চীন–বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক বিনিময় কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের অংশ নেওয়ার আহ্বান
একুশে টেলিভিশন
প্রকাশিত : ১১:০৯ পিএম, ৫ মার্চ ২০২৬ বৃহস্পতিবার | আপডেট: ১১:১১ পিএম, ৫ মার্চ ২০২৬ বৃহস্পতিবার
চীনা দূতাবাসের কালচারাল কাউন্সেলর লি শাওফেং বলেছেন, ‘চীন ও বাংলাদেশ উভয়ই প্রাচীন সভ্যতার দেশ। সাংস্কৃতিক বিনিময়ের মাধ্যমে দুই দেশের জনগণ একে অপরকে আরও ভালোভাবে বুঝতে পারবে এবং পারস্পরিক বন্ধুত্ব আরও দৃঢ় হবে।’
চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত চীনা ক্যালিগ্রাফি প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি উল্লেখ করেন, ‘ল্যান্টিং ইয়াচি’ চীনা সাংস্কৃতিক ইতিহাসের একটি বিখ্যাত ঘটনার স্মরণে আয়োজিত হয়েছে। খ্রিস্টাব্দ ৩৫৩ সালে বিখ্যাত ক্যালিগ্রাফার ওয়াং সিচি চীনের ল্যান্টিংয়ে বন্ধুদের নিয়ে এক সমাবেশে কবিতা রচনা করেছিলেন, যা পরে চীনা ক্যালিগ্রাফির ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে ওঠে।
তিনি বলেন, চীনা অক্ষরের ইতিহাস পাঁচ হাজার বছরেরও বেশি পুরোনো এবং চীনা সমাজে ক্যালিগ্রাফি শুধু লেখার মাধ্যম নয়, বরং এটি একটি শিল্প, সংস্কৃতি এবং আত্মপ্রকাশের উপায়। তুলি ও কালির মাধ্যমে মানুষ তাদের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে।
অনুষ্ঠানের বিভিন্ন আয়োজনের কথা উল্লেখ করে কাউন্সেলর বলেন, অংশগ্রহণকারীরা ঐতিহ্যবাহী হানফু পোশাক পরিধান, চীনা অক্ষর লেখা এবং কুছেং বাদ্যের সুর শোনার মাধ্যমে প্রাচীন চীনা সংস্কৃতির একটি অনন্য অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারছেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি চীন–বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক বিনিময় কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান। চীনা ভাষা শেখা, চীন ভ্রমণ করা কিংবা দুই দেশের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করার মাধ্যমে সবাই এই বন্ধুত্বকে আরও এগিয়ে নিতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এমআর//
