রাইড শেয়ারের মোটরসাইকেল দিনে তেল পাবে ৫ লিটার
একুশে টেলিভিশন
প্রকাশিত : ১২:৫৫ পিএম, ১০ মার্চ ২০২৬ মঙ্গলবার | আপডেট: ০১:৩৪ পিএম, ১০ মার্চ ২০২৬ মঙ্গলবার
মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেলের সরবরাহ সীমা বেঁধে দিয়েছে সরকার। এতে দিনে ২০০ টাকার তেল নিতে পারছেন মোটরসাইকেল চালকেরা। তবে মহানগর এলাকায় রাইড শেয়ার করা মোটরসাইকেলের জন্য এটি বাড়িয়ে দিনের সীমা সর্বোচ্চ ৫ লিটার করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এটি জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, মোটরসাইকেলের রাইড শেয়াররা দিনে সর্বোচ্চ ৫ লিটার অকটেন বা পেট্রল নিতে পারবেন।
বিপিসি আরও বলেছে, সরকার নির্ধারিত দামে জ্বালানি তেল বিক্রির বাধ্যবাধকতা আছে। সংকটের অজুহাতে দাম বাড়ানো আইনগত অপরাধ। দাম বাড়ানোর বিষয়ে সরকার কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তেলের ধরন, পরিমাণ উল্লেখ করে রাইড শেয়ারকারী মোটরসাইকেল চালককে বিলের রশিদ নিতে হবে। প্রতিবার জ্বালানি তেল কেনার সময় আগের রশিদ জমা দিতে হবে। মোটরসাইকেলের নিবন্ধন নম্বর ও চালকের তথ্যাদি রাইড শেয়ারিং অ্যাপসের সাথে মিলিয়ে তেল সরবরাহ করতে হবে।
এর আগে গত শুক্রবার একটি মোটরসাইকেলে দিনে ২ লিটার পেট্রল বা অকটেন নেওয়ার নির্দেশনা দেয় বিপিসি।
বিপিসির নির্দেশনা অনুসারে, ব্যক্তিগত গাড়ির ক্ষেত্রে ১০ লিটার তেল নেওয়া যাবে। স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিকেল বা এসইউভি (যা জিপ নামে পরিচিত) ও মাইক্রোবাস দিনে পাবে ২০ থেকে ২৫ লিটার তেল। পিকআপ বা লোকাল বাস দিনে ডিজেল নিতে পারবে ৭০ থেকে ৮০ লিটার। আর দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান বা কনটেইনার ট্রাক দৈনিক ২০০ থেকে ২২০ লিটার তেল নিতে পারবে।
বিপিসি জানায়, দেশের জনগণের ভোগান্তি কমাতে ও জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বিদেশ থেকে আমদানি কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে এবং নিয়মিতভাবে জ্বালানি দেশে আনা হচ্ছে। পাশাপাশি ডিলারদের মাধ্যমে সারাদেশে রেল ওয়াগন ও ট্যাংকারের মাধ্যমে তেল সরবরাহ করা হচ্ছে।
বর্তমান সংকটময় পরিস্থিতিতে দেশে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির বিষয়ে সরকার এখনও পর্যন্ত কোন সিদ্ধান্ত নেয়নি। সংকটের অজুহাতে অতিরিক্ত মূল্য আদায় না করা এবং সকল ভোক্তা বা ডিলারদের বিপিসির নির্দেশনা মেনে জ্বালানি তেল সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সকলের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, এর আগে ৬ মার্চ সকল মোটরসাইকেলের জন্য দৈনিক ২ লিটার জ্বালানি নির্ধারণ করেছিল সরকার।
এএইচ
