ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬,   ফাল্গুন ১৪ ১৪৩২

বাংলাদেশ ব্যাংকে নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের যোগদান

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ১২:৪৫ পিএম, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বৃহস্পতিবার | আপডেট: ১২:৪৭ পিএম, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বৃহস্পতিবার

১৪তম গভর্নর হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকে যোগদান করেছেন সদ্য নিয়োগ পাওয়া মো. মোস্তাকুর রহমান। 

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল পৌনে ১০টার কিছু আগে তিনি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। এ সময় বাংলাদেশ ব্যাংকে আসলে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা তাকে স্বাগত জানান।

ভেতরে প্রবেশের আগে সাংবাদিকদের গভর্নর বলেন, ‘কথায় নয়, কাজের মধ্য দিয়েই নিজের দক্ষতা ও যোগ্যতা প্রমাণ করতে চাই। এসেছি, কাজ শুরু করি তারপর কথা বলা যাবে।’

আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদানের আগে গভর্নর অর্থ মন্ত্রণালয়ে যান, সেখানে কার্যক্রম শেষ করে তিনি কেন্দ্রীয় ব্যাংকে আসেন৷

জানা গেছে, নতুন গভর্নর আজ দিনের প্রথম ভাগে ডেপুটি গভর্নর, বিএফআইইউ প্রধান ও প্রধান অথনীতিবিদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এরপর নির্বাহী পরিচালকদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

এর আগে গতকাল বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এর আগে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করে সরকার। 

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মো. মোস্তাকুর রহমান এফসিএমএকে অন্যান্য সব প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে তার যোগদানের তারিখ থেকে ৪ (চার) বছরের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদে নিয়োগ দেওয়া হলো।

গভর্নর পদে দায়িত্ব পালনকালে সরকারের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, তিনি বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে গ্রহণ করবেন। নিয়োগের অন্যান্য বিষয়াদি চুক্তিপত্রের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে। জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

দীর্ঘ ৩৩ বছরেরও বেশি সময়ের পেশাগত অভিজ্ঞতা সম্পন্ন গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্ট (সিএমএ) বর্তমানে দেশের আর্থিক ও শিল্প খাতের অন্যতম অভিজ্ঞ ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত।

নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান কর্পোরেট ফাইন্যান্স, রপ্তানি, অর্থনীতি, প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনায় নেতৃত্বদানকারী একজন বিশেষজ্ঞ। তিনি ১৯৮৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাকাউন্টিং বিভাগে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। আইসিএমএবি’র এই ফেলো চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের পরিচালনা পর্ষদেরও সদস্য ছিলেন।

এএইচ