ঢাকা, রবিবার   ১৫ মার্চ ২০২৬,   চৈত্র ১ ১৪৩২

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর খবর নাকচ করল ফ্রান্স

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ০৯:২৬ এএম, ১৫ মার্চ ২০২৬ রবিবার

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সংঘাতের মধ্যে ফ্রান্সের যুদ্ধজাহাজ মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানো হচ্ছে বলে খবর ছড়িয়েছিল। কিন্তু ফ্রান্স তা অস্বীকার করেছে।

ফরাসি নৌবাহিনী মধ্যপ্রাচ্যে ১০টি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে যে খবর ছড়িয়েছিল ফ্রান্সের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তা প্রত্যাখ্যান করেছে। 

হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আহ্বানের পর এই খবরটি সামনে এসেছিল।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে ফ্রান্সের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধজাহাজ পাঠানো হয়নি।

রণতরি পূর্ব ভূমধ্যসাগরেই অবস্থান করছে। ফ্রান্সের অবস্থান অপরিবর্তিত। 

এদিকে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, হরমুজ প্রণালি বন্ধ করা হয়নি। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র পরিস্থিতিকে ঘুরিয়ে দিতে চাইছে। সংঘাতকে বিশ্বের বিরুদ্ধে ইরান হিসেবে তুলে ধরতে চাইছে—যাতে মনে হয় ইরান আন্তর্জাতিক রুটগুলোতে চলাচলে বাধা দিচ্ছে।

আরাগচি বলেন, এই প্রণালি শুধু যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি জাহাজের জন্য বন্ধ রয়েছে।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি একটি মার্কিন সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দেশটির অবস্থান পরিষ্কার করে গতকাল এ কথা বলেছেন। তথ্যসূত্র : আল–জাজিরা

অপরদিকে, ইরানের খাতাম আল-আম্বিয়া সদর দপ্তর অভিযোগ করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের তৈরি শাহেদ ড্রোনের আদলে তৈরি ‘লুকাস’ ড্রোন ব্যবহার করে এই অঞ্চলে হামলা চালাচ্ছে এবং এর দায় ইরানের ওপর চাপিয়ে দিচ্ছে।

ইরানি গণমাধ্যম আইআরআইবি-তে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে তুরস্ক, কুয়েত এবং ইরাকের মতো প্রতিবেশী ও বন্ধুপ্রতীম দেশগুলোর বিভিন্ন কেন্দ্রে চালানো বর্বরোচিত হামলা এবং এসব হামলার দায় ইরানি সশস্ত্র বাহিনীর ওপর চাপানো এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এই কৌশলের মূল লক্ষ্য হলো ইরানি সামরিক বাহিনীর ‘প্রতিরক্ষামূলক, আইনি এবং বৈধ পদক্ষেপগুলোকে’ খাটো করা এবং তেহরানের সঙ্গে তার প্রতিবেশীদের ‘বিবাদ ও বিভেদ সৃষ্টি’ করা।

এএইচ