ঢাকা, শনিবার   ১৮ মে ২০২৪,   জ্যৈষ্ঠ ৪ ১৪৩১

ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছে একুশে টেলিভিশন পরিবার

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ০৮:৩৫ এএম, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ মঙ্গলবার

আজ মহান একুশে ফেব্রুয়ারি। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে পাকিস্তানি ঔপনিবেশিক শাসকের বুলেটের সামনে দাঁড়িয়ে যারা জীবন উৎসর্গ করেছেন, সেই মহান ভাষা শহিদদের বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করেছে একুশে টেলিভিশন পরিবার। 

একুশের প্রথম প্রহরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে শ্রদ্ধা জানিয়েছে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। 

একুশের প্রথম প্রহর ১২টা ১ মিনিটে প্রথমে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা। 

এরপর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে দলের সভাপতিকে সঙ্গে নিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, মতিয়া চৌধুরীসহ দলের  নেতৃবৃন্দ। 

এরপর শহিদ মিনারে ফুল দেন সেনাবাহিনীর প্রধান এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ, বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত, নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ শাহীন ইকবাল। 

এরপর আওয়ামী লীগসহ ১৪ দলের নেতারা, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ফজলে নূর তাপস, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকেরা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

একুশে টেলিভিশন পরিবারের পক্ষ থেকে শহীদ বেদিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। ফুলেল শ্রদ্ধা জানান ডেপুটি ম্যানেজার (প্রশাসন) জাকির হোসেন, সাংবাদিক কাজী ইফতেখারুল আলম তারেকসহ অন্যান্যরা। 

প্রথম প্রহরে শহীদদের শ্রদ্ধা জানান হুইলচেয়ারে করে আসা একদল যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা। এসময় আরও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মো. আখতারুজ্জামান। 

এছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সহযোগী সংগঠন, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ছাত্র, যুব, শ্রমিক, কৃষক সংগঠনের নেতা-কর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষ। শ্রদ্ধার  ফুলে ফুলে ছেয়ে যায় শহীদ মিনারের বেদি।

এদিকে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদনকে ঘিরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা দেয়ার কথা জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

উল্লেখ্য, ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে বাঙালির রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল রাজপথ। সেদিন ভাষা আন্দোলন দমন করতে তৎকালীন সরকার ঢাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে। কিন্তু মায়ের ভাষা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে ছাত্ররা ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে মিছিল করেন। সেই মিছিলে পাকিস্তানী সামরিক জান্তা গুলি চালায়। এতে শহীদ হন সালাম, রফিক, বরকত, জব্বারসহ আরও অনেকে। তাদের রক্তের দামেই আসে বাংলা ভাষার স্বীকৃতি। আর তার সিঁড়ি বেয়ে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত হয় স্বাধীনতা, যার নেতৃত্ব দেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
কেআই//