ঢাকা, বুধবার, ২৪ অক্টোবর, ২০১৮ ৪:৫৬:১৩

লেনদেনে খরা কাটছে পুঁজিবাজারে

পুঁজিবাজারের সব খবর

লেনদেনে খরা কাটছে পুঁজিবাজারে

লেনদেনে খরা কাটছে পুঁজিবাজারে। দেশের প্রধান স্টক এক্সচেঞ্জ ডিএসই’র লেনদেন নেমে এসেছে ৪শ’ কোটি টাকার নিচে। মঙ্গলবার ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩৪২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দর বেড়েছে ১৩৫টির, কমেছে ১৫৪টির, আর ৫৩টি প্রতিষ্ঠানের দর অপরিবর্তিত ছিল। ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স প্রায় ১ পয়েন্ট বেড়ে উঠে আসে ৫ হাজার ২৫২ পয়েন্টে। দিন শেষে লেনদেন হওয়া শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের বাজারমূল্য ছিল ৩৭৯ কোটি ৪০ লাখ টাকা। সূচক কমেছে সিএসইতে। সিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৪২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দর বেড়েছে ৬৫টির, কমেছে ১৩৮টির, আর ৩৯টি প্রতিষ্ঠানের দর ছিল অপরিবর্তিত। আর মোট লেনদেন হয়েছে ১৮ কোটি ৯০ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। ২৪ অক্টোবর যেসব কোম্পানির বোর্ড মিটিং পুুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজ, বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেম, জেমিনি সী ফুড, আমরা টেকনোলজিস, মালেক স্পিনিং, এইচ আর টেক্সটাইল, সায়হাম টেক্সটাইল ও জাহিনটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত হবে ২৪শে অক্টোবর। সভায় ৩০শে জুন ২০১৮ সমাপ্ত বছরের জন্য ডিভিডেন্ডের সুপারিশ আসতে পারে। ২৫ অক্টোবর যেসব কোম্পানির বোর্ড মিটিং পুুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান আইএসএন লিমিটেড, ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস, বেক্সিমকো ফার্মা, বেক্সিমকো লিমিটেড, শাইনপুকুর সিরামিক, সিভিও পেট্রোকেমিক্যালস, নাহী অ্যালুমিনিয়াম কম্পোজিট, এসিআই ফর্মুলেশনস, এসিআই, হামিদ ফেব্রিকস, আর এন স্পিনিং, তিতাস গ্যাস, নূরানী ডায়িং, বিডি থাই অ্যালুমিনিয়াম, মেট্রো স্পিনিং, ম্যাকসন স্পিনিং, আনলিমা ইয়ার্ন, ফরচুন সুজ, আইটি কনসালটেন্টস, মুন্নু সিরামিক ও মুন্নু জুট স্টাফলার্স লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত হবে ২৫ অক্টোবর। সভায় ৩০ জুন ২০১৮ সমাপ্ত বছরের জন্য ডিভিডেন্ডের সুপারিশ আসতে পারে। ২৭ অক্টোবর যেসব কোম্পানির বোর্ড মিটিং পুুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান রংপুর ফাউন্ড্রি, মোজাফফর হোসেন স্পিনিং, বেঙ্গল উইন্ডসোর, অ্যাকটিভ ফাইন কেমিক্যাল, এএফসি অ্যাগ্রোবায়োটেক, আলহাজ টেক্সটাইল, শাশা ডেনিমস, প্রিমিয়ার সিমেন্ট, এমএল ডায়িং, ভিএফএস থ্রেড ডায়িং, এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টীল, ফার কেমিক্যাল, এপেক্স ফুডস, এপেক্স স্পিনিং, সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ, সাইফ পাওয়ারটেক, জাহিন স্পিনিং, রেনাটা, ন্যাশনাল পলিমার, গোল্ডেন হারভেস্ট, ডেফোডিল কম্পিউটার্স, জিপিএইচ ইস্পাত, বারাকা পাওয়ার, স্ট্যান্ডার্ড সিরামিক, সেন্ট্রাল ফার্মা ও সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত হবে ২৭শে অক্টোবর। সভায় ৩০শে জুন ২০১৮ সমাপ্ত বছরের জন্য ডিভিডেন্ডের সুপারিশ আসতে পারে। ২৮ অক্টোবর যেসব কোম্পানির বোর্ড মিটিং পুুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান জিবিবি পাওয়ার, দেশবন্ধু পলিমার, কুইন সাউথ টেক্সটাইল, ফু-ওয়াং সিরামিক, এসকে ট্রিমস, ইয়াকিন পলিমার, সাফকো স্পিনিং, আমান কটন ফাইব্রোস, আমান ফিড, নাভানা সিএনজি, আফতাব অটোমোবাইলস, সোনারগাঁও টেক্সটাইল, ন্যাশনাল ফিড মিল, দেশ গার্মেন্টস, সিনোবাংলা ইন্ডাস্ট্রিজ, আজিজ পাইপস, আরামিট লিমিটেড, আরএসআরএম স্টীল, আরামিট সিমেন্ট, ফু-ওয়াং ফুডস, খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ, গ্লোবাল হেভী কেমিক্যাল, আনোয়ার গ্যালভানাইজিং, অগ্নি সিস্টেমস, লিবরা ইনফিউশনস, তসরিফা ইন্ডাস্ট্রিজ, ওয়াইমেক্স, ইনট্রাকো রিফুয়েলিং, ইনটেক লিমিটেড, আলিফ ম্যানুফ্যাকচারিং, আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজ, ফাইন ফুডস, জিকিউ বলপেন, আরডি ফুড ও সায়হাম কটন মিলন লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত হবে ২৮ অক্টোবর। সভায় ৩০ জুন ২০১৮ সমাপ্ত বছরের জন্য ডিভিডেন্ডের সুপারিশ আসতে পারে। ২৯ অক্টোবর যেসব কোম্পানির বোর্ড মিটিং পুুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান বিডিকম অনলাইন, ওয়াটা কেমিক্যাল, সালভো কেমিক্যাল, উসমানিয়া গ্লাস ও কনফিডেন্স সিমেন্ট লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত হবে ২৯ অক্টোবর। সভায় ৩০ জুন ২০১৮ সমাপ্ত বছরের জন্য ডিভিডেন্ডের সুপারিশ আসতে পারে। ৩০ অক্টোবর যেসব কোম্পানির বোর্ড মিটিং পুুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান রিজেন্ট টেক্সটাইল, সমতা লেদার, গোল্ডেন সন, কেপিসিএল, শমরিতা হাসপাতাল, জেএমআই সিরিঞ্জ, প্রাইম টেক্সটাইল, সাভার রিফ্রাক্টরীজ ও ফ্যামিলিটেক্স লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত হবে ৩০ অক্টোবর। সভায় ৩০ জুন ২০১৮ সমাপ্ত বছরের জন্য ডিভিডেন্ডের সুপারিশ আসতে পারে। ১ নভেম্বর যেসব কোম্পানির বোর্ড মিটিং পুুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান হাক্কানী পাল্প অ্যান্ড পেপার লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত হবে ১ নভেম্বর। সভায় ৩০ জুন ২০১৮ সমাপ্ত বছরের জন্য ডিভিডেন্ডের সুপারিশ আসতে পারে। ৪ নভেম্বর যেসব কোম্পানির বোর্ড মিটিং পুুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত হবে ৪ নভেম্বর। সভায় ৩০ জুন ২০১৮ সমাপ্ত বছরের জন্য ডিভিডেন্ডের সুপারিশ আসতে পারে। এসএইচ/      
ব্যাংক এশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের চুক্তি 

সম্প্রতি ব্যাংক এশিয়া আইপিএফএফ-টু-প্রকল্প থেকে তহবিল সুবিধা প্রাপ্তির লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।   আইপিএফএফ-টু (ইনভেস্টমেন্ট প্রমোশন এন্ড ফিন্যান্সিংফ্যাসিলিটি-টু) বাংলাদেশ সরকার এবং ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট এসোসিয়েশন (আইডিএ) এর একটি যৌথ আর্থিক তহবিল প্রকল্প যার মোট তহবিলের পরিমান ৩২৮৯ কোটি টাকা, এর মধ্যে ১০২.৩১ কোটি টাকা কারিগরি সক্ষমতা বৃদ্ধিতে এবং ৩০১৭৭ কোটি টাকা দীর্ঘ মেয়াদী প্রকল্পে অর্থায়ন করা হবে।   ব্যাংক এশিয়া আইপিএফএফ-টু প্রকল্প থেকে সংগ্রহকৃত তহবিল বিদ্যুৎ উৎপাদন, বন্দর উন্নয়ন, পরিবেশ, শিল্প ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, সড়ক, মহাসড়ক, শিল্পএলাকা ও পার্ক উন্নয়নখাতে বিনিয়োগ করবে।    বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্ণর ও আইপিএফএফ-টু প্রকল্পের পরিচালক আহমেদ জামাল এবং ব্যাংক এশিয়া লিমিটেড-এর প্রেসিডেন্ট ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আরফান আলী নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তি স্বাক্ষর করেন। আইপিএফএফ-টু প্রকল্পের উপ-পরিচালক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের উপ-মহাব্যবস্থাপক  কুমার পাল এবং ব্যাংক এশিয়ার এসইভিপি ও হেড অব কর্পোরেট এন্ড লার্জ লোন শাফিউজ্জামান সহ উভয় প্রতিষ্ঠানের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।   কেআই/এসি     

ইসলামী ব্যাংক সোনাতলা শাখার স্কুল ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের বগুড়ার সোনাতলা শাখার উদ্যোগে টি এম মেমোরিয়াল একাডেমিতে স্কুল ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন সোমবার অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ব্যাংকের অডিট কমিটির চেয়ারম্যান ড. মো. জিল্লুর রহমান। টি এম মেমোরিয়াল একাডেমির প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যংকের ফাস্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সোনাতলা শাখা প্রধান মো. আলতাফ হোসাইন। এসময় টিএম মেমোরিয়াল একাডেমির শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। ড. মো. জিল্লুর রহমান প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক অন্তর্ভূক্তি কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আধুনিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পরিচয় করিয়ে দিতে ও তাদের মধ্যে সঞ্চয়ের মানসিকতা গড়ে তুলতে ইসলামী ব্যাংকের স্কুল ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তিনি স্কুল ব্যাংকিং সেবা গ্রহণ ও নিজেদের সুশিক্ষিত নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান। এসএইচ/

মেডিকেল ভর্তিচ্ছু এক শিক্ষার্থীকে সহায়তা করলো এসবিএসি ব্যাংক

সিলেট এমএজি মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পাওয়া শিক্ষার্থী সজীব বাড়ৈর কাছে ৫০ হাজার টাকার চেক হস্তান্তর করেছেন সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স (এসবিএসি) ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মো. গোলাম ফারুক। এ সময়ে ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তফা জালাল উদ্দিন আহমেদ, এসইভিপি মো. কামাল উদ্দিন, সিএফও মো. মাসুদুর রহমান ও কোম্পানি সেক্রেটারি মো. মোকাদ্দেস আলী এবং শিক্ষার্থীর বাবা সুধীর বাড়ৈ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, সজীব বাড়ৈ চলতি বছরে মেডেকেল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়। কিন্তু পেশায় দর্জি বাবার পক্ষে ভর্তি টাকা জোগাড় করা সম্ভব হচ্ছিল না, এই মর্মে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের প্রেক্ষিতে এসবিএসি ব্যাংক এ শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করেছে। এসএইচ/

গ্রামীণফোন ও ব্যাংক এশিয়ার চুক্তি

ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং গ্রামীণফোন ও মাইক্রোসেভের প্রযুক্তিগত সহযোগিতায় মাইক্রো-মার্চেন্ট সাপ্লাই চেইনে ডিজিটাল আর্থিক সেবা প্রদানের মাধ্যমে উদ্ভাপনি পণ্য ও টেকসই ব্যবসায়িক মডেল চালুর লক্ষে ব্যাংক এশিয়া ও ইউএনসিডিএফ’র শিফ্ট সার্ক এন্ড আশিয়ান প্রজেক্টের সঙ্গে ব্যাংক এশিয়ার চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে। এ চুক্তির মাধ্যমে ব্যাংক এশিয়া প্রাথমিকভাবে সিরাজগঞ্জ, জামালপুর এবং শেরপুর জেলায় মাইক্রো মার্চেন্ট লেভেলে ডিজিটাল আর্থিক সেবা প্রদান করবে। ব্যাংক এশিয়ার প্রেসিডেন্ট ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আরফান আলী ও ইউএনসিডিএফ’র শিফ্ট সার্ক এন্ড আশিয়ান প্রজেক্টের প্রোগ্রাম ম্যানেজার রাজিব কুমার গুপ্ত নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন। অর্থমন্ত্রণালয়ের ফিনান্সিয়াল ইনক্লুশন ডিভিশনের সচিব মো. আসাদুল আলম, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের ফার্স্ট সেক্রেটারি মেনফ্রেড ফার্নলজ, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মো. নাজিমুদ্দিন, ডি নেট-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সিরাজুল হোসেন, ব্যাংক এশিয়ার এসইভিপি ও চ্যানেল ব্যাংকিং ডিভিশন প্রধান সরদার আখতার হামিদ, গ্রামীণ ফোনের হেড অব ফিনান্সিয়াল সার্ভিস রাশেদা সুলতানা এ সময় উপিস্থিত ছিলেন। এসএইচ/

আড়ংয়ের ৪০ বছর পূর্তি উৎসব শুরু বৃহস্পতিবার

বৃহস্পতিবার ঢাকার আর্মি স্টেডিয়ামে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শুরু হচ্ছে আড়ং-এর তিন-দিনব্যাপী ৪০ বছর পূর্তি উৎসব। সবার জন্য উন্মুক্ত এই উৎসবটির নাম দেওয়া হয়েছে “আড়ং ফোরটি ইয়ার্স ফেস্টিভাল”, যেখানে তুলে ধরা হবে বাংলাদেশের হস্তশিল্পের ঐতিহ্য এবং কারুশিল্পীদের সাফল্যের গল্প। মঙ্গলবার ঢাকার ব্র্যাক সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আড়ং এবং ব্র্যাক এন্টারপ্রাইজেস এর সিনিয়র ডিরেক্টর তামারা হাসান আবেদ বলেন, “আড়ং বাংলাদেশের মানুষের একটি সম্মিলিত প্রয়াস। একেবারে গ্রামীণ নারী থেকে শুরু করে ওস্তাদ কারুশিল্পী, ডিজাইনার এমনকি প্রশাসনিক কর্মকর্তা পর্যন্ত, প্রতিটি পর্যায়ে সবারই রয়েছে সমান অবদান। বাংলাদেশ এবং আড়ং বেড়ে উঠেছে একইসঙ্গে। আমাদের এই উৎসব সেই ভালোবাসার, সেই সম্পর্কের উৎসব। গত চার দশক ধরে যেই কারুশিল্পীরা আমাদের সঙ্গে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন, এই উৎসব তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর উৎসব”। ২৫-২৭ অক্টোবর তিন-দিনব্যাপী এই বর্ণাঢ্য আয়োজনে, হস্তশিল্প প্রদর্শনীর পাশাপাশি থাকছে বেশ কয়েকটি কর্মশালা যেখানে দর্শনার্থীরা সরাসরি কারু ও হস্তশিল্পীদের কাজের সঙ্গে পরিচিত হতে পারবেন। এছাড়াও থাকছে পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠান, ফ্যাশন শো এবং কনসার্ট। পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সেরা হস্ত ও কারুশিল্পী এবং উদ্যোক্তাদের স্বীকৃতি দেওয়া হবে। ফ্যাশন শো-তে প্রদর্শিত হবে হারস্টোরি, তাগা এবং তাগা ম্যান ব্র্যান্ডের নতুন পোশাক। আর কনসার্টে সঙ্গীত পরিবেশন করবেন নগর বাউল জেমস, জলের গান, নেমেসিস এবং মিনার। দর্শনার্থীদের জন্য থাকছে বেশ কয়েকটি খাবারের স্টল, বাচ্চাদের জন্য আলাদা জায়গা এবং পার্টনার প্রতিষ্ঠানের স্টলে বিশেষ সুবিধায় কেনাকাটার ব্যবস্থা। আড়ং প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭৮ সালে, গ্রামীণ কারু ও হস্তশিল্পীদের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে। গত ৪০ বছর ধরে বাংলাদেশের আবহমান ঐতিহ্যের সঙ্গে আধুনিক ফ্যাশনের মেলবন্ধন ঘটিয়ে নিজেকে দেশের সবচেয়ে বড় ফ্যাশন ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে আড়ং। বর্তমানে আড়ংয়ের সঙ্গে সরাসরি কাজ করছেন ৬৫ হাজারেরও বেশি কারু ও হস্তশিল্পী। তাদের উৎপাদিত পণ্য সরাসরি বিক্রি হচ্ছে দেশজুড়ে আড়ংয়ের ২০টি আউটলেটে। এসএইচ/

ডিজিটাল আর্থিক সেবা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা

ডিজিটাল আর্থিক সেবার নানাবিধ দিক সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরতে হয়ে গেল দিনব্যাপী এক কর্মশালা। রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে আজ মঙ্গলবার এ কর্মশালার আয়োজন করে জাতিসংঘের  ক্যাপিটাল ডিভিলপমেন্ট ফান্ড (ইউএনসিডিএফ)। ‘ডিজিটাল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস অ্যাডভোকেসি ক্যাপাসিটি বিল্ডিং ওয়ার্কশপ ফর প্রিন্ট অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া’ শীর্ষক এ কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক মনোজ কুমার বিশ্বাস, ইউএনসিডিএফ’র কান্ট্রি প্রজেক্ট কোঅর্ডিনেটর মো. আশরাফুল আলম, ইকোনোমিক রিপোর্টার্স ফোরাম বাংলাদেশের (ইআরএফ) সভাপতি সাইফ ইসলাম দিলাল, ইআরএফ সাধারণ সম্পদক এস এম রাশেদুল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। কর্মশালায় ‘ডিজিটাল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস অ্যাডভোকেসি ক্যাপাসিটি বিল্ডিং ওয়ার্কশপ ফর প্রিন্ট অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া’ বিষয়ে প্রশিক্ষক হিসেবে অংশ নেন ফ্যাসিলিটেটর ড. ক্লিনসিক অ্যান্ড্রিউজ।তিনি তার উপস্থাপনায় বাংলাদেশে ডিজিটাল আর্থিক সেবার অগ্রগতি, পশ্চাদপদতাসহ নানাবিধ দিক নিয়ে আলোচনা করেন। সমাপনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক মনোজ কুমার বিশ্বাস বলেন, ডিজিটাল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (ডিএফএস)’র সুবিধা অসুবিধা দুটি দিকই আছে।তবে অসুবিধার তুলনায় সুবিধাটাই বেশি।ব্যাংকিং সুবিধা ডিজিটাল হয়েছে বিধায় আজ মুহুর্তে আমাদের অর্থনৈতিক লেনদেন সম্ভব হচ্ছে।এ সেবা গ্রামীণ মানুষের দোর গোড়ায় পৌঁছে যাচ্ছে।সাংবাদিকদের কাছে অনুরোধ করবো আপনার একটা ভুল প্রতিবেদন যেন কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেদিকে নজর রাখবেন। ইউএনসিডিএফ’র কান্ট্রি প্রজেক্ট কোঅর্ডিনেটর মো. আশরাফুল আলম বলেন, ২০১১ সালে মোবাইল ব্যাংকিং চালু করার ফলে আর্থিক লেনদেনে যেমন গতি বেড়েছে। তেমন তা সাধারণের দোর গোড়ায় পৌঁছেছে। তবে এ সেবা এখনও অনেকটা ইংরেজি ভার্সনের হওয়ায় তা সাধারণ মানুষ সহজে বুঝে উঠতে পারছে না। তাই অপারেটরদের সাধারণের কথা মাথায় রেখে বাংলাদেশে এ ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবাকে বাংলা ভার্সনে ব্যবহারের উপযোগী করতে হবে। একুশে টেলিভিশনের পরিকল্পনা সম্পাদক ও ইকোনোমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) সভাপতি সাইফ ইসলাম দিলাল বলেন, ইউএনসিডিএফ খুব সময় উপযোগী একটা প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছে। বর্তমান সময়ে আমরা সবকিছুতেই ডিজিটালাইজড হচ্ছি। এ ধরণের কর্মশালার মাধ্যমে এর ব্যবহারের দিক যেমন জানা যায়, তেমন ক্ষতিকর দিকও জানা যায়।প্রয়োজনের দিক বিবেচনায় আশা করবো ইউএনসিডিএফ আগামীতে আরো প্রশিক্ষণের আয়োজন করবে। ইআরএফ সাধারণ সম্পাদক এস এম রাশেদুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশে ডিজিটাল আর্থিক সেবার নানাবিধ সুবিধা রয়েছে।এর মাধ্যমে মানুষ আজ লেনদেনে সময় বাঁচাতে পারছে। স্বচ্ছতা রক্ষা করতে পারছে।নানাবিধ ভোগান্তি থেকে মুক্তি পাচ্ছে।তাই চমৎকার এ বিষয়টির উপর ইআরএফ কার্যালয়ে আরো একটি প্রশিক্ষণের প্রস্তাব রাখছি।        

বিআরবি কেবল এর ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী  

দীর্ঘ ৪০ বছর অতিক্রম করেছে বিআরবি কেবল ইন্ডাষ্ট্রিজ লিমিটেড। বাংলাদেশের বৈদ্যুতিক শিল্পখাতে বিআরবি একটি জনপ্রিয় নাম। আমদানির পরিবর্তে নিজস্ব কারখানায় কেবল উৎপাদনের মাধ্যমে বিআরবি স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশের শিল্পায়নের ধারায় নতুন মাত্রা যোগ করে।  ফলে বাংলাদেশ এখন কেবল উৎপাদন শিল্পে প্রায় স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের পথে। এ ক্ষেত্রে বিআরবি পথিকৃৎ ভুমিকা পালন করছে। তবে শুরু থেকে বিআরবি’র পথ চলা অতটা মসৃণ ছিল না। নানা ছড়াই উৎরাই পেরিয়ে আজকের অবস্থানে এসে পৌঁছেছে।    ১৯৭৮ সালের ২৩ অক্টোবর মোঃ মজিবুর রহমান কুষ্টিয়া শহরের পাশেই বি আর বি ক্যাবল ইন্ডাষ্ট্রিজ প্রতিষ্ঠা করেন। এরপর সফলতার সিড়ি বেয়ে একের পর এক গড়ে তোলেন তিনি আরো চারটি শিল্প প্রতিষ্ঠান।        এ প্রসঙ্গে বিআরবি কেবল এর চেয়ারম্যান মোঃ মজিবুর রহমান এক বাণীতে বলেন, বিআরবি’র শুরুর ইতিহাসটা ছিল দূর্গম, তবে সে সময় বাজার দখলের এত তীব্র প্রতিযোগিতা ছিল না। আর এখন বাজার দখলের চরম প্রতিযোগিতা সত্বেও চল্লিশ বছরের দীপ্ত যৌবনে বিআরবি বিশ্ব জয়ের তীব্র নেশায় ছুটে চলেছে নিরন্তর। বয়ে এনেছে সাফল্যে। সাফল্যের এ ধারাবাহিকতায় ‘অন্যতম বিশ্বে...বাংলাদেশে শীর্ষে’ শ্লোগানকে লালন করে আজ আমরা ৪০ বছরে বিশ্ব জুড়ে। আর এ জন্য আমি গ্রাহক, পৃষ্ঠপোষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, সাংবাদিক সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই। বিআরবি কেবল এর ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বাণী দেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ। তিনি তার দেওয়া বাণীতে বলেন, বিআরবি গ্রুপ মুক্তবাজার অর্থনীতির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে এগিয়ে যাচ্ছে। মেরিন কেবল, অপটিক্যাল ফাইবার কেবল, আমদানি বিকল্প এক্সট্রা হাইভোল্টেজ কেবলসহ বিশ্বমানের পণ্য উৎপাদনে প্রতিষ্ঠানটি যে সুখ্যাতি অর্জন করে চলেছে, তা আমাদের দেশের জন্য অত্যন্ত গৌরবের। বিআরবি কেবল এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বাণী দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এছাড়া আরও শুভেচ্ছা বাণী দেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু প্রমুখ।  এসি    

আজ জরুরি বৈঠকে বসছেন পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টরা

দেশের শেয়ারবাজারে একের পর এক বড় দরপতন ঘটছে। এ পরিস্থিতিতে জরুরি বৈঠকে বসছেন পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডাররা। মঙ্গলবার রাজধানীর ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) কার্যলয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি), আইসিবি, বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএমবিএ), স্টক এক্সচেঞ্জসহ স্টেকহোল্ডার প্রতিনিধিরা। প্রসঙ্গত, গতকাল সোমবার শেয়ারবাজারে চলতি বছরের সর্বোচ্চ দরপতন হয়েছে। প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ৭৯ পয়েন্ট। এমন পতনে প্রায় দুই বছর আগের অবস্থানে ফিরে গেছে মূল্য সূচকটি। বড় দরপতনের পাশাপাশি লেনদেন খরাও দেখা দিয়েছে দেশের শেয়ারবাজারে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রায় তিন মাস ধরে দেশের শেয়ারবাজার একপ্রকার দরপতনের মধ্যে রয়েছে। বিনিয়োগকারীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে আস্থাসংকট। এ কারণে পুঁজিবাজারে গতি ফেরাতে আইসিবিকে দুই হাজার কোটি টাকার বন্ড ছেড়ে তার কমপক্ষে ৭৫ শতাংশ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করতে বাধ্যতামূলক নির্দেশ দিয়েছে বিএসইসি। তবে এ সুসংবাদ আসার পরও বাজারপতনের হাত থেকে রক্ষা পায় না। বরং দরপতনের মাত্র আরও বেড়েছে। এ পরিস্থিতিতেই জরুরি বেঠকে বসছেন পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টরা। একে//

এসআইবিএল এবং এস ১১ লিমিটেডের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর   

সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড (এসআইবিএল) এবং এস ১১ লিমিটেডের মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। সোমবার (২২ অক্টোবর) সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী জনাব কাজী ওসমান আলীর উপস্থিতিতে প্রধান কার্যালয়ে ব্যাংকের মানব সম্পদ বিভাগের প্রধান ও এসইভিপি কাজী ওবায়দুল আল ফারুক এবং এস ১১ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী সারোয়ার জাহান মোর্শেদ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এই চুক্তির আওতায় এস ১১ লিমিটেড সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের কুটির, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি (সিএমএমইএম) উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ প্রদান করবে।     এ সময় এসআইবিএল এর এসভিপি ও এসএমই ডিভিশনের প্রধান মোহাম্মদ জিয়াউল করিম এবং এস ১১ লিমিটেডের পরিচালক (এইচআর এন্ড মার্কেটিং) নাজমুল হুদা সহ উভয় প্রতিষ্ঠানের উর্ধ্বতন নির্বাহীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। কেআই/এসি    

পদ্মা ইসলামী লাইফের চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত

প্রফেসর এন.আর.এম. বোরহান উদ্দিন, পিএইচডি পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্সুরেন্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান এবং দেওয়ান নূরুল ইসলাম, এফসিএ ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। রোববার বোর্ড অব ডাইরেক্টরস-এর এক সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। প্রফেসর এন.আর.এম. বোরহান উদ্দিন, পিএইচডি সিটি ইউনিভার্সিটির সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর। তিনি নিউজার্সির স্টিভেন্স টেকনোলজি থেকে পিএইচডি, আমেরিকার পেনসিলভানিয়ার পিটসবার্গ ইউনিভার্সিটি থেকে এমবিএ ও ইন্ডিয়ানার বিএসইউ থেকে এমএস ডিগ্রি লাভ করেন। দেওয়ান নূরুল ইসলাম, এফসিএ একজন চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট। তিনি অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি সিডনি (ইউটিএস) থেকে ফিন্যান্স-এ এমবিএ ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি পদ্মা অয়েল কোম্পানীর পরিচালক এবং রাষ্ট্রায়ত্ব বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেডের অডিট কমিটি ও বোর্ড অব ডিরেক্টরস-এর চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি দি ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশের সভাপতি।

ফ্রান্সের সিয়াল ফুড ফেয়ারে বাংলাদেশের ‘প্রাণ’

বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ খাদ্যপণ্যের মেলা সিয়াল ফুড ফেয়ারে নবমবারের মতো অংশগ্রহণ করছে বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় খাদ্যপণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠান প্রাণ। ২১ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া পাঁচ দিনব্যাপী এ মেলায় দুইটি স্টলে পাঁচ শতাধিক পণ্য প্রদর্শন করছে প্রাণ। প্যারিসের নর্ড ভিলপান্তে প্রদর্শনী কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এ মেলায় বিশ্বের ১০৯টি দেশের প্রায় সাত হাজার প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্য প্রদর্শন করছে। প্রাণ গ্রুপের স্টলগুলো সাজিয়েছে জুস এন্ড বেভারেজ, কনফেকশনারি, স্নাকস, বিস্কুট এন্ড বেকারি, কুলিনারি, মসলা ও ফ্রোজেন ক্যাটগরির পণ্য দিয়ে। এবারের মেলায় ২০ টির মত নতুন পণ্য প্রদর্শন করছে প্রাণ। পণ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে এলোভেরা জুস, গামি ক্যান্ডি, প্রোটিন বার, চকোলেট কোটেড কোকোনাট বার, চকোলেট কৃকিজ। প্রাণ এক্সর্পোট লিমিটেডের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান, সিয়াল ফুড ফেয়ার বিশ্বজুড়ে ব্যাপক সমাদৃত। প্রতিবছর বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ক্রেতা ও ব্যবসায়ীরা এ মেলায় অংশ নেয়। তিনি আরও বলেন, এ মেলায় অংশগ্রহণের মূল উদ্দেশ্য হল নতুন নতুন ক্রেতা খোঁজার মাধ্যমে প্রাণ গ্রুপের রফতানি আয় বৃদ্ধি করা। তাছাড়া এই মেলার মাধ্যমে বৈশ্বিক খাদ্যপণ্যের বাজার সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়, যা কাজে লাগিয়ে প্রাণ নতুন নতুন পণ্য তৈরি করে। প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের বিপণন পরিচালক কামরুজ্জামান কামাল বলেন, পণ্য উৎপাদনে প্রাণ সবসময় গুনগতমানকে গুরুত্ব দেয়। আর সে কারণেই প্রাণ পণ্য শুধু দেশের বাজারে নয় বিশ্ব বাজারেও ক্রমাগতভাবে জনপ্রিয়তা লাভ করছে। তিনি আরও জানান, বিশ্বের ১৪১টি দেশে প্রাণ এর পণ্য রফতানি হচ্ছে। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ৩৩০ মিলিয়ন ডলার সমমূল্যের বিভিন্ন পণ্য রফতানি করেছে প্রাণ গ্রুপ। এসএইচ/

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি