নির্বাচনের পরিবেশ খুবই ইতিবাচক: ইইউ প্রধান পর্যবেক্ষক
একুশে টেলিভিশন
প্রকাশিত : ১২:০০ পিএম, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ মঙ্গলবার | আপডেট: ১২:১৪ পিএম, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ মঙ্গলবার
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে পর্যবেক্ষকরা মাঠে আছেন এবং নির্বাচনের পরিবেশ খুবই ইতিবাচক বলে জানিয়েছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষক দলের প্রধান ইভার্স ইজাবস।
আজ মঙ্গলবার সকালে একটি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
জানুয়ারির শুরু থেকে প্রায় ৬০ জন দীর্ঘমেয়াদি ইইউ পর্যবেক্ষক বাংলাদেশে আছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্বল্পমেয়াদি পর্যবেক্ষকরা আজ থেকে মাঠে থাকবেন এবং তারা সকলে সকলেই পেশাগতভাবে অত্যন্ত দক্ষ।
তিনি আরও জানান, ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি সদস্য রাষ্ট্র থেকেই পর্যবেক্ষক এসেছেন। ইইউ'র অংশীদার দেশ নরওয়ে, সুইজারল্যান্ড ও কানাডার পর্যবেক্ষকরাও এই মিশনে যুক্ত হয়েছেন।
এ সময় তিনি উপস্থিত সাংবাদিকদের জানান, বর্তমানে নির্বাচনী পরিবেশ খুবই ইতিবাচক। তবে কিছু কিছু বিষয় আছে, যা নিয়ে আলোচনা করা দরকার। মোটা দাগে একটি আশাবাদী পরিবেশ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
ইইউ প্রধান পর্যবেক্ষক বলেন, মিশনের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা বাহিনী, সেনাবাহিনী ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। কিছু এলাকা তুলনামূলকভাবে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হলেও সামগ্রিকভাবে রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখেছে বলে তাদের ধারণা।
নারী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণ নিয়ে ইভার্স ইজাবস বলেন, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ও যৌক্তিক বিষয়। নির্বাচনকে প্রকৃত অর্থে অংশগ্রহণমূলক করতে সব সম্প্রদায়, সংখ্যালঘু এবং বিশেষ করে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।
তারা প্রার্থী এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের কর্তৃপক্ষের সাথে আলাপ করেছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাদের বেশিরভাগই বলেছেন, এই নির্বাচন বাংলাদেশের ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে পারে।
ইভার্স ইজাবস বলেন, দেশজুড়ে আমাদের ২০০ জন পর্যবেক্ষক নিয়োজিত রয়েছেন, যার মাধ্যমে আমরা এই ঐতিহাসিক নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে অবদান রাখছি। এই বৃহৎ এবং নিবেদিত মিশন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার প্রতি ইউরোপীয় ইউনিয়নের অবিচল অঙ্গীকারেরই বহিঃপ্রকাশ।
ইভার্স ইজাবস বলেন, আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে এবং তখন এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হবে।
তিনি বলেন, নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের কাজ হলো নিরপেক্ষ থাকা এবং কোনো রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় জড়িত না হওয়া। নির্বাচন শেষে প্রায় দুই মাস পর প্রকাশিত চূড়ান্ত প্রতিবেদনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন বিষয়ে সুপারিশ অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
এএইচ
