ঢাকা, শনিবার   ১৮ মে ২০২৪,   জ্যৈষ্ঠ ৪ ১৪৩১

বাবর-ওমরজাইর নৈপুণ্যে জয়ে ফিরলো রংপুর

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ০৯:০৯ এএম, ২৮ জানুয়ারি ২০২৪ রবিবার

পাকিস্তানী ব্যাটার বাবর আজমের হাফ-সেঞ্চুরি ও আফগানিস্তানের আজমতুল্লাহ ওমরজাইর অলরাউন্ড নৈপুণ্যে বিপিএলে জয়ের ধারায় ফিরলো রংপুর রাইডার্স। নিজেদের চতুর্থ ম্যাচে রংপুর ৭৯ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে দুর্দান্ত ঢাকাকে। ৪ ম্যাচে দ্বিতীয় জয় রংপুরের। তৃতীয় ম্যাচে টানা দ্বিতীয় হার ঢাকার।  

রংপুরের হয়ে বাবর ৬২ রান এবং ওমরজাই ১৫ বলে ৩২ রান করার পাশাপাশি ২ উইকেট নেন।

শনিবার রাতে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৩ ওভারে ২২ রানের সূচনা পায় রংপুর। এরমধ্যে ৩টি চার ও ১টি ছক্কায় ১৩ বলে ২০ রান করে পেসার তাসকিন আহেমেদের শিকার হন ক্যারিবিয়ান  ব্রান্ডন কিং।

পাওয়ার প্লেতে স্পিনার আরাফাত সানির প্রথম শিকার হয়ে ১১ রানে বিদায় নেন রনি তালুকদার। দলীয় ৪৭ রানে দ্বিতীয় উইকেট পতনের রংপুরের রানের চাকা ঘুড়িয়েছেন আরেক ওপেনার বাবর ও অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহান।  জুটিতে ৩৯ বলে ৫০ রান যোগ হবার পর সানির বলে বিদায় নেন ২৬ রান করা সোহান।

সোহানকে ফেরানোর ওভারেই আফগানিস্তানের মোহাম্মদ নবিকে ১ রানে থামান সানি। পঞ্চম উইকেটে ওমরজাইর সাথে ২১ বলে ৩৯ রান যোগ করার পথে হাফ-সেঞ্চুরি করেন ৪১ বল খেলা বাবর। শ্রীলংকার স্পিনার দানুষ্কা গুনাতিলকার বলে আউট হবার আগে ৫টি চার ও ১টি ছক্কায় ৪৬ বলে ৬২ রান করেন পাকিস্তানী এ তারকা ব্যাটার।

১৭তম ওভারে দলীয় ১৩৮ রানে বাবর ফেরার পর ঝড় তুলেন ওমরজাই ও শামিম হোসেন। মাত্র ১৪ বলে ৩৫ রান যোগ করে রংপুরকে ৮ উইকেটে ১৮৩ রানের সংগ্রহ এনে দেন তারা।

ওমরজাই ২টি চার ও ৩টি ছক্কায় ১৫ বলে ৩২ এবং শামিম ১টি করে চার-ছক্কায় ৮ বলে ১৭ রান করেন। একাদশে থাকলেও ব্যাটিং করেননি রংপুরের সাকিব আল হাসান।

ঢাকার সানি ৩২ রানে ৩ উইকেট নেন। 

১৮৪ রানের টার্গেটে সপ্তম ওভারে ৩২ রানেই ৪ উইকেট হারায় ঢাকা। ওপেনার গুনাতিলকাকে শূণ্য ও পাকিস্তানের সাইম আইয়ুবকে ১৭ রানে শিকার ফিরিয়ে দেন ওমরজাই। আরেক ওপেনার মোহাম্মদ নাইমকে ৯ রানে নবি এবং শ্রীলংকার লাসিথ ক্রসপুল্লিকে শূণ্যতে শিকার করেন মাহেদি।

পঞ্চম উইকেটে ৪২ বলে ৪৯ রানের জুটি গড়ে দলকে চাপমুক্ত করেন অস্ট্রেলিয়ার অ্যালেক্স রস ও অধিনায়ক মোসাদ্দেক হোসেন। ১৪তম ওভারে মোসাদ্দেককে ১৫ ও ইরফান শুক্কুরকে শূন্যতে ফিরিয়ে ঢাকাকে লড়াই থেকে ছিটকে দেন পেসার হাসান মাহমুদ।

সতীর্থদের ব্যর্থতার মাঝে লড়াকু হাফ-সেঞ্চুরির ইনিংস খেলেন রস। ৩৫ বলে ৫১ রান করেন তিনি। এরপর ২১ বল বাকী থাকতে ১০৪ রানে অলআউট হয় ঢাকা। 

রংপুরের মাহেদি ৩টি, ওমরজাই-হাসান ২টি এবং নবি-সাকিব ১টি করে উইকেট নেন।

ম্যাচ সেরা হয়েছেন বাবর আজম।

এএইচ