ঢাকা, রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ১৪:৪৯:১৪

নির্বাচন পরিস্থিতি অর্থনীতিতে কোন প্রভাব ফেলবে না: অর্থমন্ত্রী

নির্বাচন পরিস্থিতি অর্থনীতিতে কোন প্রভাব ফেলবে না: অর্থমন্ত্রী

আগামী জাতীয় নির্বাচনকালীন পরিস্থিতি যায় হোক না কেন তা অর্থনীতির উপর কোন বিরুপ প্রভাব ফেলবে না বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। তিনি বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশের চলমান অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি স্থবির হবে না। দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে। আজ রোববার রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত এক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) নিয়ে দিনব্যাপী এ আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করে দি ইন্সটিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএমএবি)। সম্মেলনে ইউএন রেসিডেন্ট কোঅপারেশন অ্যান্ড ইউএনডিপি রেসিডেন্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ মিয়া শিপো, নেদার‌ল্যান্ডের হেড অব সাসটেইনেবল ডিভালপমেন্ট গ্লোবাল রিপোর্টিং ইনিশিয়েটিভ (জিআরআই) পিয়েতরো বারতেজি, আইসিএমএবি’র প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ সেলিম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। অর্থমন্ত্রী বলেন, দক্ষীণ এশিয় বাণিজ্যে ভারত ও চীন এগিয়ে আছে। নানা কারণে বাংলাদেশ ট্রেড ভলিয়ুমে পিছিয়ে আছে। তবে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতা থাকলে আমরা সে ট্রেড ভলিয়ুমে এগিয়ে যাব। সম্মেলনে মোহাম্মদ সেলিম জানান, বর্তমানে অর্থনৈতিক রিপোর্টিং বদলে যাচ্ছে। এখন ধীরে ধীরে ইন্টিগ্রেটেড ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং এবং সাসটেইনেবিলিটি রিপোর্টিং ব্যবস্থা আসছে। এজন্য দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে হবে। বাংলাদেশ জাতিসংঘ প্রণীত এমডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। যার ফলে দেশটি মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় জাতিসংঘ ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নিয়েছে, যা ২০৩০ সালের মধ্যেই অর্জন করতে প্রতিটি দেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এসডিজিগুলো হচ্ছে দারিদ্র্য, ক্ষুধা, সুস্বাস্থ্য, গুণগত শিক্ষা, বৈশ্বিক উষ্ণতা, লিঙ্গ সমতা, বিশুদ্ধ পানি, স্যানিটেশন, সাশ্রয়ী ও পরিচ্ছন্ন শক্তি, নগরায়ন, পরিবেশ ও সামাজিক ন্যায় বিচারসহ সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে বাংলাদেশ ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে উন্নীত হতে চায়। তাই টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে দেশটি তার পলিসি প্রণয়নে পরিবর্তন এনেছে। এ প্রেক্ষাপটে পেশাগত হিসাববিদরা এসডিজিরর লক্ষ্যগুলো বাস্তবায়নে সরাসরি মুখ্য ভূমিকা পালন করছে। সম্মেলনে বিভিন্ন খাতের (সরকারি, বেসরকারি, বহুজাতিক, শিক্ষা, এনজিও, দাতা সংস্থা, বৈদেশিক দূতাবাসসমূহের প্রায় ৪০০ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা অংশগ্রহন করে। সম্মেলনে ৬টি কারিগরি অধিবেশনে দেশি ও বিদেশি প্রায় ৪০ জন বিশেষজ্ঞ ১৮টি প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হবে। পরবর্তীতে এসব বিষয়ে ওপর আলোচনা হবে বলে জানানো হয়। আরকে//
নিলুফার জাফরুল্লাহ চেয়ারম্যান মাস্টার আবুল কাশেম ভাইস চেয়ারম্যান

জাতীয় সংসদের সদস্য নিলুফার জাফরুল্লাহ মিডল্যান্ড ব্যাংক লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ব্যাংকের ৭৬তম পর্ষদ সভায় তিনি এ পদে নির্বাচিত হন। একই সভায় ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন মাস্টার আবুল কাশেম। নিলুফার জাফরুল্লাহ ২০১৩ সাল থেকে মিডল্যান্ড ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তিনি ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ ও চট্টগ্রাম ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য এবং হংকং সাংহাই মানজালা টেক্সটাইল লিমিটেডের পরিচালক।বিশিষ্ট স্থপতি নিলুফার জাফরুল্লাহ জোনটা ইন্টারন্যাশনালের আজীবন সদস্য। তিনি নবম জাতীয় সংসদের সদস্য হিসেবে তিনি ২০১২-১৩ অর্থবছরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। মাস্টার আবুল কাশেম মিডল্যান্ড ব্যাংকের একজন উদ্যোক্তা পরিচালক। তিনি ২০০৯, ২০১০, ২০১১ ও ২০১৬ সালে চট্টগ্রাম জেলার সর্বোচ্চ করদাতা মনোনীত হন। তিনি বাংলাদেশ শিপ ব্রেকার্স অ্যান্ড রিসাইক্লার্স অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য। এছাড়া তিনি মাদার স্টিল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ম্যাক করপোরেশন ও মাস্টার স্টিল রি-রোলিং মিলসের স্বত্বাধিকারী এবং এআইবিএল ক্যাপিটাল মার্কেট সার্ভিসের একজন শেয়ারহোল্ডার। আআ//এসএইচ/

বিশ্বব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট স্ক্যাফার কাল আসছেন

অংশীদারিত্বমূলক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় এবং রোহিঙ্গা সমস্যা মোকাবেলায় কিভাবে সহযোগিতা করা যায়-এ নিয়ে আলোচনা করতে বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট হার্টইউং স্ক্যাফার আগামীকাল বাংলাদেশ সফরে আসছেন। সফরকালে তিনি কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন এবং সেখানকার স্থানীয় সরকারি কর্মকর্তা, নাগরিক সমাজ ও বেসরকারি সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে দেখা করবেন। এছাড়াও তিনি ঢাকায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদসহ সরকারের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এবং বেসরকারি ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। রোহিঙ্গা সমস্যা মোকাবেলায় বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে ৪০ কোটি মার্কিন ডলারের অনুদান সহায়তা প্রদান করছে। চলতি বছরের ১ জুলাই দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি স্ক্যাফারের প্রথম বাংলাদেশ সফর। সূত্র: বাসস। কেআই/ এসএইচ/

ছড়া পাঠ করলেন অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত শিশু সাহিত্যিকদের সম্মেলনে ছড়া পাঠ করলেন। আজ শুক্রবার বাংলা একাডেমীতে অনুষ্ঠিত `চন্দ্রাবতী শিশুসাহিত্য সম্মেলন` শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে শিশুবিষয়ক ছড়া পাঠ করেন তিনি। চন্দ্রাবতী একাডেমী আয়োজিত এ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তিনি। অর্থমন্ত্রী তার নির্ধারিত বক্তব্যে গতানুগতিক ধারা অনুসরণ না করে গল্পচ্ছলে বক্তব্য শুরু করেন। এ সময় তিনি বলেন, `আজ সন্ধ্যায় আমার ব্যক্তিগত সহকারীর বিয়ে। তার বিয়ের বয়স পার হয়েছে অনেক আগে। কিন্তু সে বিয়ে করেনি। আমি তাকে জিজ্ঞেশ করেছিলাম, তুমি করনি কেন? কোন বিশেষ ( বিরহ) কারণে? নাকি চিরকুমার থাকবে।` অর্থমন্ত্রীর বক্তব্যের এ পর্যায়ে হল জুড়ে হাসির পরিবেশ সৃষ্টি হয়। অর্থমন্ত্রী তখন অনেকটা তার সহকারীকে নকল করে বললেন, ` আমার ব্যক্তিহত সহকারী তখন লাজুকভাবে উত্তর দিল, স্যার আমি বিয়ে করব। চিরকুমার থাকব না। তবে করা হয়ে উঠেনি`। অর্থমন্ত্রী তখন আরও বলেন, আজ সেই গুরুত্বপূর্ণ দিন। সন্ধ্যায় তার আকদ্ অনুষ্ঠান। আমি সেখানে যাব। এরপরেই অর্থমন্ত্রী তার হাতে থাকা একটি বই থেকে চার লাইনের ছড়া ছন্দে ছন্দে পাঠ করেন। পুরো হল জুড়ে তখন করতালির সৃষ্টি হয়। সম্মেলন আয়োজনকারী সংগঠন চন্দ্রাবতী একাডেমী`র প্রশংসা করে অর্থমন্ত্রী এসময় বলেন, তাদের প্রকাশিত বইয়ে কোন ধরনের ভুল থাকে না। এটা প্রশংসার দাবিদার। উল্লেখ্য অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতও লেখক। সম্প্রতি তার রচনা সমগ্র দশম খণ্ড প্রকাশিত হয়েছে। আআ// এসএইচ/

শীতকালীন সবজির দাম চড়া [ভিডিও]

বাজারে আসতে শুরু করেছে শীতকালীন সবজি। অবশ্য দাম চড়া। তবে অন্যান্য সবজি ক্রেতাদের সাধ্যের মধ্যেই। কমেছে পেঁয়াজ, রসুন ও আদার দাম। ইলিশের দাম হালিতে কমেছে ৪শ’ থেকে ৫শ’ টাকা। গরু, খাসি, মুরগিসহ চালের বাজার স্থিতিশীল। বাজারে পটল, বেগুন, কড়লাসহ অন্যান্য সবজির দাম ক্রেতার হাতের নাগালে। তবে শীতকালীন সবজির দাম চড়া। ফুলকপি ৬০ টাকা, বাঁধাকপি ৪০, শিম ৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শসার দাম কেজিতে ২০টাকা বেড়ে ৮০ টাকা আর টমেটো দশ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকায়। দেশি ও ভারতীয় পেঁয়াজের দাম কেজিতে কমেছে ৫ টাকা। কেজিতে দশ টাকা কমে রসুন ৭০ এবং আদা ১শ’৩০ টাকা হয়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মধ্যে চিনির দাম কেজিতে কমেছে আট টাকা, মসুর ডাল ৫ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়। বেড়েছে এলাচির দাম। চালের বাজারেও দাম স্থিতিশীল। মাছের বাজারে সরবরাহ ভালো। ব্রয়লার মুরগি, গরু ও খাসি বিক্রি হচ্ছে আগের দামেই। একে//

উৎসে কর কমানোর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী 

ব্যবসায় ব্যয় হ্রাসের লক্ষ্যে উৎসে কর কমানোসহ অন্যান্য উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়টি সরকারের সক্রিয়ভাবে বিবেচনায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। আজ বৃহষ্পতিবার ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)’র “ডিসিসিআই প্রেসিডেন্ট’স এক্সিকিউটিভ ফ্লোর” উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।    বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি মজুরি কমিশন কর্তৃক পোশাক খাতের শ্রমিকদের জন্য ৮ হাজার টাকা মজুরি নির্ধারণ করার ফলে ব্যবসা পরিচালনায় কিছুটা ব্যয় বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে, এমতাবস্থায় সরকার ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনায় ব্যয় হ্রাসের জন্য উৎসে কর কমানোর মত অন্যান্য উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়টি সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করছে। তোফায়েল আহমেদ বলেন, দেশের ব্যবসায়ী সমাজের সার্বিক সহযোগিতার ফলে বাংলাদেশ বর্তমানে সারা পৃথিবীতে উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত হয়েছে এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত হবে। তিনি বলেন, দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনীতিকে গতিশীল করার জন্য দীর্ঘদিন যাবত ঢাকা চেম্বার অত্যন্ত সক্রিয়ভাবে কাজ করে আসছে। তোফায়েল আহমেদ বলেন, বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বর্তমান সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরের জন্য প্রচেষ্ঠা অব্যাহত রেখেছে এবং ভিয়েতনামের সঙ্গে এফটিএ স্বাক্ষরের বিষয়টিতে বেশ অগ্রগতি হয়েছে। ঢাকা চেম্বারের সভাপতি আবুল কাসেম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ডিসিসিআই ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি কামরুল ইসলাম, এফসিএ, পরিচালক ইঞ্জিনয়ার আকবর হাকিম ও হোসেন এ সিকদার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এসি  

‘তথ্য নিরাপত্তা খাতে বড় ধরনের ঝুকিতে রয়েছে’

বাংলাদেশের তথ্য প্রযুক্তিখাতে বড় আকারে পরিবর্তন এলেও তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে না অধিকাংশ ক্ষেত্রেই। তার কারণে বড় ধরনের সাইবার নিরাপত্তার ঝুকিতে রয়েছে বাংলাদেশের আইটি খাত। যে কোন মুহূর্তে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে সরকারি-বেসরকারি, আর্থিক বা অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের ডাটাবেইজ, ওয়েবসাইট। সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশ ব্যাংকসহ আরও ২টা বেসরকারি ব্যাংক হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে আর্থিক ক্ষতি তারই ইঙ্গিত বহন করে। তাই এখন থেকে সজাগ হতে হবে। প্রযুক্তিগত নিরাপত্তা বাড়াতে হবে। গত ১৮ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার নগরীর একটি রেস্টুরেন্টে চট্টগ্রামের আইটি প্রফেশনালদের একমাত্র সংগঠন সোসাইটি ফর আইটি প্রফেশনালস এর “সেমিনার অন ইনফরমেশন সিকিউরিটি” অনুষ্ঠানে সিকিউরিটি স্পেশালিস্টরা কথাগুলো বলেন। এসসিআইটিপি’র সভাপতি মো. আবদুল্লাহ ফরিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সেমিনারে বাংলাদেশের বিখ্যাত আইটি সিকিউরিটি প্রতিষ্ঠান বিটলস লিমিটেডের কর্মকর্তারা তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরেন । সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম মাহিনের সঞ্চালনায় সিকিউরিটিবিষয়ক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিটলস লিমিটেডের হেড অব সিকিউরিটি অপারেশন্স শাহী মির্জা এবং রিসার্চ ইঞ্জিনিয়ার কায়সার ইউসুফ। সিকিউরিটির গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে আলোচনা করেন চিফ অপারেটিং অফিসার মনজুর হোসাইন চৌধুরী, হেড অব রেড টিম তারেক সিদ্দিকী, চিফ মার্কেটিং অফিসার আসরার হোসাইন। এতে চট্টগ্রামের বিভিন্ন কোম্পানির প্রায় ৫০ জন আইটি কর্মকর্তা অংশ নেয়। তারা সিকিউরিটি ইস্যুতে সম্মুখীন বিভিন্ন অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। বিটলসের কর্মকর্তারা চট্টগ্রামের প্রতিষ্ঠানগুলোর সিকিউরিটিবিষয়ক যে কোন সমস্যায় পাশে থাকার আশ্বাস দেন। উপস্থিত ছিলেন- এসসিআইটিপিরসহ সভাপতি তামিম ওয়াহিদ আল হেলাল, যুগ্ম সম্পাদক রিপন চৌধুরী, অর্থ নিয়ন্ত্রক শাহ পরান। এসএইচ/

২৪ গণমাধ্যমকর্মীকে পুরস্কৃত করলো রিহ্যাব

আবাসন শিল্প নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন করার জন্য ২৪ সংবাদকর্মীকে পুরস্কৃত করলো রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)। ‘বর্ষসেরা সাংবাদিক পুরস্কার-২০১৬’ শিরোনামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। পুরস্কার প্রাপ্তদের মধ্যে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক ক্যাটাগরিতে পাঁচ জন করে ১০ জন প্রতিবেদক এবং টেলিভিশনের ১৪ জন ক্যামেরাম্যান রয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাজধানীর সিরডাপ সিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিজয়ীদের হাতে সনদ ও পুরস্কারের অর্থ তুলে দেয়া হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। রিহ্যাব প্রেসিডেন্ট আলমগীর শামসুল আলামিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রিহ্যাবের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রেস অ্যান্ড মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান নুরুন্নবী চৌধুরী (শাওন), প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট লিয়াকত আলী ভূইয়া প্রমুখ। প্রথম পুরস্কার হিসেবে বিজয়ীকে দেয়া হয় দুই লাখ টাকার চেক। দ্বিতীয় বিজয়ী পেয়েছেন এক লাখ টাকা এবং তৃতীয় বিজয়ী ৭৫ হাজার টাকা। এছাড়া চতুর্থ ও পঞ্চম স্থান অধিকারী প্রত্যেককে দেয়া হয়েছে ৫০ হাজার টাকা। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে গণপূর্ত মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসনের জন্য ঋণের একটা সুবিধা দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী যদি এই সুবিধা সবার জন্য দেন, তাহলে আমরা স্বল্পমূল্যে অ্যাপার্টমেন্ট দিতে পারব। আরকে//

এসআইবিএল এর উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক সিরাজুল হক

সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের (এসআইবিএল) উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে যোগ দিয়েছেন মো. সিরাজুল হক। এসআইবিএল এ যোগদানের আগে তিনি ঢাকা ব্যাংক লিমিটেডের এসইভিপি এবং ইসলামিক ব্যাংকিং বিভাগ, এসএমই ও স্পেশালাইজড ক্রেডিট ডিপার্টমেন্টের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন  করেন। মো. সিরাজুল হক চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হিসাব বিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৮৭ সালে ব্যাংক ইন্দোসুয়েজ এ যোগদানের মাধ্যমে তার কর্মজীবন শুরু হয় এবং পরবর্তীতে তিনি এফএভিপি হিসেবে ঢাকা ব্যাংকে যোগদান করেন। এরপর ফাইনান্সিয়াল কন্ট্রোলার হিসেবে ফয়সাল ইসলামী ব্যাংক অব বাহরাইনে কাজ করে ১৯৯৯ সালে পুনরায় ঢাকা ব্যাংকে ভিপি হিসেবে যোগ দিয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বিভিন্ন সময়ে বিশ্ব ব্যাংক, বাংলাদেশ ব্যাংক, বিআইবিএম ও বিএমডিসি কর্তৃক আয়োজিত ব্যাংকের অভ্যন্তরীন বিভিন্ন বিষয়ের উপর আয়োজিত গুরুত্বপূর্ণ ও উচ্চতর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। সেমিনার, সিম্পোজিয়ামে অংশগ্রহণের জন্য তিনি পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেন। ঢাকা ব্যাংকের একাউন্টিং ম্যানুয়েল ও ইসলামিক ব্যাংকিং ম্যানুয়েল তার হাত ধরেই প্রণীত হয়। তিনি ঢাকা ব্যাংকের এসএমই বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ঢাকা ব্যাংক, বাংলাদেশ ব্যাংক ও এসএমই ফাউন্ডেশন কর্তৃক ঘোষিত ‘বেস্ট ম্যানুফেক্চারিং সেক্টর ফ্র্যান্ডলি ব্যাংক-২০১৪’ পুরস্কার লাভ করেন।   একে//

কাউখালীতে আইবিবিএল এর এজেন্ট ব্যাংকিং কেন্দ্র উদ্বোধন

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড-এর এজেন্ট ব্যাংকিং কেন্দ্র পিরোজপুরের কাউখালী বাজারে উদ্বোধন করা হয়েছে। ব্যাংকের ডেপুটি ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু রেজা মো. ইয়াহিয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। গত মঙ্গলবার কাউখালী উপজেলা বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা আ ফ ম শাজাহান ফিতা কেটে এ কেন্দ্র উদ্বোধন করেন। ব্যাংকের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও বরিশাল জোনপ্রধান মো. আব্দুস সালাম-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কাউখালী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম আহসান কবির, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান চৌধুরী ফাতেমা ইয়াসমিন পপি, জেলা পরিষদ সদস্য শাহাজাদী রেবেকা শাহিন চৈতি, সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমিনুর রশিদ মিল্টন, সমাজসেবক মৃদুল হাসান সুমন ও আব্দুল লতিফ খসরু। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ব্যাংকের ফার্স্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট ও রাজাপুর শাখাপ্রধান মো. নূর-ই-আলম জিয়া। স্থানীয় ব্যবসায়ী, পেশাজীবী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। একে//

তিতাস গ্যাস ও ব্যাংক এশিয়ার মধ্যে সমঝোতা স্মারক

ব্যাংক এশিয়ার শাখা ও এজেন্ট আউটলেটের মাধ্যমে অনলাইন গ্যাস বিল কালেকশন বিষয়ক একটি সমঝোতা স্মারক হস্তান্তর করা হয়। তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন ও ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লি. এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জি. মীর মশিউর রহমান এর উপস্থিতিতে ব্যাংক এশিয়ার উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জিয়াউল হাসান মোল্লা এবং তিতাস গ্যাস- এর সেক্রেটারি মো. আব্দুল হাকিম মুক্তা এ সমঝোতা স্মারক হস্তান্তর করেন। গতকাল বুধবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে তিতাস গ্যাস- এর প্রধান কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে এ সমঝোতা স্মারক হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন ও ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পালি লি. এর পরিচালক (অর্থ) মো. শরিফুর রহমান, ব্যাংক এশিয়ার এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও আইসিটি বিভাগের প্রধান মো. আব্দুল কাইয়ুম খান, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও করপোরেট শাখা প্রধান মো. আজিজুল হক খান এবং এ্যাসিসট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট ও এডিসি বিভাগের প্রধান মো. মনিরুজ্জামান খানসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। একে//

৫% সুদে গৃহঋণের আবেদন ১ অক্টোবর থেকে

আগামী ১লা অক্টোবর থেকে মাত্র ৫ শতাংশ সুদে গৃহঋণের জন্য অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন সরকারি চাকরিজীবীরা। বিভিন্ন গ্রেডের আওতায় কর্মরত সরকারি চাকরিজীবীরা সর্বনিম্ন ২০ লাখ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৭৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে প্রাথমিকভাকে সরকারি চার বাণিজ্যিক ব্যাংক- সোনালী, জনতা, অগ্রণী ও রূপালী ব্যাংক এবং বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশন (বিএইচবিএফসি) থেকে এই ঋণ নেওয়া যাবে। এ ক্ষেত্রে ঋণগ্রহীতাকে ২০ বছর মেয়াদে ৫ শতাংশ সুদ বহন করতে হবে। অন্যদিকে বাকি ৫ শতাংশ সুদ বহন করবে সরকার। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হাবিবুর রহমান সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। গত ৩০ জুলাই অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে ‘সরকারি কর্মচারীদের জন্য ব্যাংকিং-ব্যবস্থার মাধ্যমে গৃহ নির্মাণ ঋণ প্রদান নীতিমালা-২০১৮’ প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করা হয়। সেখানে বলা হয়, চাকরি স্থায়ী হওয়ার পাঁচ বছর পর থেকে সরকারি চাকরিজীবীরা এই ঋণ পাওয়ার যোগ্য হবেন। আর আবেদনের জন্য সর্বোচ্চ বয়সসীমা হবে ৫৬ বছর। কার জন্য কেমন ঋণ # জাতীয় বেতন স্কেলে পঞ্চম থেকে প্রথম গ্রেডভুক্ত, অর্থাৎ উপসচিব থেকে সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তারা সিটি করপোরেশন ও বিভাগীয় সদরে বাড়ি নির্মাণ বা ফ্ল্যাট কেনার জন্য সর্বোচ্চ ৭৫ লাখ টাকা ঋণ পাবেন। জেলা সদরে এই অঙ্ক হবে ৬০ লাখ টাকা, অন্যান্য এলাকায় ৫০ লাখ টাকা। # নবম থেকে ষষ্ঠ গ্রেডের কর্মকর্তারা সিটি করপোরেশন ও বিভাগীয় সদরে ৬৫ লাখ টাকা, জেলা সদরে ৫৫ লাখ টাকা এবং অন্যান্য এলাকার জন্য ৪৫ লাখ টাকা পর্যন্ত পাবেন গৃহঋণ হিসেবে। # দশম থেকে ত্রয়োদশ গ্রেডের কর্মকর্তারা সিটি করপোরেশন ও বিভাগীয় সদরে পাবেন ৫৫ লাখ, জেলা সদরে ৪০ লাখ এবং অন্য এলাকায় ৩০ লাখ টাকা। # চতুর্দশ থেকে সপ্তদশ গ্রেডের কর্মচারীরা সিটি করপোরেশন ও বিভাগীয় সদরে ৪০ লাখ টাকা, জেলা সদরে ৩০ লাখ টাকা এবং অন্য এলাকায় ২৫ লাখ টাকা গৃহঋণ নিতে পারবেন। # সর্বশেষ পর্যায়ে অষ্টাদশ থেকে বিংশতম গ্রেডের কর্মচারীরা সিটি করপোরেশন ও বিভাগীয় সদরে ৩০ লাখ, জেলা সদরে ২৫ লাখ এবং অন্য এলাকায় ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবেন আবাসন নির্মাণের জন্য। মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ইতোমধ্যে ঋণ আবেদনের অভিন্ন ফরম তৈরি করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত একটি সারসংক্ষেপে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত অনুমোদনও দিয়েছেন। সরকারি চাকরিতে স্থায়ীভাবে নিয়োগপ্রাপ্তরাই কেবল এ ঋণের আবেদন করতে পারবেন; রাষ্ট্রায়ত্ত ও স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোম্পানি, পৃথক বা বিশেষ আইন দ্বারা সৃষ্ট প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা এ ঋণ পাওয়ার যোগ্য বিবেচিত হবেন না। ব্যক্তিগত জমির ওপর বাড়ি তৈরি করতে চাইলে ঋণের আবেদনপত্রের সঙ্গে জমির মূল মালিকানা দলিল জমা দিতে হবে। মালিকানা পরম্পরার তথ্যও দিতে হবে। সরকারি প্লট বা সরকার থেকে ইজারা নেওয়া জমিতেও বাড়ি তৈরি করা যাবে। সেক্ষেত্রে ঋণ আবেদনের সঙ্গে প্লটের বরাদ্দপত্রের প্রমাণপত্র এবং অন্যান্য দলিল জমা দিতে হবে। ডেভেলপারকে দিয়ে বাড়ি তৈরি করালে জমির মালিক এবং ডেভেলপারের সঙ্গে নিবন্ধন করা ফ্ল্যাট বণ্টনের চুক্তিপত্র, অনুমোদিত নকশা, ফ্ল্যাট নির্মাণস্থলের মাটি পরীক্ষার প্রতিবেদন, সরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর নির্ধারিত ছকে ইমারতের কাঠামো নকশা ও ভারবহন সনদ জমা দিতে হবে। এমজে/

স্বাস্থ্য খাতে ৯২১ কোটি টাকা দিচ্ছে এডিবি

বাংলাদেশের নগরাঞ্চলে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ বাড়াতে আবারও ১১ কোটি ডলার বা প্রায় ৯২১ কোটি টাকার ঋণ সহায়তা দেবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। বুধবার ম্যানিলাভিত্তিক আন্তর্জাতিক এই ঋণদাতা সংস্থাটির এক সংবাদ বিবৃতির মাধ্যমে এতথ্য গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন।   বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, পরিচালনা পর্ষদ সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের(পিপিপি) আওতায় নেয়া একটি প্রকল্পের জন্য বাড়তি এ ঋণ অনুমোদন করেছে। এডিবির সামাজিক খাত বিশেষজ্ঞ ব্রায়ান চিন বলেন, ২০১২ সালে অনুমোদিত সরকারের নেতৃত্বে পরিচালিত আরবান প্রাইমারি হেলথকেয়ার সার্ভিসেস ডেলিভারি নামে এ প্রকল্পে এডিবির সহায়তা বিশেষ করে দরিদ্র খানাগুলোর মধ্যে মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ বাড়ানোর ফলে শূন্যস্থান পূরণ হচ্ছে। তিনি বলেন, নতুন এ অর্থায়ন সেবাপ্রদানের ব্যবস্থাকে জোরদার করবে। ২০১২ সালের প্রকল্প ও বাকি দুটি প্রকল্পের ভিত শক্ত করবে। অপূরণীয় চাহিদা পূরণ করে এ ব্যবস্থা পারিচালনায় স্বনির্ভরতা আসবে।ব্রায়ান চিন বলেন, আরবান প্রাইমারি হেলথকেয়ার সার্ভিসেস ডেলিভারি শীর্ষক ২০১২ সালে নেয়া এ প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায় এর মধ্যেই একনেকে অনুমোদন পেয়েছে। এটি বাস্তবায়নে ব্যয় হবে এক হাজার ১৩৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ২৪০ কোটি টাকা এবং এডিবির ঋণ থেকে ৮৯৬ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে শহরের দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা প্রদান সম্ভব হবে। পাশাপাশি মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য সম্পর্কিত অপরিহার্য সেবা প্যাকেজের মাধ্যমে দরিদ্রদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা যাবে।এর মাধ্যমে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের ক্ষেত্রে আর্থিক ও ভৌত অভিগম্যতার উন্নয়ন ঘটবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। চলতি বছর থেকে ২০২৩ সালের মার্চের মধ্যে এটি বাস্তবায়ন করবে স্থানীয় সরকার বিভাগ। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ১১টি সিটি কর্পোরেশন ও ১৪টি পৌরসভার জনগণ, বিশেষ করে দরিদ্র জনগোষ্ঠী নারী ও শিশু অগ্রাধিকার ভিত্তিতে উন্নত স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ পাবে। টিআর/

এই বিভাগের জনপ্রিয়

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি