ঢাকা, মঙ্গলবার   ২৫ জুন ২০২৪,   আষাঢ় ১১ ১৪৩১

বিএনপির সঙ্গে সংলাপের কোন প্রয়োজন নেই: আইনমন্ত্রী (ভিডিও)

মুহাম্মদ নূরন নবী, একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ০১:০১ পিএম, ১৫ মে ২০২৩ সোমবার

নির্বাচন নিয়ে বিএনপির সঙ্গে সংলাপের কোন প্রয়োজন নেই। কারণ, স্বাধীন নির্বাচন কমিশনসহ রয়েছে সুষ্ঠু ভোট অনুষ্ঠানে আইন ও সব ধরণের অবকাঠামোগত সক্ষমতা। এমনটাই মনে করেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। 

একজন সাজাপ্রাপ্ত; অন্যজন পলাতক আসামি। বলতে গেলে, শীর্ষ নেতৃত্বে শক্ত অবস্থানে কেউ-ই নেই। দীর্ঘ সময় রাষ্ট্র ক্ষমতারও বাইরে। সরকার বিরোধী অন্দোলনের সব উদ্যোগই বুমেরাং হয়েছে। সেভাবে জনসম্পৃক্তাও খুব একটা দেখা যায়নি দলটির। 

সুনির্দিষ্ট কোন এজেন্ডা নেই আন্দোলনের। সব সময় চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার অসুস্থতা-বিদেশে চিকিৎসার ইস্যুকে পুঁজি করে রাজনৈতিক সুবিধা নেবার চেষ্টা করেছে দলটি। 

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা মহানুভবতায় বেগম খালেদার সাজা স্থগিত রেখে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। তাহলে আদালতের আইনবর্হিভূত এমন কিছু কাজ করলে আদালত অবমাননা করা হবে।”

এমনকি, অসম্মানজনক হলেও বিদেশী রাষ্ট্রের কূটনৈতিকদের কাছে ধর্ণা দিয়ে নির্বাচন নিয়ে ধোঁয়াশা সৃষ্টি করছে বারংবার। যা, দেশের জন্য অসম্মানের। 

আইনমন্ত্রী বলেন, “নির্বাচন এবং বাংলাদেশের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেবে দেশের জনগণ। বিদেশে বসে কেউ কথা বললে সেটা গ্রহণযোগ্য নয়। বাংলাদেশের জনগণকে অপমান করা হয়। এটা স্বাধীন দেশ এবং এই স্বাধীন বাংলাদেশের সব কিছু ব্যাপারে অভিমত ও মতামত দেবে এদেশের জনগণ।”

আইনমন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন ছিল, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা নিয়ে বিএনপি’র নেতাদের সংলাপের দাবি জোড়ালো হচ্ছে। এটা কতটা যৌক্তিক? 

আনিসুল হক বলেন, “নির্বাচন নিয়ে আলাপ করার আর কিছু তো নেই। আমরা মনে করি, বিএনপি যদি গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে তাহলে অবশ্যই গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠার পথ হচ্ছে নির্বাচন, তাহলে তারা নির্বাচনে আসবে। একসময়ে প্রধানমন্ত্রী বলার পর বিএনপি বলেছে তারাও শেখ হাসিনার সঙ্গে বসবেনা। আজকে এটা নিয়ে নতুন করে কথা বলার কিছু নাই। 

যদি দলটি গণতন্ত্রে প্রকৃত বিশ্বাস করে, জনগণের ওপর আস্থা থাকে তাহলে বিদ্যমান আইন ও নির্বাচন ব্যবস্থার বাইরে জাতীয় নির্বাচনের বিকল্প নেই বলেও স্পষ্ট করেছেন আইনমন্ত্রী। 

এএইচ