প্রাণের উচ্ছাসে, দাউদিয়ান্স একসাথে
দাউদ পাবলিক স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী
একুশে টেলিভিশন
প্রকাশিত : ১১:০৯ পিএম, ১১ জানুয়ারি ২০২৬ রবিবার
দাউদ পাবলিক স্কুল ও কলেজ, যশোরের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ৯ জানুয়ারি ২০২৬ (শুক্রবার) রাওয়া কনভেনশন হলে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘অ্যাঙ্কর পুনর্মিলনী’।
দীর্ঘ সময় পর স্কুলজীবনের স্মৃতিকে সঙ্গে নিয়ে আনন্দঘন পরিবেশে একত্রিত হন প্রাক্তন ছাত্র–ছাত্রীরা।
১৯৫৯ সালে যশোর সেনানিবাসে ‘চির উন্নত মম শির’—এই স্লোগানে প্রতিষ্ঠিত হয় দাউদ পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ। নার্সারি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত সহশিক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে ছেলে ও মেয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
পুনর্মিলনীতে দেখা হয়েছে, কথা হয়েছে, হয়েছে গল্প আর নতুন করে পরিচয়। স্মৃতিচারণে সবাই যেন ফিরে গিয়েছিলেন স্কুলজীবনের ফেলে আসা দিনগুলোতে।
এই পুনর্মিলনীর আহ্বায়ক ছিলেন এসএসসি ১৯৭৭ ব্যাচের ডা. ইসমাত আরা মেরী। এসএসসি ১৯৫৯ থেকে ২০২৫ ব্যাচ পর্যন্ত প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন। কোরআন তেলাওয়াত ও জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।
স্বাগত বক্তব্য দেন ১৯৭৯ ব্যাচের ডা. কাজী সাব্বির আনোয়ার। এরপর প্রয়াত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। ১৯৫৯ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত প্রতিটি ব্যাচের শিক্ষার্থীরা তাঁদের ব্যাচ পরিচিতি তুলে ধরেন।
স্মৃতিচারণ পর্বে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন অনেকেই। স্কুল ফাঁকি, ক্লাসের দুষ্টুমি, ‘নীল ডাইন’সহ নানা শাসনের স্মৃতি আজ যেন মধুর হয়ে ফিরে আসে সবার মানসপটে।
নামাজ ও মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পর অনুষ্ঠিত হয় র্যাফেল ড্র। ঢাকা–কক্সবাজার–ঢাকা ভ্রমণসহ নানা আকর্ষণীয় পুরস্কার ঘোষণা করা হয় টানটান উত্তেজনার মধ্য দিয়ে। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ১৯৮৯ ব্যাচের শান্তনু ইসলাম।
সবশেষে ১৯৭৯ ব্যাচের ফৌজিয়া বেগম মায়া সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
সারাদিনের নানা আয়োজন ও স্মৃতিচারণের মধুর অভিজ্ঞতা নিয়ে আবারও মিলিত হওয়ার স্বপ্ন বুকে ধারণ করে গোধূলী বেলায় বিদায় নেন অংশগ্রহণকারীরা। সবার মনে তখন একটাই সুর—
“বন্ধু, আবার দেখা হবে… কারণেই হোক, অকারণেই হোক।”
এমআর//
