ঢাকা, রবিবার, ২১ অক্টোবর, ২০১৮ ১:৩৩:১৬

বিএফইউজে ডিইউজের উদ্বেগ, আজ বিক্ষোভ

সম্প্রচার আইন

বিএফইউজে ডিইউজের উদ্বেগ, আজ বিক্ষোভ

মন্ত্রিসভায় সম্প্রচার আইন এবং গণমাধ্যম কর্মী আইন অনুমোদন করায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন-বিএফইউজে ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) একাংশের নেতারা। আইন দুটির অনেক ধারা গণতন্ত্র, গণমাধ্যম, মৌলিক অধিকার ও সংবিধানের পরিপন্থী বলে উল্লেখ করেন সাংবাদিক নেতারা।এক যুক্ত বিবৃতিতে বিএফইউজে সভাপতি রুহুল আমিন গাজী ও মহাসচিব এম আবদুল্লাহ এবং ডিইউজে সভাপতি কাদের গনি চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম এ আহ্বান জানান।এদিকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, সম্প্রচার আইন ও গণমাধ্যম কর্মী আইনের কালো ধারা বাতিলের দাবিতে আজ বুধবার সকাল ১১টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এসএ/  
চুয়েট সাংবাদিক সমিতির সভাপতি তাহমিদ, সম্পাদক রাফাত হাসান

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এর সাংবাদিকদের সংগঠন চুয়েট সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি ঘোষিত হয়েছে। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সৈয়দ তাহমিদ হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন রাফাত হাসান দিগন্ত।   বুধবার (১০ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের পশ্চিম গ্যালারিতে অনুষ্ঠিত সাংবাদিক সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় ২০১৮-১৯ সালের কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়। সাংবাদিক সমিতির সদ্যাবিদায়ী সভাপতি ইনজামাম উল হকের সভাপতিত্বে উক্ত সাধারণ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, চুয়েটের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম।   এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. ফারুক-উজ-জামান চৌধুরী, যন্ত্রকৌশল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. জামাল উদ্দীন আহম্মদ, সাবেক ছাত্রকল্যাণ উপ-পরিচালক অধ্যাপক ড. জি.এম সাদিকুল ইসলাম, শেখ রাসেল হলের প্রভোস্ট ড. মোহাম্মদ কামরুল হাছান প্রমুখ।    অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এটিএম শাহজাহান, পেট্রোলিয়াম এন্ড মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক  হুমায়ুন কবির ও মেকাট্রনিক্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রভাষক আব্দুর রহমান। প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম বলেন, সাংবাদিকতা একটি মহৎ পেশা। সাংবাদিকতাকে সমাজের দর্পণ ও রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ বলা হয়। চুয়েট সাংবাদিক সমিতি সুনামের সাথে তাদের সেই পেশাদারিত্বের পরিচয় দিয়ে যাচ্ছে। ভবিষ্যতেও সেই ধারা অব্যাহত থাকবে বলে আমি বিশ্বাস করি। চুয়েট ভিসি আরও বলেন, বর্তমান ডিজিটালাইজেশনের যুগে অনুমান নির্ভর সংবাদ করার সুযোগ নেই। এখন সবাই অনেক বেশি সচেতন। চাইলে লুকোচুরির সুযোগ নেই। চুয়েটের চলমান অগ্রযাত্রায় সাংবাদিক সমিতির প্রশাসনের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে কাজ করবে বলে প্রত্যাশা করি।   নবগঠিত কমিটিতে অন্যান্যদের মধ্যে মো. আলাউদ্দিন সহ-সভাপতি,রাকিবুল ইসলাম সাংগঠনিক সম্পাদক, আতাহার মাসুম অর্থ সম্পাদক, মনির হোসেন দপ্তর সম্পাদক, সাগর হোসেন প্রচার সম্পাদক এবং মোঃ কামরুজ্জামান রাহাত কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।   কেআই/এসি   

‘আবারও মন্ত্রিসভায় উঠছে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন’

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ৯টি ধারা স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য হুমকি বলে দাবি করেছেন সম্পাদক পরিষদ। এসব ধারার বিষয়ে আলোচনার জন্য আবারও মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে। আজ রোববার সম্পাদক পরিষদের সঙ্গে সরকারের তিন মন্ত্রী ও এক উপদেষ্টার বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন। এ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, প্রধানমন্ত্রীর তথ্যবিষয়ক উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী ও তথ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিব আবুয়াল হোসেন। সম্পাদক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনামের নেতৃত্বে সম্পাদকদের মধ্যে প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান, যুগান্তর-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সাইফুল আলম, নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবির, মানবজমিন সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, নিউজ টুডে সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ, কালের কণ্ঠ সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন, ইনডিপেনডেন্ট সম্পাদক এম শামসুর রহমান, বাংলাদেশ প্রতিদিন-এর সম্পাদক নঈম নিজাম, ইনকিলাবের সম্পাদক এ এম এম বাহাউদ্দীন, বণিক বার্তার সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ, ঢাকা ট্রিবিউন সম্পাদক জাফর সোবহান, সমকাল-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মুস্তাফিজ শফিসহ আরও অনেকেই এ সময় উপস্থিত ছিলেন। আইনমন্ত্রী আনিসুল হক আরও বলেন, আইনের ৮, ২১, ২৫, ২৮, ২৯, ৩১, ৩২, ৪৩ এবং ৫৩ এ ৯টি ধারার বিষয়ে মূলত আজকের আলোচনায় উঠে এসেছে। অন্যান্য ধারার বিষয়ে কারও বক্তব্য নেই। সে ক্ষেত্রে যেহেতু আইনটি ইতোমধ্যে জাতীয় সংসদে পাস হয়ে গেছে। তবে এখনও রাষ্ট্রপতি আইনটিতে স্বাক্ষর করেননি। এরপর খবরের কাগজে এ আইনের বিষয়ে আপত্তি তুলে ধরেছে সম্পাদক পরিষদ। আজকের বৈঠকে ২১ ধারাটা যেভাবে আছে সেভাবেই থাকবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে। বাকি আটটি ধারার ব্যাপারে আমিসহ তথ্যমন্ত্রী এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করবো। এ নিয়ে নতুন করে আলোচনা হতে পারে বলে জানা গেছে। তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেন, বাংলাদেশ ডিজিটাল সমাজে রূপান্তরিত হচ্ছে। এ ডিজিটাল জগতে ডিজিটাল অপরাধীরা উৎপাত ও বিপদ হিসেবে দেখা দিয়েছে। এ অপরাধীদের শক্ত হতে দমন করার জন্য ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন করা হয়েছে। তবে কোনো আইন দ্বারা যদি সাংবাদিকরা ক্ষতিগ্রস্ত হয় সেটি আমাদেরও উদ্বেগ। আমি মনে করি গণমাধ্যমকর্মীদের নিরাপত্তা বিধান করা গণতান্ত্রিক কাজ। উল্লেখ্য, গত ১৯ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে বহুল আলোচিত ডিজিটাল নিরাপত্তা বিল পাস হয়। এদিকে আইন পাস হওয়ার পর সম্পাদক পরিষদসহ সাংবাদিকদের সব সংগঠন এর বিরোধিতা করে। একইসঙ্গে সম্পাদক পরিষদ আইনটি পাস হওয়ায় উদ্বেগ জানিয়ে গত ২২ সেপ্টেম্বর পরিষদের বৈঠক শেষে এক বিবৃতি দেয়। বিবৃতিতে ২৯ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি ঘোষণা করে। পরে গত ২৬ সেপ্টেম্বর তথ্যমন্ত্রী স্বাক্ষরিত একটি চিঠি সম্পাদক পরিষদের সাধারণ সম্পাদকের কাছে পাঠানো হয়। চিঠিতে মানববন্ধন কর্মসূচি স্থগিত করে ৩০ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টায় তথ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আইনটি নিয়ে বৈঠকে বসার আহ্বান জানানো হয়। তথ্যমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দিয়ে সম্পাদক পরিষদ কর্মসূচি স্থগিত রেখে বৈঠকে অংশ নিতে রাজি হয়। এসএইচ/

আমেরিকা-বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের আয়োজনে গণমাধ্যমকর্মীদের আড্ডা

যুক্তরাষ্ট্রে আমেরিকা-বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের আয়োজনে গণমাধ্যমকর্মীদের আড্ডা অনুষ্ঠিত হয়েছে। নিউ ইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে তিতাস পার্টি হলে এ আয়োজনে দেশ ও প্রবাসের সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীরা অংশ নেন। যুক্তরাষ্ট্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফরসঙ্গী গণমাধ্যমকর্মীদের সম্মানে এ অনুষ্ঠান করা হয়েছে বলে আয়োজকরা জানান।       আয়োজক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম ও যুগ্ম সম্পাদক রিজু মোহাম্মদের সঞ্চালনায় এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা লাবলু আনসার। প্রবাসীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহ বাড়াতে সুপারিশ উপস্থাপন করেন ব্রিটিশ-বাংলাদেশি সংসদ সদস্য সেলিম উদ্দিন। তিনি বলেন, “সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছি পৃথক একটি কমিশন গঠনের। যারা শুধু প্রবাসীদের সমস্যা ও বিনিয়োগ প্রকল্প নিয়ে কাজ করবে।” এ দাবি আদায়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সহায়তা কামনা করেন জাতীয় সংসদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিম উদ্দিন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন লেখক ও কলামিস্ট ফকির ইলিয়াস এবং পিপল এন টেকের প্রতিষ্ঠাতা ও কার্যনির্বাহী প্রকৌশলী আবু হানিপ।  প্রধান বক্তা ছিলেন বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন যুক্তরাষ্ট্র শাখার সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের মিয়া। ফকির ইলিয়াস বলেন, “সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্তদের ক্রীড়নক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। এ ব্যাপারে গণমাধ্যমকর্মীদের সজাগ থাকতে হবে। এস কে সিনহার মদদদাতাদের মুখোশ উন্মোচন করতে হবে দেশ ও প্রবাসের গণমাধ্যমকে।”  প্রকৌশলী আবু হানিপ বলেন, “গত দেড় দশকে ৫ হাজারেরও বেশি বাংলাদেশিকে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়ার পর উচ্চ বেতনে চাকরির ব্যবস্থা করেছি। বাংলাদেশের উচ্চতর ডিগ্রি থাকলেও যারা অড জবে জীবিকার বিকল্প দেখছিলেন না, তারা এখন আমেরিকান স্বপ্নের পথে ধাবিত হচ্ছেন।” আব্দুল কাদের মিয়া বলেন, “মিডিয়া হচ্ছে সমাজের বিবেক। রাষ্ট্রের পথনির্দেশনার ক্ষেত্রে ও প্রবাসী কমিউনিটিকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে মিডিয়া ভূমিকা অপরিসীম। সামনের নির্বাচনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রার্থীদের বিজয়ের ব্যাপারে আমেরিকা-বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব সোচ্চার থাকবে বলে আশা করছি।” প্রবাসী সাংবাদিকদের ভূমিকার প্রশংসা করে পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে রূপরেখা দেন একুশে টেলিভিশনের হেড অফ ইনপুট ডক্টর অখিল পোদ্দার। তিনি বলেন, একটি চক্র বিদেশে বসে দেশের সুনাম নষ্ট করতে মারাত্মকভাবে তৎপর। ক্ষুরধার ও প্রতিবাদী লেখনীর মাধ্যমে সাংবাদিকেরা এর বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকা রাখবেন।   আড্ডায় উপস্থিত ছিলেন- এশিয়ান টিভির লাবণ্য ভূইয়া, প্রেস ক্লাবের প্রচার সম্পাদক পপি চৌধুরী, প্রেস ক্লাবের নির্বাচন কমিশনার আকবর হায়দার কিরণ ও রাশেদ আহমেদ, চ্যানেল আইয়ের বিশেষ সংবাদদাতা পান্থ রহমান, গাজী টেলিভিশনের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক সাজু রহমান, বাংলাদেশ প্রতিদিনের রুহুল আমিন রাসেল ও কাজী শাহেদ, নিউজ টোয়েন্টিফোরের শাহ আলী জয় ও ফয়সাল মিল্লাত জামি, বাংলা ভিশনের সাঞ্জিব আহমেদ, এটিএন বাংলার নিয়াজ জামান সজীব ও আকাশ দে, দৈনিক পূর্বাঞ্চলের বিশেষ সংবাদদাতা রফিউল ইসলাম টুটুল, সুজন আহমেদ, কবি তুলি ইলিয়াস, মুক্তিযোদ্ধা আবুল বাশার চুন্নু, সেক্টর কমান্ডার্স ফোরামের হাজী জাফরউল্লাহ, বাংলাদেশ সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন সিদ্দিকী, যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় পার্টির সভাপতি আব্দুর রহমান, জেবিবিএর নেতা ফাহাদ সোলায়মান, বিজনেস ফোরামের নেতা সেলিম উদ্দিন, যুবলীগ নেতা নিজাম উদ্দিন, প্রেস ক্লাবের ভাইস প্রেসিডেন্ট মীর ই শিবলী, কোষাধ্যক্ষ আবুল কাশেম, নির্বাহী সদস্য নিহার সিদ্দিকী, আজিমউদ্দিন অভি ও কানু দত্ত, সদস্য মিজানুর রহমান, শাহাদৎ হোসেন সবুজ, আনিসুর কবীর জাসির, লিটু রহমান, তপন চৌধুরী এবং আমজাদ হোসেন।   এসি    

বাস চাপায় একাত্তর টিভির কর্মকর্তা নিহত 

রাজধানীতে ভিআইপি পরিবহন নামে একটি বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে একাত্তর টেলিভিশনের মার্কেটিং অ্যান্ড সেলস বিভাগের নির্বাহী কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন নিহত হয়েছেন। শনিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে মহাখালী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।     কাফরুল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিকদার মোহাম্মদ শামীম গণমাধ্যমকে জানান, আজ (শনিবার) সকালে বাসটি (ঢাকা মেট্রো ব ১১-৭১৩৬) প্রথমে একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশাকে ধাক্কা দেয়। ফলে সেটা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মোটর সাইকেল আরোহী আনোয়ারের উপর উঠিয়ে দেয়। এতে আনোয়ারসহ সিএনজি চালিত অটোরিকশায় থাকা আরও একজন আহত হন। এরপর পথচারীরা আহত দু’জনকে উদ্ধার করে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আনোয়ারের মৃত্যু হয়। প্রাথমিকভাবে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত অপর ব্যক্তির নাম-পরিচয় জানা যায়নি। এ ঘটনায় ঘাতক বাস ও বাসের চালক সুজনকে আটক করা হয়েছে বলেও জানান ওসি ।  কেআই/এসি    

জবি মিডিয়া ক্লাবের সভাপতি সরোয়ার, সম্পাদক মহিউদ্দিন  

বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংগঠন জবি মিডিয়া ক্লাবের প্রথম কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে সভাপতি পদে সর্বসম্মতিক্রমে দৈনিক কালের কন্ঠের সরোয়ার আলম ও সাধারণ সম্পাদক পদে জিটিভির মহিউদ্দিন আহমেদকে নির্বাচিত করা হয়েছে। মঙ্গলবার বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) কার্যালয়ে সাধারণ সভায় নতুন কমিটি গঠন ও ক্লাবের গঠনতন্ত্র অনুমোদন দেওয়া হয়।     ২৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটিতে সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে আলাউদ্দিন আরিফ (বাংলা টিভি), সহ-সভাপতি আতাউর রহমান (সমকাল), সিনিয়র যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক আকতার হোসেন (ভোরের ডাক), যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক কাজী জেবেল (যুগান্তর) নির্বাচিত হয়েছেন। কোষাধ্যক্ষ পদে এসকে রেজা পারভেজ (রাইজিংবিডি), সাংগঠনিক সম্পাদকে মহসীন ব্যাপারী (বাসস), দপ্তর সম্পাদক পদে রাশিম মোল্লা (মানবজমিন) দায়িত্ব পেয়েছেন। একইসঙ্গে প্রশিক্ষণ ও গবেষণা সম্পাদক হিসেবে আক্তার হোসেন (সংগ্রাম), প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আসাদ রহমান (আমাদের সময়), ক্রীড়া ও সাংস্কৃতি সম্পাদকে জাকির হোসেন (আজকালের খবর), সমাজকল্যাণ সম্পাদকে মাসুদ রানা (বিটিভি) ও নারী বিষয়ক সম্পাদক শাহনাজ পারভীন এলিস (ইন্ডিপেনডেন্ট টিভি) নির্বাচিত হন। এছাড়া কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে আছেন আব্দুল হাই তুহিন (সংবাদ প্রতিদিন), নাজমুল ইসলাম (শেয়ার বিজ), সৈকত সাদিক (দেশ টিভি), কাজী মোস্তাফিজ (দিগন্ত টিভি), শহিদুল ইসলাম রাজি (নয়াদিগন্ত), সোলাইমান সালমান (ডেইলি সান), জুনায়েদ শিশির (বার্তা২৪), কাজী মোবারক হোসেন (বিডিনিউজ), আরিফ হোসেন (চ্যানেল নাইন), উৎপল দাস (ভোরের পাতা) ও গোলাম মোস্তফা (জনকন্ঠ)। এসি   

মানববন্ধন করবেন সম্পাদকরা

প্রতিবাদ এবং আপত্তির মুখেও জাতীয় সংসদে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পাসের প্রতিবাদে এবার মানববন্ধনের ডাক দিয়েছেন সম্পাদকরা। আজ শনিবার বিকেলে সম্পাদক পরিষদের এক জরুরি বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। জানা গেছে, আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর সকাল ১১ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক নঈম নিজাম জানান, ২৯ সেপ্টেম্বর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হবে মিটিংয়ে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আমাদের আর আলাদা করে কোনো কর্মসূচি নেই, ওই কর্মসূচিতে সব সাংবাদিককে অংশ নেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছি। যুগান্তরের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সাইফুল আলমও বলেন, প্রেসক্লাবের সামনে এই কর্মসূচি পালন করা হবে। নিউজটুডে’র সাবেক সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সম্পাদক পরিষদের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন- প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান, মানবজমিন প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, সংবাদের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক খন্দকার মুনীরুজ্জামান, নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবীর, কালের কণ্ঠ সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন, বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক নঈম নিজাম, ইনকিলাব সম্পাদক এ এমএম বাহাউদ্দিন, নয়াদিগন্ত সম্পাদক আলমগীর মহিউদ্দিন, আজাদী সম্পাদক এম এ মালেক, করতোয়া সম্পাদক মোজাম্মেল হক, যুগান্তরের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সাইফুল আলম, বণিক বার্তা সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ, সমকালের সহযোগী সম্পাদক সবুজ ইউনূস ও ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের যুগ্ম সম্পাদক শামসুল হক জাহিদ প্রমুখ। এসএইচ/

চট্টগ্রাম সমিতি-ঢাকা ও সিজেএফডির মতবিনিময়

ঐতিহ্যমণ্ডিত শতবর্ষী সামাজিক সংগঠন চট্টগ্রাম সমিতি-ঢাকা ও চিটাগাং জার্নালিস্ট ফোরাম-ঢাকা (সিজেএফডি) এর মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকাল ১১টায় ৩২ তোপখানা রোডস্থ চট্টগ্রাম ভবনের সভা কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সমিতির সভাপতি ও সাবেক নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মোবারকের সভাপতিত্বে এবং সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুল মাবুদের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভা শুরু হয়। সভার সূচনা বক্তব্যে সমিতির সহ-সভাপতি ও মতবিনিময় সভায় আহ্বায়ক সৈয়দ নুরুল ইসলাম আগামী ৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠেয় সমিতির মেজবান ও মিলমেলায় সিজেএফডি পরিবারের সব সদস্যকে অগ্রিম দাওয়াত প্রদান করেন। তিনি চট্টগ্রাম সমিতি-ঢাকা ও চিটাগাং জার্নালিস্ট ফোরাম-ঢাকা (সিজেএফডি) এর মধ্যে সার্বিক বিষয়ে আন্তরিক সহযোগিতা অটুট থাকার দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন। মতবিনিময় সভায় চিটাগাং জার্নালিস্ট ফোরাম-ঢাকা (সিজেএফডি) পরিবারের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সদস্য উপস্থিত থেকে বিভিন্ন বিষয়ে প্রস্তাব ও মতামত তুলে ধরেন। সিজেএফডির পক্ষ থেকে সাধারণ সম্পাদক শামীম জাহাঙ্গীর-ডেইলি সান, শাহীন উল ইসলাম চৌধুরী-বিজয় টিভি, শাহেদ সিদ্দিকী-ডেইলি ইনডিপেনেডন্ট, মো. মোস্তফা কামাল-ইউএনবি, আনিস আলমগীর, তৌহিদুর রহমান-একুশে টেলিভিশন, কাফি কামাল-মানবজমিন, মামুন আবদুল্লাহ-ইনডিপেন্ডেন্ট টিভি, বাকের হোসাইন, অনুপ খাস্তগীর-বাসস, টইটম্বুরের উপদেষ্টা শিল্পী সবিহ-উল আলম, নিজাম উদ্দিন-ডেইলি অবজারভারসহ আরও অনেকে বক্তব্য রাখেন। সমিতির পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন, সাবেক সভাপতি মো. আবদুল করিম, ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আবু আলম চৌধুরী, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এম. ওয়াহিদ উল্লাহ, নির্বাহী সদস্য ইঞ্জিনিয়ার তাজুল ইসলাম চৌধুরী প্রমুখ। বক্তারা বৃহত্তর চট্টগ্রামের উন্নয়ন ও সমস্যা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণার্থে চট্টগ্রাম সমিতি-ঢাকা ও সিজেএফডি যৌথভাবে হেল্পডেস্ক বসানোসহ বিষয়ভিত্তিক সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, ওয়ার্কশপ ইত্যাদির আয়োজন করার গুরুত্ব তুলে ধরেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন- সমিতির ট্রাস্টি বোর্ডের ভাইস-চেয়ারম্যান আবদুল করিম, সদস্য মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী, উপদেষ্টা পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান প্রফেসর হান্নানা বেগম, সদস্য ড. দীপক কান্তি চৌধুরী, মুহাম্মদ মারুফ শাহ্ চৌধুরী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও হাসপাতাল কমিটির সদস্য-সচিব মো. মহিউল ইসলাম, সাবেক নির্বাহী সদস্য মেসবাহ উদ্দীন জঙ্গী। নির্বাহী পরিষদের সহ-সভাপতি সাইফুদ্দিন মোহাম্মদ খালেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম. সাইফুদ্দিন আহমদ (বাবুল), শফিকুর রহমান শফিক, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ফরিদুল আলম, ক্রীড়া সম্পাদক মহিউদ্দিন আহমদ চৌধুরী, স্বাস্থ্য ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক মো. মামুনুর রশীদ রাসেল, মানব সম্পদ উন্নয়ন সম্পাদক মোহাম্মদ শাহজাহান (মন্টু), মহিলা ও শিশুবিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট আনিচ উল মাওয়া (আরজু), নির্বাহী সদস্য মোহাম্মদ হাবিবুল কবির চৌধুরী, মো. শাহাদাত হোসেন চৌধুরী (হিরো), মো. কামাল হোসেন তালুকদার, মো. গিয়াস উদ্দীন চৌধুরী, আবরাজ নুরুল আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। কেআই/ এসএইচ/    

বিআইএমএস অ্যাওয়ার্ড পেলেন মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল (ভিডিও)

বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল মেডিয়েশন সোসাইটি (বিআইএমএস) প্রবর্তিত প্রথম ডিস্টিংগুইস্ট জার্নালিস্ট অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন একুশে টেলিভিশনের প্রধান সম্পাদক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মনজুরুল আহসান বুলবুল। পদক গ্রহণ শেষে মহাত্মা গান্ধীর উদ্ধৃতি দিয়ে মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল বলেন, সাংবাদিকতা সমাজের সব অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের হাতিয়ার। ঢাকায় প্রথম আন্তর্জাতিক শান্তি সম্মেলনের আয়োজন করে বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল মেডিয়েশন সোসাইটি- বিআইএমএস। সালিশ কিংবা আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ নিস্পত্তির মাধ্যম হিসেবে মেডিয়েশন অ্যাক্ট বাস্তবায়নে প্রশিক্ষণ ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষে আয়োজিত এই সম্মেলনে অংশ নেন কানাডা, ভারত, নেপালসহ বেশ কয়েকটি দেশের আইনজীবী, শিক্ষাবিদ ও বিশিষ্টজন। সম্মেলন থেকে প্রথমবারের মতো এই পুরস্কার দেওয়া দেয় বিআইএমএস। পুরস্কার গ্রহণ শেষে সাংবাদিকতার অনুপ্রেরণা হিসেবে অন্যায় ও সহিংসতার বিরুদ্ধে সাহসী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে মনজুরুল আহসান বুলবুল বলেন, মহাত্মা গান্ধীর অহিংস নীতি এবং মার্টিন লুথার কিংয়ের উদ্ধৃতি দিয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় আত্মনিবেদনের আহ্বান জানান সম্মেলনের প্রধান অতিথি। এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও জিনদাল গ্লোবাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. রামিন জাহানবেগলু। সম্মেলনের দ্বিতীয়ার্ধে মেডিয়েশনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন কানাডার এক শিক্ষাবিদ। এমজে/

বাংলাদেশের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের যে তথ্যগুলো জানা দরকার

বাংলাদেশের পার্লামেন্টে বুধবার পাস হয়েছে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮, যে আইনের প্রস্তাবের পর থেকেই উদ্বেগ, বিতর্ক আর সমালোচনা চলছে। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তফা জব্বার বিলটি পাসের জন্য সংসদে উত্থাপন করলে কণ্ঠভোটে পাস হয়। আইনটি প্রস্তাবের পর থেকেই উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছেন গণমাধ্যম এবং সামাজিক মাধ্যমের কর্মীরা। তাদের আশঙ্কা, আইনটির অনেক ধারায় হয়রানি ও অপব্যবহার হতে পারে। তবে, জব্বার সংসদে দাবী করেছেন, সংবাদকর্মীরা যেসব বিষয় নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, তা সংশোধন করা হয়েছে। • ডিজিটাল মাধ্যমে প্রকাশিত বা প্রচারিত কোনো তথ্য-উপাত্ত দেশের সংহতি, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা, ধর্মীয় মূল্যবোধ বা জন শৃঙ্খলা ক্ষুণ্ণ করলে বা জাতিগত বিদ্বেষ ও ঘৃণা সৃষ্টি করলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী তা ব্লক বা অপসারণের জন্য টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসিকে অনুরোধ করতে পারবে। এক্ষেত্রে পুলিশ পরোয়ানা বা অনুমোদন ছাড়াই তল্লাশি, জব্দ এবং গ্রেফতার করতে পারবে। আইনটি গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকে ব্যাহত করবে বলে উদ্বেগ জানিয়ে আসছে সম্পাদকদের পরিষদ• আইনে অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট যুক্ত করা হয়েছে। ফলে কোনো সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বা সংবিধিবদ্ধ সংস্থার অতি গোপনীয় বা গোপনীয় তথ্য-উপাত্ত ধারণ, প্রেরণ বা সংরক্ষণ করা হয়, বা প্রকাশ করে বা কাউকে করতে সহায়তা করে ওই আইন ভঙ্গ করলে এই আইনে সর্বোচ্চ ১৪ বছরের সাজা হতে পারে, ২৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড হতে পারে। • কোনো সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বা সংবিধিবদ্ধ সংস্থার অতি গোপনীয় বা গোপনীয় তথ্য-উপাত্ত যদি কম্পিউটার, ডিজিটাল ডিভাইস, ডিজিটাল নেটওয়ার্ক বা অন্য কোন ইলেকট্রনিক মাধ্যমে ধারণ, প্রেরণ বা সংরক্ষণ করা হয়, তাহলে তা গুপ্তচরবৃত্তি বলে গণ্য হবে এবং এজন্য ৫ বছরের কারাদণ্ড বা ১০ লাখ টাকা জরিমানা হতে পারে। ফেসবুকে মানহানিকর বা অবমাননাকর বক্তব্যের জন্য প্রস্তাবিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রয়েছে• আইন অনুযায়ী ডিজিটাল মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধ বা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বা জাতির পিতার নামে প্রোপাগান্ডা বা প্রচারণা চালালে বা মদদ দিলে অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড বা এক কোটি টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে।• ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে আক্রমণাত্মক, মিথ্যা, ভীতি প্রদর্শক তথ্য-উপাত্ত প্রকাশ, মানহানিকর তথ্য প্রকাশ, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত, আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটানো, ঘৃণা প্রকাশ, অনুমতি ছাড়া ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ, প্রকাশ বা ব্যবহার করলে জেল জরিমানার বিধান রয়েছে। এসব ক্ষেত্রে তিন থেকে সাত সাত বছরের কারাদণ্ড, জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে। দ্বিতীয়বার এরকম অপরাধ করলে ১০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।• ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে প্রতারণা করলে অনধিক ৫ বছরের কারাদণ্ড, ৫ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয়দণ্ড হতে পারে। নতুন আইনে বলা হয়েছে, ডিজিটাল মাধ্যমে কি করা যাবে আর কি করা যাবে না• কম্পিউটার হ্যাকিংয়ের বিষয়েও বিধান রয়েছে এই আইনে। সেখানে ১৫ ধারায় বলা হয়েছে, কম্পিউটার, কম্পিউটার প্রোগ্রাম. কম্পিউটার সিস্টেম বা কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা ডিভাইস, ডিজিটাল সিস্টেম বা ডিজিটাল নেটওয়ার্কে প্রবেশাধিকার ব্যাহত করে, এমন ডিজিটাল সন্ত্রাসী কাজের জন্য অপরাধী হবেন এবং এজন্য অনধিক ১৪ বছর কারাদণ্ড অথবা এনধিক এক কোটি অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।• ছবি বিকৃতি বা অসৎ উদ্দেশ্যে ইচ্ছেকৃতভাবে বা অজ্ঞাতসারে কারো ব্যক্তিগত ছবি তোলা, প্রকাশ করা বা বিকৃত করা বা ধারণ করার মতো অপরাধ করলে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। ইন্টারনেটে পর্নগ্রাফি ও শিশু পর্নগ্রাফির অপরাধে সাত বছর কারাদণ্ড বা পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে। • কোন ব্যাংক, বীমা বা আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান থেকে কোন ইলেকট্রনিক বা ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে আইনানুগ কর্তৃত্ব ছাড়া অনলাইন লেনদেন করলে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড, পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে। বাংলাদেশের আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, `সাইবার অপরাধ নিয়ন্ত্রণের জন্য ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন`• বাংলাদেশ বা বিশ্বের যেকোনো বসে বাংলাদেশের কোন নাগরিক যদি এই আইন লঙ্ঘন করেন, তাহলেই তার বিরুদ্ধে এই আইনে বিচার করা যাবে। • ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বিচার হবে বিশেষ ট্রাইব্যুনালে। অভিযোগ গঠনের ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে মামলার নিষ্পত্তি করতে হবে। তবে এর মধ্যে করা সম্ভব না হলে সর্বোচ্চ ৯০ কার্যদিবস পর্যন্ত বাড়ানো যাবে। তথ্যসূত্র: বিবিসি। এসএইচ/

 ‘বাংলাদেশ জিজ্ঞাসা’ : চ্যাম্পিয়নের জন্য কোটি টাকা পুরস্কার

সাতচল্লিশ বছরে বাংলাদেশের অর্জন, সাফল্য, ব্যর্থতা—সব মিলিয়ে আমরা কে, কী, কখন, কোথায়, কেন, কীভাবে আছি এসব প্রশ্ন আর তার উত্তর নিয়ে ইনডিপেনডেন্ট টিভিতে শুরু হচ্ছে কুইজ শো ‘বাংলাদেশ জিজ্ঞাসা’। আসছে ১২ অক্টোবর থেকে প্রতি শুক্র ও শনিবার রাত ১০টায় ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনে অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। কুইজ শো চ্যাম্পিয়ন পাবেন এক কোটি টাকা পুরস্কার। কমপক্ষে ১৮ বছর বয়সী বাংলাদেশি যে কোন নাগরিক অনলাইনে নিবন্ধন করে শো-তে অংশ নিতে পারবেন। ১৯ সেপ্টেম্বর নিবন্ধন শুরু হয়েছে। শেষ হবে ২৭ সেপ্টেম্বর রাত ১০টায়। রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশন কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে কুইজ শো-র বিস্তারিত তুলে ধরেন ইনডিপেন্টে টেলিভিশনের সিইও অ্যান্ড এডিটর-ইন-চিফ এম শামসুর রহমান এবং স্পন্সর প্রতিষ্ঠান আইএফআইসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ আলম সারওয়ার। এ সময় উপস্থিত থেকে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের নির্বাহি সম্পাদক খালেদ মুহিউদ্দিন। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ‘বাংলাদেশ জিজ্ঞাসার’ প্রথম পর্ব থেকে চূড়ান্ত পর্ব পর্যন্ত প্রতিটি পর্বের অংশগ্রহণকরীর জন্য থাকছে বিভিন্ন অঙ্কের  পুরস্কার। পুরো প্রতিযোগিতায় মোট ১ কোটি ৭৭ লাখ টাকার পুরস্কার পাবেন অংশগ্রহণকারীরা। পাশাপাশি থাকছে দর্শকদের জন্যও আকর্ষণীয় পুরষ্কার। কুইজ শো-তে অংশগ্রহণের জন্য অনলাইন রেজিস্ট্রেশন ফরম ইতোমধ্যেই  উন্মুক্ত করা হয়েছে।  ১৮ বছরের উর্ধ্বে বাংলাদেশের যে কোনো নাগরিক ‘বাংলাদেশ জিজ্ঞাসা’ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ২৭ সেপ্টেম্বর রাত ১০টা পর্যন্ত কুইজ শো-’র ওয়েবপেজ  www.bangladeshjiggasha.com এ নিবন্ধন করতে পারবেন। ইনডিপেনডেন্ট টিভির ওয়েবপেজ www.independent24.com এবং ফেসবুক পেজের www.facebook.com/IndependentTVNews মাধ্যমেও প্রতিযোগিতার জন্য  নিবন্ধন করা যাবে। নিবন্ধিত ব্যক্তিদের জন্য ‘বাংলাদেশ জিজ্ঞাসার’ ওয়েব পেইজে আগামী ২৮, ২৯ এবং ৩০ তারিখ অনলাইন পরীক্ষার উইন্ডো খোলা হবে। সেখানে লগ ইন করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরীক্ষা শেষ করতে হবে। একজন ব্যক্তি একবারই এ পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন। অনলাইন প্রতিযোগিতায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে বাছাই করা প্রতিযোগীরা দ্বিতীয় ধাপে বিভাগীয় প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়ার সুযোগ পাবেন। ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, ময়মনসিংহ ও রংপুরে একযোগে বিভাগীয় পর্যায়ের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এখান থেকেই ‘বাংলাদেশ জিজ্ঞাসা’ মঞ্চে আসার সুযোগ পাবেন ৮টি বিভাগ থেকে বাছাই করা ৮ জন করে মোট ৬৪ জন প্রতিযোগী। বিভাগীয় পরীক্ষার স্থান ও সময় পরে ঘোষণা করা হবে। পুরস্কার হিসাবে চ্যাম্পিয়ন পাবেন এক কোটি টাকা।  প্রথম রানার-আপ পাবেন ২৫ লাখ টাকা। দ্বিতীয় ও তৃতীয় রানার আপ পাবেন যথাক্রমে ১৫ ও ৫ লাখ টাকা।  সেমিফাইনালে বিদায়ী ৪ জন ২ লাখ টাকা করে মোট ৮ লাখ টাকা, কোয়ার্টার ফাইনালে বিদায়ী  ৮ জন ১ লাখ টাকা করে মোট ৮ লাখ টাকা, দ্বিতীয় রাউন্ডে বিদায়ী  ১৬ জন ৫০ হাজার টাকা করে মোট ৮ লাখ টাকা, প্রথম রাউন্ডে বিদায়ী ৩২ জন ২৫ হাজার টাকা করে মোট ৮ লাখ টাকা পাবেন।   এসএইচ/

‘সৃষ্টিশীল মানসিকতাই দূর করে সাংবাদিকতার সব প্রতিবন্ধকতা’

প্রতিনিয়ত নতুন নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবন ও তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশের কারণে সাম্প্রতিক সময়ে সাংবাদিকতায় নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ আসছে। সম্প্রচার সাংবাদিকতা স্বর্ণযুগে প্রবেশ করছে। এ সময়ে প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও সক্ষমতা না থাকলে পেশায় টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়বে সাংবাদিকদের জন্য। আর, সাংবাদিকতায় মেয়েদের বড় চ্যালেঞ্জ মানসিকতা তৈরি না হওয়া। যারা কাজ করছেন বা নারীদের যারা নির্দেশনা দিচ্ছেন- উভয় শ্রেণিরই পেশাগত আচরণে ঘাটতি রয়ে যাচ্ছে। মোটাদাগে মনে হয় অনেক নারী আসছে, কাজ করছে। কিন্তু ভেতরের চিত্র ভিন্ন। শুধু গ্লামারের আকর্ষণেই ঝাঁকে ঝাঁকে আসছে। কিন্ত সাংবাদিকতার কঠিন পথটি পাড়ি দেবার প্রস্তুতি নেই বেশিরভাগেরই। এই পেশায় অনেক প্রশিক্ষণ আর পড়াশোনার দরকার। কিন্তু দুঃখজনকভাবে এটি হচ্ছে না। যা এই পেশায় টিঁকে থাকার বড় বড় চ্যালেঞ্জ। বলছিলেন দেশের বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল একাত্তরের সিনিয়র রিপোর্টার শামীমা দোলা। গত ১৬ আগস্টে তিনি সিডব্লিউবিটিএ-ইন্ডিয়া বাংলাদেশ বিজনেস এক্সিলেন্স এওয়ার্ড ২০১৮ জয় করলেন। দোলাই একমাত্র বাংলাদেশি, যিনি সাংবাদিকতায় এই এওয়ার্ড বিজয়ী। ব্যবসা-বাণিজ্য ক্যাটাগরিতে অবশ্য আরেকজন বাংলাদেশি ব্যবসায়ী আলমগীর কবিরও এই পুরস্কার লাভ করেন। কোলকাতা প্রেসক্লাবের সভাপতি স্নেহাশীষ সুর, দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের সিনিয়র সাংবাদিক আম্বার মুখার্জী, টাইমস অব ইন্ডিয়ার উদিপ্ত প্রসন্ন মুখার্জী আর তারকেশ মিশ্রকেও দেওয়া হয় এই সম্মাননা। কোলকাতায় গ্র্যান্ড ওবেরয় হোটেলে এই পুরস্কার তুলে দেন পশ্চিমবঙ্গের গণপূর্তমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। ওই অনুষ্ঠানেই শামীমা দোলার লেখা প্রথম বই ‘বারোয়ারি সময়’ এর মোড়ক উন্মোচন করা হয়। এক যুগেরও বেশি সময় ধরে দৈনিক আমাদের সময়, রেডিও আমার, এবিসি রেডিও এবং বৈশাখী টেলিভিশনেও কাজ করেছেন। যদিও আর কজনের মতোই ক্যারিয়ারের শুরুটা ছিল ভিন্নতালে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করে চাকরি শুরু করেন একটি বেসরকারি শিপিং কোম্পানিতে। কাজ করেন একটি বেসরকারি ব্যাংকেও। তবে তাতে যেন অসম্পূণতা রয়ে যাচ্ছিল। একঘেঁয়ে মনে হলে ছেড়ে দেন আকর্ষণীয় সব চাকরি। দীর্ঘ পেশাগত জীবনে তিনি বাংলাদেশের পাশাপাশি বিশ্বব্যাপী অনেক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার সংবাদ সংগ্রহ করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর সফর সঙ্গী হয়ে জাতিসংঘের অধিবেশনের সংবাদ সংগ্রহসহ ঘুরে বেড়িয়েছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, মালয়েশিয়াসহ পনেরটির দেশ। বাংলাদেশ-ভারতের আন্তঃবাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক, আন্তঃযোগাযোগ- এসব নিয়ে বিশ্লেষণধর্মী রিপোর্টিং করেন শামীমা দোলা। সংবাদ উপস্থাপনা, বাণিজ্য ও অর্থনীতি বিষয়ে টেলিভিশনে অনুষ্ঠান সঞ্চালনাও করেছেন তিনি। শামীমা দোলা অর্থনীতি বিষয়ে রিপোর্টিংয়ের জন্য বেশ কিছু সম্মাননা ও পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। যার মধ্যে রয়েছে-এনবিআর পুরস্কার-২০১৭, সমধারা সম্মাননা-২০১৬, বাংলাদেশ মহিলা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সেরা প্রতিবেদক পুরস্কার ২০১৫-১৬। চলতি মাসেই তিনি বাংলাদেশের একশন এইড- ইকোনোমিক রিপোর্টার্স ফোরাম ইআরএফ মিডিয়া ফেলোশীপ ২০১৮ পান। টেলিভিশন সাংবাদিকতার পাশাপাশি লেখালেখিও করেন উদ্যোমী এই গণমাধ্যম কমী। বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক আর অনলাইন নিউজ পোর্টালে তার বিশ্লেষণধমী নানা লেখা পাঠক প্রিয়তা পেয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে গবেষণাধর্মী কাজও করেছেন তিনি। নির্বাচিত লেখাগুলো নিয়েই তৈরি হয়েছে বৈচিত্রধর্মী গ্রন্থ ‘ বারোয়ারী সময়। দেশে প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি পেতে সাংবাদিকতা পেশার যখন কাঠখড় পোহাতে হচ্ছে অনেক, সে সময়ে নারীদের সাংবাদিকতায় এগিয়ে যাওয়া কি বাড়তি চ্যালেঞ্জ নয়- এমন প্রশ্নের উত্তরে আত্মপ্রত্যয়ী এই সংবাদ কমীর উত্তর, সাংবাদিকতায় নির্দিষ্ট, ধরা-বাধা কোন কাজ নেই। প্রতিদিন নতুন এসাইনমেন্ট, নতুন কাজ, নতুন নতুন তথ্যে ঝালাই করে নিতে হয় নিজেকে। রয়েছে শেখার বহুমুখী বিষয়। এক ঘেয়ে পেশার বাইরে দেশ, রাষ্ট্রের, সমাজের তথা মানুষের কল্যাণে কাজের সুযোগ আছে এই পেশায়। রয়েছে সৃজনশীলতার সুযোগও। একটি রিপোর্টের কারণে অনেক বড় বড় অনিয়ম তুলে ধরে নীতি পরিবর্তনের মত কাজ এই পেশাতেই সম্ভব। যেখানে কঠোর পরিশ্রম বড় হওয়ার বড় সাফল্য বলে মনে করেন শামীমা দোলা। দোলা মনে করেন, সাংবাদিকের কাজ শুধু বিনোদন দেওয়া কিংবা তথ্যের মাধ্যমে মানুষের ক্ষমতায়ন নয়। সঠিক তথ্য প্রকাশের মাধ্যমে পরিবর্তন আনতে ভূমিকা রাখতে হবে সাংবাদিকদের। আধুনিক প্রযুক্তির কারণে সম্প্রচার সাংবাদিকতা এখন আর টেলিভিশনের পর্দাতেই সীমাবদ্ধ নেই। নিজস্ব ওয়েবসাইট ও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতেও এসব খবর তুলে ধরা হচ্ছে। সেখানে সামান্যতম ভুলের অবকাশ নেই। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোর মাধ্যমে সাধারণ মানুষও এখন তথ্য সংগ্রহ প্রক্রিয়ার অংশ হয়ে পড়েছে। এসব ও যাগাযোগ মাধ্যম প্রাথমিক তথ্যের উৎস হিসেবে আবির্ভূত হওয়ায় সাংবাদিকদের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। তবে দোলার অভিজ্ঞতা বলছে, পেশাগত উৎকর্ষতায় সেরা যারা, অন্যের অপপ্রচার কিংবা ঈর্ষারও কারণ হয়ে উঠছেন তারা। যে পথে বাড়তি অনেক চ্যালেঞ্জই রয়ে যাচ্ছে নারী সাংবাদিকদের। তবে, লক্ষ্য অটুট রেখে পা ফেলতে হবে সামনের দিকেই। ধারণ করতে হবে ইতিবাচক মানসিকতার।   এসএইচ/

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি