৩৫০ যাত্রী নিয়ে ফিলিপাইনে ফেরি ডুবি, ১৫ মরদেহ উদ্ধার
একুশে টেলিভিশন
প্রকাশিত : ১০:৩৪ এএম, ২৬ জানুয়ারি ২০২৬ সোমবার | আপডেট: ১০:৪২ এএম, ২৬ জানুয়ারি ২০২৬ সোমবার
ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ বাসিলানে ৩৩২ জন যাত্রী এবং ২৭ জন ক্রুসহ একটি ফেরি ডুবে গেছে। এ ঘটনায় ১৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং এখনও নিখোঁজ আছেন কমপক্ষে ৪৩ জন।
সোমবার কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আলজাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।
এর আগে রোববার দিবাগত মধ্যরাতের পর জাম্বোয়াঙ্গা থেকে দক্ষিণ সুলুর জোলে দ্বীপের দিকে যাওয়ার পথে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ফিলিপিন্সের কোস্টগার্ড (পিসিজি) জানিয়েছে, জাম্বোয়াঙ্গা ছেড়ে যাওয়ার প্রায় চার ঘণ্টা পর বিপদ সংকেত জারি করে ফেরিটি।
জীবিত অবস্থায় এ পর্যন্ত উদ্ধার করা হয়েছে ১৩৮ জনকে উদ্ধার করেছেন কোস্টগার্ড বাহিনীর ডুবুরিরা। বাসিলানের মেয়র আরসিনা লাজা কাথিং নানোহ এবং ফিলিপাইন কোস্টগার্ড বাহিনীর বাসিলান শাখার বরাতে জানা গেছে এসব তথ্য।
প্রাথমিকভাবে বেঁচে যাওয়া অনেককে উদ্ধার করে নিকটবর্তী বালুক-বালুক দ্বীপে নিয়ে যাওয়া হয়।
প্রশাসনসূত্রে জানা গেছে, আজ স্থানীয় সময় ভোরের দিকে বাসিলানের জাম্বোয়াঙ্গা শহর থেকে পার্শ্ববর্তী মিন্দানাও প্রদেশের জোলো দ্বীপের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল ‘ত্রিশা কেরস্টিন ৩’ নামের সেই ফেরিটি; কিন্তু যাত্রা শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই সেটি ডুবে যায়।
ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল— তা এখনও জানা যায়নি। কোস্টগার্ড ও দুর্যোগ মোকাবিলা দপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আপতত তারা ডুবে যাওয়া যাত্রীদের উদ্ধারে মনোযোগ দিচ্ছেন।
দুর্যোগ মোকাবিলা দপ্তরের উদ্ধারকারী দলের মুখপাত্র রোনালিন পেরেজ এএফপিকে বলেছেন, “আমরা এখন পর্যন্ত ১৩৮ জনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করতে পেরেছি। তাদের মধ্যে ১৮ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।”
উদ্ধার তৎপরতায় গতি আনতে মিন্দানাও প্রাদেশিক প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে— উল্লেখ করে রোনালিন আরও বলেন, “এই মূহূর্তে আমাদের কর্মীসংকট চলছে। উদ্ধার তৎপরতাকে গতিশীল করতে আমরা মিন্দানাও দুর্যোগ মোকাবিলা দপ্তরের সঙ্গে যৌথভাবে তৎপরতা চালাচ্ছি। মিন্দানাও প্রাদেশিক কর্তৃপক্ষ এই তৎপরতার সার্বিক সমন্বয়ের দায়িত্বে আছে।”
এর আগে ২০২৩ সালে দক্ষিণ ফিলিপাইনে একটি ফেরিতে আগুন লেগে ৩০ জন নিহত হয়েছিল।
এএইচ
