ঢাকা, রবিবার   ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬,   মাঘ ১৮ ১৪৩২

যারা বছরের পর বছর গুপ্ত ছিল, তারাই আজ মজলুমদের গুপ্ত বলে: জামায়াত আমির

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ১০:৩০ পিএম, ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ শনিবার | আপডেট: ১০:৪৮ পিএম, ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ শনিবার

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, যারা বছরের পর বছর উধাও ছিল, তারাই আবার মজলুমদের বলে গুপ্ত আর সুপ্ত। তাদের অন্যের দিকে আঙুল তোলার আগে নিজেদের চেহারা আয়নায় দেখা উচিত।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) ঢাকার কেরানীগঞ্জে এক নির্বাচনী জনসভায় জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান এসব কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জাতি চিন্তা করেনি ফ্যাসিস্টরা অপদস্ত হয়ে দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হবে এবং ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি একটি নির্বাচন হবে। জাতি চিন্তা করেনি ছোপ ছোপ রক্ত ও সারি সারি লাশ থেকে রেহাই পাবে। সাড়ে ১৫ বছর যারা ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছিল তারাই দেশের ব্যাংক ডাকাতি ও শেয়ারবাজার লুট করেছে। জনগণের পকেট কেটেছে, দেশকে চাঁদাবাজির স্বর্গরাজ্য বানিয়েছে ও দুর্নীতিতে দেশকে ডুবিয়ে দিয়েছে।

তিনি বলেন, দেশকে যারা ভালোবাসে তারা মানুষকে শান্তি দিতে চায়, আর যারা দেশকে ভালোবাসে না তারা মানুষকে কষ্ট দেয়। জামায়াতের শীর্ষ ১১ জনকে মিথ্যা অভিযোগে হত্যা করা হয়েছে। দলের সব অফিস সাড়ে ১৩ বছর বন্ধ রাখা হয়েছে। ১ হাজারের বেশি নেতাকর্মীকেও হত্যা করা হয়েছে। নেতাকমীদের বাড়িঘর বুলডোজার দিয়ে ভেঙে দেয়া হয়েছে। প্রতীক কেড়ে নেয়া হয়েছে, শেষ পর্যন্ত দলকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

জামায়াত আমির বলেন, ‘জুলাই না হলে কিসের আবার ২৬ সাল নির্বাচন? জুলাই না হলে তো নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল ফ্যাসিবাদীদের অধীনে ২৯ সালে। ২৬ সালের নির্বাচন চাইব, আবার জুলাই মানব না, জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করব না, সম্মান দেখাব না— এটা হতে পারে না। আমরা স্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছি, ইনশাল্লাহ এই বাংলাদেশকে দুর্নীতিমুক্ত করে ছাড়ব, চাঁদাবাজমুক্ত করে ছাড়ব, মা-বোনদের ইজ্জত প্রতিষ্ঠা করে ছাড়ব। শিশু এবং বৃদ্ধদের জন্য নিরাপদ বাংলাদেশ ইনশাল্লাহ উপহার দেব। বাংলাদেশে আর কোনো ব্যাংক ডাকাতের অস্তিত্ব থাকবে না। আমরা বলেছি আর কোনো শেয়ার মার্কেট লুট করার দুঃসাহস কেউ দেখাবে না। আমরা বলেছি আর ঘরে ঘরে চাদার নামে ডাকাতি করার সুযোগ দেব না।’

এমআর//