ঢাকা, বুধবার   ০১ এপ্রিল ২০২৬,   চৈত্র ১৮ ১৪৩২

টাঙ্গাইল-বি.বাড়িয়ায় দেড় হাজার মন্ডপে হবে দুর্গোৎসব 

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ০৩:৪০ পিএম, ১৭ অক্টোবর ২০২০ শনিবার

ঢাকার কাছের দুই জেলা টাঙ্গাইল ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এ বছর দুর্গোৎসব হবে দেড় হাজারের বেশি মন্ডপে। এর মধ্যে টাঙ্গাইলে হাজারের বেশি আর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৫৬৬টি। করোনার কারণে দেরিতে পূজা উদযাপনের সিদ্ধান্ত হওয়ায় কাজের চাপ বেড়েছে প্রতিমা কারিগরদের। 

তবে টাঙ্গাইলের প্রতিমা শিল্পীরা এবার মন্দির-মন্ডপে না গিয়ে প্রতিমা তৈরি করছেন নিজদের বাড়িতে। করোনার কারণে প্রতিমার কাজও কম বলে জানান তারা। 

সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, টাঙ্গাইলের প্রতিমা শিল্পীরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। জেলার ১২ উপজেলায় এবার পূজা উদযাপন হবে এক হাজারের বেশি মন্ডপে। ব্যস্ত শিল্পীরা সজ্জিত করছেন দেবী দুর্গার পুরো পরিবারকে।   

জেলার প্রতিমা শিল্পীরা বলেন, ‘করোনার কারণে গতবারের তুলনায় এবার কাজ তেমন একটা নেই। মূর্তির দামও কম।’

জেলার প্রতিটি পূজা মন্দিরে শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ কুমার গুন ঝন্টু। 

তিনি বলেন, ‘সার্বিক পরিস্থিতি এখনও ভাল। আশা রাখি প্রতিবছরের ন্যায় এবারও খুব সার্থক শারদীয় দুর্গোৎসব পালন হবে।’

এদিকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৯টি উপজেলায় ৫৬৬টি পূজা মন্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। করোনার কারণে প্রথমে ঘট পূজার সিদ্ধান্ত থাকলেও, পরে সিদ্ধান্ত বদলায় পূজা উদযাপন পরিষদ। এতে করে প্রতিমা শিল্পীদের কাজের চাপ বাড়ে। 

প্রতিমা শিল্পীরা বলেন, ‘রাতদিন পরিশ্রম করে প্রতিমা তৈরি করা হচ্ছে। তবে করোনার কারণে আগের তুলনায় কাজ অনেক কম।’ 

জানতে চাইলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পূজা উদযাপন পরিষদের সহ-সভাপতি প্রনব কুমার দাস উত্তম বলেন, ‘হ্যান্ড স্যানিটাইজার কাছে রাখা, নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা ও মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে এবারের পূজা উদযাপন করা হবে।’

পূজা উপলক্ষে সার্বিক নিরাপত্তা  প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুর রহিম। তিনি বলেন, ‘পূজা আয়োজক সংশ্লিষ্ট সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মানার ব্যাপারে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।’

এআই/এমবি