ঢাকা, শনিবার   ২৪ আগস্ট ২০১৯, || ভাদ্র ৯ ১৪২৬

Ekushey Television Ltd.

বঙ্গবন্ধু: শঙ্খের কানে সমুদ্রের আওয়াজ

আবদুল লতিফ সিদ্দিকী

প্রকাশিত : ০৯:৩৬ ১৩ আগস্ট ২০১৯ | আপডেট: ১১:৪৬ ১৩ আগস্ট ২০১৯

যদি ধরে নেওয়া যায় বঙ্গবন্ধুকে তার ‘অসফল’ ও ‘তর্কযোগ্য’ কৃতকর্মের জন্য পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় তবে যুক্তিসন্ধানী-মনে প্রশ্ন জাগে কৃতকর্ম বা সংস্কার-প্রক্রিয়া শ্রেয়োবাদী হলেই কি হত্যাকারীরা মানুষকে অবলীলায় ক্ষমা করে।

‘আদর্শবাদের’ অনুপ্রেরণাই কি হত্যাকারীর চালিকাশক্তি নাকি ঘৃণ্য স্বার্থের প্রলোভনে তার পতন- এ প্রশ্নের মীমাংসা ছাড়া হত্যার যিনি শিকার তার প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শন তো দূরের কথা অশোভন ইশারা পর্যন্ত বৈধ নয়। 

সভ্যতার প্রথম দিবস থেকে এ পর্যন্ত অমঙ্গল পরিহার করে যুগনিষ্ঠ কল্যাণ-চেতনায় যারা প্রাগ্রসর তাদের কাউকে হত্যার খঞ্জরে রক্তাক্ত হতে হয়নি এবং অকল্যাণের অনুগামীরাই কেবল হস্তারকের ক্রোধের শিকার এ কথা কি কেউ বলতে পারবে?

কৃতকর্মের ‘স্খলন’ ও ‘অনৈতিকতাই’ যদি হত্যার প্রেরণা সঞ্চারে সক্রিয়, তবে তো হন্তারক-সংস্কৃতিকে পূজা দিয়ে মানবতার আদর্শ সাজাতে হয়! যে প্রাণের প্রতিষ্ঠা মানবিক সামর্থে্যর আয়ত্তাধীন নয়, সে প্রাণের বিনাশে আমার হাতে যদি রক্তের দাগ লাগে তাহলে মানবতার যে অহঙ্কারে আমি মানুষ তা কি আর অক্ষত থাকে? অথচ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যা-পরবর্তী বাংলাদেশে তথাকথিত ‘ফেরাউন’ শক্তি হটিয়ে দিয়ে আনন্দ যাপনের বৈধতা দেখাতে কী অপরিসীম মিথ্যাচার আর গলদমুখী আচরণবাদের বান বইয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা চলেছে। 

কিন্তু ছত্রিশ বছরের পথ পেরিয়ে বাঙালি যেখানে দাঁড়িয়ে সেখানে মুজিববাদের পাটাতন ইতিহাসের পায়ের নিচে কী প্রবলভাবেই না উত্থাপিত অভিযোগের ভার বহন করে চলেছে! বস্তুত মুজিবের উজ্জ্বলতা শাণিত হয়েছে, হত্যার গ্লানি সাধ্যমতো মুছে মূলধারা বাঙালি জনতা ইতিহাসের সত্যকে আলিঙ্গন করেছে এবং অনাগত কালের প্রেক্ষাপটে তা অধিকতর স্বচ্ছ মাত্রা অর্জন করতে চলেছে, এটুকু বোঝা যায়।

সদাজাগ্রত, বিস্তরণশীল ব্যক্তিত্বের বিপক্ষে দাঁড়িয়ে আমি তার সমালোচনা করতে পারি, তার কর্মসংস্কারে দ্বিমত পোষণের অধিকার আমার আছে; কিন্তু কর্মের মোকাবেলা জীবন-বিনাশে সাধিত হলে তাকে বলে বর্বরতা। এ বর্বরতা সভ্যতাবিমুখ আদি-জীবনের নৃশংসতাকেও হার মানায়। যে ‘বিরাটের’ কর্মসংস্কার ও প্রতিভার ধার আমার ক্ষুদ্রতাকে শনাক্ত করে এবং সময়ের কাছে হার মানতে আমাকে বাধ্য করে তাকে জীবিত রেখে আমি বড় হতে পারি না- এ যদি হয় আমার প্রতীতি তবে হত্যার জন্য ‘কর্মস্খলন’ কিংবা ‘আদর্শপতন’র অনুসন্ধান বৃথা। আমি তখন আত্মরতির মহাপাতক, আমি হন্তারক, আমি নির্লজ্জ ঘাতক।

কর্ম দিয়ে কর্মের মোকাবেলায় যদি আমার মুরদ থাকতো তবে না হয় কাপুরুষতার কাছে যাবার প্রয়োজন ছিল না আমার। যে আমি আলোর ভেতর নতুন সম্ভাবনা ও তার উদীয়মান কায়া দেখে আতঙ্কিত; সেই ‘আমি’র পক্ষে আলোকে অন্ধকারে ডুবিয়ে দেওয়ার চেয়ে বড় কোন আদর্শ থাকতে পারে না। বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ড এ প্রেক্ষিতেই সংঘটিত। প্রসঙ্গক্রমে বঙ্গবন্ধু-হত্যা মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান কৌসুলি, প্রবীণ আইনজীবী অ্যাডভোকেট সিরাজুল হকের চূড়ান্ত-পর্যায়ী বিচারিক প্রশ্নোত্তরের একটি মন্তব্য তুলে ধরা যায় : ‘বঙ্গবন্ধু-হত্যার একটি কারণ থাকতে পারে যে, তিনি আমাদের স্বাধীনতা, একটি পতাকা এবং দুনিয়ার বুকে জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠা দিয়েছিলেন।’

জীবন মাত্রই বিপ্লবের অভিক্ষেপ, আমিত্ব প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম। কিন্তু যে জীবন বৃহৎ-এর স্ফূলিঙ্গ-স্পর্শে একবার জ্বলে ওঠে তা আমিত্বের অহঙ্কার প্রেমের অমৃতের মধ্যে দ্রবীভূত করে নেয়। রাজনীতির মতো ইহজাগতিক অনুশীলনে মানবিক অমৃতের আকাঙ্ক্ষা দূরাকাঙ্ক্ষার বিষয়ই বলা যায়। বাংলাদেশ জাতিরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নিজেকে পৃথক মর্যাদায় প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছেন ওই মানব প্রেমের রসায়নে, এ সত্যটির উপলব্ধি জরুরি। তার জীবন-বিপ্লব যে দুটি পর্যায়ে অনুশীলিত তার প্রত্যেকটি আলাদা বৈশিষ্ট্যে বিকশিত; প্রথম পর্যায়টি অ-স্বাধীন ভূ-খণ্ডের প্রত্যক্ষ সংগ্রামের ভেতরে ব্যয়িত আর দ্বিতীয় পর্বটি উন্নয়ন-সংস্কারের অব্যাহত সাধনায় নিয়োজিত।

প্রথম পর্যায়ের প্রত্যক্ষ বিপ্লবের দিনে, বিরূপতার উজান ডিঙানো প্রহরে তাকে হত্যা করা হয়নি, অথচ পরোক্ষ সংস্কার পর্বে তা করা হয়। কেন? প্রশ্নের ন্যায়-ভিত্তি অবশ্য স্বীকৃত। হন্তারকের উত্তরপুরুষ প্রশ্ন করবে, কেমন ছিল তার বিপ্লবের প্রকৃতি-আপসের মুঠোর মধ্যে তবে কি তার হাত আটকে ছিল দীর্ঘ আন্দোলন-অভিযান, বিগ্রহ-বিপ্লবে? বিষয়টি আসলে কী এবার একটু ঘেঁটে দেখা যাক। শস্যের সাধনা যখন চলে, ঈর্ষার দ্বন্দ্ব তখন তুঙ্গে ওঠে না; শস্য যখন গোলায় ওঠে তখন আসে নতুন লুটেরা, আসে অসভ্য তাতার। 

দেশ-পরিচালনভার যখন তার ওপর বর্তায় তখনই আসে সর্বশেষ ঈর্ষার প্রচণ্ড আঘাত। তিনি যা করেছিলেন তার জন্য বর্তায় তখনই আসে সর্বশেষ ঈর্ষার প্রচণ্ড আঘাত। তিনি যা করেছিলেন তার জন্য তাকে হত্যা করা হয়নি, তিনি যা করতে চেয়েছিলেন তার জন্য তাকে হত্যা করা হয়। একথা বলার আগে অবশ্য নিশ্চিত হতে হয়, রাষ্ট্রপরিচালক হিসেবে তাকে আমরা বিবেচনা করছি, স্বাধীনতার সেনাপতি হিসেবে নয়।

যা করেছিলেন তার জন্য তাকে হত্যা করা হলে স্বাধীন দেশের মাটিতে নতুন পতাকার নিচে তাকে হত্যা করার প্রয়োজন কেন হলো সে প্রশ্ন ওঠে। পাকিস্তান কারাগারেই তো তাকে এবং তার নেতৃত্বাধীন আন্দোলনকে হত্যা করা যেত। প্রশ্নটির জবাব নির্ধারণে তৎকালীন বিশ্ব রাজনীতির পরিকাঠামো ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের জ্ঞান অবশ্য ভূমিকা রাখে এবং তা কী সে সম্পর্কে বাংলাদেশের সুধী সমাজ নিশ্চয়ই অনবগত নন। পূর্ব-পাকিস্তানে যারা (প্রায় সবাই) তাকে ভালোবাসতো তারা যে চেতনলোকে কবর খোঁড়ার শব্দ-আঁচ পেয়েছিলেন এবং বাস্তবতার কান দিয়েও কেউ কেউ তা শুনতে পেয়েছিলেন, সে সত্যটিও উপরোক্ত প্রশ্নের উত্তর নিরূপণে অংশ নেবে। 

একটি বিপ্লবের সাফল্য সঙ্গে রেখে আরেকটি বিপ্লবের আহবান ঘোষণার স্পর্ধা প্রদর্শনে যিনি পিছপা নন তাকে আমি কোন বিচারে জীবিত রাখি, যখন যুদ্ধের পরাজয়ে আমার পতিত পাকিস্তান আদর্শ বিপন্ন। দ্বিতীয় বিপ্লব নাম দিয়ে মুজিব যা করতে চান তার অর্থ বুঝতে পারলে আমি এটাও উপলব্ধি করি, কোন আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হবে আমার অহঙ্কার। অতএব, মুজিব-হত্যা আমার একমাত্র হাতিয়ার, যখন আমি হন্তারক।

‘রাজনৈতিক পটপরিবর্তন’র অজুহাত দেখিয়ে হত্যার কার্যকারণ প্রদর্শনে অনেকের মূর্খতা ঔজ্জ্বল্য পেয়েছে; খন্দকার মোশতাক হত্যা-অভিযানের সাফল্যে গলে গিয়ে খুনিদের ট্রেনিংপ্রাপ্ত, সাহসী ও বুদ্ধিমান ‘সূর্যসন্তান’ খেতাবে বরণ করে। তার অস্তিত্বজুড়ে বঙ্গবন্ধুর স্নেহকন্তুরি জড়িয়ে থাকলেও জাতীয় বেঈমানের অভিধা যার প্রাপ্য তার পক্ষে অন্যথা করা চলে না। খল-রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা কামড়ে হত্যার মাত্র পাঁচ দিনের মাথায় যখন সে সিংহাসনে তখন কিন্তু বিশ্বাসঘাতকতার ষোলকলা পূর্ণ করে বলে, ‘আল্লাহর অনুগ্রহে ও জনগণের ইচ্ছায় আমি রাষ্ট্রপতি হয়েছি।’ তার প্রশংসিত ‘সূর্যসন্তানদের’ কথাও তখন তার মনে থাকে না, কেননা সে মীরজাফরের স্থলাভিষিক্ত। বঙ্গবন্ধুর স্নেহভাজন ‘হৃদয়ের প্রতিবেশী’ যখন তাকে হত্যা করে তখন সাইকোলজির চিরায়ত সূত্রের সহায়তায় এটা পরিষ্কার যে দেশপ্রেম নয়, স্বার্থ ও ক্ষমতার লোলুপতায় সে ওই অপকর্মটি ঘটায়।

বঙ্গবন্ধু যে আমাদের ভালোবাসতেন তার মূল্য পরিশোধের দায় যদি আমরা অনুভব করি তাহলে তার জন্য আমাদের কী করতে হবে সে প্রশ্নের উত্তর অভিন্ন নাও হতে পারে। তবে ব্যক্তিগত পর্যায়ে আমার মতামত অন্যদের চেয়ে যে আলাদা সেটা পরিষ্কার; অন্যদের চিরাচরিত সক্রিয়তায় আমার স্বাতন্ত্র্য প্রকাশমান। বঙ্গবন্ধুর প্রতি আমার শ্রদ্ধানুভূতি প্রকাশে মূল্যায়ন, স্মৃতিচারণ, অনুভব প্রভৃতি ক্রিয়াগুলো প্রাসঙ্গিক নয়, সেটা বলব না।

তবে যে দীর্ঘ সময় অতিক্রান্ত তাতে তাত্ত্বিকতার চেয়ে ব্যবহারিক বিপ্লবের প্রয়োজন অধিকতর অগ্রগণ্য সে বিষয়ে সন্দেহ নেই। আমাদের রাষ্ট্রচিন্তা ও রাষ্ট্রদর্শনে তার হিমালয়প্রতীম অবদান স্বীকার্য বলে নতুন কালের প্রেক্ষাপটে তার দর্শন-জগৎ পরীক্ষিত হওয়া প্রয়োজন এবং ব্যবহারিক রাজনীতির ক্ষেত্রে তার সৃজনশীল প্রয়োগও অত্যন্ত অপরিহার্য। অ্যাডভোকেট সিরাজুল হকের জবানিতে, ‘প্রশান্ত মহাসাগরের সমস্ত পানি দিয়েও পনের আগস্ট ‘৭৫-এর নির্মম হত্যাকাণ্ডের রক্তের দাগ ধোয়া যাবে না। কেবল আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার এ রক্তের দাগ মুছে দিতে পারে।’

তার কালে ভারত উপমহাদেশ, এমনকি তার বাইরে এশিয়ার বাদবাকি অঞ্চলেও এমন দৃষ্টান্ত খুঁজে পাওয়া যাবে না যে সুস্পষ্ট রাষ্ট্রদর্শন বিধিবদ্ধ করে কেউ তার নিজ প্রচেষ্টায় স্বাধীনতাপ্রাপ্ত ভূ-খণ্ডে নিজের কর্মকৌশলে সংস্কার অভিযান পরিচালনা করেছেন। একটি প্রাদেশিক সরকারকে যুদ্ধবিধ্বস্ততার সব রকম ধকল পেরিয়ে একটি নতুন রাষ্ট্রে রূপান্তর ও তার জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণের কৃতিত্ব কেবল বঙ্গবন্ধুর। ধ্বংসস্তূপ থেকে তার সৃজনশীলতার সূত্রপাত- প্রশাসনিক সংস্কার, জাতীয় নির্বাচন ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন প্রভৃতি কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিপ্লবের বিস্তৃত কর্মসূচি তিনি প্রণয়ন করেন। 

তার সংস্কার কর্মসূচিতে গণতন্ত্রস্বীকৃত মানব-স্বার্থের প্রতিকূলে এমন কী বিষয় অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল যার ব্যাখ্যা চক্রান্তকারী শক্তি গত ৩৬ বছরে আদৌ দাঁড় করাতে পেরেছে- তা পারেনি এবং তা সম্ভবও নয়। যা ঘটেছে তা হুজুগের জুজু এবং গুজবের গজবে উড়ুক্কু অস্থিরতা বৈ কিছু নয়। পেরেস্ক্রাইকা ও গ্লাসনস্ত গরভাচেভের জন্য যেমন, দ্বিতীয় বিপ্লব বঙ্গবন্ধুর জন্য তার চেয়ে আলাদা কিছু না হলেও প্রথম জনের বেলায় যা ঘটে দ্বিতীয় জনের ক্ষেত্রে ঘটে তার উল্টো, এটাই দরিদ্র-বিশ্বের অভিশাপ (যদিও প্রথম বিশ্বের বাস্তবতায় হত্যা অ-বিরলই বটে)।

বাংলাদেশ ও বিশ্ব-বাঙালির সমস্ত বিচরণভূমি জুড়ে বাঙালিত্বের মহিমা যে প্রচারিত হয়েছে এবং হচ্ছে তার সমস্ত কৃতিত্বের জন্য আমাদের ফিরে যেতে হয় ইতিহাসের কালপুরুষ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নিকট বার বার এবং অনিবার্যসূত্রে। বাঙালির বিশ্ব-জাগৃতি সূচিত হওয়ায় সমাজে নতুন সম্ভাবনার আবির্ভাব ঘটবে বলে আমার যে বিশ্বাস তার মূলেও আছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, কারণ আমার ও আমার জাতিসত্তার ভিত্তি স্থাপিত হয়েছে তারই কর্মী হাতের জাদুস্পর্শে। ব্যক্তিত্ব, জীবনশক্তি, সাহস, সংগ্রাম, আদর্শ, প্রেমবোধ, প্রেরণা ও প্রেষণায় তিনি বাংলাভাষী মানব-সম্প্রদায়ের মর্যাদা ও মৌলিকতার প্রতীক। 

জীবিতকালে যেমন, তেমনি মরণোত্তর পর্বের বাঙালি যাপনক্রিয়ায় তিনি উপস্থিত, সরবে এবং সগৌরবে। হাজার বছরের বাঙালি প্রবর্তনাকে সমুদ্রের উন্মস্থনা হিসেবে দেখলে বঙ্গবন্ধু এবং শঙ্খপ্রতীক, যার খোলের ভেতর সমুদ্রের উদাত্ত আহবান। হারিয়ে গেছে হন্তারকের দঙ্গল, বঙ্গবন্ধু আছেন এবং থাকবেন। পনের আগস্টের শোকসন্তপ্ত প্রভাতে শক্তির প্রার্থনায় যুক্ত করি ২৬ কোটি হাত।

(লেখাটি ইতিহাসের মহানায়ক বঙ্গবন্ধু গ্রন্থ থেকে নেয়া)

এএইচ/
 

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি