ধলেশ্বরী ব্রিজে ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন (ভিডিও)
একুশে টেলিভিশন
প্রকাশিত : ০৪:০৫ পিএম, ৬ নভেম্বর ২০২০ শুক্রবার
প্রায়ই বন্ধ থাকে পরিবহন চলাচল। মাঝেমধ্যেই সরে যায় ব্রিজের পাটাতন। এভাবেই ঝুঁকি নিয়ে চলছে সব ধরণের যান। এতে করে ঘটছে দুর্ঘটনাও। এমনই অবস্থা রাজধানী সংলগ্ন কেরাণীগঞ্জের ধলেশ্বরী ব্রিজের।
জানাযায়, বুড়িগঙ্গার বুকে বুদ্ধিজীবী ব্রিজ নির্মাণের আগে রাজধানীর সঙ্গে সহজ যোগাযোগ গড়তে স্টিল কাঠামোতে তৈরি হয়েছিল হযরতপুর সেতু। তাও উনিশ বছর আগে। এরপর হয়েছে শুধু সংস্কার। বেড়েছে ঝুঁকি, ঘটেছে বহু দুর্ঘটনা। তারপরও থেমে নেই সব ধরণের চলাচল।
স্থানীয়রা বলছেন, ‘হেমায়েতপুর থেকে চট্টগ্রাম রোডে যেসব গাড়ি যায়, সেগুলো এই ব্রিজের উপর দিয়ে চলে। ফলে প্রতিনিয়ত যানবাহন চলাচলের কারণে ব্রিজটি অকেজো হয়ে গেছে। জরুরি ভিত্তিতে ব্রিজটি সংস্কার করে ভাল একটি ব্রিজ নির্মাণ করা দরকার। তাহলে আমাদের জন্য অনেক ভাল হয়।’
তারা বলেন, ‘প্রায় সময় দুর্ঘটনা ঘটে। বিশেষ করে দুটি গাড়ি একসঙ্গে পারাপার হতে পারে না। এমনকি এ নিয়ে মারামারির ঘটনাও ঘটে।’
চালকরা বলছেন, ‘ব্রিজটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় অত্যান্ত ধীরে চলতে হয়। ফলে গোটা রাস্তায় জ্যাম বাঁধে।’
শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘স্কুল চলাকালে যানবাহনের চাপ বেশি থাকায় ব্রিজটি পার হতে অনেক ভয় লাগে। অনেক সময় দীর্ঘ যানজটের কারণে স্কুলে যেতে দেরি হয়।’
ব্রিজটি এখন চরম দুর্ভোগের আরেক নাম। পাশাপাশি দুটি যান চলতে পারে না। ঘণ্টার পর ঘণ্টা তাই জটের ধকল সইতে হয় যাত্রী ও চালকদের।
‘স্থানীয় কয়েকজন ভুক্তভোগী বলেন, ‘আগে বাবুবাজার, পোস্তগলা ও বসিলা ব্রিজ ছিল না। নতুন করে ব্রিজগুলো হওয়ায় সবধরনের গাড়ি এই ব্রিজ দিয়ে চলে। ব্রিজটি অপ্রশস্ত, অথচ ব্রিজটি দিয়ে প্রতিদিন কয়েক হাজার গাড়ি চলাচল করে।’
তারা বলেন, ‘উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের গাড়িও এই রাস্তা দিয়েই যায়। ফলে প্রতিদিনই প্রায় ছোট-বড় দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে মানুষ। বিশেষ করে শিশুদের নিয়ে পার হতে খুব কষ্ট হয়। ব্রিজটির সঙ্গে অর্থনৈতিক উন্নতিও জড়িত। তাই, অতিদ্রুত নতুন করে একটি ব্রিজ নির্মাণ করা দরকার।’
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে কেরাণীগঞ্জ উপজেলার চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ বলেন, ‘এ রাস্তা সাভার, মাওয়া ও পদ্মা সেতু হয়ে খুলনার সাথে সংযোগ হবে। এর মধ্যে মাওয়ার সাথে চার লেনের রাস্তা তৈরি হবে। নতুন করে ব্রিজটিও হবে চার লেনের। চলতি বছরের ডিসেম্বরের দিকে এটির টেন্ডার হতে পারে। কাজ শুরু হবে নতুন বছরের শুরুতেই।’
এআই/এসএ/
