শেষ হলো নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা
একুশে টেলিভিশন
প্রকাশিত : ০৮:৩৮ এএম, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ মঙ্গলবার | আপডেট: ০৮:৪৪ এএম, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ মঙ্গলবার
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেষ হলো নির্বাচনী প্রচার। ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে প্রার্থীদের সব ধরনের নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা বন্ধ রাখার বিধান রয়েছে। সেই অনুযায়ী আজ মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টায় নির্বাচনী প্রচার শেষ হয়।
গত ২২ ডিসেম্বর থেকে এবারের নির্বাচনের জন্য ২০ দিনের প্রচারের সুযোগ পেয়েছিলেন প্রার্থীরা।
ইসির রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা ২০২৫-এর ১৮ ধারায় বলা হয়েছে, ‘কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল কিংবা তৎকর্তৃক মনোনীত প্রার্থী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী কিংবা তাদের পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি ভোটগ্রহণের জন্য নির্ধারিত দিনের ৩ (তিন) সপ্তাহ সময়ের পূর্বে কোনো প্রকার নির্বাচনী প্রচার শুরু করতে পারবেন না, এবং ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার পূর্ববর্তী ৪৮ ঘণ্টা পূর্বে নির্বাচনী প্রচারণা সমাপ্ত করবেন।’
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, নির্বাচনে রাজনৈতিক দলের প্রচার প্রচারণা বন্ধ হবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টায়, নির্বাচনের ভোটগ্রহণের ৪৮ ঘণ্টা আগে।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ২৯৯ সংসদীয় আসনে একযোগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
গত ২ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা যাওয়ায় ওই আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাতিল করেছে ইসি।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ৫১টি রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করছে। নির্বাচনে মোট প্রার্থী ২ হাজার ৩৪ জন। এর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী ২৭৫ জন। ভোট কেন্দ্র ৪২,৭৭৯টি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ভোটার ১২ কোটি ৭৭ রাখ ১১ হাজার ৭৯৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ রাখ ২৫ হাজার ৩৬১ জন। নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ২০০ জন। আার তৃতীয় লিঙ্গ ভোটার রয়েছেন ১ হাজার ২৩২ জন।
নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি। দলটির প্রতীক ‘ধানের শীষ’ নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ২৯১ জন প্রার্থী। এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৫৮ জন প্রার্থী ‘হাতপাখা’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। জামায়াতের ২২৯ জন প্রার্থী ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।
এছাড়া জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন ১৯৮ জন প্রার্থী। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শাপলা কলি প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন ৩২ জন প্রার্থী। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে ৭৬ জন ‘ফুটবল’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এএইচ
