ঢাকা, মঙ্গলবার   ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১,   আশ্বিন ১৩ ১৪২৮

বেনাপোলে ভায়াগ্রার চালান আটক

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ১১:৪৬ পিএম, ২৩ জুন ২০২১ বুধবার

যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর থেকে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা ২৬ কেজি ভায়াগ্রার একটি চালান আটক করেছে কাস্টমস সদস্যরা। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কারও বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।

বুধবার (২৩ জুন) দুপুরে বেনাপোল বন্দরের উপ-পরিচালক (ট্রাফিক) মামুন কবীর তরফদার ভায়াগ্রা চালান আটকের তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, কাস্টমস এ সংক্রান্ত একটি চিঠি তাদের দিয়ে পণ্য চালানটি নিজেদের জিম্মায় নিয়েছেন। পরবর্তী ব্যবস্থা তারা গ্রহণ করবেন। 

এর আগে গত ২০ জুন বিকেলে বেনাপোল বন্দরের ৪২ নাম্বার পণ্যগার থেকে ভায়াগ্রার চালানটি জব্দ করে কাস্টমস সদস্যরা। দু'দিন ল্যাবে পরীক্ষা শেষে প্রাথমিক পরীক্ষায় ভায়াগ্রা নিশ্চিত হয় কাস্টমস সদস্যরা।

মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে ভায়াগ্রা আমদানি করেন যশোরের মামনি এন্টারপ্রাইজ। পণ্যটি বন্দর থেকে ছাড় করানোর চেষ্টা করছিলেন বেনাপোলের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট আমিন ইমপোর্টস অ্যান্ড এক্সপোর্টস।

বেনাপোল কাস্টম হাউসের উপ-কমিশনার অনুপম চাকমা জানান, গত ৩১ মে আমদানিকারক মটরপার্টস অ্যান্ড আদার্স ঘোষণায় ভারত থেকে ৩০১ প্যাকেজ পণ্য আমদানি করে বেনাপোল বন্দরের ৪২ নাম্বার পণ্যগারে রাখেন। পরবর্তীতে পরীক্ষায় দেখা যায়, ৩০১ প্যাকেজের মধ্যে ১১৪ নাম্বার প্যাকেজে পাউডার জাতীয় পণ্য ২৬.২১ কেজি রয়েছে। পরে সেটি কাস্টম হাউজের রাসায়নিক পরীক্ষাগারে নমুনা পরীক্ষা করে প্রাথমিকভাবে ভায়াগ্রা শনাক্ত হয়। আমদানিকৃত পণ্যটি যেহেতু আমদানি নিষিদ্ধ সেহেতু জনস্বার্থে নিরাপত্তার জন্য ৪২ নাম্বার পণ্যগার থেকে বন্দরের অনুমতি নিয়ে কাস্টমসের হেফাজতে রাখা হয়েছে। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন বলে জানান কাস্টমসের এই কর্মকর্তা।

জানা যায়, দুর্নীতিবাজ চোরাচালান ব্যবসায়ী সেজে দীর্ঘদিন ধরে বেনাপোল বন্দর দিয়ে বৈধ পথে মিথ্যা ঘোষণায় ভায়াগ্রা পাচার করে আসছে। এর আগে ২০১৯ সালের ২৪ জুলাই ২০০ কেজি ও একই সালের ৭ আগস্ট দুই হাজার ৫শ' কেজি ভায়াগ্রা পাউডারের আরও একটি চালান আটক করে বেনাপোল শুল্ক কর্মকর্তারা। যার বাজার মূল্য প্রায় ১৪ কোটি টাকা। তবে আমদানিকারকসহ সংশ্লিস্টদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা দুর্বল হওয়ায় বৈধ পথে থামেনি অবৈধ ভায়াগ্রা আমদানি। 
কেআই//