়বস্তু মহিলাদের ভোটাধিকার নিয়ে আন্দোলন। এই প্রকল্পে হিলারির সঙ্গে প্রযোজক হিসাবে জুটি বাঁধছেন হলিউডের বিখ্যাত পরিচালক স্টিভেন স্পিলবার্গ। এলেইন ওয়েসের বই ‘দ্য উওম্যান’স আওয়ার: দ্য গ্রেট ফাইট টু উইন দ্য ভোট’-এর কাহিনি ঘিরে তৈরি ও আবর্তিত হবে টিভি সিরিজটি। বেশ কয়েকজন মহিলা নেত্রীর দশকের পর দশক লড়াই ও আন্দোলনের জেরে মার্কিন মহিলারা ভোট দেওয়ার অধিকার পেয়েছিলেন। ১৯তম সংশোধনী অনুমোদিত হয় তাঁদেরই প্রচেষ্টায়। সেই লড়াইয়ের ইতিহাস উঠে এসেছে ওয়েসের বইয়ে। হলিউড রিপোর্টারের খবর, ৭০ বছর বয়সি হিলারি প্রকল্পের ‘এগজিকিউটিভ প্রোডিউসার’ হিসাবে থাকছেন। মূল প্রযোজক স্পিলবার্গের ‘অ্যাম্বলিন টেলিভিশন’ সংস্থা। এক বিবৃতিতে হিলারি বলেছেন, “ব্যালট বাক্সেই নিহিত থাকে গণতন্ত্রের প্রাণভোমরা। এলেইন ওয়েসের অবিস্মরণীয় বইটি আমাদের সেই সমস্ত নেত্রীর কথা স্মরণ করিয়ে দেয়, যাঁরা প্রবল আর্থিক, সামাজিক, রাজনৈতিক ও বর্ণবিদ্বেষী বাধার মুখেও লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন। শেষ পর্যন্ত মার্কিন মহিলাদের ভোটাধিকার আদায় করেই ছেড়েছিলেন তাঁরা। অনেক কিছুই হয়তো ঠিকঠাক হয়নি। কিন্তু ওই মার্কিন মহিলারা জবাবে ‘না’ শুনে হাল ছেড়ে দেননি। তাঁদের জয় আমরা উত্তরাধিকার সূত্রে বহন করছি। তা রক্ষা এবং অনুকরণ করা আমাদের কর্তব্য। এলেইন, স্টিভেন ও অ্যাম্বলিন টেলিভিশনের সঙ্গে কাজ করতে পেরে আমি উত্তেজিত। এই সিরিজটি গোটা বিশ্বের সমস্ত মহিলাকেই অনুপ্রাণিত করবে।” গুরুত্বপূর্ণ কেবল ও টিভি চ্যানেলগুলিতে সিরিজটি সম্প্রচার করার পরিকল্পনা রয়েছে। হিলারি এবং ওয়েস ছাড়াও অ্যাম্বলিন টিভির সহকারী দুই প্রেসিডেন্ট ড্যারেল ফ্র‌্যাঙ্ক ও জাস্টিন ফ্যালভি এই সিরিজে সহ-প্রযোজক হিসাবে রয়েছেন। এমজে/
শরণার্থী ইস্যুতে সরব ইভাঙ্কা

শরণার্থী ইস্যুতে সরব হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কন্যা ইভাঙ্কা ট্রাম্প। একদিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শরণার্থী ইস্যুতে কঠোর হলেও তার কন্যা ইভাঙ্কা তাদের জন্য লড়ে যাবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন। অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘জ়িরো টলারেন্স’ নীতি কার্যকর হওয়ার পরে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয় বিশ্ব জুড়ে। চাপের মুখে সে নীতি থেকে সরে আসতে বাধ্য হন ট্রাম্প। পরিবারের সঙ্গে শরণার্থী শিশুকে রাখার জন্য সই করেন এক প্রশাসনিক নির্দেশে। শরণার্থী শিশুদের বাবা-মায়ের কাছে ফেরাতে গত সপ্তাহে আদালতের দেওয়া সময়সীমা ফুরিয়েছে। তা সত্ত্বেও প্রতি তিন জন শিশুতে এক জন এখনও বাবা-মায়ের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন রয়েছেন। শিশুদের সেই যন্ত্রণা বোঝেন ইভাঙ্কা। এমন দাবি করে তাঁর মন্তব্য, ‘‘আমি একজন অভিবাসীর মেয়ে। আমার মা কমিউনিস্ট চেক প্রজাতন্ত্রে বড় হয়েছিলেন। কিন্তু আমেরিকা আইন মেনে চলে। আমার মা এ দেশে বৈধভাবে ঢুকতে পেরেছিলেন। এ দেশে এখন কোনও শিশু ঢোকার পরে আমাদের অসম্ভব সতর্ক থাকতে হয়। ওরা যেন পাচার না হয়ে যায়।’’ এমজে/

ফৌজদারি মামলা প্রত্যাহারের আবেদন ওয়েইনস্টেইনের

ফৌজদারি অপরাধের মামলা থেকে রেহাই পাওয়ার আবেদন করেছেন হলিউড মোগল হার্ভে ওয়েইনস্টেইন। এক বাদীর অসংখ্যা ইমেইলের ভিত্তিতে এই আবেদন করেন ওয়েইনস্টেইনের এক আইনজীবী। আবেদনে বলা হয়, হার্ভে ওয়েইনস্টেইনের বিরুদ্ধে আনা ছয়টি ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগ সত্য নয়। এর কারণ হিসেবে তার আইনজীবী বলেন, ‘ওয়েইনস্টেইনকে ইতোমধ্যে এক অভিযুক্ত অসংখ্য বেনামী ইমেইল পাঠিয়েছে, যা প্রমাণ করে ওয়েইনস্টেইনের ক্ষতি করতেই ওই নারী উঠে পড়ে লেগেছে। এদিকে আদালতে ওই অপ্রয়োজনীয় ইমেইলগুলো প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরারও দাবি জানান তিনি। এদিকে তিন নারীর সঙ্গে জোরপূর্বক সম্পর্ক স্থাপনের ছয়টি অভিযোগ থেকে খালাস পেতেই এই আবেদন করেন ওয়েইনস্টেইন। এ বিষয়ে ওয়েইনস্টেইন বলেন, এই মামলাটি বিচার প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পূর্বেই প্রত্যাহার করা উচিত। ২০১৭ সালে ওয়েইনস্টেইনের বিরুদ্ধে সরব হয় হলিউড। ওই সময় বলিউডের প্রায় কয়েক ডজন অভিনেত্রী ওয়েইনস্টেইনের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ তুলেন। শুধু তাই নয়, তারা গড়ে তুলেন মিটু হ্যাশটুগ নামের এক আন্দোলন। সেই আন্দোলনের ঢেউ ব্রিটেন, অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রেও গিড়ে পড়ে। এমনকি হোয়াইট হাউজও বাদ যায়নি অভিযোগের তীর থেকে। জানা গেছে, ওয়েইনস্টেইনের বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলো আনা হয়েছে, তাতে তার সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হওয়ার কথা রয়েছে। এমজে/

সংঘাতে প্রাণ হারিয়েছে ৫ লাখ কলম্বিয়ান!

দীর্ঘদিন ধরে সশস্ত্র সংঘাতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে দক্ষিণ আমেরিকার দেশ কলম্বিয়া। গত ৭০ বছরে সংঘাতের মুখোমুখি হয়ে দেশটিতে প্রাণ হারিয়েছে প্রায় ৫ লাখ মানুষ।১৯৫৮ সাল থেকে সশস্ত্র গেরিলাযুদ্ধে প্রাণ হারিয়েছে প্রায় দুই লাখ ৬০ হাজার মানুষ। এর আগে ১৯৪৮ সাল থেকে ১৯৫৮ সাল- এ ১০ বছরে নিহত হয়েছিল দুই লাখের বেশি মানুষ। দেশটির সরকারি সংস্থা `ন্যাশনাল সেন্টার ফর হিস্টোরিক্যাল মেমরি` বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানিয়েছে। ১৯৫৮ সালের পর নিহত হওয়া দুই লাখ ৬০ হাজার মানুষের মধ্যে দুই লাখ ১৫ হাজার বেসামরিক নাগরিক। কলম্বিয়ার ইতিহাসে ১৯৪৮ থেকে ১৯৫৮ সময়কাল ‘লা ভিয়োলেন্সিয়া‘ হিসেবে পরিচিত। এই ১০ বছরে দুই লাখের বেশি মানুষ নিহত হয়েছিল। `ন্যাশনাল সেন্টার ফর হিস্টোরিক্যাল মেমরি` এর পক্ষ থেকে প্রকাশিত তথ্যে বলা হয়েছে, ডানপন্থী আধাসামরিক বাহিনী সবচেয়ে বেশি হত্যাকাণ্ড (৯৪ হাজার ৭৫৪ জন) ঘটিয়েছে। আর গেরিলা দলগুলো হত্যা করেছে ৩৫ হাজার ৬৮৩ জন। অন্যদিকে নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে নিহত হয়েছে ৯ হাজার ৮০৪ জন। গত ৬০ বছরে দেশটিতে গুম হয়েছে ৮০ হাজার ৫০০। এর মধ্যে ৭০ হাজার ৫৮৭ জন এখনো নিখোঁজ রয়েছে। উল্লেখ্য, কলম্বিয়া বর্তমানে প্রায় পাঁচ কোটি জনসংখ্যার দেশ। সরকারের সঙ্গে ২০১৬ সালে ফার্কের শান্তিচুক্তি হয়। বামপন্থী ফার্ক কলম্বিয়ার সবচেয়ে বড় গেরিলা সংগঠন। শান্তিচুক্তির অংশ হিসেবে বিশেষ বিচারকাজ হাতে নিয়েছে সরকার। বিচারের প্রয়োজনে এই তদন্ত প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। সূত্র: ডেইলি সাবাহ

বিমানের মধ্যে বিমানকর্মীর র‌্যাপ!

বিমানে উঠলেন আপনি। দেখলেন, আপনার প্রিয় রক ব্যান্ডের গানের সুরে সুরে এক বিমানকর্মী নাচছেন আর একই সঙ্গে কথাও বলছেন। তাহলে কেমন হবে? বিমানে উঠে কর্মীদের নির্দেশ মেনে নিজের সিট বেল্ট পরেন সবাই। যারা নিয়মিত বিমানে ওঠেন, তাদের প্রায় মুখস্থ হয়ে গেছে বিমানকর্মীদের দেওয়া নিরাপত্তা বার্তা। এই একঘেয়েমি কাটাতে উদ্যোগ নিলেন এক বিমানকর্মী। বিমানে উঠে নাচ আর গানে নিরাপত্তা বার্তা দিলেন মিকে টঙ্গো বুরি নামের এক কর্মী। ভার্জিন আমেরিকার এই উড়ান পরিষেবাটি আর পৃথকভাবে কাজ করবে না। আলাস্কা এয়ারলাইন্সের সংস্থার সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে সেটি। সে দিক থেকে ধরতে গেলে রোববার রাতেই ছিল সংস্থার শেষ উড়ান। আর এই শেষ উড়ানকে স্মরণীয় করে রাখতেই এই পন্থা নিলেন বিমান কর্মী। তবে এটা কিন্তু প্রথম বার নয়, নাচের মাধ্যমে মিকে এর আগেও মনোরঞ্জন করেছেন যাত্রীদের। এবারে তার নাচের ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। র‌্যাপের ঢঙে গান করতে করতে বিমানের নিয়মকানুন বলতে থাকেন তিনি। সঙ্গে চলে মানানসই নাচ। তার নাচের সঙ্গে র‌্যাপের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। অসংখ্য নেটিজেন শেয়ার করেন এটি। টুইটারে তিনিও ধন্যবাদ জানান নেটিজেনদের। কারণ তার নাচের অনুরাগী হয়ে গেছেন অনেকেই। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

পরমাণু ইস্যু: ট্রাম্পের প্রস্তাব নাকচ ইরানের

হুমকি দিলে বৈঠক নয়৷ ইরান উত্তর কোরিয়া নয়৷ ঠিক এই ভাষাতেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে জবাব দিল ইরান৷ পরমানু কার্যকলাপ বন্ধ করানোর হুমকি দিয়েই ইরানের সঙ্গে পরমানু বৈঠকে বসতে চেয়েছিল আমেরিকা৷ সেই হুমকি বার্তাকেই সরাসরি নাকোচ করল ইরান৷ দেশটির বিদেশ মন্ত্রী জাভেদ জারিফ জানালেন, কোনওরকম চাপের মুখে ফেলে ইরানকে বৈঠকে রাজি করাতে পারবে না আমেরিকা৷ রাজনৈতিক নিয়ম মেনে বৈঠক করলেই এগোবে ইরান৷ ২০১৫ সাল থেকেই চলছে মার্কিন-ইরান টানাপোড়েন৷ চলতি বছরের ৬ অগাস্ট দুই দেশের পরমানু বৈঠক স্থির হয়৷ তেহেরান সেই বৈঠকের জবাবও দেয় কূটনৈতিক কায়দায়৷ কোনওরকম চুক্তি ছাড়া যে কোনও সময় বৈঠকে প্রস্তুত ইরান বলে জানানো হয়৷ আন্তর্জাতিক মহলে ইরানকে ছোট করা বন্ধ করুক আমেরিকা৷ আমেরিকার হুমকি, চুক্তি তেহেরানকে নিয়ন্ত্রণ করতে কাজে আসবে না৷ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে উদ্দেশ্য করে এই ট্যুইট করেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী৷ বিভিন্ন সমাবেশে ইরানকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি আমেরিকা৷ পরমানু কার্যকলাপ প্রসঙ্গে ইরানকে ‘বাজে সময় দেখানোর’হমকিও দিয়েছেন ট্রাম্প৷ ওয়াশিংটন ডিসি থেকেই ট্রাম্প জানিয়েছিলেন ইরান সাবধান না হলে আমেরিকা বুঝে নেবে৷ এই বক্তব্যকেই পাল্টা কটাক্ষ করে তেহেরান৷ ট্রাম্পকে ইরানের জবাব, পরিষ্কার ভাবে কথা বলুক ট্রাম্প৷ হুমকি দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা ট্রাম্পের নেই বলে জানায় ইরান৷ ইরানের পরমানু অস্ত্র উৎক্ষেপণকে ‘ভয়ানক প্রদর্শন’ বলেছিলেন ট্রাম্প৷ বিশ্বের দরবারে ইরানকে কোণঠাসা করতে কোনও খামতি রাখা হচ্ছে না৷ বাণিজ্যিক খাতে ইরানকে শূন্য করতে আমেরিকা অগ্রণী ভূমিকা নিচ্ছে৷ ভারতসহ বিভিন্ন দেশকে ইরান থেকে তেল আমদানি প্রক্রিয়া বন্ধ করতে বলা হয়েছে৷  এই পরিস্থিতিতে আমেরিকাকে ইরান আগেই জানায়, ইরানের বাণিজ্য কোনওভাবেই বন্ধ করতে পারবে না আমেরিকা৷ পরবর্তী কী পদক্ষেপ নেবে ইরান? তাকিয়ে আমেরিকা৷ সূত্র: কলকাতা ২৪x৭ একে//

ইরানের সঙ্গে আলোচনায় বসতে রাজী ট্রাম্প

ইরানের নেতাদের সঙ্গে `কোনও পূর্বশর্ত` ছাড়া এবং `তাদের সুবিধামত সময়ে` দেখা করার প্রস্তাব জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হোয়াইট হাউজে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আমি যে কারও সঙ্গে বৈঠক করবো। আমি বৈঠকে বিশ্বাসী।’ চলতি মাসের শুরুতে ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রোহানি আর ডোনাল্ড ট্রাম্পের উত্তপ্ত মন্তব্য বিনিময়ের পর ট্রাম্পের এই বন্ধুত্বপূর্ণ মনোভাব প্রকাশিত হলো। মে মাসে একটি চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্র সরে আসে, যেই চুক্তিতে ইরানের পারমাণবিক কর্মকাণ্ড কমিয়ে আনার সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা বন্ধ করার বিষয়ে প্রস্তাবনা ছিল। ২০১৫`র ওেই চুক্তিতে স্বাক্ষর করা যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, চীন, রাশিয়া আর জার্মানির আপত্তি সত্তেও কিছুদিনের মধেই তেহরানের বিরুদ্ধে আবারো সে সব নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে যাচ্ছে ওয়াশিংটন। মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সঙ্গে শত্রুভাবাপন্ন ইসরায়েল ও সৌদি আরবের মিত্র যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্প গতকাল সোমবার বলেছেন, ‘তারা যদি বৈঠক করতে চায়, আমরা বৈঠক করবো।’ ট্রাম্পের এই বক্তব্যের জবাবে প্রেসিডেন্ট রোহানির একজন উপদেষ্টা হামিদ আবুতালেবি টুইটে মন্তব্য করেছেন `পরমাণু চুক্তিতে ফিরে আসা` আর `ইরান রাষ্ট্রের অধিকারসমূহকে সম্মান` জানালে আলোচনার পথ সুগম হবে। এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হলে ১৯৭৯ সালের ইরান বিপ্লবের পর এই প্রথম কোনও মার্কিন ও ইরানি শীর্ষ নেতা আলোচনায় বসবেন। ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে জড়ানোর পরিণতি ভয়াবহ হবে- গত সপ্তাহে রোহানির এক মন্তব্যের ক্ষুদ্ধ সমালোচনা করেন ট্রাম্প। জবাবে ট্রাম্প টুইট করেন যে `যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধে জড়ালে এমন পরিণতি ভোগ করতে হবে যা আগে কখনও কাউকে করতে হয়নি।` ইরানের সঙ্গে কোনও `নতুন চুক্তি` হতে হলে সিরিয়া থেকে সেনা প্রত্যাহার ও ইয়েমেনের বিদ্রোহীদের সমর্থন বন্ধ করাসহ ১২টি শর্তের উল্লেখ করেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের বিরোধিতা কি নিয়ে? ১. ২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তির সরাসরি বিরোধিতা করেছেন ট্রাম্প, যেই চুক্তির শর্ত রক্ষা করতে ইরানের পরমাণু কার্যক্রম কমিয়ে আনার উদ্দেশ্যে বিলিয়ন ডলার মূল্যের সম্পদ বিনিয়োগ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ২. ট্রাম্প প্রশাসন মনে করে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করছে ইরান। যুক্তরাষ্ট্রের মতে পরমাণু চুক্তি বাস্তবায়নের ফলেই ইরান ওই অঞ্চলে দৃঢ় অবস্থান ধরে রাখতে পারছে। সিরিয়ায় শতাধিক ট্রুপ এবং কয়েক হাজার স্বেচ্ছাসেবী সশস্ত্র সেনা রয়েছে ইরানের। ৩. ইরানের বিরুদ্ধে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের অর্থ ও অস্ত্র সমর্থন দেয়ার অভিযোগ রয়েছে উপসাগরীয় দেশগুলোর, যদিও ইরান এই অভিযোগ অস্বীকার করে। যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান মিত্র সৌদি আরব ঐ অঞ্চলে ইরানের অন্যতম প্রধান শত্রু। যুক্তরাষ্ট্র কেন পরমাণু চুক্তি থেকে সরে গেছে? মে মাসে ইরান পরমাণু চুক্তিকে- বা জয়েন্ট কম্প্রিহেন্সিভ প্ল্যান অব অ্যাকশন (জেসিপিওএ) - ডোনাল্ড ট্রাম্প `ভয়ঙ্কর একপেশে চুক্তি` হিসেবে আখ্যা দেন। তিনি বলেন, ওই চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের `অস্থিতিশীলতা কার্যক্রমকে` প্রতিহত করেনি। ইরান বরাবর বলে এসেছে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ এবং আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা`র (আইএইএ) নীতিমালা মেনেই তারা কার্যক্রম পরিচালনা করে। আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থাও বলেছে, ইরান তাদের প্রতিশ্রুতিকে সম্মান জানিয়েই পরমাণু কার্যক্রম চালাচ্ছে। বিশ্বের বৃহত্তম জ্বালানি তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর একটি ইরান। প্রতি বছর বিলিয়ন ডলার মূল্যের তেল রফতানি করে তারা। দেশের ভেতরে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির কারণে চলা বিক্ষোভ ও ইরানি মুদ্রার (রিয়াল) দরপতনের কারণে এরই মধ্যে অর্থনৈতিক চাপের সম্মুখীন হয়েছে ইরান। সূত্র: বিবিসি একে//

সাংবাদিকদের ‘জনগণের শত্রু’ না বলতে ট্রাম্পকে হুশিয়ারি     

নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রকাশক এজি সাল্‌সবার্গার সাংবাদিকদের `জনগণের শত্রু` হিসেবে অভিহিত না করতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হুঁশিয়ার করে দিয়েছেন। হোয়াইট হাউজের আমন্ত্রণে ট্রাম্পের সাথে সাক্ষাতের পর রবিবার এ হুঁশিয়ারি দেন সালসবার্গার। আজ বিবিসিসহ বিভিন্ন আর্ন্তজাতিক সংবাদমাধ্যম এ খবর জানিয়েছে।    ট্রাম্প সমঝোতা লঙ্ঘন করেছেন জানিয়ে সালসবার্গার বলেন, প্রেসিডেন্টের সাথে তার আলোচনার বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে কথা হয়েছিল। কিন্তু ট্রাম্প এক টুইট বার্তায় সে সমঝোতা লঙ্ঘন করেছেন। এদিকে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প টুইটারে লিখেছেন, সালসবার্গারের সঙ্গে তার ভালো আলোচনা হয়েছে এবং গণমাধ্যমে বিপুল পরিমাণ ‘ভুয়া খবর’ প্রকাশের ব্যাপারে কথা হয়েছে। এসব ভুয়া খবর কীভাবে সাংবাদিকদেরকে ‘জনগণের শত্রুতে’ পরিণত করছে তা নিয়েও কথা হয়েছে। ট্রাম্পের এমন টুইটের পর নিউ ইয়র্ক টাইমসের পক্ষ থেকে সালসবার্গার এক বিবৃতি প্রকাশ করে ট্রাম্পের এ বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্টের গণমাধ্যমবিরোধী বক্তব্যের ব্যাপারে নিজের উদ্বেগ জানাতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়েছিলেন তিনি। কারণ তিনি গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে যেসব কথা বলেন তা বিশ্বের অন্য অনেক দেশের ক্ষেত্রে সঠিক। ট্রাম্পের এ ধরনের বক্তব্যকে ব্যবহার করে ওইসব দেশের সরকার সেসব দেশের গণমাধ্যমকে দমন করার সুযোগ পাচ্ছে। এর আগেও একবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সাংবাদিকদের সঙ্গে ম্যানহাটনের ট্রাম্প টাওয়ারে এক বৈঠকে সাংবাদিকদের `অসৎ আর মিথ্যাবাদী` বলে উল্লেখ করছিলেন। তখন ওই বৈঠকে মার্কিন সংবাদমাধ্যমের উল্লেখযোগ্য ব্যক্তি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এবিসি নিউজের উপস্থাপক জর্জ স্টেফানোপোলাস, সিএনএন চ্যানেলের প্রধান জেফ জুকার, ডেভিড মুয়ের, এনবিসির প্রেসিডেন্ট ডেবোরা টার্নেস এবং ফক্স নিউজের চারজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। সম্প্রতি ট্রাম্পের এমন কথায় সালসবার্গার আরও বলেন, তিনি ট্রাম্পকে এ কথা বোঝানোর চেষ্টা করেন, ‘ভুয়া খবর’ নামের যে পরিভাষা মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারবার ব্যবহার করছেন তা ‘অবাস্তব ও ক্ষতিকর’। এছাড়া ট্রাম্প সাংবাদিকদেরকে জনগণের শত্রু হিসেবে অভিহিত করে যে বক্তব্য দিচ্ছেন তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এসি      

যেভাবে বিশ্বের শীর্ষ ধনী হলেন বেজোস

বিশ্বের সবচেয়ে ধনী লোক কে - এ প্রশ্ন করা হলে কিছুদিন আগেও উত্তর হতো: মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস। কিন্তু এখন আর তা নয। বিশ্বের শীর্ষ ধনী এখন অনলাইনে কেনাবেচার প্রতিষ্ঠান অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান নির্বাহী জেফ বেজোস। তার সম্পদের পরিমাণ এখন ১৫০ বিলিয়ন বা ১৫ হাজার কোটি ডলার। তার থেকে অনেকটা পিছিয়ে দ্বিতীয় স্থানে বিল গেটস, যার সম্পদের পরিমাণ ৯৫ বিলিয়ন ডলার। তার প্রতিষ্ঠিত কোম্পানি অ্যামাজন এক সময় ছিল অনলাইনে পুরোনো বই বিক্রির প্রতিষ্ঠান। আর এখন তা শিগগীরই হতে যাচ্ছে পৃথিবীর প্রথম ট্রিলিয়ন-ডলার কোম্পানি - অর্থাৎ তার মূল্য হবে এক লক্ষ কোটি ডলার। অ্যামাজনে কেনা যায় না - বোধ হয় সারা দুনিয়ায় এমন কিছুই এখন নেই। আপনার পোষা বেড়ালের খাবার থেকে শুরু করে বহুমূ্ল্য ক্যাভিয়ার পর্যন্ত সব কিছুই কেনা যায় অ্যামাজনে - বিশ্বের যে কোন প্রান্ত থেকে। শুধু তাই নয় অ্যামাজনের আছে স্ট্রিমিং টিভি, এমন কি নিজস্ব এ্যারোস্পেস কোম্পানি - যাতে শিগগীরই মহাশূন্য ভ্রমণের টিকিট পাওয়া যাবে। কি করে এত ধনী হলেন তিনি? তিনি যেন নিজেই জানতেন তার ভবিষ্যৎ। তার গল্প শুনলে মনে হয় যেন জেফ বেজোসের হাতে একটা ক্রিস্টাল বল ছিল - যাতে তিনি তার নিজের ভবিষ্যৎ দেখতে পেতেন। মাত্র দু`দশক আগেও তিনি ছিলেন সাধারণ এক উদ্যোক্তা। কিন্তু তিনি দেখতে পেয়েছিলেন এমন এক যুগ আসছে - যখন কম্পিউটারের এক ক্লিকে যে কোন জিনিস কেনা যাবে, শপিং মলের জনপ্রিয়তা কমে যাবে, দোকানগুলো ব্যবসায় টিকে থাকার জন্য নানা রকমের `অফার` দিতে বাধ্য হবে। বেশ কয়েক বছর আগে তার হাইস্কুলের বান্ধবী এক সাক্ষাতকারে বলেছিলেন, তার সব সময়ই মনে হতো জেফ বেজোস একদিন বিরাট ধনবান হবেন। ১৯৯০ এর দশকে বেজোস: অ্যামাজন নামে অনলাইনে পুরোনো বই বিক্রির প্রতিষ্ঠানের মালিক। তার কথা ছিল: "ভাববেন না যে আমার এটা মনে হতো তার টাকার জন্য - বরং টাকা দিয়ে কি করা হবে, কি ভাবে ভবিষ্যৎকে বদলে দেয়া যাবে - সেটাই ছিল তার বৈশিষ্ট্য।" জেফ বেজোসের ছিল সেই উচ্চাভিলাষ, অন্তর্দৃষ্টি আর ভবিষ্যতের গতিপ্রকৃতি বুঝতে পারার ক্ষমতা - যা হয়তো সবার থাকে না। এবং সেটা বোঝা গিয়েছিল কয়েক দশক আগেই। তার জন্ম হয়েছিল ১৯৬৪ সালে, তখনও তার বাবা-মার বিয়ের বয়স ১৯ পেরোয়নি। খুব দ্রুতই তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যায়। এর পর তিনি বড় হন তার মা জ্যাকি আর দ্বিতীয় স্বামী মাইক বেজোসের ঘরে। এই মাইক বেজোস তখন চাকরি করতেন এক্সন কোম্পানিতে। তার আসল দেশ কিউবায়, কিন্তু ফিদেল কাস্ত্রো ক্ষমতায় আসার পর তিনি পালিয়ে চলে আসেন আমেরিকায়। জেফরি বেজোসের এক জীবনী লিখেছেন ব্র্যাড স্টোন। তাতে বলা হয়, ছোট্ট বয়েস থেকেই জেফের আগ্রহ দেখা যায় বিজ্ঞান ও ইঞ্জিনিয়ারিংএর দিকে। তিন বছর বয়েসেই তিনি স্ক্রু-ড্রাইভার দিয়ে তার খেলনা খুলে ফেলতে শিখেছিলেন। জেফ বেজোস যখন হাইস্কুলে পড়েন তখন তার গ্রাজুয়েশন বক্তৃতায় তিনি বলেছিলেন, তিনি এমন এক অনাগত সময়কে দেখতে পাচ্ছেন - যখন মানুষ মহাশূন্যে উপনিবেশ প্রতিষ্ঠা করবে। জেফ বেজোস ইঞ্জিনিয়ারিং আর কম্পিউটার বিজ্ঞান পড়েন প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ে। তার পর নিউ ইয়র্কে গিয়ে চাকরি করেন কয়েকটি ফিনান্স কোম্পানিতে। তার স্ত্রী ম্যাকেঞ্জির সাথে এসময়ই পরিচয় হয় তার। বেজোসের বয়স যখন ৩০, তখন একটা পরিসংখ্যান চোখে পড়ে তার - যাতে বলা হয়েছিল ইন্টারনেটের দ্রুত বৃদ্ধির কথা। তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন, চাকরি নয়, নিজেই কিছু একটা করবেন। বেজোস চলে গেলেন আমেরিকার পশ্চিম প্রান্তের শহর সিয়াটলে। তার নিজের জমানো কিছু টাকা, আর পরিবারের কিছু সাহায্য - সব মিলিয়ে এক লাখ ডলারের কিছু বেশি অর্থ, এই ছিল তার বিনিয়োগ। সাইবারকমার্স কিংতিনি ১৯৯৫ অ্যামাজন নামে একটা কোম্পানি চালু করলেন - অনলাইনে পুরোনো বই বিক্রির। মাত্র এক মাসের মধ্যেই তার ব্যবসা হু হু করে বাড়তে লাগলো।এক মাসের মধ্যে অ্যামাজন যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি অঙ্গরাজ্যের সবগুলোতে এবং যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে ৪৫টি দেশে অর্ডার পাঠালো। পাঁচ বছর পর অ্যামাজনের ক্রেতার এ্যাকাউন্টের সংখ্যা ১ লাখ ৮০ হাজার থেকে বেড়ে দাঁড়ালো ১ কোটি ৭০ লাখে। বিক্রি শুরুতে ছিল ৫ লাখ ১১ হাজার ডলার, আর পাঁচ বছর পর তা দাঁড়ালো ১৬০ কোটি ডলারে। বড় বড় কোম্পানি আমাজনের দরজায় ছুটে আসতে শুরু করলো। ১৯৯৭ সালে অ্যামাজন পাবলিক কোম্পানিতে পরিণত হলো, আর অর্থ উঠলো ৫ কোটি ৪০ লাখ ডলার। বয়েস ৩৫ হবার আগেই মি. বেজোস হয়ে গেলেন পৃথিবীর শীর্ষ ধনীদের একজন। ১৯৯৯ সালে টাইম ম্যাগাজিন তাকে আখ্যা দিলো `কিং অব সাইবার-কমার্স` আর মনোনীত করলো পৃথিবীর সবচেয়ে কমবয়স্ক `পিপল অব দি ইয়ারের` একজন হিসেবে। কি ছিল আমাজনের ব্যবসার কৌশল?জেফ বেজোসের কৌশল ছিল, তিনি অর্থ আয় করার জন্য অর্থ ব্যয় করতে পিছপা হন নি। অ্যামাজনে পণ্য বিক্রির জন্য তিনি ফ্রি শিপিং সুবিধা দিয়েছেন, দাম কম রেখেছেন ২৩ বছরের মধ্যে ১০ বছর ধরে - বার্ষিক লাভের কথা না ভেবে। অন্যদিকে আবার অ্যামাজন যেখানে যেভাবে সম্ভব - টাকা বাঁচিয়েছেও। অ্যামাজনের হেড অফিসে কর্মীদের গাড়ি পার্ক করার জন্য পয়সা দিতে হয়েছে। সরবরাহকারীদের সঙ্গে লড়তে হয়েছে, তারা ওয়্যারহাউজে শ্রমিক ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করে গেছে, এবং যেখানে যতটা সম্ভব - ট্যাক্স ফাঁকি দিয়েছে। এ বছর জুন মাসে অ্যামাজন পণ্য বিক্রি করেছে ৫৩০ কোটি ডলারের। প্রথম তিন মাসে মুনাফা করেছে ২৫০ কোটি ডলার। অ্যামাজনে চাকরি করেন ৫ লাখ ৭৫ হাজার লোক - যা ইউরোপের দেশ লুক্সেমবার্গের জনসংখ্যার প্রায় সমান। আমাজনে যারা পণ্য বিক্রি করেন তাদের জন্য পণ্য আনা নেয়া, ঋণ, বিক্রির প্ল্যাটফর্ম দেয়া হচ্ছে, পাশাপাশি এর `ক্লাউড কম্পিউটিং বিভাগ` অসংখ্য বড় বড় কোম্পানির জন্য অনলাইন ডেটা স্টোরেজ সুবিধা দিচ্ছে - যা এখন পৃথিবীর বৃহত্তম। গত বছর তারা খাদ্যপণ্যের কোম্পানি গোল ফুডস কিনে নিয়েছে, অনলাইন ফার্মেসি কিনেছে। আরো নানা রকম চুক্তির আলোচন চলছে। এক কথায়, অ্যামাজনের নতুন নতুন উদ্যোগ হাতে নেবার উৎসাহ এতটুকু কমে নি। জেফ বেজোস নিজে এখন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন পোস্ট পত্রিকার মালিক। অন্য অনেক ধনীর মতোই মি. বেজোসের শত্রু ও প্রতিদ্বন্দ্বীর অভাব নেই। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও তার সমালোচকদের একজন। সমালোচকদের মোকাবিলা করতে এখন লবিইস্ট নিয়োগের পেছনে খরচ বাড়িয়ে দিয়েছে অ্যামাজন। অনেকে বলেন, অন্য ধনীদের তুলনায় জেফ বেজোসের দাতব্য কর্মকান্ড অনেক কম। সে কারণে এখন দাতব্য কর্মকান্ডও বাড়াতে যাচ্ছেন তিনি। শিগগিরই নাকি এ নিয়ে একটি `ঘোষণা` আসতে যাচ্ছে। এমজে/

ক্যালিফোর্নিয়ায় দাবানলে নিহত ২

উত্তর ক্যালিফোর্নিয়ায় ভয়াবহ দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে। এতে হাজার হাজার মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে সর যেতে কাজ করছে। আগুন নেভাতে গিয়ে নিহত হয়েছেন দমকল বাহিনীর দুই সদস্য। এদিকে দাবানল ছড়িয়ে পড়ার পর তীব্র ঝড় শুরু হয়েছে। এতে দাবানলটি আগুন টর্নেডোতে পরিণত হয়েছে। শত শত গাছপালা, ঘরবাড়ি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইতোমধ্যে ৫০০ ভবন আগুনে সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। এ ছাড়া হাজার হাজার ঘরবাড়ি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে বলে জানা গেছে। দমকল বাহিনী প্রাণপণে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। গত সোমবার ওই আগুনের সূত্রপাত হয়। এতে ৪৮ হাজার একর জমি আগুনের কবলে পড়ে, যা সান ফ্রান্সিসকো শহর থেকেও বড়। সূত্র: বিবিসিএমজে/

সিবিএস প্রধানের বিরুদ্ধে ৬ নারীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ

মার্কিন টিভি চ্যানেল সিবিএসের শীর্ষ নির্বাহী কর্মকর্তা ও চেয়ারম্যান লেস মুনভিসের (৬৮) বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে। অভিনেত্রী ইলিয়ানা ডগলাসসহ ছয় নারী তার বিরুদ্ধে এ অভিযোগ তুলেছেন। শুক্রবার দ্য নিউ ইয়র্কার ম্যাগাজিনে এ খবর প্রকাশিত হয়। অভিযোগটির তদন্ত করা হবে বলে জানিয়েছে সিবিএস কর্তৃপক্ষ। যৌন নিপীড়নের শিকার ওই নারীরা জানিয়েছেন, তাদের ক্যারিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে তারা সে সময় যৌন হেনস্থার বিষয়টি প্রকাশ করেননি। যাতে তাদের ক্যারিয়ারের ক্ষতি না হয়। এ বিষয়ে সিবিএস কর্তৃপক্ষ একটি বিবৃতি দিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইলিয়ানা ডগলাসকে চুমু দেওয়ার চেষ্টার বিষয়ে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন মুনভিস। কিন্তু যৌন হয়রানি বা ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি। এদিকে, দ্য নিউ ইয়র্কার ম্যাগাজিনকে লেস মুনভিস জানিয়েছেন, অতীতে তিনি ভুলক্রমে কয়েকজন নারীকে অস্বস্তিকর অবস্থায় ফেলে দিয়েছেন। কিন্তু পরে তাদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। প্রসঙ্গত, লেস মুনভিসের বিরুদ্ধে ওই অভিযোগ প্রকাশ করেছেন রোনান ফারো। হলিউড প্রযোজক হার্ভে উইনস্টেইনের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ প্রকাশ করে এ বছর পুলিৎজার পুরস্কার জিতেছেন তিনি।  তথ্যসূত্র: দ্য নিউ ইয়র্ক পোস্ট।   এসএইচ/

মার্কিন সেনাদের দেহাবশেষ ফেরত দিবে কিম: ট্রাম্প

কোরীয় যুদ্ধে নিহত মার্কিন সেনাদের দেহাবশেষ ফেরত পাঠাবে উত্তর কোরিয়া। ওই যুদ্ধ শেষ হওয়ার ৬৫তম বার্ষিকীতে অবশেষে তারা দেশে ফিরে আসছেন। যুক্তরাষ্ট্র নিশ্চিত করেছে, উত্তর কোরিয়া থেকে দক্ষিণ কোরিয়ায় মার্কিন ঘাঁটি পর্যন্ত একটি উড়োজাহাজে করে এই দেহাবশেষ পাঠানো হবে। ১ আগস্ট নিহত সেনাদের স্বজনেরা দেহাবশেষ গ্রহণ করবেন। প্রিয়জনদের দেহাবশেষ ফেরত পেতে বহু বছর ধরে অপেক্ষা করেছেন তারা। গত ১২ জুন সিঙ্গাপুরে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উনের সঙ্গে এক ঐতিহাসিক বৈঠকে মিলিত হন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। ওই বৈঠকের পর এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানিয়েছিলেন, কোরীয় যুদ্ধে নিহত মার্কিন সেনাদের দেহাবশেষ ফেরত দিতে রাজি হয়েছেন কিম। হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়, মার্কিন সরকার ‘উত্তর কোরিয়ার ইতিবাচক কর্মকাণ্ড ও পরিবর্তন দেখে উৎসাহিত হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর তথ্যানুযায়ী, ১৯৫০-১৯৫৩ সালের কোরীয় যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৫ হাজার ৩০০ সেনা নিখোঁজ হয়েছিলেন। এর আগে গত ২১ জুন নিখোঁজ ২০০ মার্কিন সেনার দেহাবশেষ উত্তর কোরিয়া ফেরত দিয়েছে বলে জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আরকে//

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি