ঢাকা, সোমবার, ২২ অক্টোবর, ২০১৮ ৫:৩৩:৪৪

পদ্মা ইসলামী লাইফের নতুন চেয়ারম্যান ও ভাইস-চেয়ারম্যান নির্বাচিত

পদ্মা ইসলামী লাইফের নতুন চেয়ারম্যান ও ভাইস-চেয়ারম্যান নির্বাচিত

পদ্মা ইসলামী লাইফ ইনসুরেন্সের পরিচালনা পর্ষদ প্রফেসর এনআরএম বোরহানউদ্দিনকে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ও দেওয়ান নুরুল ইসলাম এফসিএ’কে ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেছেন। রোববার প্রতিষ্টানটির পরিচালনা পর্ষদের ১৫৬তম সভায় এসিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রফেসর এনআরএম বোরহানউদ্দিন এরআগে সিটি ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের স্টেভেন্স ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি থেকে ম্যানেজমেন্টে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ইসলামী ব্যাংকের অডিট কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। অন্যদিকে দেওয়ান নুরুল ইসলাম এফসিএ ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশের (আইসিএবি) চেয়ারম্যান হিসেব দায়িত্ব পালন করছেন।  
ফ্রান্সের সিয়াল ফুড ফেয়ারে বাংলাদেশের ‘প্রাণ’

বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ খাদ্যপণ্যের মেলা সিয়াল ফুড ফেয়ারে নবমবারের মতো অংশগ্রহণ করছে বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় খাদ্যপণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠান প্রাণ। ২১ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া পাঁচ দিনব্যাপী এ মেলায় দুইটি স্টলে পাঁচ শতাধিক পণ্য প্রদর্শন করছে প্রাণ। প্যারিসের নর্ড ভিলপান্তে প্রদর্শনী কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এ মেলায় বিশ্বের ১০৯টি দেশের প্রায় সাত হাজার প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্য প্রদর্শন করছে। প্রাণ গ্রুপের স্টলগুলো সাজিয়েছে জুস এন্ড বেভারেজ, কনফেকশনারি, স্নাকস, বিস্কুট এন্ড বেকারি, কুলিনারি, মসলা ও ফ্রোজেন ক্যাটগরির পণ্য দিয়ে। এবারের মেলায় ২০ টির মত নতুন পণ্য প্রদর্শন করছে প্রাণ। পণ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে এলোভেরা জুস, গামি ক্যান্ডি, প্রোটিন বার, চকোলেট কোটেড কোকোনাট বার, চকোলেট কৃকিজ। প্রাণ এক্সর্পোট লিমিটেডের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান, সিয়াল ফুড ফেয়ার বিশ্বজুড়ে ব্যাপক সমাদৃত। প্রতিবছর বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ক্রেতা ও ব্যবসায়ীরা এ মেলায় অংশ নেয়। তিনি আরও বলেন, এ মেলায় অংশগ্রহণের মূল উদ্দেশ্য হল নতুন নতুন ক্রেতা খোঁজার মাধ্যমে প্রাণ গ্রুপের রফতানি আয় বৃদ্ধি করা। তাছাড়া এই মেলার মাধ্যমে বৈশ্বিক খাদ্যপণ্যের বাজার সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়, যা কাজে লাগিয়ে প্রাণ নতুন নতুন পণ্য তৈরি করে। প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের বিপণন পরিচালক কামরুজ্জামান কামাল বলেন, পণ্য উৎপাদনে প্রাণ সবসময় গুনগতমানকে গুরুত্ব দেয়। আর সে কারণেই প্রাণ পণ্য শুধু দেশের বাজারে নয় বিশ্ব বাজারেও ক্রমাগতভাবে জনপ্রিয়তা লাভ করছে। তিনি আরও জানান, বিশ্বের ১৪১টি দেশে প্রাণ এর পণ্য রফতানি হচ্ছে। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ৩৩০ মিলিয়ন ডলার সমমূল্যের বিভিন্ন পণ্য রফতানি করেছে প্রাণ গ্রুপ। এসএইচ/

পিকেএসএফের উদ্যোগে বাংলাদেশ কিশোর-কিশোরী সম্মেলন অনুষ্ঠিত

‘মেধা ও মননে সুন্দর আগামী’ – এই স্লোগানকে সামনে রেখে আজ বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয় ‘বাংলাদেশ কিশোর-কিশোরী সম্মেলন ২০১৮’। পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউণ্ডেশন (পিকেএসএফ) আয়োজিত দিনব্যাপী এই সম্মেনের উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। পিকেএসএফ-এর চেয়ারম্যান ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অধিবেশনে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাজনীন সুলতানা, সদস্য, পরিচালনা পর্ষদ, পিকেএসএফ, এবং সমাপনী বক্তব্য প্রদান করেন পিকেএসএফ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবদুল করিম। প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, দারিদ্র্যের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসলেও দারিদ্র্য দূরীকরণ এখনও সরকারের মূল লক্ষ্য। দেশে বর্তমানে প্রায় ৩ কোটি মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে যার মধ্যে ১ কোটি মানুষ অতিদরিদ্র। এই বিপুল সংখ্যক মানুষের উন্নয়ন নিশ্চিত করতে উন্নতির ধারা বজায় রাখতে হবে কমপক্ষে আগামী ৭ থেকে ১০ বছর, তবেই দারিদ্র্যের হার নেমে আসবে ১০ ভাগের নীচে। তিনি আরও বলেন, একটা যুদ্ধপীড়িত দেশ পুনর্গঠনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশের মাটি ও মানুষের উপযুক্ত ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছিলেন। আজকের কিশোর-কিশোরীরা সেই আহ্বান হৃদয়ে ধারণ করে দেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখবে এবং তাদের নেতৃত্বেই ২০৪১ সালের মধ্যেই একটি সুখী, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে উঠবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। পিকেএসএফ চেয়ারম্যান ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ বলেন, টেকসই উন্নয়নের প্রধান শর্ত হচ্ছে কাউকে বাদ দেওয়া যাবে না। এই মূলমন্ত্র নিয়েই পিকেএসএফ তার কার্যক্রম এমনভাবে সাজিয়েছে যেন নৃগোষ্ঠী, সম্প্রদায়, ধর্ম, বর্ণ, শ্রেণি, বয়স নির্বিশেষে সবাই টেকসই উন্নয়নের পাশাপাশি মানবমর্যাদা নিশ্চিত হয়। সমন্বিত এই কার্যক্রমের অংশ হিসেবেই কিশোর-কিশোরী সম্মেলন ২০১৮-এর আয়োজন। আপন ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও মূল্যবোধে বলীয়ান ভবিষ্যত জাতি গঠনে পিকেএসএফ-এর এই কার্যক্রম আগামীতে আরও জোরদার হবে বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন দেশবরেণ্য এই অর্থনীতিবিদ। মাতৃগর্ভ থেকে শুরু করে প্রবীণকাল পর্যন্ত সব বয়সী মানুষের জন্য পিকেএসএফ-এর পৃথক কার্যক্রম রয়েছে উল্লেখ করে পিকেএসএফ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবদুল করিম বলেন, সুস্থ সংস্কৃতি ও ক্রীড়া-চর্চার মাধ্যমে শিশু-কিশোরদের সুকুমার বৃত্তির বিকাশের মাধ্যমে উন্নয়নকে টেকসই করার লক্ষ্যে ‘সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া কর্মসূচি’ পরিচালনা করছে পিকেএসএফ। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ‘শিশু অধিকার আইন’ প্রণয়নের মাধ্যমে জাতির ভবিষ্যত নেতৃত্ব গঠনের যে মহতী উদ্যোগ নিয়েছিলেন, তার আলোকেই পিকেএসএফ-এর এই কর্মসূচি সাজানো হয়েছে। অর্থনৈতিক, সামাজিক, মানব উন্নয়নসহ বিভিন্ন সূচকে বাংলাদেশ যে অভূতপূর্ব সাফল্য দেখিয়ে যাচ্ছে, আজকের কিশোর-কিশোরীরা সেই অগ্রযাত্রাকে ভবিষ্যতে আরও বহুদূর এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন সাবেক এই মুখ্যসচিব। কিশোর-কিশোরীদের সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ উন্নয়নে ভবিষ্যত পরিকল্পনাবিষয়ক বক্তব্য প্রদান করেন পিকেএসএফ-এর উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (কার্যক্রম) মো. ফজলুল কাদের। তিনি বলেন, দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নকে টেকসই করতে হলে মেধা, মনন ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ বিকাশের বিকল্প নেই। যাত্রাশুরুর মাত্র দুই বছরে মাঠপর্যায়ে ‘সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া কর্মসূচি’ যে অভূতপূর্ব সাড়া ফেলেছে, তা ভবিষ্যতে এই কর্মসূচির পরিধি প্রসারে উৎসাহব্যঞ্জক ভূমিকা রাখবে এবং এর মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার দৃঢ় বুনিয়াদ তৈরি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। সম্মেলনে অংশ নেওয়া কিশোর-কিশোরীদের ‘মেধা ও মননে সুন্দর আগামী’ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করার শপথ পাঠ করান পিকেএসএফ চেয়ারম্যান ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ। এছাড়া, সম্মেলনে অংশ নেওয়া একজন কিশোর, একজন কিশোরী ও একজন শিক্ষক বক্তব্য দেন। দিনব্যাপী সম্মেলনের দ্বিতীয় পর্বে ছিলো ‘আনন্দঘন অংশগ্রহণমূলক শিখনের মাধ্যমে নেতৃত্ব ও নৈতিকতা’বিষয়ক একটি কর্মশালা। সম্মেলনের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব মো. আসাদুল ইসলাম, এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন। সম্মেলনের শেষাংশে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা কিশোর-কিশোরীদের অংশগ্রহণে পরিবেশিত হয় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান যেখানে সংস্কৃতিবিষয়কমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, এমপি উপস্থিত থেকে কিশোর-কিশোরীদের অনুপ্রাণিত করেন। অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় পিকেএসএফ শিশু-কিশোর ও তরুণদের উন্নত সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের বিকাশ ও ক্রীড়ামনস্ক করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ‘সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া কর্মসূচি’ পরিচালনা করছে। এ কর্মসূচির আওতায় দেশের প্রায় ১১ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এক লক্ষ শিক্ষার্থীর মাঝে সৃজনশীল ও জ্ঞানভিত্তিক বিভিন্ন প্রতিযোগিতার মাধ্যমে বাছাইকৃত ৭১০ কিশোর-কিশোরী অংশ নেয় এই সম্মেলনে। এসএইচ/  

পুষ্পধারা প্রপার্টিজের গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

দেশের আবাসন খাতের খ্যাতিমান প্রতিষ্ঠান পুষ্পধারা প্রপার্টিজ লিমিটেডের গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার রাজধানীর মতিঝিলে সাদেক হোসেন খোকা কমিউনিটি সেন্টারে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বাংলাদেশ ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক ইউনূস আলী, পুষ্পধারা প্রপার্টিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলীনূর রহমান, মহাব্যবস্থাপক আবু বকর সিদ্দিক, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক পারভেজ মিয়া বুলুসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশে বাংলাদেশ ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক ইউনূস আলী বলেন, সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী পদ্মাসেতু হংকংয়ের আদলে গড়ে উঠছে। এটা সম্পন্ন হলে ওই অঞ্চলের মানুষের উন্নয়ন বহুগুণে বেড়ে যাবে। আশা করবো সরকারের এ উন্নয়নের গতি ত্বরান্নিত করতে পুষ্পধারা ওই এলাকায় আবাসন প্রকল্প বাড়াবে। ইউনুস আলী আরো বলেন, পুষ্পধারার গ্রাহকরা পুষ্পধারার মাধ্যমে তাদের আবাসন সুবিধার স্বপ্ন পূরণ করতে পারবেন, এটাও পদ্মাসেতুর মতো বাস্তবতা। আমরা আশাবাদী পদ্মা এলাকায় গড়ে ওঠা পুষ্পধারা হবে পদ্মাসেতুর অলঙ্কার। পুষ্পধারা ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলীনূর রহমান বলেন, পুষ্পধারা গ্রাহকদের সেবাই নিবেদিত হয়ে কাজ করে যাচ্ছে।তাই এর গ্রাহক সংখ্যা দিনে দিনে বাড়ছে। বর্তমানে এর গ্রাহক সংখ্যা ৩ হাজার।পদ্মাসেতু এলাকায়ও এর দুটি প্রজেক্ট আছে।আগামীতে আমাদের সেবা ওই এলাকায় আরো বাড়ানো হবে। আরকে//

‘পরিবেশ বিপর্যয় রোধের জন্য কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি’

বিশিষ্ট পানি বিজ্ঞানী ড. আইনুন নিশাত বলেছেন, পরিবেশ বিপর্যয় রোধের জন্য কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ না করলে দ্বীপগুলো মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাবে। দেশের দক্ষিনাঞ্চলসহ বিস্তীর্ন এলাকা তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। গত বৃহস্পতিবার ঢাকা কসমোপলিটান রোটারি ক্লাবের অভিষেকে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন জেলা গভর্নর এএফএম আলমগীর, ডেপুটি গভর্নর আবুল খায়ের চৌধুরী, রকিব সরদার, ক্লাব সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন পাটোয়ারী, সেক্রেটারি হোসনে আরা পলি, সাইফুর রহমান, মনিরুল আলম, মুসবাহ্ আলিম, সৈয়দ সাইফুল হক মিন্টু প্রমুখ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাবেক গভর্নর জালাল ইউ আহমেদ, সেলিম রেজা, শামসুল হুদা, ড. ইসতিয়াক জামান, এসএএম শওকত হোসেন, গভর্নর নমিনি মো. রুবাইয়াত হোসেন, এম. এ আলী ভূইয়া প্রমুখ। উল্লেখ্য, কসমোপলিটান রোটারি আর্ত মানবতার সেবায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও অনান্য খাতে ব্যপক মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বিজ্ঞপ্তি। একে//

এ. এম. নুরুল ইসলামের ১ম মৃত্যূবার্ষিকীতে মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত

ব্যাংক এশিয়ার ভাইস চেয়ারম্যান এ. এম. নুরুল ইসলাম-এর ১ম মৃত্যূবার্ষিকীতে তার আত্মার শান্তি কামনায় মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করেছে ব্যাংক এশিয়া। ব্যাংকের করপোরেট অফিস ভবনে গত বৃহস্পতিবার বিকাল ৪ টায় এ মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। ব্যাংক এশিয়ার চেয়ারম্যান এ. রউফ চৌধরী, প্রাক্তন চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান সিনহা, পরিচালক এনাম চৌধুরী, রোমানা রউফ চৌধুরী, প্রেসিডেন্ট ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আরফান আলী, উপ-ব্যবস্থাপনাপরিচালক বৃন্দসহ ব্যাংক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ. এম. নুরুল ইসলাম ১৯৩৯ সালের ১৪ ডিসেম্বর মুন্সিগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান উপজেলার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। শিক্ষাজীবন শেষে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৯৬১ সালে শিক্ষকতা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করেন। দুই বছর শিক্ষকতার পর পাকিস্থান সিভিল সার্ভিস (সিএসপি)-এ যোগদান করেন। এ. এম. নুরুল ইসলাম বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর একান্ত সচিব এবং রাষ্ট্রপতির যুগ্ম সচিব হিসাবেও দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে ওয়াশিংটন ডিসিস্থ বাংলাদেশ সরকারের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক কুটনীতিক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। চাকরি থেকে অবসর গ্রহণের পর তিনি ন্যাশনাল ব্যাংকের অডিট কমিটির চেয়ারম্যান ও পরিচালনা পর্ষদেও সদস্য হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দ্বায়িত্ব পালন করেন। ২০০৮ সালে তিনি ব্যাংক এশিয়ার পরিচালনা পর্ষদে যোগ দিয়ে অডিট কমিটির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তিনি ব্যাংকের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ. এম. নুরুল ইসলাম জাতীয় সংবাদপত্রে নিয়মিত নিবন্ধ ও কলাম লিখতেন। একে//

‘জোর কদমে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ’

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান বলেছেন, ‘জোর কদমে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা বলেছেন- ২০৩০ সাল নাগাদ ২৬তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ হবে বাংলাদেশ।’ আজ শনিবার বাংলা একাডেমিতে তার লেখা চারটি গ্রন্থের মোড়ক উম্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় ড. আতিউর রহমান ম্যাক্রো অর্থনীতির অভাবনীয় রুপান্তর, টেকসই উন্নয়ন ও দারিদ্র নিরসন, আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সৃজনশীল ভূমিকা, অর্থনীতির সবুজায়ন, মানব উন্নয়ন ও নেতৃত্বেও বিকাশ, এশিয় আর্থিক সংকট, আঞ্চলিক সংযোগ, সামাজিক দায়বদ্ধতাসহ সাধারণ মানুষের কল্যাণধর্মী উন্নয়ন অভিজ্ঞতার নানা দিক তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গর্ভনর খোন্দকার ইব্রাহিম খালিদ বলেন, বর্তমান সরকারের সময়ে দেশে আয় বৈষম্য কিছুটা বাড়লেও সার্বিক অর্থনৈতিক দিক থেকে অনেকটাই এগিয়ে গেছে। এসময় প্রতিবেশী দেশ ভারত, চীন ও সিঙ্গাপুরের উদাহরণ টানেন তিনি। ইব্রাহিম খালিদ বলেন, বাংলাদেশের জিডিপি বেড়েছে ঠিক কিন্তু বৈষম্য দীর্ঘায়িত হচ্ছে । ড. আতিউর রহমানের প্রকশিত বইগুলো হচ্ছে, ‘শেখ মুজিব : বাংলাদেশের আরেক নাম’, ‘ফরম এ্যাসেস টু প্রোস্পারটি’, ‘প্রান্তজনের স্বপক্ষে’ এবং ‘নিশিদিন ভরসা রাখিস’। মোড়ক উম্মোচন অনুষ্ঠানে, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী। এছাড়া আলোচনায় অংশ লেখক সেলিনা হোসেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গর্ভনর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক মাহফুজুর রহমান এবং বিআইবিয়ামের মহাপরিচালক তৌফিক আহমেদ চৌধুরী। এসএ/

বছরের সর্বোচ্চ দামে বিক্রি হচ্ছে ডিম

রাজধানীর বাজারগুলোতে লাগামহীনভাবে বেড়েছে ডিমের দাম। সপ্তাহ দুয়েক আগে যে ডিমের দাম ছিল ৯৫ থেকে ১০০ টাকা। এখন সে ডিম বিক্রি হচ্ছে ১১৫ থেকে ১২০টাকা। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে দফায় দফায় দাম বেড়ে ডিম এখন নিম্ন আয়ের মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে। বাজারে প্রয়োজনীয় নজরদারি না থাকায় ডিমের এমন দাম বাড়ছে বলে অভিযোগ ক্রেতাদের। শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে ডিমের এ দাম জানা গেছে। বাজারে, শুধু ডিম বিক্রি করেন এমন ব্যবসায়ীরা প্রতি ডজন ডিম ১০৫-১১০ টাকায় বিক্রি করছেন। এক সপ্তাহ আগেও এসব ব্যবসায়ীরা ৯৫-১০০ টাকা ডজনে ডিম বিক্রি করেছেন। খুচরা পর্যায়ে মুদিদোকানে এক পিস ডিম বিক্রি হচ্ছে ১০-১১ টাকায়। আর হালি হিসেবে বিক্রি হচ্ছে ৪০-৪২ টাকায়। এসব ব্যবসায়ীরা এক ডজন ডিম বিক্রি করছেন ১১৫-১২০ টাকায়। মালিবাগ হাজিপাড়ার ব্যবসায়ী মো. সাবু বলেন, কয়েক সপ্তাহ ধরেই ডিমের দাম বাড়তি। কিছুদিন আগেও এক ডজন ডিম ৯০ টাকায় বিক্রি করেছি। আর এখন এক ডজন ডিম ১১০ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে। খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, এখন ডিমের চাহিদা খুব বেড়েছে। বাজারে ডিমের যে পরিমাণ চাহিদা রয়েছে, খামারিরা তা সরবরাহ দিয়ে পারছে না। সরবরাহের তুলনায় চাহিদা বেশি থাকায় ডিমের দাম বেড়েছে। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত এক মাসের ব্যবধানে ডিমের দাম বেড়েছে ৩ দফা। এর মধ্যে শেষ দুই সপ্তাহ দাম বৃদ্ধির হার ছিল সব থেকে বেশি। আরকে//

এসএসটিএএফ ও ইনসাফ বারাকাহ হাসপাতালের চুক্তি

সামাজিক সংগঠন সেভ দ্য সোসাইটি অ্যান্ড থান্ডারস্টর্ম অ্যাওয়ারনেস ফোরাম (এসএসটিএএফ) ও ইনসাফ বারাকাহ কিডনি অ্যান্ড জেনারেল হসপিটালের মধ্যে এক সমঝোতা চুক্তি সই হয়েছে। সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সেক্রেটারি মো. রাশিম মোল্লা এবং ইনসাফ বারাকাহ কিডনি অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতালের ডিএমডি মো. আলতাফ হোসেন নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন। চুক্তি অনুযায়ী সেভ দ্য সোসাইটি অ্যান্ড থান্ডারস্টর্ম অ্যাওয়ারনেস ফোরামের সদস্যরা হাসপাতালের সব ধরনের সেবায় বিশেষ ছাড় পাবেন। গতকাল ১৭ই সেপ্টেম্বর হাসপাতালের প্রধান কার্যালয়ে এ চুক্তি সম্পন্ন হয়। মার্কেটিং বিভাগের অ্যাসিসট্যান্ট ম্যানেজার মো. মনিরুজ্জামানের পরিচালনায় ও ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. আলতাফ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন দৈনিক মানবজমিনের যুগ্ম সম্পাদক শামীমুল হক। বিশেষ অতিথি ছিলেন দৈনিক মানবকণ্ঠের চিফ রিপোর্টার মো. বাছির জামাল। এ সময় সাংবাদিক মো. নূরে আলম জিকু, শাহনেওয়াজ বাবলু, মোবারক হোসেন, এনামুল হক আকন্দ, মো. নাছির উদ্দিন, আউয়াল চৌধুরী এবং হাসপাতালের পক্ষে অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড ফাইন্যান্স বিভাগের জেনারেল ম্যানেজার মোজাফফর হোসেন খান মজলিশ, মো. মোতালেব হোসেন এবং সংগঠনের ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. সোহেল রানা, বজ্রপাত সচেতনতা বিভাগের প্রধান আব্দুল আলীম, মো. সোলায়মান সুমন, আশিকুর রহমান সাদ, সংগঠনের ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটি শাখার আহ্বায়ক যোবায়ের আহমাদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি