ঢাকা, সোমবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৮ ১২:৪০:০০

শেয়ার বিজের তৃতীয় বর্ষে পর্দাপন

ডিসেম্বরের প্রথম প্রহরেই শেয়ার বিজ পত্রিকার রূপান্তরের দুই বছর শেষ হয়েছে। শুরু হয়েছে তৃতীয় বছরের যাত্রা। গত দুই বছরে শেয়ার বিজ পুঁজিবাজারের পাশাপাশি ব্যবসা ও অর্থনীতির নানা খবর নিয়ে পূর্ণাঙ্গ ব্যবসায়িক দৈনিক হিসেবে পাঠকের সামনে হাজির হয়েছে। তাই পুঁজিবাজার, ব্যবসায়ী গ্রুপ, ব্যাংকার, অর্থনীতিবিদ ও সরকারি নীতিনির্ধারকদের কাছে এখন শেয়ার বিজ বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে শেয়ার বিজের লাখো পাঠক, এজেন্ট, বিজ্ঞাপনদাতা, শুভানুধ্যায়ী এবং পত্রিকার সংবাদকর্মীদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছে। প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে শেয়ার বিজের সম্পাদক মীর মনিরুজ্জামান বলেন, বিশ্লেষণধর্মী খবরের জন্য গত দুই বছর শেয়ার বিজ পত্রিকাটি ইতোমধ্যে নানা মহলে বেশ আগ্রহের সৃষ্টি করেছে আমাদের পাঠকরাই আমাদের সম্পদ।দুই বছরের একটি পত্রিকার জন্য খুব বেশি সময় নয় এই দুই বছরের শেয়ার বিজ ব্যবসায়িক দৈনিকের একটি নতুন ধারা তৈরি করার চেষ্টা করেছে।এসময়ে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে পাঠক এবং অফিস স্টাফদের। পাঠকের চাহিদা অনুযায়ী পত্রিকায় নিয়মিত পরিবর্তন, পরিমার্জন করা হচ্ছে।অফিসের আন্তরিক কর্মপরিবেশ অক্ষুন্ন রাখতে শতভাগ কর্মীকে ক্ষমতায়ন করা হয়েছে। শেয়ার বিজের শতভাগ কর্মী প্রতিষ্ঠানকে নিজের মনে করেন। নিজ গরজেই কাজ করেন। গত দুই বছরে শেয়ার বিজের বেশ কয়েকজন কর্মী ভালো সুযোগ-সুবিধা নিয়ে অন্যত্র চলে গেছেন। তারা চলে গেলেও শেয়ার বিজ কার্যালয়ে নিয়মিত আসেন। তারা আমাদের পরিবারের সদস্য হয়েই রয়ে গেছেন। কারণ আমাদের রয়েছে নিবেদিত কর্মী বাহিনী। এ কর্মী বাহিনী নিয়ে শেয়ার বিজ পত্রিকাটি ভবিষ্যতে স্মল জায়ান্ট হিসেবে তার অবস্থান প্রতিষ্ঠা করবে। রূপান্তরের তিন বছরের সূচনালগ্নে শেয়ার বিজের লাখো পাঠক, এজেন্ট, বিজ্ঞাপনদাতা, শুভানুধ্যায়ী এবং পত্রিকার সংবাদকর্মীদের জন্য রইল অফুরান শুভেচ্ছা। টিআর/ 

ডিআরইউ’র সভাপতি ইলিয়াস, সম্পাদক কবির 

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) নির্বাচনে সভাপতি পদে ৬৪১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন এসএ টেলিভিশনের ইলিয়াস হোসেন। প্রতিদ্বন্দ্বী একাত্তর টেলিভিশনের মনির হোসেন লিটন পেয়েছেন ৪৯৬ ভোট।   ভোট গণনা শেষে শুক্রবার (৩০ নভেম্বর) রাতে এই ফল ঘোষণা করা হয়। সকাল ৯টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। ভোটগ্রহণ শেষ হয় সন্ধ্যা ৬টায়।   সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা বাসসের কবির আহমেদ খান। তার প্রাপ্ত ভোট ৪৫০। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এশিয়ান মেইল ২৪ ডটকমের রিয়াজ চৌধুরী পেয়েছেন ৪৪০ ভোট। তৃতীয় প্রতিদ্বন্দ্বী দৈনিক মানবকণ্ঠের শেখ জামাল পেয়েছেন ২৪৫ ভোট।     সহ-সভাপতি পদে খন্দকার কাওসার হোসেন ৪১৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। একই পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী ওসমান গণি বাবুল ৩৩২ ও আবুল বাশার নুরু ৩০৭ ভোট পেয়েছেন। সাধারণ সম্পাদক পদে বাসসের কবির আহমেদ খান ৪৫০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াজ চৌধুরী পেয়েছেন ৪৪০ ভোট। একই পদে আরেক প্রতিদ্বন্দ্বী শেখ জামাল পেয়েছেন ২৪৫ ভোট।    যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন জামিল আহসান শিপু। অর্থ সম্পাদক পদে জিয়াউল হক সবুজ ৮০৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। অন্য প্রার্থী শ্যামল কান্তি নাগ পেয়েছেন ২৬৪ ভোট। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে আফজাল বারী ৭১৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। একই পদে হাবীবুর রহমান পেয়েছেন ৪০১ ভোট। নারী বিষয়ক সম্পাদক পদে ৬৪৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন সাজিদা ইসলাম পারুল। একই পদে সেলিনা শিউলি পেয়েছেন ৪৬০ ভোট। দফতর সম্পাদক পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন জিহাদ চৌধুরী। প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন শেখ মাহমুদ এ রিয়াদ। প্রশিক্ষণ ও গবেষণা সম্পাদক পদে ৫৬৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন আব্দুল হাই তুহিন। একই পদে সাখাওয়াত হোসেন পেয়েছেন ৪৭৬ ভোট। ক্রীড়া সম্পাদক পদে ৫৬৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন শফিকুল ইসলাম শামীম। একই পদে মাকসুদা লিসা পেয়েছেন ৫২৬ ভোট। সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে ৫৫৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন এমদাদুল হক খান। একই পদে এস এম মুন্না মিয়া পেয়েছেন ৩৯৬ ভোট। আপ্যায়ন সম্পাদক পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন এইচ এম আকতার। কল্যাণ সম্পাদক পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন কাওসার আজম। কার্যনির্বাহী সদস্য পদে ৭০০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন মহিউদ্দিন। অন্য সদস্যরা হলেন খালিদ সাইফুল্লাহ (৬৪৬), বাদল নূর (৫৮০), নঈমুদ্দিন (৫৬৪), মাকসুদুল হাসান (৫৬৪), রাসেদুল হক (৫৩০) ও শাহাবুদ্দিন মাহাতাব (৪৩২)। এবারের নির্বাচনে ২১টি পদে লড়েছেন ৩৩ জন প্রার্থী। এবার মোট ভোটার ছিলেন ১৪৭৭ জন। ভোট পড়েছে ১১৪৮টি।    ডিআরইউ নির্বাচনের জন্য গঠিত পাঁচ সদস্যের নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন নিউজ টুডের সাবেক সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ। অন্য সদস্যরা হলেন বিএফইউজের সাবেক সভাপতি এম শাজাহান মিয়া, একুশে টেলিভিশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মনজুরুল আহসান বুলবুল, বাংলাদেশ প্রতিদিনের যুগ্ম সম্পাদক আবু তাহের ও সাংবাদিক নেতা এম এ আজিজ।  এসি      

চবিতে ডিজিটাল সাংবাদিকতা বিষয়ক নেটওয়ার্কিং সম্মেলন অনুষ্ঠিত 

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ( চবি) ডিজিটাল সাংবাদিকতা বিষয়ক নেটওয়ার্কিং সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।    বুধবার সকাল ১০টা থেকে দিনব্যাপী এ সম্মেলন বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ মিলনায়তনে যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের উদ্যোগে ও ডয়েচে ভেলের সহায়তায় এই সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন, দেশ-বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও সংস্থার প্রায় ৫৩ জন শিক্ষক ও গবেষকবৃন্দ।    ‘বাংলাদেশে ডিজিটাল সাংবাদিকতা শিক্ষা বিষয়ক নেটওয়ার্কিং সম্মেলন: সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক এ সম্মেলনটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী। তিনি বলেন, ডিজিটাল সাংবাদিকতা আমাদের সুযোগ ও সম্ভাবনার দ্বার সম্প্রসারিত করবে এবং সামনে এগিয়ে যেতে সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করবে এটাই প্রত্যাশিত। আধুনিক প্রযুক্তির নেটওয়ার্কিং যাতে নেতিবাচক ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে না পারে এ বিষয়েও মিডিয়াকে সতর্ক থাকতে হবে। উপাচার্য  বলেন, বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আমাদের প্রয়োজন সৎ-দক্ষ-যোগ্য বিজ্ঞানমনষ্ক মানব সম্পদ। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সাবেক প্রধান তথ্য কমিশনার প্রফেসর ড. গোলাম রহমান বলেন, বর্তমান যুগ হলো তথ্য প্রযুক্তির যুগ। এর সাথে তাল মেলাতে হলে আমাদের শিক্ষার্থীদের আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার সম্পর্কে জানতে হবে। এছাড়া সরকারের যে ডিজিটাল বাংলাদেশের রুপরেখা, তা বাস্তবায়নেও আধুনিক প্রযুক্তি শিক্ষার উপর জোর দিতে হবে। তিনি বলেন, যদি প্রযুক্তির ব্যবহার শিক্ষার্থীরা না জানে তাহলে বর্তমান প্রতিযোগিতাপূর্ণ বাজারে টিকে থাকতে পারবে না। প্রধান বক্তা হিসেবে ডয়েচেভেলের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক আঞ্চলিক কো-অর্ডিনেটর প্রিয়া এসেলবোর্ন বলেন, আমরা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিকতা বিভাগের সাথে কাজ করতে পেরে আনন্দিত। আমাদের লক্ষ্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আধুনিক সাংবাদিকতা শিক্ষাকে উন্নত ও শক্তিশালী করা। তাই শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল নেটওয়ার্কিংসহ বিভিন্ন প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছি।   বিভাগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন, সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. ফরিদ উদ্দিন আহামেদ। এছাড়া অতিথি হিসেবে বিভাগের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সহিদ উল্ল্যাহ ও প্রফেসর মোহাম্মদ আলী আজগর চৌধুরী বক্তব্য রাখেন। বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফারজানা করিম ও মাধব চন্দ্র দাসের সঞ্চালনায় সম্মেলনটি শুরু হয় জাতীয় সঙ্গীত আর বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ পাঠ দিয়ে। এ সময় স্বাগত বক্তব্যে দেন বিভাগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ। তিনি বলেন, সাংবাদিকতা কোন পেশা নয়, বরং এটি নেশা। তাই সাংবাদিকতার আরও আধুনিকায়নে এর সমস্যা ও সম্ভাবনাগুলোকে খুঁজে বের করতে হবে।  উল্লেখ্য, ৫টি সেশনে সম্মেলনটি শেষ হয়। এর মধ্যে শুরুতে চবি সাংবাদিকতা বিভাগের ডিজিটালাইজেশন নিয়ে আলোচনা রাখেন, বিভাগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ ও সহকারী অধ্যাপক মাধব চন্দ্র দাস। এরপর একে একে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও সংস্থার শিক্ষক-গবেষকরা বিভিন্ন বিষয়ে তাঁদের গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। কেআই/এসি    

আহমদুল কবিরের মৃত্যুবার্ষিকী আজ   

গণতন্ত্রী পার্টির সাবেক সভাপতি ও দৈনিক সংবাদের প্রধান সম্পাদক আহমদুল কবিরের ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ শনিবার। তিনি ২০০৩ সালের এই দিনে কলকাতার একটি হাসপাতালে মারা যান। তার ডাক নাম মনু মিয়া। তিনি ১৯৫৪ সালে সংবাদের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নেন। ১৯৭২ সালে সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ২০০১ সালে প্রধান সম্পাদক হন এবং আমৃত্যু এ দায়িত্ব পালন করেন। পরে রাজনৈতিক ও সাংবাদিকতা অঙ্গনে প্রতিভাদীপ্ত ব্যক্তিত্ব আহমদুল কবির নরসিংদী-২ আসন থেকে ১৯৭৯ ও ১৯৮৬ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।   মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আজ শনিবার তার পরিবার ও আহমদুল কবির স্মৃতি সংসদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হবে।   এমএইচ/

সাংবাদিক শাহরিয়ার শহীদের কুলখানি অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)-এর সদ্য প্রয়াত ব্যবস্থাপনা সম্পাদক, বিশিষ্ট সাংবাদিক শাহরিয়ার শহীদের কুলখানি ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বাদ আসর মরহুমের বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বাসভবনে এ কুলখানি অনুষ্ঠিত হয়। কুলখানিতে শাহরিয়ার শহীদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা আলী হোসাইন মাইজভান্ডারী। কুলখানিতে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী, বাসস-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, ডেইলি নিউ নেশনের এডিটর এ.এম. মোফাজ্জল, বাসস-এর প্রধান বার্তা সম্পাদক আনিসুর রহমান, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) বাসস ইউনিটের প্রধান সাজ্জাদ হোসেন সবুজ, মরহুমের সহকর্মী, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার ভক্ত-শুভাকাংখীরা যোগ দেন। মরহুমের স্ত্রী লীনা শহীদ ও পুত্র সাদমান শহীদ কুলখানীতে যোগদানকারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। শাহরিয়ার শহীদ গত ১৭ নভেম্বর রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। ১৯ নভেম্বর ঢাকা ও নরসিংদীতে তিন দফা নামাজে জানাজা শেষে শাহরিয়ার শহীদকে নরসিংদী জেলার রায়পুরা উপজেলার ডৌকার চরের পারিবারিক কবরাস্থানে দাফন করা হয়। শাহরিয়ার শহীদ খ্যাতিমান সাংবাদিক ও অধুনালুপ্ত ইংরেজি দৈনিক বাংলাদেশ টাইমসের সম্পাদক মরহুম একেএম শহীদুল হকের ছেলে। জাতীয় প্রেসক্লাবের স্থায়ী সদস্য ও ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির প্রতিষ্ঠাকালীন নির্বাহি কমিটির সদস্য শাহরিয়ার শহীদ বহুবিধ প্রতিভার অধিকারি ছিলেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক বেশ কয়েকটি প্রামাণ্য চিত্র নির্মাণ করেন। কর্মজীবনেও রিপোর্টার হিসেবে শাহরিয়ার শহীদ রাজনৈতিক বিটসহ বিভিন্ন বিটে কাজ করেছেন। একসময় তিনি আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সের স্ট্রিংগার ছিলেন। শাহরিয়ার শহীদ আন্ত:ধর্মীয় সম্প্রীতি ও উদারনৈতিক সুফি সাহিত্যের একনিষ্ঠ অনুরাগী ছিলেন। তিনি অঞ্চলভিত্তিক মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস এবং খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের সাক্ষাতকার ভিত্তিক ৩০ টিরও বেশী গ্রন্থ রচনা করেছেন। এমএইচ/ 

ভুয়া সংবাদের ওয়েবসাইট চিনবেন যেভাবে

নির্বাচনকে সামনে রেখে ফেক নিউজ বা ভুয়া সংবাদের নকল ওয়েবসাইট তৈরির অভিযোগ পাওয়া গেছে। খ্যাতিমান সংবাদ প্রতিষ্ঠানের আদলে এসব নকল ওয়েবসাইট তৈরি করা হচ্ছে। ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সংবাদে নির্বাচনী ফায়েদা লুটার চেষ্টা করা হচ্ছে। ভুয়া সংবাদ প্রকাশ করে সেগুলো সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে পাঠকদের।পাঠকদের উদ্দেশ্যে সেসব নকল ওয়েবসাইট চেনার কিছু উপায় তুলে ধরা হলো- ১. বিশ্বস্ত ওয়েবসাইট মনে রাখুন: ইন্টারনেট দুনিয়ায় কখনোই একনামে দুইটি ওয়েবসাইট হতে পারে না। সুতরাং আসল ওয়েবসাইটের সঙ্গে নামের বা ইউআরএল (ইউনিফর্ম রিসোর্স লোকেটর) পার্থক্য থাকবে। যেমন বিবিসি নিউজ বাংলার ওয়েবসাইট bbcbangla.com বা https://www.bbc.com/bengali হলেও, যে ভুয়া ওয়েবসাইটটি তৈরি করা হয়েছিল তার ঠিকানায় রয়েছে bbc-bangla.com। মাঝখানে একটি হাইফেন বাড়তি যোগ করা হয়েছে। প্রথম আলোর ওয়েবসাইট prothomalo.com হলেও, ভুয়া ওয়েবসাইটের ঠিকানায় একটি অতিরিক্ত a যোগ করা হয়েছে, যেমন prothomaalo.com। সুতরাং আপনার বিশ্বস্ত সংবাদ প্রতিষ্ঠানটি ইউআরএল বা নামটি মনে রাখুন অথবা ওয়েব ব্রাউজারে বুকমার্কিং করে রাখুন। ২. ডোমেইনটির দিকে তাকান: আপনার সামাজিক মাধ্যমের ফিডে যদি পরিচিত সংবাদ মাধ্যম থেকে এমন খবর দেখতে পান, যা তাদের সাথে ঠিক খাপ খায় না, অথবা বাস্তবের সঙ্গে মিল নেই, তখনি আপনার সতর্ক হওয়ার দরকার আছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য প্রযুক্তি ইন্সটিটিউটের পরিচালক ড. কাজী মুহাইমিন-আস-সাদিক বলছেন, ``যখনই কোন সন্দেহজনক সংবাদ চোখে পড়বে, তখন উচিত ডোমেইনটির দিকে তাকানো।" বিশেষ করে সামাজিক মাধ্যমে দেখা কোন খবর শেয়ার করার আগে এর উৎস প্রতিষ্ঠানটি ভালো করে দেখে নেয়া উচিত, কারণ এভাবে শেয়ারের মাধ্যমে আপনার কাছের লোকজনকেও বিভ্রান্ত করা হবে।`` তখন ডোমেইনটি পরীক্ষা করে দেখার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। ৩. ICANN - এর সাইটে গিয়ে চেক করুন: বিশ্বের ওয়েবসাইট ঠিকানার বিষয়াদি দেখভাল করে থাকে আইক্যান (ICANN)। কোন ওয়েবসাইট নিয়ে আপনার সন্দেহ হলে, আইক্যানের ডোমেইন অনুসন্ধান পাতায় গিয়ে তাদের ওয়েবসাইট ঠিকানাটি লিখে দিন বা পেস্ট করুন।https://whois.icann.org/en এই পাতায় গিয়ে দেখতে পাবেন, ওয়েবসাইটটি কবে তৈরি হয়েছে, কে তৈরি করেছে। সাধারণত এরকম ভুয়া নির্মাতাদের পরিচয় লুকানো থাকে। কিন্তু আপনার পরিচিত সংবাদ মাধ্যমটি পুরনো হলে তাদের ওয়েবসাইটও হবে পুরনো। কিন্তু ফেক ওয়েবসাইট দেখা যাবে কিছুদিন আগে তৈরি করা হয়েছে। ভুয়া ওয়েবসাইট আপনার জন্য কতটা হুমকি?মূলত ফেসবুক, ইউটিউব, ভুয়া ওয়েবসাইট ও গণমাধ্যম ব্যবহার করে এই ভুয়া খবরগুলো ছড়িয়ে থাকে। বিশ্লেষকরা ভুয়া খবর ছড়িয়ে পড়ার পেছনে তিনটি কারণকে প্রধান মনে করেন। যথা: ১. বিরোধী রাজনৈতিক দলকে কোণঠাসা করা; ২. ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়িয়ে দেয়া; এবং ৩. রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল। গণমাধ্যম বিশেষজ্ঞ শবনম আযীম বলছেন, ``এটা ভয়ংকর হুমকি। তারা যখন বিশ্বাসযোগ্য কোন প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করে, তখন তাদের একটি মিথ্যা খবর ছড়িয়ে দেয়া অনেক সহজ হয়ে যায়। এটা সংবাদ মাধ্যম এবং পাঠক, উভয়ের জন্যই ভয়ংকর হুমকি।`` সূত্র-বিবিসি আরকে//

বেরোবিতে সাংবাদিক মারধরের ঘটনায় জবিসাসের নিন্দা

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (বেরোবিসাস) কার্যনির্বাহী সদস্য দৈনিক যুগান্তরের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি রাব্বি হাসান সবুজের ওপর ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (জবিসাস)। শনিবার জবিসাসের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এক যৌথ বিবৃতিতে এই নিন্দা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে সাংবাদিক লাঞ্চনার ঘটনায় অভিযুক্তদের অতিদ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান তারা। ঘটনার তীব্র সমালোচনা করে তারা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো পরিসরে সহপাঠিকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনা আসলেই দুঃখজনক ও নিন্দনীয়। এর সাথে জড়িতদের অতিদ্রুত দৃষ্টান্তমূল কঠোর শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। উল্লেখ্য, শুক্রবার রাত ৮টার দিকে বিজয় সড়কে ওই হামলার ঘটনা ঘটে। বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সহপাঠিকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় তার ওপর ওই হামলা চালানো হয় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে। এসএইচ/

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি