ঢাকা, বুধবার   ১৪ জানুয়ারি ২০২৬,   পৌষ ৩০ ১৪৩২

ভারতের ভিসা পেলেন না পাক বংশোদ্ভূত যুক্তরাষ্ট্রের ক্রিকেটার আলি খান

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ০৯:১১ পিএম, ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ মঙ্গলবার | আপডেট: ০৯:১৩ পিএম, ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ মঙ্গলবার

আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগেই তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। বিশ্বকাপে ভারতে খেলতে যাওয়ার আগে পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় দলের ক্রিকেটার আলি খানের ভিসার আবেদন খারিজ করেছে ভারত সরকার।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) ভারতীয় গণমাধ্যম ‘আনন্দবাজার পত্রিকা’ এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রতিবেদনের শিরোনাম দেওয়া হয়— ‘টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নতুন বিতর্ক! ভারতের ভিসা পেলেন না পাক বংশোদ্ভূত ক্রিকেটার আলি খান’।

প্রতিবেদনে বলা হয়, আলি খানের ভিসার আবেদন কেন খারিজ করা হয়েছে—এ বিষয়ে ভারত সরকার কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) থেকেও এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে ক্রিকেটার আলি খান নিজেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি জানিয়েছেন। ইনস্টাগ্রামে দেওয়া একটি স্টোরি পোস্টে তাকে একটি দোকানে বসে খাবার খেতে দেখা যায়। ছবির ওপর লেখা ছিল— ‘ভারত ভিসা দিল না, কিন্তু জেতার জন্য কেএফসি।’

জানা গেছে, পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের অ্যাটক শহরে আলি খানের জন্ম। যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে তিনি ১৫টি ওয়ানডে ও ১৮টি টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তার মোট উইকেট সংখ্যা ৪৯। তিনি ২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দলেও ছিলেন। গ্রুপ পর্বে ভারত ও পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচে তিনি যথাক্রমে ঋষভ পন্থ ও ফখর জামানের উইকেট নেন।

বিশ্বকাপের জন্য যুক্তরাষ্ট্র এখনো চূড়ান্ত দল ঘোষণা করেনি। তবে সম্ভাব্য দলে উইকেটরক্ষক সায়ন জাহাঙ্গির, বোলার এহসান আদিল ও মোহাম্মদ মহসিনের নাম আলোচনায় রয়েছে। তারা ভারতীয় ভিসা পেয়েছেন কি না, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের গ্রুপে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি মুম্বইয়ে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে তারা। এরপর নেদারল্যান্ডস ও নামিবিয়ার বিপক্ষে খেলবে যুক্তরাষ্ট্র।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, নিয়ম অনুযায়ী প্রথমবার ভিসার আবেদন খারিজ হলে দ্বিতীয়বার আবেদন করার সুযোগ থাকে। আলি খানের দ্বিতীয় আবেদন খারিজ হয়েছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য নেই। তবে দ্বিতীয়বারও আবেদন নাকচ হলে তিনি যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সহায়তা চাইতে পারেন। প্রয়োজনে মার্কিন সরকার বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করতে পারে।

এমআর//