ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ১৫ জানুয়ারি ২০২৬,   মাঘ ১ ১৪৩২

মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেন সাংবাদিক নঈম নিজামসহ ৩ জন

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ০৮:৪৭ পিএম, ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ বুধবার

দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনের সাবেক সম্পাদক নঈম নিজাম, পত্রিকাটির প্রকাশক ময়নাল হোসেন চৌধুরী ও বাংলা ইনসাইডারের প্রধান সম্পাদক সৈয়দ বোরহান কবীরের বিরুদ্ধে দায়ের করা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলা  থেকে তাদেরকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ সাইদুর রহমান গাজী এ আদেশ দেন। 

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. জুয়েল মিয়া জানান, আসামিদের বিরুদ্ধে যে ধারায় এ মামলা করা হয়েছিল, সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশে সেই ধারাগুলো অন্তর্বর্তী সরকার বাতিল করেছেন। এজন্য আদালত তাদের বিরুদ্ধে করা মামলা বাতিল করে অব্যাহতির আদেশ দিয়েছেন।

এর আগে গত বছরের ২৮ আগস্ট এ মামলায় নঈম নিজাম ও বোরহান কবীরকে আদালতে হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ দিয়েছিল একই ট্রাইব্যুনাল। ওইদিন বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকার প্রকাশক ময়নাল হোসেন চৌধুরী আদালতে হাজির হয়ে জামিন নিয়েছিলেন।

এরও আগে গত বছরের ২৭ জুলাই এই তিন আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০২২ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি নঈম নিজামসহ সাত জনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেছিলেন ব্যারিস্টার এম সারোয়ার হোসেন। ওই সময় সাইবার ট্রাইব্যুনাল মামলাটি গ্রহণ করে অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেয় সিআইডি পুলিশকে। তদন্ত শেষে সিআইডি পুলিশের উপপরিদর্শক তরিকুল ইসলাম ২০২৪ সালের ২০ নভেম্বর তিন জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দাখিল করেন। 

মামলায় আরও যাদের আসামি করা হয় তারা হলেন- ওয়েবসাইট ভাইরাল প্রতিদিনের অ্যাডমিন, বর্ণনাকারী, ভিডিও প্রস্ততকারী ও টেকনিশিয়ান। 

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২১ সালের ৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকায় ‘নুসরাতকে দিয়ে বিচ্ছু সামশু সিন্ডিকেটের ফের ষড়যন্ত্রমূলক মামলা’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করা হয়। তা অনলাইনেও দেওয়া হয়।

প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়, নুসরাতের আইনজীবী হলেন ব্যারিস্টার এম সারোয়ার হোসেন। একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার সঙ্গে ব্যারিস্টার এম সারোয়ারের জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। তিনি রাষ্ট্রবিরোধী গুজব ও অপপ্রচারকারী চক্রের অন্যতম হোতা। তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র এবং নাশকতার একাধিক মামলা রয়েছে। মুনিয়া ইস্যু নিয়ে তারা এর আগেও রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছিলেন।

এছাড়াও আসামিরা ব্যারিস্টার সরোয়ারকে একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার হোতা হিসেবে উল্লেখ করে সেসব তথ্য ফেসবুকে ছড়িয়ে দেন৷  মামলায় সারোয়ার বলেছেন, তিনি নুসরাতের আইনজীবী নন। নুসরাতের মামলার নারাজি আবেদনের শুনানিতে অংশ নিয়েছিলেন।

এমআর//