সৌদিতে মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন হামলা, পাল্টা ব্যবস্থার ইঙ্গিত
একুশে টেলিভিশন
প্রকাশিত : ০৯:৪১ এএম, ৩ মার্চ ২০২৬ মঙ্গলবার
সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত করেছে, রিয়াদে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে দুটি ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।
এক্স-এ প্রকাশিত এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় জানায়, এ ঘটনায় “সীমিত মাত্রার অগ্নিকাণ্ড এবং ভবনের সামান্য ক্ষয়ক্ষতি” হয়েছে।
সৌদি আরবের জেদ্দা, রিয়াদ এবং জাহরানে যুক্তরাষ্ট্রের মিশনের কর্মীদের জন্য পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার নির্দেশনা জারি করেছে এবং জানিয়েছে যে তারা অঞ্চলে অবস্থিত যেকোনো সামরিক স্থাপনায় অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ সীমিত করবে।
দূতাবাসে হামলার পাল্টা ব্যবস্থা ‘শিগগিরই’ নিতে পারে যুক্তরাষ্ট্র ইঙ্গিত দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। কেবল নেটওয়ার্ক নিউজনেশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেছেন, রিয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে হামলা এবং মার্কিন সেনাসদস্যদের মৃত্যুর ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র “শিগগিরই” পাল্টা ব্যবস্থা নেবে।
যুক্তরাষ্ট্র সোমবার রাতে জানায়, এখন পর্যন্ত ছয়জন সেনাসদস্য নিহত এবং ১৮ জন আহত হয়েছে।
এদিকে, ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত বছরের পর বছর ধরে টানার কোনো পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের নেই বলে জানিয়েছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স। ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটিই স্পষ্ট লক্ষ্য— ইরান যেন ‘কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র’ তৈরি করতে না পারে।
ভ্যান্স বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট শুধু তার দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথম তিন-চার বছর ইরানকে ঠেকিয়ে রাখতে চান না; তিনি নিশ্চিত করতে চান ইরান যেন কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র না পায়। আর এর জন্য ইরানি শাসনব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন প্রয়োজন।’
ইরাক বা আফগানিস্তানের মতো দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের অভিজ্ঞতার পুনরাবৃত্তি হবে না উল্লেখ করে ভ্যান্স বলেন, ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প এই দেশকে কোনোভাবেই বহু বছরের দীর্ঘ কোনো সংঘাতে জড়াতে দেবেন না।’
ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির সমালোচনা করে ভ্যান্স আরও দাবি করেন, তেহরান বেসামরিক ব্যবহারের কথা বললেও তাদের স্থাপনাগুলো মূলত পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির উদ্দেশ্যেই নির্মিত।
এএইচ
