বৃহস্পতিবার অমর একুশে বইমেলা উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
একুশে টেলিভিশন
প্রকাশিত : ১১:৩৯ পিএম, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বুধবার
‘বহুমাত্রিক বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শুরু হচ্ছে অমর একুশে বইমেলা-২০২৬। এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শুরু হতে যাওয়া মাসব্যাপী এই আয়োজনের পর্দা উঠছে।
দুপুর ২টায় প্রধান অতিথি হিসেবে বইমেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার-২০২৫ বিজয়ীদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদ তুলে দেবেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক। স্বাগত বক্তব্য রাখবেন মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখবেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী ও সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম।
এছাড়া শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখবেন বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির সভাপতি মো. রেজাউল করিম বাদশা এবং সংস্কৃতিসচিব মো. মফিদুর রহমান।
আগামী ১৫ মার্চ পর্যন্ত চলা এই বইমেলা প্রতিদিন খোলা থাকবে দুপুর ২টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত। তবে, ছুটির দিনে মেলা চলবে সকাল ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত। রাত সাড়ে ৮টার পর নতুন করে কেউ মেলা প্রাঙ্গণে প্রবেশ করতে পারবে না।
বইমেলায় বাংলা একাডেমি ও অংশগ্রহণকারী অন্যান্য প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান ২৫ শতাংশ কমিশনে বই বিক্রি করবে। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের নির্ধারিত কমিশন নীতি অনুসরণ করবে। বাংলা একাডেমির নিজস্ব বই ও পত্রিকা বিক্রির জন্য মেলার দুই অংশেই স্টল থাকবে।
এবারের মেলায় মোট ৫৪৯টি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে। বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ৮১টি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে ৪৬৮টি প্রতিষ্ঠানের জন্য মোট ইউনিট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ১ হাজার ১৮টি। গত বছর প্রতিষ্ঠান ছিল ৭০৮টি এবং ইউনিট ছিল ১ হাজার ৮৪টি।
বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের উন্মুক্ত মঞ্চের কাছে গাছতলায় লিটল ম্যাগাজিন চত্বরের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে ৮৭টি লিটল ম্যাগাজিনের জন্য স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
এবারের বইমেলা আয়োজনে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে পরিবেশ সুরক্ষায়। আয়োজকরা ঘোষণা দিয়েছেন, এবারের বইমেলা হবে ‘জিরো ওয়েস্ট বইমেলা’। এ লক্ষ্যে মেলা প্রাঙ্গণকে পলিথিন ও ধূমপানমুক্ত রাখা হবে। স্টল, দোকান, মঞ্চ, ব্যানার, লিফলেট ও খাবারের দোকানগুলোতে পুনর্ব্যবহারযোগ্য ও পরিবেশবান্ধব উপকরণ যেমন-পাট, কাপড় ও কাগজ ব্যবহারের জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এমআর//
