ঢাকা, সোমবার, ২২ অক্টোবর, ২০১৮ ২০:৩৬:৩৮

জনপ্রিয় হয়ে উঠছে জিংক সমৃদ্ধ ধান চাষ (ভিডিও)

লালমনিরহাটে কৃষকদের মাঝে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে জিংক সমৃদ্ধ ধান চাষ। অন্যান্য জাতের চেয়ে এই ধান চাষে খরচ কম আর ফলন হয় বেশি। বাংলাদেশ ধান গবেষণা কেন্দ্র উদ্ভাবিত এ’ ধান চাষে লাভবান হচ্ছে কৃষক। বাড়তি লাভের কারণে লালমনিরহাটের কৃষকরা আগ্রহী হয়ে উঠছে জিংক সমৃদ্ধ ধান চাষে। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের উদ্ভাবিত জিংক সমৃদ্ধ বিরি-৬২ ও বিরি-৭৪ জাতের ধান চাষে খরচ কম। ফলনও বেশি। ২০১৩ সালে জেলায় মাত্র ৫০ জন কৃষক এই জাতের ধান চাষ শুরু করেন। এ’বছর ১২শ’ কৃষক এই ধান চাষ করেছেন। তবে, এ’ জাতের ধানের বীজ এখনো বাজারে আসেনি। একটি বেসরকারি সংস্থা লালমনিরহাটে বিনামূল্যে কৃষকদের বীজ ও কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে। জিংক সমৃদ্ধ ধানের বীজ বাজারে আনতে সরকারকে উদ্যোগ নেয়ার দাবি জানিয়েছে চাষীরা।

ঠাকুরগাঁওয়ে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মাদক ব্যবসায়ী নিহত

ঠাকুরগাঁওয়ের সদর উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে আফতাফুল ইসলাম (৩৮) নামের এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। ‘বন্দুকযুদ্ধের’ এ ঘটনায় দুই পুলিশ কর্মকর্তা আহত হয়েছেন। বুধবার ভোর ৪টার দিকে উপজেলার ভাতারমাড়ী ফার্ম এলাকায় ‘বন্দুকযুদ্ধের’ এ ঘটনা ঘটে। নিহত আফতাফুল ইসলাম জেলার বালিয়াডাঙ্গী থানার বড় পলাশবাড়ি ইউনিয়নের পাড়ুয়া গ্রামের ভেলসা মোহাম্মদের ছেলে বলে জানা গেছে। আফতাফুলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ১৯টি মামলা আছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশ সুপার ফারহাত আহমেদ জানান, গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে আফতাবুল ইসলামকে তার বাড়ি থেকে ১০০ বোতল ফেনসিডিলসহ গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারের পর তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার সহযোগীদের ধরতে অভিযানে যায় পুলিশ। ভাতারমাড়ী ফার্ম সংলগ্ন বনবাড়ি এলাকায় গেলে একদল দুর্বৃত্ত পুলিশের ওপর গুলি ছোঁড়লে আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি ছোঁড়ে। এতে আফতাবুল ঘটনাস্থলেই নিহত হন। একে//  

রংপুরে ‘বন্দুকযুদ্ধে মাদক ব্যবসায়ী’ নিহত

রংপুরে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। তবে নিহতের নাম জানাতে পারেনি পুলিশ। ‘বন্দুকযুদ্ধের’ এ ঘটনায় বেশ কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তা আহত হয়েছেন। কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোক্তারুল আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। বুধবার ভোরে নগরীর হাজিরহাট এলাকায় ‘বন্দুকযুদ্ধের’ এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে একটি রিভলভার ও এক বস্তা ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়েছে। মোক্তারুল আলম জানান, নিহত ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত হওয়া না গেলেও ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন মাদকদ্রব্য উদ্ধার হওয়ায় সে বড় মাদক ব্যবসায়ী বলে ধারণা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, নিহত ব্যক্তিকে বুধবার ভোরে রংপুর মেডিক্যাল কলেজের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। সেখানে তাকে হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়। একে//

শ্রমিকদের আন্দোলনে কয়লা খনিতে অচলাবস্থা (ভিডিও)

শ্রমিকদের আন্দোলনের মুখে অচলাবস্থা বিরাজ করছে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিতে। ১৩ দফা দাবিতে এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে কর্মবিরতি পালন করছে তারা। দাবি না মানা পর্যন্ত কাজে যোগ দেবে না শ্রমিকরা। অচলাবস্থার জন্য শ্রমিক নিয়োগকারি চীনা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে দুষছে খনি কর্তৃপক্ষ। ১৩ দফা দাবীতে গেল ১৩ মে থেকে টানা কর্মবিরতি চালিয়ে আসছে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ১ হাজার ৪১ জন বাংলাদেশি শ্রমিক। শ্রমিকদের নিয়োগ দিয়েছিলো চীনা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান সিএমসি-এক্সএমসি কনসোর্টিয়াম। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে খনিতে কাজ করলেও ন্যায্য পারিশ্রমিক প্রদানে নানা অজুহাত সৃষ্টির অভিযোগ তাদের। খনি কর্তৃপক্ষ বলছে, শ্রমিকরা সরাসরি তাদের নিয়োগপ্রাপ্ত না হওয়ায়, চীনা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের পদক্ষেপ ছাড়া কিছূই করার নেই। তবে দাবী আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলে জানিয়েছে শ্রমিকরা। চলমান সংকট নিরসনে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় ৩ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে। আপাতত চীনা শ্রমিক দিয়ে খনির আংশিক কাজ চালানোর কথা বলেছে কর্তৃপক্ষ।

অজপাড়াগা আলোকিত করছে জন্মদিন (ভিডিও)

জন্মদিন। ঠাকুরগাঁওয়ের এক অজপাড়া গাঁয়ের একটি পাঠশালার নাম। অবৈতনিক রাত্রিকালীন পাঠশালাটির প্রতিষ্ঠাতা অরবিন্দু রায়। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের আলোকিত করতেই এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। প্রতি সন্ধ্যায় হারিকেনের আলোয় দলবেঁধে পড়তে বসে শিশুরা। দেড় শতাধিক সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিচ্ছেন অরবিন্দু রায়। পেশায় সরকারি চাকুরিজীবী অরবিন্দু পীরগঞ্জ উপজেলার উজ্জলকোঠা গ্রামের বাসিন্দা। উজ্জলকোঠা ছাড়াও বাঙ্গালী পাড়া, রামদেবপুর, ডাবগ্রাম, রাঘবপুর, অতরগাঁওসহ ৮টি গ্রামের শিশুদের পড়ার ছন্দে মুখরিত থাকে পাঠশালাটি। ২০১১ সালের ১ নভেম্বরে মাত্র ১০ শিশু নিয়ে ঠাকুরগাঁও শহর থেকে প্রায় ২৫ কি.মি দূরের এই অজপাড়াগাঁয়ে পাঠশালাটির যাত্রা। এখন শিশুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭৫ জনে। পাঠশালাটি চালু হওয়ায় শিশুদের লেখাপড়া নিয়ে আর চিন্তিত নন অভিভাবকরা। আর লেখাপড়ায়ও মনোযোগ বেড়েছে শিক্ষার্থীদের। অরবিন্দুর এই পাঠশালায় বর্তমানে ৫জন শিক্ষক সম্পূর্ণ স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে পাঠদান করছেন। স্কুলটিকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান। একুশে টেলিভিশন/এমজে 

পাপোস তৈরির কারখানা গড়ে স্বাবলম্বী নারী (ভিডিও)

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে পাপোস তৈরির কারখানা গড়ে স্বাবলম্বী হয়েছেন আত্মপ্রত্যয়ী নারী ফাতেমা বেগম। অন্যদেরও আয়ের পথ দেখিয়েছেন তিনি। ফাতেমা বলছেন, সহজ শর্তে ঋণ আর বিপনন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে কর্মসংস্থান হবে অনেক মানুষের। অভাবের সংসার ছেড়ে স্বামী ভারতে চলে যাওয়ার পর অসহায় হয়ে পড়েন ঠাকুরগাঁওয়ের ফাতেমা বেগম। পরে ঢাকায় পাপোস তৈরির কাজ শেখেন তিনি। ২০০৪ সালে ৪টি তাঁত বসিয়ে শুরু হয় ফাতেমার উদ্যোক্তা হওয়ার লড়াই। কয়েক বছরের মধ্যেই ব্যাপক উন্নতি হতে থাকে ব্যবসায়। ফাতেমার পাপোস তৈরির কারখানায় এখন তাঁত ৪৫টি। এখানে কর্মসংস্থান হয়েছে শতাধিক নারীর। ফাতেমার অনন্য উদ্যোগে উৎসাহী হয়ে আরো অনেকে গড়ে তুলেছেন পাপোস তৈরির কারখানা। এখানে তৈরি পাপোস, ওয়ালম্যাট, কার্পেট, জায়নামাজসহ বিভিন্ন পণ্য সরবরাহ করা হচ্ছে ঢাকাসহ দেশের বাইরেও। উদ্যোক্তারা বলছেন, সুতা ও ঝুটের দাম বেশি হওয়ায় প্রত্যাশিত লাভ হচ্ছে না। এই শিল্পের বিকাশে স্বল্প সুদে ঋণ দেয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা। এই শিল্পের উদ্যোক্তাদের সব ধরণের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা। সরকারি সহযোগিতা আর প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা গেলে আর্থিক স্বচ্ছলতার পাশাপাশি নারী প্রগতিতেও অনন্য অবদান রাখতে পারবে ঠাকুরগাঁওয়ের পাপোস শিল্প।

গাইবান্ধার ফুলছড়িতে ঘোড়ার গাড়ি অথবা পায়ে হাঁটাই ভরসা (ভিডিও)

গাইবান্ধার ফুলছড়ির চরাঞ্চলে নেই যাতায়াতের পর্যাপ্ত সুবিধা। দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে ঘোড়ার গাড়ি অথবা পায়ে হাঁটাই ভরসা। বালি উড়িয়ে ঘোড়ার গাড়ি চলায় চরম দুর্ভোগের শিকার হয় শিশু এবং বৃদ্ধরা। এ’কারণে শুস্ক মৌসুমে যাতায়াতের স্থায়ী সমাধান চায় চরবাসী। গাইবান্ধার তিস্তা, যমুনা ও ব্রহ্মপুত্র নদীর নাব্যতা কমে যাওয়ায় ফুলছড়ি উপজেলার বালাসী ঘাট পাকা রাস্তা থেকে ৬ মাইল দূরে সরে গেছে। ফলে প্রয়োজনীয় কাজ সারতে প্রতিদিন পায়ে হেঁটে দীর্ঘ বালির পথ পাড়ি দিতে হচ্ছে চরবাসীকে। পাকা রাস্তা না থাকায় চরাঞ্চলে বাহন হিসেবে ঘোড়ার গাড়িই একমাত্র ভরসা। গাড়ি না পেলে পোহাতে হয় দুর্ভোগ।  জনদুর্ভোগ কমাতে নদী ড্রেজিং করে নদীর নব্যতা ফিরিয়ে আনা, সেই সাথে ঘাট স্থানান্তরে উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসক।শুষ্ক মৌসুমে এ অঞ্চলের মানুষের যাতায়াতের ভোগান্তি নিরসনে স্থায়ী সমাধান চান চরবাসী।

গাইবান্ধার বালুচর এখন সবুজের সমারোহ (ভিডিওি)

গাইবান্ধার বিরান বালুচরে এখন সবুজের সমারোহ। নিজেদের মেধা আর শ্রম দিয়ে চরাঞ্চলের মানুষ পাল্টে দিয়েছে চরের চিত্র। এখন ধানসহ সব ধরনের মৌসুমী সবজির চাষ হয় এখানে। নতুন পদ্ধতির চাষাবাদে আর্থ-সামাজিক অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে চরের মানুষজনের। গাইবান্ধা সদর ও সুন্দরগঞ্জের এসব চরাঞ্চল এক সময় ছিলো বিরান ভূমি। উৎপাদন হতো শুধু চিনা বাদাম ও কাউন। বর্তমানে এসব চরের ১৮ হাজার হেক্টর জমিতে বিভিন্ন ধরনের ফসল আবাদ হচ্ছে। মাচানে ঝুলছে লাউ, কোথাও ফলেছে মিষ্টি কুমড়া। এছাড়া ধান, বাদাম, মরিচ, পেঁয়াজ, বিভিন্ন রকম শাক, গম ও ভুট্টাসহ নানা ধরনের মৌসুমী শাকসবজি চাষ করছেন চরাঞ্চলের কৃষক। বর্ষা মৌসুমের তিন মাস ছাড়া বাকি নয় মাসই বিভিন্ন ফসল হচ্ছে চরের জমিতে। এ’সব ফসল চরাঞ্চলের মানুষের আর্থ-সামাজিক অবস্থার পরিবর্তন ঘটাচ্ছে বলে জানালেন কৃষি কর্মকর্তা। গাইবান্ধায় তিস্তা, যমুনা ও ব্রহ্মপুত্র নদীবেষ্টিত চরাঞ্চল রয়েছে ১৮০টি।  

রংপুরে স্কুলের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ (ভিডিও)

পাঠদানের পাশাপাশি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে রংপুর নগরীর শিশুকলি প্রিক্যাডেট স্কুল। এখানে শিক্ষকরা গল্পের মাধ্যমে প্রতিদিন এক ঘন্টা করে ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশের ইতিহাস বিষয়ে জানান শিক্ষার্থীদের। এতে শিশুরা উজ্জীবিত হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায়; উদ্বুদ্ধ হচ্ছে দেশপ্রেমে। ৪ বছরের শিশু মুক্তামনি বলতে পারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর নাম, ভাষা আন্দোলনে কারা শহীদ হয়েছিলো। মহান মুক্তিযুদ্ধ কখন হয়েছিলো। দেশের প্রধানমন্ত্রী কে? বিদ্যালয়টিতে এমন কোন শিক্ষার্থী পাওয়া যাবেনা যারা এসব বলতে পারেনা। শুধু তাই নয় জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে কিভাবে কারা স্বপরিবারে হত্যা করেছিলো তাও জানে তারা। এখান থেকে তারা জানতে পারছে স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাস। ৫ বছর আগে নগরীর রবার্টসনগঞ্জ কুটিপাড়ায় প্রতিষ্ঠিত হয় স্কুলটি। লেখাপড়ার পাশাপাশি নাচ, গান ও শরীরচর্চা বিষয়ে হাতেকলমে শিক্ষা দেয়া হয় এখানে। এ বছর পিইসি পরীক্ষায় ২৭ শিক্ষার্থী অংশ নিয়ে সবাই ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে। অভিভাবকরাও তাদের সন্তানদেরকে এই স্কুলে পড়িয়ে সন্তষ্ট। মুক্তিযুদ্ধ ও দেশপ্রেমের চেতনায় নতুন প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ করতে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এমন উদ্যোগ নেয়ার দাবি অভিভাবকসহ সকলের।

দিনাজপুরে চমক লাগানো উটপাখির খামার (ভিডিও)

বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো উটপাখির খামার গড়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার আরজুমান আরা বেগম। দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে উটপাখির বাচ্চা এনে বাংলাদেশের আবহাওয়ায় বড় করছেন তিনি। দিনাজপুরের মালিপাড়া গ্রাম। সবুজ-শ্যামল গ্রামে মরুভূমির পাখির খামার। ৭ বিঘা জমির উপর গড়ে ওঠা ইকো এগ্রো ফার্ম দাপিয়ে বেড়াচ্ছে উটপাখি। মালয়েশিয়া প্রবাসী আরজুমান আরা বেগম নেপালে উটপাখির খামার দেখে, বাংলাদেশে এই উদ্যোগ নিতে আগ্রহী হন। ২০১৬ সালে পৈত্রিক জমিতে গড়ে তুললেন মরুর দেশের পাখির খামার। এর চাষপদ্ধতি সম্পর্কে ধারণা নিয়েছেন ইন্টারনেট থেকে। দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ২০টি একদিনের উটপাখির বাচ্চা নিয়ে এসে খামার শুরু করেন আরজুমান আরা। এখন খামারে ১৫টি পাখি আছে। বাংলাদেশের আবহাওয়ায় বেড়ে ওঠা উটপাখিগুলোর ওজন এখন প্রায় ৬০ কেজি। ফিড, লতা পাতা, ও শাক সবজি খেয়ে বড় হওয়া পাখিগুলো বছরে ৫০ থেকে ৭০টি পর্যন্ত ডিম দেয়। খামারে সব রকমের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন উপজেলা প্রানি সম্পদ কর্মকর্তা। উট পাখি সঠিকভাবে লালন পালন করতে পারলে মাংসের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বিদেশে এর মাংস, চামড়া- হাড় পালক রপ্তানী করা সম্ভব বলে মনে করছে প্রানীসম্পদ বিভাগ।

দিনাজপুরে প্রচুর রসুন চাষ হলেও ফলন কম (ভিডিও)

দিনাজপুরে এ’বছর প্রচুর রসুন চাষ হলেও রোগ-বালাইয়ের কারণে ফলন কম হয়েছে। আর বাজারে দাম কম থাকায় লোকসানে বিক্রি করতে হচ্ছে কৃষককে। এতে করে আবাদের খরচও তুলতে পারছেনা তারা। এদিকে ফরিদপুরে রসুনের ফলন ভালো হলেও ন্যায্য দাম না পাওয়ায় হতাশ কৃষকেরা। দিনাজপুর জেলায় এ মৌসুমে রসুনের চাষ হয়েছে প্রায় ৬ হাজার হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে শুধু খানসামা উপজেলায় প্রায় ৪ হাজার হেক্টর জমিতে। মোট আবাদের ৮০ ভাগই চাষ হয় এই উপজেলায়। এক বিঘা জমিতে রসুন আবাদ করতে খরচ হয় ৪০ থেকে ৪২ হাজার টাকা। ভালো ফলন হলে প্রায় ৬০ মন ফলন পাওয়া যায়। এক মন রসুন বিক্রি হচ্ছে ছয়শ টাকা। বর্গা চাষীরা পড়েছেন আরো বিপাকে। এদিকে স্বল্প চাষে রসুন আবাদে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করছে কৃষি বিভাগ। আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় গতবারের তুলনায় এ’বছর রসুনের ফলন ভালো হলেও ন্যায্য দাম না পাওয়ায় হতাশায় ভুগছেন ফরিদপুরের কৃষকেরা। জেলায় এ বছর আগের চেয়ে ২১০টন বেশি রসুন উৎপাদন আশা করছে কৃষি বিভাগ। আগামীতে রসুন চাষে সরকারের সব ধরণের সহযোগিতা কামনা চান এ’অঞ্চলের কৃষকেরা।

‘শিগগিরই সোনারহাট স্থলবন্দর চালু হবে’

শিগগিরই কুড়িগ্রামের সোনারহাট স্থলবন্দর চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান। তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে ২৩টি স্থলবন্দরের মধ্যে ১২টি স্থলবন্দর চালু রয়েছে। শুক্রবার সকালে তিনি কুমিল্লা সার্কিট হাউজে কুমিল্লার বিবির বাজার স্থল বন্দর উন্নয়ন ও পরিচালনায় গতিশীল আনয়নের নিমিত্তে গঠিত উপদেষ্টা কমিটির প্রথম বৈঠকে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। সভায় উপস্থিত ছিলেন হাজী আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার এমপি, স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান তপন কুমার চক্রবর্তী, চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. রুকনউদ্দিন আহমেদ, জেলা প্রশাসক মো. আবুল ফজল মীর প্রমুখ। শাজাহান খান বলেন, আমদানী রফতানি বাণিজ্যে গতিশীলতা আনার লক্ষ্যে সরকার ২৮টি স্থল বন্দর চালু করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। বর্তমানে ২৩টির মধ্যে ১২টি স্থল বন্দর চালু রয়েছে। তিনি বলেন, সরকারের আমলে মাত্র ২৮ কোটি টাকা আয় হতো বর্তমানে সেখানে আয় বেড়ে হয়েছে ১১১ কোটি টাকা। তিনি আরো বলেন, খাগড়াছড়ি জেলার রামগড়ে একটি স্থলবন্দর নির্মাণ করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। আরো কয়েকটি স্থল বন্দর নির্মাণের মাধ্যমে আমদানি রফতানি বাণিজ্যে গতি আনা হবে। আর/টিকে

দিনাজপুরে গ্রীষ্মকালীন টমেটোতে অজ্ঞাত রোগ (ভিডিও)

দিনাজপুরে অজ্ঞাত রেগে মারা যাচ্ছে টমেটো গাছ। শত শত গাছ মরে যাওয়ায় ক্ষতির মুখে পড়েছেন কৃষকরা। কৃষি বিভাগ বলছে, বাড়িতে তৈরি ব্যাকটেরিয়াযুক্ত বীজ বপনের কারণেই আক্রান্ত হচ্ছে টমেটো ক্ষেত। এ অবস্থায় হাইব্রিড জাতের বীজ ব্যবহারের পরামর্শ তাদের। উত্তরাঞ্চলে সবচেয়ে বেশি গ্রীষ্মকালীন টমেটোর আবাদ হয় দিনাজপুরে। ঢাকা, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, সিলেট, ময়মনসিংহ বিভিন্ন বাজারে যায় এখানকার টমেটো। প্রতিদিন এসব বাজারে এক থেকে দেড় কোটি টাকার বেচাকেনা হয়। তবে এবছর ভরা মৌসুমে কৃষকের মুখে হাসি নেই। পাকার আগেই ক্ষেতে দেখা দিয়েছে অজ্ঞাত রোগ। হঠাৎ করেই মরে যাচ্ছে গাছ। বালাইনাশকেও ফল মিলছে না। এতে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষক। বাড়িতে নিজেদের তৈরি বীজে ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া থাকার কারণেই টমেটো ক্ষেতে মড়কের কারণ বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ। এরইমধ্যে লিফলেট বিতরণ ও সমাবেশ করে কৃষকদের সচেতন করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছে তারা। এর আগে ২০১৬ সালেও একই রোগের প্রার্দূভাব দেখা দিয়েছিল। সে সময় নির্দিষ্ট ব্যবস্থাপত্র না পাওয়ায় বালাই নির্মুল হয়নি বলে দাবি করেছেন কৃষক। /  এআর /

চার বছর হিমঘরে থাকার পর কবর পাচ্ছে নীপার লাশ

প্রেমের টানে ঘর ছেড়েছিলেন নীলফামারীর নীপা রানী রায় (২০) ও হুমায়ুন ফরিদ লাজু (২৩)। হিন্দু থেকে মুসলিম ধর্মে ধর্মান্তরিত হয়ে হোসনে আরা লাইজু নামও নিয়েছিলেন নিপা। তারা বিয়েও করেছিলেন। আবার বিষপানে আত্মহত্যারও পথ বেছে নিয়েছিলেন তারা। আইনি জটিলতায় বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত লাইজুর লাশ রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতলের হিমঘরেই থেকে যায়। অবশেষে চার বছর মর্গে (হিমঘরে) থাকা ধর্মান্তরিত লাইজুর লাশ মুসলিম রীতিতে দাফনের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি হোসনে আরা লাইজুর দাফনের পূর্বে তার (লাইজু/নীপা) পরিবারকে (মা-বাবাকে) দেখার সুযোগ করে দিতে জেলা প্রশাসক (ডিসিকে) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এক আবেদনের চূড়ান্ত শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের বিচারপতি মো. মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরীর একক বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন। আদালতে মেয়ের বাবার পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট সমীর মজুমদার। অন্যদিকে ছেলের বাবার পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট এ কে এম বদরুদ্দোজা। মামলার বিবরণী অনুসারে, নীলফামারীর ডোমার উপজেলার বামুনিয়া ইউনিয়নের খামার বমুনিয়া গ্রামের অক্ষয় কুমার রায়ের মেয়ে নীপা রানী রায়ের (২০) সঙ্গে একই উপজেলার পূর্ব বোড়াগাড়ী গ্রামের জহুরুল ইসলামের ছেলে হুমায়ুন ফরিদ লাজুর (২৩) প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ২০১৩ সালের ২৫ অক্টোবর তারা পালিয়ে যান। এরপর নীপা রানী রায় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে ও মোছা. হোসনে আরা বেগম লাইজু নাম নেন। নীলফামারী নোটারি পাবলিক ক্লাবের মাধ্যমে অ্যাভিডেভিটে দুই লাখ ১ হাজার ৫০১ টাকা দেনমোহরে হুমায়ুন ফরিদ লাজুকে বিয়ে করেন তিনি। এরপর তারা স্বামী-স্ত্রী হিসেবে বসবাস করে আসছিলেন। এ অবস্থায় মেয়েটির বাবা অক্ষয় কুমার রায় ২০১৩ সালের ২৮ অক্টোবর বাদী হয়ে নীলফামারী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতে একটি অপহরণ মামলা দায়ের করে। মামলার পর তারা স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ের সব কাগজপত্রসহ আদালতে হাজির হয়ে জবানবন্দি দেন। পরে আদালত সার্বিক বিবেচনায় অপহরণ মামলাটি খারিজ করে দেন। পরে ২০১৪ সালের ১৫ জানুয়ারি লাইজুর স্বামী হুমায়ূন ফরিদ ওরফে লাজু ইসলাম বিষপান করে আত্নহত্যা করেন। লাজুর আত্নহত্যার বিষয়টি আদালতে উপস্থাপন করে লাইজুর বাবা তাকে নিজের জিম্মায় নিতে আদালতে আবেদন করেন। আদালত তা মঞ্জুর করলে ২০১৪ সালের ১৬ জানুয়ারি মেয়েকে নিয়ে বাবা তার বাড়িতে চলে যান। তবে মেয়েকে অপ্রাপ্তবয়স্ক ও মস্তিস্ক বিকৃতি (পাগল) দাবি করে আদালতে দায়ের করা মামলাটি চলমান থেকে যায়। ২০১৪ সালের ১০ মার্চ কীটনাশক পান করে আত্মহত্যা করেন নীপা। পরে ডোমার থানা পুলিশ হাসপাতাল থেকে মেয়েটির লাশ উদ্ধার করে নীলফামারী জেলার মর্গে নিয়ে ময়নাতদন্ত করে। এরপর পুত্রবধূ দাবি করে তার শ্বশুড় জহুরুল ইসলাম ইসলামী শরিয়ত মোতাবেক নীপার দাফন ও মেয়েটির বাবা অক্ষয় কুমার রায় হিন্দু শাস্ত্র অনুসারে মেয়ের সৎকারের জন্য নীলফামারী জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে আবেদন করেন। আদালতে উভয়পক্ষের শুনানি নিয়ে লাইজুর লাশ তার শ্বশুরের কাছে হস্তান্তরের নির্দেশ দেন। ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের এই আদেশের বিরুদ্ধে লাইজুর বাবা আপিল করেন। এরপর জজ আদালত লাইজুর লাশ তার বাবার কাছেই হস্তান্তরের নির্দেশ দেন। কিন্তু সেই আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আবেদন করেন তার শ্বশুর। বৃহস্পতিবার সেই আবেদনের নিষ্পত্তি করে আদালত আদেশ দেন। একে// এআর

বাল্য বিয়ে ভাঙতে থানায় কিশোরী

নিজের বিয়ে ভাঙতে বাড়ি থেকে পালিয়ে থানায় গিয়ে অভিযোগ করেছে সাগরিকা নামে এক কিশোরী। অভিযোগকারী ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী। বিষয়টি আমলে নিয়ে পুলিশ ওই ছাত্রীর বাবা ও খালুকে ডেকে লিখিত মুচলেকা নিয়েছে। সোমবার ভোরে বাড়ি থেকে পালিয়ে রংপুরে গিয়ে থানায় অভিযোগ করে সাগরিকা। সে রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার বেইলি ব্রিজ এলাকার আলম মিয়ার মেয়ে। আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন “ভলান্টিয়ার সার্ভিস ওভারসিসের” (ভিএসও) কর্মী ফুয়াদ হাসান জানান, সাগরিকার মা-বাবা গাজীপুরের শ্রীপুর এলাকায় পোশাক কারখানায় কাজ করেন এবং সাগরিকা সেখানকার একটি স্কুলে ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়াশোনা করছে। ছয়দিন আগে সাগরিকার খালু রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার বেইলি ব্রিজ এলাকার জহুরুল হক তাকে গ্রামে নিয়ে এসে একই এলাকার এক ছেলের সঙ্গে বিয়ের কথা চূড়ান্ত করলে তিনদিন আগে পারিবারিকভাবে সাগরিকাকে আংটিও পরানো হয়। আজ মঙ্গলবার বিয়ের কাজ সম্পন্ন করতে আয়োজন শুরু করেছিলেন জহুরুল হক। কিন্তু কম বয়সে বিয়ে করতে রাজি নয় সাগরিকা। তাই গতকাল সোমবার ভোরে বাড়ি থেকে পালিয়ে রংপুরে এসে ওই ছাত্রী শহরের কেরানিপাড়ায় ঘোরাঘুরি করার সময় স্থানীয় এক ব্যক্তি তার পরিচয় জানতে চাইলে সে সব খুলে বলে। পরে ওই ব্যক্তি দুপুর আড়াইটার দিকে তাকে কোতোয়ালি থানার গেটে পৌঁছে দেন। পরে থানা থেকে তার বাবা, খালু ও স্থানীয় ইউপি সদস্যের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদেরকে থানায় নিয়ে এসে রাত ১১টার দিকে মুচলেকা নেওয়া হয়। এবং পরে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। কোতোয়ালি থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাবুল মিঞা জানান, ছয় বছরের আগে বিয়ে না দেওয়ার শর্তে অভিভাবকদের কাছ থেকে লিখিত নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। একে// এআর

বৈশাখ উপলক্ষে বাড়ছে পাল সম্প্রদায়ের ব্যস্ততা (ভিডিও)

পহেলা বৈশাখকে সামনে রেখে গাইবান্ধার পাল পাড়ায় পুরোদমে চলছে মাটির খেলনাপাতি তৈরির কাজ। বাহারি খেলনায় রঙ্গিন হয়ে উঠেছে পাল পাড়ার সব উঠোন। ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন কোচাশহরের পাল সম্প্রদায়। গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের কোচাশহর, সুন্দরগঞ্জের কঞ্চিবাড়ী ও সিচাসহ কয়েকটি গ্রামের পাল সম্প্রদায়ের অনেক মানুষই মাটি দিয়ে খেলনা ও ঘর সাজানোর বিভিন্ন উপকরণ তৈরি করেন। আকর্ষণীয় হওয়ায় মাটির তৈরি জিনিসের চাহিদাও বেশ। নববর্ষকে সামনে রেখে রং-বেরঙের খেলনা আর শৌখিন সামগ্রীতে ভরে উঠেছে পাল পাড়ার সব উঠোন। বাড়তি রোজগারে খুশি কারিগররাও। ফুটপাত ও বাজারে মাটির তৈরি খেলনাপাতি ও বাঁশিসহ নানা সামগ্রী সাজিয়ে বসেছেন দোকানিরা। এদিকে, নববর্ষ উদ্যাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন সাংস্কৃতিক কর্মীরাও। সকল শ্রেণী-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে আনন্দময় হয়ে উঠবে নববর্ষ উদযাপন, এমনটাই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।

যাত্রার সুদিন ফেরাতে নতুন উদ্যোগ [ভিডিও]

যাত্রা বাংলার লোকনাট্যের উল্লেখযোগ্য শাখা, বাঙালী সংস্কৃতি আর বিনোদনের অন্যতম অনুসঙ্গ। আকাশ সংস্কৃতির আগ্রাসন ও একশ্রেণীর মানুষের বিরোধীতার মুখে ক্রমেই হারিয়ে যেতে থাকে গ্রামীণ এই শিল্প। অপশক্তির কালো মেঘ সরিয়ে ঐতিহ্যবাহী এই শিল্পের পুণর্জাগরণে উদ্যোগ নিয়েছেন নীলফামারীর যাত্রাশিল্পীরা। গ্রামগঞ্জে পরিবারের সবাই মিলে রাতভর যাত্রা দেখার রেওয়াজ বেশ পুরনো। আশ্বিন-কার্তিক মাস থেকে শুরু করে চৈত্রের শেষ পর্যন্ত গ্রাম বাংলায় যাত্রা পরিবেশনের সময়। তবে আকাশ সংস্কৃতির আগ্রাসন আর অপশক্তির ছায়ায় ক্রমেই হারিয়ে যেতে বসেছে বাংলা সংস্কৃতির উল্লেখযোগ্য এই অনুসঙ্গ। সেই রাহুগ্রাস থেকে মুক্ত করে যাত্রার সুদিন ফিরিয়ে আনতে কাজ করছেন নীলফামারীর কয়েকজন শিল্পী। এই উদ্যোগে দর্শকের সাড়া অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে আয়োজকদের। নির্বিঘ্নে যাত্রা পরিবেশনে প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছেন মালিকরা। আর যাত্রা দলগুলোকে নিবন্ধনের আওতায় আনার কথা জানিয়েছেন সংস্কৃতিমন্ত্রী। নীলফামারীর এই শিল্পীদের হাত ধরে ফিরবে যাত্রা শিল্পের সুদিন- এমন প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।   ভিডিও:

ভুয়া শিক্ষা প্রকল্প দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ(ভিডিও)

ভুয়া শিক্ষা প্রকল্প দেখিয়ে কুড়িগ্রামে কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে আশার আলো পল্লী উন্নয়ন সংস্থা নামের একটি বেসরকারি সংস্থার বিরুদ্ধে। শিশুদের জন্য দেড় শতাধিক স্কুল নির্মাণ, শিক্ষক নিয়োগসহ নানা কায়দায় নেয়া হয়েছে এই টাকা। প্রতারক চক্রটিকে আইনের আওতায় আনার দাবী ভুক্তভোগীদের। ঝরে পড়া শিশুদের শিক্ষার কথা বলে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় স্বপ্ন ফাউন্ডেশন নামে প্রায় দেড় শতাধিক স্কুল প্রতিষ্ঠা করে আশার আলো পল্লী উন্নয়ন সংস্থা। প্রতিটি স্কুলে নিয়োগ দেয়া হয়, একজন প্রধান শিক্ষক, চারজন সহকারি শিক্ষক এবং একজন আয়া। অভিযোগ আছে, এসব নিয়োগে ১০ থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ লেনদেনের। আবার ‘স্বপ্ন ফাউন্ডেশন এন্ড বুটিক হাউস’ নামে বিচিত্র প্রতিষ্ঠানের প্যাডে দেয়া হয়েছে এই শিক্ষক নিয়োগ। যার ঠিকানা, ঢাকার উত্তরা। শিক্ষার্থীদের টিফিন, উপবৃত্তি, বই ও পোষাক দেবার কথা থাকলেও তা দেয়া হয়েছে নামেমাত্র। এসব অভিযোগের বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে, স্কুলের ফার্নিচার বাবদ অনেকের কাছ থেকে টাকা নেবার কথা স্বীকার করেন সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক।   ঝড়ে পড়া শিশুদের জন্য শিক্ষা প্রকল্প হলেও এ বিষয়ে অবহিত করা হয়নি খোদ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদপ্তরকে। প্রাথমিকভাবে ঘটনার সত্যতা প্ওায়ায় সংস্থাটির উর্ধ্বতন কর্মকতাদের তলব করেছে স্থানীয় প্রশাসন। নিদের্শ দেয়া হয়েছে সব কার্যক্রম বন্ধের । উন্নয়ন কর্মকান্ডের নামে বেসরকারি সংস্থার প্রতারণার বিচার চান ভুক্তভোগীরা।

রথিশ হত্যায় স্ত্রী জড়িত : র‌্যাব প্রধান

রংপুরে নিখোঁজ থাকা আইনজীবী রথিশ চন্দ্র ভৌমিক ওরফে বাবু সোনাকে তার স্ত্রী রিতা ভৌমিকের সহযোগিতায় হত্যা করা হয় বলে জানিয়েছেন র‌্যাবের মহপরিচালক বেনজির আহমেদ। ২৯ মার্চ রাতেই তাকে হত্যা করা হয় বলেও জানান তিনি। আজ  রংপুরে র‌্যারে পক্ষ থেকে  আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানিয়েছেন। এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বাবু সোনার স্ত্রী রিতা ভৌমিক ও তার এক সহযোগী জড়িত ছিলো বলে জানান তিনি।  র‌্যাব প্রধান বলেন,  প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক অশান্তি, বিদ্বেষ ও অবিশ্বাস থেকেই রংপুরের বিশেষ পিপি রথিশকে হত্যা করা হয়েছে। এর পেছনে ছিল তার স্ত্রী রিতা ভৌমিকের ‘পরকীয়া কর্মকাণ্ড। তিনি জানান, আটকের পর রথিশের স্ত্রী রিতা ভৌমিককে জিজ্ঞাসাবাদ করে আমরা জানতে পেরেছি, দুই মাস আগেই তাকে হত্যার পরিকল্পনা করেছিল তারা। তবে নানা কারণে সেটা তখন সম্ভব হয়নি। রিতা ভৌমিকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাতে রথিশের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। র‌্যাবর মহাপরিচালক জানান, এখন আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে গ্রেফতারকৃতদের বিচারের মুখোমুখি করা। এ ব্যাপারে তদন্ত হবে। তদন্ত হলেই আমরা বিষয়টি সম্পর্কে ভালোভাবে জানতে পারবো। এর আগে মঙ্গলবার (৩ এপ্রিল) দিবাগত রাত ২টার দিকে রিতা ভৌমিক ও তার ‘প্রেমিক’ কামরুল ইসলাম জাফরীকে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে রংপুর নগরীর তাজহাট মোল্লাপাড়ার একটি নির্মাণাধীন বাড়ি থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় রংপুরের বিশেষ পিপি রথিশ চন্দ্র ভৌমিক ওরফে বাবু সোনার লাশ উদ্ধার করে র‌্যাব। লাশটি রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। / এআর/  

রংপুরের বিশেষ পিপি রথীশ চন্দ্রের মৃতদেহ উদ্ধার(ভিডিও)

নিখোঁজের ৫দিন পর রংপুরের বিশেষ পিপি রথীশ চন্দ্র ভৌমিকের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তাজহাট মোল্লাপাড়ার একটি নির্মানাধীন বাসা থেকে তার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে রথীশ চন্দ্রের স্ত্রী দীপা ভৌমিক ও তার কথিত প্রেমিক কামরুল ইসলামকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। বুধবার রাত ২টার দিকে রংপুর নগরীর তাজহাট মোল্লাপাড়ার একটি নির্মানাধীন বাসা থেকে রথীশ চন্দ্র ভৌমিকের বস্তাবন্দী মৃতদেহ উদ্ধার করে র‌্যাব। পায়ের জুতা দেখে মৃতদেহ সনাক্ত করেন তার ছোটভাই সুশান্ত ভৌমিক। এর আগে মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে রথীশ ভৌমিকের স্ত্রী দীপাকে আটক করে র‌্যাব। জিজ্ঞাসাবাদে সে স্বীকার করে, তার স্বামীর মৃতদেহ কামরুল ইসলাম জাফরীর বড় ভাই খাদেমুল ইসলামের নির্মানাধীন বাসায় আছে। পুলিশ জানায়, দীপা ও তার কথিত প্রেমিক কামরুল দুজনেই তাজহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। তাদের পরকীয়ার বলি হয়েছেন রথীশ চন্দ্র ভৌমিক। গত ৩০ মার্চ থেকে আইনজীবী রথীশ চন্দ্র ভৌমিক নিখোঁজ হন। পরের দিন নগরীর রাধাবল্লভ এলাকা থেকে দীপার প্রেমিক কামরুলকে আটক করে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে কামরুল।

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি