ঢাকা, সোমবার   ২৬ জানুয়ারি ২০২৬,   মাঘ ১৩ ১৪৩২

ঢাবিতে জামায়াত নেতার কুশপুত্তলিকা দাহ, বিক্ষোভ

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ১১:১৪ এএম, ২৬ জানুয়ারি ২০২৬ সোমবার

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নিয়ে বরগুনার জামায়াত নেতা মো. শামীম আহসানের মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এ সময় বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীরা ওই জামায়াত নেতার কুশপুত্তলিকা দাহ করেন।

রোববার রাত ৯টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে বিক্ষোভ করেন নারী শিক্ষার্থীরা।

এ সময় তারা বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীদের বেশ্যা বলল, ডাকসুর কিছু যায় আসে না? আমার দেশের নারীরা বেশ্যা? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নারীরা বেশ্যা? যে এই মন্তব্য করে তার জিহ্বা টেনে ছিঁড়ে ফেলা উচিত।’

বিক্ষোভে এক নারী শিক্ষার্থী বলেন, ‘নারীদের নিয়ে এমন মন্তব্য করল আর আমাদের সরকার সেটা হজম করছে। ডাকসু সাংগঠনিকভাবে কিছু করেছে? তারা শুধু চোখ ধাঁধানো অনুষ্ঠান করে, এর চেয়ে লজ্জার কিছু নাই। তার পাশের সিটে বসে থাকা ডাকসুর সদস্য নারীদের বেশ্যা বলে আখ্যায়িত করা হয় তখন তার কোন প্রতিবাদ নেই। এই লজ্জা নিয়ে কিভাবে ডাকসু অফিসে যায় ডাকসুর নেতারা।’

ওই শিক্ষার্থী আরও বলেন, ‘ডাকসুর নেতারা ক্যাম্পাসে কোন সময় দেয় না। তারা কী করে, তারা জামায়াতের নির্বাচনী প্রচারণা করে প্রত্যন্ত অঞ্চলে গিয়ে। এজন্য শিক্ষার্থীরা তাকে ভোট দিয়েছে? আমাদের ভোট এই জন্য তাদের দেওয়া হয়েছে?’

এর আগে বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মো. শামীম আহসানের কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয়। 

এদিকে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনও এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে শামীম আহসানের বক্তব্যকে ‘অশ্লীল, কুরুচিপূর্ণ ও অর্বাচীন’ হিসেবে আখ্যায়িত করে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “তার এই বক্তব্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমর্যাদা, সুনাম ও ঐতিহ্যকে চরমভাবে ক্ষুণ্ণ করেছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অবিলম্বে এই বক্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে।”

এর আগে ওই জামায়াত নেতা বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) একসময় বেশ্যাখানা ও মাদকের আড্ডা ছিল’। 

এএইচ