ঢাকা, ২০১৯-০৪-২৩ ২০:২৭:১৪, মঙ্গলবার

বিজেসি’র উদ্যোগে ক্রিয়েটিভ প্রোডাকশন ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত

বিজেসি’র উদ্যোগে ক্রিয়েটিভ প্রোডাকশন ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত

সম্প্রচার সাংবাদিক কেন্দ্রের (বিজেসি) উদ্যোগে আয়োজিত হলো প্রথম "ক্রিয়েটিভ প্রোডাকশন ওয়ার্কশপ" । মঙ্গলবার পিআইবিতে এটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিবিসির প্রখ্যাত প্রশিক্ষক ও সাংবাদিক বিল মেগালস। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সম্প্রচার সাংবাদিক কেন্দ্রের সদস্য সচিব সাকিল আহমেদ, সম্প্রচার সাংবাদিক কেন্দ্রের ট্রাস্টি সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা, মানস ঘোষ। বিভিন্ন টেলিভিশনের ৩০ জন সংবাদকর্মী এই কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন। এসএইচ/
অসুস্থ মাকে বাঁচাতে সাংবাদিক ছেলের আকুতি

প্রবাসী সাংবাদিক বাংলা টিভি মালয়েশিয়া প্রতিনিধি মোহাম্মদ আলী তার মায়ের চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার জন্য প্রবাসী ও দেশের বিত্তবানদের প্রতি সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন।  তার মা প্রায় তিন বছর ধরে ক্যান্সারে ভুগছেন। মোহাম্মদ আলী জানান, ঢাকা ক্যান্সার হাসপাতালসহ বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।  কিন্তু দিন দিন তার অবস্থার আরও অবনতি ঘটছে। তাকে সুস্থ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনার জন্য অনতিবিলম্বে অস্ত্রপচারের পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসক। এ অস্ত্রপচারের জন্য জরুরিভাবে ১২ লাখ টাকা প্রয়োজন। দীর্ঘদিন মায়ের চিকিৎসা চালিয়ে বর্তমানে আর্থিক সংকটে মোহাম্মদ আলীর পরিবার। এ দিকে বাংলাদেশ প্রেসক্লাব অব মালয়েশিয়ার পক্ষ থেকে মোহাম্মদ আলীকে আর্থিক সাহায্য করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে তা প্রয়োজনের তুলনায় যথেষ্ট নয়। তাই অসুস্থ মায়ের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সমাজের হৃদয়বান ব্যক্তিদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করছেন। সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা: শামিমা নাছরিন, সঞ্চয় হিসাব নম্বর: ২৩৩১৫১৫২৯৯১ (ডাচ বাংলা ব্যাংক), শাখা- কাশিনাথপুর, পাবনা।  বিকাশ নম্বর- ০১৭৯৯২০৩৪৬৫ (ব্যক্তিগত)।  কেআই/     

অ্যাটকোর নতুন সভাপতি হলেন অঞ্জন চৌধুরী

অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্স- অ্যাটকোর নতুন সভাপতি হলেন মাছরাঙা টেলিভিশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অঞ্জন চৌধুরী সকালে রাজধানীর গুলশানে, বৈঠকে বসেন বেসরকারি টেলিভিশন মালিকদের সংগঠন, অ্যাসোসিয়েশর অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্স-অ্যাটকোর নেতৃবৃন্দ। এতে, বর্তমান টেলিভিশন শিল্পের বিভিন্ন সমস্যা ও করণীয় নিয়ে আলোচনা করেন অ্যাটকো সদস্যরা। বৈঠকে সংগঠনটির নতুন সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয় মাছরাঙা টেলিভিশনের ব্যাবস্থাপনা পরিচালক অঞ্জন চৌধুরীকে। দায়িত্ব নিয়ে সংগঠনকে আরও সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন অ্যাটকোর নতুন সভাপতি। বিদেশি চ্যানেল বিজ্ঞাপর বন্ধে সকারের উদ্যোগকে স্বাগত জানান তিনি। সরকার বিদেশি কোন চ্যানেল বন্ধ করেনি উল্লেখ করে অ্যাটকো নেতারা বলেন, কিছু ক্যাবেল অপারেট বিভ্রান্তি ছড়াতে চ্যানেল বন্ধ রেখেছে। পরে, সম্প্রচার সাংবাদিক কেন্দ্রের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনায় বসে অ্যাটকো। সেখানে দেশের টেলিভিশন শিল্পের সংকট নিয়ে আলোচনা হয়। এসএইচ/

বিদেশি চ্যানেলে বিজ্ঞাপন বন্ধের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে অ্যাটকো

বিদেশি চ্যানেলে বিজ্ঞাপন প্রচার বন্ধে সরকারি উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্স-অ্যাটকো। সম্প্রচার সাংবাদিক কেন্দ্র বিভিন্ন টেলিভিশনে তাদের চাকরিচ্যুতিতে উদ্বেগ জানিয়েছে অ্যাটকোর কাছে। সকালে রাজধানীর গুলশানে, বৈঠকে বসেন বেসরকারি টেলিভিশন মালিকদের সংগঠন, অ্যাসোসিয়েশর অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্স-অ্যাটকোর নেতৃবৃন্দ। এতে, বর্তমান টেলিভিশন শিল্পের বিভিন্ন সমস্যা ও করণীয় নিয়ে আলোচনা করেন অ্যাটকো সদস্যরা। বৈঠকে সংগঠনটির নতুন সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয় মাছরাঙা টেলিভিশনের ব্যাবস্থাপনা পরিচালক অঞ্জন চৌধুরীকে। দায়িত্ব নিয়ে সংগঠনকে আরও সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন অ্যাটকোর নতুন সভাপতি। বিদেশি চ্যানেল বিজ্ঞাপর বন্ধে সকারের উদ্যোগকে স্বাগত জানান তিনি। সরকার বিদেশি কোন চ্যানেল বন্ধ করেনি উল্লেখ করে অ্যাটকো নেতারা বলেন, কিছু ক্যাবেল অপারেট বিভ্রান্তি ছড়াতে চ্যানেল বন্ধ রেখেছে। পরে, সম্প্রচার সাংবাদিক কেন্দ্রের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনায় বসে অ্যাটকো। সেখানে দেশের টেলিভিশন শিল্পের সংকট নিয়ে আলোচনা হয়। বাংলাদেশের শিল্পকে সুরক্ষা দিতেই আইন প্রয়োগ করা হচ্ছে মন্তব্য করে মন্ত্রী বলেন, “উদ্যোগ গ্রহণ করেছি এবং এ আইন প্রয়োগ করার আগে দুমাস ধরে প্রচারণা করেছি। তিন দফা নোটিস দিয়েছি। ১ এপ্রিলও যখন দেখতে পেলাম বিদেশি চ্যানেলে বাংলাদেশের বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করা হচ্ছে, তখন আমরা আইন মোতাবেক নোটিস দিয়েছি। এসএইচ/

আমাদের সংষ্কৃতিকে ধরে রাখতে চাই

আমরা আমাদের সংষ্কৃতিকে ধরে রাখতে চাই। আমাদের সম্পদ নিয়ে বাচঁতে চাই। আমাদের সৃজনশীলতা নিয়ে গর্ব করতে চাই। থাকুক না তাতে একটু ঘাটতি বা কিছুটা মলিনতা। তবুওতো সেগুলো আমাদের। একান্তই আমাদের। বাংলাদেশের দর্শকরা দেশের চ্যানেল দেখা ছেড়ে দিয়েছেন। কারণ চাকচিক্য নেই। বড় বাজেট নেই। ভারতের চ্যানেল দেখার আধিক্য ঘরে ঘরে। একটার পর একটা সিরিয়াল চলতে থাকে, নানা অসঙ্গতিপূর্ণ কাহিনী নিয়ে। সেগুলো দেখতে হুমড়ি খেয়ে পড়েন সবাই। এতো টাকা খরচ করে আমাদের কোন চ্যানেল কোন নাটক বানান না। বানাবে বা কি করে বিক্রিওতো হয় না। কম টাকায় বানাতে গিয়ে মানসম্মত হয় না সেগুলো। বিদেশি চ্যানেল দেখতে গিয়ে দেশের নিউজও বেশিরভাগ দেখেন না। আর এ কারণে বিজ্ঞাপন কমে গেছে চ্যানেলগুলোতে। তাই মালিকরা কর্মীদের বেতন দিতে পারেন না। অনেক জায়গায় ছাঁটাই করা হচ্ছে, বন্ধ হচ্ছে বার্তা বিভাগ। দেশের সম্প্রচার শিল্প তাহলে বাঁচবে কি করে? এ কারণেই আমরা দাড়িয়েছি। সম্প্রচার সাংবাদিক কেন্দ্র। আমরা দেশের সংষ্কৃতিকে বাঁচাতে চাই। দেশের মানুষ বাঁচাতে চাই। শিল্পী, সাহিত্যিক, সাংবাদকর্মীদের বাঁচাতে চাই। তাইতো আমাদের যাত্রা। গত ফেব্রুয়ারি মাসে যাত্রা শুরু করে এই এপ্রিলে কিছুটা ফল পাচ্ছি। ৩০ মার্চ আমরা আলোচনা করেছিলাম টেলিভিশন শিল্পের সঙ্গে জড়িত সব পক্ষ নিয়ে। তার ফলে বিদেশি চ্যানেলগুলো বন্ধ হয়েছে। বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে এর পরিবেশকরা। তথ্যমন্ত্রী নির্দেশ দেন ১ এপ্রিল থেকে বিজ্ঞাপনসহ কোন বিদেশি চ্যানেল চলতে পারবে না। চালালে বিজ্ঞাপন কেটে চালাতে হবে। সেই ব্যবস্থা না করতে পেরে পরিবেশকরা বন্ধ রেখেছে, জি বাংলা, স্টার জলশাসহ সব বিদেশি চ্যানেল। দর্শকরা হয়তো কিছুটা অসন্তুষ্ট। তবুও মেনে নিন। দেশের স্বার্থে। আমাদের বাঁচানোর স্বার্থে। আরেকটি বিষয় বেসরকারি টেলিভিশনগুলো সব কনটেইন ক্যাবল অপারেটরটা বাড়ি বাড়ি সংযোগ দিয়ে মাসিক টাকা নিয়ে থাকেন। আমরা যারা খবর তৈরি করি,অনুষ্ঠান বানাই তারা ওই টাকার ভাগ পাই না। আমরা এখন সেই টাকার ভাগ চাই। কারণ বিদেশি চ্যানেলগুলো কিন্তু টাকা দিয়ে আনা হয়। দেশি চ্যানেল সেইভাবে কোন টাকা পায় না। আমরা শুধু বিজ্ঞাপন নির্ভর। তাই আমাদের এই আন্দোলনের সঙ্গে আপনারাও সোচ্চার হোন। বাংলাদেশে ডাউনলিংকপূর্বক সম্প্রচারিত সব বিদেশি টিভি চ্যানেলে দেশীয় পণ্যের বিজ্ঞাপন প্রচার আগামী ১ এপ্রিল থেকে বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিলেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ শনিবার। তিনি বলেন, এ জন্য ইতোমধ্যেই আমরা দুই বার পরিপত্র জারি করেছি। এটি আগামী ১ এপ্রিল থেকেই বাস্তবায়ন করতে চাই। আর আজ সোমবার জি টেলিভিশন নেটওয়ার্কের সব চ্যানেল সম্প্রচার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ফলে সাংবাদিকদের দাবির প্রতি সম্মান রাখলো তথ্য মন্ত্রণালয় বলেই অনেকেই মনে করছেন। সামনে গণমাধ্যমের কল্যাণে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নিবে সংশ্লিষ্টরা এমনটাই প্রত্যাশা থাকলো। লেখক: ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টারের (বিজেসি) ট্রাস্টি।

বাংলাদেশে ‘জি’ নেটওয়ার্কের সব চ্যানেল বন্ধ

অবশেষে বাংলাদেশে সকল ভারতীয় টেলিভিশন চ্যানেলের সম্প্রচার বন্ধ হতে চলেছে। এরইমধ্যে সোমবার জি টেলিভিশন নেটওয়ার্কের সব চ্যানেল সম্প্রচার বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। গণমাধ্যমকে এ তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ ক্যাবল অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব) এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এস এম আনোয়ার পারভেজ। তিনি বলেন, ‘সোমবার থেকে জি নেটওয়ার্কের সব চ্যানেল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। আরও যেসব চ্যানেলে দেশি বিজ্ঞাপন প্রচারিত হয় সেসব চ্যানেলও কাল থেকে বন্ধ হয়ে যাবে।’ আনোয়ার পারভেজ বলেন, ‘কোন বাঁধা ধরা সময় নেই। একেবারে স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেয়া হবে। আর কখনো বাংলাদেশের মানুষ ভারতীয় চ্যানেল দেখতে পারবে না। এখন শুধু বাংলাদেশি চ্যানেল দেখতে পারবে দেশের মানুষ।’ এদিকে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, সরকার কোনও চ্যানেল বন্ধ করেনি। শুধু আইনের প্রয়োগ করেছে মাত্র।তিনি বলেন, আইন না মানার কারণে বাংলাদেশের টেলিভিশন খাতে বিজ্ঞাপনের বাজার বাইরে চলে গেছে।তথ্যমন্ত্রী বলেন, আলাপ আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে যে, বিজ্ঞাপন ছাড়াই দেশে ডাউনলিংকৃত বিদেশি চ্যানেল সম্প্রচার করতে হবে। সংশ্লিষ্ট চ্যানেলগুলো ক্লিনফিড (বিজ্ঞাপন ছাড়া প্রোগ্রাম) চালাতে পারে। উল্লেখ্য, ডাউনলিংকৃত ভারতীয় টেলিভিশন চ্যানেলে দেশিয় বিজ্ঞাপন প্রচারের কারণে তথ্য মন্ত্রণালয় এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গেলো ২০১৭ সালের ২ জানুয়ারি তথ্য মন্ত্রণালয় এই নিষেধাজ্ঞা দিলেও ২০১৯ এর ১ এপ্রিল এসে কার্যকর হলো। বাংলাদেশে যেসব বিদেশি টেলিভিশন চ‌্যানেল দেখানো হয় সেগুলোতে দেশি পণ্যের বিজ্ঞাপন বন্ধের দাবি জানিয়ে অনুষ্ঠান নির্মাতা, শিল্পী, বিজ্ঞাপন নির্মাতারা বেশ কিছুদিন ধরে আন্দোলন করে আসছিলেন। ভারতীয় চ্যানেল বন্ধের মধ্য দিয়ে তাদের অনেক দিনের দাবি পূরণ হলো। ভারতীয় চ্যানেলে দেশি বিজ্ঞাপন প্রচারের কারণে বাংলাদেশি টেলিভিশন চ্যানেল ক্ষতির মুখের পড়েছিল। সরকারের এমন সিদ্ধান্তের ফলে টেলিভিশন চ্যানেল ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এসএ/  

টি-সিরিজের কাছে ইউটিউবের শীর্ষস্থান হারালেন পিউডিপাই

সুইডিশ গেমার এবং ভিডিও নির্মাতা পিউডিপাই শেষ পর্যন্ত হেরে গেছেন ভারতের টি-সিরিজের কাছে। ইউটিউবে সাবস্ক্রাইবারের দিক থেকে এখন টি-সিরিজই শীর্ষে, আর পিউডিপাই নেমে গেছেন দ্বিতীয় স্থানে। টি-সিরিজ মূলত বলিউডের ছবির ট্রেইলার, মিউজিক ভিডিও ইত্যাদি ইউটিউবে শেয়ার করে। অন্যদিকে পিউডিপাই ভিডিও গেমের ধারাবিবরণী এবং নানা ধরণের কমেডি পোস্ট করেন। পিউডিপাই`র আসল নাম হচ্ছে ফেলিক্স শেলবের্গ। ইউটিউবে শীর্ষস্থান ধরে রাখার জন্য টি-সিরিজের সঙ্গে তার লড়াই চলছে গত কয়েক মাস ধরে। তবে শেষ পর্যন্ত টি-সিরিজের কাছে শীর্ষ স্থান হারিয়েছেন তিনি। তবে পিউডিপাই তার প্রতিদ্বন্দ্বীকে একটি ভিডিও পোস্ট করে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তবে পিউডিপাই এই ভিডিওতে একথাও বলেছেন, তাকে পেছনে ফেলে ইউটিউবের শীর্ষে যেতে বলিউডের প্রতিটি গান ব্যবহার করতে হয়েছে একটা বিরাট কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানকে। সোমবার ইউটিউবে পিউডিপাই এর তুলনায় টি-সিরিজের সাবস্ক্রাইবার ছিল সাড়ে ১৫ হাজার বেশি। উল্লেখ্য ইউটিউবে পিউডিপাই এর সাবস্ক্রাইবার হচ্ছে ৯২ মিলিয়ন, অর্থাৎ নয় কোটি বিশ লাখ। টি-সিরিজের কাছে যেন পিউডিপাইকে শীর্ষস্থান হারাতে না হয়, সেজন্যে সম্প্রতি তার সমর্থকরা নানা ধরণের তৎপরতা চালায়। যুক্তরাষ্ট্রের সুপারবোলে তার সমর্থকরা `পিউডিপাই টি শার্ট` পরে হাজির হয়। এর আগে কিছু সমর্থক সারা দুনিয়া জুড়ে হাজার হাজার প্রিন্টার হ্যাক করে সেখান থেকে পিউডিপাইকে সাবস্ক্রাইব করার আহ্বান জানিয়ে মেসেজ প্রিন্ট করে। টি-সিরিজের মালিক ভুষণ কুমার অবশ্য সম্প্রতি বলেছিলেন, তিনি মনে করেন না তাদের সঙ্গে ফেলিক্স শেলবের্গ কোন প্রতিযোগিতা আছে। "আমি এই প্রতিযোগিতা নিয়ে মোটেই মাথা ঘামাচ্ছি না। আমি বুঝতে পারছি না কেন পিউডিপাই এটাকে এত গুরুত্বের সঙ্গে নিচ্ছে।" "আমি তো আমার শিল্পীদের বলিনি ইউটিউব চ্যানেলে আমাদের সাবস্ক্রাইবার বাড়ানোর জন্য তারা এরকম বার্তা দিক? আমরা এসবের মধ্যে নেই।" টি-সিরিজ একটি প্রোডাকশন কোম্পানি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন ভুষণ কুমারের বাবা ১৯৮৩ সালে। প্রথম দিকে তারা ভক্তিমূলক সঙ্গীত রেকর্ড করে তা ক্যাসেটে বিক্রির জন্য ছাড়তো। ২০১১ সালে টি-সিরিজের প্রথম ভিডিও ছাড়া হয় ইউটিউবে। অন্যদিকে মিস্টার শেলবের্গ তার পিউডিপাই চ্যানেল শুরু করেন আট বছর আগে। এক সময় তিনি পরিণত হন ইউটিউবের সবচেয়ে বেশি উপার্জনকারী তারকায়। তবে ইউটিউবের সবচেয়ে বেশি সাবস্ক্রাইবড চ্যানেল কিন্তু এখনো ইউটিউব নিজেই। তাদের মিউজিক ভিডিও চ্যানেলের ফলোয়ার হচ্ছে ১০৫ মিলিয়ন বা ১০ কোটি ৫০ লাখের বেশি। তথ্যসূত্র: বিবিসি। এসএইচ/

দুদক মিডিয়া আ্যওয়ার্ড পেলেন যেসব সাংবাদিক

এবারে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মিডিয়া আ্যওয়ার্ড পেয়েছেন চারজন সাংবাদিক। প্রিন্ট মিডিয়ায় প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক ফখরুল ইসলাম হারুন এবং দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছেন সমকালের বিশেষ প্রতিনিধি হকিকত জাহান হকি। ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন মাছরাঙা টেলিভিশনের বিশেষ প্রতিনিধি বদরুদ্দোজা বাবু এবং দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছেন একাত্তর টেলিভিশনের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক পারভেজ নাদির রেজা।রোববার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় শিল্পকলা একাডেমিতে এক অনুষ্ঠানে তাদের হাতে নগদ অর্থ, ক্রেস্ট ও সনদ তুলে দেওয়া হয়। দুদকের শ্রেষ্ঠ দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি, বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিজয়ী, দুদক মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠান ও সততা সংঘের সমাবেশ উপলক্ষে অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী, দুদক কমিশনার ড. মোজাম্মেল হক খান ও এ এফ এম আমিনুল ইসলাম, দুদক মিডিয়া অ্যাওয়ার্ডের জুরি বোর্ডের সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুল প্রমুখ। এই অনুষ্ঠানে দুদক চেয়রম্যান বলেন, কেন যেন মনে হয় অনিয়মকে সবাই নিয়মে পরিণত করছে। বনানীর এই বিয়োগান্ত ঘটনা এসব অনিয়মের পরিণতি। এ জাতীয় অনিয়মকে দুর্নীতি হিসেবে অবহিত করে তিনি বলেন, সময়মতো কাজ করবেন না, এটাও দুর্নীতি। ইকবাল মাহমুদ বলেন, ২০১৯ সাল হবে দুদকের কাজের বছর। দুর্নীতির বিরুদ্ধে কাজে গতি ফিরিয়ে আনার বছর। যেসব দুর্নীতিবাজরা লুটপাট করেছে, লুটপাটের অংশীদার হয়েছেন বা সরকারি সম্পত্তি গ্রাস করেছেন তারা সাবধান হয়ে যান। যারা গণপূর্ত, সড়ক ও জনপথ, বাংলাদেশ রেলওয়ের জমি দখল করেছেন কিংবা বন বিভাগের সম্পত্তি দখল করে যারা রেস্ট হাউজ বানিয়েছেন তারা সরকারের সম্পত্তি সরকারের কাছে সমর্পণ করুন। নইলে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে। যারা অনিয়মের মাধ্যমে জনগণের অর্থ নিয়েছেন অথবা যারা অর্থ দিয়েছেন এইসব অর্থ লোপাটকারীরাও আইনের আওতায় আসবে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, এখন দুর্নীতির মাত্রা কমছে কি না, প্রশ্ন আছে। আশা করি কমছে। তবে রাজনীতি বা অর্থবিত্তের কাছে দুর্নীতিবিরোধী অভিযান যাতে চাপা না পড়ে, সে বিষয়ে নজর দিতে দুদকের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। এসএইচ/

বাংলাভিশনের ১৪ বর্ষে পদার্পণ

পথচলার ১৩ বছর পেরিয়ে আজ ১৪ বছরে পদার্পণ করেছে বাংলাভিশন। ‘দৃষ্টিজুড়ে দেশ’- এই স্লোগান নিয়ে ২০০৬ সালের ৩১শে মার্চ আনুষ্ঠানিক সম্প্রচার শুরু হয় এই টেলিভিশনটির। আজ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ১৪ বছরের যাত্রাকে বাংলাভিশন উদ্‌যাপন করবে বিশেষ অনুষ্ঠানমালার মধ্য দিয়ে। আজ সকাল ৯টা থেকে চ্যানেলের নিজস্ব কার্যালয়ের স্টুডিওতে অনুষ্ঠেয় সরাসরি সংগীতানুষ্ঠানের পাশাপাশি সারা দিন প্রচার হবে শুভেচ্ছা বিনিময় এবং বাংলাভিশনের ১৩ বছরের পথচলা, অর্জনসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে অনুষ্ঠান ‘ফিরে দেখার ১৩’। সংগীতানুষ্ঠানে, শুভেচ্ছা বিনিময় এবং গান পরিবেশন করবেন দেশের প্রথিতযশা ও এ প্রজন্মের সংগীতশিল্পীরা। আবুল হায়াত, জুয়েল আইচ ও সালাহ্‌উদ্দিন লাভলুর অংশগ্রহণে রাত ৮টা ১৫ মিনিটে প্রচার হবে বিশেষ টক শো ‘আনন্দ বেদনার কাব্য-২০১৯’। সাগর জাহানের রচনা ও পরিচালনায় বিশেষ নাটক ‘কাকতাড়ুয়াটা কথা বলে’ থাকছে রাত ৯টা ০৫ মিনিটে। এতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন চঞ্চল চৌধুরী, শবনম ফারিয়া প্রমুখ। সরাসরি সংগীতানুষ্ঠান প্রচার হবে রাত ১১টা ২৫ মিনিটে। রাত ২টায় থাকছে বাংলাভিশনের ১৩ বছরের পথচলা, অর্জনসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে অনুষ্ঠান ‘ফিরে দেখার ১৩’। একুশে পরিবারের পক্ষ থেকে চ্যানেলটির সকল কলাকৌশলি ও বাংলাভিশন পরিবারকে শুভেচ্ছা। এসএ/  

সম্প্রচার কমিশন গঠনের দাবি সাংবাদিকদের (ভিডিও)

বেতন বৈষম্য, নিয়মিত বেতন বৃদ্ধি না হওয়াসহ বেসরকারি টেলিভিশনের সংকট কাটাতে সরকারকে উদ্যোগ নেয়ার দাবি জানিয়েছেন সাংবাদিকরা। চাকরীর নিরাপত্তা এবং ঝুঁকি কমাতে গণমাধ্যম কর্মী আইন এবং সম্প্রচার কমিশন গঠনেরও দাবি জানান তারা। জবাবে তথ্যমন্ত্রী জানান, মালিকপক্ষ, বিজ্ঞাপনদাতা ও ক্যাবল অপারেটরদের সম্মিলিত উদ্যোগেই সাংবাদিকদের চাকরী সুরক্ষা করতে হবে। দেশের বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর সংকট সমাধানে করণীয় নিয়ে জাতীয় শিল্পকলা একাডেমিতে ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার বিজেসি’র এই গোলটেবিল বৈঠক। যোগ দেন তথ্যমন্ত্রী ডক্টর হাছান মাহমুদ।  বৈঠকের শুরুতে মূল প্রবন্ধে বেসরকারি টেলিভিশনের সাথে জড়িত কলাকূশলীদের নানা দুর্ভোগ ও বঞ্চনার চিত্র তুলে ধরা হয়। টেলিভিশন মালিকপক্ষের বিরুদ্ধে নিয়মনীতি না মেনে বছরের পর বছর বেতন বৈষম্য ও বেতন বৃদ্ধি না করাসহ নানা অভিযোগ করেন সাংবাদিকরা। বিদেশী চ্যানেলে দেশীয় বিজ্ঞাপন বন্ধেরও দাবি জানান তারা। সংকট কাটাতে সংবাদকর্মী আইন ও সম্প্রচার কমিশন গঠনেরও দাবি ওঠে গোলটেবিল বৈঠকে। পরে তথ্যমন্ত্রী বলেন, সম্মিলিত উদ্যোগেই সমস্যার সমাধারন করা হবে। পহেলা এপ্রিল থেকে বিদেশী চ্যানেলে দেশীয় বিজ্ঞাপন বন্ধ করা না হলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তথ্যমন্ত্রী।   

১ এপ্রিল থেকে বিদেশি চ্যানেলে দেশীয় বিজ্ঞাপন নয় : তথ্যমন্ত্রী

বাংলাদেশে ডাউনলিংকপূর্বক সম্প্রচারিত সব বিদেশি টিভি চ্যানেলে দেশীয় পণ্যের বিজ্ঞাপন প্রচার আগামী ১ এপ্রিল থেকে বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, এ জন্য ইতোমধ্যেই আমরা দুই বার পরিপত্র জারি করেছি। এটি আগামী ১ এপ্রিল থেকেই বাস্তবায়ন করতে চাই। শনিবার (৩০ মার্চ) শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার কন্সফারেন্স হলে সম্প্রচার সাংবাদিক কেন্দ্র আয়োজিত ‘সংকটে বেসরকারি টেলিভিশন’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তথ্যমন্ত্রী বলেন, টেলিভিশন চ্যানেলগুলো যেন টিকে থাকে, চ্যানেলে যারা চাকরি করে তাদের চাকরির যেনো নিশ্চয়তা থাকে, এসব বিষয়ে আমাদের সকলকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। এজন্য চ্যানেলগুলোর আয় বাড়াতে হবে। টেলিভিশনগুলো এখনো বিজ্ঞাপন নির্ভর। কিন্তু দেশে বিজ্ঞাপনের মার্কেট কমে যাচ্ছে, আর টেলিভিশেনের সংখ্যা বড়ে যাচ্ছে। টেলিভিশনগুলো নিজেরাও অসম প্রতিযোগিতা করে বিজ্ঞাপনের রেট কমিয়ে দিয়েছে। আবার অনলাইন, ফেসবুক, ইউটিউবেও বিজ্ঞাপন চলে যাচ্ছে। তিনি বলেন, এসব সমস্যার বড় সমাধান ডিস্ট্রিবিউটারদের হাতে রয়েছে। কারণ, আইন অনুযায়ী বাংলাদেশে ডাউনলিংকপূর্বক সম্প্রচারিত সব বিদেশি টিভি চ্যানেলে দেশীয় পণ্যের বিজ্ঞাপন প্রচার করা দণ্ডনীয় অপরাধ। তারপরও বাংলাদেশে যেসব বিদেশি চ্যানেল জনপ্রিয়, সেগুলোতে বহুজাতিক ও বেশকিছু বাংলাদেশি কোম্পানির বিজ্ঞাপন অবৈধভাবে প্রচার করা হয়। এ আইনটি পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা হলেই, বছরে ৫০০ কোটি টাকার বিজ্ঞাপন দেশীয় টেলিভিশনগুলো পাবে বলে আমি মনে কির। এ পরিমাণ বিজ্ঞাপন পেলে আজকে টেলিভিশনে যে সংকট রয়েছে, সেটা কেটে যাবে। তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আমি আশা করছি এ বিষয়ে ইতোমধ্যেই আপনারা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন। কারণ দুই মাস আগে থেকে আপনাদের এ বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ৪৪টি টেলিভিশনকে লাইসেন্স দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৩৩টি সম্প্রচারে রয়েছে, অন্যগুলো সম্প্রচারের অপেক্ষায়। আমাদের দেশে চ্যানেলের সংখ্যা কলকতার চেয়ে অনেক বেশি। ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ক্যাবল অপারেটররা লাইন দিয়ে যে টাকা আয় করে সেখান থেকে একটা অংশ টেলিভিশন মালিকদের দেওয়া যায় কিনা, সে বিষয়টি খুঁজে বের করা হচ্ছে। এ জন্য ক্যাবল অপারেটর ও টেলিভিশন মালিকদের বসে একটি প্রস্তাব তৈরির পরার্মশ দেন তথ্যমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জিটিভির প্রধান সম্পাদক সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা। তিনি তাঁর প্রবন্ধে বর্তমানে বেসরকারি টেলিভিশনগুলো নানা সংকটে রয়েছে বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, প্রায় প্রতিদিনই অপ্রত্যাশিতভাবে কর্মহীন হয়ে যাচ্ছেন অনেকে। কোনো কোনো টেলিভিশন চ্যানেল আর্থিক ক্ষতির দোহাই দিয়ে লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গ করে শুধু একটি নোটিশ দিয়ে বার্তাকক্ষ গুটিয়ে ফেলছে। কোনো আগাম ঘোষণা ছাড়াই সাংবাদিক ও কর্মী ছাঁটাই করছে। আবার ছদ্মবেকারও আছে অনেক। যেমন: চাকরি আছে, বেতন নেই। কোনো কোনো চ্যানেল কর্তৃপক্ষ মাসের পর মাস সাংবাদিক ও অন্য কর্মীদের বেতন দিচ্ছে না। কোনো কোনো চ্যানেল আবার বেতন কমিয়ে দিচ্ছে। চ্যানেলের সংখ্যা বাড়ছে, কিন্তু বিজ্ঞাপনের দরপতন হচ্ছে। বড় বড় কোম্পানির বিজ্ঞাপন চলে যাচ্ছে দেশের বাইরে। এর ফলে দেশীয় চ্যানেলগুলো আর্থিক ক্ষতির মধ্যে পড়ছে। ইশতিয়াক রেজা আরও বলেন, সামগ্রিকভাবে চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে পরিচিত গণমাধ্যম সংকটে রয়েছে। গণতন্ত্রকে সংহত করতে গণমাধ্যমকে বাঁচিয়ে রাখতে সরকারের উদ্যোগ চাই। তিনি নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে সাংবাদিক ইউনিয়ন করার তাগিদ দেন। এর আগে গত ১৩ মার্চ তথ্য মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করে। নির্দেশনায় বলা হয়, বাংলাদেশে ডাউনলিংকপূর্বক সম্প্রচারিত সব বিদেশি টিভি চ্যানেলে দেশীয় পণ্যের বিজ্ঞাপন প্রচার অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। এ নির্দেশ অমান্য করলে ডিস্ট্রিবিউশন লাইসেন্স বাতিল/স্থগিত এবং ২৮ ধারা মোতাবেক ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। তথ্য মন্ত্রণালয় এর আগে জারিকৃত এক পত্রে বলে, কেবল টেলিভিশন নেটওয়ার্ক পরিচালনা আইন-২০০৬ এর ধারা ১৯ এর ১৩ নম্বর উপধারায় বিদেশি টিভি চ্যানেলের মাধ্যমে বিজ্ঞাপন প্রচার সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশে ডাউনলিংকপূর্বক সম্প্রচারিত কোনো কোনো বিদেশি টিভি চ্যানেলে বিজ্ঞাপন প্রচার করা হচ্ছে মর্মে জানা গেছে, যা ওই আইনের পরিপন্থী। বিদেশি টিভি চ্যানেল ডাউনলিংকপূর্বক সম্প্রচারের জন্য প্রদত্ত অনুমতি বা অনাপত্তিপত্রে ‘কেবল টেলিভিশন নেটওয়ার্ক পরিচালনা আইন ২০০৬’ যথাযথভাবে প্রতিপালনের শর্ত আরোপ করা হয়েছে। তাই বিদেশি কোনো টিভি চ্যানেলের মাধ্যমে দেশীয় পণ্যের বিজ্ঞাপন প্রচার করলে ওই আইনের ১১ ধারা মোতাবেক ডিস্ট্রিবিউশন লাইসেন্স বাতিল/স্থগিত এবং ২৮ ধারা মোতাবেক ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। সেমিনারে আরও বক্তব্য রাখেন, স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল ডিবিসির চেয়ারম্যান ইকবাল সোবহান চৌধুরী, চ্যানেল২৪ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে আজাদ, ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টারের সভাপতি রেজওয়ানুল হক, সদস্য সচিব শাকিল আহমেদ, সারাবাংলা ডটনেট, দৈনিক সারাবাংলা ও জিটিভির এডিটর ইন চিফ সৈয়দ ইশতিয়াক রেজাসহ আরও অনেকেই। এসএইচ/

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি