ঢাকা, সোমবার   ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬,   ফাল্গুন ৪ ১৪৩২

জুলাই সনদে স্বাক্ষর করল এনসিপি, প্রধান উপদেষ্টার ধন্যবাদ

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ০৮:০৯ পিএম, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সোমবার | আপডেট: ০৮:১২ পিএম, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সোমবার

বহুল আলোচিত ‘জুলাই সনদে’ অবশেষে স্বাক্ষর করল ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। সনদে স্বাক্ষর করায় এনসিপিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় গিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেন দলটির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ। 

এ সময় শীর্ষ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ছাড়াও উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এনসিপি এই সনদে স্বাক্ষর করবে বলেই জাতির বিশ্বাস ছিল, আজকে সেই বিশ্বাস পূর্ণতা পেলো, জুলাই জাতীয় সনদ পূর্ণতা পেলো। এনসিপিকে ধন্যবাদ এই মহতি কাজে অংশগ্রহণের জন্য।

তিনি বলেন, এই দলিল যেন নতুন বাংলাদেশকে মানবিক বাংলাদেশ হিসেবে গড়তে প্রতিটি পদে পদক্ষেপ রাখে তার জন‍্য প্রতি মুহূর্তে সচেতন থাকতে হবে।

প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, আগামীকাল নতুন সংসদের সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠিত হবে। সকলের সামনের দিনগুলোতে শুভ হোক। 
নাহিদ ইসলাম বলেন, আমাদের দল থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা আগামীকাল শপথ গ্রহণ করবেন। আমরা একই সঙ্গে দুটো শপথ গ্রহণ করতে যাচ্ছি। আমাদের ওপর দেশের মানুষ যে আস্থা রেখেছে আমরা তা বাস্তবায়ন করবো।

তিনি বলেন, জুলাই সনদে সবার শেষ স্বাক্ষর করলেও এই সনদ বাস্তবায়নের জন‍্য আমরা ছিলাম সর্বোচ্চ তৎপর।

জুলাই সনদ স্বাক্ষর করতে যমুনায় যান জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ৬ সদস্যের প্রতিনিধিদল। প্রতিনিধি দলে ছিলেন- এনসিপির আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম, সদস্য সচিব আখতার হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, যুগ্ম আহ্বায়ক জাভেদ রাসিন, যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন ও যুগ্ম সদস্য সচিব জহিরুল ইসলাম মুসা।

এর আগে আইনি ভিত্তি ও সংস্কারের সুনির্দিষ্ট রূপরেখা নিয়ে ‘আপত্তির’ কারণে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করা থেকে বিরত ছিল এনসিপি। তবে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে এবং সংবিধান সংস্কারের লক্ষ্য পূরণে দলটি ঐতিহাসিক এই সনদে যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি জুলাই জাতীয় সনদের সংবিধান-সম্পর্কিত প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নে গণভোট হয়। গণভোটে বিপুল ব্যবধানে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হয়েছে। ভোট পাওয়ার পরিমাণ যেখানে প্রায় দ্বিগুণ। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হওয়ায় রাষ্ট্রের মৌলিক সংস্কারের প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নের পথ খুলেছে।

এএইচ