ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ০২ এপ্রিল ২০২৬,   চৈত্র ১৮ ১৪৩২

ভিডিও দেখুন

যমুনার ভাঙনে সহায়-সম্বল হারিয়ে নিঃস্ব অনেক পরিবার

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

প্রকাশিত : ১০:৫৬ এএম, ৯ নভেম্বর ২০২০ সোমবার

যমুনার ভাঙনে মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাচ্ছে টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার দপ্তিয়র ও সলিমাবাদ ইউনিয়ন। অব্যাহত ভাঙনে বাড়িঘর, ফসলি জমি আর সহায়-সম্বল হারিয়ে অনেক পরিবার এখন নিঃস্ব। ভাঙন রোধে প্রকল্প প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

গেলো বর্ষায় কয়েক দফা বন্যার পর তীব্র হয়েছে যমুনার ভাঙন। নদীর কোল ঘেঁষে নাগরপুর উপজেলার দপ্তিয়র ও সলিমাবাদ ইউনিয়ন। আর এই দুই ইউনিয়নের নিশ্চিন্তপুর, বাজারটেক, বাককাটারি, ফয়েজপুর, সিটকিবাড়ি-সহ প্রায় সব গ্রামই ভাঙনকবলিত।

এরই মধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে স্কুল-মাদ্রাসা, উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র, রাস্তাঘাট, হাট-বাজারসহ বিভিন্ন স্থাপনা। কয়েকবার সরিয়েও শেষরক্ষা না হওয়ায় ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি হারিয়ে মানবেতর দিন কাটাচ্ছে পরিবারগুলো।

এলাকাবাসীরা জানান, কৃষিই আমাদের একমাত্র নির্ভর। আমাদের সব জমিজমা এই যমুনা নদীতে ভেঙ্গে গেছে। যদি যমুনা নদীর তীরে টেকসই বেড়িবাঁধ দেওয়া না হয় তাহলে আমাদের বসতভিটা যা আছে তাও নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে।

বার বার বন্যার কারণে ভাঙন তীব্র হয়েছে জানিয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে, স্থায়ী ব্যবস্থা নিতে প্রকল্প প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

টাঙ্গাইল পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, এডিবির যে লোন এগ্রিমেন্ট, সেটার যদি সব ঠিকঠাক থাকে আমরা আশা করি খুব শীঘ্রই দরপত্রের মাধ্যমে উক্ত ভাঙ্গনকবলিত এলাকাগুলো রক্ষা করতে পারবো।

এদিকে, দপ্তিয়র ও সলিমাবাদ ইউনিয়ন রক্ষায় বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন-সমাবেশ কর্মসূচি পালন করেছেন এলাকাবাসী। ভাঙন রোধে কার্যকর উদ্যোগের দাবি তাদের।

এএইচ/ এসএ/