নতুন আঙ্গিকে মোহাম্মদ আলী শিকদার জামে মসজিদ কমপ্লেক্স
একুশে টেলিভিশন
প্রকাশিত : ০১:৫২ পিএম, ৪ মার্চ ২০২৬ বুধবার
আঠারশ’ খ্রিস্টাব্দের শুরুতে মোহাম্মদ আলী শিকদার তার পূর্বপুরুষ ফতেহ আলী শিকদারের নামে ফতেহনগর গ্রামের গোড়াপত্তন করেন। পরবর্তীতে ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দে শিকদার পরিবারের আরেক কৃতি পুরুষ ওবায়েদ উল্লাহ সেখানে একটি পূর্ণাঙ্গ জামে মসজিদ স্থাপন করেন। মসজিদের ভবিষ্যৎ রক্ষণাবেক্ষণ এবং অন্যান্য খরচ নির্বাহের জন্য তিনি ১ একর উর্বর জমি (কাজীর ঘোনা) মসজিদের নামে ওয়াকফ করে দেন।
১৩৫০ বঙ্গাব্দে (১৯৪৩ খ্রিস্টাব্দ) মহা মন্বন্তরের পর ব্রিটিশ খেদাও আন্দোলনের প্রবাদ পুরুষ তৎকালীন জোয়ারা বোর্ড প্রেসিডেন্ট নজিরুদ্দিন আহমেদ তার মুরুশি জায়গায় ওযু করার সুবিধার্থে মসজিদের পাশে একটি পুকুর খনন করে দেন।
এরপর গত শতকের ষাটের দশকের শুরুতে গ্রামের কৃতিমান পুরুষ ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, চট্টগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি, দেশ বরেণ্য আইনজ্ঞ এডভোকেট বদিউল আলমের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় মসজিদটি আধা পাকা করা হয়। স্বাধীনতার পর তিনি মসজিদটি আরেকটু সম্প্রসারিত করে সম্পূর্ণ মোজাইক ও পাকা ঈদগাহ করে দেন।
২০১৪ সালে গ্রামবাসীর সকলের সহযোগিতায় ও অনুপ্রেরণায় শিকদার পরিবারের বর্তমান উত্তরসূরি, আন্তর্জাতিক মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, কঙ্গোর অনারারী কনসাল, হিজ এক্সিলেন্সি জিয়াউদ্দিন আদিল এবং তার সহধর্মিনী সাবেক মার্কিন দূতাবাস কর্মকর্তা ও বিশিষ্ট সমাজ সেবিকা সালমা খানমের সার্বিক প্রচেষ্টায় তুরস্কের ঐতিহাসিক অটোমান মুসলিম স্থাপত্যের আদলে মোহাম্মদ আলী শিকদার জামে মসজিদ কমপ্লেক্সটি সম্পূর্ণ নতুন আঙ্গিকে, আধুনিক ও বৃহৎ পরিসরে পুননির্মাণ কাজ শুরু হয়। ২০২২ সালে আধুনিক এই মসজিদটির পূর্ণাঙ্গ নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়।
এএইচ
