লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে ৭ জন মেঘনায়, পুলিশ সদস্য নিখোঁজ
ভোলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত : ০২:৫২ পিএম, ১৯ মার্চ ২০২৬ বৃহস্পতিবার
ভোলার লালমোহনে মৎস্য বিভাগের অভিযানে যাওয়ার পথে মেঘনা নদীতে কর্ণফুলী লঞ্চের সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোট উল্টে ফকরুল ইসলাম নামে এক পুলিশ সদস্য নিখোঁজ হয়েছেন। এ ঘটনায় পুলিশসহ অন্তত সাতজন নদীতে পড়ে যান। তাঁদের মধ্যে ছয়জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার (১৮ মার্চ) রাতে উপজেলার মঙ্গল শিকদার লঞ্চঘাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিখোঁজ পুলিশ সদস্য ফকরুল ইসলাম মঙ্গল শিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। তাঁর বাড়ি বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায়। খবর পেয়ে পুলিশ, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের যৌথ উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে তল্লাশি শুরু করেছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বুধবার রাতে মঙ্গল সিকদার লঞ্চঘাটে এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্পিডবোটটিতে মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তা এবং পুলিশ সদস্যরা ছিলেন। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়দের সহায়তায় ছয়জনকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও এখনো নিখোঁজ রয়েছেন কনস্টেবল ফখরুল ইসলাম।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসেন জানান, ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর অভয়াশ্রম এলাকায় নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে যৌথ অভিযানে যাচ্ছিলেন মৎস্য বিভাগ ও পুলিশ সদস্যরা। এ জন্য সাত সদস্যের একটি দল সন্ধ্যায় মঙ্গল শিকদার লঞ্চঘাট থেকে ভাড়া করা স্পিডবোটে বাত্তির খালের উদ্দেশে রওনা দেয়।
আহতদের উদ্ধার করে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য স্পিডবোট চালক মো. ইয়ামিনকে ভোলা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে, আজ সকাল থেকে নিখোঁজ পুলিশ সদস্যকে উদ্ধারে নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড এবং ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে।
লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম জানিয়েছেন, ঘটনার পরপরই স্থানীয় পুলিশ নদীতে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। আজ সকাল থেকে বিশেষায়িত তিনটি সংস্থার ডুবুরি দল উদ্ধার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
এএইচ
