ঢাকা, শনিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ৫:৩০:৪৮

সাগর-রুনি হত্যার সাত বছর কাল

সাগর-রুনি হত্যার সাত বছর কাল

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি। ওইদিন সকালে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে ভাড়াবাসায় মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনির ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার হয়। ঘটনাস্থলে এসে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে খুনিদের গ্রেপ্তার করার কথা বলেছিলেন তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন। কিন্তু এরপর কেটে গেছে প্রায় সাত বছর। আজও রহস্যের জট খুলছে না।আগামীকাল সোমবার ১১ ফেব্রুয়ারি। অপেক্ষার সাতটি বছর পার হবে তাদের পরিবারের। কিন্তু বাসার ভেতর চাঞ্চল্যকর এই জোড়া খুনের বিচার তো দূরের কথা, রহস্যের জটই খুলল না এত বছরে। তদন্ত শেষ করে খুনিদের বিচারের মুখোমুখি করতে আর কত অপেক্ষা করতে হবে- সে বিষয়েও তদন্ত-সংশ্নিষ্টদের কাছ থেকে নিশ্চিত কোনো আভাস মিলছে না। এমন পরিস্থিতিতে সাগর-রুনির পরিবার, স্বজনের সঙ্গে তার সহকর্মীরাও হতাশ। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এ দীর্ঘ সময়ে তদন্ত সংস্থা বদলেছে, তদন্ত কর্মকর্তা বদল হয়েছেন কয়েকবার। ৬১ বার আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখও বদল হয়েছে। কোটি টাকা খরচ করে বিদেশ থেকে আলামত পরীক্ষাও করা হয়েছে। এতসব কার্যক্রমের মধ্যেও চাঞ্চল্যকর ওই জোড়া খুনের তদন্ত আটকে আছে আগের জায়গাতেই- খুনি চিহ্নিত হয়নি, খুনের রহস্যও ভেদ করা যায়নি দীর্ঘ সাত বছরে। থানা পুলিশ এবং গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ব্যর্থতার পর বর্তমানে আদালতের নির্দেশে মামলাটি তদন্ত করছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ভোরে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া ফ্ল্যাট থেকে সাগর-রুনির ছুরিকাহত ক্ষত-বিক্ষত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নৃশংস ওই হত্যাকাণ্ডের সময় বাসায় ছিল সাংবাদিক দম্পতির একমাত্র সন্তান মিহির সরওয়ার মেঘ। ওই সময়ে তার বয়স ছিল সাড়ে চার বছর।চাঞ্চল্যকর ওই জোড়া খুন মামলার সর্বশেষ তদন্তের বিষয়ে র‌্যাবের মুখপাত্র কমান্ডার মুফতি মাহমুদ খান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘সাগর-রুনি হত্যার রহস্য উদ্ঘাটনে সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ চলছে। আদালতে অগ্রগতি প্রতিবেদন দেওয়া হচ্ছে। সেই আলোকে তদন্ত এগিয়ে চলছে।’তদন্ত-সংশ্নিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহূত ছুরি, বঁটি, ছুরির বাঁট, সাগর-রুনির পরনের কাপড় ও সাগরের হাত-পা বাঁধা কাপড় জব্দ করে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়েছিল। হত্যায় সন্দেহভাজন কয়েক ব্যক্তির ডিএনএ নমুনাও বিদেশি ল্যাবে পাঠানো হয়। এসব পরীক্ষার প্রতিবেদন তদন্ত সংস্থার হাতে এসেছে। তবে তা দিয়ে আসামি শনাক্তের জন্য আপাতত তেমন কার্যকর ক্লু মেলেনি। মামলার বাদী নওশের আলম রোমান বলেন, শুরু থেকে যা ছিল, তদন্ত এখন সে অবস্থাতেই আছে। দীর্ঘদিন তদন্ত সংস্থা তার সঙ্গে যোগাযোগ না করলেও সম্প্রতি নতুন একজন তদন্ত কর্মকর্তা বাসায় গিয়ে তথ্য নিয়েছেন। এর বাইরে তিনি কিছু জানেন না।রুনির মা নুরুন্নাহার মির্জা বলেন, ‘মেয়ে ও জামাতার হত্যার বিচার চেয়ে কেঁদে কেঁদে সাতটি বছর পার করছেন। সন্তান হারানোর শোকে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। আদৌ বিচার পাবেন কি-না, সেই শঙ্কাটাই এখন বড় হয়ে উঠেছে।’ উল্লেখ্য, জোড়া খুনের ঘটনায় রুনির ভাই নওশের আলম রোমান বাদী হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। শুরুতে মামলাটি তদন্ত করে শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ। চার দিনের মাথায় তদন্তের দায়িত্ব পায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। ৬২ দিনের মাথায় সংস্থাটি আদালতে তদন্তকাজে নিজেদের ব্যর্থতা স্বীকার করলে উচ্চ আদালতের নির্দেশে ২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল মামলাটি র‌্যাব তদন্ত শুরু করে। ওই বছরের ২৬ এপ্রিল পুনঃময়নাতদন্তের জন্য কবর থেকে সাগর-রুনি দম্পতির লাশ তোলা হয়। লাশের ভিসেরা আলামতসহ আরও কিছু নমুনা সংগ্রহ করে র‌্যাবের তদন্ত দল। তদন্তের দায়িত্ব পাওয়ার ৬ মাসের মধ্যেই র‌্যাব বনানী থানার একটি হত্যা ও ডাকাতি মামলায় গ্রেফতার থাকা পাঁচ আসামি মিন্টু, বকুল মিয়া, কামরুল হাসান অরুণ, রফিকুল ইসলাম ও আবু সাঈদকে গ্রেফতার দেখিয়ে রিমান্ডে নেয়। এ ছাড়া ওই মামলায় বিভিন্ন সময়ে রুনির কথিত বন্ধু তানভীর রহমান, বাড়ির দারোয়ান পলাশ রুদ্র পাল এবং দারোয়ান এনাম আহমেদ ওরফে হুমায়ুন কবিরকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের মধ্যে অনেকেই এখন জামিনে আছেন।এসএ/  
সাংবাদিকদের ঝুঁকি মোকাবেলায় কাজ করবে বিজেসি  

কল্যাণমূলক সাংবাদিকতা ও ঝুঁকি মোকাবিলায় কাজ করবে সম্প্রচার সাংবাদিক কেন্দ্র-বিজেসি। দেশকে এগিয়ে নিতে অবদান রাখবে বলে মনে করেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। সম্প্রচার সংবাদিক কেন্দ্র- বিজেসি`র আনুষ্ঠানিক যাত্রা উপলক্ষ্যে আয়োজিত সম্প্রচার সম্মলনের উদ্বোধক হিসেবে স্পিকার এ আহ্বান জানিয়েছেন।    অনুষ্ঠানে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ টেলিভিশন সংবাদ কর্মীদের ওয়েজবোর্ডের আওতায় আনার ঘোষণা দেন। বলেন, শিগগিরই সম্প্রচার আইন হবে। এর মাধ্যমে সুরক্ষা পাবে সম্প্রচার মাধ্যমের সংবাদকর্মীরা। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সেক্রেটারি ইহসানুল করিম সম্প্রচার মাধ্যমকে নীতিমালার আওতায় আনার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এতে ঝুঁকি কমবে সম্প্রচার সংবাদকর্মীদের। প্রায় ১১`শ সদস্যের সংস্থা সম্প্রচার সাংবাদিক কেন্দ্র-বিজেসি`র সম্প্রচার সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি মিলনায়তনে। বিজেসি`র চেয়ারম্যান রেজোয়ানুল হকের সভাপতিত্বে উদ্বোধন পর্বে সাংগঠনিক প্রস্তাবনা তুলে ধরেন সদস্য সচিব শাকিল আহমেদ। এরপর `সম্প্রচার শিল্প : একটি সম্ভাবনার সংকট?` শীর্ষক আলোচনায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে উঠে আসে সম্প্রচার মাধ্যমের সম্ভাবনা, সংকট ও ভবিষ্যত পরিকল্পনার নানা দিক। এ আলোচনায় তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে বেসরকারি টিভির যাত্রা শুরু হয়েছে বাংলাদেশে। এখন দেশে ৪৪টি চ্যানেলের অনুমোদন রযেছে। ৩০টি সম্প্রচারে আছে। এরইমধ্যে গণমাধ্যমকর্মীদের সুরক্ষা দিতে বেশ কিছু আইন ও নীতিমালা হয়েছে। তবে সম্প্রচার আইন পাশের আগে সবার সঙ্গে আলোচনা করবে সরকার। তিনি বলেন, ৯ম ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নে নতুন কমিটি কাজ করছে। টেলিভিশনের জন্য আলাদা ওয়েজবোর্ড করা হবে। প্রতিটি টিভিতে বেতন-ভাতা যেন নিয়মিত হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে সবাইকে৷ অনেক প্রতিষ্ঠানে বেতন দেয়ার ক্ষেত্রে স্বদিচ্ছার অভাব আছে। আবার বিজ্ঞাপনের টাকা দিয়ে টিভি চ্যানেলগুলো পরিচালিত হলেও এক্ষেত্রে বিজ্ঞাপন ঠিকমতো না পাওয়া এবং অনেক বিজ্ঞাপনের অর্থ দেশের বাইরে চলে যাচ্ছে। এ সময় মন্ত্রী, দেশ গঠন ও সামাজিক অসঙ্গতিও তুলে ধরার জন্য সম্প্রচার মাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। সাবেক সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বলেন, বিজ্ঞাপনের রেটের সাথে আপোস হচ্ছে প্রতিনিয়ত। এটা নিয়ে সব মালিককে এক হতে হবে। বিজ্ঞাপনী সংস্থা টাকা পরিশোধ করলেও অনেক সময় তা সংবাদকর্মীদের কাছে পৌছায় না। টিভি মালিকদের সংগঠন অ্যাটকোর সহ-সভাপতি মোজাম্মেল বাবু বলেন, টেলিভিশনের লভ্যাংশের অন্তত ২৫ শতাংশ সব কর্মীদের দিতে হবে। দর্শকদের ফি প্রদানের আওতায় আনতে হবে। পিআইবির মহাপরিচালক শাহ আলমগীর বলেন, সম্প্রচার গণমাধ্যম আইনের জটিলতা দূর কর টিভি সংবাদকর্মীদের দ্রুত ওয়েজবোর্ডের আওতায় আনতে হবে। নিউজ ২৪ টিভির সিইও নঈম নিজাম বলেন, আলাদা ওয়েজবোর্ড আজও করা যায়নি। এটা হতাশাজনক। নাগরিক টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুবানা হক বলেন, আগামি ৫ বছরের জন্য নূন্যতম লাভ করে চ্যানেল টিকিয়ে রাখতে হবে৷ সবাইকে এক হতে হবে। কারন অনলাইনে বিকল্প প্ল্যাটফর্মের জায়গা শক্ত হচ্ছে। জিটিভি ও সারাবাংলার প্রধান সম্পাদক সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা বলেন, পে চ্যানেল হতে হবে। সরকারি বিজ্ঞাপনের জন্য কোনো টাকা-ভ্যাট নেয়া হয় না। বেসরকারি টিভিকে এর আওতায় আনতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব আশরাফুল আলম খোকন বলেন, সামাজিক মাধ্যমে বিজ্ঞাপনের কর সরকার পায় না। মিডিয়া সিন্ডিকেট থাকতে পারে না। টাকা দিয়ে বলে দেয়া যাবে না যে এটা চালাতে হবে, ওটা চালানো যাবে না। আরো বক্তব্য রাখেন এমআরডিআই’র নির্বাহী পরিচালক হাসিবুর রহমান মুকুরসহ বিভিন্ন টিভি মালিক ও উর্দ্ধতন কর্মকর্তা। এসময় সম্প্রচার সাংবাদিক কেন্দ্রের চেয়ারম্যান রেজোয়ানুল হক ও সদস্য সচিব শাকিল আহমেদ বিভিন্ন দাবী তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে, পে চ্যানেল করা, বিজ্ঞাপনের টাকা পরিশোধের সময়সীমা বেধে দেয়া, টিভিকে শিল্প হিসেবে ঘোষণা। উদ্বোধনী পর্বে ক্রেস্ট দিয়ে সম্মাননা জানানো হয় স্পিকার ড. শিরীন শারমীন চৌধুরী, তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম, ব্যারিস্টার তানজীব উল আলম, ফ্রেইড সোর্সিং লিমিটেডের সিইও এম মোবারক হোসেন তুষার ও শামসুল ইসলাম রনিকে। এসি     

সড়ক দুর্ঘটনায় সাংবাদিকের মেয়ের মৃত্যু

রাজধানীর তুরাগ থানার উত্তরা-১৮ নম্বর সেক্টরে রাস্তা পারাপারের সময় মাইক্রোবাসের ধাক্কায় ফাইজা তাহসিনা সূচি (১০) নামে এক স্কুলছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। সে মাইলস্টোন স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী ও দৈনিক ইত্তেফাকের সহকারী সম্পাদক ফাইজুল ইসলামের মেয়ে। আজ মঙ্গলবার সকাল পৌনে ৮টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তুরাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল মোক্তাকিম জানান, উত্তরা-১৮ নম্বর সেক্টরের ১০ নম্বর ব্রিজ এলাকায় বাবা ফাইজুল ইসলামের সঙ্গে স্কুলে যাচ্ছিলো সূচি। রাস্তা পার হওয়ার সময় তাকে একটি মাইক্রোবাস ধাক্কা দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক সূচিকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, সূচির মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে নেওয়া হয়েছে। ঘাতক মাইক্রোবাসটি জব্দ করা হলেও চালক পালিয়ে গেছে। স্কুলছাত্রী সূচিকে চাপা দেওয়া মাইক্রোবাসটি শ্যুটিং ইউনিটের ছিলো বলে জানা গেছে।এসএ/

প্রশ্নফাঁস অনুসন্ধানে বিশেষ সম্মাননা পেলেন ইমরান

প্রশ্ন ফাঁস বিষয়ক অনুসন্ধানে কৃতিত্বপূর্ণ অবদান রাখায় বিশেষ সম্মাননা পেলেন চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের অনুসন্ধানী প্রতিবেদক আবদুল্লাহ আল ইমরান। রাজধানীর সিআইডি কার্যালয়ে এই পুরস্কার তুলে দেন, সিআইডি প্রধান অতিরিক্ত মহাপুলিশ পরিদর্শক শেখ হিমায়েত হোসেন। এসময় তিনি বলেন, অত্যন্ত চতুর এই চক্রটিকে চিহ্নিত করতে ইমরান ও তার দল বিশেষ দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। গত দেড় বছরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা, বিসিএস, ব্যাংকসহ সরকারি নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসকারী সিন্ডিকেট নিয়ে ধারাবাহিক অনুন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করেন তিনি। এসব অনুসন্ধানে দেশের সর্ববৃহৎ প্রশ্ন ফাঁসকারী চক্রের মুখোশ উন্মোচিত হয়। দেশজুড়ে আলোড়ন তৈরি হয়। এরপর সিআইডির হাতে গ্রেফতার হয় চক্রের মূল হোতাসহ ৪৬ জন। এসব প্রতিবেদন প্রচারের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাদের ১৫ জালিয়াত শিক্ষার্থীকে আজীবন বহিষ্কার করে এবং চলতি বছর `ঘ` ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষাও পুনরায় নিতে বাধ্য হয়। আবদুল্লাহ আল ইমরান চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের অপরাধ অনুসন্ধানীমূলক অনুষ্ঠান সার্চলাইটের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। টিআর/

কুষ্টিয়া সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি রেজোয়ানুল সম্পাদক শাহীন 

ঢাকায় কর্মরত বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের সংগঠন `কুষ্টিয়া সাংবাদিক ফোরাম’র ২১ সদস্যবিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে।     সকালে রাজধানীর শান্তিনগরে কুষ্টিয়া ভবনে অনুষ্ঠিত সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তাপ্রধান রেজোয়ানুল হক রাজা ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন চ্যানেল আইয়ের বার্তা সম্পাদক আদিত্য শাহীন।   সাধারণ সম্পাদক আদিত্য শাহীন বর্তমানে দেশের বাইরে অবস্থান করায় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন সংগঠনটির যুগ্ম-সম্পাদক আইয়ুব আনসারী। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন সিনিয়র সহ-সভাপতি মাহমুদ হাফিজ (আমাদের নতুন সময়), আব্দুল বারী, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব আনসারী (জাতীয় অর্থনীতি), সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদুজ্জামান (চ্যানেল আই), অর্থ সম্পাদক হাসান ইমাম রুবেল (চ্যানেল ২৪), দপ্তর সম্পাদক মনিরুল ইসলাম মনি (মোহনা টিভি), ক্রীড়া সম্পাদক জাহিদুল আলম জয় (জনকণ্ঠ), মহিলা বিষয়ক সম্পাদক শেখ তুনাজ্জীনা তনু (এটিএন নিউজ), প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক জাফর আহমেদ (খোলা কাগজ)। কার্যনির্বাহী সদস্য: সনৎ নন্দী (দৈনিক খবর), সঞ্জয় চাকী (চ্যানেল আই), অখিল পোদ্দার (একুশে টিভি), সাবিনা ইয়াসমিন (প্রথম আলো), রনজক রিজভী (এসএ টিভি), উজ্জল রায় (দৈনিক বাংলাদেশ), তাশরিক সঞ্চয় (ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক), তরিকুল ইসলাম (বিটিভি), ফারুক হোসেন (চ্যানেল আই) এবং জেসমিন মলি (বণিক বার্তা)। ৬ সদস্য বিশিষ্ট উপদেষ্টা কমিটির সদস্যরা হলেন, খোন্দকার রাশিদুল হক নবা, এহসানুল করিম হেলাল, কাজী ফারুক, শামীম চৌধুরী, মমতাজ বিলকিচ ও রাশিদুল হক পাশা। কুষ্টিয়ার সাংবাদিকদের সুখ-দুঃখ ভাগাভাগির একটি প্ল্যাটফর্ম ‘কুষ্টিয়া সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকা’-এমনটিই প্রত্যাশা নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দের। সভা শেষে পরবর্তী কর্মসূচী নিয়ে আলোচনা করা হয়। এসি      

ডিএসইসির সভাপতি ইমন ও সম্পাদক অনিক

ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিলের (ডিএসইসি) সভাপতি পদে সমকালের জাকির হোসেন ইমন ও সাধারণ সম্পাদক পদে ডিবিসি নিউজের মুক্তাদির অনিক নির্বাচিত হয়েছেন। বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি ও একুশে টেলিভিশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মঞ্জুরুল আহসান বুলবুলকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার করে গঠিত ৯ সদস্যের নির্বাচন কমিশনের অধীনে জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে বৃহস্পতিবার দুপুর একটায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়। চলে সন্ধ্যা ছয়টা ১০ মিনিট পর্যন্ত। নির্বাচনে তালিকাভুক্ত ১ হাজার ১২৩ জন ভোটারের মধ্যে ৭৫৯ জন ভোট দিয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এ নির্বাচনে যুগান্তরের মামুন ফরাজিকে ৯ ভোটে হারিয়ে সভাপতি নির্বাচিত হন জাকির হোসেন ইমন। তিনি পেয়েছেন ২৬৮ ভোট। মামুন ফরাজি পেয়েছেন ২৫৯ ভোট ও অপর প্রতিদ্বন্দ্বী ইদ্রিস মাদ্রাজী (নয়া দিগন্ত) পেয়েছেন ২০৪ ভোট। অন্যদিকে ২৭১ ভোট পেয়ে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন মুক্তাদির অনিক। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাভিশনের নাসরীন গীতি পেয়েছেন ২৫৬ ভোট। অপর প্রার্থী আমাদের সময়ের আবুল হাসান হৃদয় পান ২০৪ ভোট। এছাড়া ৩৫২ ভোট পেয়ে সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন ডেইলি অবজারভারের মো. বশির হোসেন মিয়া। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ সময়ের আনজুমান আরা শিল্পী পেয়েছেন ৩৪৮ ভোট। যুগ্ম সম্পাদক পদে ৩৬৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন জাওহার ইকবাল খান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী একাত্তর টিভির সুরাইয়া ইয়াসমিন অনু পেয়েছেন ৩৪৪ ভোট। কোষাধ্যক্ষ পদে ৩২৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন ইত্তেফাকের আবু কাওসার খোকন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জনকণ্ঠের মো. আফজাল হোসেন ২১১ ভোট ও অপর প্রার্থী আবদুর রহমান খান পেয়েছেন ১৪৭ ভোট। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শেষে মাত্র এক ভোটের ব্যবধানে শামসুল আলম সেতুকে (২৪৮) পরাজিত করেছেন মো. আনোয়ার সাদাত সবুজ (২৪৯)। এ ছাড়াও প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে জাকিয়া সুলতানা (২৫১ ভোট), দফতর সম্পাদক পদে জামান সৈয়দী (২৬৪ ভোট), ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে আমিনুল রানা (২৬৫ ভোট), প্রশিক্ষণ ও গবেষণা পদে শামীম আহসান (৩৪৬ ভোট) নির্বাচিত হয়েছেন। ১১টি কার্যনির্বাহী সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন- মো. মান্নান মিয়া (৪৮৪ ভোট), শহীদ রানা (৪৫২ ভোট), নাসিমা আক্তার সোমা (৪১৮ ভোট), মাহমুদা আক্তার (৪০১ ভোট), মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ (৩৯৫ ভোট), নজরুল ইসলাম বশীর (৩৯২ ভোট), লাবিন রহমান (৩৯১ ভোট), মো. মামুনুর রশীদ মামুন (৩৬৬ ভোট), কারনিনা খন্দকার (৩৬৫ ভোট), দীপক ভৌমিক (২৯৮ ভোট) ও মোহাম্মদ সানাউল্লাহ (২৯৬ ভোট)। এসএইচ/

আজ সাংবাদিক পথিক সাহার মৃত্যুবার্ষিকী

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও স্বৈরাচার এরশাদবিরোধী আন্দোলনে রাজপথের সাহসী ছাত্রনেতা অকালপ্রয়াত পথিক সাহার অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকী আজ ২৯ জানুয়ারি। এ উপলক্ষে প্রয়াতের পৈত্রিক নিবাস মানিকগঞ্জের গড়পাড়া-গাঙ্গুলীনগর গ্রামে ও মানিকগঞ্জ শহরে তার পরিবার ও সাংবাদিক পথিক সাহা স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে তিন দিনের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া ফেব্রুয়ারি মাসে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে স্মরণসভা। ১৯৫২’র ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলনের অগ্নিগর্ভপ্রসূত এ দেশের সব গণতান্ত্রিক সংগ্রামে প্রথম সারির ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক পথিক সাহা কর্মজীবনে বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা প্রধান প্রতিবেদক ও বিশেষ প্রতিনিধি ছিরেন। এছাড়াও একই সময়ে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ছিলেন। এর আগে দীর্ঘদিন দৈনিক ভোরের ডাক পত্রিকার প্রধান প্রতিবেদকের দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। কর্মসূচি: ২৯ জানুয়ারি, মঙ্গলবার: শ্রীমদ্ভাগবৎ পাঠ (সন্ধ্যা ৬:৩০ মিনিট)। পাঠক: অধ্যাপক নিরঞ্জন গোস্বামী, রাজবাড়ী। স্থান: পৈত্রিক নিবাস। ৩০ জানুয়ারি, বুধবার: শ্রীশ্রী মহাপ্রভূর ভোগরাগ ও প্রসাদ বিতরণ (দুপুর ১:৩০ মিনিট)। স্থান: পৈত্রিক নিবাস। ৩১ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার: শিশু-কিশোর চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগীতা (সকাল ৯:৩০ মিনিটে সকাল ৯:৩০ মিনিট)’। স্থান: পৈত্রিক নিবাস। ৩১ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার: ‘মুক্তিযুদ্ধে মানিকগঞ্জের ভূমিকা’ শীর্ষক আন্তঃবিদ্যালয় বক্তৃতা প্রতিযোগীতা ও পুরস্কার বিতরণ’ দুপুর ২:০১ মিনিট)। স্থান: সাবিস মিলনায়তন, শহীদ রফিক সড়ক, (প্রেসক্লাব সংলগ্ন), মানিকগঞ্জ। সভাপতিত্ব করবেন প্রবীণ রাজনীতিবিদ, আওয়ামী লীগের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য, কবি ও লেখক ড. নূহ-উল আলম লেনিন, সভাপতি, সাংবাদিক পথিক সাহা স্মৃতি সংসদ। প্রসঙ্গত, পথিক সাহা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ২০১১ সালের ২৯ জানুয়ারি কাকডাকা ভোরে রাজধানীর লালমাটিয়ায় তাঁর বাসার কাছে এশিয়াটিক কার্ডিয়াক এন্ড জেনারেল হাসপাতালে মাত্র ৪৫ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী স্কুলশিক্ষিকা শিল্পী সাহা (মনিকা), একমাত্র সন্তান প্রসূন প্রদীপ সাহা (কুট্টুস), মা বীণা সাহা, বড় ভাই বিশিষ্ট শিশুসংগঠক-শিক্ষক প্রণয় সাহা, ছোট ভাই শিশুসংগঠক ও স্বনামধন্য ব্যবসায়ী-শিল্প পরিবার আল-আমিন গ্রুপের সহকারী মহাব্যবস্থাপক প্রবীর সাহা, তিন বোন ও তিন ভগ্নিপতিসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন, সতীর্থ-সহকর্মি, বন্ধুবান্ধব ও গুণগ্রাহী রেখে যান। এসএইচ/

নাটোর জেলা সাংবাদিক সমিতি, ঢাকার কমিটি গঠন

ঢাকায় বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সংবাদ কর্মীদের সংগঠন নাটোর জেলা সাংবাদিক সমিতির ২০১৯-২০ সালের কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে সভাপতি হয়েছেন দৈনিক যুগান্তরের সিনিয়র সাব এডিটর এমদাদুল হক। সেক্রেটারি হয়েছেন চ্যানেল টুয়েন্টিফোরের রিপোর্টার ইমদাদ হক। শনিবার রাজধানীর কাকরাইলে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত সভায় এই কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- সহ সভাপতি কামরুল সবুজ (সময় টিভি), জয়েন্ট সেক্রেটারি-মাহী মাহফুজ (নিউজ টুয়েন্টিফোর), কোষাধ্যক্ষ- নাজমুস সাকিব (চ্যানেল টুয়েন্টিফোর), সাংগঠনিক সম্পাদক- আলতাব হোসেন (দৈনিক সংবাদ), প্রচার সম্পাদক- রবিউল আওলাদ (সময় টিভি), সদস্য- আতিকা রহমান (আরটিভি), সুশান্ত উৎসব (আমাদের সময়)। নতুন কমিটিকে অভিনন্দন জানিয়েছে রাজশাহী বিভাগ সাংবাদিক সমিতি, ঢাকা; পাবনা জেলা সাংবাদিক সমিতি, ঢাকা; নওগাঁ জেলা সাংবাদিক সমিতি, ঢাকা; নাটোর জেলা প্রেসক্লাব; নাটোর প্রেসক্লাব; নাটোর সমিতি, ঢাকাসহ বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও সাংবাদিক সংগঠন। নির্বাচন পরিচালনা করেন যুগান্তরের সিনিয়র সাব এডিটর আতিকুর রহমান চৌধুরী। সভায় বক্তব্য রাখেন- বিদায়ী কমিটির সভাপতি মুজিবুর রহমান চৌধুরী, সেক্রেটারি এনায়েত করিমসহ অন্যরা। এসএইচ/

কোয়ান্টামমে মিডিয়া সেলের ধ্যান সাফারি 

সপরিবারে কোয়ান্টামম ঘুরে এলেন কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন মিডিয়া সেলের সদস্যবৃন্দ। ১১ ও ১২ জানুয়ারি ২০১৯ অনুষ্ঠিত এ ধ্যান সাফারিতে অংশ নেন ২১০ জন (১১৪ জন এসোসিয়েট, ৫৫ জন গ্রাজুয়েট ও ৪১জন প্রো-মাস্টার)। তাদের মধ্যে ছিলেন বিভিন্ন টিভি চ্যানেল, রেডিও চ্যানেল, সংবাদপত্র ও গণমাধ্যমের সাংবাদিক, নাট্যকর্মী, লেখক এবং শিল্পীবৃন্দ।    দুদিনের এ সফরে মিডিয়াকর্মীরা ঘুরে ঘুরে দেখেন ব্যাম্বোরিয়াম, আরোগ্যশালা, গ্রাউন্ড অলিম্পিয়ান, ভ্যালি হিকমান, জলপাই বাগানসহ কোয়ান্টামমের বিভিন্ন স্থাপনা ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। ছাড়াও তারা উপভোগ করেন আমরা পারি ডকুমেন্টারি। ১১ জানুয়ারি সন্ধ্যায় কোয়ান্টামমের সাংস্কৃতিক প্রাণকেন্দ্র কামরুল চত্বরে সৈয়দ হক মঞ্চে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পর্ব পরিবেশন করে কসমো স্কুলের শিক্ষার্থীরা। তবে বিশেষ আকর্ষণ ছিল কোয়ান্টাম প্রো-মাস্টার পালাকার সায়িক সিদ্দিকী ও তার দল পরিবেশিত ভার্চুয়াল ভাইরাস সম্পর্কে সচেতনতামূলক পালাগান ‘নোলকজানের পালা`। সফরের দ্বিতীয় দিন ভোরে আরোগ্যশালায় শ্রদ্ধেয় গুরুজী মেডিটেশন করান। এরপর অতিথিরা ভ্যালি হিকমান ক্যাম্পাস ভ্রমণ করেন। স্কুল ক্যাম্পাসে গার্ড অব অনার দেয়া হয় একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মিসেস ফরিদা ইয়াসমিন, এনটিভির বার্তা প্রধান খায়রুল আনোয়ার এবং নাট্য ও বাচন প্রশিক্ষক মুক্তিযোদ্ধা মো. গোলাম সারোয়ারকে।  পাহাড়ের নিচে টং ঘরের চায়ের দোকানে আড্ডায় কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা সঙ্গে সফরকারীরা।    প্রত্যন্ত লামায় কোয়ান্টাদের স্বতঃস্ফূর্ত পরিবেশনা ও সাফল্য দেখে অভিভূত হন অতিথিরা। তারা বলেন, সুবিধাবঞ্চিত এই শিশুদের নিয়ে গুরুজীর যে স্বপ্ন; সেই স্বপ্ন একদিন বাস্তবায়িত হবে। এই শিশুরা শুধু বাংলাদেশই নয়; বিশ্বকেও জয় করবে। ১২ জানুয়ারি বিকেলে ধ্যানঘরে সমাপনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ধ্যান সাফারিতে অংশ নেয়ার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন সাংবাদিক ও মিডিয়াকর্মীরা। সমাপনী বক্তব্যে গুরুজী শহীদ আল বোখারী মহাজাতক বলেন, মমতা মানুষ থেকে মানুষে, প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে সঞ্চারিত হয়। আমরা পরস্পর পরস্পরের জন্যে যে মমতা বিনিময় করি সেই মমতা যখন অপরের সাথে ভাগ করে নেয়া হয়, তখন এটি শক্তিতে রূপান্তর হয়। আমরা সবসময় বলি, আমাদের এই দেশটা আল্লাহ নিজের হাতে বানিয়েছেন। আমাদের কোনো কিছুর অভাব নেই। এত ভালো মানুষের দেশ পৃথিবীর কোথাও নেই। আমরা পরম প্রভুর নিকট কৃতজ্ঞতা জানাই, আমরা আমাদের মমতা ছড়িয়ে দিতে পারছি। আমাদের মমতার ফুল হচ্ছে এই শিশুরা। আমরা চাই, আমাদের দেশে কোনো শিশু অবহেলিত থাকবে না, বঞ্চিত থাকবে না। সে লক্ষ্য নিয়েই আমরা আমাদের অবকাঠামোগুলো গড়ে তোলার চেষ্টা করছি। এসি      

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি